heroic title MCQs
Showing 34 questions (Total: 134)
কোন ব্যক্তি বীর শ্রেষ্ঠ হিসেবে সম্মানিত?
Correct Answer:
ঘ: সে্কোয়াড্রন লিডার রুহুল আমিন
Explanation:
কোন ব্যক্তি বীর শ্রেষ্ঠ হিসেবে সম্মানিত? সঠিক উত্তর সে্কোয়াড্রন লিডার রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুম আর্ঠিফিসার রুহুল আমিন মুক্তিযুদ্ধে ১০ নং সেক্টর যুদ্ধ করেন। ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে তিনি শহীদ হন। তিনি সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের একজন।
কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়?
Correct Answer:
ঘ: সিপাহী হামিদুর রহমান
Explanation:
কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়? সঠিক উত্তর সিপাহী হামিদুর রহমান সিপাহী হামিদুর রহমানকে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। মোহাম্মদ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। সাতজন শ্রেষ্ঠ বীরদের অন্যতম। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান 'বীরশ্রেষ্ঠ' উপাধিতে ভূষিত তিনি বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মাঝে সর্বকনিষ্ঠ। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। হামিদুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা হামিদুর রহমানের মৃতদেহ সীমান্তের অল্প দূরে ভারতীয় ভূখণ্ডে ত্রিপুরা রাজ্যের হাতিমেরছড়া গ্রামের স্থানীয় এক পরিবারের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। নীচু স্থানে অবস্থিত কবরটি এক সময় পানির তলায় তলিয়ে যায়। 2009 সালের ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রাইফেলসের একটি দল ত্রিপুরা সীমান্তে হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ গ্রহণ করে এবং ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানকে ঢাকার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করে।
১৯৬৯ সালের কোন তারিখের জনসভায় জাতির পিতা বঙ্গবধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবদ্ধু' উপাধি দেওয়া হয়?
Correct Answer:
গ: ২৩ ফেব্রুয়ারি
জাতিসংঘের ‘Champions of the Earth’ খেতাব প্রাপ্ত কে?
Correct Answer:
গ: শেখ হাসিনা
Explanation:
জাতিসংঘের ‘Champions of the Earth’ খেতাব প্রাপ্ত কে? সঠিক উত্তর শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (ইউনেপ) সর্বোচ্চ পুরস্কার 'Champions of the Earth' খেতাব লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে ২০০৮ সালে বাংলাদেশের পরিবেশ বিজ্ঞানী ড. এ আতিক রহমান এই পুরস্কার লাভ করেন।
মুক্তিযুদ্ধে কয়জনকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি দেওয়া হয়?
Correct Answer:
গ: ৭ জন
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে কয়জনকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি দেওয়া হয়? সঠিক উত্তর ৭ জন বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার । যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে । গুরুত্বের ক্রমানুসারে বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের অন্যান্য সামরিক পদক হল - বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরই এই পদকগুলো দেয়া হয়। ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ গেজেটের একটি অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়। বীরশ্রেষ্ঠদের তালিকা যশোরের বিনোদিয়া পার্কে বীরশ্রেষ্ঠ সাতজনের ভাস্কর্য বীরশ্রেষ্ঠদের তালিকা নিচের সারণিতে দেয়া হল: - ক্রম নাম পদবী সেক্টর গ্যাজেট নম্বর মৃত্যুবরণের তারিখ ০১ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্যাপ্টেন বাংলাদেশ সেনা বাহিনী ০১ ডিসেম্বর ১৪, ১৯৭১ ০২ হামিদুর রহমান সিপাহী বাংলাদেশ সেনা বাহিনী ০২ অক্টোবর ২৮, ১৯৭১ ০৩ মোস্তফা কামাল সিপাহী বাংলাদেশ সেনা বাহিনী ০৩ এপ্রিল ১৮, ১৯৭১ ০৪ মোহাম্মদ রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার বাংলাদেশ নৌ বাহিনী ০৪ ডিসেম্বর ১০, ১৯৭১ ০৫ মতিউর রহমান ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ০৫ আগস্ট ২০, ১৯৭১ ০৬ মুন্সি আব্দুর রউফ ল্যান্স নায়েক বাংলাদেশ রাইফেলস ০৬ এপ্রিল ৮,১৯৭১ ০৭. নূর মোহাম্মদ শেখ ল্যান্স নায়েক বাংলাদেশ রাইফেলস ০৭ সেপ্টেম্বর ৫, ১৯৭১
What is the highest Gallantry award of Bangladesh?
