Bengali grammar MCQs
Showing 50 questions (Total: 585)
কোনটি শুদ্ধ ?
Correct Answer:
ঘ: সৌজন্য
Explanation:
কোনটি শুদ্ধ ? সঠিক উত্তর সৌজন্য সৌজন্য - [বিশেষ্য পদ] ভদ্রতা, অমায়িকতা, শিষ্ট - ব্যবহার।
সমাস ভাষাকে ------
Correct Answer:
ক: সংক্ষেপ করে
Explanation:
সমাস ভাষাকে ------ সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল প্রক্রিয়ায় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি হয় সমাস তার একটি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন: দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (শ্রীকৃষ্ণ)। সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ। যেমন: এখানে দোয়াতকলম, পীতাম্বর হলো সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কতগুলো পদের মিলিত রুপ, এই প্রতিটি পদকে বলে সমস্যমান পদ। সমস্ত পদকে বিস্তৃত করে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম + অস(ধাতু) + অ । সমাসের উদ্দেশ্য অল্পকথায় অধিক ভাব প্রকাশ করা । একটা বিরাট শব্দগুচ্ছকে সমাসের মাধ্যমে সংক্ষেপণ করা যায়। তবে সাহিত্যিক প্রয়োজনেই সংস্কৃত ভাষায় সমাসের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মনে করা হয়। কারণ সাহিত্যমূলক কর্মে সমাসের ব্যবহার একে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
'শিষ্টাচার'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: সদাচার
Explanation:
'শিষ্টাচার'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর সদাচার শিষ্টাচার এর সমার্থক শব্দ সদাচার।সংযম এর সমার্থক শব্দগুলো হলো নিয়ম, নিয়ন্ত্রণ, নিগ্রহ, দমন, নিয়মন, রোধ, নিরোধ,ব্রত।শিষ্টাচার/আদব/ভদ্রতা/সৌজন্য - - যে নামেই ডাকি এটি একজন মানুষের বড় গুণ। সামাজিক জীবনে এই গুণের চর্চা অন্য প্রাণী হতে মানুষের স্বাতন্ত্র্য নির্দেশ করে। একটি দেশ কতটা সভ্য সেটির পরিমাপক হিসেবে সেই দেশের মানুষের সৌজন্যবোধ - কে বিবেচনা করা হয়। ভদ্র ব্যবহারে অন্যের হৃদয় জয় করা যায়, অনাকাঙ্ক্ষিত ঝগড়া এড়ানো যায় এবং পারিপার্শ্বিক সবার সাথে সম্পর্ক সৌহার্দপূর্ণ হয়ে উঠে।
কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
Correct Answer:
ক: একটা গোপনীয় কথা বলি
Explanation:
কোনটি শুদ্ধ বাক্য? সঠিক উত্তর একটা গোপনীয় কথা বলি বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ: শুদ্ধ বলা বা লেখা সৃজনশীল কাজ। আর এই শুদ্ধ বলা বা লেখা নির্ভর করে ব্যাকরণের ওপর। ব্যাকরণ ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত ও শৃংখলাবদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলে। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ বলে বা লেখে। ব্যাকরণজ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ অর্থাৎ অপপ্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। ভাষা অপপ্রয়োগের ক্ষেত্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাষার অপপ্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ১. শব্দ রূপান্তজাত অপপ্রয়োগ: দৈন্যতা, মাধুর্যতা, সমসাময়িক, উদ্ধেলিত, চোখের দৃষ্টিশক্তি, মাতাহারা। ২. শব্দদ্বিত্ব অপপ্রয়োগ : শুধু/কেমলমাত্র, অশ্রুজল, ঘামজল, ভুলত্রুটি, ভুলভ্রান্তি। ৩. সংখ্যাজাত অপপ্রয়োগ : ১ জুলাই/১লা জুলাই। ৪. বচনজাত অপপ্রয়োগ : বড় বড় মানুষরা সব, সকল/সমস্ত /সব যুদ্ধাপরাধীদের। ৫. নির্দেশকজাত অপপ্রয়োগ : এই লোকটি। ৬. সন্ধিজাত অপপ্রয়োগ : লজ্জাস্কর, ইতিমধ্যে, উল্লেখিত, দুরাবস্থা। ৭. সমাসজাত অপপ্রয়োগ : দেশ ও বিদেশে। ৮. উপসর্গজাত অপপ্রয়োগ : সুস্বাগতম, অক্লান্তি হীনভাবে, উপ - পরিচালক। ৯. বিভক্তিজাত অপপ্রয়োগ : আমাদেরকে, তাদেরকে, নারীদেরকে, বাড়িতে। ১০. প্রত্যয়জাত অপপ্রয়োগ : দৈন্যতা, দারিদ্রতা। ১১. চিহ্নজাত অপপ্রয়োগ : সুন্দরী বালিকা, আসমা অস্থিরা, অভাগিনী, কাঙালিনী। ১২. পক্ষজাত অপপ্রয়োগ : আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। ১৩. কারকজাত অপপ্রয়োগ : ছুরিতে, আমের কাননে। ১৪. বিসর্গজাত অপপ্রয়োগ : পুন:প্রচার। ১৫. সমোচ্চারিত অপপ্রয়োগ : তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। ১৬. বাক্যজাত অপপ্রয়োগ : আমি স্বচক্ষে/নিজের চোখে। ১৭. বাচ্যজাত অপপ্রয়োগ : সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়। ১৮. এককথায় প্রকাশ অপপ্রয়োগ : চারিদিকে প্রদক্ষিণ, হাতে কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা। ১৯. প্রবাদ অপপ্রয়োগ : স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ২০. বাগধারা অপপ্রয়োগ : পাকা ধানে আগুন দেয়া। ২১. বানান ও উচ্চারণ অপপ্রয়োগ : প্রাণীজগৎ, কীভাবে, পৃথিবীব্যাপী, স্ত্রীবাচক, শশীভূষণ, মন্ত্রীসভা, স্বামীগৃহ, গুণীজন, নদীতীর, নদীমাতৃক, বৈশাখীমেলা, আগামীকাল। সমাসবদ্ধ শব্দের বানান লেখা হয় ঈ - কার দিয়ে। ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে ঈ - কার হয়ে যায় ই - কার। ঊ - কার হয়ে যায় উ - কার। ণ - হয়ে যায় ন। য - ফলা থাকে না। যেমন: ঘরনি, কানাই/কানু, বোশেখি, সুয্যি, সোনা, সন্ধে ইত্যাদি। প্রাদেশিক ও বিদেশি শব্দ হলে /ছ/য/ণ/ষ/ঞ্জ/ঞ্চ/ ঈ - কার/উ - কার বসে না তবুও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন: লুংগি, ডেংগু, ঠান্ডা, ঝান্ডা, লন্ঠন, মিসরি, পসন্দ, নামাজ, ওজু, ইস্টার্ন, স্টোর, ইনজিন, ইনজিনিয়ার, সেনচুরি, তির (ধনুক অর্থে, পাড় অর্থে নয়), অ্যাকাডেমি/এ্যাকাডেমি/একাডেমি, রসুল, নুর ইত্যাদি। সংস্কৃতশব্দে য - ফলা চল আছে কিন্তু ইংরেজি শব্দে নাই তবু লেখা হচ্ছে। যেমন: ইস্যু, টিস্যু, গ্যেটে, স্যার। ইংরেজি শব্দকে তদ্ভব করে লেখা হচ্ছে। যেমন: হসপিটাল>হাসাপাতাল, চকোলেট>চকলেট। শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সংস্কৃত সহিত থেকে ‘সঙ্গে বা সাথে’র উৎপত্তি। নিয়ম আছে গদ্যে ‘সঙ্গে’ আর পদ্যে ‘সাথে’ ব্যবহার করতে হবে তবে এখন সর্বত্রই ‘সঙ্গে’ ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার বিশেষণ সাধারণত পদক্রম অনুসারে বিশেষ্যের আগে বসে। যেমন: খাঁটি গরুর দুধ। ‘কী খাঁটি’ প্রশ্ন করলে পাওয়া যায় গরুর দুধ (সংস্কৃত গোদুগ্ধ)। অনেকেই বর্তমানে এই বাক্যকে ভুল মনে করে শুদ্ধ করে লেখেন গরুর খাঁটি দুধ। ইংরেজিতে লেখা হয় Fresh/Pure Milk অর্থাৎ খাঁটি দুধ। লেখা হয় না Fresh /Pure Cow Milk। সাধারণত গরুর দুধই বিক্রি হয় অন্য দুধ নয়। তাই গরুর খাঁটি লেখার প্রয়োজন হয় না। খাঁটি দুধ—লেখলেই হয়। বিভিন্নভাবে বাক্য অুশুদ্ধ হতে পারে।
'সংশয়'- এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: প্রত্যয়
Explanation:
'সংশয়'- এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর প্রত্যয় প্রত্যয় - [বিশেষ্য পদ] নিশ্চয়তা, প্রতীতি, বিশ্বাস; (ব্যকরণ) শব্দ বা ধাতুর উত্তর জায়মান বিভক্তি; ধাতু বা প্রাতিপদিকের উত্তর যা বিহিত হয় (কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়)
'অর্ধচন্দ্র' -এর অর্থ ------
Correct Answer:
ক: গলা ধাক্কা দেয়া
Explanation:
'অর্ধচন্দ্র' -এর অর্থ ------ সঠিক উত্তর গলা ধাক্কা দেয়া অর্ধচন্দ্র = অর্ধেক চন্দ্র বা চাঁদ। বাগধারাটার অর্থ "গলা ধাক্কা"। নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, আমরা যখন কাউকে গলা ধাক্কা দেই তখন আমাদের হাতটা তখন অর্ধেক চাঁদের মত দেখায়। সেখান থেকেই অর্ধচন্দ্র শব্দের উৎপত্তি।
'ক্ষমার যোগ্য' -এর বাক্য সংকোচন ------
Correct Answer:
ক: ক্ষমার্হ
Explanation:
'ক্ষমার যোগ্য' -এর বাক্য সংকোচন ------ সঠিক উত্তর ক্ষমার্হ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন: যার অনুরাগ দূর হয়েছে – বীতরাগ। যার পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ থাকে – জাতিস্মর। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় — স্বয়ংবরা। যে ব্যক্তি দ্বার রক্ষার জন্য নিযুক্ত — দারোয়ান। যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পরে জন্মে – মরণোত্তরজাতক। যে আলোতে কুমুদ ফোটে – কৌমুদী। ক্ষমার যোগ্য – ক্ষমার্হ । বাঘের চামড়া – কৃত্তি।
বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে -------
Correct Answer:
গ: পদ
Explanation:
বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে ------- সঠিক উত্তর পদ বিভক্তিযুক্ত শব্দকেই পদ বলে। পদের প্রকারভেদ : পদ প্রধানত ২ প্রকার - সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ। সব্যয় পদ আবার ৪ প্রকার - বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে কোন পদ ছাড়া বাক্য গঠন করা যায় না?
Correct Answer:
গ: ক্রিয়া পদ
Explanation:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে কোন পদ ছাড়া বাক্য গঠন করা যায় না? সঠিক উত্তর ক্রিয়া পদ যে পদ দ্বারা কোনো কার্য সম্পাদন করা বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলে। বাক্য গঠনের জন্য ক্রিয়াপদ অপরিহার্য। সুতরাং বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে ক্রিয়াপদ ছাড়া বাক্য গঠন করা যায় না।
কোনটি অশ্বের ডাক?
Correct Answer:
খ: হ্রেষা
Explanation:
কোনটি অশ্বের ডাক? সঠিক উত্তর হ্রেষা অশ্বের ডাক - হ্রেষা , হাতির ডাক - বৃংহতি ; রাজহাঁসের ডাক - ক্রেকার ; কুকুরের ডাক - বুক্কন।
যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না -----
Correct Answer:
গ: ঊষর
Explanation:
যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না ----- সঠিক উত্তর ঊষর অকালের ফুল অকালকুসুমঅগ্র পশ্চাৎ না ভেবে কাজ করে যে অবিমৃশ্যকারীঅনুমান করা যায় না যা অননুমেয়অরিকে দমন করে যে অরিন্দমঅশ্ব,রথ,হস্তী,ও পদাতিক সৈন্যের সমাহার চতুরঙ্গঅগ্রে দান করে যে অগ্রদানীঅনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক অনুসন্ধিৎসুঅপকার করার ইচ্ছা অপচিকীর্ষা
কোন শব্দটি অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ?
