Bengali grammar MCQs
Showing 50 questions (Total: 585)
অকালে পক্ব হয়েছে যা-
Correct Answer:
ক: অকাল পক্ব
Explanation:
অকালে পক্ব হয়েছে যা- সঠিক উত্তর অকাল পক্ব অকালপক্ক /বিশেষণ পদ/অসময়ে অর্থাৎ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে আগে পেকেছে এমন। ইঁচড়ে পাকা/বুড়োটে।
আকাশে বেড়ায় যে-
Correct Answer:
ক: খেচর
Explanation:
আকাশে বেড়ায় যে- সঠিক উত্তর খেচর বাক্য সংকোচন হলো কোনো বাক্য বা বাক্যাংশকে একপদীকরণ বা একশব্দে প্রকাশ করা। বাক্য সংকোচন অর্থ বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করা বা ছোট করা। বাক্যকে ছোট করা বা সংক্ষিপ্ত করার অর্থ এই নয় যে একটি দীর্ঘ বাক্যকে ছোট বাক্যে পরিণত করা। আকাশে বেড়ায় যে - খেচর।
নিচের কোন উত্তরটি সঠিক?
Correct Answer:
ক: দয়া+বতুপ=দয়াবান
Explanation:
নিচের কোন উত্তরটি সঠিক? সঠিক উত্তর দয়া+বতুপ=দয়াবান এটা সন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দ। দয়া + বতুপ = দয়াবান।
প্রথম বাংলা সমায়িকপত্র কোনটি?
Correct Answer:
গ: দিগদর্শন
Explanation:
প্রথম বাংলা সমায়িকপত্র কোনটি? সঠিক উত্তর দিগদর্শন দিগ্দর্শন (বাংলা) বঙ্গভূমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় প্রথম সাময়িকী ছিল। এটি একটি মাসিক পত্রিকা ছিল। নামপত্রে সুস্পষ্টরূপে সাময়িক পত্রিকাটির প্রকৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে: ‘যুবলোকের কারণ সংগৃহীত নানা উপদেশ’। দিকদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - জন ক্লার্ক ম্যাশম্যান।
কোনটি লিপির বিবর্তনের ধাপ নয়?
Correct Answer:
গ: দেবলিপি
Explanation:
কোনটি লিপির বিবর্তনের ধাপ নয়? সঠিক উত্তর দেবলিপি ব্রাহ্মীলিপি থেকে বাংলা লিপির উৎপত্তি সম্পর্কে এ কথা বলতে হয় যে, উত্তর ভারতেও ব্রাহ্মীলিপির আকারগত পরিবর্তন প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হয়। কুষাণ ও গুপ্ত সম্রাটদের আমলে উত্তরী ব্রাহ্মী বর্ণগুলো বদলে যায় এবং খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীতে দেশভেদে এর তিনটি রূপ পরিলক্ষিত হয়। ব্রাহ্মীর এই ত্রিরূপ থেকেই উত্তর ভারতীয় আধুনিক বর্ণমালার উৎপত্তি হয়েছে। ভারতের উত্তর - পশ্চিমাঞ্চলে ব্রাহ্মীর যে বিশেষ রূপটি প্রচলিত ছিল তাকে বলা হয় 'সারদা' লিপি। উত্তর ভারতের মধ্য প্রদেশে ব্রাহ্মীলিপির যে রূপটি বিকাশ লাভ করেছিল, তা 'নাগরলিপি' নামে বিকাশ লাভ করে। আর এই 'নাগরলিপি' থেকেই 'দেবনাগরী' বর্ণমালার উদ্ভব ঘটেছে। অপরদিকে উত্তর ভারতের পূর্ব সীমান্ত অঞ্চলে ব্রাহ্মীর যে পরিবর্তিত রূপটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তার নাম দেওয়া হয় 'কুটিল লিপি'। 'কুটিল লিপি'র কালক্রমিক পরিণতিই যে আমাদের বাংলা লিপি সে বিষয়ে পণ্ডিতরা সবাই মোটামুটি একমত।
কোন কিছুর নামকে বলে-
Correct Answer:
খ: বিশেষ্য
কোনটি স্বরাগমের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: পিরীতি
Explanation:
কোনটি স্বরাগমের উদাহরণ? সঠিক উত্তর পিরীতি প্রীতি > পিরীতি শব্দটি মধ্য স্বরাগমের উদাহরণ। এছাড়াও আদি স্বরাগম ও অন্ত্যস্বরাগম রয়েছে। মধ্য স্বরাগম হলো সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে।
নিপাতনে সিদ্ধ 'ষ' এর ব্যবহার হয়েছে কোনটিতে?
