Legal information MCQs
Showing 50 questions (Total: 90)
বাংলাদেশের আইনে এসিড নিক্ষেপকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
Correct Answer:
ক: মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড
Explanation:
বাংলাদেশের আইনে এসিড নিক্ষেপকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কি? সঠিক উত্তর মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড এসিড নিক্ষেপের জন্য অপরাধ দমন আইন, ২০০২ - এ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা রয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলায় এসিড নিক্ষেপ সংক্রান্ত আপরাধের বিচারের জন্য এসিড অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল আছে। জেলা ও দায়রা জজদের এসিড অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
'জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী'---- এটি কার ঘোষণা?
Correct Answer:
গ: দুদু মিয়া
Explanation:
'জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী'---- এটি কার ঘোষণা? সঠিক উত্তর দুদু মিয়া 'জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী' - - - - এটি দুদু মিয়ার ঘোষণা। মুহাম্মদ মুহসীনউদ্দীন দুদু মিয়া (১৮১৯ - ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৬২) ফরায়েজি আন্দোলনের অন্যতম নেতা এবং ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলনকারী। ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পথ নির্দেশনা দানকারী ঐতিহাসিক ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তুল্লাহ তার পিতা। বৃহত্তর ভারতীয় উপমহাদেশ তথা তৎকালীন পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের নিপীড়িত জনগণের আত্মশক্তির বিকাশ এবং ঔপনিবেশিক শক্তি ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রামের ইতিহাসে দুদু মিয়া ছিলেন এক অন্যতম মহানায়ক।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কি
Correct Answer:
খ: সংবিধান
Explanation:
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কি সঠিক উত্তর সংবিধান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। এটি একটি লিখিত দলিল। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ৪ঠা নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এই সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ই ডিসেম্বর অর্থাৎ বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী হতে এটি কার্যকর হয়। মূল সংবিধান ইংরেজি ভাষায় রচিত হয় এবং একে বাংলায় অনুবাদ করা হয়। তাই এটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বিদ্যমান। তবে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে অর্থগত বিরোধ দৃশ্যমান হলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে।
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ----
Correct Answer:
গ: ৩৫০ নটিকেল মাইল
Explanation:
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ---- সঠিক উত্তর ৩৫০ নটিকেল মাইল ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সিংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিকেল মাইল এবং অর্থনৈতিক সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ২০০ নটিকেল মাইল পর্যন্ত ।
বাংলাদেশের ভূমি রেজিষ্ট্রেশেন নতুন আইন কোন সময়ে কার্যকর হয়েছে? (২০০৯)
Correct Answer:
গ: ১৮ অক্টোবর ২০০৭
Explanation:
বাংলাদেশের ভূমি রেজিষ্ট্রেশেন নতুন আইন কোন সময়ে কার্যকর হয়েছে? (২০০৯) সঠিক উত্তর ১৮ অক্টোবর ২০০৭ বাংলাদেশের ভূমি রেজিষ্ট্রেশেন নতুন আইন কার্যকর হয়েছে - ১৮ অক্টোবর ২০০৭।
বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন চালু হয়
Correct Answer:
ক: ২০০০ সালে
Explanation:
বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন চালু হয় সঠিক উত্তর ২০০০ সালে বাংলাদেশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদে পাস হয়, যা ঐ বছর থেকে চালু হয়। তবে ২০০৩ সালে ঐ আইনটি কিছুটা সংশোধিত হয়।
