Primary Head Teacher Recruitment Test MCQs
Showing 50 questions (Total: 950)
কোনটি শুদ্ধ বানান?
Correct Answer:
গ: গীতাঞ্জলি
Explanation:
কোনটি শুদ্ধ বানান? সঠিক উত্তর গীতাঞ্জলি অপিনিহিতি শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ হল – ( অপি-নি-√ধা-তি) অর্থাৎ শব্দের আগে বসা বা আগে স্থাপন । শব্দ মধ্যস্থ কোনো ব্যঞ্জন ধ্বনির পর যদি ই-কার বা উ-কার থাকে তবে সেই 'ই' বা 'উ' যদি ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে উচ্চারিত হয়ে যে ধ্বনি পরিবর্তন ঘটায় সেটাই হল অপিনিহিতি। যেমন: আজি>আইজ; সাধু>সাউধ; রাখিয়া > রাইখ্যা, বাক্য > বাইক্য, সত্য > সইত্য, চারি > চাইর, মারি > মাইর ইত্যাদি।
কোনটি ‘আধিত্যকা’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ?
Correct Answer:
ঘ: উপত্যকা
Explanation:
কোনটি ‘আধিত্যকা’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ? সঠিক উত্তর উপত্যকা ‘অধিত্যকা’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ উপত্যকাঅধিত্যকা /বিশেষ্য পদ/ পর্বতের উপরিস্থিত সমভূমি। বিপরীতার্থক শব্দ/ বিপরীত শব্দএকটি শব্দের বিপরীত অর্থবাচক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ বলে । সাধারণত শব্দের শুরুতে অ, অন, অনা, অপ, অব, দূর, ন, না, নি, নির প্রভৃতি উপসর্গগুলো যুক্ত করলে শব্দের অর্থ না - বাচক বা নিষেধবোধক অর্থে রূপান্তরিত হয় । তাই শব্দের বিপরীত শব্দ তৈরিতেও এই উপসর্গগুলো ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - আগত – শব্দটির শুরুতে অন - উপসর্গটি যুক্ত হয়ে বিপরীত শব্দ হল - অনাগত । আবার যে সব শব্দের শুরুতে হ্যাঁ - বোধক উপসর্গ থাকে, তাদের শুরুর সেই উপসর্গের বদলে না - বোধক উপসর্গও ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - অনুরাগ - শব্দটি রাগ - শব্দমূলের পূর্বে অনু - উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, যেখানে অনু - উপসর্গটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে । এখন অনু - র পরিবর্তে বি - উপসর্গ ব্যবহার করলে, বিরাগ - শব্দে বি - উপসর্গটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, এবং শব্দটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে যায় । অর্থাৎ, ইতিবাচক অনু - উপসর্গের বদলে নেতিবাচক বি - উপসর্গের ব্যবহারে বিপরীত শব্দ গঠিত হল । তবে সাধারণত, শব্দের বিপরীত শব্দগুলো অর্থের দিক থেকে বিপরীত অর্থবোধক হয়; না - বোধক বা নেতিবাচক হয় না । তাই, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরকম কোন নিয়ম খাটে না । বরং অর্থের দিক থেকে যথাযথ বিপরীত শব্দটিই গৃহীত হয় ।যেমন - আজ – কাল, অতীত - ভবিষ্যত, অধম - উত্তম, ইত্যাদি । কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ অ অকর্মক সকর্মক অজ্ঞ প্রাজ্ঞ অধিত্যকা উপত্যকা অক্ষম সক্ষম অতিকায় ক্ষুদ্রকায় অনন্ত সান্ত অগ্র পশ্চাৎ অতিবৃষ্টি অনাবৃষ্টি অনুকূল প্রতিকূল অগ্রজ অনুজ অতীত ভবিষ্যত অনুগ্রহ নিগ্রহ অণু বৃহৎ অদ্য কল্য অগ্রজ অনুজ অচল সচল অধঃ ঊর্ধ্ব অনুরক্ত বিরক্ত অচলায়তন সচলায়তন অধম উত্তম অনুরাগ বিরাগ অচেতন সচেতন অধমর্ণ উত্তমর্ণ অনুলোম প্রতিলোম অলীক সত্য অশন অনশন অস্তগামী উদীয়মান অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ অসীম সসীম অস্তি নাস্তি/নেতি অহিংস সহিংস আ আকর্ষণ বিকর্ষণ আধার আধেয় আরোহণ অবরোহণ আকুঞ্চন প্রসারণ আপদ সম্পদ আর্দ্র শুষ্ক আগত অনাগত আবশ্যক অনাবশ্যক আর্য অনার্য আগমন প্রস্থান আবশ্যিক ঐচ্ছিক আলস্য শ্রম আজ কাল আবাদি অনাবাদি আলো আঁধার আত্ম পর আবাহন বিসর্জন আশীর্বাদ অভিশাপ আত্মীয় অনাত্মীয় আবির্ভাব তিরোভাব আসক্ত নিরাসক্ত আদি অন্ত আবির্ভূত তিরোহিত আসামি ফরিয়াদী আদিম অন্তিম আবিল অনাবিল আস্তিক নাস্তিক আদ্য অন্ত্য আবৃত উন্মুক্ত আস্থা অনাস্থা ই ইচ্ছুক অনিচ্ছুক ইদানীন্তন তদানীন্তন ইহকাল পরকাল ইতর ভদ্র ইষ্ট অনিষ্ট ইহলোক পরলোক ইতিবাচক নেতিবাচক ইহলৌকিক পারলৌকিক ঈ ঈদৃশ তাদৃশ ঈষৎ অধিক উ উক্ত অনুক্ত উত্তরায়ণ দক্ষিণায়ন উন্নত অবনত উগ্র সৌম্য উত্তাপ শৈত্য উন্নতি অবনতি উচ্চ নীচ উত্তীর্ণ অনুত্তীর্ণ উন্নীত অবনমিত উজান ভাটি উত্থান পতন উন্নয়ন অবনমন উঠতি পড়তি উত্থিত পতিত উন্মুখ বিমুখ উঠন্ত পড়ন্ত উদয় অস্ত উন্মীলন নিমীলন উৎকৃষ্ট নিকৃষ্ট উদ্ধত বিনীত/ নম্র উপকর্ষ অপকর্ষ উৎকর্ষ অপকর্ষ উদ্বৃত্ত ঘাটতি উপচয় অপচয় উৎরাই চড়াই উদ্যত বিরত উপকারী অপকারী উত্তম অধম উদ্যম বিরাম উপকারিতা অপকারিতা উত্তমর্ণ অধমর্ণ উর্বর ঊষর উপচিকীর্ষা অপচিকীর্ষা উত্তর দক্ষিণ উষ্ণ শীতল ঊ ঊর্ধ্ব অধঃ ঊর্ধ্বগতি অধোগতি ঊষা সন্ধ্যা ঊর্ধ্বতন অধস্তন ঊর্ধ্বগামী অধোগামী ঊষর উর্বর ঋ ঋজু বক্র এ একান্ন পৃথগান্ন একাল সেকাল একূল ওকূল এখন তখন ঐ ঐকমত্য মতভেদ ঐশ্বর্য দারিদ্র্য ঐহিক পারত্রিক ঐক্য অনৈক্য ও ওস্তাদ সাকরেদ ঔ ঔদার্য কার্পণ্য ঔচিত্য অনৌচিত্য ঔজ্জ্বল্য ম্লানিমা ঔদ্ধত্য বিনয় ক কচি ঝুনা কুৎসিত সুন্দর কৃশাঙ্গী স্থূলাঙ্গী কদাচার সদাচার কুফল সুফল কৃষ্ণ শুভ্র/গৌর কনিষ্ঠ জ্যেষ্ঠ কুবুদ্ধি সুবুদ্ধি কৃষ্ণাঙ্গ শ্বেতাঙ্গ কপট সরল/অকপট কুমেরু সুমেরু কোমল কঠিন কপটতা সরলতা কুরুচি সুরুচি ক্রন্দন হাস্য কর্মঠ অকর্মণ্য কুলীন অন্ত্যজ ক্রোধ প্রীতি কল্পনা বাস্তব কুশাসন সুশাসন ক্ষণস্থায়ী দীর্ঘস্থায়ী কাপুরুষ বীরপুরুষ কুশিক্ষা সুশিক্ষা ক্ষীপ্র মন্থর কুঞ্চন প্রসারণ কৃতজ্ঞ অকৃতজ্ঞ/ কৃতঘ্ন ক্ষীয়মান বর্ধমান কুটিল সরল কৃপণ বদান্য কুৎসা প্রশংসা কৃশ স্থূল খ খ্যাত অখ্যাত খুচরা পাইকারি খেদ হর্ষ খ্যাতি অখ্যাতি গ গঞ্জনা প্রশংসা গূঢ় ব্যক্ত গৌণ মুখ্য গতি স্থিতি গুপ্ত প্রকাশিত গৌরব অগৌরব গদ্য পদ্য গৃহী সন্ন্যাসী গ্রামীণ নাগরিক গণ্য নগণ্য গ্রহণ বর্জন গ্রাম্য শহুরে গরল অমৃত গৃহীত বর্জিত গ্রাহ্য অগ্রাহ্য গরিমা লঘিমা গেঁয়ো শহুরে গরিষ্ঠ লঘিষ্ঠ গোপন প্রকাশ ঘ ঘাটতি বাড়তি ঘাত প্রতিঘাত ঘৃণা শ্রদ্ধা চ চক্ষুষ্মান অন্ধ চল অচল চিরায়ত সাময়িক চঞ্চল স্থির চলিত অচলিত/সাধু চ্যূত অচ্যূত চড়াই উৎরাই চিন্তনীয় অচিন্ত্য/অচিন্তনীয় চতুর নির্বোধ চুনোপুটি রুই - কাতলা ছ ছটফটে শান্ত জ জঙ্গম স্থাবর জল স্থল জোড় বিজোড় জড় চেতন জলে স্থলে জোয়ার ভাটা জটিল সরল জলচর স্থলচর জ্যোৎস্না