Correct Answer:
খ: গরল
Explanation:
কোন শব্দটি অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ? সঠিক উত্তর গরল গরল: ক্ষতিকর প্রভাব, বিষাক্ত কর, বিষ প্রয়োগ করা, বিষাক্ত করা, তিক্ত করা, বিদ্বিষ্ট করা, দূষিত করা. venom. বিষ, দ্বেষ, গরল, বিদ্বেষ, হিংসা, সর্পবিষ, বিদ্বেষপূর্ণ চাক্য. venom. বিষ, দ্বেষ, গরল, বিদ্বেষ, হিংসা, সর্পবিষ, বিদ্বেষপূর্ণ চাক্য.
কোন শব্দটি পুত্র শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ নয়?
Correct Answer:
গ: শৈল
Explanation:
কোন শব্দটি পুত্র শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ নয়? সঠিক উত্তর শৈল 'পুত্র' শব্দের সমার্থক শব্দ - আত্মজ, তনয়, নন্দন। 'শৈল ' শব্দের সমার্থক - অদ্রি, গিরি, পাহাড়, ভূধর, নগ প্রভৃতি। সুতরাং শৈল পুত্র' শব্দের সমার্থক নয়।
' অপমান' শব্দের ' অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
Correct Answer:
ক: বিপরীত
Explanation:
' অপমান' শব্দের ' অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত? সঠিক উত্তর বিপরীত ‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়
কোন ক্ষেত্রে বিভক্তির প্রয়োজন হয়?
Correct Answer:
ঘ: কারক
Explanation:
কোন ক্ষেত্রে বিভক্তির প্রয়োজন হয়? সঠিক উত্তর কারক কারকে বিভক্তির প্রয়োজন হয়। বাক্যস্থিত একটি শব্দের সাথে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সাথে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয় তাদের বিভক্তি বলে। কারক শব্দটির অর্থ যা ক্রিয়া সম্পাদন করে।
দ্যুলোকে শব্দের যথার্থ সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
খ: দিব্ + লোক
Explanation:
দ্যুলোকে শব্দের যথার্থ সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর দিব্ + লোক সন্ধি বিচ্ছেদ : প্রারম্ভিক আলোচনাসন্ধি: সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি। যেমন - আশা + অতীত = আশাতীত। হিম + আলয় = হিমালয়। প্রথমটিতে আ + অ = আ (া) এবং দ্বিতীয়টিতে অ + আ = আ (া) হয়েছে। আবার, তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে, এখানে ত + ম = ন্ম হয়েছে।সন্ধির উদ্দেশ্য(ক) সন্ধির উদ্দেশ্য স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা এবং(খ) ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন।তাই যে ক্ষেত্রে আয়াসের লাঘব হয় কিন্তু ধ্বনি - মাধুর্য রক্ষিত হয় না, সে ক্ষেত্রে সন্ধি করার নিয়ম নেই। যেমন - কচু + আদা + আলু = কচ্চাদালু হয় না। অথবা কচু + আলু + আদা = কচ্চান্বাদা হয় না।বাংলা শব্দের সন্ধিবাংলা সন্ধি দুই রকমের:১. স্বরসন্ধি২. ব্যঞ্জনসন্ধি।১. স্বরসন্ধি : স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি মিলে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে।১. সন্ধিতে দুটি সন্নিহিত ঘরের একটির লোপ হয়। যেমন - (ক) অ + এ = এ (অ লােপ) যেমন – শত + এক = শতেক। এরূপ – কতেক। (খ) আ + আ = আ (একটি আ লােপ)। যেমন – শাঁখা + আরি = শাঁখারি। এরূপ – রুপা + আলি = রূপালি। (গ) আ + উ = উ (আ লােপ)। যেমন – মিথ্যা + উ = মিথুক। এরূপ – হিংসুক, নিন্দুক ইত্যাদি। (ঘ) ই + এ = ই (এ লােপ)। যেমন – কুড়ি + এক = কুড়িক। এরূপ – ধনিক, গুটিক ইত্যাদি। আশি + এর = আশির (এ লােপ)। এরূপ — নদীর (নদী + এর)। ২. কোনাে কোনাে স্থলে পাশাপাশি দুটি ঘরের শেষেরটি লােপ পায়। যেমন – যা + ইচ্ছা + তাই = যাচ্ছেতাই। এখানে (আ + ই) এর মধ্যে ই লােপ পেয়েছে।২। ব্যঞ্জন সন্ধিসরে আর ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে আর ব্যঞ্জনে এবং ব্যঞ্জনে আর সরে মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি সমীভবন (Assimilation) - এর নিয়মেই হয়ে থাকে। আর তা - ও মূলত কথ্যরীতিতে সীমাবদ্ধ।১. প্রথম ধ্বনি অঘােষ এবং পরবর্তী ধ্বনি ঘােষ হলে, দুটি মিলে ঘােষ ধ্বনি দ্বিত্ব হয়। অর্থাৎ সন্ধিতে ঘােষ ধ্বনির পূর্ববর্তী অঘােষ ধ্বনিও ঘােষ হয়। যেমন – ছােট + দ = ছােড়দা।২. হলন্ত র (বদ্ধ অক্ষর বিশিষ্ট) ধ্বনির পরে অন্য ব্যঞ্জন ধ্বনি থাকলে রু লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনি দ্বিত্ব হয়।যেমন— আর + না = আন্না ধর, + না = ধন্না চার + টি = চাট্টি দুর, + ছাই = দুচ্ছাই ইত্যাদি। ৩. চ - বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ত - বর্গীয় ধ্বনি আসে তাহলে, ত - বর্গীয় ধ্বনি লােপ হয় এবং চ - বর্গীয় ধ্বনিরদ্বিত্ব হয়। অর্থাৎ ত - বর্গীয় ধ্বনি ও চ - বর্গীয় ধ্বনি পাশাপাশি এলে প্রথমটি লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়। যেমন - নাত + জামাই = নাজ্জামাই (ত্ + জ = জ্জ) বদ্ + জাত = বজ্জাত হাত + ছানি = হাচ্ছানি ইত্যাদি। ৪. ‘প’ - এর পরে ‘চ’ এবং “স’ - এর পরে ‘ত এলে চ ও ত এর স্থলে শ হয়। যেমন – পাঁচ + শ = পাশ সাত + শ = সাশ পাঁচ + সিকা = পাশিকা ৫. হলন্ত ধ্বনির সাথে স্বরধ্বনি যুক্ত হলে ঘরের লােপ হয় না। যেমন – বােন + আই = বােনাই বার + এক = বারেক চুন + আরি = চুনারি তিন + এক = তিনেক তিল + এক = তিলেক ৬. স্বরধ্বনির পরে ব্যঞ্জনধ্বনি এলে স্বরধ্বনিটি লুপ্ত হয়। যেমন – কঁচা + কলা = কাঁচকলা ঘােড়া + দৌড় = ঘােড়দৌড় নাতি + বৌ = নাতবৌ ঘােড়া + গাড়ি = ঘােড়গাড়ি ইত্যাদি। তৎসম শব্দের সন্ধিবাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে। এসব শব্দই তৎসম (তৎ = তার + সম = সমান)। তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান। এ শ্রেণির শব্দের সন্ধি সংস্কৃত ভাষার নিয়মেই সম্পাদিত হয়ে এসেছে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম সন্ধি তিন প্রকার:(১) স্বরসন্ধি(২) ব্যঞ্জন সন্ধি(৩) বিসর্গ সন্ধি১. স্বরসন্ধিস্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের নাম স্বরসন্ধি।১. অ - কার কিংবা আকারের পর অ - কার কিংবা আ - কার থাকলে উভয়ে মিলে আ - কার হয়, আ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন - অ + অ = আ নর + অধম = নরাধম এরূপ - হিমাচল, প্রাণাধিক, হস্তান্তর, হিতাহিত ইত্যাদি অ + আ = আ হিম + আলয় = হিমালয়। এরূপ – দেবালয়, রত্নাকর, সিংহাসন ইত্যাদি। আ + অ = আ যথা + অর্থ = যথার্থ। এরূপ — আশাতীত, কথামৃত, মহার্ঘ ইত্যাদি। আ + আ = আ বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এরূপ - কারাগার, মহাশয়, সদানন্দ ইত্যাদি। ২. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ই - কার কিংবা ঈ - কার থাকলে উভয়ে মিলে এ - কার হয়; এ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন— অ + ই = এ শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা। আ + ই = এ যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট। অ + ঈ = এ পরম + ঈশ = পরমেশ। আ + ঈ = এ মহা + ঈশ = মহেশ। এরূপ –পূর্ণেন্দু, শ্রবণেন্দ্রিয়, স্বেচ্ছা, নরেশ, রমেশ, নরেন্দ্র ইত্যাদি। ৩. অ - কার কিংবা আ - কারের পর উ - কার কিংবা ঊ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ও - কার হয়; ও - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়। যেমন - অ + উ = ও সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়। আ + উ = ও যথা + উচিত = যথােচিত। অ + ঊ = ও গৃহ + ঊর্ধ্ব = গৃহাের্ধ্ব। আ + ঊ = ও গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি। এরূপ — নীলােৎপল, চলাের্মি, মহােৎসব, নবােঢ়া, ফলােদয়, যথােপযুক্ত, হিতােপদেশ, পরােপকার, প্রশ্নোত্তর ইত্যাদি। ৪. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ঋ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ‘অর’ হয় এবং তা রেফ () রূপে পরবর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন— অ + ঋ = অ দেব + ঋষি = দেবর্ষি। আ + ঋ = অর মহা + ঋষি = মহর্ষি। এরূপ — অধমর্ণ, উত্তমর্ণ, সপ্তর্ষি, রাজর্ষি ইত্যাদি। ৫. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ‘ঋত’ - শব্দ থাকলে (অ, আ + ঋ) উভয় মিলে ‘আর’ হয় এবং বানানে পূর্ববর্তী বর্ণে আ ও পরবর্তী বর্ণে রেফ লেখা হয়। যেমন— অ + ঋ = আর শীত + ঋত = শীতার্ত। আ + ঋ = আর তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত। এরূপ —ভয়ার্ত, ক্ষুধার্ত ইত্যাদি। ৬. অ - কার কিংবা আ - কারের পর এ - কার কিংবা ঐ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ - কার হয়; ঐ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন— অ + এ = ঐ জন + এক = জনৈক। আ + এ = ঐ সদা + এব = সদৈব। অ + ঐ = ঐ মত + ঐক্য = মতৈক্য। আ + ঐ = ঐ মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য। এরূপ - হিতৈষী, সর্বৈব, অতুলৈশ্বর্য ইত্যাদি। ৭. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ও - কার কিংবা ঔ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ - কার হয়; ঔ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন - অ + ও = ঔ বন + ওষধি = বনৌষধি। আ + ও = ঔ মহা + ওষধি = মহৌষধি। অ + ঔ = ঔ পরম + ঔষধ = পরমৌষধ। আ + ঔ = ঔ মহা + ঔষধ = মহৌষধ। ৮. ই - কার কিংবা ঈ - কারের পর ই - কার কিংবা ঈ - কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ - কার হয়। দীর্ঘ ঈ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন - ই + ই = ঈ অতি + ইত = অতীত ই + ঈ = ঈ পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা। ঈ + ই = ঈ সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র। ঈ + ঈ = ঈ সতী + ঈশ = সতীশ। এরূপ - গিরীন্দ্র, ক্ষিতীশ, মহীন্দ্র, শ্রীশ, পৃথ্বীশ, অতীব, প্রতীক্ষা, প্রতীত, রবীন্দ্র, দিল্লীশ্বর ইত্যাদি। ৯. ই - কার কিংবা ঈ - কারের পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য ঘর থাকলে ই বা ঈ স্থানে ‘য বা য() ফলা হয়। য - ফলা।লেখার সময় পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লেখা হয়। যেমন - ই + অ = + অ অতি + অন্ত = অত্যন্ত। ই + আ = ঘৃ + আ ইতি + আদি = ইত্যাদি। ই + উ = খৃ + উ অতি + উক্তি = অত্যুক্তি। ই + উ = য + উ প্রতি + ঊষ = প্রত্যুষ। ঈ + আ = + আ মসী + আধার = মস্যাধার। ই + এ = য + এ প্রতি + এক = প্রত্যেক। ঈ + অ = ঘৃ + অ নদী + অ = নদঘু। এরূপ - প্রত্যহ, অত্যধিক, গত্যন্তর, প্রত্যাশা, প্রত্যাবর্তন, আদ্যন্ত, যদ্যপি, অভ্যুত্থান, অত্যাশ্চর্য, প্রত্যুপকার ইত্যাদি। ১০. উ - কার কিংবা উ - কারের পর উ - কার কিংবা উ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঊ - কার হয়; উ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জন ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়। যেমন— উ + উ = উ মরু + উদ্যান = মরুদ্যান। উ + উ = উ বহু + ঊর্ধ্ব = বহূর্ধ্ব। ঊ + উ = উ বধূ + উৎসব = বধূৎসব। ঊ + উ = উ ভূ + ঊর্ধ্ব = ভূর্ধ্ব। ১১. উ - কার কিংবা ঊ - কারের পর উ - কার ও উ - কার ভিন্ন অন্য ঘর থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব - ফলা হয় এবং লেখার সময় ব - ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন - উ + অ = ব + অ সু + অল্প = স্বল্প উ + আ = ব + আ সু + আগত = স্বাগত উ + ই = ব + ই অনু + ই = অন্বিত উ + ঈ = ব + ঈ তনু + ঈ = তন্বী উ + এ = ব + এ অনু + এষণ = অন্বেষণ এরুপ - পশ্বধম, পশ্বাচার, অন্বয়, মন্বন্তর ইত্যাদি। ১২. এ, ঐ, ও, ঔ - কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব ও আবু হয়। যেমন - এ + অ = অহ্ + অ নে + অন = নয়ন। শে + অন = শয়ন। ঐ + অ = আয়ু + অ নৈ + অক = নায়ক। গৈ + অক = গায়ক। ও + অ = অব + অ পাে + অন = পবন। লাে + অন = লবণ। ঔ + অ = আবৃ + অ পৌ + অক = পাবক। ও + আ = অ + আ গাে + আদি = গবাদি। ও + এ = অ + এ গাে + এষণা = গবেষণা। ও + ই = অ + ই পাে + ইত্র = পবিত্র ঔ + ই = আবৃ + ই নৌ + ইক = নাবিক। ঔ + উ = আবৃ + উ ভৌ + উক = ভাবুক ২. ব্যঞ্জনসন্ধিস্বরে - ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে - স্বরে ও ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। এদিক থেকে ব্যঞ্জন সন্ধিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি৩, ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনিক, চ, ট, ত, পৃ - এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলাে যথাক্রমে গ, জ্ব, ডু (ড়), দৃ, বৃ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন - ক্ + অ = গ দিক্ + অন্ত = দিগন্ত। চ্ + অ = জ ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত। ট্ + আ = ড় ষট্ + আনন = ষড়ানন। ত্ + অ = দ তৎ + অবধি = তদবধি। প + অ = ব সুপ + অন্ত = সুবন্ত। এরূপ - বাগীশ, তদন্ত, বাগাড়ম্বর, কৃদন্ত, সদানন্দ, সদুপায়, সদুপদেশ, জগদিন্দ্র ইত্যাদি। ২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনিস্বরধ্বনির পর ছ থাকলে উক্ত ব্যঞ্জনধ্বনিটি দ্বিত্ব (চ্ছ) হয়। যথা— অ + ছ = চ্ছ এক + ছত্র = একচ্ছত্র আ + ছ = চ্ছ কথা + ছলে = কথাচ্ছলে ই + ছ = চ্ছ পরি + ছ = পরিচ্ছদ। এরূপ – মুখচ্ছবি, বিচ্ছেদ, পরিচ্ছেদ, বিচ্ছিন্ন, অঙ্গচ্ছেদ, আলােকচ্ছটা, প্রতিচ্ছবি, প্রচ্ছদ, আচ্ছাদন, বৃক্ষচ্ছায়া, বচ্ছন্দে, অনুচ্ছেদ ইত্যাদি। ৩. ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি(ক) ১. ত্ ও দৃ - এর পর চূ ও ছ, থাকলে ত্ ও দৃ স্থানে চ হয়। যেমন— ত্ + চ = চ্চ সৎ + চিন্তা = সচ্চিন্তা। ত্ + ছ উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ। দ্ + চ = চ্চ বিপদ + চয় = বিপচ্চয়। দৃ + ছ = চ্ছ বিপদ + ছায়া = বিপচ্ছায়া। এরূপ — উচ্চারণ, শরচ্চন্দ্র, সচ্চরিত্র, তচ্ছবি ইত্যাদি। ২. ত্ ও দ্ এরপর জ্ব ও ঝ থাকলে ত্ ও দৃ - এর স্থানে জ্ব হয়। যেমন— ত্ + জ = জ্জ সৎ + জন = সজ্জন। দৃ + জ = জ্জ বিপদ + জাল = বিপজ্জাল ত্ + ঝ = দ্রু কুৎ + ঝটিকা = কুক্কটিকা এরূপ – উজ্জ্বল, তজ্জন্য, যাবজ্জীবন, জগজ্জীবন ইত্যাদি। ৩. ত্ ও দৃ - এরপর শ থাকলে ত্ ও দৃ - এর স্থলে চ্ এবং শ্ - এর স্থলে ছ উচ্চারিত হয়। যেমন - ত্ + শ = চ + ছ = চ্ছ উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাসএরূপ — চলচ্ছক্তি, উচ্ছঙ্খল ইত্যাদি।৪. ত্ ও দৃ - এর পর ডু থাকলে ত্ ও দৃ এর স্থানে ড্র হয়। যেমন - ত্ + ড = ডড় উৎ + ডীন = উড্ডীন।এরূপ – বৃহড্ঢক্কা৫. ত্ ও দৃ এর পর হ থাকলে ত্ ও দৃ এর স্থলে দ এবং হ এর স্থলে ধূ হয়। যেমন - ত্ + হ = দৃ + ধ = দ্ধ উৎ + হার = উদ্ধার।দৃ + = দৃ + ধ = দ্ধ পদ + হতি = পদ্ধতি।এরূপ – উদ্ধৃত, উদ্ধত, তদ্ধিত ইত্যাদি।৬. ত্ ও দ, এর পর নৃ থাকলে ত্ ও - এর স্থলে ল উচ্চারিত হয়। যেমনত্ + ল = ল্ল উৎ + লাস = উল্লাস।এরূপ – উল্লেখ, উল্লিখিত, উল্লেখ্য, উল্লম্ফন ইত্যাদি।(খ) ১. ব্যঞ্জন ধ্বনিসমূহের যে কোনাে বর্গের অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির পর যে কোনাে বর্গের ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ ধ্বনি কিংবা ঘােষ অল্পপ্রাণ তালব্য ধ্বনি, (য ) জ), ঘােষ অল্পপ্রাণ ওষ্ঠ ধ্বনি (ব), ঘােষ কম্পনজাত দন্তমূলীয় ধ্বনি (র) কিংবা ঘােষ অল্পপ্রাণ ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনি (ব) থাকলে প্রথম অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি ঘােষ অল্পপ্রাণরূপে উচ্চারিত হয়। যথা : ক্ + দ = গ + দ বাক্ + দান = বাগদান টু + য = ডু + য ষ + যন্ত্র = ষড়যন্ত্র ত্ + ঘ = দ্ + ঘ উৎ + ঘাটন = উদ্ঘাটন ত্ + য = দৃ + য উৎ + যােগ = উদ্যোগ ত্ + ব = দৃ + ব উৎ + বন্ধন = উদ্বন্ধন। ত্ + র = দৃ + র তৎ + রূপ = তদুপ এরূপ - দিগ্বিজয়, উদ্যম, উদ্গার, উদ্গিরণ, উদ্ভব, বাগ্জাল, সদ্গুরু, বাগদেবী ইত্যাদি। ২. ঙ, ঞ, ণ, ন, ম পরে থাকলে পূর্ববর্তী অঘােষ অল্পপ্রাণ স্পর্শধ্বনি সেই বর্গীয় ঘােষ স্পর্শধ্বনি কিংবা নাসিক্যধ্বনি হয়। যথা :ক্ + ন = গ + ন দিক্ + নির্ণয় = দিগনির্ণয় বা দিনির্ণয়ত্ + ম = দ/ন + ম তৎ + মধ্যে = তদ্মধ্যে বা তন্মধ্যে।লক্ষণীয়: এরূপ ক্ষেত্রে সাধারণত নাসিক্য ব্যঞ্জনই বেশি প্রচলিত। যেমন – বাক্ + ময় = বাঙ্ময়, জগৎ + নাথ = জগন্নাথ ইত্যাদি। তৎ + ময় = তন্ময়, এরূপ—উন্নয়ন, উন্নীত, চিন্ময় ইত্যাদি। মৃৎ + ময় = মৃন্ময়, ৩. ম্ এর পর যে কোনাে বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম্ ধ্বনিটি সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি হয়। যেমন— মৃ + ক = ঙ + ক্ শম্ + ক = শঙ্কা। ম্ + চ = ঞ + চ্ সম্ + চয় = সঞ্চয়। ম + ত = নৃ + ত্ সম্ + তাপ = সন্তাপ। এরূপ – কিম্ভূত, সন্দর্শন, কিন্নর, সম্মান, সন্ধান, সন্ন্যাস ইত্যাদি। দ্রষ্টব্য : আধুনিক বাংলায় মূ - এর পর কণ্ঠ্য - বর্গীয় ধ্বনি থাকলে মৃ স্থানে প্রায়ই ঙ না হয়ে অনুস্বার (ং) হয়। যেমন - সম্ + গত = সংগত, অহম্ + কার = অহংকার, সম্ + খ্যা = সংখ্যা এরূপ –সংকীর্ণ, সংগীত, সংগঠন, সংঘাত ইত্যাদি। ৪. ম্ - এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে, মৃ স্থলে অনুবার (ং) হয়। যেমন - সম্ + যম = সংযম, সম্ + বাদ = সংবাদ, সম্ + রক্ষণ = সক্ষণ সম্ + লাপ = সংলাপ সম্ + শয় = সংশয় সম্ + সার = সংসার সম্ + হার = সংহার। এরূপ - বারংবার, কিংবা, সংবরণ, সংযােগ, সংযােজন, সংশােধন, সর্বংসহা, সয়ংবরা। ব্যতিক্রম : সম্রাট (সম্ + রাট)। ৫. চু ও জু - এর পরে নাসিক্য ধ্বনি তালব্য হয়। যেমন –চ + ন = চ + ঞ যাচ্ + না = যাচ্ঞা, রাজ্ + নী = রাজ্ঞী।জ + ন = জ + ঞ, যজ্ + ন = যজ্ঞ,৬. দৃ ও ধ এর পরে ক, চ, ট, ত, প, খ, ছ, ঠ, থ, ফ, থাকলে দৃ ও ধূ স্থলে অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। যেমন - দ্> ত্ তদ্ + কাল = তৎকালধূ > ত্ ক্ষুধ + পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।এরূপ —হৃৎকম্প, তৎপর, তত্ত্ব ইত্যাদি।