Correct Answer:
B: Bir Shrestha
Explanation:
What is the highest Gallantry award of Bangladesh? Correct Answer Bir Shrestha ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৭ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করেন। এদের মধ্যে সেনাবাহিনী ৩ জন - সিপাহী মোস্তফা কামাল, সিপাহী হামিদুর রহমান ও ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর। বিমান বাহিনী ১ জন - ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান। ইপিআর ২ জন - ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ও আব্দুর রউফ। নৌবাহিনী ১ জন - স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি কী?
Correct Answer:
ঘ: বীরশ্রেষ্ঠ
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত দু-জন নারী মুক্তিযােদ্ধা হলেন-
Correct Answer:
ঘ: ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত দু-জন নারী মুক্তিযােদ্ধা হলেন- সঠিক উত্তর ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি তারামন বিবি তারামন বিবি নামে পরিচিত এই নারীর নাম তারামন বেগম। দেশকে শত্রুমুক্ত করতে সম্মুখ সমরে অস্ত্র হাতে লড়েছেন তিনি। বীরত্বের জন্য ১৯৭৩ সালে পেয়েছেন বীরপ্রতীক খেতাব। বাংলাদেশের খেতাবপ্রাপ্ত দু'জন নারী বীরপ্রতীকের একজন তারামন বিবি। একাত্তরে দেশমাতাকে শত্রুমুক্ত করতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তখন তিনি অনেক ছোট। বয়স হবে ১৪ - ১৫। ছোট থাকতেই বাবা মারা যান। মা তখনও বেঁচে ছিলেন। সাত ভাই - বোনকে নিয়ে কষ্টের সংসার ছিল তাদের। তখন সময়টা ছিল চৈত্র মাস। দেশে তখন যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নির্বিচারে বাঙালিদের হত্যা করছে, জ্বালিয়ে দিচ্ছে বাড়িঘর। আতঙ্ক চারদিকে। কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর ইউনিয়নে বাস করতেন তারামন বিবি ও তার পরিবার। যুদ্ধের সময় যখন মানুষ এক জায়গা থেকে পালিয়ে আরেক জায়গায় যাচ্ছে, তখন তারাও একদিন গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে পাশের ইউনিয়ন কোদালকাঠিতে আশ্রয় নেন। সেখানে ছিল বিভিন্ন এলাকা থেকে পালিয়ে আসা তাদের মতো অনেক মানুষ। সবাই উপাস। নেই কারও জন্য খাবার। এমনই এক সময় তারামন বিবিকে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রান্নার প্রস্তাব দেন মুহিব হাবিলদার নামের এক ব্যক্তি। তারামন বিবির মাকে অনেক কষ্টে রাজি করিয়ে মুহিব হাবিলদার ধর্ম মেয়ে করে নেন তাকে। এ ক্ষেত্রে অনেকটা সহায়তা করেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আজিজ মাস্টার। এরপর তারামন বিবি চলে যান কোদালকাঠির দশঘরিয়া মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে। সেখানে রান্না করা, পাতিল ধোয়া আর অস্ত্র পরিস্কার করার কাজ শুরু করেন। এটি ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি যুদ্ধ ক্যাম্প। শুরু হয় তার যুদ্ধের জীবন। তার ধর্ম বাবা মুহিব হাবিলদারই তাকে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেন। রাইফেল চালানো কিছুটা কষ্টের হওয়ায় স্টেনগান চালানোর প্রশিক্ষণ নেন তিনি। তারপর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে অংশ নিতে শুরু করেন প্রতিটি অপারেশনে। সফল হন যুদ্ধক্ষেত্রে। গোয়েন্দা তথ্য আনতে বেরোলে মাথায় গোবর লাগিয়ে, মুখে কালি দিয়ে উপুড় হয়ে গড়াতে গড়াতে শত্রুর কাছাকাছি চলে যেতেন তারামন বিবি। কোথায় শত্রুর অস্ত্র আছে, কোথায় অপারেশন চালাতে হবে - এসব তথ্য এনে দিতেন মুক্তিযোদ্ধাদের। তারপর শুরু করতেন পরিকল্পনামাফিক অপারেশন। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর সাহসী এই নারী তারামন বিবি মৃত্যুবরণ করেন। সিতারা বেগম স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য বীরপ্রতীকপ্রাপ্ত আরেকজন নারী হলেন সিতারা বেগম। আমাদের মায়েরা অস্ত্র হাতে মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে জানেন, তা যেন প্রমাণ করে দেন সিতারা বেগম। ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জে জন্ম সিতারা বেগমের। তার বাবা মো. ইসরাইল মিয়া ছিলেন একজন আইনজীবী। বৈবাহিক সূত্রে তিনি সিতারা রহমান নামে পরিচিত। কিশোরগঞ্জে সিতারা বেগম শৈশব কাটান। সেখান থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর হলি ক্রস কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) ভর্তি হন। ঢামেক থেকে পাস করার পর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সেনা মেডিকেলে লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭০ সালে সিতারা বেগম কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে নিয়োজিত ছিলেন। সেই সময় তার বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা মেজর এটিএম হায়দার পাকিস্তান থেকে কুমিল্লায় বদলি হয়ে আসেন। তিনি কুমিল্লার তৃতীয় কমান্ডো ব্যাটালিয়নে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিতারা ও তার ভাই হায়দার ঈদের ছুটিতে কিশোরগঞ্জের বাড়িতে যান। কিন্তু সেই সময়ে দেশজুড়ে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। হায়দার তার বোনকে ক্যান্টনমেন্টে আর ফিরে না যাওয়ার জন্য বলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি তার বোন সিতারা, মা - বাবা ও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে ভারতে পাঠান। স্বাধীনতা যুদ্ধে আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়। 'বাংলাদেশ হাসপাতাল' নামে ২ নম্বর সেক্টরে এমন একটি হাসপাতাল ছিল; যা প্রথমে স্থাপিত হয় সীমান্ত - সংলগ্ন ভারতের সোনামুড়ায়। পরে স্থানান্তর করা হয় আগরতলার বিশ্রামগঞ্জে। জুলাই মাসে ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে যোগ দেন। পরে হাসপাতালের সিও (কমান্ডিং অফিসার) কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। যুদ্ধে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের ওই হাসপাতালে পাঠানো হতো। যাদের কেউ শেলের স্পিল্গন্টারে আঘাতপ্রাপ্ত, কেউ গুলিবিদ্ধ। ওষুধপথ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জামের স্বল্পতা সত্ত্বেও সেবার কোনো ত্রুটি ছিল না। এ ক্ষেত্রে সিতারা বেগম তার মেধা, শ্রম ও দক্ষতা দিয়ে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিশেষ অবদান রাখেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সিতারা বেগম রেডিওতে বাংলাদেশের বিজয়ের সংবাদ শুনে ঢাকা আসেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৫ সালে তার ভাই মেজর হায়দার খুন হলে ডা. সিতারা ও তার পরিবার বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকেন। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে। মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ না করেও তিনি বিশেষ অবদান রাখেন স্বাধীনতা যুদ্ধে। এ অবদানের জন্য তৎকালীন সরকার সিতারা বেগমকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী কী ছিল?