'খ' একজন পুলিশ কর্মকর্তা আদালতের নির্দের্শে 'ক'- কে আইনানুগভাবে গ্রেফতার করে। 'ক' পেনাল কোডের কোন ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
Correct Answer:
ক: ৩০০
Explanation:
'খ' একজন পুলিশ কর্মকর্তা আদালতের নির্দের্শে 'ক'- কে আইনানুগভাবে গ্রেফতার করে। 'ক' পেনাল কোডের কোন ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে? সঠিক উত্তর ৩০০ অপরাধজনক নরহত্যা যখন কলহ উত্তেজনা ছাড়া বরং পরিকল্পিত এবং প্রত্যেক্ষ ফলস্বরূপ সংঘঠিত হয় তাকে খুন বা Murder বলা হয়। এটি penal code(1860)এর ৩০০ নং ধারায় বর্ণিত হয়েছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বেআইনী উদ্দেশ্যে কোনো শিশুকে বিদেশ থেকে আনা , বিদেশে পাচার করা বা কোনো শিশুকে ক্রয়-বিক্রয় করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
Correct Answer:
ক: মৃত্যুদন্ড
Explanation:
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বেআইনী উদ্দেশ্যে কোনো শিশুকে বিদেশ থেকে আনা , বিদেশে পাচার করা বা কোনো শিশুকে ক্রয়-বিক্রয় করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কি? সঠিক উত্তর মৃত্যুদন্ড নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৬(১) ধার অনুসারে যদি কোন ব্যক্তি কোন বেআইনী বা নীতিবহির্ভূত উদ্দেশ্যে কোন শিশুকে বিদেশ হইতে আনয়ন করেন বা বিদেশে প্রেরণ বা পাচার করেন অথবা ক্রয় বা বিক্রয় করেন বা উক্তরুপ কোন উদ্দেশ্যে কোন শিশুকে নিজ জিম্মায় বা হেফাজতে রাখেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হইবেন।
আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল (ITLOS) -এর সদর দপ্তর কোথায়?
Correct Answer:
খ: জার্মানি
Explanation:
আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল (ITLOS) -এর সদর দপ্তর কোথায়? সঠিক উত্তর জার্মানি আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল (ITLOS) - এর সদর দপ্তর জার্মানি। সমুদ্রের আইনের জন্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ( আইটিএলওএস ) সাগরের আইন সম্পর্কিত তৃতীয় জাতিসংঘ সম্মেলনের আধিকারিক দ্বারা নির্মিত একটি আন্তঃসরকার সংগঠন। এটি 1 জুলাই, 198২ তারিখে মন্টেগো বে, জ্যামাইকাতে স্বাক্ষরিত সাগরের আইনের উপর জাতিসংঘ কনভেনশন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। কনভেনশনটি 16 নভেম্বর, 1994 তারিখে কার্যকর হয় এবং "সমস্ত মহাসাগরে" আইন প্রণয়নের একটি আন্তর্জাতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয় স্থান, এর ব্যবহার এবং সম্পদ " ট্রাইব্যুনাল হ্যামবুর্গ, জার্মানি এ অবস্থিত। কনভেনশন আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছে, জাতীয় সমুদ্রসীমা সীমার বাইরে সমুদ্রপৃষ্ঠের খনির নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব, যা আঞ্চলিক সমুদ্রের সীমার বাইরে, সংলগ্ন জোন এবং মহাদেশীয় শেলভূমি। বর্তমানে 167 টি স্বাক্ষরকারী, 166 টি রাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন রয়েছে। সমুদ্রের আইন কনভেনশনের অধীনে 1996 সালে প্রতিষ্ঠিত একটি স্থায়ী আন্তর্জাতিক বিচার বিভাগীয় সংস্থা। অবস্থান হল হামবুর্গ, জার্মানি।
প্রচলিত কোনো আইনের বাধা নিষেধ ভঙ্গ করে বেআইনীভাবে কোনো জিনিসপত্র বাংলাদেশে আনা বা অন্য কোনো দেশে পাচার করার জন্য Special powers Act- এর অধীন সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
Correct Answer:
গ: মৃত্যুদন্ড
Explanation:
প্রচলিত কোনো আইনের বাধা নিষেধ ভঙ্গ করে বেআইনীভাবে কোনো জিনিসপত্র বাংলাদেশে আনা বা অন্য কোনো দেশে পাচার করার জন্য Special powers Act- এর অধীন সর্বোচ্চ শাস্তি কি? সঠিক উত্তর মৃত্যুদন্ড ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের (১৯৭৪ সনের ১৪ নং আইন) এর ২৫ বি ধারায় বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন দ্বারা নিষিদ্ধ পণ্য আমদানী বা রফতানি বা নিয়ন্ত্রিত পণ্য উপযুক্ত অনুমতি গ্রহন ও শুল্ক প্রদান ব্যতিরেকে আমদানী বা রফতানি এর কার্যকে অপরাধ গণ্য করে “জরিমানা সহ সর্বোচ্চ মৃত্যু দন্ড ও সর্বনিম্ন দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড" এর শাস্তির বিধান রয়েছে।
১৪৪ ধারা সর্বাধিক পরিচিত কোন আইনে?