অমাবস্যা জনাকীর্ণ জনবিরল জাতীয় বিজাতীয় জ্ঞাত অজ্ঞাত জন্ম মৃত্যু জাল আসল জ্ঞানী মূর্খ জমা খরচ জিন্দা মুর্দা জ্ঞেয় অজ্ঞেয় জরিমানা বকশিশ জীবন মরণ জ্যেষ্ঠা কনিষ্ঠা জাগ্রত ঘুমন্ত/সুপ্ত জীবিত মৃত জাগরণ ঘুম/সুপ্ত জৈব অজৈব ঠ ঠুনকো মজবুত ড ডুবন্ত ভাসন্ত ত তদীয় মদীয় তারুণ্য বার্ধক্য তীক্ষ্ণ স্থূল তন্ময় মন্ময় তিমির আলোক তীব্র মৃদু তস্কর সাধু তিরস্কার পুরস্কার তুষ্ট রুষ্ট তাপ শৈত্য তীর্যক ঋজু ত্বরিত শ্লথ দ দক্ষিণ বাম দুর্জন সুজন দৃঢ় শিথিল দণ্ড পুরস্কার দুর্দিন সুদিন দৃশ্য অদৃশ্য দাতা গ্রহীতা দুর্নাম সুনাম দেনা পাওনা দিবস রজনী দুর্বুদ্ধি সুবুদ্ধি দেশী বিদেশী দিবা নিশি/রাত্রি দুর্ভাগ্য সৌভাগ্য দোষ গুণ দিবাকর নিশাকর দুর্মতি সুমতি দোষী নির্দোষ দীর্ঘ হ্রস্ব দুর্লভ সুলভ দোস্ত দুশমন দীর্ঘায়ু স্বল্পায়ু দুষ্কৃতি সুকৃতি দ্বিধা নির্দ্বিধা/ দ্বিধাহীন দুঃশীল সুশীল দুষ্ট শিষ্ট দ্বৈত অদ্বৈত দুরন্ত শান্ত দূর নিকট দ্যুলোক ভূলোক দুর্গম সুগম দ্রুত মন্থর ধ ধনাত্মক ঋণাত্মক ধারালো ভোঁতা ধূর্ত বোকা ধনী নির্ধন/দরিদ্র ধামির্ক অধার্মিক ধৃত মুক্ত ধবল শ্যামল ন নতুন পুরাতন নিন্দা জাগরণ নির্মল মলিন নবীন নিন্দিত নিয়োগ বরখাস্ত নির্লজ্জ সলজ্জ নবীন প্রবীণ নিরক্ষর সাক্ষর নিশ্চয়তা অনিশ্চয়তা নর নারী নিরবলম্ব স্বাবলম্ব নীরস সরস নশ্বর অবিনশ্বর নিরস্ত্র সশস্ত্র নিশ্চেষ্ট সচেষ্ট নাবালক সাবালক নিরাকার সাকার নৈঃশব্দ্য সশব্দ নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নির্দয় সদয় নৈতিকতা অনৈতিকতা নিকৃষ্ট উৎকৃষ্ট নির্দিষ্ট অনির্দিষ্ট নৈসর্গিক কৃত্তিম নিত্য অনিত্য নির্দেশক অনির্দেশক ন্যায় অন্যায় ন্যূন অধিক প পক্ষ বিপক্ষ পূণ্যবান পূণ্যহীন প্রফুল্ল ম্লান পটু অপটু পুরস্কার তিরস্কার প্রবীণ নবীন পণ্ডিত মূর্খ পুষ্ট ক্ষীণ প্রবেশ প্রস্থান পতন উত্থান পূর্ণিমা অমাবস্যা প্রভু ভৃত্য পথ বিপথ পূর্ব পশ্চিম প্রশ্বাস নিঃশ্বাস পবিত্র অপবিত্র পূর্ববর্তী পরবর্তী প্রসন্ন বিষণ্ণ পরকীয় স্বকীয় পূর্বসূরী উত্তরসূরী প্রসারণ সংকোচন/আকুঞ্চন পরার্থ স্বার্থ পূর্বাহ্ণ অপরাহ্ণ প্রাচ্য প্রতীচ্য পরিকল্পিত অপরিকল্পিত প্রকাশিত অপ্রকাশিত প্রাচীন অর্বাচীন পরিশোধিত অপরিশোধিত প্রকাশ গোপন প্রতিকূল অনুকূল পরিশ্রমী অলস প্রকাশ্যে নেপথ্যে প্রায়শ কদাচিৎ পাপ পূণ্য প্রজ্জ্বলন নির্বাপণ প্রারম্ভ শেষ পাপী নিষ্পাপ প্রত্যক্ষ পরোক্ষ প্রীতিকর অপ্রীতিকর পার্থিব অপার্থিব প্রধান অপ্রধান ফ ফলন্ত/ফলনশীল নিস্ফলা ফলবান নিস্ফল ফাঁপা নিরেট ব বক্তা শ্রোতা বাধ্য অবাধ্য বিফল সফল বন্দনা গঞ্জনা বামপন্থী ডানপন্থী বিফলতা সফলতা বন্দী মুক্ত বাস্তব কল্পনা বিবাদ সুবাদ বদ্ধ মুক্ত বাল্য বার্ধক্য বিয়োগান্ত মিলনান্ত বন্ধন মুক্তি বাহুল্য স্বল্পতা বিয়োগান্তক মিলনান্তক বন্ধুর মসৃণ বাহ্য আভ্যন্তর বিরহ মিলন বন্য পোষা বিজেতা বিজিত বিলম্বিত দ্রুত বয়োজ্যেষ্ঠ বয়োকনিষ্ঠ বিদ্বান মূর্খ বিষাদ আনন্দ/ হর্ষ বরখাস্ত বহাল বিধর্মী স্বধর্মী বিস্তৃত সংক্ষিপ্ত বর্ধমান ক্ষীয়মান বিনয় ঔদ্ধত্য ব্যক্ত গুপ্ত বর্ধিষ্ণু ক্ষয়িষ্ণু বিনীত উদ্ধত ব্যর্থ সার্থক বহির্ভূত অন্তর্ভূক্ত বিপন্ন নিরাপদ ব্যর্থতা সার্থকতা বাদি বিবাদি বিপন্নতা নিরাপত্তা ব্যষ্টি সমষ্টি ভ ভক্তি অভক্তি ভাটা জোয়ার ভূত ভবিষ্যত ভদ্র ইতর ভাসা ডোবা ভূমিকা উপসংহার ভীরু নির্ভীক ভোগ ত্যাগ ভেদ অভেদ ম মঙ্গল অমঙ্গল মহাত্মা দুরাত্মা মুক্ত বন্দী মঞ্জুর নামঞ্জুর মানানসই বেমানান মুখ্য গৌণ মতৈক্য মতানৈক্য মান্য অমান্য মূর্খ জ্ঞানী মসৃণ খসখসে মিতব্যয়ী অমিতব্যয়ী মূর্ত বিমূর্ত মহৎ নীচ মিথ্যা সত্য মৌখিক লিখিত মহাজন খাতক মিলন বিরহ মৌলিক যৌগিক য যত্ন অযত্ন যুদ্ধ শান্তি যৌথ একক যশ অপযশ যোগ বিয়োগ যৌবন বার্ধক্য যুক্ত বিযুক্ত যোগ্য অযোগ্য যুগল একক যোজন বিয়োজন র রক্ষক ভক্ষক রাজি নারাজ রোদ বৃষ্টি রমণীয় কুৎসিত রুগ্ন সুস্থ রোগী নিরোগ রসিক বেরসিক রুদ্ধ মুক্ত রাজা প্রজা রুষ্ট তুষ্ট ল লঘিষ্ঠ গরিষ্ঠ লাজুক নির্লজ্জ লেন দেন লঘু গুরু লেজ মাথা লেনা দেনা লব হর লৌকিক অলৌকিক শ শঠ সাধু শিষ্ট অশিষ্ট শুষ্ক সিক্ত শঠতা সাধুতা শিষ্য গুরু শূণ্য পূর্ণ শায়িত উত্থিত শীত গ্রীষ্ম শোভন অশোভন শয়ন উত্থান শীতল উষ্ণ শ্বাস প্রশ্বাস শারীরিক মানসিক শুক্লপক্ষ কৃষ্ণপক্ষ শ্রী বিশ্রী শালীন অশালীন শুচি অশুচি শ্লীল অশ্লীল শাসক শাসিত শুদ্ধ অশুদ্ধ শিক্ষক ছাত্র শুভ্র কৃষ্ণ স সংকীর্ণ প্রশস্ত সদৃশ বিসদৃশ সাহসিকতা ভীরুতা সংকোচন প্রসারণ সধবা বিধবা সিক্ত শুষ্ক সংকুচিত প্রসারিত সন্ধি বিগ্রহ সুকৃতি দুষ্কৃতি সংক্ষিপ্ত বিস্তৃত সন্নিধান ব্যবধান সুগম দুর্গম সংক্ষেপ বিস্তার সফল বিফল সুন্দর কুৎসিত সংক্ষেপিত বিস্তারিত সবল দুর্বল সুদর্শন কুদর্শন সংগত অসংগত সবাক নির্বাক সুধা জাগ্রত সংযত অসংযত সমতল অসমতল সুপ্ত জাগ্রত সংযুক্ত বিযুক্ত সমষ্টি ব্যষ্টি সুয়ো দুয়ো সংযোগ বিয়োগ সমাপিকা অসমাপিকা সুশীল দুঃশীল সংযোজন বিয়োজন সমাপ্ত আরম্ভ সুশ্রী কুশ্রী সংশ্লিষ্ট বিশ্লিষ্ট সম্পদ বিপদ সুষম অসম সংশ্লেষণ বিশ্লেষণ সম্প্রসারণ সংকোচন সুসহ দুঃসহ সংহত বিভক্ত সম্মুখ পশ্চাত সুস্থ দুস্থ সংহতি বিভক্তি সরব নিরব সূক্ষ্ম স্থূল সকর্মক অকর্মক সরল কুটিল/জটিল সৃষ্টি ধ্বংস সকাল বিকাল সশস্ত্র নিরস্ত্র সৌখিন পেশাদার সক্রিয় নিষ্ক্রিয় সস্তা আক্রা সৌভাগ্যবান দুর্ভাগ্যবান/ভাগ্যহত সক্ষম অক্ষম সসীম অসীম স্তুতি নিন্দা সচল নিশ্চল সহযোগ অসহযোগ স্তাবক নিন্দুক সচেতন অচেতন সহিষ্ণু অসহিষ্ণু স্থাবর জঙ্গম সচেষ্ট নিশ্চেষ্ট সাঁঝ সকাল স্থলভাগ জলভাগ সচ্চরিত্র দুশ্চরিত্র সাকার নিরাকার স্নিগ্ধ রুক্ষ সজাগ নিদ্রিত সাক্ষর নিরক্ষর স্বনামী বেনামী সজ্জন দুর্জন সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য স্বর্গ নরক সজ্ঞান অজ্ঞান সাফল্য ব্যর্থতা স্বাতন্ত্র্য সাধারণত্ব সঞ্চয় অপচয় সাবালক নাবালক স্বাধীন পরাধীন সতী অসতী সাবালিকা নাবালিকা স্বার্থপর পরার্থপর সত্বর ধীর সাম্য বৈষম্য স্মৃতি বিস্মৃতি সদয় নির্দয় সার অসার স্থির অস্থির সদর অন্দর সার্থক নিরর্থক সদাচার কদাচার সাহসী ভীরু হ হরণ পূরণ হাল সাবেক হৃদ্যতা শত্রুতা হর্ষ বিষাদ হালকা ভারি হ্রস্ব দীর্ঘ হাজির গরহাজির হিত অহিত হ্রাস বৃদ্ধি হার জিত হিসেবি বেহিসেবি
কোনটি ‘উচ্ছাস’ শব্দের প্রতিশব্দ নয়?