Correct Answer:
গ: সিপাহী
Explanation:
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী কী ছিল? সঠিক উত্তর সিপাহী হামিদুর রহমান নামের অন্যান্য ব্যক্তির জন্য হামিদুর রহমান (দ্ব্যর্থতা নিরসন) দেখুন। মোহাম্মদ হামিদুর রহমান বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমান জন্ম ফেব্রুয়ারি ২, ১৯৫৩ হামিদনগর (পূর্বতন খোরদা খালিশপুর), মহেশপুর, ঝিনাইদহ (পূর্বতন যশোর) মৃত্যু অক্টোবর ২৮, ১৯৭১ ধলই, শ্রীমঙ্গল, সিলেট জাতীয়তা বাংলাদেশী নাগরিকত্ব পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে) বাংলাদেশ পরিচিতির কারণ বীর শ্রেষ্ঠ টীকা ৪নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন (সৈনিক নাম্বার ৩৯০৪৩০১) মোহাম্মদ হামিদুর রহমান (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ - ২৮ অক্টোবর ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাদের অন্যতম। মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহীদ হওয়া হামিদুর রহমান সাত জন বীর শ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।[
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে কোন বিদেশী নাগরিক ‘ বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত হয়েছেন?
Correct Answer:
খ: William A.S Ouderland
Explanation:
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে কোন বিদেশী নাগরিক ‘ বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত হয়েছেন? সঠিক উত্তর William A.S Ouderland ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একমাত্র বিদেশি ওলন্দাজ - অস্ট্রেলীয় নাগরিক উইলিয়াম ওডারল্যান্ড বীরপ্রতীক। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীর প্রতীক প্রদান করে। তিনিই একমাত্র বিদেশী এই রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হয়েছেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন শহীদকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে?
Correct Answer:
ক: ৭ জন
Explanation:
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন শহীদকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে? সঠিক উত্তর ৭ জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীরত্বসূচক সর্বচ্চ উপাধি বীরশ্রেষ্ঠ। মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়েছেন। এছাড়া ৬৮ জন বীর উত্তর, ১৭৫ জন বীর বিক্রম এবং ৪২৬ জন বীর প্রতীক উপাধি লাভ করেন।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দ্বিতীয় খেতাব কোনটি?
Correct Answer:
গ: বীরউত্তম
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দ্বিতীয় খেতাব কোনটি? সঠিক উত্তর বীরউত্তম বীরত্বসূচক খেতাব বীরত্বসূচক খেতাব বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন। ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়। এ পরিকল্পে চার পর্যায়ের খেতাব প্রদানের বিধান ছিল: (ক) সর্বোচ্চ পদ, (খ) উচ্চ পদ, (গ) প্রশংসনীয় পদ, (ঘ) বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্র। খেতাব প্রাপ্তির জন্য মর্যাদার ক্রমানুসারে নিম্নোক্ত যোগ্যতা অর্জন করতে হতো: সর্বোচ্চ পদ অত্যন্ত প্রতিকূল অবস্থার মোকাবেলায় মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ের বীরত্বপূর্ণ কাজ, যে কাজ না করলে শত্রু বাংলাদেশ বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করতে পারত। উপরন্তু ঐ বীরত্বপূর্ণ কাজের ফলে শত্রুর ব্যাপক ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে যুদ্ধের গতি প্রকৃতিকে সপক্ষে প্রভাবিত করেছে। উচ্চ পদ পূর্ব বর্ণিত খেতাবের মত যোগ্যতা অর্জন করতে হবে, তবে তা অপেক্ষাকৃত কম মাত্রায়। প্রশংসনীয় পদ পূর্ব বর্ণিত খেতাবের মত যোগ্যতা অর্জন করতে হবে, তবে তা অপেক্ষাকৃত আরও কম মাত্রায়। বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্র উপরিউক্ত তিন প্রকার খেতাবের যোগ্যতা অর্জন করে না অথচ বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য