Correct Answer:
ক: দন্ডবিধি
Explanation:
১৪৪ ধারা সর্বাধিক পরিচিত কোন আইনে? সঠিক উত্তর দন্ডবিধি ১৪৪ ধারা সর্বাধিক পরিচিত দন্ডবিধি আইনে। ১৪৪ ধারা হল বাংলাদেশের ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - এর একটি ধারা। ভারতীয় ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার সাথে এক ও অভিন্ন। এই আইনের ক্ষমতাবলে কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোন এলাকায় একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সভা - সমাবেশ করা, আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ যেকোন কাজ নিষিদ্ধ করতে পারেন। জরুরী অবস্থা বা সম্ভাব্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য এই আইনের প্রয়োগ করা হয়। ১৯৭৬ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ গঠনের পর শুধু মহানগরী এলাকার জন্য এই বিধান রহিত করে নতুন বিধান চালু করা হয়েছে।
পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো অন্তর্বর্তী আদেশের আইনগত ত্রুটির কারণে বিক্ষুদ্ধ পক্ষ কি উপায়ে প্রতিকার পেতে পারে?
Correct Answer:
গ: রিভিশন
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের কি প্রতিকার আছে?
Correct Answer:
ঘ: রিভিশন
Explanation:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের কি প্রতিকার আছে? সঠিক উত্তর রিভিশন সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ রিভিশন করতে পারে।
কোন আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ( ADR) সংক্রান্ত বিধান নাই?
Correct Answer:
খ: Code of Criminal Procedure
বেআইনী সমাবেশের জন্য ন্যূনতম কত জনের উপস্থিতি প্রয়োজন?
Correct Answer:
গ: ৫ জন
কোর্ট ফী আইনে কয় প্রকারের কোর্ট ফীর উল্লেখ আছে?
Correct Answer:
খ: ২ প্রকার
স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলদারের স্বত্ব অস্বীকারপূর্বক বেদখল করা হলে, মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তমাদি আইনের সময় সীমা-
Correct Answer:
ক: ৬ মাস
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বিশেষজ্ঞদের মতামত সম্পর্কে বলা হয়েছে?
Correct Answer:
গ: ৪৫ ধারায়
দন্ডবিধি আইনে অপহরণ কত প্রকার?
Correct Answer:
খ: ২ প্রকার
দলিল সংশোধন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
Correct Answer:
ঘ: ৩১ ধারা
বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন পাস হয় --
Correct Answer:
ক: ২৯ মার্চ ২০০৯
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় “বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা” সম্পর্কে বলা হয়েছে?
