প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস(প্রথম অধ্যায়) MCQs
Showing 50 questions (Total: 135)
কোনটিকে মাছ না বললে ভুল হবে ?
Correct Answer:
ক: ঘোড়া মাছ
Explanation:
কোনটিকে মাছ না বললে ভুল হবে ? সঠিক উত্তর ঘোড়া মাছ ঘোড়া মুইখা বা ঘোড়া মাছ বা ঘোড়া মুখো বা লংগু রুই (বৈজ্ঞানিক নাম: Labeo pangusia) হচ্ছে Labeo গণের এক প্রজাতির মাছ। এই মাছ ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও নেপালে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের রক্ষিত বন্য প্রাণীর তালিকার তফসিল ২ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।
ইউরয়েড কোন প্রাণীর অঙ্গ?
Correct Answer:
ক: অ্যামিবা
Explanation:
ইউরয়েড কোন প্রাণীর অঙ্গ? সঠিক উত্তর অ্যামিবা অ্যামিবা (Amoeba) এককোষী মুক্তজীবী প্রাণী। ইউরয়েড অ্যামিবা প্রাণীর অঙ্গ |
কোনটিকে মাছ বললে ভুল হবে?
Correct Answer:
ক: সিলভার ফিশ
Explanation:
কোনটিকে মাছ বললে ভুল হবে? সঠিক উত্তর সিলভার ফিশ সিলভারফিশ হল একটি নিশাচর পোকা সাধারণত 13-25 মিমি (0.5-1.0 ইঞ্চি) লম্বা। এর পেটের শেষভাগে টেপার হয়, এটিকে মাছের মতো চেহারা দেয়। নতুন ডিম ফুটে সাদা, তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে একটি ধূসর আভা এবং ধাতব চকচকে বিকশিত হয়। এটির দুটি লম্বা সারসি এবং একটি টার্মিনাল ফিলামেন্ট রয়েছে সারসির মধ্যবর্তী পেটের ডগায় । এটির দুটি ছোট যৌগিক চোখও রয়েছে , যদিও জাইজেন্টোমার অন্যান্য সদস্যরা সম্পূর্ণ চক্ষুহীন , যেমন পরিবার নিকোলেটিইডি ।
অ্যামিবার দেহে অনুকূল পরিবেশে কয়টি পানি গহ্বর থাকে?
Correct Answer:
খ: 20-25 টি
Explanation:
অ্যামিবার দেহে অনুকূল পরিবেশে কয়টি পানি গহ্বর থাকে? সঠিক উত্তর 20-25 টি অ্যামিবা (ইংরেজি: Amoeba) অ্যামিবোজোয়া পর্বের অ্যামিবিডা পরিবারের একটি গণ বিশেষ। অ্যামিবা গণের প্রজাতিরা সিউডোপড নামক অস্থায়ী অঙ্গ তৈরী করে চলাফেরা ও খাদ্যসন্ধান করে থাকে। সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত মাইক্রোফিলামেন্ট দ্বারা সমন্বয়মূলক ভাবে কাজ করে কোষ থেকে কোষ পর্দাকে বাইরের দিকে ঠেলে দেয়। অ্যামিবার দেহে অনুকূল পরিবেশে 20-25 টি পানি গহ্বর থাকে। অ্যামিবার সিউডোপড নলাকার ও শেষ প্রান্তে গোলাকার মুণ্ড বিশিষ্ট হয়ে থাকে। সিউডোপড ক্রমাগত প্রসারিত ও সঙ্কুচিত হয় বলে অ্যামিবার আকার খুব দ্রুত পরিবর্তনশীল হয়। ভাসমান অবস্থায় অ্যামিবা অনেকগুলি সিউডোপড একসঙ্গে তৈরী করলেও কঠিন ভূমির ওপর চলার সময় একটিমাত্র সিউডোপড চলনের দিকে তৈরী হয় এবং সমগ্র কোষটি একটি চোঙার আকৃতি ধারণ করে।
প্রাণিবিজ্ঞানের জনক কে?