৭. দৃ কিংবা ধূ - এর পরে স্ থাকলে, দৃ ও ধূ স্থলে অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। যেমন - বিপদ + সংকুল = বিপৎসংকুল।এরূপ — তৎসম।৮. যু - এর পরে ত্ বা থু থাকলে, যথাক্রমে ত্ ও থু স্থানে ট ও ঠ হয়। যেমনকৃষ + তি = কৃষ্টি, ষষ্ + থ্ = ষষ্ঠ। বিসর্গ সন্ধিসংস্কৃত সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত বৃ ও স্ অনেক ক্ষেত্রে অঘােষ উম্মধ্বনি অর্থাৎ হ ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয় এবং তা বিসর্গ(ঃ) রূপে লেখা হয়। র্ ও সূ বিসর্গ ব্যঞ্জনধ্বনিমালার অন্তর্গত। সে কারণে বিসর্গ সন্ধি ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্গত। বস্তুত বিসর্গ র্ এবং স্ - এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বিসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে :১. র - জাত বিসর্গ ও২. সৃ - জাত বিসর্গ।১. র - জাত বিসর্গ : র স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে বলে র - জাত বিসর্গ। যেমন:অন্তর অন্তঃ, প্রাতরপ্রাতঃ, পুনর – পুনঃ ইত্যাদি।২. স - জাত বিসর্গ : স্ স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে বলে স্ - জাত বিসর্গ। যেমন :নমস্ – নমঃ, পুরস্ – পুরঃ, শিরস্ – শিরঃ ইত্যাদি।বিসর্গের সাথে অর্থাৎ র ও স্ - এর সাথে স্বরধ্বনির কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।বিসর্গ সন্ধি দুইভাবে সাধিত হয়:১. বিসর্গ + স্বর এবং২. বিসর্গ + ব্যঞ্জন।১. বিসর্গ ও স্বরের সন্ধিঅ - ধ্বনির পরস্থিত (অঘােষ উধ্বনি) বিসর্গের পর অ ধ্বনি থাকলে অ + ও + অ – এ তিনে মিলে ও - কার হয়। যেমন - ততঃ + অধিক = ততােধিক।২. বিসর্গ ও ব্যঞ্জনের সন্ধি১. অ - কারের পরস্থিত স - জাত বিসর্গের পর ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্যধ্বনি কিংবা অন্তস্থ য, অন্তস্থ ব, র, ল, হ থাকলে অ - কার ও স্ - জাত বিসর্গ উভয় স্থলে ও - কার হয়। যেমন – তিরঃ + ধান = তিরােধান, মনঃ + ম = মনােরম, মনঃ + হর = মনােহর, তপঃ + বন = তপােবন ইত্যাদি। ২. অ - কারের পরঙ্খিত রূ - জাত বিসর্গের পর উপযুক্ত ধ্বনিসমূহের কোনােটি থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়। যেমন— অন্তঃ + গত = অন্তর্গত, অন্তঃ + ধান = অন্তর্ধান, পুনঃ + আয় = পুনরায়, পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত, অহঃ + অহ = অহরহ। এরূপ — পুনর্জন্ম, পুনর্বার, প্রাতরুথান, অন্তর্ভুক্ত, পুনরপি, অন্তবর্তী ইত্যাদি। ৩. অ ও আ ভিন্ন অন্য ঘরের পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সঙ্গে অ, আ, বর্গীয় ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ নাসিক্যধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব, হ - এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়। যেমন - নিঃ + আকার = নিরাকার, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ, দুঃ + যােগ = দুর্যোগ ইত্যাদি। এরূপ – নিরাকরণ, জ্যোতির্ময়, প্রাদুর্ভাব, নির্জন, বহির্গত, দুর্লোভ, দুরন্ত ইত্যাদি। ব্যতিক্রম : ই কিংবা উ ধ্বনির পরের বিসর্গের সঙ্গে ‘র’ এর সন্ধি হলে বিসর্গের লােপ হয় ও বিসর্গের পূর্ববর্তী ব্ৰস ঘর দীর্ঘ হয়। যেমন –নিঃ + রব = নীরব, নিঃ + রস = নীরস ইত্যাদি।৪. বিসর্গের পর অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ তালব্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘােষ মহাপ্রাণ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গ স্থলে মূর্ধন্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘােষ মহাপ্রাণ দন্ত্য ব্যঞ্জনের স্থলে দন্ত্য শিশ ধ্বনি হয়। যেমনঃ ঃ + চ + ছ = শ + চ / ছ নিঃ + চয় = নিশ্চয়, শিরঃ + ছেদ = শিরচ্ছেদ। ঃ + ট /ঠ = ষ + ট ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার, নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর। ঃ + ত + থ = স + ত + থ দুঃ + তর = দুস্তর, দুঃ + থ = দুস্থ। ৫. অঘােষ অল্পপ্রাণ ও অঘােষ মহাপ্রাণ কণ্ঠ্য কিংবা ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন (ক, খ, প, ফ) পরে থাকলে অ বা আ ধ্বনির পস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘােষ দন্ত্য শিশ ধ্বনি (স) হয় এবং অ বা আ ব্যতীত অন্য স্বরধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ হলে অঘোেষ মূর্ধন্য শিশূ ধ্বনি (ষ) হয়। যেমন - অ এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = স + ক নমঃ + কার = নমস্কার। অ এর পরে বিসর্গ ঃ + খ = স + খ পদঃ + খলন = পদখলন। ই এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = ষ + ক নিঃ + কর = নিষ্কর। উ এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = ষ + ক দুঃ + কর = দুষ্কর। এরূপ – পুরস্কার, মনস্কামনা, তিরস্কার, চতুষ্পদ, নিষ্ফল, নিস্পাপ, দুষ্প্রাপ্য, বহিস্কৃত, দুস্কৃতি, আবিষ্কার, চতুষ্কোণ, বাচস্পতি, ভাস্কর ইত্যাদি। ৬. কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে সন্ধির বিসর্গ লােপ হয় না। যেমন - প্রাতঃ + কাল = প্রাতঃকাল মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট শিরঃ + পীড়া = শিরঃপীড়া ৭. যুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনি ত, স্থ কিংবা স পরে থাকলে পূর্ববর্তী বিসর্গ অবিকৃত থাকে অথবা লােপ পায়। যেমন— নিঃ + স্তন্ধ = নিঃস্তব্ধ কিংবা নিস্তব্ধ। দুঃ + থ = দুঃস্থ কিংবা দুস্থ। নিঃ + প = নিঃস্পন্দ কিংবা নিস্পন্দ। সন্ধি বিচ্ছেদ : আলোচনার সারসংক্ষেপসন্ধি বিচ্ছেদ এর উপরিউক্ত আলোচনা আপনার ভাল না লাগাই স্বাভাবিক। ফাঁকি দেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ২১০টি সন্ধি বিচ্ছেদ ঝেড়ে ফেলুন। ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ ও বিশেষ নিয়মে সাধিত ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ও বিশেষ নিয়মে সাধিত ১ অক্ষৌহিণী = অক্ষ + ঊহিণী ৭ মার্তণ্ড = মার্ত + অণ্ড ২ কুলটা = কুল + অটা ৮ রক্তোষ্ঠ = রক্ত + ওষ্ঠ ৩ গবাক্ষ = গাে + অক্ষ ৯ শারঙ্গ = শার + অঙ্গ ৪ গবেন্দ্র = গাে + ইন্দ্র ১০ শুদ্ধোধন = শুদ্ধ + ওদন ৫ গবেশ্বর = গাে + ঈশ্বর ১১ সীমন্ত = সীমন + অত ৬ প্রৌঢ় = প্র + ঊঢ় ১২ স্বৈর = স্ব + ঈর ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গসন্ধি ১ অহর্নিশ = অহঃ + নিশ ৫ মনঃকষ্ট = মনঃ + কষ্ট ২ আস্পদ = আঃ + পদ ৬ শিরঃপীড়া = শিরঃ + পীড়া ৩ প্রাতঃকাল = প্রাতঃ + কাল ৭ হরিশ্চন্দ্র = হরিঃ + চন্দ্র ৪ বাচস্পতি = বাচঃ + পতি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ১ আশ্চর্য = আ + চর্য ৭ পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি ২ একাদশ = এক + দশ ৮ পরস্পর = পর + পর ৩ গােস্পদ = গাে + পদ ৯ বনস্পতি = বন + পতি ৪ ঘােড়শ = ষ + দশ ১০ বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি ৫ তস্কর = তৎ + কর ১১ মনীষা = মনস + ঈষা ৬ দ্যুলােক = দিক্ + লােক ১২ ষােড়শ = ষট্ + দশ ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি ১ অন্যান্য = অন্য + অন্য ২ শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি ১ উত্থান = উৎ + স্থান ৫ সংস্কার = সম + কার ২ উত্থাপন = উৎ + স্থাপন ৬ সংস্কৃত = সম + কৃত ৩ পরিকৃত = পরি + কৃত ৭ সংস্কৃতি = সুম + কৃতি ৪ পরিষ্কার = পরি + কার ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিসর্গসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিসর্গসন্ধি ১ অতএব = অতঃ + এব ২১ দুস্থ = দুঃ + থ ২ অন্তর্লীন = অন্তঃ + লীন ২২ ধনুষ্টঙ্কার = ধনুঃ + টঙ্কার ৩ অহরহ = অহঃ + অহ ২৩ নিরাকার = নিঃ + আকার ৪ আবিষ্কার = আবিঃ + কার ২৪ নিশ্চয় = নিঃ + চয়ন ৫ আশীর্বাদ = আশীঃ + বাদ ২৫ নীরব = নিঃ + রব ৬ ইতস্তত = ইতঃ + তত ২৬ নীরস = নিঃ + রস ৭ চতুষ্কোণ = চতুঃ + কোণ ২৭ পুনরায় = পুনঃ + আয় ৮ যশােচ্ছা = যশঃ + ইচ্ছা ২৮ পুনর্জন্ম = পুনঃ + জন্ম ৯ যশােভিলাষ = যশঃ + অভিলাষ ২৯ প্রাতরাশ = প্রাতঃ + আশ ১০ যশােলাভ = যশঃ + লাভ ৩০ পুরস্কার = পুরঃ + কার ১১ তিরস্কার = তিরঃ + কার ৩১ বহিষ্কার = বহিঃ + কার ১২ ততােধিক = ততঃ + অধিক ৩২ ভাস্কর = ভাঃ + কর ১৩ তপােধিক্য = তপঃ + আধিক্য ৩৩ ভ্রাতুস্পুত্র = ভ্রাতুঃ + পুত্র ১৪ তপােবন = তপঃ + বন ৩৪ মনােজ = মনঃ + জ ১৫ দ্বিরাগমন = দ্বিঃ + আগমন ৩৫ মনােযােগ = মনঃ + যােগ ১৬ দুরাত্মা = দুঃ + আত্মা ৩৬ মনােহর = মনঃ + হর ১৭ দুর্যোগ = দুঃ + যােগ ৩৭ শিরােপরি = শিরঃ + উপরি ১৮ দুরবস্থা = দুঃ + অবস্থা ৩৮ শিরচ্ছেদ = শিরঃ + ছেদ ১৯ দুর্লোভ = দুঃ + লােভ ৩৯ শ্রেয়স্কর = শ্রেয়ঃ + কর ২০ দুস্তর = দুঃ + তরকার ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : ব্যঞ্জনসন্ধি ১ অহংকার = অহম্ + কার ৩১ বাগলােপ = বাক্ + লােপ ২ উচ্চারণ = উৎ + চারণ ৩২ বাঙ্ময় = বাক্ + ময় ৩ উচ্ছ্বাস = উৎ + শ্বাস ৩৩ বিচ্ছেদ = বি + ছেদ ৪ উজ্জ্বল = উৎ + জ্বল ৩৪ বুদ্ধ = বুধ + ত ৫ উডডীন = উৎ + ডীন ৩৫ বরঞ্চ = বরম্ + চ ৬ উদ্যোগ = উৎ + যােগ ৩৬ বসুন্ধরা = বসুম্ + ধরা ৭ উদ্যম = উৎ + যম ৩৭ মুখচ্ছবি = মুখ + ছবি ৮ উদ্ধৃঙ্খল = উৎ + শৃঙ্খল ৩৮ রাজ্ঞী = রাজ + নী ৯ উদ্ধত = উৎ + হত ৩৯ শঙ্কা = শম্ + কান ১০ কিংবা = কিম্ + বা ৪০ শরচ্চন্দ্র = শরৎ + চন্দ্র ১১ কিন্তু = কিম্ + তু ৪১ ষড়ঋতু = ষট + ঋতু ১২ কিন্নর = কিম্ + নর ৪২ ষড়ানন = ষট + আনন ১৩ কিম্ভুত = কিম্ + ভূত ৪৩ ষড়যন্ত্র = ষট + যন্ত্র ১৪ কুটিকা = কুৎ + ঝটিকা ৪৪ ষষ্ঠ = ষষ + থ ১৫ কৃদন্ত = কৃৎ + অন্ত ৪৫ সংখ্যা = সম্ + খ্যা ১৬ কৃষ্টি = কৃ + তি ৪৬ সংগত = সম + গত ১৭ ক্ষুৎপিপাসা = ক্ষুধ + পিপাসা ৪৭ সংঘ = সম্ + ঘ ১৮ চলচ্চিত্র = চলৎ + চিত্র ৪৮ সংলাপ = সম্ + লাপ ১৯ জগন্নাথ = জগৎ + নাথ ৪৯ সিংহ = সিন্ + হ ২০ যাবজ্জীবন = যাবৎ + জীবন ৫০ সচ্চিন্তা = সৎ + চিন্তা ২১ যজ্ঞ = যজু + ন ৫১ সচ্চরিত্র = সৎ + চরিত্র ২২ ণিজন্ত = ণিচ্ + অন্ত ৫২ সঞ্চয় = সম্ + চয় ২৩ দিগন্ত = দিক্ + অন্ত ৫৩ সদুপদেশ = সৎ + উপদেশ ২৪ পদ্ধতি = পদ্ + হতি ৫৪ সন্ধান = সম্ + ধান ২৫ পরিচ্ছেদ = পরি + ছেদ ৫৫ স্বয়ংবরা = স্বয়ম্ + বরা ২৬ প্রিয়ংবদা = প্রিয়ম্ + বদা ৫৬ সুবন্ত = সুপ + অন্ত ২৭ বৃক্ষচ্ছায়া = বৃক্ষ - + ছায়া ৫৭ সম্পল্লাভ = সম্পন্ + লাভ ২৮ বাগীশ = বাক্ + ঈশ ৫৮ সম্মান = সম্ + মান ২৯ বাগদত্তা = বাক্ + দত্তা ৫৯ সম্রাট = সম্ + রাট ৩০ বাগধারা = বাক্ + ধারা ৬০ হিংসা = হিন্ + সা ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : স্বরসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : স্বরসন্ধি ১ অত্যন্ত = অতি + অন্ত ৩৭ প্রত্যহ = প্রতি + অহ ২ অধমর্ণ = অধম + ঋণ ৩৮ পশ্বাচার = পশু + আচার ৩ অন্বেষণ = অনু + এষণ ৩৯ পশ্বধম = পশু + অধম ৪ অর্ধেক = অর্ধ + এক ৪০ বেশকম = বেশি + কম ৫ ইত্যাদি = ইতি + আদি ৪১ বধূক্তি = বধূ + উক্তি ৬ উত্তমর্ণ = উত্তম + ঋণ ৪২ বধূৎসব = বধূ + উৎসব ৭ উপযুক্ত = উপরি + উক্ত ৪৩ ভয়ার্ত = ভয় + ঋত ৮ একেক = এক + এক ৪৪ ভবন = ভাে + অন ৯ একোন = এক + উন ৪৫ মাত্ৰাদেশ = মাতৃ + আদেশ ১০ একত্রিত = একত্র + ইত ৪৬ মাত্রুপদেশ = মাতৃ + উপদেশ ১১ কাঁচকলা = কাঁচা + কলা ৪৭ মিশকাল = মিশি + কাল ১২ কথােপকথন = কথা + উপকথন ৪৮ মতৈক্য = মত + ঐক্য ১৩ কথামৃত = কথা + অমৃত ৪৯ মন্বন্তর = মনু + অন্তর ১৪ ক্ষুধার্ত = ক্ষুধা + ঋত ৫০ মস্যাধার = মসী + আধার ১৫ গায়ক = গৈ + অক ৫১ মহৈশ্বর্য = মহা + ঐশ্বর্য ১৬ গত্যন্তর = গতি + অন্তর ৫২ মহৌষধি = মহা + ওষধি ১৭ গবেষণা = গাে + এষণা ৫৩ রাজর্ষি = রাজা + ঋষি ১৮ চন্দ্রানন = চন্দ্র + আনন ৫৪ রত্নাকর = রত্ন + আকর ১৯ জনৈক = জন + এক ৫৫ রবীন্দ্র = রবি + ইন্দ্র ২০ যথার্থ = যথা + অর্থ ৫৬ লঘূর্মি = লঘু + ঊর্মি ২১ যদ্যপি = যদি + অপি ৫৭ লবণ = লাে + অন ২২ তথৈবচ = তথা + এবচ ৫৮ শায়ন = শে + অন ২৩ তষী = তনু + ঈ ৫৯ শীতার্ত = শীত + ঋত ২৪ তৃষ্ণার্ত = তৃষ্ণা + ঋত ৬০ শতেক = শত + এক ২৫ ধর্মাধর্ম = ধর্ম + অধর্ম ৬১ শুভেচ্ছা = শুভ + ইচ্ছা ২৬ নিন্দাহ = নিন্দা + অর্থ ৬২ সৃক্ত = সু + উক্ত ২৭ নীলােৎপল = নীল + উৎপল ৬৩ সানুনাসিক = স + অনুনাসিক ২৮ নদ্যম্বু = নদী + অষু ৬৪ স্বাধিকার = স + অধিকার ২৯ নদপকণ্ঠ = নদী + উপকণ্ঠ ৬৫ স্বাধীন = স্ব + অধীন ৩০ নবােঢ়া = নব + ঊঢ়া ৬৬ স্বেচ্ছা = স + ইচ্ছা ৩১ নরাধম = নর + অধম ৬৭ স্বল্প = সু + অল্প ৩২ নরেন্দ্র = নর + ইন্দ্র ৬৮ হিতােপদেশ = হিত + উপদেশ ৩৩ পিত্রালয় = পিতৃ + আলয় ৬৯ হিতৈষী = হিত + ঐষী ৩৪ পবিত্র = পাে + ইত্ৰ ৭০ হিমাচল = হিম + অচল ৩৫ পরীক্ষা = পরি + ঈক্ষা ৭১ হস্তান্তর = হস্ত + অন্তর ৩৬ প্রত্যেক = প্রতি + এক
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয় ----
Correct Answer:
খ: ধাতু
Explanation:
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয় ---- সঠিক উত্তর ধাতু যা থেকে ক্রিয়াপদের জন্ম সেটাই ধাতু। যেমন, করি, একটি ক্রিয়াপদ। একে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় কর + ই। কর ক্রিয়াপদের. মূল অংশ, এটিই ধাতু। সংজ্ঞা : ক্রিয়াপদের মূল অংশকেই ধাতু বলে। অর্থাৎ ক্রিয়ার মূল অর্থ যার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় তাকেই ধাতু বলে। যেমন - ক, চল, পড়ু, এগুলাে ধাতুর উদাহরণ।
কোন শব্দে বিদেশী উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: নিমরাজী
Explanation:
কোন শব্দে বিদেশী উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর নিমরাজী ফারসি উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায়: "না" "ফি" ‘র "বর" "বদ" মায়েশ। "বে" আদব, "কম" ‘জোর, ও "ব" কলম। কিন্তু "কার" ‘বার ও "দর" দালানে তিনি "নিম"রাজি। দ্রষ্টব্য শুধুমাত্র ".." এর মধ্যে যা দেওয়া আছে, ওটাই উপসর্গ। আন - বাংলা উপসর্গ অব - সংস্কৃত উপসর্গ
"তাৎক্ষণিক" শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: তৎক্ষণ + ইক
Explanation:
"তাৎক্ষণিক" শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর তৎক্ষণ + ইক সন্ধি : পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। অর্থাৎ, এখানে দুটি ধ্বনির মিলন হবে, এবং সেই দুটি ধ্বনি পাশাপাশি অবস্থিত হবে। যেমন, ‘নর + অধম = নরাধম’। এখানে ‘নর’র শেষ ধ্বনি ‘অ’ (ন + অ + র + অ), এবং ‘অধম’র প্রথম ধ্বনি ‘অ’। এখানে ‘অ’ ও ‘অ’ মিলিত হয়ে ‘আ’ হয়েছে। অর্থাৎ পাশাপাশি অবস্থিত দুইট ধ্বনি ‘অ’ ও ‘অ’ মিলিত হয়ে ‘আ’ হলো।
কোন শব্দে বিদেশী উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে ?
Correct Answer:
ঘ: নিমরাজী
Explanation:
কোন শব্দে বিদেশী উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে ? সঠিক উত্তর নিমরাজী বিদেশি উপসর্গ মোট ২০ টি আরবি উপসর্গ - - - > কিরে (লা)লু এই (গর)মে (বাজে) (আম) (খাস) ? . ইংরেজি উপসর্গ - - - > (হেড) (সাব) বাড়িতে (হাফ) এবং স্কুলে (ফুল) হাতা শার্ট পরেন। . হিন্দি উপসর্গ - - - > (হর) (হরেক) . ফারসি উপসর্গ - - - > (নিম) বাবু (বে)আদব (বদ)মাশ (না)লায়েক (কম) (ব)খত (ফি)রোজকে (কার)চুপি করে (দর)বার থেকে (বর)খাস্ত করে দেন ।
কোনটি তদ্ভব শব্দ ?
Correct Answer:
ক: চাঁদ
Explanation:
কোনটি তদ্ভব শব্দ ? সঠিক উত্তর চাঁদ চন্দ্র>চন্দ>চাঁদ = তৎসম>অর্ধ তৎসম>তদ্ভব।
কোন বাক্যটিতে সমধাতুজ কর্ম আছে?
Correct Answer:
ঘ: সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না
Explanation:
কোন বাক্যটিতে সমধাতুজ কর্ম আছে? সঠিক উত্তর সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না সমধাতুজ কর্ম : বাক্যের ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ যদি একই ধাতু বা ক্রিয়ামূল থেকে গঠিত হয়, তবে তাকে সমধাতুজ কর্মপদ বলে। অর্থাৎ, ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ একই শব্দমূল থেকে গঠিত হলে তাকে সমধাতুজ কর্মপদ বলে। যেমন - আজ এমন ঘুম ঘুমিয়েছি।এখানে ক্রিয়াপদ ‘ঘুমিয়েছি’, আর কর্মপদ ‘ঘুম’ (কী ঘুমিয়েছি?)। আর এই ‘ঘুমিয়েছি’ আর ‘ঘুম’ দুটি শব্দেরই শব্দমূল ‘ঘুম্’। অর্থাৎ, শব্দ দুইটি একই ধাতু হতে গঠিত (ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলে)। সুতরাং, এই বাক্যে ‘ঘুম’ কর্মটি একটি সমধাতুজ কর্ম। এরকম - আজ কী খেলা খেললাম। (খেল্)আর মায়াকান্না কেঁদো না। (কাঁদ্)
আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা - এ তিনটি কিসের গুণ?
Correct Answer:
খ: বাক্যের
Explanation:
আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা - এ তিনটি কিসের গুণ? সঠিক উত্তর বাক্যের আকাঙ্ক্ষা , আসত্তি, যোগ্যতা এ তিনটি সার্থক বাক্যের গুণ। আকাঙক্ষা। : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্যপদ শোনার যে ইচ্ছা তাই আকাঙক্ষা । যেমন - রহিম খুব ভাল ছেলে। আসত্তি : বাক্যের অর্থ সঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদ বিন্যাসই আসত্তি। আসত্তিহীন বাক্য: খুব ছেলে রহিম ভাল (অর্থপূর্ণ নয়) । যোগ্যতা: বাক্যস্থিত পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত মিল বন্ধনের নাম যোগ্যতা। যোগ্যতাহীন বাক্য: বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে (বাক্যটি ভাব প্রকাশের যোগ্যতা হারিয়েছে)। যোগ্যতাপূর্ণ বাক্য : বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়।
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত?
Correct Answer:
খ: মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
Explanation:
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত? সঠিক উত্তর মাথা খাটিয়ে কাজ করবে বাক্যে মাথা বলতে 'বুদ্ধি' কাজে লাগিয়ে কাজ করার কথা বুঝানো হয়েছে।
নিম্নরেখ কোন শব্দে করণ কারকে শূন্য বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে?
