গ্রিন হাউজ গ্যাস ও গ্রিন হাউজ প্রভাব MCQs
Showing 38 questions (Total: 38)
কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস?
Correct Answer:
খ: CH₄
Explanation:
কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস? সঠিক উত্তর CH₄ গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
কোন গ্যাসটিকে নীরব ঘাতক বলা হয়?
Correct Answer:
ক: CO
Explanation:
কোন গ্যাসটিকে নীরব ঘাতক বলা হয়? সঠিক উত্তর CO CO কে নীরব ঘাতক বলা হয়। কারণ এটি মানুষকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এটি নিঃশ্বাসের মাধ্যমে অক্সিজেনের সাথে প্রবেশ করে রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন উৎপন্ন করে দেহে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে।
গ্রীন হাউজ প্রতিক্রিয়া কোন সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়?
Correct Answer:
খ: ভীণের সূত্র
Explanation:
গ্রীন হাউজ প্রতিক্রিয়া কোন সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়? সঠিক উত্তর ভীণের সূত্র জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ডব্লিউ জে ভীন (জার্মান শব্দ Wien এর উচ্চারণ ভীন) ১৮৯৬ সালে তাপ গতিবিদ্যার তত্ত্ব প্রয়ােগ করে কৃষ্ণবস্তুর বর্ণালীতে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য শক্তি বন্টন বিষয়ক দুটি সূত্র প্রদান করেন
বায়ুমন্ডলের গ্রীন হাউজ গ্যাস না থাকলে ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা-
Correct Answer:
ঘ: অনিশ্চিত অবস্থায় পড়ত
Explanation:
বায়ুমন্ডলের গ্রীন হাউজ গ্যাস না থাকলে ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা- সঠিক উত্তর অনিশ্চিত অবস্থায় পড়ত গ্রীন হাউস গ্যাস না থাকলে বায়ুতে তাপমাত্রার ভারসাম্য নষ্ট হত। ফলে তাপমাত্রার মান অনিশ্চিত হয়ে পড়ত।
CO2CFC, CH4, N2 গ্যাস গুলোর মাঝে কোনটি গ্রীণ হাউজ গ্যাস নয়?
Correct Answer:
গ: N2
Explanation:
CO2CFC, CH4, N2 গ্যাস গুলোর মাঝে কোনটি গ্রীণ হাউজ গ্যাস নয়? সঠিক উত্তর N2 গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
কোনটি 'গ্রিন হাউস' গ্যাস নয়?
Correct Answer:
ঘ: O3
Explanation:
কোনটি 'গ্রিন হাউস' গ্যাস নয়? সঠিক উত্তর O3 গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস নয়?
Correct Answer:
ক: CH4
Explanation:
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস নয়? সঠিক উত্তর CH4 গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
গ্রীণ হাউজ গ্যাসগুলোর সঠিক শতকরা হার লিখ।
Correct Answer:
ক: CO2 : 49% , CFC : 14% , CH4 : 18% N2O : 6% Others : 13 %
প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস কোনটি?
Correct Answer:
খ: CO2
Explanation:
প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর CO2 গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
গ্রিণ হাউস ক্রিয়া নিম্নের নিম্নের কোন সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়?
Correct Answer:
খ: ভীণের সূত্র
কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস নয়?
Correct Answer:
ক: SO2
Explanation:
কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস নয়? সঠিক উত্তর SO2 গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
’নীরব ঘাতক’ কোনটিকে বলে?
Correct Answer:
গ: CO
Explanation:
’নীরব ঘাতক’ কোনটিকে বলে? সঠিক উত্তর CO কার্বন মনোক্সাইড মানুষের অজান্তেই খুব সহজেই শ্বাসের সাথে ফুসফুসে চলে যায় । সেখানে গিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্তের হিমোগ্লোবিনের আয়রন এর সাথে CO লিগ্যান্ডরূপে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠনে বাধা দেয় । CO গ্যাস অক্সিহিমোগ্লোবিন ভেঙ্গে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে ।যার ফলে অক্সিজেন বহুরূপে কাজ করতে পারে না, শ্বাসকষ্ট হয় এবং হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে । তাই কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বলা হয় ।
কোনটিকে নীরব ঘাতক বলা হয়?
Correct Answer:
ক: CO
Explanation:
কোনটিকে নীরব ঘাতক বলা হয়? সঠিক উত্তর CO কার্বন মনোক্সাইড মানুষের অজান্তেই খুব সহজেই শ্বাসের সাথে ফুসফুসে চলে যায় । সেখানে গিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্তের হিমোগ্লোবিনের আয়রন এর সাথে CO লিগ্যান্ডরূপে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠনে বাধা দেয় । CO গ্যাস অক্সিহিমোগ্লোবিন ভেঙ্গে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে ।যার ফলে অক্সিজেন বহুরূপে কাজ করতে পারে না, শ্বাসকষ্ট হয় এবং হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে । তাই কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বলা হয় ।
CO এর ক্ষেত্রে সঠিক নয় কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: এটি গ্রীন হাউজ গ্যাসরূপে গ্লোবাল ওয়ামিং ঘটায়
কোনটি গ্রিন হাউজ গ্যাস ?