Correct Answer:
গ: ৫৫ ধারায়
Explanation:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় “বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা” সম্পর্কে বলা হয়েছে? সঠিক উত্তর ৫৫ ধারায় C/2022 E3 (ZTF) হল ওর্ট ক্লাউড থেকে একটি দীর্ঘ-কালের ধূমকেতু যা 2 মার্চ 2022-এ Zwicky ট্রানজিয়েন্ট ফ্যাসিলিটি (ZTF) দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছিল। ডায়াটমিক কার্বন এবং সায়ানোজেনের উপর সূর্যালোকের প্রভাবের কারণে ধূমকেতুটির নিউক্লিয়াসের চারপাশে একটি উজ্জ্বল সবুজ আভা রয়েছে এবং তাই এটিকে সাধারণত সবুজ ধূমকেতু বলা হয়।[5][6]ধূমকেতুর পদ্ধতিগত উপাধি C দিয়ে শুরু হয় তা নির্দেশ করে যে এটি একটি পর্যায়ক্রমিক ধূমকেতু নয় এবং "2022 E3" এর অর্থ হল এটি তৃতীয় ধূমকেতু যা 2022 সালের মার্চ মাসের প্রথমার্ধে আবিষ্কৃত হয়েছিল।ধূমকেতুর নিউক্লিয়াস আকৃতিতে প্রায় এক কিলোমিটার অনুমান করা হয়েছিল, প্রতি 8.7 ঘণ্টায় ঘূর্ণায়মান হয়।[6][7] এর ধূলিকণা এবং গ্যাসের লেজ লক্ষ লক্ষ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং জানুয়ারী 2022-এ তৃতীয় অ্যান্টি-টেইল দৃশ্যমান ছিল।ধূমকেতুটি 12 জানুয়ারী 2023 তারিখে 1.11 AU (166 মিলিয়ন কিমি; 103 মিলিয়ন মাইল) দূরত্বে তার পেরিহিলিয়নে পৌঁছেছিল এবং পৃথিবীর নিকটতম পন্থা ছিল 1 ফেব্রুয়ারি 2023 তারিখে, 0.28 AU (42 মিলিয়ন কিমি; 26) দূরত্বে। মিলিয়ন মাইল)। ধূমকেতুটি 5 মাত্রায় পৌঁছেছে এবং চাঁদহীন অন্ধকার আকাশের নিচে খালি চোখে দৃশ্যমান।[9][10][11][12]
হিন্দু বিধবার বিয়ে নিচের কোন আইন দ্বারা Regulated হয়?
Correct Answer:
ঘ: The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856
Explanation:
হিন্দু বিধবার বিয়ে নিচের কোন আইন দ্বারা Regulated হয়? সঠিক উত্তর The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856 দ্য হিন্দু উইডো'স রিম্যারেজ অ্যাক্ট, ১৮৫৬ আইনটি ২৬ জুলাই ১৮৫৬ এ আইন প্রণয়ন করেছিল। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে ভারতবর্ষের সকল বিচারব্যবস্থায় হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ বৈধ করেছিল। বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ডালহৌসি আইন প্রণয়ন করে বিধবা বিবাহ কে আইনি স্বীকৃতি দেন । লর্ড উইলিয়ম বেন্টিনয়ের দ্বারা সতীদাহ বিলুপ্ত করার পর এটিই প্রথম বড় সমাজ সংস্কার আইন।
'চ' ও 'ছ' মুসলিম নর-নারী পরস্পরের সম্মতিতে কোনো সাক্ষী ব্যতীত বিয়ে করলে তাদের বিয়ের আইনগত ফলাফল হবে ---
Correct Answer:
ঘ: অনিয়মিত
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় Res Judicata নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
Correct Answer:
খ: ৪০
কোন আইনের মাধ্যমে দ্যা অ্যাভিডেল অ্যাক্ট, ১৮৭২-কে চট্টগ্রামের পার্বত্য জেলাসমূহে বলবৎ করা হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৫
যে ক্ষেত্রে কোনো কর্ম বা কর্মবিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সে ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক হবে?
Correct Answer:
গ: অপরাধীকে দুটি বা ততোধিক আইনের অধীনে অভিযুক্ত ও শাস্তি প্রদান করা যাবে।
কোন মামলায় আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনত বাধ্য?
Correct Answer:
খ: রেজিস্টার্ড দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের পূর্বে সম্পাদিত হয় কিন্তু 'ছ' দলিলের পরে রেজিস্ট্রি হয়। এক্ষেত্রে সঠিক আইনগত ফলাফল কি হবে?