Correct Answer:
ঘ: ভূষণ
Explanation:
নিপাতনে সিদ্ধ 'ষ' এর ব্যবহার হয়েছে কোনটিতে? সঠিক উত্তর ভূষণ কতগুলো শব্দে স্বভাবতই ষ হয়। যেমনঃ ভূষণ, ভাষণ, আষাঢ় ইত্যাদি।
প্রাণদ : জল :: মহী:?
Correct Answer:
খ: গ্রহ
Explanation:
প্রাণদ : জল :: মহী:? সঠিক উত্তর গ্রহ 'প্রাণদ' হচ্ছে 'জল' এর সমার্থক শব্দ। অন্যদিকে 'মহী' অর্থ 'পৃথিবী' যা একটি গ্রহ।
ক্লাশ>কিলাশ, প্রীতি> পিরীতি, গ্লাস > গেলাস এগুলো কিসের উদাহরণ?
Correct Answer:
গ: মধ্য স্বরাগম
Explanation:
ক্লাশ>কিলাশ, প্রীতি> পিরীতি, গ্লাস > গেলাস এগুলো কিসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর মধ্য স্বরাগম কখনো কখনো শব্দের মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে তাকে মধ্য স্বরাগম বলে। অর্থাৎ মধ্য স্বরাগমের ক্ষেত্রে শব্দের মাঝখানে বা মধ্যে স্বরধ্বনি আসবে। যেমন - - ক্লাশ > কিলাশ।
'আড় ' কোন শ্রেণীর উপসর্গ?
Correct Answer:
গ: খাঁটি বাংলা
Explanation:
'আড় ' কোন শ্রেণীর উপসর্গ? সঠিক উত্তর খাঁটি বাংলা খাঁটি বাংলা উপসর্গ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি; যথা - অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়্, আন্, আব্, ইতি, উন্ (উনু, উনা), কদ্, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
নিচের কোনটি ঘোষ অল্পপ্রাণ বর্ণ?
Correct Answer:
গ: ড
Explanation:
নিচের কোনটি ঘোষ অল্পপ্রাণ বর্ণ? সঠিক উত্তর ড যে বর্ণগুলো উচ্চারণ করতে ফুসফুস থেকে অপেক্ষাকৃত অধিক বাতাস প্রবাহিত হয় এবং উচ্চারণ নিনাদিত হয় তাদের ঘোষ বর্ণ বলে। বর্গের ৩য় - ৪র্থ বর্ণ ঘোষ বর্ণঃ গ - ঘ - জ - ঝ - ড - ঢ - দ - ধ - ব - ভ -
'হ্ম' এর সঠিক বিশ্লেষণ কোনটি?
Correct Answer:
খ: হ +ম
Explanation:
'হ্ম' এর সঠিক বিশ্লেষণ কোনটি? সঠিক উত্তর হ +ম দুই বা তার চেয়ে বেশি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে কোনো স্বরধ্বনি না থাকলে সে ব্যঞ্জনধ্বনি দুটি বা ধ্বনি কয়টি একত্রে উচ্চারিত হয় । এরুপ যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির দ্যোতনার জন্য দুটি বা অধিক ব্যঞ্জনবর্ণ একত্রিত হয়ে সংযুক্ত বর্ণ (Ligature ) গঠিত হয়। 'হ্ম' এখানে এরুপ একটি সংযুক্ত বর্ণ । কারণ, হ + ম = হ্ম । উল্লেখ্য, ক + ষ = ক্ষ, হ + ন = হ্ন, ষ + ণ = ষ্ণ ।
গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়-
Correct Answer:
ক: কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে
Explanation:
গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়- সঠিক উত্তর কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে প্রকৃতির শেষে প্রত্যয় যােগ হলে উক্ত প্রকৃতির আদিস্বরের যে কিছু পরিবর্তন ঘটে তাকে গুণ বলে। ই / - ি কার বা ঈ / - কার থাকলে এ / - কার হবে। যেমন - লিখ + আ = লেখা, নী + তা = নেতা। প্রকৃতির শেষে প্রত্যয় যােগ হলে উক্ত প্রকৃতির আদিস্বরের যে কিছু পরিবর্তন ঘটে তাকে বৃদ্ধি বলা হয়। ই / শিকার, ঈ - কার বা এ / কোর থাকলে ঐ / - ৈকার হবে। যেমন - বিমান + ষ্ণিক = বৈমানিক, নীতি + ষ্ণিক = নৈতিক।
সাধু ও চলিত রীতেতে অভিন্নরুপে ব্যবহৃত হয়-
Correct Answer:
ক: অব্যয় পদ
Explanation:
সাধু ও চলিত রীতেতে অভিন্নরুপে ব্যবহৃত হয়- সঠিক উত্তর অব্যয় পদ যে পদ সর্বদা অপরিবর্তনীয় থেকে কখনো বাক্যের শোভা বর্ধন করে, কখনো একাধিক পদের, বাক্যাংশের বা বাক্যের সংযোগ বা বিয়োগ ঘটায়, তাকে অব্যয় পদ বলে। সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয় অব্যয় পদ।
প্রথম বাংলা সাময়িক পত্র কোনটি?