প্রশংসাপত্র প্রদান করা বিধেয়। খেতাব প্রদানের ক্ষেত্রে বীরত্বপূর্ণ কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সর্বোচ্চ পদের জন্য তিনজন সাক্ষী, উচ্চ পদের জন্য দুই জন সাক্ষী, প্রশংসনীয় পদের জন্য একজন সাক্ষীর প্রয়োজন হতো। বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্রের জন্য কোনও সাক্ষীর প্রয়োজন হতো না। বীরত্বসূচক খেতাবের সঙ্গে এককালীন আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হতো। সর্বোচ্চ পদের জন্য দশ হাজার টাকা (বর্তমানে এক লক্ষ টাকা), উচ্চ পদের জন্য পাঁচ হাজার টাকা (বর্তমানে পঞ্চাশ হাজার টাকা), প্রশংসনীয় পদের জন্য দুই হাজার টাকা (বর্তমানে বিশ হাজার টাকা)। বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্রের জন্য কোনো আর্থিক পুরস্কারের বিধান ছিল না। বর্তমানে দশ হাজার টাকা প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে। এখন খেতাব প্রাপ্তদের মাসিক ভাতাও প্রদান করা হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সভায় বীরত্বসূচক খেতাবের নতুন নামকরণ হয়: উচ্চ পদমর্যাদার খেতাব বীর উত্তম প্রশংসনীয় পদমর্যাদার খেতাব বীর বিক্রম বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্রের খেতাব বীর প্রতীক ১৯৭২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ৪৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরত্বসূচক খেতাবের জন্য নির্বাচন করা হয়। ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ পূর্বের ৪৩ জনসহ মোট ৫৪৬ জন মুক্তিযোদ্ধা খেতাবের জন্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ইউনিট, সেক্টর, ব্রিগেড থেকে পাওয়া খেতাবের জন্য সুপারিশসমূহ এয়ার ভাইস মার্শাল এ. কে খন্দকারের নেতৃত্বে্ একটি কমিটি দ্বারা নিরীক্ষা করা হয়। এরপর ১৯৭৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেতাব তালিকায় স্বাক্ষর করেন। ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়: বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন বীর উত্তম ৬৮ জন বীর বিক্রম ১৭৫ জন বীর প্রতীক ৪২৬ জন ১৯৯২ সালের ১৫ ডিসেম্বর জাতীয়ভাবে বীরত্বসূচক খেতাব প্রাপ্তদের পদক ও রিবন প্রদান করা হয়। ২০০১ সালের ৭ মার্চ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়। বাহিনীভিত্তিক খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা নিম্নরূপ: সেনাবাহিনী ২৮৮ জন নৌবাহিনী ২৪ জন বিমান বাহিনী ২১ জন বাংলাদেশ রাইফেল্স ১৪৯ জন পুলিশ ৫ জন মুজাহিদ/ আনসার ১৪ জন গণবাহিনী ১৭৫ জন খেতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন দু’জন মহিলা। পাঁচজন অবাঙালিও বীরত্বসূচক খেতাব পান, যাদের মধ্যে একজন বিদেশী। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বীরত্বসূচক খেতাব সামরিক বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্যও প্রযোজ্য আছে। স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম, টাঙ্গাইল - ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও অন্যান্য স্থানে পরিচালিত অপারেশনে সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রাইফেল্সের ১২৬ জন বীরত্বসূচক খেতাব পেয়েছেন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্তরা সমাজে উচ্চ মর্যাদায় সমাসীন। [মুহাম্মদ লুৎফুল হক]
বাংলাদেশের প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত গ্রান্ডমাস্টার কে?
Correct Answer:
গ: নিয়াজ মোরশেদ
Explanation:
বাংলাদেশের প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত গ্রান্ডমাস্টার কে? সঠিক উত্তর নিয়াজ মোরশেদ নিয়াজ মোরশেদ (জন্ম: ১৩ মে ১৯৬৬), যিনি মোর্শেদ নামে পরিচিত, হলেন বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুপরিচিত দাবাড়ু। . দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে ১ম গ্র্যান্ড মাস্টার খেতাবধারী হবার বিরল কৃতিত্বের দাবীদার তিনি।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরপ্রতীক উপাধি প্রদান করা হয়?