Correct Answer:
ঘ: সবগুলোই সঠিক
Explanation:
কোনটি গ্রিন হাউজ গ্যাস ? সঠিক উত্তর সবগুলোই সঠিক গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে 2100 সালে পৃথিবীর তাপমাত্রা কত ডিগ্রী সে. বৃদ্ধি পেতে পারে?
Correct Answer:
গ: 1.5 -4.5 ডিগ্রী সে.
কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস নয় ?
Correct Answer:
গ: H2
Explanation:
কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস নয় ? সঠিক উত্তর H2 গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
নিচের কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস নয়-
Correct Answer:
ঘ: SO2
Explanation:
নিচের কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস নয়- সঠিক উত্তর SO2 গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
গ্রীন হাউস গ্যাসের উপাদানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
Correct Answer:
ক: 30% মিথেন
গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে গত ১০০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা কত বেড়েছে?
Correct Answer:
খ: ১০ -১৫ সে. মি.
কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস ?
Correct Answer:
ক: CO
Explanation:
কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস ? সঠিক উত্তর CO গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস?
Correct Answer:
ঘ: N2O
Explanation:
কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস? সঠিক উত্তর N2O গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
জীবাশ্ম জালানী দহনের ফলে কোন গ্রীন হাউজ গ্যাস সবচেয়ে বেশি বেড়ে যাচ্ছে?
Correct Answer:
খ: কার্বন ডাই অক্সাইড
‘গ্রিনহাউজ ইফেক্ট’ এর পরিণতি কী?
Correct Answer:
ক: তাপমাত্রা বৃদ্ধি
Explanation:
‘গ্রিনহাউজ ইফেক্ট’ এর পরিণতি কী? সঠিক উত্তর তাপমাত্রা বৃদ্ধি গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
নীচের কোনটি গ্রীনহাউজ গ্যাস নয়?
Correct Answer:
গ: CO
Explanation:
নীচের কোনটি গ্রীনহাউজ গ্যাস নয়? সঠিক উত্তর CO গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাসটি গবাটি পশু পালন বৃদ্ধির ফলে বৃদ্ধি পায়?
Correct Answer:
Correct Answer:
"নীরব ঘাতক" কোনটিকে বলা হয়?
Correct Answer:
খ: CO
Explanation:
"নীরব ঘাতক" কোনটিকে বলা হয়? সঠিক উত্তর CO কার্বন মনোক্সাইড মানুষের অজান্তেই খুব সহজেই শ্বাসের সাথে ফুসফুসে চলে যায় । সেখানে গিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্তের হিমোগ্লোবিনের আয়রন এর সাথে CO লিগ্যান্ডরূপে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠনে বাধা দেয় । CO গ্যাস অক্সিহিমোগ্লোবিন ভেঙ্গে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে ।যার ফলে অক্সিজেন বহুরূপে কাজ করতে পারে না, শ্বাসকষ্ট হয় এবং হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে । তাই কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বলা হয় ।
নীরব ঘাতক কোনটি ?
Correct Answer:
ক: CO
Explanation:
নীরব ঘাতক কোনটি ? সঠিক উত্তর CO কার্বন মনোক্সাইড মানুষের অজান্তেই খুব সহজেই শ্বাসের সাথে ফুসফুসে চলে যায় । সেখানে গিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্তের হিমোগ্লোবিনের আয়রন এর সাথে CO লিগ্যান্ডরূপে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠনে বাধা দেয় । CO গ্যাস অক্সিহিমোগ্লোবিন ভেঙ্গে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে ।যার ফলে অক্সিজেন বহুরূপে কাজ করতে পারে না, শ্বাসকষ্ট হয় এবং হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে । তাই কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বলা হয় ।
নিচের কোনটি গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়?
Correct Answer:
ঘ: N2
Explanation:
নিচের কোনটি গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়? সঠিক উত্তর N2 গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
গ্রিন হাইজ গ্যাসে সবচেয়ে বেশি অনুপাতে থাকে নিম্নের কোনটি?