Correct Answer:
খ: পুলক
Explanation:
কোনটি ‘উচ্ছাস’ শব্দের প্রতিশব্দ নয়? সঠিক উত্তর পুলক ‘উচ্ছাস’ শব্দের প্রতিশব্দ উচ্ছলতা প্রাণপ্রাচুর্য প্রাণাবেগ স্ফীতি স্ফূর্তি বিকাশ উল্লাস স্ফুরণ উদ্দামতাসমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ এবং বাক্যে প্রয়োগসমার্থক বলতে সমান অর্থকে বুঝায়। অর্থাৎ সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো অনুরূপ বা সম অর্থবোধক শব্দ। যে শব্দ অন্য কোন শব্দের একই অর্থ কিংবা প্রায় সমান অর্থ প্রকাশ করে, তাকে সমার্থক শব্দ বলা হয়। সমার্থক শব্দের একটিকে অন্যটির প্রতিশব্দ বলা হয়। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় Synonym.উদাহরণ:অশ্রু: চোখের জল, নেত্রবারি, ধারাপাত, বর্ষণ।অপচয়: অপব্যয়, বৃথাব্যয়, ক্ষতি, ক্ষয়, হ্রাস।অগ্নি: আগুন, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, অনল, দহন, শিখা, সর্বভুক, কৃশানু, বৈশ্বানর।সমার্থক শব্দের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:মনের ভাব যথাযথভাবে প্রকাশ করতে হলে আমাদের অবশই সমার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হবে। তাই সমার্থক বা প্রতিশব্দের ব্যবহারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে: প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারকে সমৃদ্ধ করে। গুরুচন্ডালি দোষমুক্তির প্রয়োজনে সমার্থক শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। গাম্ভীর্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদান - যথাযথ প্রতিশব্দ বা সমার্থক ছাড়া সম্ভব নয়। মনের ভাব প্রকাশের কাজকে সহজ করে দেয়। ভাষাশৈলীর অবয়ব গঠনকে বলিষ্ঠ করে। বাক্য বিন্যাসের ক্ষেত্রে মাধুর্য আনয়ন করে। সৃজনশীল সাহিত্য সৃষ্টি করে। প্রতিশব্দ ভাষার সৌন্দর্য ও নান্দনিকতার প্রাণ। কবিতার উপমা, শব্দ চয়ন ও ভাষার আতিশয্যে গাম্ভীর্যের বিকাশ ঘটায়। মননশীল সাহিত্য সৃষ্টি ও আধুনিক ধারা বিকাশে সহায়ক।সমার্থক শব্দ ও প্রতিশব্দের বাক্যে প্রয়োগ: অগ্নি সমার্থক শব্দ অনল = ’আমি সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল।’ আগুন = মনের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল। সর্বভুক = সর্বভুক আমাদের নিঃস্ব করে দিল। শিখা = জ্বেলে দে তোর বিজয় শিখা। দহন = দহনে পুড়িল হৃদয় দেখিল না কেউ।আকাশ সমার্থক শব্দ আসমান = ‘নীল সিয়া আসমান লালে লাল দুনিয়া।’ গগন = গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা। নভোঃ = মহাকাশচারীরা ঐ দূর নভেঃ ছুটে চলে। অন্তরীক্ষ = অন্তরীক্ষে শুনি কার বাণী। অম্বর = অম্বরে এখন মেঘের ঘনঘটা।ইচ্ছা সমার্থক শব্দ অভিপ্রায় = তোমাকে দেখার অভিপ্রায়ে গিয়েছিনু সন্দ্বীপ। বাসনা = এ জীবনে অনেক বাসনাই অপূর্ণ রয়ে গেল। সাধ = বড় সাধ জাগে একবার তোমায় দেখি। আগ্রহ = পড়াশোনায় ছেলেটির মোটেই আগ্রহ নেই। অভিরুচি = মাংসের প্রতি তার অভিরুচি নেই।ঈশ্বর সমার্থক শব্দ আল্লাহ = আল্লাহ তোমায় দীর্ঘজীবী করুন। খোদা = খোদা তোমার সহায় হোন। বিধাতা = এই পৃথিবীতে বিধাতা অসংখ্য প্রাণী সৃষ্টি করেছেন। ভগবান = হে ভগবান রেখ মোর মিনতি। স্রষ্টা = স্রষ্টার সৃষ্টি রহস্য বোঝা বড় দায়।উত্তম সমার্থক শব্দ উৎকৃষ্ট = ব্যাকরণ বইটি নিঃসন্দেহে উৎকৃষ্ট মানের। ভালো = জব্বার সাহেব বড় ভালো মানুষ ছিলেন। উপাদেয় = শিশুদের বৃদ্ধির জন্য উপাদেয় খাবার দরকার। শ্রেষ্ট = ‘গীতাঞ্জলি’ রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ট কাব্যগ্রন্থ। বরেণ্য = শামসুর রহমান দেশবরেণ্য কবি।কলহ সমার্থক শব্দ ঝগড়া = ঝগড়া করা গর্হিত কাজ। বিবাদ = ছাত্রদের বিবাদ মেটাতে প্রধান শিক্ষক এগিয়ে এলেন। বিরোধ = দুই নেত্রীর বিরোধ ক্রমশই ধ্বংসাত্নক রুপ নিচ্ছে। কোন্দল = অভ্যন্তরীন কোন্দল দলের ভিতকে দুর্বল করে তোলে। দ্বন্দ = কাদম্বিনী ও হেমাঙ্গিনীর মধ্যকার দন্দ্ব ক্রমেই বৃদ্ধি পেতে থাকল।কুল সমার্থক শব্দ বংশ = পাত্রের অজস্র টাকা - পয়সা থাকলেও বংশ মর্যাদা ভাল নয়। গোত্র = গোত্রপ্রীতি প্রাক - ইসলামি যুগে আরবদের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল। কৌলীন্য = হিন্দুদের কৌলীন্য প্রথা এ যুগে অচলপ্রায়। আভিজাত্য = করিম সাহেবের আভিজাত্যবোধ বলতে কিছু নেই। জাতি = বাঙালিরা বীরের জাতি।গৃহ সমার্থক শব্দ ঘর = আমার এ ঘর ভাঙ্গিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর। আবাস = পৃথিবী মানুষের জন্য স্থায়ী আবাস নয়। নিকেতন = রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজড়িত শান্তি নিকেতন একটি প্রসিদ্ধ স্থান। সদন = মাতৃসদন ছেড়ে তখন তারা রাস্তায় নামল। ধাম = এ ধরাধাম ছেড়ে একদিন সকলকেই চলে যেতে হবে।চন্দ্র সমার্থক শব্দ শশী = চেয়ে দেখ পূর্বাকাশে পূর্ণিমার শশী। চাঁদ = মেঘের আড়ালে চাঁদ লুকোচুরি খেলছে। সুধাকর = এই নিশীথে সুধাকর জেগে আছে। নিশাপতি = নিশাপতি তুমি কেন এতই শোভন। চন্দ্রিমা = হে চন্দ্রিমা এই রাতের সাক্ষী থেকো ।জল সমার্থক শব্দ পানি = এখন বর্ষাকাল, চারদিকে পানি থৈ থৈ করছে। বারি = বর্ষার বারি ধারার সাথে সাথে নদ - নদী খরবেগে প্রবাহিত হয়। সলিল = লঞ্চডুবিতে প্রায় চারশ লোকের সলিল সমাধি হলো। পয়ঃ = এই শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভাল না। নীর = কৃষ্ণ চলে যাওয়ায় রাধা নীরে ভেসে চলেছে ।ধন সমার্থক শব্দ অর্থ = অর্থ সকল অনর্থের মূল। দৌলত = দৌলতের মোহ কজনে ত্যাগ করতে পারে? টাকাকড়ি = চাই না আমি টাকাকড়ি, দাও শুধু সুখ। সম্পদ = দুটি হালের গরু, বিঘা তিনেক জমি এই তার সম্পদ। বিত্ত = বিত্তের মোহ লোকটিকে অন্ধ করে রেখেছে।পর্বত সমার্থক শব্দ পাহাড় = জীবন চলার পথে শত বাধার পাহাড় অতিক্রম করতে হয়। গিরি = দুর্গম গিরি পথ অতিক্রম করে আমরা তিব্বত পৌঁছালাম। শৈল = মহাপ্রলয়ের সময় শৈলসমূহ তুলার ন্যায় উড়তে থাকবে। ভূধর = ভূধর ফেটে উঠবে জল, ঘর বাড়ি সব করবে তল। অচল = অচল শিখর ছোট নদীটিরে চিরদিন রাখে স্মরণে।পৃথিবী সমার্থক শব্দ ধরা = প্রাচুর্যের দম্ভে অনেকেই ধরাকে সরাজ্ঞান করে। বিশ্ব = বাংলা ভাষার খ্যাতি এখন বিশ্বময়। বসুমতি = ‘বসুমতি কেন তুমি এতই কৃপণা?’ ধরণী = হযরত মুহাম্মদ (স) এই ধুলার ধরণীতে জম্ন নিয়েছিলেন। ভুবন = ’মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে।’মৃত্যু সমার্থক শব্দ মরণ = মরণ আমায় ডাক দিয়েছে যেতে হবে ভাই। নিপাত = সন্ত্রাসী নিপাত যাক। নিধন = বর্বর পাকবাহিনীরা নিরস্ত্র বাঙালিদের নির্বিচারে নিধন করেছে। চিরবিদায় = সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন আমাদের সবাইকে চিরবিদায় নিতে হবে। পরলোকগমন = কবি নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালে পরলোকগমন করেন।সমুদ্র সমার্থক শব্দ সিন্ধু = ঐ মহাসিন্ধুর ওপার থেকে কি সুর যে ভেসে আসে। সাগর = ‘দেখবে তোমার কিস্তি আবার ভেসেছে সাগর জলে। পারাবার = কেমনে লঙিঘব আমি মহা পারাবার। জলধি = জলধির রাশি রাশি ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। পাথার = এই মহা পাথার একদিন আমরা পার হবই।সূর্য সমার্থক শব্দ দিনমণি = দিনমণি ডুবে গেল মেঘের আড়ালে। রবি = সকালে সোনার রবি পূর্ব দিকে ওঠে । প্রভাকর = প্রভাকর দেয় আলো দিনমান ভরে। ভানু = তেজোদীপ্ত ভানুর আলো কৃমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। ভাস্কর = পূর্বাকাশে উঠেছে ভাস্কর চেয়ে দেখ ঐ ।
‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: ফররুখ আহমদ
Explanation:
‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর ফররুখ আহমদ সাত সাগরের মাঝি কবি ফররুখ আহমদের একটি কাব্যগ্রন্থ। এতে স্থান পাওয়া একটি কবিতার নামও সাত সাগরের মাঝি। ১৯৪৪ সালের ডিসেম্বর মাসে বইটি প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের ১৯টি কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে পাঞ্জেরী, সিন্দবাদ, আকাশ - নাবিক, ডাহুক, এই সব রাত্রি ইত্যাদি। বইটি উৎসর্গ করা হয় কবি আল্লামা ইকবালের প্রতি। বইটিতে পুনর্জাগরণের বাণী উচ্চারিত হয়েছে। সাত সাগরের মাঝি লেখক ফররুখ আহমদ দেশ বাংলাদেশ ভাষা বাংলা ধরন কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত ১৯৪৪ মিডিয়া ধরন মুদ্রিত আইএসবিএন 984 - 406 - 388 - 6
