সেনা বাহিনী MCQs
Showing 17 questions (Total: 17)
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ কোনটি?
Correct Answer:
ক: জেনারেল
বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
Correct Answer:
ক: আতাউল গনি ওসমানী
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম নারী মেজর জেনারেল হলেন -
Correct Answer:
খ: সুসানে গীতি
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ জন সদস্য কোথায় বিমান দুর্ঘটনায় শহীদ হন ?
Correct Answer:
খ: বেনিনে
যে দেশটিতে সেনাবাহিনী নেই
Correct Answer:
ক: মালদ্বীপ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ-
Correct Answer:
ক: জেনারেল
Explanation:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ- সঠিক উত্তর জেনারেল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ বর্তমান সর্বোচ্চ পদ- জেনারেল
যে দেশটিতে সেনাবাহিনী নেই -
Correct Answer:
ক: মালদ্বীপ
সার্কভুক্ত কোন দেশে সেনাবাহিনী নেই-
Correct Answer:
ক: মালদ্বীপ
Explanation:
সার্কভুক্ত কোন দেশে সেনাবাহিনী নেই- সঠিক উত্তর মালদ্বীপ সার্কভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপে সেনাবাহিনী নেই।
পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে শহীদ দার্শনিকের নাম-
Correct Answer:
ক: ড. জি. সি. দেব
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ১৫ জন সদস্য কোথায় বিমান দূর্ঘটনায় মারা যান ?
Correct Answer:
খ: বেনিন
কোন দেশের সেনাবাহিনী নেই?
Correct Answer:
খ: কোষ্টারিকা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নারী সদস্যদের অর্জিত সর্বোচ্চ পদ-
Correct Answer:
ঘ: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধনের নাম কী?
Correct Answer:
ক: জেনারেল আজিজ আহমেদ
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রথম মহিলা ব্রিগেডিয়ার কে ?
Correct Answer:
খ: সুরাইয়া বেগম
সার্কভুক্ত কোন দেশে সেনাবাহিনী নেই?
Correct Answer:
খ: মালদ্বীপ
মার্কিন সেনাবাহিনী আফগানিস্তান ত্যাগ করে কবে?
Correct Answer:
গ: আগষ্ট ২০২১
Explanation:
মার্কিন সেনাবাহিনী আফগানিস্তান ত্যাগ করে কবে? সঠিক উত্তর আগষ্ট ২০২১ মার্কিন সামরিক বাহিনীর সর্বশেষ ফ্লাইটটি আফগানিস্তান ত্যাগ করে- ৩০ আগষ্ট ২০২১ সালে।
পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে শহীদদের মধ্যে কে দার্শনিক ছিলেন?
Correct Answer:
ক: ড. গোবিন্দ চন্দ্ৰ দেব
Explanation:
[ দেব, গোবিন্দচন্দ্র (১৯০৭-১৯৭১) দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ। প্রকৃত নাম গোবিন্দচন্দ্র দেবপুরকায়স্থ। ১৯০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সিলেট জেলার বিয়ানী বাজারের লাউতা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। দেবের পূর্বপুরুষ ছিলেন ভারতের গুজরাটের বাসিন্দা এবং কুলীন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় উত্থানপতনের কারণে তাঁর জনৈক পূর্বপুরুষ পঞ্চম শতকে গুজরাটের আদিনিবাস ত্যাগ করে সিলেটে চলে আসেন এবং এখানেই স্থায়িভাবে বসবাস শুরু করেন। পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য অনুসারে তাঁরা এখানে নব উদ্যোগে বেদ, বেদান্ত, উপরিষদচর্চা শুরু করেন। দেব ১৯২৯ সালে কলকাতার সংস্কৃত কলেজ থেকে দর্শন বিষয়ে বি.এ (সম্মান) এবং ১৯৩১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে এম.এ ডিগ্রি লাভ করে অধ্যাপনায় নিযুক্ত হন।মানবকল্যাণ সাধনায়, সত্য, সুন্দর ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায়, মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে, সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য এবং অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী দর্শন প্রচারের জন্য চিরকুমার দেব তাঁর সব সম্পত্তি ও অর্থ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দান করেন। ১৯৬৫ সালের পাকভারত যুদ্ধের সময় তাঁকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। পাকিস্তানে নিজ জীবন বিপন্ন হতে পারে জেনেও তিনি দেশত্যাগ করেননি; এমনকি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গেও তিনি একাত্মতা ঘোষণা করেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পাকবাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবনে তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের গণকবরে তাঁর মরদেহ সমাহিত করা হয়। ]