Correct Answer:
খ: 'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
১৮৩৪ সালে গঠিত প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন ----
Correct Answer:
ঘ: Lord Macaulay
Explanation:
১৮৩৪ সালে গঠিত প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন ---- সঠিক উত্তর Lord Macaulay ১৮৩৪ সালে এই উপমহাদেশের প্রথম আইন কমিশনটির চেয়ারম্যান সেই বিখ্যাত লর্ড ম্যাকুলে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ছিলেন না। ... দুজনে একইভাবে আইন কমিশনের সদস্য হয়ে ঢুকেছেন।
হিন্দু আইনে অনুমোদিত বিবাহ কত প্রকার?
Correct Answer:
খ: ৪ প্রকার
Explanation:
হিন্দু আইনে অনুমোদিত বিবাহ কত প্রকার? সঠিক উত্তর ৪ প্রকার হিন্দু আইনে অনুমোদিত বিবাহ ৪ প্রকার। বাঙালি হিন্দু বিবাহ বলতে বোঝায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রে বসবাসকারী বাঙালি হিন্দুদের বিবাহ - সংক্রান্ত নিজস্ব প্রথা ও রীতিনীতি। উচ্চবর্ণীয় হিন্দু সমাজের বিবাহে প্রধানত দুইটি আচারগত বিভাগ লক্ষিত হয়। যথা, বৈদিক ও লৌকিক। লৌকিক আচারগুলি "স্ত্রী আচার" নামে পরিচিত। বৈদিক আচারগুলির মধ্যে অবশ্য পালনীয় প্রথাগুলি হল কুশণ্ডিকা, লাজহোম, সপ্তপদী গমন, পাণিগ্রহণ, ধৃতিহোম ও চতুর্থী হোম। বৈদিক আচারগুলির সঙ্গে লৌকিক আচারগুলির কোনো সম্পর্ক নেই। লৌকিক আচারগুলি অঞ্চল, বর্ণ বা উপবর্ণভেদে এক এক প্রকার হয়। নিম্নবর্ণীয় হিন্দুদের মধ্যে লৌকিক আচার তো বটেই বিবাহের মৌলিক আচারগুলির ক্ষেত্রেও সম্প্রদায়ভেদে পার্থক্য লক্ষিত হয়।
সর্বপ্রথম কখন সিভিল কোর্ট সংক্রোন্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়?
Correct Answer:
গ: ১৮৫৯ সালে
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য?
Correct Answer:
গ: সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী কোনো পক্ষ নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?
Correct Answer:
গ: ১৫৪ ধারা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১(ক) ধারায় বর্ণিত যৌতুকের জন্য নারীর মৃত্যু ঘটানোর সর্বনিম্ন শাস্তি ---
Correct Answer:
ঘ: মৃত্যুদণ্ড
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০-এর অধীনে সংঘটিত অপরাধের বিচার কোন আদালতে অনুষ্ঠিত হবে?
Correct Answer:
গ: জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
Explanation:
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০-এর অধীনে সংঘটিত অপরাধের বিচার কোন আদালতে অনুষ্ঠিত হবে? সঠিক উত্তর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রদত্ত proverb টি দ্বারা বোঝায় - এমন কিছু নিয়ে চিন্তা করা যা আসলে বাস্তবে নেই অর্থাৎ মাথা নেই তার মাথা ব্যথা। অন্যান্য প্রবাদ গুলো হলো - ভিক্ষার চাল কাড়া আর আকাঁড় - Beggars must not be choosers. বিয়ে করতে কড়ি আর ঘর বাধতে দড়ি - Before you marrrry, be sure where into tarry দুরের জিনিস ভালো মনে হয় - grass is always greener on the other side of the fence.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ দাখিলকৃত জারির বিরুদ্ধে ৩য় পক্ষের আপত্তি দাখিলের ক্ষেত্রে ডিক্রিকৃত অর্থের কত ভাগের সমপরিমাণ জামানত দাখিল করতে হয়?