‘শর্মিলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের নায়িকা?
Correct Answer:
ক: দুইবোন
Explanation:
‘শর্মিলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের নায়িকা? সঠিক উত্তর দুইবোন ‘শর্মিলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত দুইবোন উপন্যাসের নায়িকা ।রবীন্দ্রনাথের চোখে নারী যেমন সবসময় অনন্য মর্যাদায় উন্নীত, তেমনি তাঁর সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষনশীল দৃষ্টিশক্তিও নারীকে বিচার করেছে নিজস্ব মহিমায়;"দুই বোন" উপন্যাসটিতে তারই প্রতিফলন সুস্পষ্ট। লেখক নারীকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন যে নারী জাতি দুপ্রকারের - এক হল মায়ের জাত আর অপরটি প্রিয়ার জাত। শর্মিলা আর ঊর্মিমালা কে নিয়ে উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। ঋতুর সাথেও নারীকে তুলনা করে লেখক বলেছেন যে যে মায়ের জাত সে হল বর্ষা ঋতু আর প্রিয়ার জাত হল বসন্ত ঋতু। পারিবারিক আধারে আপন মনঃস্তত্ব জাহির করেছেন লেখক।
আরেফ 'বই' পড়ে- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ক: কর্মকারকে শূণন্য
Explanation:
আরেফ 'বই' পড়ে- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর কর্মকারকে শূণন্য যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম। যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।কর্ম কারকের প্রকারভেদক) সকর্মক ক্রিয়ার কর্ম: নাসিমা ফুল তুলছে।খ) প্রযোজক ক্রিয়ার কর্ম: ছেলেটিকে বিছানায় শোয়াও।গ) সমধাতুজ কর্ম: খুব এক ঘুম ঘুমিয়েছি।ঘ) উদ্দেশ্য ও বিধেয় কর্ম: দ্বিকর্মক ক্রিয়ার দুটি দুটি পরস্পর অপেক্ষিত কর্মপদ থাকলে প্রধান কর্মপদটিকে বলা হয় উদ্দেশ্য কর্ম এবং অপেক্ষিত কর্মটিকে বলা হয় বিধেয় কর্ম। যেমন:দুধকে (উদ্দেশ্য কর্ম) মোরা দুগ্ধ (বিধেয় কর্ম) বলি, হলুদকে (উদ্দেশ্য কর্ম) বলি হরিদ্রা (বিধেয় কর্ম)।কর্ম কারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার (ক) প্রথমা বা শূণ্য বা অ বিভক্তি ডাক্তার ডাক। পুলিশ ডাক। ঘোড়া গাড়ি টানে। আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার মুখ্য কর্ম) রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, নজরুল পড়লাম, এর সুরাহা পেলাম না। (গ্রন্থ অর্থে বিশিষ্ট গ্রন্থকার প্রয়োগে) অর্থ অনর্থ ঘটায়। আমার ভাত খাওয়া হলো না। সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়। (খ) দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি তাকে বল। তাকে আমি চিনি। ধোপাকে কাপড় দাও। আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার গৌণকর্ম) ধনী দরিদ্রকে ঘৃণা করে। শিক্ষককে শ্রদ্ধা করিও। রে বিভক্তি 'আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা।' (গ) তৃতীয়া বিভক্তি (ঘ) পঞ্চমী বিভক্তি (ঙ) ষষ্ঠী বা র বিভক্তি তোমার দেখা পেলাম না। দেশের সেবা কর। (চ) সপ্তমী বা এ বিভক্তি কাজে মন দাও। গুরুজনে করো ভক্তি/ নতি। সর্বশিষ্যে জ্ঞান দেন গুরু মহাশয়। 'জিজ্ঞাসিবে জনে জনে।' (বীপ্সায়)
‘কবর‘ নাটকটির লেখক-
Correct Answer:
গ: মুনীর চৌধুরী
Explanation:
‘কবর‘ নাটকটির লেখক- সঠিক উত্তর মুনীর চৌধুরী ‘কবর‘ নাটকটির লেখক - মুনীর চৌধুরী মুনীর চৌধুরীর 'কবর': ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রথম প্রতিবাদী নাটক১৯৫৩ সালের জানুয়ারি মাস, ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অপরাধে রাজবন্দি হিসেবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারে বন্দী ছিলেন মুনীর চৌধুরী। বন্দী জীবনে করার তেমন কিছুই ছিল না, অলস সময়ের বেড়াজাল যেন তাকে ঘিরে ধরছিল। এমনই এক সময়ে ১৭ জানুয়ারি তার কাছে একটি চিঠি এল, প্রেরক ছিলেন আরেক রাজবন্দী রণেশ দাশগুপ্ত। অসাধারণ এক প্রস্তাব ছিল সেই চিঠিতে, প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ করেছিলেন তিনি। তবে জেলখানায় নাটকটি মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা ছিল, তাই জেলখানার অপ্রতুল ব্যবস্থার মাঝেই নাটকটি মঞ্চস্থ করার ব্যাপারটি সবার আগে সামনে চলে এল। সবকিছু মাথায় রেখেই মুনীর চৌধুরী লিখলেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অন্যতম এক কালজয়ী নাটক, নাম দেওয়া হলো ‘কবর’। এ ব্যাপারে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন,জেলখানাতে নাটক রচনার অসুবিধা অবশ্যই ছিল। এ অসুবিধাটুকু সামনে ছিল বলেই তো 'কবর' নাটকটিতে বেশ কিছু নতুনত্ব আনতে হয়েছে। আট - দশটি হারিকেন দিয়ে সাজাতে হবে, সে কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই ‘কবর’ নাটকটিতে আলো - আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যেই নাটকটি জেলখানায় সর্বপ্রথম মঞ্চস্থ হয়। জর্জ বার্নাড'শর ব্যঙ্গাত্মক জীবন - জিজ্ঞাসা মুনীর চৌধুরীকে বরাবরই প্রভাবিত করেছে, ‘কবর’ নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না। ভাষা আন্দোলনে বহু মানুষ শহীদ হলেও অল্প ক'জনের পরিচয় আমরা জানতে পেরেছিলাম; কত শত লাশ গুম করা হয়েছিল, তার প্রকৃত হিসাব আজও জানা যায়নি। লাশ গুমের এই ঘৃণ্য রাজনীতিকে উপজীব্য করেই নাটকটির পুরো গল্প এগিয়ে গেছে।নাটকটির সমগ্র ঘটনাস্থল ছিল গোরস্থান, ভাষা শহীদদের লাশ গুম করার নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য একজন অসৎ নেতা তার দলবল নিয়ে সেখানে এসেছিলেন। নেতার এই নীলনকশা বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য ছিলেন ইন্সপেক্টর হাফিজ। নাটকের শুরু থেকেই অসৎ নেতাকে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়, সুযোগ পেয়ে লোভী হাফিজও নেতার সাথে যোগ দিয়েছিলেন। বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শেষ চিহ্নটুকু ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনা করতে থাকেন তারা। সবকিছু যখন পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছিল, তখুনি মুর্দা ফকির নামক এক চরিত্রের আগমন ঘটে, আধপাগল এই মানুষটি যেন সমাজের বিবেক হিসেবে আবির্ভূত হন। লাশগুলো এখনো জীবিত আর তাদের কবর থেকে উঠিয়ে তিনি মিছিল করবেন– এমন অদ্ভুত একটি কথা বলে তাদের ভড়কে দেন মুর্দা ফকির। এরপর কিছু অস্বাভাবিক ঘটনার আবর্তনে এগিয়ে গেছে সম্পূর্ণ গল্প।একটি নাটক সার্থক করার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান থাকে নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের। চরিত্রগুলো যত শক্তিশালী হবে, নাটকের বুনিয়াদ তত মজবুত হবে। 'কবর' নাটকটিও তার ব্যতিক্রম ছিল না, তিনটি কেন্দ্রীয় চরিত্র পুরোটা সময় দারুণভাবে নাটকটির গল্প টেনে নিয়ে গেছে।নেতাএকজন আগাগোড়া অসৎ মানুষ, ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে ভাষা আন্দোলনের মতো মহান এক ঘটনাকে ‘সামান্য গণ্ডগোল’ হিসেবে চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন। তার ভাষ্যমতে, ভাষা শহীদেরা ছিলেন অবাধ্য দুষ্টু ছেলে, অবাধ্যতার শাস্তি হিসেবে তাদের ওপর গুলিবর্ষণ চলেছিল! পুরোটা সময় জুড়ে মদ্যপানে ব্যস্ত থাকাটা তার চারিত্রিক দোষের দিকেই ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া সমাজের অন্যান্য অসৎ নেতাকর্মীর নানা আচরণ 'কবর' নাটকের নেতার মাঝেও ফুটে উঠেছিল। বুকে সাহস না থাকলেও সবধরনের পরিস্থিতিতে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়ার প্রবণতা ছিল নেতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। মানুষ হিসেবে তাকে বেশ হঠকারী মনে হয়েছে, সবধরনের পরিস্থিতিতে শুধু গুলি চালানোর কথা বলাটা মোটেও বিচক্ষণতার প্রমাণ দেয়নি। তবে নাটকের একদম শেষদিকে মুর্দা ফকিরকে কিছুদিনের জন্য তাদের সাথে নিয়ে যাওয়ার কথাটা অবশ্য তার দূরদর্শী মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে। বাংলার যেসব অসৎ নেতার কর্মকাণ্ডের জন্য পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর শোষণের জালে আমরা বন্দী ছিলাম, তাদেরই একজন প্রতিনিধি হিসেবে নেতা চরিত্রটি দারুণভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।