Correct Answer:
ঘ: ৪২৬ জন
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরপ্রতীক উপাধি প্রদান করা হয়? সঠিক উত্তর ৪২৬ জন ধরন পদক যোগ্যতা বীরত্বসূচক অবদানের জন্য ৪র্থ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পুরস্কৃত হওয়ার কারণ ১৯৭১ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্ব প্রদর্শন মর্যাদা ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ পরিসংখ্যান প্রতিষ্ঠিত ১৯৭৩ সর্বমোট পুরস্কৃত ৪২৪
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানসূচক সর্বোচ্চ খেতাব কি?
Correct Answer:
ক: বীরশ্রেষ্ঠ
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন মহিলাকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
Correct Answer:
গ: ২ জন
Explanation:
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন মহিলাকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়? সঠিক উত্তর ২ জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার দু'জন মহিলাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করে। তারা হচ্ছেন ক্যাাপ্টেন সেতারা বেগম (সেনাবাহিনী) এবং মোসাম্মৎ তারামন বেগম (গণবাহিনী ১১ নং সেক্টর)। ক্যাপ্টেন সেতারা বেগমকে ঐ সময় চিহ্নত করা হলেও তারামন বেগমকে দীর্ঘ ২৪ বছর পর ডিসেম্বর ১৯৯৫ - এ চিহ্নিত করা হয়। ১৯ ডিসম্বের ১৯৯৫ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে তারামন বেগমকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযােদ্ধাদের সম্মানসূচক সর্বোচ্চ খেতাব কী?
Correct Answer:
ঘ: বীর শ্রেষ্ঠ
বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা?
Correct Answer:
খ: ডাব্লিউ এ এস ওভারল্যান্ড
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্ত্বের জন্য কতজনকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি দেয়া হয়?
Correct Answer:
খ: ৭ জন
’বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত একজন মহিলা মুক্তিযোদ্ধা হলেন?
Correct Answer:
ঘ: তারামন বিবি
Explanation:
’বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত একজন মহিলা মুক্তিযোদ্ধা হলেন? সঠিক উত্তর তারামন বিবি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত দুইজন মহিলা হলেন,১। তারামন বিবি২। ডাঃ সেতারা বেগমঅনেক জায়গায় মহিলা বীর প্রতীক হিসেবে কাঁকন বিবির নামও পড়ে থাকবেন। কাঁকন বিবিও একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা-বীরাঙ্গনা। ১৯৯৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বীরপ্রতীক উপাধীতে ভূষিত করলেও সেটি আজও গ্যাজেট আকারে প্রকাশিত হয়নি। তাই তালিকায় কাঁকন বিবির নাম নেই।
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য ‘বীরপ্রতীক’ উপাধি লাভ করেন কত জন?
Correct Answer:
ঘ: ৪২৬ জন
Explanation:
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য ‘বীরপ্রতীক’ উপাধি লাভ করেন কত জন? সঠিক উত্তর ৪২৬ জন ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জনবীর উত্তম - ৬৮ জনবীর বিক্রম - ১৭৫ জনবীর প্রতীক - ৪২৬ জন
‘বীরশ্রেষ্ঠ' পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা কত?
Correct Answer:
ক: সাত
Explanation:
‘বীরশ্রেষ্ঠ' পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা কত? সঠিক উত্তর সাত বর্তমানে ৬৭৬ জন বীরত্বসূচক পদক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ রয়েছেন ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন ও বীর প্রতীক ৪২৬ জন। এঁদের মধ্যে সেনাবাহিনীর ২৯১ জন, নৌবাহিনীর ২১ জন, বিমানবাহিনীর ২৩ জন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ১১ জন, পুলিশ বাহিনীর ৫ জন এবং গণবাহিনীর ২১৮ জন যোদ্ধা রয়েছেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন মুক্তিযোদ্ধা 'বীরবিক্রম' খেতাবে ভূষিত হয়?