Correct Answer:
খ: ১০%
শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করানো বা পরিবহন করানোর অপরাধের জন্য শিশু আইন, ২০১৩ তে শাস্তির বিধান করা হয়েছে --
Correct Answer:
খ: ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
Explanation:
শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করানো বা পরিবহন করানোর অপরাধের জন্য শিশু আইন, ২০১৩ তে শাস্তির বিধান করা হয়েছে -- সঠিক উত্তর ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড শিশু আইন, ২০১৩ এর ৭৯(১১) ধারা মতে, বর্ণিত অপরাধের জন্য দোষী ব্যক্তি অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১০ -এ সংঘবদ্ধ মানব পাচার গোষ্ঠীর প্রত্যেক অপরাধ সংঘটনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ----
Correct Answer:
ক: মৃত্যুদণ্ড
'আইন' অর্থ কোন আইন, আধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোনো প্রথা বা রীতি ---আইনের এ ব্যাখ্যা কোথায় প্রদান করা হয়েছে?
Correct Answer:
খ: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানে
নিম্নের কোন আইনের মাধ্যমে বেনামি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
Correct Answer:
খ: The Land Reforms Ordinance, 1984
Explanation:
নিম্নের কোন আইনের মাধ্যমে বেনামি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে? সঠিক উত্তর The Land Reforms Ordinance, 1984 নীল যে অম্বর = নীলাম্বর। কর্মধারয় সমাস।
হিন্দু দায়ভাগা আইন অনুযায়ী নিম্নের কোন ব্যক্তি সপিণ্ড?
Correct Answer:
ঘ: সকলেই
'আইন ই আকবর' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: আবুল ফজল
Explanation:
'আইন ই আকবর' গ্রন্থটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আবুল ফজল 'আইন - ই - আকবরী' গ্রন্থের প্রণেতা আবুল ফজল। তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট আকবরের সভাসদ। তিনি তার এ গ্রন্থে দেশবাচক বাংলা শব্দ ব্যবহার করেন।
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে কত সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের মাছের পোনা ধরা নিষেধ?
Correct Answer:
গ: ২৩
Explanation:
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে কত সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের মাছের পোনা ধরা নিষেধ? সঠিক উত্তর ২৩ সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে । পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয় । এ আইনের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো নিমণরুপ - 1. চাষের উদ্দেশ্য ব্যতীত কোন ব্যক্তি কৃর্তক - (ক) প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর ( আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি হতে পৌষ মাসের মাঝামাঝি ) মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের ( ৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া; (খ) প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে ( কার্তিক মাসের মাঝামাঝি হতে জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝিামাঝি ) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের ( ৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ ( যা জাটকা নামে পরিচিত ); (গ) প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল ( কার্তিক মাসের মাঝামাঝি হতে বৈশাখ মাসের মাঝিামাঝি ) মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের ( ৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন ---
Correct Answer:
খ: এটর্নি জেনারেল
Explanation:
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন --- সঠিক উত্তর এটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের প্রধান আইনজীবীকে অ্যাটর্নি জেনারেল বলা হয়। সংবিধানের ৬৪ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেয়া হয়। মহামান্য রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ প্রদান করেন।
মানি লন্ডারিং প্রিভেনশন আইন কি?