Correct Answer:
গ: অ্যারিস্টটল
Explanation:
প্রাণিবিজ্ঞানের জনক কে? সঠিক উত্তর অ্যারিস্টটল প্রাণিবিজ্ঞান নামক জীববিজ্ঞানের শাখায় মানুষ সহ অন্য সব প্রাণীদের নিয়ে গবেষণা করা হয়। জীববিদ্যা বা জীববিজ্ঞান যে শাখায় প্রাণীর বিষয়ে সম্যক আলোচনা ও বিভিন্ন তথ্য পরিবেশিত হয় তাকে প্রাণিবিজ্ঞান বা প্রাণিবিদ্যা বলে। প্রাণিবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটল|
নিচের কোনটি মাছ?
Correct Answer:
ক: সিলভার কার্প
Explanation:
নিচের কোনটি মাছ? সঠিক উত্তর সিলভার কার্প সিলভার কার্প হল মিঠা পানির সাইপ্রিনিড মাছের একটি প্রজাতি, চীন এবং পূর্ব সাইবেরিয়ার আদিবাসী এশিয়ান কার্প, উত্তরে আমুর নদী থেকে দক্ষিণে শি জিয়াং নদীর নিষ্কাশন পর্যন্ত। যদিও এর প্রাকৃতিক আবাসস্থলে একটি বিপন্ন প্রজাতি, এটি চীনে দীর্ঘদিন ধরে চাষ করা হয়েছে।
বোস্তামি কাছিমের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
Correct Answer:
খ: Aspideretes nigricans
Explanation:
বোস্তামি কাছিমের বৈজ্ঞানিক নাম কী? সঠিক উত্তর Aspideretes nigricans বোস্তামি কাছিমের বৈজ্ঞানিক নাম Aspideretes nigricans
কোনটির প্রাণীর সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়?
Correct Answer:
ঘ: এদের কোষে মোটা কোষ প্রাচীর বিশিষ্ট
Explanation:
কোনটির প্রাণীর সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়? সঠিক উত্তর এদের কোষে মোটা কোষ প্রাচীর বিশিষ্ট কোষ প্রাচীর উদ্ভিদ কোষের বৈশিষ্ট্য। প্রাণী কোষে কোষ প্রাচীর থাকে না
'স্পেসিস প্লান্টারাম ' বইটি কে রচনা করেন?
Correct Answer:
গ: Carolus Linnaeus
Explanation:
'স্পেসিস প্লান্টারাম ' বইটি কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর Carolus Linnaeus স্পিসিজ প্লান্টারাম (লাতিন: "Species plantarum", ইংরেজি: "The Species of Plants") বইটি সর্বপ্রথম ১৭৫৩ সালে প্রকাশিত করা হয়। বইটি সুইডিশের প্রকৃতিবিজ্ঞানী কার্ল লিনিয়াস দুই খণ্ডে লিখেছন। তার এই বইতে বর্ণিত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির জন্যে দ্বিপদ নাম প্রদান করেন।
বাংলাদেশের জাতীয় পাখির বৈজ্ঞানিক নাম -
Correct Answer:
গ: Copsychus saularis
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় পাখির বৈজ্ঞানিক নাম - সঠিক উত্তর Copsychus saularis Related Information :• বাংলাদেশের জাতীয় মাছের নাম ➞ Tenualosa ilisha (ইলিশ মাছ)• বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম ➞ Panthera tigris (রয়েল বেঙ্গল টাইগার)• বাংলাদেশের জাতীয় পাখির নাম ➞ Copsychus saularis (দোয়েল)• বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম ➞ Artocarpus heterophyllus (কাঁঠাল)• বাংলাদেশের জাতীয় ফুলের নাম ➞ Nymphaea nouchali (শাপলা)Question Analysis :• কবুতর ➞ Columba livia• চড়ুই ➞ Passer dometicus• পাতিকাক ➞ Corvus splendens
স্তন্যপায়ী প্রাণীর মুখ্য ডিম্ব ঝিল্লিক কী বলে?