Correct Answer:
ক: ঘোড়াকে "চাবুক" মার
Explanation:
নিম্নরেখ কোন শব্দে করণ কারকে শূন্য বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর ঘোড়াকে "চাবুক" মার 'করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ - কলম) 'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়।' (উপায় - সাধনা)
'ইচ্ছা' বিশেষ্যের বিশেষণ নির্দেশ করুন।
Correct Answer:
খ: ঐচ্ছিক
Explanation:
'ইচ্ছা' বিশেষ্যের বিশেষণ নির্দেশ করুন। সঠিক উত্তর ঐচ্ছিক বিশেষ্য পদযে পদে সাধারণত কোনো ব্যক্তি, বস্তু, জাতি, সমষ্টি, বিষয়, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝানো হয় বা কোনো কিছুর নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে । যেমন - সুন্দর (বিশেষ্য) মাত্রেরই একটা আকর্ষণ শক্তি আছে। সুন্দর (বিশেষ্য) মানুষকে নিজের দিকে টানে।বিশেষ্য পদের প্রকারভেদ : বিশেষ্য পদ ছয় প্রকার | মথা - নামবাচক জাতিবাচক বন্ত্রবাচক সমষ্টিবাচক ভাববাচক গুণবাচকবিশেষণ পদযে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ, বৈশিষ্ট্য, ধর্ম ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে । যেমন - তিনটি বছর। এ যে আমাদের চেনা লোক । সন্তানের প্রতি মাতৃন্রেহ আন্তরিক।বিশেষণ পদের প্রকারভেদ : বিশেষণ পদ প্রধানত দুই প্রকার। যথা - নাম নিশেষণ ও ভাববিশেষণ ।
বাংলা মৌলিক স্বরধনির সংখ্যা--
Correct Answer:
খ: সাত
Explanation:
বাংলা মৌলিক স্বরধনির সংখ্যা-- সঠিক উত্তর সাত স্বরধ্বনি (ইংরেজি: Vowel) হচ্ছে এমন কিছু বর্ণ যারা অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। আন্তর্জাতিকভাবে এধরনের বর্ণের মৌলিক সংখ্যা ৭টি - অ, আ, ই, উ, এ, অ্যা, ও ৷ বাংলা বর্ণমালায় স্বরধ্বনির প্রচলিত সংখ্যা ১১টি ।
'তাপ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ------
Correct Answer:
ক: শৈত্য
Explanation:
'তাপ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ------ সঠিক উত্তর শৈত্য তাপ একপ্রকার শক্তি যা আমাদের শরীরে ঠান্ডা বা গরমের অনুভূতি তৈরি করে। তাপগতিবিদ্যা অনুসারে, যখন দুটি বস্তুর মধ্যে প্রথমটি থেকে দ্বিতীয়টিতে আরেকটিতে শক্তি স্থানান্তরিত হয়, তখন প্রথমটি দ্বিতীয়টি অপেক্ষা গরম হয় (অর্থাৎ, একটি অন্যটির চেয়ে বেশি তাপশক্তি অর্জন করে)। আর অন্যভাবে বলা যায়, তাপ হলো পদার্থের অণুগুলোর গতির সাথে সম্পর্কযুক্ত এমন এক প্রকার শক্তি, যা কোনো বস্তু ঠান্ডা না গরম তার অনুভূতি জন্মায়। তাপগতিবিদ্যার তিনটি সূত্র রয়েছে ।তাপ ও তাপমাত্রা একই বিষয় নয়। সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রার বস্তু থেকে নিম্ন তাপমাত্রার বস্তুতে তাপ প্রবাহিত হয়। তাপমাত্রার পার্থক্যজনিত কারণে বিভিন্ন পদ্ধতিতে, যেমন: পরিবহন, পরিচলন, বিকিরণ প্রক্রিয়ায় তাপশক্তি গমন করে। বিপরীতার্থক শব্দ/ বিপরীত শব্দএকটি শব্দের বিপরীত অর্থবাচক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ বলে । সাধারণত শব্দের শুরুতে অ, অন, অনা, অপ, অব, দূর, ন, না, নি, নির প্রভৃতি উপসর্গগুলো যুক্ত করলে শব্দের অর্থ না - বাচক বা নিষেধবোধক অর্থে রূপান্তরিত হয় । তাই শব্দের বিপরীত শব্দ তৈরিতেও এই উপসর্গগুলো ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - আগত – শব্দটির শুরুতে অন - উপসর্গটি যুক্ত হয়ে বিপরীত শব্দ হল - অনাগত । আবার যে সব শব্দের শুরুতে হ্যাঁ - বোধক উপসর্গ থাকে, তাদের শুরুর সেই উপসর্গের বদলে না - বোধক উপসর্গও ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ।যেমন - অনুরাগ - শব্দটি রাগ - শব্দমূলের পূর্বে অনু - উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, যেখানে অনু - উপসর্গটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে । এখন অনু - র পরিবর্তে বি - উপসর্গ ব্যবহার করলে, বিরাগ - শব্দে বি - উপসর্গটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, এবং শব্দটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে যায় । অর্থাৎ, ইতিবাচক অনু - উপসর্গের বদলে নেতিবাচক বি - উপসর্গের ব্যবহারে বিপরীত শব্দ গঠিত হল । তবে সাধারণত, শব্দের বিপরীত শব্দগুলো অর্থের দিক থেকে বিপরীত অর্থবোধক হয়; না - বোধক বা নেতিবাচক হয় না । তাই, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরকম কোন নিয়ম খাটে না । বরং অর্থের দিক থেকে যথাযথ বিপরীত শব্দটিই গৃহীত হয় ।যেমন - আজ – কাল, অতীত - ভবিষ্যত, অধম - উত্তম, ইত্যাদি । কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দঅ অকর্মক সকর্মক অজ্ঞ প্রাজ্ঞ অধিত্যকা উপত্যকা অক্ষম সক্ষম অতিকায় ক্ষুদ্রকায় অনন্ত সান্ত অগ্র পশ্চাৎ অতিবৃষ্টি অনাবৃষ্টি অনুকূল প্রতিকূল অগ্রজ অনুজ অতীত ভবিষ্যত অনুগ্রহ নিগ্রহ অণু বৃহৎ অদ্য কল্য অগ্রজ অনুজ অচল সচল অধঃ ঊর্ধ্ব অনুরক্ত বিরক্ত অচলায়তন সচলায়তন অধম উত্তম অনুরাগ বিরাগ অচেতন সচেতন অধমর্ণ উত্তমর্ণ অনুলোম প্রতিলোম অলীক সত্য অশন অনশন অস্তগামী উদীয়মান অল্পপ্রাণ মহাপ্রাণ অসীম সসীম অস্তি নাস্তি/নেতি অহিংস সহিংস আ আকর্ষণ বিকর্ষণ আধার আধেয় আরোহণ অবরোহণ আকুঞ্চন প্রসারণ আপদ সম্পদ আর্দ্র শুষ্ক আগত অনাগত আবশ্যক অনাবশ্যক আর্য অনার্য আগমন প্রস্থান আবশ্যিক ঐচ্ছিক আলস্য শ্রম আজ কাল আবাদি অনাবাদি আলো আঁধার আত্ম পর আবাহন বিসর্জন আশীর্বাদ অভিশাপ আত্মীয় অনাত্মীয় আবির্ভাব তিরোভাব আসক্ত নিরাসক্ত আদি অন্ত আবির্ভূত তিরোহিত আসামি ফরিয়াদী আদিম অন্তিম আবিল অনাবিল আস্তিক নাস্তিক আদ্য অন্ত্য আবৃত উন্মুক্ত আস্থা অনাস্থা ই ইচ্ছুক অনিচ্ছুক ইদানীন্তন তদানীন্তন ইহকাল পরকাল ইতর ভদ্র ইষ্ট অনিষ্ট ইহলোক পরলোক ইতিবাচক নেতিবাচক ইহলৌকিক পারলৌকিক ঈ ঈদৃশ তাদৃশ ঈষৎ অধিক উ উক্ত অনুক্ত উত্তরায়ণ দক্ষিণায়ন উন্নত অবনত উগ্র সৌম্য উত্তাপ শৈত্য উন্নতি অবনতি উচ্চ নীচ উত্তীর্ণ অনুত্তীর্ণ উন্নীত অবনমিত উজান ভাটি উত্থান পতন উন্নয়ন অবনমন উঠতি পড়তি উত্থিত পতিত উন্মুখ বিমুখ উঠন্ত পড়ন্ত উদয় অস্ত উন্মীলন নিমীলন উৎকৃষ্ট নিকৃষ্ট উদ্ধত বিনীত/ নম্র উপকর্ষ অপকর্ষ উৎকর্ষ অপকর্ষ উদ্বৃত্ত ঘাটতি উপচয় অপচয় উৎরাই চড়াই উদ্যত বিরত উপকারী অপকারী উত্তম অধম উদ্যম বিরাম উপকারিতা অপকারিতা উত্তমর্ণ অধমর্ণ উর্বর ঊষর উপচিকীর্ষা অপচিকীর্ষা উত্তর দক্ষিণ উষ্ণ শীতল ঊ ঊর্ধ্ব অধঃ ঊর্ধ্বগতি অধোগতি ঊষা সন্ধ্যা ঊর্ধ্বতন অধস্তন ঊর্ধ্বগামী অধোগামী ঊষর উর্বর ঋ ঋজু বক্র এ একান্ন পৃথগান্ন একাল সেকাল একূল ওকূল এখন তখন ঐ ঐকমত্য মতভেদ ঐশ্বর্য দারিদ্র্য ঐহিক পারত্রিক ঐক্য অনৈক্য ও ওস্তাদ সাকরেদ ঔ ঔদার্য কার্পণ্য ঔচিত্য অনৌচিত্য ঔজ্জ্বল্য ম্লানিমা ঔদ্ধত্য বিনয় ক কচি ঝুনা কুৎসিত সুন্দর কৃশাঙ্গী স্থূলাঙ্গী কদাচার সদাচার কুফল সুফল কৃষ্ণ শুভ্র/গৌর কনিষ্ঠ জ্যেষ্ঠ কুবুদ্ধি সুবুদ্ধি কৃষ্ণাঙ্গ শ্বেতাঙ্গ কপট সরল/অকপট কুমেরু সুমেরু কোমল কঠিন কপটতা সরলতা কুরুচি সুরুচি ক্রন্দন হাস্য কর্মঠ অকর্মণ্য কুলীন অন্ত্যজ ক্রোধ প্রীতি কল্পনা বাস্তব কুশাসন সুশাসন ক্ষণস্থায়ী দীর্ঘস্থায়ী কাপুরুষ বীরপুরুষ কুশিক্ষা সুশিক্ষা ক্ষীপ্র মন্থর কুঞ্চন প্রসারণ কৃতজ্ঞ অকৃতজ্ঞ/ কৃতঘ্ন ক্ষীয়মান বর্ধমান কুটিল সরল কৃপণ বদান্য কুৎসা প্রশংসা কৃশ স্থূল খ খ্যাত অখ্যাত খুচরা পাইকারি খেদ হর্ষ খ্যাতি অখ্যাতি গ গঞ্জনা