হিসাববিজ্ঞান MCQs
Showing 13 questions (Total: 2663)
মামুন ও মারুফ একটি অংশীদারি কারবারের দুজন অংশীদার । উক্ত কারবারের নিট মুনাফা ৫৭,০০০ টাকা ও ১২,০০০ টাকা । বাকি মুনাফা যদি ৬০:৪০ অনুপাতে তাদের মধ্যে বন্টন করা হয় তবে মামুন ও মারুফ যথাক্রমে টাকায় পাবে-
Correct Answer:
খ: ৩৩,০০০ ও২৪,০০০
করোলা কোম্পানি ৩১,৫০০ টাকা। চলতি মুলধন রয়েছে এবং চলতি অনুপাত হলো ৫ঃ২ । করোলার চরতি দায়ের পরিমাণ হলো-
Correct Answer:
গ: ২১,০০০ টাকা
নিম্নের কোনটি লেনদেনের বৈশিষ্ট্য নয়?
Correct Answer:
খ: কেবল মুনাফা নিদের্শ করে
গ্রাহকগণের ব্যক্তিগত হিসাবসমূহের পাওয়া যায়-
Correct Answer:
গ: বিক্রয় কতিয়ানে
দুইজন অংশীদারের মুনাফা বন্টণ অনুপাত ৫ঃ২ । তৃতীয় জনকে ১/৩ অংশ মুনাফা বন্টণের চুক্তিতে তারা ব্যবসায়ে নতুন অংশীদার হিসাবে গ্রহণ করলে মুনাফার নতুন অনুপাত কত?
Correct Answer:
খ: ১০ঃ৪ঃ৭
প্রতিটি উৎপাদিত এককের জন্য প্রদত্ত রয়্যালিটি হলো-
Correct Answer:
ক: প্রত্যক্ষ খরচ
কোন খরচটির জন্যেনগদ অর্থ ব্যয় হয় না?
Correct Answer:
গ: অবচয়
বাজেয়াপ্ত শেয়ার পুনঃবিলির প বাজেয়াপ্তকৃত অঙ্ক কোন হিসাব স্থানান্তর করা হয়/
Correct Answer:
ঘ: মূলধন সঞ্চিতি
উদ্বর্তত্রে ঐ ধরনের একটি বিবরণী যা-
Correct Answer:
ঘ: একটি নির্দিষ্ট তারিকের
নিম্নলিখিত উপাত্তের ভিত্তিতে বিক্রীত পণ্যের ব্যয় টাকায় নির্ণ য় কর বিক্রয় ১,০০,০০০ টাকা; প্রারম্বিক মজুদ ১৫,০০০ টাকা; সমাপনী মজুদ ১১,০০০ টাকা ; ক্রয় ৬৬,০০০ টাকা; অন্তঃমুখী পরিবহণ ২,০০০ টাকা ক্রয় বাট্টা ৪,০০০ টাকা -
Correct Answer:
খ: ৬৮,০০০
আজিম লিমিটেড ১.১.১৯৯৬ তারিখে একটি ক্রয় করে এবং ১০% ক্রমহ্রাসমান পদ্ধতিতে অবচয় ধার্য করে। ৩১.১২.১৯৯৯ তারিখে মেশিনের অবচয় ১৪,৫৮০ টাকা ধার্য করা হলে, ক্রয়মূল্য কত?
Correct Answer:
গ: ২,০০,০০০ টাকা
যদি বিক্রয়ের পরিমাণ টাকা ১৬,৮০০ টাকা হয় এবং ক্রয়মূল্যের উপর মুনাফার হার ১২% হয়, তবে বিক্রিত পণ্যের ব্যয় হবে
Correct Answer:
গ: ১৫,০০০ টাকা
মুদ্রাস্ফীতির একটি বড় কারণ হলো (one of the major causes of monetary inflation is )_
Correct Answer:
ঘ: মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি (increasing supply of money)
Explanation:
মুদ্রাস্ফীতির একটি বড় কারণ হলো (one of the major causes of monetary inflation is )_ সঠিক উত্তর মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি (increasing supply of money) মুদ্রাস্ফীতি প্রধানত দুটি কারণে হয়ে থাকে: ১) চাহিদা জনিত এবং ২) মূল্য জনিত। উভয়ই কোন দেশের অর্থনীতিতে মূল্যবৃদ্ধির জন্য সমানভাবেই দায়ী, তবে ভিন্নভাবে কাজ করে। যখন কোন পণ্যের চাহিদা গ্রাহকদের কাছ থেকে বাড়ে তখন "চাহিদা জনিত" কারণে মূল্যবৃদ্ধি ঘটে।