Correct Answer:
খ: জোনা পেলুসিডা
Explanation:
স্তন্যপায়ী প্রাণীর মুখ্য ডিম্ব ঝিল্লিক কী বলে? সঠিক উত্তর জোনা পেলুসিডা স্তন্যপায়ী প্রাণীর মুখ্য ডিম্ব ঝিল্লিক জোনা পেলুসিডা বলে | জোনা পেলুসিডা একটি শক্ত আবরণ যা কিনা ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু কে ঘিরে থাকে। এই আবরণ নিজ অবস্থানে থাকে যখন ডিম্বাণু ফেলোপিয়ান নালি দিয়ে ইউটেরাসে পৌঁছায়। নিষেকের জন্য শুক্রাণুকে এর মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করতে হয়।
সবুজ রুইয়ের বৈজ্ঞানিক নাম কি ?
Correct Answer:
খ: Labeo fisheri
Explanation:
সবুজ রুইয়ের বৈজ্ঞানিক নাম কি ? সঠিক উত্তর Labeo fisheri সবুজ রুই Cyprinidae পরিবারের মিঠা পানির মাছের একটি প্রজাতি। এটি শুধুমাত্র শ্রীলঙ্কায় পাওয়া যায়, যেখানে এটি মহাওয়েলি নদীর অববাহিকায় প্রবাহিত হয়। সবুজ রুইয়ের বৈজ্ঞানিক নাম Labeo fisheri
দ্বিপদ নামকরণের শব্দ দুইটির ভাষা কি ?
Correct Answer:
খ: ল্যাটিন
Explanation:
দ্বিপদ নামকরণের শব্দ দুইটির ভাষা কি ? সঠিক উত্তর ল্যাটিন দ্বিপদী নামকরণ বলতে দুটি পদের সমন্বয়ে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম করনের পদ্ধতিকে বুুঝায়। এই নামকরণ ল্যাটিন ভাষায় করা হয় এবং এর দুইটি অংশ থাকে। গণ নামের শেষে প্রজাতিক পদ যুক্ত করে প্রতিটি জীবের নামকরণের পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ বলে।
শ্রেণিবিন্যাসের একককে কি বলা হয় ?
Correct Answer:
গ: ট্যাক্সন
Explanation:
শ্রেণিবিন্যাসের একককে কি বলা হয় ? সঠিক উত্তর ট্যাক্সন শ্রেণিবিন্যাসের আবশ্যিক ধাপ হচ্ছে ৭টি, যথা ➞ Kingdom (রাজ্য), Phylum (পর্ব), Class (শ্রেণি), Order (বর্গ), Family (গোত্র), Genus (গণ) ও Species (প্রজাতি)• ট্যাক্সন হচ্ছে শ্রেণিবদ্ধগত একক• শ্রেণিবিন্যাসের মূল বা ভিত্তি একক হচ্ছে প্রজাতি• শ্রেণিবিন্যাসের সর্বোচ্চ স্তর হলো পর্ব• রাজ্য হলো প্রাণী শ্রেনিবিন্যাসের সার্বজনীন স্তর
লিনিয়াস কোন দেশের অধিবাসী ?
Correct Answer:
ঘ: সুইডেন
Explanation:
লিনিয়াস কোন দেশের অধিবাসী ? সঠিক উত্তর সুইডেন ক্যারোলাস লিনিয়াসের জন্ম ১৭০৭ সালে সুইডেনের স্মেলেন প্রদেশের র্যাশাল গ্রামে।
' Species Plantarum ' বইটি কার লেখা ?