Correct Answer:
গ: দিগদর্শন
Explanation:
প্রথম বাংলা সাময়িক পত্র কোনটি? সঠিক উত্তর দিগদর্শন বাংলা ভাষার প্রথম পত্রিকা/ প্রথম মাসিক পত্রিকা দিকদর্শন এবং প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা সমাচার দর্পন। এ দুটি পত্রিকা জল ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা "সংবাদ প্রভাকর"।
'ছেলে তো নয় যেন ননীর পুতুল' এখানে 'যেন' -
Correct Answer:
ক: অব্যয়
Explanation:
'ছেলে তো নয় যেন ননীর পুতুল' এখানে 'যেন' - সঠিক উত্তর অব্যয় যে পদ সর্বদা অপরিবর্তিত থেকে কখনো বাক্যের শোভা বর্ধন করে কখনো একাধিক পদের, বাক্যাংশের বা বাক্যের সংযোগ বা বিয়োগ সম্বন্ধ ঘটায় তাকে অব্যয় পদ বলে।
'Book Post ' এর পারিভাষিক রুপ কোনটি?
Correct Answer:
খ: খোলাডাক
Explanation:
'Book Post ' এর পারিভাষিক রুপ কোনটি? সঠিক উত্তর খোলাডাক Book Post অর্থ - খোলা ডাক।
কারাগারের রোজনামচা-
Correct Answer:
ঘ: দিনলিপি
Explanation:
কারাগারের রোজনামচা- সঠিক উত্তর দিনলিপি কারাগারের রোজনামচা - দিনলিপি। কারাগারের রোজনামচা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত গ্রন্থ সংকলন। এটির নামকরণ করেছেন মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা। ২০১৭ সালে মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকীতে গ্রন্থটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়।
নিচের কোনটি ব্যাতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?
Correct Answer:
খ: কানাকানি
Explanation:
নিচের কোনটি ব্যাতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ? সঠিক উত্তর কানাকানি ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়। একই রুপ দুটি বিশেষ্য পদ একসাথে বসে পরস্পর একই জাতীয় কাজ করলে যে সমাস হয়, তাই ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস। এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং উত্তরপদে 'ই' যুক্ত হয় । যেমন : কানে কানে যে কথা = কানাকানি হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি লাঠিতে লাঠিতে যুদ্ধ = লাঠালাঠি কোলে কোলে যে মিলন = কোলাকুলি গলায় গলায় যে মিলন = গলাগলি ।
'আহ্বান' এর প্রকৃত উচ্চারণ কোনটি ?
Correct Answer:
ক: আওভান
Explanation:
'আহ্বান' এর প্রকৃত উচ্চারণ কোনটি ? সঠিক উত্তর আওভান আহ্বান এর প্রকৃত উচ্চারণ হল আওভান ।
কবাট>কপাট, ধোবা>ধোপা কিসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: ব্যঞ্জন বিকৃতি
Explanation:
কবাট>কপাট, ধোবা>ধোপা কিসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর ব্যঞ্জন বিকৃতি শব্দ - মধ্যে কোনো কোনো সময় কোনো কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহার করা হয়, তাকে ব্যঞ্জন বিকৃতি বলে। যেমন - কবাট >কপাট ,ধোবা>ধোপা,ধাইমা> দাইমা ইত্যাদি।
কোনটি স্বরভক্তির উদাহরণ ?
Correct Answer:
খ: পিরীতি
Explanation:
কোনটি স্বরভক্তির উদাহরণ ? সঠিক উত্তর পিরীতি মাঝে মাঝে উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি এলে তাকে মধ্যে স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি বলে। যেমন - অ : রত্ম>রতন, স্বপ্ন>স্বপন, হর্ষ >হরষ। ই : প্রীতি>পিরীতি ,ক্লিপ > কিলিপ। উ: মুক্ত> মুকুতা, তুর্ক >তুরুক। এ : গ্রাম>গেরাম ,প্রেক> পেরেক।
কোনটি স্বরভক্তির উদাহরণ?