হাফিজহাফিজ ছিলেন একজন চাটুকার পুলিশ কর্মকর্তা, নাটকের সিংহভাগ সময় জুড়ে তাকে নেতার চামচামি করতে দেখা গেছে। আদর্শ বিবর্জিত এই মানুষটি নিজের সুবিধার জন্য যেকোনো কিছু করতে তৈরি ছিলেন। মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধূর্ত, নানা কঠিন পরিস্থিতিতে নেতা হঠকারী আচরণ করলেও হাফিজকে পুরো নাটকেই দূরদর্শী হিসেবে দেখা গেছে।বিশেষ করে মুর্দা ফকিরের আগমনের পর যে আধিভৌতিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল, তা দেখে পর্যুদস্ত না হয়ে হাফিজ যেভাবে সবকিছু সামলানোর চেষ্টা করে গেছেন, সেটা তার চারিত্রিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। তবে তার সকল বুদ্ধি অপাত্রে কাজে লাগায় দিনশেষে মানুষ হিসেবে একজন মেরুদণ্ডহীন কাপুরুষ হিসেবেই তিনি বিবেচিত হবেন।মুর্দা ফকিরপুরো নাটকটিকে অন্য উচ্চতায় নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন মুর্দা ফকির। তেতাল্লিশের দুর্ভিক্ষে নিজের চোখের সামনে সমস্ত আপনজনকে মারা যেতে দেখেছেন, মানুষগুলোকে কবর দেওয়ার সামর্থ্যও তার ছিল না। সেই থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে গোরস্থানের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান তিনি, নাম হয় মুর্দা ফকির। আচমকা 'ঝুঁটা' বলার মাধ্যমে দৃশ্যপটে তার নাটকীয় আগমন ঘটে।আগমনের পর থেকেই নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন তিনি, যা আপাতদৃষ্টিতে পাগলের প্রলাপ বলেই মনে হবে। কিন্তু একটু ভাবলে তার প্রতিটি সংলাপের গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। তার মতে, মাটিচাপা দেওয়া লাশগুলোর দেহে এখনো প্রাণ আছে, হাফিজ আর নেতাকেই তিনি মৃত বলে অভিহিত করেন। এই কথার মধ্য দিয়েই নাটকটির সারসত্য প্রকাশিত হয়েছে। ভাষা শহীদদের তো মৃত্যু হয়নি, ইতিহাসের পাতায় তারা সর্বদা উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের আশায় যারা সেদিন নিজেদের বিবেক বিসর্জন দিয়েছিল, মৃত্যু আসলে তাদেরই হয়েছিল। তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েতে। ১৯৩৬ সালে রচিত মার্কিন নাট্যকার আর উইন শ’র 'বেরি দ্য ডেড' এর প্রভাব রয়েছে ‘কবর’ নাটকে। নাট্যকার মুনীর চৌধুরী নিজেও তা স্বীকার করেছেন। কবরে যেতে অস্বীকার করার ব্যাপারে দুই নাটকের মাঝেই মিল রয়েছে, তবে তা কেবলমাত্র ভাবগত ঐক্যের মিল। মুনীর চৌধুরী তার নিজস্ব স্বকীয়তায় নাটকটির বুনিয়াদ যেভাবে গড়ে তুলেছিলেন, তা এক কথায় অসাধারণ। তাছাড়া ‘বেরি দ্য ডেড’ নাটকে মৃত সৈনিকদের বিদ্রোহকে সত্য বলে তুলে ধরে কিছুটা আধিভৌতিক ঘটনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা প্রতিবাদী ভাব তুলে ধরে হয়েছিল।অসহসাহসী লেখক মুনীর চৌধুরী; Image Source: samakalকিন্তু ‘কবর’ নাটকে নেতা ও হাফিজের মাতাল অবস্থায় অপ্রকৃতিস্থ দেখানো হয়, ফলে শহীদদের কবরে যেতে অস্বীকার করার দৃশ্যটির যৌক্তিক কারণ হিসেবে নেতা ও হাফিজের বিভ্রমকে প্রতিষ্ঠা করা যায়। এই মিল থাকার প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নাট্যকার মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন,এই সামান্য ভারসাম্যটির জন্য 'কবর'কে অনুসারী নাটক বলা যাবে না। এমন হলে পৃথিবীর অধিকাংশ শ্রেষ্ঠ নাটককে কাহিনী ভাগের জন্য অনুকৃতির দায় বহন করতে হবে।সবচেয়ে বড় কথা, ওই সময়ে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানী শোষকগোষ্ঠীর দিকে সরাসরি আঙুল তুলে এমন একটি নাটক লেখাটা সত্যিই অনবদ্য নিদর্শন। এটি ছিল পূর্ব বাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক। সাহসী ভঙ্গিতে এভাবে প্রতিবাদ করতে পারতেন বলেই মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে মুনীর চৌধুরীকে তার বাবার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়। তবে একজন মানুষকে মেরে ফেললেই কি তার আদর্শকে মুছে ফেলা যায়?না, যায় না। আর যায় না বলেই যুগের পর পর ‘কবর’ নাটকটিকে শ্রদ্ধাভরে মানুষ স্মরণ করবে। ভাষা আন্দোলন নিয়ে যত নাটকই হোক, মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটিকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। সুত্রঃ রোর মিডিয়া
‘মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা।’ চরণটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: অতুল প্রসাদ সেন
Explanation:
‘মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা।’ চরণটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর অতুল প্রসাদ সেন অতুলপ্রসাদ সেনের কয়েকটি বিখ্যাত গান হল মিছে তুই ভাবিস মন, সবারে বাস রে ভালো, বঁধুয়া, নিঁদ নাহি আঁখিপাতে, একা মোর গানের তরী, কে আবার বাজায় বাঁশি, ক্রন্দসী পথচারিণী ইত্যাদি। তার রচিত দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে প্রসিদ্ধ উঠ গো ভারত - লক্ষ্মী, বলো বলো বলো সবে, হও ধরমেতে ধীর। তার মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা! গানটি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অণুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
‘জয়গুণ’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
Correct Answer:
ক: সূর্যদীঘল বাড়ী
Explanation:
‘জয়গুণ’ কোন উপন্যাসের চরিত্র? সঠিক উত্তর সূর্যদীঘল বাড়ী বাংলা ১৩৫০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অবিভক্ত ভারতের বাংলায় ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পঞ্চাশের আকাল নামে যে দুর্ভিক্ষ হযেছিল তাতে প্রাণ হারায় বহু লক্ষ দরিদ্র মানুষ। যারা কোনমতো শহরের লঙ্গরখানায় পাত পেতে বেঁচে থাকতে পেরেছিল তদেরই একজন আকালের সময় স্বামী পরিত্যক্তা জয়গুন। সঙ্গে তার মৃত প্রথম স্বামীর ঘরের ছেলে ও দ্বিতীয় স্বামীর ঘরের মেয়ে। আরো আছে মৃত ভাইদের স্ত্রী - পুত্র। তারা গ্রামে ফিরে এসে এমন একখণ্ড জমিতে ঘর ওঠায় যা অপয়া ভিটা বলে পরিচিত ছিল। জীবনের যুদ্ধে যখন সে প্রাণপণে লড়ছে তখন তার প্রতি দৃষ্টি পড়ে গাঁয়ের মোড়লের। দ্বিতীয় স্বামীও তাকে আবার ঘরে তুলতে চায়। সে কারো প্রস্তাবেই সায় দেয় না। কিন্তু এ দুজনের সাক্ষাৎ ঘটে এবং মোড়ল তার প্রতিযোগীকে হত্যা করে। ঘটনার একমাত্র দর্শক হিসেবে জয়গুনকেও মূল্য দিতে হয় অন্যভাবে। এই কাহিনীর বিচিত্রতার মধ্যে মূল বিষয় একটিই; তা হচ্ছে কুসংস্কার, সম্পদ, ধর্ম, প্রতিপত্তি, সামাজিকবিধি - নিষেধ, এমনকি জাতীয়তাবোধ - এসব কিছুকেই কাজে লাগিয়ে শ্রমজীবী ক্ষুধার্ত মানুষের ক্রমাগত শোষণ।
‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটির রচয়িতা-
Correct Answer:
খ: সেলিম আল দীন
Explanation:
‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটির রচয়িতা- সঠিক উত্তর সেলিম আল দীন সেলিম আল দীনের প্রথমদিককার নাটকের মধ্যে সর্প বিষয়ক গল্প, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, এক্সপ্লোসিভ ওমূল সমস্যা, এগুলোর নাম ঘুরে ফিরে আসে। সেই সঙ্গে প্রাচ্য, কীত্তনখোলা, বাসন, আততায়ী, সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান, কেরামত মঙ্গল, হাত হদাই, যৈবতী কন্যার মন, মুনতাসির ফ্যান্টাসি ও চাকা তাকে ব্যতিক্রমধর্মী নাট্যকার হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
কোনটি ‘গুপ্ত’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ?