Correct Answer:
গ: ১৭৫ জন
Explanation:
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন মুক্তিযোদ্ধা 'বীরবিক্রম' খেতাবে ভূষিত হয়? সঠিক উত্তর ১৭৫ জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানকারী বিশেষ বিশেষ মুক্তিযোদ্ধাদেরকে তাদের অবদানের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার বীরশ্রেষ্ঠ, বীর-উত্তম, বীর বিক্রম ও বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করেন। বীরবিক্রম তৃতীয় সর্বোচ্চ উপাধি। ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জনবীর উত্তম - ৬৮ জনবীর বিক্রম - ১৭৫ জনবীর প্রতীক - ৪২৬ জন
বাংলাদেশের বীরত্বসূচক উপাধিগুলোর মধ্যে কোনটি স্থান মর্যাদার দিক থেকে তৃতীয়?
Correct Answer:
ঘ: বীর বিক্রম
Explanation:
বাংলাদেশের বীরত্বসূচক উপাধিগুলোর মধ্যে কোনটি স্থান মর্যাদার দিক থেকে তৃতীয়? সঠিক উত্তর বীর বিক্রম মর্যাদার দিক থেকে ক্রম যথাক্রমে: ১। বীরশ্রেষ্ঠ, ২। বীর উত্তম, ৩। বীর বিক্রম, ৪। বীর প্রতীক
How many females were awarded the title 'Beer Protik' for their contribution in the Liberation War of Bangladesh?
Correct Answer:
A: 4
Explanation:
How many females were awarded the title 'Beer Protik' for their contribution in the Liberation War of Bangladesh? Correct Answer 4 ৪২৬ জন বীরপ্রতীক খেতাব প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নারী বীরপ্রতীক দুজন৷
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য 'বীরউত্তম' উপাধি লাভ করেছেন কতজন ?
Correct Answer:
ক: ৬৭ জন
Explanation:
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য 'বীরউত্তম' উপাধি লাভ করেছেন কতজন ? সঠিক উত্তর ৬৭ জন মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৬৭ জনকে উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে। সর্বশেষ বীর-উত্তম পদক পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ (২০১০) মরণোত্তর সহ মোট বীর-উত্তম ৬৯ জন।
স্বাধীনত যুদ্ধ অবদান রাখার জন্য কত জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
Correct Answer:
গ: ২ জন
Explanation:
স্বাধীনত যুদ্ধ অবদান রাখার জন্য কত জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়? সঠিক উত্তর ২ জন স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য তারামন বিবি ও ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগমকে বীর প্রতীক হিসেবে ভূষিত করা হয় । তারামন বিবি 11 নং সেক্টরে ও ডা. সিতারা বেগম 2 নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন ।
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
Correct Answer:
খ: অস্ট্রেলিয়া
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা কত?
Correct Answer:
ঘ: ২০,০০০ টাকা
Explanation:
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা কত? সঠিক উত্তর ২০,০০০ টাকা ২০২১ - ২২ অর্থবছরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতা বাবদ বাজেটে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫ হাজার ৭০৫ কোটি টাকা। ১ জুলাই, ২০২১ সাল থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতা বাবদ প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে মোট রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধার সংখ্যা কত?
Correct Answer:
ক: ৬৭৬
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কত মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়?
Correct Answer:
গ: ১৭৪ জন
Explanation:
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কত মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়? সঠিক উত্তর ১৭৪ জন আমরা এইভাবে মনে রাখতে পারি যেমন- ০১ ৭ ৬৮ ১৭৫ ৪২৬
‘বাংলার মিল্টন’ কোন কবির উপাধি?
Correct Answer:
খ: হেমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়েছেন---
Correct Answer:
খ: ৭ জন
Explanation:
[বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রীয় উপাধি। সরকারি গেজেট নোটিফিকেশন অনুযায়ী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৭ জন বীর সন্তানকে মরণোত্তর বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।]
বাংলাদেশরর সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি "বীরশ্রেষ্ঠ " কতজনকে দেয়া হয়েছে ?
Correct Answer:
গ: ৭ জন
Explanation:
[বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি 'বীরশ্রেষ্ঠ ' মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন। তাদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীরউত্তম ৬৮জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন ও বীর প্রতীক ৪২৬ জন।]