Correct Answer:
খ: পিরীতি
Explanation:
কোনটি স্বরভক্তির উদাহরণ? সঠিক উত্তর পিরীতি মাঝে মাঝে উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি এলে তাকে মধ্যে স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি বলে। যেমন - অ : রত্ম>রতন, স্বপ্ন>স্বপন, হর্ষ >হরষ। ই : প্রীতি>পিরীতি ,ক্লিপ > কিলিপ। উ: মুক্ত> মুকুতা, তুর্ক >তুরুক। এ : গ্রাম>গেরাম ,প্রেক> পেরেক।
আঘাত পায়নি এমন বোঝাতে কোনটি হবে?
Correct Answer:
ক: অনাহত
Explanation:
আঘাত পায়নি এমন বোঝাতে কোনটি হবে? সঠিক উত্তর অনাহত সর্বংসহা - (১) [বিশেষণ পদ] (স্ত্রীলিঙ্গ) সব কিছু সহ্যকারিণী। (২) [বিশেষ্য পদ] বসুমতী, পৃথিবী।
ভাবে সপ্তমীর উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
গ: চন্দ্রোদয়ে কুমুদিনি বিকশিত হয়
Explanation:
ভাবে সপ্তমীর উদাহরণ কোনটি? সঠিক উত্তর চন্দ্রোদয়ে কুমুদিনি বিকশিত হয় যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিকরণ বলে৷ ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ভাবে সপ্তমীও বলা হয়ে থাকে৷ যেমন - সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়, কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়, হাসিতে মুক্তা ঝরে, জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ৷
কোনটি বাংলা ব্যাকরণের শাখা নয়?
Correct Answer:
গ: ভাষাতত্ত্ব
Explanation:
কোনটি বাংলা ব্যাকরণের শাখা নয়? সঠিক উত্তর ভাষাতত্ত্ব ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ব্যাকরণের পরিধিকে পাঁচ ভাগে ভাগ করেছেন।
নিচের কোনটি ফারসি উপসর্গ ?
Correct Answer:
ঘ: কম
Explanation:
নিচের কোনটি ফারসি উপসর্গ ? সঠিক উত্তর কম ফারসি উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায়: "না" "ফি" ‘র "বর" "বদ" মায়েশ। "বে" আদব, "কম" ‘জোর, ও "ব" কলম। কিন্তু "কার" ‘বার ও "দর" দালানে তিনি "নিম"রাজি। দ্রষ্টব্য শুধুমাত্র ".." এর মধ্যে যা দেওয়া আছে, ওটাই উপসর্গ।
রাজা রামমোহন রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম কী?
Correct Answer:
ঘ: গৌড়ীয় ব্যাকরণ
Explanation:
রাজা রামমোহন রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম কী? সঠিক উত্তর গৌড়ীয় ব্যাকরণ রাজা রামমোহন রায় রচিত ব্যাকরণ 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' (১৮৩৩) । এটি ১৮২৬ সালে প্রথম ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়।
শিক্ষাক্রমের উপাদান কোনগুলো ?
Correct Answer:
ক: উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু , পদ্ধতি ও মূল্যায়ন
Explanation:
শিক্ষাক্রমের উপাদান কোনগুলো ? সঠিক উত্তর উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু , পদ্ধতি ও মূল্যায়ন শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তুলবার শক্তিশালী ও কার্যকর এবং প্রয়োগযোগ্য সুষ্ঠু সবল শিক্ষা সম্বদ্ধীয় পরিকল্পনা হল শিক্ষাক্রম। ইংরেজিতে curriculum ল্যাটিন শব্দ currer থেকে curriculum শব্দের উৎপত্তি। যার অর্থ ঘোড় দৌড়ের পথ। এখানে দৌড়ের মাধ্যমে নিদিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর ধারণা প্রকাশ করা হয়। শিক্ষাকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পাথেয় হিসেবে ব্যবহার করে বিশাল জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য অপরিহার্য হাতিয়ার হল শিক্ষাক্রম। শিক্ষাক্রমে কোন শিক্ষা পর্যায়ের কয়েক বছরের কর্মসূচি বা কাজের ইঙ্গিত থাকে। এটি গোটা বৃক্ষের মত। এটি শিক্ষার্থীর পঠিতব্য বিষয়াদির সম্মিলিত রূপ। শিক্ষার্থীর সঠিক বিকাশের লক্ষ্যে কখন, কোথায়, কিভাবে, কততুকু সেখাতে হবে এবং কোন কোন দিক হাতে কলমে শিখবে তারই রূপরেখা হল শিক্ষা ক্রম। এক কথায় যে অনুক্রমিক সুগঠিত শিখন বিন্যাস এর সাহায্যে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত শিখন অভিজ্ঞতা অর্জন করিয়ে তাদের আচার - আচরন ও মনভাবে এমন পরিবর্তন আনা যা একজন দক্ষ নাগরিক গড়ে তুলতে সাহায্য করে। শিক্ষাক্রমের উপাদান চারটি। যেমন - উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, পদ্ধতি ও মূল্যায়ন। বিভিন্ন প্রকার শিক্ষাক্রম - ১। বিষয় কেন্দ্রিক শিক্ষাক্রম। ২। সমন্বিত শিক্ষাক্রম - একাধিক বিষয় সমন্বয়। যেমন বিজ্ঞানে - পদার্থ বিগান,রসায়ন, জীব ইত্যাদি। ৩। শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক শিক্ষাক্রম। ৪। সমস্যা কেন্দ্রিক শিক্ষা ক্রম - বাস্তব জীবন সমস্যা সমাধান ভিত্তিক। ৫। মৌল শিক্ষাক্রম - এতে বিষয় বিভাজন নীতি পরিহার করা হয়।
কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করে?