Correct Answer:
ক: ক্যারোলাস লিনিয়াস
Explanation:
' Species Plantarum ' বইটি কার লেখা ? সঠিক উত্তর ক্যারোলাস লিনিয়াস স্পিসিজ প্লান্টারাম (লাতিন: "Species plantarum", ইংরেজি: "The Species of Plants") বইটি সর্বপ্রথম ১৭৫৩ সালে প্রকাশিত করা হয়। বইটি সুইডিশের প্রকৃতিবিজ্ঞানী কার্ল লিনিয়াস দুই খণ্ডে লিখেছন। তার এই বইতে বর্ণিত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির জন্যে দ্বিপদ নাম প্রদান করেন।
জীববিজ্ঞান বিষয়ে শ্রেণিবিন্যাস বিষয়ক যে বিজ্ঞান শাখা সৃষ্টি হয়েছে তার নাম কি ?
Correct Answer:
খ: ট্যাক্সোনমি
Explanation:
জীববিজ্ঞান বিষয়ে শ্রেণিবিন্যাস বিষয়ক যে বিজ্ঞান শাখা সৃষ্টি হয়েছে তার নাম কি ? সঠিক উত্তর ট্যাক্সোনমি শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা বা ট্যাক্সোনমি (Taxonomy): জীবের শ্রেণিবিন্যাস এবং তার রীতিনীতিগুলো এ শাখার আলোচিত বিষয়। (c) শারীরবিদ্যা (Physiology): জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈব-রাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলোচিত হয়।
প্রাণিজগতকে মোটি কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ?
Correct Answer:
খ: 10
Explanation:
প্রাণিজগতকে মোটি কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ? সঠিক উত্তর 10 প্রাণী জগতকে মোট ১০ টি প্রধান পর্বে ভাগ করা হয়েছে । এর মধ্যে নয়টি পর্বই অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের । মেরুদণ্ডী প্রাণীরা কর্ডাটা পর্বের অন্তর্ভুক্ত ।
IUCN এর পূর্ণরূপ কোনটি?
Correct Answer:
ক: International Union for Conservation of Nature and natural Resources
Explanation:
IUCN এর পূর্ণরূপ কোনটি? সঠিক উত্তর International Union for Conservation of Nature and natural Resources আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) (ইংরেজি: International Union for Conservation of Nature and Natural Resources (IUCN) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে স্থাপিত একটি সংঘ।
দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রথম প্রবর্তন করেন-
Correct Answer:
গ: Carolus Linnaeus
Explanation:
দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রথম প্রবর্তন করেন- সঠিক উত্তর Carolus Linnaeus ক্যারোলাস লিনিয়াস (১৭০৭–১৭৭৮), যিনি জীবের নামকরণের ক্ষেত্রে দ্বিপদ নামকরণ নীতি প্রবর্তন করেন। দ্বিপদী নামকরণ বলতে দুটি পদের সমন্বয়ে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম করনের পদ্ধতিকে বুুঝায়। এই নামকরণ ল্যাটিন ভাষায় করা হয় এবং এর দুইটি অংশ থাকে। গণ নামের শেষে প্রজাতিক পদ যুক্ত করে প্রতিটি জীবের নামকরণের পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ বলে। এই নামকে বৈজ্ঞানিক নামও বলা হয়।
বাংলাদেশের জাতীয় পাখির বৈজ্ঞানিক নাম কোনটি?
Correct Answer:
গ: Copsychus saularis
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় পাখির বৈজ্ঞানিক নাম কোনটি? সঠিক উত্তর Copsychus saularis Related Information :• বাংলাদেশের জাতীয় মাছের নাম ➞ Tenualosa ilisha (ইলিশ মাছ)• বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম ➞ Panthera tigris (রয়েল বেঙ্গল টাইগার)• বাংলাদেশের জাতীয় পাখির নাম ➞ Copsychus saularis (দোয়েল)• বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম ➞ Artocarpus heterophyllus (কাঁঠাল)• বাংলাদেশের জাতীয় ফুলের নাম ➞ Nymphaea nouchali (শাপলা)Question Analysis :• ঘড়িয়াল ➞ Gavialis gangeticus
প্রাণির নামকরণে আন্তর্জাতিক সংস্থা কোনটি?
Correct Answer:
গ: ICZN
Explanation:
প্রাণির নামকরণে আন্তর্জাতিক সংস্থা কোনটি? সঠিক উত্তর ICZN আন্তর্জাতিক সংস্থা ICBN (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ বোটানিক্যাল নোমেনকেচার) ও ICZN (ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অন জুলজিকাল নোমেনকেচার) যথাক্রমে উদ্ভিদ ও প্রাণী দের নামকরণের নিয়ম তৈরি করে।
অমরা কোন ধরনের প্রাণিতে দেখা যায়?
Correct Answer:
ক: মানুষ
Explanation:
অমরা কোন ধরনের প্রাণিতে দেখা যায়? সঠিক উত্তর মানুষ অমরা দেখা যায় মানুষের | অমরা (ইংরেজি: Placenta) হলো গর্ভাশয়ের ভেতর এক প্রকার টিস্যু যেখান থেকে ডিম্বক সৃষ্টি হয়। যে বিশেষ অঙ্গের মাধ্যমে মাতৃকোষে ভ্রূণ ক্রমবর্ধমান এবং মাতৃ জরায়ুর টিস্যুর সাথে যুক্ত থাকে ও সমন্বয় সাধন করে তাকে অমরা বা গর্ভফুল বলে।
ICBN স্বীকৃত শ্রেণীবিন্যাসের সর্বনিম্ন একক কি?
Correct Answer:
ঘ: প্রজাতি
Explanation:
ICBN স্বীকৃত শ্রেণীবিন্যাসের সর্বনিম্ন একক কি? সঠিক উত্তর প্রজাতি শ্রেণিবিন্যাসের আবশ্যিক ধাপ হচ্ছে ৭টি, যথা ➞ Kingdom (রাজ্য), Phylum (পর্ব), Class (শ্রেণি), Order (বর্গ), Family (গোত্র), Genus (গণ) ও Species (প্রজাতি)• ট্যাক্সন হচ্ছে শ্রেণিবদ্ধগত একক• শ্রেণিবিন্যাসের মূল বা ভিত্তি একক হচ্ছে প্রজাতি• শ্রেণিবিন্যাসের সর্বোচ্চ স্তর হলো পর্ব• রাজ্য হলো প্রাণী শ্রেনিবিন্যাসের সার্বজনীন স্তর
শ্রেণিবিন্যাসের একক কে কি বলা হয়?
Correct Answer:
ঘ: ট্যাক্সন
Explanation:
শ্রেণিবিন্যাসের একক কে কি বলা হয়? সঠিক উত্তর ট্যাক্সন শ্রেণিবিন্যাসের আবশ্যিক ধাপ হচ্ছে ৭টি, যথা ➞ Kingdom (রাজ্য), Phylum (পর্ব), Class (শ্রেণি), Order (বর্গ), Family (গোত্র), Genus (গণ) ও Species (প্রজাতি)• ট্যাক্সন হচ্ছে শ্রেণিবদ্ধগত একক• শ্রেণিবিন্যাসের মূল বা ভিত্তি একক হচ্ছে প্রজাতি• শ্রেণিবিন্যাসের সর্বোচ্চ স্তর হলো পর্ব• রাজ্য হলো প্রাণী শ্রেনিবিন্যাসের সার্বজনীন স্তর
বেনথাম ও হুকারের উদ্ভিদ শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি কোন ধরনের ?