Correct Answer:
ঘ: ব্যক্ত
Explanation:
কোনটি ‘গুপ্ত’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ? সঠিক উত্তর ব্যক্ত ব্যক্ত - [বিশেষণ পদ] প্রকাশিত, স্পষ্ট, স্ফুট, প্রকট।
‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন’। বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: করণকারকে যষ্ঠী
Explanation:
‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন’। বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর করণকারকে যষ্ঠী 'করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ - কলম)'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়। ' (উপায় - সাধনা)
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের নাট্যকার-
Correct Answer:
খ: সিকান্দার আবুজাফর
Explanation:
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের নাট্যকার- সঠিক উত্তর সিকান্দার আবুজাফর সিকান্দার আবু জাফর ১৯১৯ সালের ৩১ মার্চ সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ মঈনুদ্দীন হাশেমী, আর মাতা জোবেদা খানম। কবির প্রকৃত নাম ছিল সৈয়দ সিকান্দার আবু জাফর হাশেমী বখত। স্থানীয় তালা বিডি ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৩৬ সনে তিনি মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে কিছুদিন অধ্যয়ন করেন। প্রথমে তিনি কলকাতার একটি সরকারী সংস্থায় চাকরি করেন। ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত তিনি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত দৈনিক নবযুগ পত্রিকার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত হন। চাকরি এবং সাংবাদিকতার পাশাপাশি স্বাধীন ব্যবসায়ের প্রতিও তিনি একসময় মনোযোগী হয়ে ওঠেন। ভারত বিভক্তির পর তিনি কলকাতার জীবন ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় এসে একদিকে সাহিত্যচর্চা, অন্যদিকে ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন তিনি। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি রেডিও পাকিস্তান ঢাকা কেন্দ্রে স্টাফ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন। সিকান্দার আবু জাফরের জীবনের একটা বৃহত্তর অংশ জুড়ে আছে তাঁর সাংবাদিক কর্মধারা। কলকাতা থেকে ঢাকায় আসার পরে তিনি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সম্পাদীয় বিভাগে কিছুদিন কাজ করেন। দৈনিক সংবাদের প্রথম সম্পাদকীয় তাঁরই লেখা। সংবাদের পর তিনি ইত্তেফাক এবং মিল্লাত পত্রিকায়ও সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেন। ১৯৫৭ সালে সিকান্দার আবু জাফরের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় বিখ্যাত সমকাল পত্রিকা। বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাসে সমকাল পত্রিকার অবদান অসামান্য। নতুন লেখক সৃষ্টিতে সমকাল-এর সম্পাদক ও সহকারী সম্পাদক পালন করেন ঐতিহাসিক ভূমিকা। ১৯৭১ সালে মুজিবনগর থেকে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অভিযান পত্রিকা। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অভিযান পত্রিকার প্রকাশ একটি দুঃসাহসী এবং ঐতিহাসিক ঘটনা। সিকান্দার আবু জাফরের সাহিত্যজীবনও গৌরবোজ্জ্বল কীর্তিতে ভাস্বর। স্কুল জীবন থেকেই তিনি কবিতা লিখতে আরম্ভ করেন। কর্মজীবনের সঙ্গে সঙ্গে অগ্রসর হতে থাকে তাঁর সাহিত্যসাধনা। একে একে প্রকাশিত হতে থাকে তাঁর কাব্য, উপন্যাস, নাটক, ছড়া ও অনুবাদগ্রন্থসমূহ। গীতিকার ও সুরকার হিসেবেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি এবং প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গেও সিকান্দার আবু জাফরের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। তাঁর ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই চলবে' গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিপুল প্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করেছে। বাংলাদেশের সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের জন্য তাঁর সংগ্রাম ছিল নিরলস ও অকুণ্ঠ। নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৬৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৫ সালের ৫ আগস্ট তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন । সিকান্দার আবু জাফরের প্রধান সাহিত্যকর্ম : কবিতা: প্রসন্ন প্রহর (১৯৬৫), বৈরীবৃষ্টিতে (১৯৬৫), তিমিরান্তিক (১৯৬৫), কবিতা ১৩৭২ (১৯৬৮), কবিতা- ১৩৭৪ (১৯৬৮), বৃশ্চিক লগ্ন (১৯৭১), বাঙলা ছাড়ো (১৯৭২)।গানের বই : মালব কৌশিক (১৯৬৬)উপন্যাস : মাটি আর অশ্রু (১৯৪২), জয়ের পথে (১৯৪৩), পূরবী (১৯৪৪), নতুন সকাল (১৯৪৫)নাটক: শকুন্ত উপাখ্যান (১৯৫৮), সিরাজউদ্দৌলা (১৯৬৫), মহাকবি আলাউল (১৯৬৬);অনুবাদ: যাদুর কলস (১৯৫৯), সেন্ট লুইয়ের সেতু (১৯৬১), পশ্চিমের পারাবাত (১৯৬২), রুবাইয়াৎ-ই ওমর খৈয়াম (১৯৬৬), সিংয়ের নাটক (১৯৭১)।:
‘ফণিমনসা’ কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
‘ফণিমনসা’ কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম 'ফণিমনসা'’ কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিদ্রোহাত্মক কাব্যগ্রন্থ। তাঁর অন্যান্য বিদ্রোহ প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো হল অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, ভাঙার গান, সাম্যবাদী, সর্বহারা ইত্যাদি।
‘পুষ্প’-এর সমার্থক শব্দ নয়-
Correct Answer:
খ: অবনী
Explanation:
‘পুষ্প’-এর সমার্থক শব্দ নয়- সঠিক উত্তর অবনী অবনী - [বিশেষ্য পদ] পৃথিবী, দেশ, ভূমি।
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এ উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
‘সূর্য’-এর সমার্থক শব্দ নয়-
Correct Answer:
ক: সুধাকর
Explanation:
‘সূর্য’-এর সমার্থক শব্দ নয়- সঠিক উত্তর সুধাকর সুধাকর, সুধাধার, সুধানিধি, সুধাংশু - [বিশেষ্য পদ] চন্দ্র।
‘খবর’ এর সমার্থক শব্দ নয়-
Correct Answer:
গ: জিজ্ঞাসা
Explanation:
‘খবর’ এর সমার্থক শব্দ নয়- সঠিক উত্তর জিজ্ঞাসা খবর শব্দটির সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ : সংবাদ বার্তা সন্দেশ তথ্য সমাচার খবরাখবর বিবরণ বৃত্তান্ত খোঁজখবর তত্ত্বতালাশ উদন্ত
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: মৃত্যুক্ষুধা
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর মৃত্যুক্ষুধা কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র তিনটি উপন্যাস রচনা করেন ।যথা - ১। বাঁধন হারা বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস , এর পত্রগুলো মোসলেম ভারত পত্রিকায় প্রকাশিত হয় , এতে ১৮ টি পত্র থাকে, পত্রগুলোর লেখক - লেখিকা ৯ জন যার মধ্যে ৬ জন নারী, এর প্রধান চরিত্র নুরুল হুদা , কাজী নজ্রুল ইসলাম এটিকে সাংবাধিক ,সাহিত্যিক নলিনীকান্ত সরকারকে উৎসর্গ করেন )। ২। কুহেলিকা - (বাংলা সাহিত্যের সন্ত্রাসী বিপ্লবের উপর লিখিত উপন্যাস ,প্রধান চরিত্র জমিদার পুত্র জাহাঙ্গীর )। ৩। মৃত্যুক্ষুধা - (কাজী নজরুলের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস , এটি অসহায় যোগ আন্দোলন পটভূমিতে লেখা )। বিদ্রঃ বাকুম শব্দটি মনে রাখার মাধ্যমে উপন্যাস তিনটির নাম মনে রাখতে পারেন।
হৃদয় আমার নাচেরে 'আজিকে’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: অধিকরণে দ্বিতীয়া
Explanation:
হৃদয় আমার নাচেরে 'আজিকে’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে দ্বিতীয়া ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। দ্বিতীয়া বিভক্তি: মন আমার নাচে রে ’আজিকে’।
‘বসন্তকুমারী’ মীর মশাররফ হোসেনের একটি-
Correct Answer:
খ: নাটক
Explanation:
‘বসন্তকুমারী’ মীর মশাররফ হোসেনের একটি- সঠিক উত্তর নাটক মীর মশাররফ হোসেন ১৩ই নবেম্বর ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলিম সাহিত্যিক বা গদ্য লেখক, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। তিনি কলকাতার ‘সংবাদ প্রভাকর’ এবং কুমারখালির ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকার সংবাদদাতা হিসাবে কাজ করতেন। তাছাড়ও তার সম্পাদিত দুটি পত্রিকা – আজিজননেহার ও হিতকরী।তিনি ‘গাজী মিয়া’ ছদ্মনাম ব্যবহার করে লিখতেন।তাঁর সাহিত্য গুরু ছিলেন কাঙাল হরিনাথ। তিনি ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মারা যান। বসন্তকুমারী - বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিক রচিত প্রথম নাটক ‘বসন্তকুমারী’। নাটকটি তিনি নওয়াব আবদুল লতিফকে উৎসর্গ করেন।
পদাবলী লিখেছেন-
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
পদাবলী লিখেছেন- সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাধা - কৃষে।ঞর জীবন অবলম্বন করে যে ধারনাটিসবাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে সেটা হলো পদাবলী বা পদাবলী কাব্য । প্রশ্নে উল্লিখিত চারজনের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই পদাবলীর রচনা করেছেন, যার নাম ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, যা তিনি ব্রজবুলি ভাষায় রচনা করেন । বৈষ্ঞব পদাবলীর সৌন্দার্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি এটি রচনা করেন । পদাবলীর প্রধান কবিদের মধ্যে রয়েছেন - বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস প্রমূখ ।
‘কূল’ এর সমার্থক শব্দ নয়-
Correct Answer:
ঘ: কুন্তল
Explanation:
‘কূল’ এর সমার্থক শব্দ নয়- সঠিক উত্তর কুন্তল কুন্তল - [বিশেষ্য পদ] কেশগুচ্ছ, কেশপাশ, চুল।,
‘সংক্ষিপ্ত -এর বিপরীত শব্দ কি?