Correct Answer:
গ: এনসিটিবি ( NCTB)
Explanation:
কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করে? সঠিক উত্তর এনসিটিবি ( NCTB) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড অথবা এনসিটিবি বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্যে গঠিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের সব সরকারি বিদ্যালয় এনসিটিবির আওতাধীন। প্রতিবছর ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়। ইতিহাস: ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর পাঠ্যবই তৈরির উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে “পূর্ববঙ্গ স্কুল টেকস্টবুক কমিটি” গঠিত হয়। পরবর্তিতে ১৯৫৪ সালে টেকস্ট বুক আইন পাশ হয় এবং সেই আইন অনুযায়ী “স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড” নামে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৫৬, ১৯৬১ এবং ১৯৬৩ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্নভাবে পুনর্গঠিত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত “বাংলাদেশ স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড” কর্তৃক ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির সকল বিষয়ের সকল পাঠ্যপুস্তক নবজাত রাষ্ট্রের প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন, পরিমার্জন ও পুনর্লিখন কাজ করে। ১৯৭৮ সাল থেকে শিক্ষাক্রমের উপর ভিত্তি করে পাঠপুস্তক প্রণয়নের কাজ শুরু করে। ১৯৮১ সালে শিক্ষাক্রম প্রণয়নের জন্য “জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্র (এনসিডিসি)” নামে পৃথক একটি প্রতিষ্ঠান শিক্ষাক্রম উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজে সমন্বয় সাধনের জন্য পরবর্তিতে ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্রকে একীভূত করণের মাধ্যমে “জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড” গঠিত হয়।
'বিলাতি> বিলিতি' -কিসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: মধ্যগত
Explanation:
'বিলাতি> বিলিতি' -কিসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর মধ্যগত আদ্যস্বর ও অন্ত্যস্বর অনুযায়ী মধ্যস্বর পরিবর্তিত হলে, মধ্যগত স্বরসঙ্গতি হয়। যেমন - বিলাতি > বিলিতি ।
কোনটি যুগ্মরীতির দ্বিরুক্ত?
Correct Answer:
খ: টুপটাপ
Explanation:
কোনটি যুগ্মরীতির দ্বিরুক্ত? সঠিক উত্তর টুপটাপ একই শব্দ ঈষৎ পরিবর্তন করে দিরুক্ত শব্দ গঠনের রীতিকে বলা যুগ্মরীতি । যুগ্মরীতির দিরুক্ত শব্দ টুপটাপ। আরও কয়েকটি হলো, চুপচাপ, মিটমাট, জারিজুরি, ভয়ডর, অলিগলি।
ব্যাকরণের প্রধান কাজ হচ্ছে -
Correct Answer:
ঘ: ভাষার বিশ্লেষণ
Explanation:
ব্যাকরণের প্রধান কাজ হচ্ছে - সঠিক উত্তর ভাষার বিশ্লেষণ 'ব্যাকরণ' শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে। ব্যাকরণকে বলা হয় ভাষার সংবিধান । ব্যাকরণ ভাষার প্রকৃতি ও স্বরুপ বিশ্লেষণ করে এবং অভ্যন্তরীণ নিয়মকানুন , রীতিনীতি শৃঙ্খলাবদ্ধ করে থাকে।
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কততম সংশোধনীতে সংযোজিত হয়?