প্রশংসা গূঢ় ব্যক্ত গৌণ মুখ্য গতি স্থিতি গুপ্ত প্রকাশিত গৌরব অগৌরব গদ্য পদ্য গৃহী সন্ন্যাসী গ্রামীণ নাগরিক গণ্য নগণ্য গ্রহণ বর্জন গ্রাম্য শহুরে গরল অমৃত গৃহীত বর্জিত গ্রাহ্য অগ্রাহ্য গরিমা লঘিমা গেঁয়ো শহুরে গরিষ্ঠ লঘিষ্ঠ গোপন প্রকাশ ঘ ঘাটতি বাড়তি ঘাত প্রতিঘাত ঘৃণা শ্রদ্ধা চ চক্ষুষ্মান অন্ধ চল অচল চিরায়ত সাময়িক চঞ্চল স্থির চলিত অচলিত/সাধু চ্যূত অচ্যূত চড়াই উৎরাই চিন্তনীয় অচিন্ত্য/অচিন্তনীয় চতুর নির্বোধ চুনোপুটি রুই - কাতলা ছ ছটফটে শান্ত জ জঙ্গম স্থাবর জল স্থল জোড় বিজোড় জড় চেতন জলে স্থলে জোয়ার ভাটা জটিল সরল জলচর স্থলচর জ্যোৎস্না অমাবস্যা জনাকীর্ণ জনবিরল জাতীয় বিজাতীয় জ্ঞাত অজ্ঞাত জন্ম মৃত্যু জাল আসল জ্ঞানী মূর্খ জমা খরচ জিন্দা মুর্দা জ্ঞেয় অজ্ঞেয় জরিমানা বকশিশ জীবন মরণ জ্যেষ্ঠা কনিষ্ঠা জাগ্রত ঘুমন্ত/সুপ্ত জীবিত মৃত জাগরণ ঘুম/সুপ্ত জৈব অজৈব ঠ ঠুনকো মজবুত ড ডুবন্ত ভাসন্ত ত তদীয় মদীয় তারুণ্য বার্ধক্য তীক্ষ্ণ স্থূল তন্ময় মন্ময় তিমির আলোক তীব্র মৃদু তস্কর সাধু তিরস্কার পুরস্কার তুষ্ট রুষ্ট তাপ শৈত্য তীর্যক ঋজু ত্বরিত শ্লথ দ দক্ষিণ বাম দুর্জন সুজন দৃঢ় শিথিল দণ্ড পুরস্কার দুর্দিন সুদিন দৃশ্য অদৃশ্য দাতা গ্রহীতা দুর্নাম সুনাম দেনা পাওনা দিবস রজনী দুর্বুদ্ধি সুবুদ্ধি দেশী বিদেশী দিবা নিশি/রাত্রি দুর্ভাগ্য সৌভাগ্য দোষ গুণ দিবাকর নিশাকর দুর্মতি সুমতি দোষী নির্দোষ দীর্ঘ হ্রস্ব দুর্লভ সুলভ দোস্ত দুশমন দীর্ঘায়ু স্বল্পায়ু দুষ্কৃতি সুকৃতি দ্বিধা নির্দ্বিধা/ দ্বিধাহীন দুঃশীল সুশীল দুষ্ট শিষ্ট দ্বৈত অদ্বৈত দুরন্ত শান্ত দূর নিকট দ্যুলোক ভূলোক দুর্গম সুগম দ্রুত মন্থর ধ ধনাত্মক ঋণাত্মক ধারালো ভোঁতা ধূর্ত বোকা ধনী নির্ধন/দরিদ্র ধামির্ক অধার্মিক ধৃত মুক্ত ধবল শ্যামল ন নতুন পুরাতন নিন্দা জাগরণ নির্মল মলিন নবীন নিন্দিত নিয়োগ বরখাস্ত নির্লজ্জ সলজ্জ নবীন প্রবীণ নিরক্ষর সাক্ষর নিশ্চয়তা অনিশ্চয়তা নর নারী নিরবলম্ব স্বাবলম্ব নীরস সরস নশ্বর অবিনশ্বর নিরস্ত্র সশস্ত্র নিশ্চেষ্ট সচেষ্ট নাবালক সাবালক নিরাকার সাকার নৈঃশব্দ্য সশব্দ নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নির্দয় সদয় নৈতিকতা অনৈতিকতা নিকৃষ্ট উৎকৃষ্ট নির্দিষ্ট অনির্দিষ্ট নৈসর্গিক কৃত্তিম নিত্য অনিত্য নির্দেশক অনির্দেশক ন্যায় অন্যায় ন্যূন অধিক প পক্ষ বিপক্ষ পূণ্যবান পূণ্যহীন প্রফুল্ল ম্লান পটু অপটু পুরস্কার তিরস্কার প্রবীণ নবীন পণ্ডিত মূর্খ পুষ্ট ক্ষীণ প্রবেশ প্রস্থান পতন উত্থান পূর্ণিমা অমাবস্যা প্রভু ভৃত্য পথ বিপথ পূর্ব পশ্চিম প্রশ্বাস নিঃশ্বাস পবিত্র অপবিত্র পূর্ববর্তী পরবর্তী প্রসন্ন বিষণ্ণ পরকীয় স্বকীয় পূর্বসূরী উত্তরসূরী প্রসারণ সংকোচন/আকুঞ্চন পরার্থ স্বার্থ পূর্বাহ্ণ অপরাহ্ণ প্রাচ্য প্রতীচ্য পরিকল্পিত অপরিকল্পিত প্রকাশিত অপ্রকাশিত প্রাচীন অর্বাচীন পরিশোধিত অপরিশোধিত প্রকাশ গোপন প্রতিকূল অনুকূল পরিশ্রমী অলস প্রকাশ্যে নেপথ্যে প্রায়শ কদাচিৎ পাপ পূণ্য প্রজ্জ্বলন নির্বাপণ প্রারম্ভ শেষ পাপী নিষ্পাপ প্রত্যক্ষ পরোক্ষ প্রীতিকর অপ্রীতিকর পার্থিব অপার্থিব প্রধান অপ্রধান ফ ফলন্ত/ফলনশীল নিস্ফলা ফলবান নিস্ফল ফাঁপা নিরেট ব বক্তা শ্রোতা বাধ্য অবাধ্য বিফল সফল বন্দনা গঞ্জনা বামপন্থী ডানপন্থী বিফলতা সফলতা বন্দী মুক্ত বাস্তব কল্পনা বিবাদ সুবাদ বদ্ধ মুক্ত বাল্য বার্ধক্য বিয়োগান্ত মিলনান্ত বন্ধন মুক্তি বাহুল্য স্বল্পতা বিয়োগান্তক মিলনান্তক বন্ধুর মসৃণ বাহ্য আভ্যন্তর বিরহ মিলন বন্য পোষা বিজেতা বিজিত বিলম্বিত দ্রুত বয়োজ্যেষ্ঠ বয়োকনিষ্ঠ বিদ্বান মূর্খ বিষাদ আনন্দ/ হর্ষ বরখাস্ত বহাল বিধর্মী স্বধর্মী বিস্তৃত সংক্ষিপ্ত বর্ধমান ক্ষীয়মান বিনয় ঔদ্ধত্য ব্যক্ত গুপ্ত বর্ধিষ্ণু ক্ষয়িষ্ণু বিনীত উদ্ধত ব্যর্থ সার্থক বহির্ভূত অন্তর্ভূক্ত বিপন্ন নিরাপদ ব্যর্থতা সার্থকতা বাদি বিবাদি বিপন্নতা নিরাপত্তা ব্যষ্টি সমষ্টি ভ ভক্তি অভক্তি ভাটা জোয়ার ভূত ভবিষ্যত ভদ্র ইতর ভাসা ডোবা ভূমিকা উপসংহার ভীরু নির্ভীক ভোগ ত্যাগ ভেদ অভেদ ম মঙ্গল অমঙ্গল মহাত্মা দুরাত্মা মুক্ত বন্দী মঞ্জুর নামঞ্জুর মানানসই বেমানান মুখ্য গৌণ মতৈক্য মতানৈক্য মান্য অমান্য মূর্খ জ্ঞানী মসৃণ খসখসে মিতব্যয়ী অমিতব্যয়ী মূর্ত বিমূর্ত মহৎ নীচ মিথ্যা সত্য মৌখিক লিখিত মহাজন খাতক মিলন বিরহ মৌলিক যৌগিক য যত্ন অযত্ন যুদ্ধ শান্তি যৌথ একক যশ অপযশ যোগ বিয়োগ যৌবন বার্ধক্য যুক্ত বিযুক্ত যোগ্য অযোগ্য যুগল একক যোজন বিয়োজন র রক্ষক ভক্ষক রাজি নারাজ রোদ বৃষ্টি রমণীয় কুৎসিত রুগ্ন সুস্থ রোগী নিরোগ রসিক বেরসিক রুদ্ধ মুক্ত রাজা প্রজা রুষ্ট তুষ্ট ল লঘিষ্ঠ গরিষ্ঠ লাজুক নির্লজ্জ লেন দেন লঘু গুরু লেজ মাথা লেনা দেনা লব হর লৌকিক অলৌকিক শ শঠ সাধু শিষ্ট অশিষ্ট শুষ্ক সিক্ত শঠতা সাধুতা শিষ্য গুরু শূণ্য পূর্ণ শায়িত উত্থিত শীত গ্রীষ্ম শোভন অশোভন শয়ন উত্থান শীতল উষ্ণ শ্বাস প্রশ্বাস শারীরিক মানসিক শুক্লপক্ষ কৃষ্ণপক্ষ শ্রী বিশ্রী শালীন অশালীন শুচি অশুচি শ্লীল অশ্লীল শাসক শাসিত শুদ্ধ অশুদ্ধ শিক্ষক ছাত্র শুভ্র কৃষ্ণ স সংকীর্ণ প্রশস্ত সদৃশ বিসদৃশ সাহসিকতা ভীরুতা সংকোচন প্রসারণ সধবা বিধবা সিক্ত শুষ্ক সংকুচিত প্রসারিত সন্ধি বিগ্রহ সুকৃতি দুষ্কৃতি সংক্ষিপ্ত বিস্তৃত সন্নিধান ব্যবধান সুগম দুর্গম সংক্ষেপ বিস্তার সফল বিফল সুন্দর কুৎসিত সংক্ষেপিত বিস্তারিত সবল দুর্বল সুদর্শন কুদর্শন সংগত অসংগত সবাক নির্বাক সুধা জাগ্রত সংযত অসংযত সমতল অসমতল সুপ্ত জাগ্রত সংযুক্ত বিযুক্ত সমষ্টি ব্যষ্টি সুয়ো দুয়ো সংযোগ বিয়োগ সমাপিকা অসমাপিকা সুশীল দুঃশীল সংযোজন বিয়োজন সমাপ্ত আরম্ভ সুশ্রী কুশ্রী সংশ্লিষ্ট বিশ্লিষ্ট সম্পদ বিপদ সুষম অসম সংশ্লেষণ বিশ্লেষণ সম্প্রসারণ সংকোচন সুসহ দুঃসহ সংহত বিভক্ত সম্মুখ পশ্চাত সুস্থ দুস্থ সংহতি বিভক্তি সরব নিরব সূক্ষ্ম স্থূল সকর্মক অকর্মক সরল কুটিল/জটিল সৃষ্টি ধ্বংস সকাল বিকাল সশস্ত্র নিরস্ত্র সৌখিন পেশাদার সক্রিয় নিষ্ক্রিয় সস্তা আক্রা সৌভাগ্যবান দুর্ভাগ্যবান/ভাগ্যহত সক্ষম অক্ষম সসীম অসীম স্তুতি নিন্দা সচল নিশ্চল সহযোগ অসহযোগ স্তাবক নিন্দুক সচেতন অচেতন সহিষ্ণু অসহিষ্ণু স্থাবর জঙ্গম সচেষ্ট নিশ্চেষ্ট সাঁঝ সকাল স্থলভাগ জলভাগ সচ্চরিত্র দুশ্চরিত্র সাকার নিরাকার স্নিগ্ধ রুক্ষ সজাগ নিদ্রিত সাক্ষর নিরক্ষর স্বনামী বেনামী সজ্জন দুর্জন সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য স্বর্গ নরক সজ্ঞান অজ্ঞান সাফল্য ব্যর্থতা স্বাতন্ত্র্য সাধারণত্ব সঞ্চয় অপচয় সাবালক নাবালক স্বাধীন পরাধীন সতী অসতী সাবালিকা নাবালিকা স্বার্থপর পরার্থপর সত্বর ধীর সাম্য বৈষম্য স্মৃতি বিস্মৃতি সদয় নির্দয় সার অসার স্থির অস্থির সদর অন্দর সার্থক নিরর্থক সদাচার কদাচার সাহসী ভীরু হ হরণ পূরণ হাল সাবেক হৃদ্যতা শত্রুতা হর্ষ বিষাদ হালকা ভারি হ্রস্ব দীর্ঘ হাজির গরহাজির হিত অহিত হ্রাস বৃদ্ধি হার জিত হিসেবি বেহিসেবি
এক কথায় প্রকাশ করুন ----'যা বলা হয়নি'
Correct Answer:
গ: অনুক্ত
Explanation:
এক কথায় প্রকাশ করুন ----'যা বলা হয়নি' সঠিক উত্তর অনুক্ত অনুক্ত. অনুক্ত বিণ. বলা হয়নি এমন, অকথিত; ঊহ্য। [সং. ন (অন্) + উক্ত]। অনুক্ত a unspoken, untold, unuttered, unpronounced; not mentioned; not ex pressed, understood.
বাগধারা যুগলদের মধ্যে কোন জোড়া সর্বাধিক সমার্থবাচক?