Correct Answer:
ঘ: বিস্তৃত
Explanation:
‘সংক্ষিপ্ত -এর বিপরীত শব্দ কি? সঠিক উত্তর বিস্তৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:সংকীর্ণপ্রশস্তসদৃশবিসদৃশসাহসিকতাভীরুতাসংকোচনপ্রসারণসধবাবিধবাসিক্তশুষ্কসংকুচিতপ্রসারিতসন্ধিবিগ্রহসুকৃতিদুষ্কৃতিসংক্ষিপ্তবিস্তৃতসন্নিধানব্যবধানসুগমদুর্গমসংক্ষেপবিস্তারসফলবিফলসুন্দরকুৎসিতসংক্ষেপিতবিস্তারিতসবলদুর্বলসুদর্শনকুদর্শনসংগতঅসংগতসবাকনির্বাকসুধাজাগ্রতসংযতঅসংযতসমতলঅসমতলসুপ্তজাগ্রতসংযুক্তবিযুক্তসমষ্টিব্যষ্টিসুয়োদুয়োসংযোগবিয়োগসমাপিকাঅসমাপিকাসুশীলদুঃশীলসংযোজনবিয়োজনসমাপ্তআরম্ভসুশ্রীকুশ্রী
‘ক্ষীয়মাণ’- এর বিপরীত শব্দ কি?
Correct Answer:
গ: বর্ধমান
Explanation:
‘ক্ষীয়মাণ’- এর বিপরীত শব্দ কি? সঠিক উত্তর বর্ধমান একটি শব্দের বিপরীত অর্থবাচক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ বলে । সাধারণত শব্দের শুরুতে অ, অন, অনা, অপ, অব, দূর, ন, না, নি, নির প্রভৃতি উপসর্গগুলো যুক্ত করলে শব্দের অর্থ না - বাচক বা নিষেধবোধক অর্থে রূপান্তরিত হয় । তাই শব্দের বিপরীত শব্দ তৈরিতেও এই উপসর্গগুলো ব্যবহৃত হতে দেখা যায় । যেমন - আগত – শব্দটির শুরুতে অন - উপসর্গটি যুক্ত হয়ে বিপরীত শব্দ হল - অনাগত । আবার যে সব শব্দের শুরুতে হ্যাঁ - বোধক উপসর্গ থাকে, তাদের শুরুর সেই উপসর্গের বদলে না - বোধক উপসর্গও ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।
কোনটি ‘কোকিল’ শব্দের প্রতিশব্দ নয়?
Correct Answer:
গ: পরভৃৎ
Explanation:
কোনটি ‘কোকিল’ শব্দের প্রতিশব্দ নয়? সঠিক উত্তর পরভৃৎ পরভৃৎ - [বিশেষ্য পদ] (পরকে অর্থাৎ কোকিলকে পালন করে এজন্য) কাক, বায়স।
‘তেলেভাজা’ কোন্ সমাস?
Correct Answer:
ঘ: তৎপুরুষ
Explanation:
‘তেলেভাজা’ কোন্ সমাস? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ অলুক তৎপুরুষ সমাসযে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়াদি বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: গায়ে পড়া, ঘিয়ে ভাজা, কলে ছাঁটা, কলের গান, গরুর গাড়ি ইত্যাদি। তবে গায়ে - হলুদ, হাতেখড়ি ইত্যাদি সমস্তপদে পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় না অর্থাৎ হলুদ বা খড়িকে বোঝায় না, অনুষ্ঠান বিশেষকে বোঝায়। সুতরাং এগুলো অলুক তৎপুরুষ নয়, অলুক বহুব্রীহি সমাস।
‘এমন ছেলে আর দেখিনি’- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: কর্মে শূন্য
Explanation:
‘এমন ছেলে আর দেখিনি’- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর কর্মে শূন্য কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তির ব্যবহার (ক)প্রথমা বা শূণ্য বা অ বিভক্তিডাক্তার ডাক। পুলিশ ডাক। ঘোড়া গাড়ি টানে। আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার মুখ্য কর্ম)রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, নজরুল পড়লাম, এর সুরাহা পেলাম না। (গ্রন্থ অর্থে বিশিষ্ট গ্রন্থকার প্রয়োগে)অর্থ অনর্থ ঘটায়। আমার ভাত খাওয়া হলো না। সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়।
‘বিসর্জন’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
‘বিসর্জন’ নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বিসর্জন’ নাটকে বরাবর এই দুটি ভাবের বিরোধ বেধেছে - প্রেম আর প্রতাপ। রঘুপতির প্রভুত্বের ইচ্ছার সঙ্গে গোবিন্দমাণিক্যের প্রেমের শক্তির দ্বন্দ্ব বেধেছিল। রাজা প্রেমকে জয়যুক্ত করতে চান, রাজপুরোহিত নিজের প্রভুত্বকে। নাটকের শেষে রঘুপতিকে হার মানতে হয়েছিল। তাঁর চৈতন্য হল, বোঝবার বাধা দূর হল, প্রেম হল জয়যুক্ত। ” - বিশ্বভারতী গ্রন্থনবিভাগ এইভাবেই ‘বিসর্জন’ নাটকের পরিচয় তুলে ধরেছে।
কোনটি ‘অলুক দ্বন্দ্ব’ সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: ঘরে-বাইরে
Explanation:
কোনটি ‘অলুক দ্বন্দ্ব’ সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর ঘরে-বাইরে যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: দুধে - ভাতে, জলে - স্থলে, দেশে - বিদেশে, হাতে - কলমে।
‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য - সংকলন। এই গ্রন্থে ঊনআশিটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে।
‘হাসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসটি কার লেখা?
Correct Answer:
খ: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
‘হাসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসটি কার লেখা? সঠিক উত্তর তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় হাঁসুলী বাঁকের উপকথা হল তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত একটি আঞ্চলিক উপন্যাস। প্রকাশ কাল ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ। উপন্যাসটি গ্রামীণ বাংলার জীবন, জমিদারী ব্যবস্থার বাস্তবতা (যা বাংলার সামাজিক বৈষম্যের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী ছিল) ও পাশাপাশি সময়ের সাথে সামাজিক ধারণার পরিবর্তনগুলিকে অন্বেষণ করে।
‘গৃহদাহ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
‘গৃহদাহ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গৃহদাহ, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি ১৯২০ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়। গৃহদাহ উপন্যাসে, তিনটি প্রধান চরিত্র রয়েছেঃ অচলা, মহিম ও সুরেশ।
‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটি কার লেখা?
Correct Answer:
ক: আবু ইসহাক
Explanation:
‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটি কার লেখা? সঠিক উত্তর আবু ইসহাক সূর্য দীঘল বাড়ী ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। ছায়াছবিটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। বিশিষ্ঠ গ্রন্থকার আবু ইসহাক এর ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত কালজয়ী (উপন্যাস) সূর্য দীঘল বাড়ী অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়। এটিই বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদান প্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রধান প্রধান চরিত্র গুলোতে অভিনয় করেছেন ডলি আনোয়ার, রওশন জামিল, জহিরুল হক, আরিফুল হক, কেরামত মাওলা, এ টি এম শামসুজ্জামান।
বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক কে?