Correct Answer:
ঘ: প্রাকৃতিক
Explanation:
বেনথাম ও হুকারের উদ্ভিদ শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি কোন ধরনের ? সঠিক উত্তর প্রাকৃতিক জর্জ বেনথাম (1800 -1884) এবং স্যার জোসেফ ডালটন হুকার (1817 – 1911) নামক দুজন ইংরেজ উদ্ভিদবিজ্ঞানী তাদের 'জেনেরা প্ল্যান্টেরাম' (Genera Plantarum) নামক বইতে প্রাকৃতিক শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি প্রকাশ করেন। এই বইটি ল্যাটিন ভাষায় রচিত এবং তিন খণ্ডে প্রকাশিত।
ট্যাক্সােনমি (Taxonomy) হচ্ছে -
Correct Answer:
খ: প্রাণীদের নামকরণ ও শ্রেণিবিন্যাস বিষয়ক বিদ্যা
Explanation:
ট্যাক্সােনমি (Taxonomy) হচ্ছে - সঠিক উত্তর প্রাণীদের নামকরণ ও শ্রেণিবিন্যাস বিষয়ক বিদ্যা ট্যাক্সােনমি (Taxonomy) হচ্ছে প্রাণীদের নামকরণ ও শ্রেণিবিন্যাস বিষয়ক বিদ্যা | সোজা কথায় বললে, একটি ট্যাক্সোনমি হচ্ছে কিছু জিনিস একসাথে গ্রুপ করার একটি পদ্ধতি। উদাহরণ হিসেবে, আমার বিভিন্ন ধরনের পশু-পাখি রয়েছে। আমি সেগুলোকে বিভিন্ন আচরণ অনুযায়ী গ্রুপ করতে পারি এবং সেগুলোর একটা নাম দিতে পারি।
জেনেরা প্লান্টেরাম পুস্তকের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: ক্যারোলাস লিনিয়াস
Explanation:
জেনেরা প্লান্টেরাম পুস্তকের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর ক্যারোলাস লিনিয়াস জেনেরা প্লান্টেরাম (1753) পুস্তকের রচয়িতা ক্যারোলাস লিনিয়াস
কোন ভাষায় প্রাণীয় বৈজ্ঞানিক নামকরণ করা হয়?
Correct Answer:
খ: ল্যাটিন
Explanation:
কোন ভাষায় প্রাণীয় বৈজ্ঞানিক নামকরণ করা হয়? সঠিক উত্তর ল্যাটিন শুধুমাত্র জীবের বৈজ্ঞানীক নামকরণ ল্যাটিন ভাষায় করা হয়। কার্ল/ক্যারোলাস লিনিয়াস, যিনি জীবের নামকরনের ক্ষেত্রে দ্বিপদ নামকরণ নীতির জনক। দ্বিপদী নামকরণ বলতে বোঝায় দুটি পদের সমন্বয়ে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম করনের পদ্ধতি। এই নামকরণ ল্যাটিন ভাষায় করা হয় এবং এর দুইটি অংশ থাকে।
কুনো ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম কি?
Correct Answer:
গ: Bufo melanostictus
Explanation:
কুনো ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম কি? সঠিক উত্তর Bufo melanostictus গণ নামের শেষে প্রজাতিক পদ যুক্ত করে প্রতিটি জীবের নামকরণের পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ বলে। এই নামকে বৈজ্ঞানিক নামও বলা হয়। Systema Naturae গ্রন্থের দশম সংস্করণে (১৭৫৮) ক্যারোলাস লিনিয়াস জীবের নামকরণের ক্ষেত্রে দ্বিপদ নামকরণ নীতি প্রবর্তন করেন। দ্বিপদী নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়।বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ থাকবে, প্রথম অংশটি গণ(Genus) নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতির(Species) নাম। জীবজগতের প্রতিটি বৈজ্ঞানিক নামকে অনন্য বা ইউনিক (unique) হতে হয়। কারণ, একই নাম দুটি পৃথক জীবের জন্য ব্যবহারের অনুমতি বা সর্বসম্মতিক্রমে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।কুনো ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম Bufo melanostictus,আর সোনা ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম,Rana tigrina.
অমরা কোন ধরণের প্রাণীতে দেখা যায়?