Correct Answer:
ঘ: পঞ্চদশ
Explanation:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কততম সংশোধনীতে সংযোজিত হয়? সঠিক উত্তর পঞ্চদশ ১০ এপ্রিল, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস! ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্য রাত শেষে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের একটি ঐতিহাসিক দলিল। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫০(১) অনুচ্ছেদ এবং চতুর্থ তফসিলে উল্লেখ করা হয়েছে যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের একটি ক্রান্তিকালীন অস্থায়ী বিধান হিসেবে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত হবে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি এখন সম্পূর্ণ আকারে বাংলাদেশের সংবিধানে সংযুক্ত করা হয়েছে (পঞ্চম তফসিল)। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রকে সংবিধানের ৭(খ) অনুচ্ছেদ একটি মৌলিক কাঠামো রূপে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দান করেছে । এর ফলে ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের সংবিধানের একটি অসংশোধনযোগ্য বিধানে পরিণত হয়েছে।
দেশের প্রথম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এল এন জি ) টার্মিনাল কোথায় স্থাপিত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: মহেশখালী
Explanation:
দেশের প্রথম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এল এন জি ) টার্মিনাল কোথায় স্থাপিত হয়েছে? সঠিক উত্তর মহেশখালী তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (ইংরেজি: Liquefied natural gas) বা এলএনজি হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস যাকে সংরক্ষণ ও পরিবহনের সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে তরলে রূপান্তর করা হয়েছে। জ্বালানি হিসেবে এলএনজির জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বাড়ছে। এলএনজি আলাদা কোন জ্বালানি নয়, আদতে এটি প্রাকৃতিক গ্যাসেরই তরল রূপ। প্রাকৃতিক গ্যাস সাধারণ চাপ ও তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। শীতলকরণ (refrigeration) প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের তাপমাত্রা কমিয়ে - ১৬০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নামিয়ে আনলে গ্যাস তরলে পরিণত হয়। এই তরল প্রাকৃতিক গ্যাসকেই এলএনজি বলা হয়। পরিবহনের সুবিধার্থে এক বায়ুমন্ডলীয় চাপে এলএনজি তৈরি করা হয়। এলএনজির প্রধান উপাদান হচ্ছে মিথেন। প্রাকৃতিক গ্যাসকে এলএনজিতে রূপান্তরিত করার সময় মিথেন বাদে অন্যান্য অনাকাংক্ষিত উপাদান যেমন ধূলিকণা, এসিড গ্যাস, হিলিয়াম, পানি, অপেক্ষাকৃত ভারী হাইড্রোকার্বন, নাইট্রোজেন ইত্যাদি দূর করা হয়, যার কারণে অন্য অনেক জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে এলএনজি ব্যবহারে দূষণ কম হয়। এলএনজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, যখন প্রাকৃতিক গ্যাসকে সাধারণ বায়ুমন্ডলীয় চাপে তরল করে ফেলা হয় তখন এর আয়তন কমে যায় প্রায় ৬০০ গুন। অর্থাৎ ৬০০ লিটার গ্যাসকে এলএনজিতে রূপান্তরিত করে মাত্র এক লিটারের ছোট্ট একটা বোতলে ভরে ফেলা যায়। এ জন্যই এলএনজি জাহাজে পরিবহন করা সুবিধাজনক। একসাথে অনেক বেশি জ্বালানি পরিবহন করা যায় পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্তপ্রান্তে। যখন পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিবহন অসম্ভব কিংবা অর্থনৈতিকভাবে অসাশ্রয়ী, সেসব ক্ষেত্রে গ্যাসকে তরল বানিয়ে তারপর বিশেষভাবে তৈরি সামুদ্রিক জাহাজ বা এলএনজি ট্যাংকারের মাধ্যমে পরিবহন করা যায়। এলএনজি কিন্তু এলপিজি (LPG) বা সিএনজি (CNG) নয়। এলপিজি হচ্ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস, পাওয়া যায় রিফাইনারি থেকে। এটি মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ। অন্যদিকে সিএনজি মানে হচ্ছে কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বা সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস। এটাও মিথেন কিন্তু এলএনজির মত তরল অবস্থায় থাকে না, গ্যাসকে কেবল প্রচন্ড চাপে সংকুচিত (কম্প্রেস) করা হয় যাতে অনেক বেশি গ্যাস ছোট একটা সিলিন্ডারে জমা করে রাখা যায়। অন্যদিকে, এলএনজিকে কম্প্রেস করা হয় না, বরং প্রাকৃতিক গ্যাসকে এত বেশি ঠান্ডা (রেফ্রিজারেশন) করা হয় যে একসময় সাধারণ চাপেই সে তরল হয়ে যায়। এই কারণে, সিএনজির চেয়ে এলএনজি বেশি নিরাপদ। এলএনজির শক্তি ঘনত্ব ডিজেলের প্রায় ৬০% ।
' জাতীয় মূল্য সংযোজন কর দিবস' কত তারিখ উদযাপতি হয়?