Correct Answer:
খ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ - ১৮৭৩) মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম। পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন কলকাতার একজন প্রতিষ্ঠিত উকিল। মা জাহ্নবী দেবীর তত্ত্বাবধানে মধুসূদনের শিক্ষারম্ভ হয়।
‘কিরণ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: অংশু
Explanation:
‘কিরণ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর অংশু কিরণ শব্দটির সমার্থক শব্দ : কর; প্রভা; দীপ্তি; জ্যোতি; অংশু; রশ্মি; আলোকচ্ছটা; বিভা; ভাতি ।
‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শওকত ওসমান
Explanation:
‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শওকত ওসমান ক্রীতদাসের হাসি বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি উপন্যাস। ১৯৬২ সালে তিনি এ উপন্যাসটি রচনা করেন। ১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন পাকিস্তানকে বর্বর স্বৈরশাসনের যাঁতাকলে আবদ্ধ করলো। এ সময় সব ধরনের - বাক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। তৎকালীন পাকিস্থানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের শাসন ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে এ উপন্যাস রচিত হয়। এ উপন্যাসের মূল চরিত্র তাতারী।
‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন বাক্যের অন্তর্ভূক্ত?
Correct Answer:
খ: সিন্ধু হিন্দোল
Explanation:
‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন বাক্যের অন্তর্ভূক্ত? সঠিক উত্তর সিন্ধু হিন্দোল সিন্ধু হিন্দোল কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা রয়েছে। কাব্যগ্রন্থটি "বাহার ও নাহার" - কে (হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী ও শামসুন নাহার) উৎসর্গ করেন।
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: সৈয়দ শাসমুল হক
Explanation:
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শাসমুল হক সৈয়দ হক নাট্যকার হিসেবে সফলতা পেয়েছেন। বিবিসি বাংলায় নাটকে কাজ করার মাধ্যমে তিনি নাট্যকার হিসেবে পরিচিতি পান। তার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক। তার পরের নাটক নুরুলদীনের সারাজীবন ফকির বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত। সৈয়দ হক তার রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ - অনুভূতি ও ভালো - মন্দ দিকগুলো তুলে ধরেন। তার অন্যান্য নাটক নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা, ঈর্ষা, এখানে এখন - এ সমকালীন বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে।
পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।- পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন কবিতার অংশ?
Correct Answer:
গ: দুই বিঘা জমি
Explanation:
পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।- পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন কবিতার অংশ? সঠিক উত্তর দুই বিঘা জমি দুই বিঘা জমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কথা ও কাহিনী' নামক কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতা। বাংলার গ্রামীণ সমাজের শ্রেণীবিভেদ আর দুর্বলের উপর সবলের অনাচার - অবিচার নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতাটি লিখেছেন। এই কবিতায় গরীব শ্রেণীর অসহায়ত্বের দিক দেখানো হয়েছে।
‘অনুচিত’ শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: তৎপুরুষ সমাস
Explanation:
‘অনুচিত’ শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ সমাস নঞ্ তৎপুরুষ সমাস[সম্পাদনা]না বাচক নঞ্ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: ন আচার = অনাচার, ন কাতর = অকাতর। এরূপ - অনাদর, নাতিদীর্ঘ, নাতিখর্ব, অভাব, বেতাল ইত্যাদি। খাঁটি বাংলায় অ, আ, না কিংবা অনা হয়। যেমন: ন কাল = অকাল বা আকাল। এরূপ - আধোয়া, নামঞ্জুর, অকেজো, অজানা, অচেনা, আলুনি, নাছোড়, অনাবাদী, নাবালক ইত্যাদি। না - বাচক অর্থ ছাড়াও বিশেষ বিশেষ অর্থে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস হতে পারে। যেমন: ন বিশ্বাস = অবিশ্বাস (বিশ্বাসের অভাব), ন লৌকিক = অলৌকিক (ভিন্নতা), ন কেশা = অকেশা (অল্পতা), ন সুর = অসুর (বিরোধ), ন কাল = অকাল (অপ্রশস্ত), ন ঘাট = অঘাট (মন্দ)। এরূপ - অমানুষ, অসঙ্গত, অভদ্র, অনন্য, অগম্য ইত্যাদি।
‘বাতাস’ এর সমার্থক শব্দ নয়-
Correct Answer:
খ: প্রসুন
Explanation:
‘বাতাস’ এর সমার্থক শব্দ নয়- সঠিক উত্তর প্রসুন প্রসূন - [বিশেষ্য পদ] ফুল, মুকুল।
‘তিমির’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-
Correct Answer:
ঘ: আলো
Explanation:
‘তিমির’ এর বিপরীতার্থক শব্দ- সঠিক উত্তর আলো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ:তদীয়মদীয়তারুণ্যবার্ধক্যতীক্ষ্ণস্থূলতন্ময়মন্ময়তিমিরআলোকতীব্রমৃদুতস্করসাধুতিরস্কারপুরস্কারতুষ্টরুষ্টতাপশৈত্যতীর্যকঋজুত্বরিতশ্লথ
‘নদীর মাছ সুস্বাদু’ - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারক কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ঘ: অধিকরণে ষষ্ঠী
Explanation:
‘নদীর মাছ সুস্বাদু’ - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারক কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে ষষ্ঠী ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ 'এ' 'য়' 'তে' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন - আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। এ বাড়িতে কেউ নেই। কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে। বসন্তে কোকিল ডাকে।
‘সংগীত’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ-
Correct Answer:
খ: সম্+গীত
Explanation:
‘সংগীত’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ- সঠিক উত্তর সম্+গীত ‘ম’ - এর পরে অন্তঃস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) কিংবা উষ্ম ধ্বনি (শ, ষ, স, হ) থাকলে ‘ম’ - এর জায়গায় ‘ং’ হয়। সম + যম = সংযমসম + বাদ = সংবাদসম + রক্ষণ = সংরক্ষণসম + লাপ = সংলাপসম + শয় = সংশয়সম + সার = সংসারসম + হার = সংহারবারম + বার = বারংবারকিম + বা = কিংবাসম + বরণ = সংবরণসম + যোগ = সংযোগসম + যোজন = সংযোজনসম + শোধন = সংশোধনসর্বম + সহা = সর্বংসহাস্বয়ম + বরা = স্বয়ম্বরা উল্লেখ্য, এই নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম - সম + রাট = সম্রাট। উৎস: http://edpdbd.org
‘মানচিত্র’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: আনিস চৌধুরী
Explanation:
‘মানচিত্র’ নাটকটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আনিস চৌধুরী সমাসচেতন নাট্যকার আনিস চৌধুরী রচিত নাটক 'মানচিত্র'। মধ্যবিত্ত মানুষের দ্বন্দ্ব - সংঘাত, দুঃখ - দারিদ্র্য ও সংগ্রামী চেতনা সার্থক ভাবে ফুটে উঠেছে তার নাটকে।
‘যদি সত্য বল তাহলে মুক্তি পাবে’-এটি কোন ধরণের বাক্য?
Correct Answer:
ঘ: মিশ্র বাক্য
Explanation:
‘যদি সত্য বল তাহলে মুক্তি পাবে’-এটি কোন ধরণের বাক্য? সঠিক উত্তর মিশ্র বাক্য জটিল বা মিশ্র বাক্য : যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও তাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে। প্রতিটি খ - বাক্যের পরে কমা (, ) বসে। যেমন - যে পরিশ্রম করে, / সে - ই সুখ লাভ করে। (প্রথম অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, দ্বিতীয়টি প্রধান খণ্ডবাক্য)যত পড়বে, / তত শিখবে, / তত ভুলবে। (প্রথম দুটি অংশ আশ্রিত খণ্ডবাক্য, শেষ অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য) জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সহজ উপায় হল, এ ধরনের বাক্যে সাধারণত যে - সে, যত - তত, যারা - তারা, যাদের - তাদের, যখন - তখন - এ ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম পদ থাকে। দুইটি অব্যয় যদি অর্থ প্রকাশের জন্য পরস্পরের উপর নির্ভর করে, তবে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। আবার যদি - তবু, অথচ - তথাপি - এ রকম কিছু পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম/অব্যয়ও জটিল/মিশ্র বাক্যে ব্যবহৃত হয়। তবে এ ধরনের অব্যয় ছাড়াও জটিল বা মিশ্র বাক্য হতে পারে।
'All at once' - phrase টির অর্থ হলো-
Correct Answer:
ক: Suddenly
Explanation:
'All at once' - phrase টির অর্থ হলো- সঠিক উত্তর Suddenly All at once একটি prase verb যার অর্থ দ্বাড়ায় আচমকা, হঠাৎ। এর ইংরেজী শব্দ হচ্ছে Suddenly.
'Bittle'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: Fragile
Explanation:
'Bittle'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর Fragile 'প্রশ্নঃ 'Brittle' - এর সমার্থক শব্দ কোনটি? উত্তরঃ Fragile ব্যাখ্যাঃFragile - শব্দের অর্থ দুর্বল ( Frail). ভঙ্গুর (Brittle).Soft শব্দের অর্থ নরম(not hard) মৃদু শান্ত (Mild). Strong শব্দের অর্থ বলবান (stout), উৎসাহী (energetic)প্রবল জোড়ালো (Forcible).Hard শব্দের অর্থ কঠিন (not soft).দৃঢ় (Firm), দুর্বোধ্য(difficult to understand). Britte শব্দের অর্থ ভঙ্গুর (hard but easily broken), (Frail, Fragile).তাই সঠিক উত্তর (ক)।
'Gigantic'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: Large
Explanation:
'Gigantic'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর Large প্রশ্নঃ 'Gigantic ' - এর সমার্থক শব্দ কোনটি? উত্তরঃlarge ব্যাখ্যা: Small শব্দের অর্থ ছোট, ক্ষুদ্র, সামান্য, অকিঞ্চিৎকর। little শব্দের অর্থ অল্প - স্বল্প, Minute শব্দের অর্থ অতিক্ষুদ্র, ( very small ), নগন্য, সামান্য(slight).Large শব্দের অর্থ প্রশস্ত(wide), বিস্তৃত(extensive ), পর্যাপ্ত প্রচুর(abundant, plentiful ). Gigantic শব্দের অর্থ অসুর তুল্য (like a giant ), প্রকাণ্ড (huge, large) । তাই সঠিক উত্তর (ঘ)।