Correct Answer:
ক: মানুষ
Explanation:
অমরা কোন ধরণের প্রাণীতে দেখা যায়? সঠিক উত্তর মানুষ অমরা (ইংরেজি: Placenta) হলো গর্ভাশয়ের ভেতর এক প্রকার টিস্যু যেখান থেকে ডিম্বক সৃষ্টি হয়। যে বিশেষ অঙ্গের মাধ্যমে মাতৃকোষে ভ্রূণ ক্রমবর্ধমান এবং মাতৃ জরায়ুর টিস্যুর সাথে যুক্ত থাকে ও সমন্বয় সাধন করে তাকে অমরা বা গর্ভফুল বলে। অমরা মানুষের মাঝে দেখা যায়|
প্রাণীর নামকরণের আন্তর্জাতিক সংস্থা কোনটি?
Correct Answer:
ক: ICZN
Explanation:
প্রাণীর নামকরণের আন্তর্জাতিক সংস্থা কোনটি? সঠিক উত্তর ICZN প্রাণীর নামকরণের নিয়মগুলাে প্রাণী নামকরণের আন্তর্জাতিক সংস্থা (International Commission of Zoological Nomenclature) প্রণয়ন করে থাকে এবং এ নিয়মগুলো আন্তর্জাতিক প্রাণী নামকরণ সংহিতায় (International Code of Zoological Nomenclature) লিপিবদ্ধ করা হয়।
কোন ভাষায় উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণ করা হয়?
Correct Answer:
খ: ল্যাটিন
Explanation:
কোন ভাষায় উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণ করা হয়? সঠিক উত্তর ল্যাটিন উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণ নামকরণ ল্যাটিন ভাষায় করা হয় এবং এর দুইটি অংশ থাকে। গণ নামের শেষে প্রজাতিক পদ যুক্ত করে প্রতিটি জীবের নামকরণের পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ বলে। এই নামকে বৈজ্ঞানিক নামও বলা হয়। Systema Naturae গ্রন্থের দশম সংস্করণে (১৭৫৮) ক্যারোলাস লিনিয়াস জীবের নামকরণের ক্ষেত্রে দ্বিপদ নামকরণ নীতি প্রবর্তন করেন।
দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তক -
Correct Answer:
ক: লিনিয়াস
Explanation:
দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তক - সঠিক উত্তর লিনিয়াস ক্যারোলাস লিনিয়াস (১৭০৭–১৭৭৮), যিনি জীবের নামকরণের ক্ষেত্রে দ্বিপদ নামকরণ নীতি প্রবর্তন করেন।
দ্বিপদ নামকরণ প্রবর্তন করেন-
Correct Answer:
গ: লিনিয়াস
Explanation:
দ্বিপদ নামকরণ প্রবর্তন করেন- সঠিক উত্তর লিনিয়াস ক্যারোলাস লিনিয়াস (১৭০৭–১৭৭৮), যিনি জীবের নামকরণের ক্ষেত্রে দ্বিপদ নামকরণ নীতি প্রবর্তন করেন।
কোন বৈজ্ঞানিক নামটি সঠিক?
Correct Answer:
ঘ: কুনোব্যাঙ -Helix pomatia
Explanation:
কোন বৈজ্ঞানিক নামটি সঠিক? সঠিক উত্তর কুনোব্যাঙ -Helix pomatia মানুষ Homo sapiensআরশোলা Periplaneta americanaকুনোব্যাঙ -Helix pomatia
নিম্নের কোনটি প্রজাতির নামকরণের সাথে সম্পর্কিত?(Which one of the following is related to the naming of a species?)