Correct Answer:
ক: দেশে বিদ্যমান আইনের ব্যতয় ঘটিয়ে দেশের বাহিরে সম্পত্তি পাচার কিং বা বেদেশে যে অর্থ বা সম্পত্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ রয়েছে এবং তা আনয়নের যোগ্য অথচ আনয়ন থেকে বিরত রাখা হচ্চে এমন অবৈধ কমান্
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা----
Correct Answer:
ঘ: জাতীয় সংসদের
Explanation:
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা---- সঠিক উত্তর জাতীয় সংসদের কেবল জাতীয় সংসদেরই আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(১) ধারায় বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন - ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যাস্ত হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন - দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ - আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।
প্রাকৃতিক আইনের উদ্ভব হয় :
Correct Answer:
ক: থমাস হবসন, হুগো ও জন লক-এর লেখনী থেকে
Explanation:
প্রাকৃতিক আইনের উদ্ভব হয় : সঠিক উত্তর থমাস হবসন, হুগো ও জন লক-এর লেখনী থেকে ব্রিটিশ দার্শনিক ও রাষ্ট্র চিন্তাবিদ টমাস হবস ও জন লক এবং ডাচ আইনজ্ঞ হুগো গ্রোসিয়াসের লেখা থেকে প্রাকৃতিক আইনের উদ্ভব হয়। ১২১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের রাজা জন কর্তৃক ঘোষিত জনগণের জন্য রাজনৈতিক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা সংক্রান্ত সনদ হলো ম্যাগনাকার্টা। গ্রিক, খ্রিষ্টান ওমধ্যযুগীয় ধর্মতত্ত্ব ছিল প্যাপসি বা পোপতান্ত্রিক। খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকের চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের সৃষ্ট কুনফুসিয়াসবাদের মূল শিক্ষায় ছিল সুবিধাভোগী শ্রেণির আধিপত্য কায়েম করা এবং ঈশ্বরের ইচ্ছার জয়গান করা।
বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ আইন হলো ---
Correct Answer:
গ: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
Explanation:
বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ আইন হলো --- সঠিক উত্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ আইন হলো - - - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। এটি একটি লিখিত দলিল। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ৪ঠা নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এই সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ই ডিসেম্বর অর্থাৎ বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী হতে এটি কার্যকর হয়। মূল সংবিধান ইংরেজি ভাষায় রচিত হয় এবং একে বাংলায় অনুবাদ করা হয । তাই এটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বিদ্যমান। তবে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে অর্থগত বিরোধ দৃশ্যমান হলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে। বাংলাদেশের সংবিধান কেবল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনই নয়; - সংবিধানে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের মূল চরিত্র বর্ণিত রয়েছে। এতে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখা বিধৃত আছে। দেশটি হবে প্রজাতান্ত্রিক, গণতন্ত্র হবে এদেশের প্রশাসনিক ভিত্তি, জনগণ হবে সকল ক্ষমতার উৎস এবং বিচার বিভাগ হবে স্বাধীন। জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস হলেও দেশ আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা - কে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। ১০ই এপ্রিল ২০১৮ সালের সপ্তদশ সংশোধনী সহ বাংলাদেশের সংবিধান সর্বমোট ১৭ বার সংশোধীত হয়েছে। এই সংবিধান সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদের সদস্যদের মোট সংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়। তবে পঞ্চম সংশোধনী , সপ্তম সংশোধনী , ত্রয়োদশ সংশোধনী ও পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের আদেশে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট রায় দিয়েছে যে, সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন হয়ে যায় এরূপ কোনো সংশোধনী এতে আনা যাবে না; আনা হলে তা হবে এখতিয়ার বহির্ভূত ।
বাংলাদেশ সরকার কবে 'পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ' আইন প্রণয়ন করে?
Correct Answer:
গ: ২০০২ সালে
Explanation:
বাংলাদেশ সরকার কবে 'পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ' আইন প্রণয়ন করে? সঠিক উত্তর ২০০২ সালে পলিথিন ভীষণ বিষাক্ত প্রোপাইলিনের সাথে পেট্রোলিয়াম হাইড্রোকার্বনের ৩/৪ টি মলিকুলের সাবমিশ্রণে তৈরি হয় ।পলিথিন বহুমাত্রিক ক্ষতির বাহক । ঢাকা শহরে প্রতিদিন ১ কোটি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহৃত হয় । পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাবের কথা চিন্তা করে জানুয়ারি ২০০২ সালে ঢাকা শহরে পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয় । পরবর্তীতে ২ মার্চ ২০০২ সালে সারাদেশে পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয় ।