ব্যাকটেরিওফাজ এর পরিচয় MCQs
Showing 17 questions (Total: 67)
সিফিলিস রোগটি কোন ব্যাকটেরিয়া গণ দ্বারা সংক্রমিত হয়?
Correct Answer:
ঘ: treponema
দন্ডায়িত ব্যাকটেরিয়াো কি বলে?
Correct Answer:
গ: ব্যাসলি
ব্যাকটেরিয়া হলো-
Correct Answer:
গ: বিয়োজন
কোনটি ডিনাইট্রফাইং ব্যাকটেরিয়াম -
Correct Answer:
ক: bacillus
সায়ানোব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
Correct Answer:
ক: ভলিউটিন
সায়ানোব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ হলো-
Correct Answer:
খ: nostoc
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরে থাকে?
Correct Answer:
ঘ: মিউোপেপটাইড
ফ্ল্যাজলাবিহিন ব্যাকটেরিয়াক বলে?
Correct Answer:
খ: অ্যাট্রাইকাস
ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীর গঠনের জন্য দায়ী-
Correct Answer:
গ: কাইটিন
সায়ানোব্যাকটেরিয়া কি?
Correct Answer:
ঘ: নীলাভ -সবুজ শৈবাল
ব্যাক্টেরিওফায এক ধরনের-
Correct Answer:
ক: ভাইরাস
Explanation:
ব্যাক্টেরিওফায এক ধরনের- সঠিক উত্তর ভাইরাস ব্যাক্টেরিওফায হচ্ছে এক ধরনের বিশেষ ভাইরাস। এই ধরণের ভাইরাস তাদের তন্তুগুলোকে ব্যাকটেরিয়ামের গায়ে নোঙর করে। ফায ভাইরাসের মাঝ বরাবর দণ্ড সদৃশ্য অংশটা নলের মতো।
কোন প্রক্রিয়াটি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয় না ?
Correct Answer:
খ: Assimilation
যে ব্যাকটেরিয়ার এক প্রান্তে এক গুচ্ছ ফ্ল্যাজেলা থাকে-
Correct Answer:
গ: সেফালোট্রিকাস
ব্যাকটেরিওফোজ এক ধরনের
Correct Answer:
খ: ভাইরাস
Explanation:
ব্যাকটেরিওফোজ এক ধরনের সঠিক উত্তর ভাইরাস ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিওফাজ এক ধরনের ভাইরাস। যা | ব্যাকটেরিয়া-নাশক হিসেবে কাজ করে। ফা (phage) অর্থ ভক্ষণ করা (To eat) এটি গ্রিক ভাষা থেকে উদ্ভূত একটি শব্দ। যেমনঃ T2 ভাইরাস (ব্যাক্টেরিওফাষ)।
নিচের কোনটির জন্য সায়ানোব্যাকটেরিয়ার রং নীলাভ-সবুজ হয়?
Correct Answer:
গ: সি-ফাইকোসায়ানিন
Explanation:
নিচের কোনটির জন্য সায়ানোব্যাকটেরিয়ার রং নীলাভ-সবুজ হয়? সঠিক উত্তর সি-ফাইকোসায়ানিন সি-ফাইকোসায়ানিনজন্য সায়ানোব্যাকটেরিয়ার রং নীলাভ-সবুজ হয় | আর এই কারণে সায়ানোব্যাক্টেরিয়াকে নীলভ-সবুজ শৈবাল বলা হয়।
পুষ্টিগত দিক থেকে ব্যাকটেরিয়া প্রধানত কয় প্রকার?
Correct Answer:
খ: 3
Explanation:
পুষ্টিগত দিক থেকে ব্যাকটেরিয়া প্রধানত কয় প্রকার? সঠিক উত্তর 3 পুষ্টি ভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ ১। স্বভোজী ব্যাকটেরিয়া (Autotrophic bacteria) : যে সব ব্যাকটেরিয়া নিজেদের খাদ্য নিজেরা প্রস্তুত করতে সক্ষম তাদেরকে স্বভোজী ব্যাকটেরিয়া বলে। স্বভোজী ব্যাক্টেরিয়াকে দুইভাবে ভাগ করা যেতে পারে। i) ফটোসিনথেটিক ব্যাকটেরিয়া (Photosynthetic bacteria) : এ সব ব্যাকটেরিয়া খাদ্য তৈরির জন্য আলোক শক্তি ব্যবহার করে। এ সব ব্যাকটেরিয়ার কোষে ব্যাক্টেরিওক্লোরোফিল (bacteriochlorophyll) আছে যা অন্যান্য উদ্ভিদের ক্লোরোফিল থাকে ভিন্ন। ii) কেমোসিনথেটিক ব্যাকটেরিয়া (Chemosynthetic bacteria) : এ সব স্বভোজী ব্যাকটেরিয়া খাদ্য তৈরির প্রয়োজনীয় শক্তি কতিপয় রাসায়নিক দ্রব্য জারণের মাধ্যমে সংগ্রহ করে। ২। পরজীবী ব্যাকটেরিয়া (Parasitic bacteria) : যে সব ব্যাকটেরিয়া জীবিত উদ্ভিদ বা জীবিত প্রাণীদেহে বাস করে এবং ঐ সমস্ত দেহ হতে পুষ্টিদ্রব্য সংগ্রহ করে তাদেরকে পরজীবী বা প্যারাসাইটিস ব্যাকটেরিয়া বলে। ৩। মৃতজীবী ব্যাকটেরিয়া (Saprophytic bacteria) : যে সব ব্যাকটেরিয়া মৃত উদ্ভিদ , মৃত প্রাণী অথবা অন্য কোন জৈবিক পদার্থ হতে পুষ্টিদ্রব সংগ্রহ করে তাদেরকে মৃতজীবী বা সাফ্রোফাইটিক ব্যাকটেরিয়া বলে।
কোষের এক পার্শ্বে ফ্ল্যাজেলা গুচ্ছাকারে লাগানো থাকলে সেই ব্যাকটেরিয়ামকে বলা হয়-
Correct Answer:
ঘ: লোফোট্রিকাস
Explanation:
কোষের এক পার্শ্বে ফ্ল্যাজেলা গুচ্ছাকারে লাগানো থাকলে সেই ব্যাকটেরিয়ামকে বলা হয়- সঠিক উত্তর লোফোট্রিকাস লোফোট্রিকাস (lophotrichous) - এদের একগুচ্ছ ফ্ল্যাজেলা থাকে একটি বা উভয় পোলে