Correct Answer:
খ: ICZN
Explanation:
নিম্নের কোনটি প্রজাতির নামকরণের সাথে সম্পর্কিত?(Which one of the following is related to the naming of a species?) সঠিক উত্তর ICZN আন্তর্জাতিক সংস্থা ICBN (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ বোটানিক্যাল নোমেনকেচার) ও ICZN (ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অন জুলজিকাল নোমেনকেচার) দ্বিপদ নামকরণের নিয়মাবলী তৈরি করে।
'Species Plantarum' এর রচয়িতা হলেন-
Correct Answer:
খ: ক্যারোলাস লিনিয়াস
Explanation:
'Species Plantarum' এর রচয়িতা হলেন- সঠিক উত্তর ক্যারোলাস লিনিয়াস স্পিসিজ প্লান্টারাম (লাতিন: "Species plantarum", ইংরেজি: "The Species of Plants") বইটি সর্বপ্রথম ১৭৫৩ সালে প্রকাশিত করা হয়। বইটি সুইডিশের প্রকৃতিবিজ্ঞানী কার্ল লিনিয়াস দুই খণ্ডে লিখেছন। তার এই বইতে বর্ণিত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির জন্যে দ্বিপদ নাম প্রদান করেন।
প্রাণিজগতের শ্রেনিবিন্যাসের পরিকল্পনা প্রথম করেন-
Correct Answer:
ক: Aristotle
প্রাণীবিজ্ঞানের জনক হিসেবে কে পরিচিত?
Correct Answer:
ক: Aristotle
Explanation:
প্রাণীবিজ্ঞানের জনক হিসেবে কে পরিচিত? সঠিক উত্তর Aristotle এরিস্টটল (Aristotle) (খ্রিষ্টপূর্ব ৩৮৪ – ৭ই মার্চ, খ্রিষ্টপূর্ব ৩২২) বিশ্ববিখ্যাত গ্রিক বিজ্ঞানী ও দার্শনিক। তাঁকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
Ceriops decandra উদ্ভিদ জন্মে-
Correct Answer:
গ: সুন্দরবন ম্যানোগ্রােভ বনে
Explanation:
Ceriops decandra উদ্ভিদ জন্মে- সঠিক উত্তর সুন্দরবন ম্যানোগ্রােভ বনে গরান গ্রীষ্মমন্ডলীয় এশিয়ার একটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Ceriops decandra।
নিম্নের কোনটি প্রজাতির নামকরণের সাথে সম্পর্কিত?
Correct Answer:
খ: ICZN
Explanation:
নিম্নের কোনটি প্রজাতির নামকরণের সাথে সম্পর্কিত? সঠিক উত্তর ICZN আন্তর্জাতিক সংস্থা ICBN (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ বোটানিক্যাল নোমেনকেচার) ও ICZN (ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অন জুলজিকাল নোমেনকেচার) যথাক্রমে উদ্ভিদ ও প্রাণী দের নামকরণের নিয়ম তৈরি করে।
ICZN এর পূর্ণ নাম-
Correct Answer:
গ: International Commission on Zoological Nomenclature
কোনটি ইলিশ মাছের সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম?
Correct Answer:
ক: Tenualosa ilisha
Explanation:
কোনটি ইলিশ মাছের সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম? সঠিক উত্তর Tenualosa ilisha Related Information :• বাংলাদেশের জাতীয় মাছের নাম ➞ Tenualosa ilisha (ইলিশ মাছ)• বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম ➞ Panthera tigris (রয়েল বেঙ্গল টাইগার)• বাংলাদেশের জাতীয় পাখির নাম ➞ Copsychus saularis (দোয়েল)• বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম ➞ Artocarpus heterophyllus (কাঁঠাল)• বাংলাদেশের জাতীয় ফুলের নাম ➞ Nymphaea nouchali (শাপলা)
কে প্রথম প্রজাতি শব্দটি শ্রেণিবিন্যাসে ব্যবহার করেন ?
Correct Answer:
খ: Carolus Linnaeus
জাতিজনি শ্রেণিবিন্যাসের প্রবর্তক কে?
Correct Answer:
ঘ: এঙ্গলার ও প্রান্টল
শ্রেণিবিন্যাসে "Species" শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন?
Correct Answer:
ক: Carolus Linnaeus
কে জাতিজনি শ্রেণিবিন্যাসের প্রবর্তক ?
Correct Answer:
ঘ: এঙ্গলার ও প্রান্টল
যে কোষ আবিষ্কার ও নামকরণ করেন-
Correct Answer:
ক: রবার্ট হুক
রেশম পোকার বৈজ্ঞানিক নাম -
Correct Answer:
গ: Bombyx mori