Correct Answer:
গ: ১০ ডিসেম্বর
Explanation:
' জাতীয় মূল্য সংযোজন কর দিবস' কত তারিখ উদযাপতি হয়? সঠিক উত্তর ১০ ডিসেম্বর ১০ ডিসেম্বর জাতীয় মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) দিবস। এ দিবসের পাশাপাশি ১০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ভ্যাট সপ্তাহ উদযাপন করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ভ্যাট দেয়ার বিষয়ে জনসাধারণকে অধিক সচেতন করতেই প্রতিবছর উদযাপিত হচ্ছে জাতীয় ভ্যাট বা মূসক দিবস। ভ্যাট দিবসের স্লোগান ‘ভ্যাট দিচ্ছে জনগণ, দেশের হচ্ছে উন্নয়ন’। ১০ ডিসেম্বর চতুর্থবারের মতো ভ্যাট দিবস উদযাপিত হচ্ছে। এর আগে প্রতি বছর ১০ জুলাই জাতীয় ভ্যাট দিবস উদযাপিত হতো। বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে মূসক প্রবর্তিত হওয়ার পর এ বিষয়ে অধিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ২০১১ সাল থেকে ভ্যাট দিবস ও সপ্তাহ উদযাপন করা হচ্ছে। সর্বশেষ চলতি অর্থবছরে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে দিবসটির গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।
ওজোনস্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য নিচের কোন সনদ স্বাক্ষরিত হয়?
Correct Answer:
খ: ভিয়েনা কনভেনশন
Explanation:
ওজোনস্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য নিচের কোন সনদ স্বাক্ষরিত হয়? সঠিক উত্তর ভিয়েনা কনভেনশন জীববৈচিত্র্যে ভরা আমাদের এই পৃথিবী। ওজোন স্তর এই পৃথিবীর বায়ুম - লের এমন একটি স্তর, যেখানে তুলনামূলক বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে। এ স্তর প্রধানত স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের নিচের অংশ। এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০ থেকে ৫০ কিলোমিটার ওপরে অবস্থিত। বায়ুম - লের ওজোনের প্রায় ৯০ শতাংশ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। ফরাসি পদার্থবিদ চার্লস ফ্যাব্রি এবং হেনরি বুইসন ১৯৩০ সালে ওজোন স্তর আবিষ্কার করেন। ওজোন স্তর সূর্য থেকে বিকিরিত হয়ে আসা অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পৃথিবী ও তার জীবজগৎকে রক্ষা করে চলেছে। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির ৯৯ শতাংশ শোষণ করে নেয় এই ওজোন স্তর। মনুষ্য কারণসহ অন্যান্য কারণে গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। ক্ষয়িষ্ণু ওজোন স্তর রক্ষায় ১৯৮৫ সালে গৃহীত ভিয়েনা কনভেনশন এবং পরবর্তী সময় ১৯৮৭ সালে (১৬ সেপ্টেম্বর) গৃহীত মন্ট্রিল প্রটোকল পৃথিবীর প্রাণম - ল রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। ২০৪০ সাল পর্যন্ত মন্ট্রিল প্রটোকল অনুযায়ী ক্ষতিকর সব গ্যাসের নির্গমন বন্ধ হওয়ার কথা রয়েছে। ওজোন স্তর সংরক্ষণে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের ১৬ তারিখ পালিত হয়ে আসছে ‘বিশ্ব ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস’। ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ওজোন স্তর ক্ষয়ের দায়ী দ্রব্যগুলো ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করার জন্য ওজোন স্তর ধ্বংসকারী পদার্থের ওপর মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হয়। প্রটোকল অনুযায়ী সদস্য দেশগুলো ওজোন স্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যসমূহ যেমন ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদির ব্যবহার ও উৎপাদন সীমিত ও নিষিদ্ধ করতে সম্মত হয়। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ মন্ট্রিল প্রটোকলে স্বাক্ষর করে। তাই বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সব দেশকে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যগুলোর ব্যবহার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা ও এসব দ্রব্যের বিকল্প ব্যবহার নিশ্চিত ও সহজ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। কিছুটা প্রাকৃতিক ও বেশির ভাগই মানুষের কর্মকা - ের কারণে গ্রিনহাউস গ্যাসের উৎসারণ হচ্ছে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে ধীরে ধীরে ওজোন স্তর ক্ষয় হওয়াসহ দেখা দিচ্ছে নানাবিধ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ক্ষতিকর রশ্মি থেকে প্রাণী ও উদ্ভিদ জগৎকে রক্ষা করে আসছে ওজোন স্তর। ওজোন স্তর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে বায়ুম - লের উষ্ণতার ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছে। তিন ধরনের অতিবেগুনি রশ্মির মধ্যে জীবজগতের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক ‘অতিবেগুনি রশ্মি হলো - ‘সি’। মূলত এই রশ্মিটির কারণে পৃথিবী সৃষ্টির অনেক পরও জীবের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পরে আরো অনেক পরে আজ থেকে প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে অক্সিজেন ও ওজোন অণুর সাম্যব্যবস্থা গড়ে ওঠার ফলে পৃথিবীতে প্রাণের সন্ধান পাওয়া যায়। তথ্যমতে, এক পরমাণু ক্লোরিন এক লাখ ওজোন অণুকে ধ্বংস করে দিতে পারে। ওজোন স্তরের যেসব অঞ্চলে ওজোন অণুর বিনাশ ঘটছে, সেসব অঞ্চলে ওজোন স্তর হালকা হয়ে হোল বা গর্ত তৈরি হচ্ছে। গ্রিনহাউস গ্যাস ওজোন স্তরে গিয়ে এ স্তরকে ফুটো করে ফেলছে।
নিচের কোনটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম?