Correct Answer:
ক: কার্বন-ডাই-অক্সাইড
Explanation:
গ্রিন হাইজ গ্যাসে সবচেয়ে বেশি অনুপাতে থাকে নিম্নের কোনটি? সঠিক উত্তর কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রিন হাউস গ্যাসবায়ুতে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকাকার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস50%মিথেন গ্যাস19%ক্লোরোফ্লোরো কার্বন গ্যাস16%ওজোন গ্যাস8%নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাস5%জলীয় বাষ্প2%
গ্রিন হাউস গ্যাসের শতকরা হার (%) নিম্নের কোন সঠিক ? গ্যাস_____________ শতকরা(%)
Correct Answer:
ঘ: কার্বন ডাই অক্সাইড-14
Explanation:
গ্রিন হাউস গ্যাসের শতকরা হার (%) নিম্নের কোন সঠিক ? গ্যাস_____________ শতকরা(%) সঠিক উত্তর কার্বন ডাই অক্সাইড-14 গ্রিন হাউস গ্যাসবায়ুতে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকাCO2 গ্যাস50%CH4 গ্যাস19%CFC গ্যাস16%ওজোন O3 গ্যাস8%N2O গ্যাস5%জলীয় বাষ্প2%
নীরব ঘাতক বলা হয় কোন গ্যাসটিকে?
Correct Answer:
খ: CO
Explanation:
নীরব ঘাতক বলা হয় কোন গ্যাসটিকে? সঠিক উত্তর CO কার্বন মনোক্সাইড মানুষের অজান্তেই খুব সহজেই শ্বাসের সাথে ফুসফুসে চলে যায় । সেখানে গিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্তের হিমোগ্লোবিনের আয়রন এর সাথে CO লিগ্যান্ডরূপে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠনে বাধা দেয় । CO গ্যাস অক্সিহিমোগ্লোবিন ভেঙ্গে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে ।যার ফলে অক্সিজেন বহুরূপে কাজ করতে পারে না, শ্বাসকষ্ট হয় এবং হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে । তাই কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বলা হয় ।
গ্রিন হাউস গ্যাস কোনটি?
Correct Answer:
গ: N2O
Explanation:
গ্রিন হাউস গ্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর N2O গ্রিন হাউস গ্যাস সমূহ : CO2 গ্যাস, CH4 গ্যাস, CFC গ্যাস, ওজোন O3 গ্যাস, N2O গ্যাস ও জলীয়বাষ্প
কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস?
Correct Answer:
ঘ: সবগুলোই
Explanation:
কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস? সঠিক উত্তর সবগুলোই গ্রিন হাউস গ্যাস সমূহ : CO2 গ্যাস, CH4 গ্যাস, CFC গ্যাস, ওজোন O3 গ্যাস, N2O গ্যাস ও জলীয়বাষ্প
গ্রীন হাউস ইফেক্ট এর সাথে কোন যৌগের সম্পর্ক রয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: CO2
Explanation:
গ্রীন হাউস ইফেক্ট এর সাথে কোন যৌগের সম্পর্ক রয়েছে? সঠিক উত্তর CO2 গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
নিচের কোনটি একটি গ্রীনহাউজ গ্যাস?
Correct Answer:
খ: CH₄
Explanation:
নিচের কোনটি একটি গ্রীনহাউজ গ্যাস? সঠিক উত্তর CH₄ গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
নিচের কোন গ্যাসটি একটি গ্রীনহাউজ গ্যাস?
Correct Answer:
খ: NO2
Explanation:
নিচের কোন গ্যাসটি একটি গ্রীনহাউজ গ্যাস? সঠিক উত্তর NO2 গ্রিন হাউস গ্যাস : যেসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে । কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয় । এছাড়া জলীয়বাষ্প, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ও ওজোন গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে । শেষের চারটি গ্যাসের ঘনত্ব বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি । তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ।
গ্রীন হাউস ক্রিয়া নিম্নের কোন সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়?
Correct Answer:
খ: ভীনের সূত্র
Explanation:
গ্রীন হাউস ক্রিয়া নিম্নের কোন সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়? সঠিক উত্তর ভীনের সূত্র জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ডব্লিউ জে ভীন (জার্মান শব্দ Wien এর উচ্চারণ ভীন) ১৮৯৬ সালে তাপ গতিবিদ্যার তত্ত্ব প্রয়ােগ করে কৃষ্ণবস্তুর বর্ণালীতে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য শক্তি বন্টন বিষয়ক দুটি সূত্র প্রদান করেন। এই সূত্র দুটির নাম যথাক্রমে ভীনের সরণ সূত্র ও পঞ্চঘাত সূত্র। সূত্রটি হলােঃ কোন কৃষ্ণবস্তু থেকে সর্বাধিক শক্তি বিকিরণের জন্য তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কৃষ্ণবস্তুটির পরম তাপমাত্রার ব্যস্তানুপাতিক।