Correct Answer:
ক: 'Ubantu'
Explanation:
নিচের কোনটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম? সঠিক উত্তর 'Ubantu' Ubuntu is a free and open - source Linux distribution based on Debian. Ubuntu is officially released in three editions: Desktop, Server, and Core for the internet of things devices and robots. All the editions can run on the computer alone, or in a virtual machine. Wikipedia Initial release date: October 20, 2004 License: Free software + some proprietary device drivers Developed by: Canonical Latest release: Ubuntu 20.04 / 23 April 2020 (1 day ago) Developer: Canonical Ltd. Package managers: GNOME Software, APT, dpkg, Snappy, Flatpak
রাজা রামমোহন রায় প্রণীত বাংলা ব্যাকরণের নাম কি?
Correct Answer:
গ: গৌড়ীয় ব্যাকরণ
বাংলা ব্যাকরণে রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
Correct Answer:
গ: প্রত্যয়
কোনটি নির্দেশক নয়?
Correct Answer:
খ: তম
Explanation:
কোনটি নির্দেশক নয়? সঠিক উত্তর তম টি, টা, খানা, খানি, জন এগুলো পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। তম দ্বারা বচন বোঝায়।
অপিনিহিতির উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
খ: আজি > আইজ
Explanation:
অপিনিহিতির উদাহরণ কোনটি? সঠিক উত্তর আজি > আইজ শব্দের মধ্যে ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত 'ই' বা 'উ' উচ্চারণের সময় স্বস্থানে উচ্চারিত না হয়ে যে ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত তার অব্যবহিত পূর্বে উচ্চারিত হলে ওই রীতিকে অপিনিহিতি বা Epenthesis বলে। যেমনঃ আজি (aji) > আইজ (aij); সাধু >সাউধ; রাখিয়া > রাইখ্যা; বাক্য > বাইক্য; সত্য > সইত্য; চারি > চাইর ইত্যাদি।
অনুকার দ্বিত্বের উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
ক: চুপচাপ
Explanation:
অনুকার দ্বিত্বের উদাহরণ কোনটি? সঠিক উত্তর চুপচাপ পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছা চেহারায় শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় অনাকার দ্বিত্ব বলে। এত প্রতম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এভং প্রতম শব্দের অনুকরণে থৈধরি হয়। যে,ন: অঙ্ক - টঙ্ক; আম - টাম, কেক - টেক; ঘর - টর; গরু - টরু; ছাগল - টাগল; আড়াআড়ি, খোজাখুজি ইত্যাদি।
বাংলাদেশের ছয় ঋতুর সঠিক অনুক্রম কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
নিচের কোনটি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠার (Engineering Department) নয়?
Correct Answer:
ঘ: BAPARD
Explanation:
নিচের কোনটি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠার (Engineering Department) নয়? সঠিক উত্তর BAPARD BAPARD এর পূর্ণরূপ Bangabandhu Academy for Poverty Alleviation and Rural Development (বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও উন্নয়ন একাডেমি)। কিন্তু, HED এর পূর্ণরূপ Health Engineering Department (স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর)। PWD এর পূর্ণরূপ Public Works Department (গণপূর্ত অধিদপ্তর)। EED এর পূর্ণরূপ Education Engineering Department (শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর)।
মধ্যগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
ক: জিলিপি
’গুরুচন্ডালী দোষ’ কাকে বলে?
Correct Answer:
ক: সাধু ও চলতি রীতির মিশ্রণকে
নিচের কোনটি বিষমীভবনের উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: লাল>নাল
’যেমন কর্ম তেমন ফল।’
Correct Answer:
গ: সাপেক্ষ সর্বনাম