Correct Answer:
খ: বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী
Explanation:
বাগধারা যুগলদের মধ্যে কোন জোড়া সর্বাধিক সমার্থবাচক? সঠিক উত্তর বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী বকধার্মিক এবং বিড়াল তপস্বী অর্থ ভন্ড
কোন শব্দে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
Correct Answer:
গ: পাঠক
Explanation:
কোন শব্দে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে? সঠিক উত্তর পাঠক প্রত্যয়: শব্দ গঠনের উদ্দেশ্যে শব্দ বা নাম প্রকৃতির এবং ক্রিয়া প্রকৃতির পরে যে শব্দাংশ যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে। কয়েকটি শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করে দেখানো হলো : নাম প্রকৃতি প্রত্যয় প্রত্যয়ান্ত শব্দ হাত + ল = হাতল ফুল + এল = ফুলেল মুখ + র = মুখর ক্রিয়া প্রকৃতি প্রত্যয় প্রত্যয়ান্ত শব্দ চল্ + অন্ত = চলন্ত জম্ + আ = জমা বাংলা শব্দ গঠনে দুই প্রকার প্রত্যয় পাওয়া যায়। যেমন : তদ্ধিত প্রত্যয় ও কৃৎপ্রত্যয়। তদ্ধিত প্রত্যয়: শব্দমূল বা নাম শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয়। যেমন : হাতল, ফুলেল ও মুখর শব্দের যথাক্রমে ল, এল ও র তদ্ধিত প্রত্যয়। কৃৎপ্রত্যয়: ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে কৃৎপ্রত্যয়। যেমন : চলন্ত, জমা ও লিখিত শব্দের যথাক্রমে অন্ত, আ ও ইত কৃৎপ্রত্যয়। তদ্ধিতান্ত শব্দ: তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলা হয় তদ্ধিতান্ত শব্দ। যেমন : হাতল, ফুলেল ও মুখর। কৃদন্ত শব্দ: কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলা হয় কৃদন্ত শব্দ। যেমন : চলন্ত, জমা ও লিখিত।
'বর্ণচোরা' বাগধারাটির অর্থ হলোঃ
Correct Answer:
খ: কপটচারী
Explanation:
'বর্ণচোরা' বাগধারাটির অর্থ হলোঃ সঠিক উত্তর কপটচারী বাগধারা শব্দের আভিধানিক অর্থ কথার বচন ভঙ্গি বা ভাব বা কথার ঢং। বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় বাগধারা। বিশেষ প্রসঙ্গে শব্দের বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে বাংলায় বহু বাগধারা তৈরী হয়েছে। এ ধরনের প্রয়োগের পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ আভিধানিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ অর্থের দ্যোতক হয়ে ওঠে। যে পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশ বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে আভিধানিক অর্থের বাইরে আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বলা হয় বাগধারা। বাগধারা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করে, ভাবের ইঙ্গিতময় প্রকাশ ঘটিয়ে বক্তব্যকে রসমধুর করে উপস্থাপন করে। এদিক থেকে বাগধারা বাংলা সাহিত্যের বিশেষ সম্পদ। বাগধারা গঠনে বিভিন্ন শব্দের ব্যবহারকে শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগও বলা হয়। একে বাগবিধিও বলা হয়ে থাকে। বর্ণচোরা = কপটচারী বর্ণচোরা আম = কপট ব্যক্তি
'কোথায় থাকা হয়' এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
Correct Answer:
গ: ভাব ভাচ্য
Explanation:
'কোথায় থাকা হয়' এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ? সঠিক উত্তর ভাব ভাচ্য ভাববাচ্য : বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে প্রকাশিত হলে তাকে ভাববাচ্য বলে। এ ধরনের বাক্যে কর্ম থাকে না এবং কর্তাও প্রধান হয় না। কাউকে কোন কিছু সরাসরি না বলে ঘুরিয়ে বলতে গেলে ভাববাচ্যে বলা যায়। এ ধরনের বাক্যে কর্তায় - ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া বা তৃতীয়া বিভক্তি হয়। নামপুরুষের ক্রিয়াপদ [ক্রিয়াপদ] হয়। মাঝে মাঝে মূল ক্রিয়াপদের সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়াপদও যুক্ত হয়। কখনো কখনো কর্তা উহ্য থাকে, অর্থাৎ কর্তা অনুল্লেখিত থাকে। যেমন - আমার খাওয়া হল না। (নামপুরুষের ক্রিয়াপদ) তোমার যাওয়া হবে না। (নামপুরুষের ক্রিয়াপদ) এ পথে চলা যায় না। (সহযোগী ক্রিয়াপদ যুক্ত) কোথা থেকে আসা হচ্ছে। (সহযোগী ক্রিয়াপদ যুক্ত) এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না। (কর্তা ‘তুমি’ উহ্য) এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
'নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশি' এখানে নিশীথ কোন পদ?
Correct Answer:
গ: বিশেষ্যর বিশেষণ
Explanation:
'নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশি' এখানে নিশীথ কোন পদ? সঠিক উত্তর বিশেষ্যর বিশেষণ নাম বিশেষণ : যে বিশেষণ পদ কোন বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে বিশেষায়িত করে, অর্থাৎ অন্য কোন পদ সম্পর্কে কিছু বলে, তাকে নাম বিশেষণ বলে। যেমন - বিশেষ্যের বিশেষণ : নীল আকাশ আর সবুজ মাঠের মাঝ দিয়ে একটি ছোট্ট পাখি উড়ে যাচ্ছে। সর্বনামের বিশেষণ : সে রূপবান ও গুণবান।
'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ কি?
Correct Answer:
খ: উদধি
Explanation:
'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ কি? সঠিক উত্তর উদধি নীরদ অর্থ মেঘ, মার্তন্ড অর্থ সূর্য, অবনী অর্থ পৃথিবী। সমুদ্র অর্থ সাগর,রত্নাকর,জলধি,সিন্ধু, বারিধি, বারীশ,উদধি,অর্ণব, অম্বুধি, পয়োধি, পারাবার,জলনিধি, নীলাম্বু, পাথার,পয়োনিধি, জলধর,অম্বুনিধি, তোয়নিধি, বারীশ,বারীন্দ্র।।।।
'কুজ্ঝটিকা' শব্দের অর্থ হলোঃ
Correct Answer:
ক: কুয়াশা
Explanation:
'কুজ্ঝটিকা' শব্দের অর্থ হলোঃ সঠিক উত্তর কুয়াশা কুজ্ঝটিকা, কুজ্ঝটি, কুজ্ঝটী - [বিশেষ্য পদ] কুয়াশা, কুহেলিকা।এবং কুজ্ঝটিকা - শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ কুৎ + ঝটিকা।
'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' বাগধারাটির অর্থঃ
Correct Answer:
খ: সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
Explanation:
'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' বাগধারাটির অর্থঃ সঠিক উত্তর সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি টাকা জমানোর লোভ।
'সিংহাসন' শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
Explanation:
'সিংহাসন' শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর মধ্যপদলোপী কর্মধারয় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা, স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ, ব্রাহ্মণ ধর্মীয় প্রধান পুরোহিত = ব্রাহ্মণ পুরোহিত, জগতের রক্ষাকারী ঈশ্বর = জগদীশ্বর ।
'পার হইয়া' এই ক্রিয়া পদের সাধু রূপটি চলিত রূপে রূপান্তর করলে হবে?
Correct Answer:
গ: পেরিয়ে
Explanation:
'পার হইয়া' এই ক্রিয়া পদের সাধু রূপটি চলিত রূপে রূপান্তর করলে হবে? সঠিক উত্তর পেরিয়ে সাধুরীতি থেকে চলিতরীতিতে পরিবর্তনের নিয়ম: নিচে উল্লিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে সাধু ভাষাকে চলিত ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়: ১। ই - স্বরধ্বনির লোপ: ক্রিয়াপদের মধ্যে ই - স্বরধ্বনি থাকলে চলিত রীতিতে ই - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—খাইব>খাব, আসিবে>আসবে। ২। উ - স্বরধ্বনির লোপ: চলিত রীতিতে উ - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন— হউক>হোক, থাউক>থাক। ৩। হ - কারের লোপ: চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় পদের মধ্যে হ - কারের লোপ হয়। যেমন— তাহা>তা, যাহা>যা। ৪। উ - ধ্বনির পরিবর্তন: পদের শেষে অ - আ স্বরধ্বনি থাকলে চলিতরীতিতে পূর্ববর্তী উ - স্বরধ্বনি ও - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন— শুন>শোন উঠে>ওঠে। ৫। আ - ধ্বনির পরিবর্তন: পূর্ববর্তী ই - ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অক্ষরের আ - ধ্বনি এ - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন— গিয়া>গিয়ে মিঠা>মিঠে। ৬। অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে পরিবর্তন: অপিনিহিত, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে সাধুরীতির পরিবর্তন ঘটে। যেমন— করিয়া>করে, ছুটিয়া>ছুটে।
'শকুনি মামা' এর অর্থ কি?
Correct Answer:
গ: কুচক্রী লোক
Explanation:
'শকুনি মামা' এর অর্থ কি? সঠিক উত্তর কুচক্রী লোক বাগধারা : কোন শব্দ বা শব্দ - সমষ্টি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অর্থের দিক দিয়ে যখন বৈশিষ্ট্যময় হয়ে ওঠে, তখন সে সকল শব্দ বা শব্দ - সমষ্টিকে বাগধারা বা বাক্যরীতি বলা হয় । [বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম - দশম শ্রেণী] আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে যখন কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে বাগধারা বা বিশিষ্টার্থক শব্দ বলে । বাগধারা মূলত কথ্য ভাষার সম্পদ হলেও তা এখন আর কেবল কথ্য ভাষায় সীমাবদ্ধ নেই । সাহিত্যে তার বিচরণ এখন যত্রতত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। যেমন - জান খারাপ, হাঁক দেওয়া, পকেট শুকিয়ে যাওয়া, বাজি মেরে দেওয়া [সৌদামিনী মালো; উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সংকলন] অর্থাৎ, একটি বা কয়েকটি শব্দ বাক্যে একত্রে ব্যবহৃত হয়ে যখন ঐ শব্দ বা শব্দগুচ্ছের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের বলা হয় বাগধারা বা বাক্যরীতি ।
"কি করিতে হইবে বুঝিতে না পারা" এক কথায় হবে-
Correct Answer:
ঘ: কিংকর্তব্যবিমুঢ়
Explanation:
"কি করিতে হইবে বুঝিতে না পারা" এক কথায় হবে- সঠিক উত্তর কিংকর্তব্যবিমুঢ় এক কথায় প্রকাশ৯ম - ১০ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও সৌমিত্র শেখর এর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা থেকে প্রাপ্ত কমন এক কথায় প্রকাশ: বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অকালে পক্ক হয়েছে যা অকালপক্ব। অনুতে (পশ্চাতে) জন্মেছে যে অনুজ অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার অনভিজ্ঞ। অহংকার নেই যার নিরহংকার। আচারে নিষ্ঠা আছে যার আচারনিষ্ঠ। আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত আদ্যন্ত, আদ্যোপান্ত । আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা আত্মকেন্দ্রিক ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি ইতিহাসবেত্তা। ইতিহাস রচনা করেন যিনি ঐতিহাসিক। ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি জিতেন্দ্রিয়। ঈষৎ আমিষ (আঁষ) গন্ধ যার আঁষটে। উপকারীর অপকার করে যে কৃতঘ্ন। উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে অকৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে কৃতজ্ঞ। এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত একাদিক্রমে। কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী কর্মঠ। কোনাে ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না অনিবার্য। চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত চাক্ষুষ জীবিত থেকেও যে মৃত জীবন্মৃত তল স্পর্শ করা যায় না যার অতলস্পর্শী। পা থেকে মাথা পর্যন্ত আপাদমস্তক। ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় ওষধি। যা অতি দীর্ঘ নয় নাতিদীর্ঘ। যা কষ্টে জয় করা যায় দুর্জয়। যা কষ্টে লাভ করা যায় দুর্লভ। যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু বন্ধুর। যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে বর্ধিষ্ণু। যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় নাতিশীতােষ্ণ। যা দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান। যা পূর্বে ছিল এখন নেই ভূতপূর্ব। যা পূর্বে দেখা যায় নি অদৃষ্টপূর্ব যা পূর্বে শােনা যায় নি অশ্রুতপূর্ব যা বলা হয় নি অনুক্ত যা বলার যােগ্য নয় অকথ্য যার অন্য উপায় নেই অনন্যোপায়। যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে প্রত্যুৎপন্নমতি যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না অজ্ঞাতকুলশীল যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব। যিনি বক্তৃতা দানে পটু বাগ্মী।। যে ক্রমাগত রােদন করছে রােরুদ্যমান। যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে বীরপ্রসূ যে নারীর সন্তান বাঁচে না মৃতবৎসা। যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ শ্বাপদসংকুল যে বিষয়ে কোনাে বিতর্ক (বা বিসংবাদ) নেই অবিসংবাদিত। যে রব শুনে এসেছে রবাহুত যে রােগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত হাতুড়ে লাভ করার ইচ্ছা লিপ্সা। সকলের জন্য প্রযােজ্য সর্বজনীন। হনন করার ইচ্ছা জিঘাংসা বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অক্ষির সমক্ষে বর্তমান প্রত্যক্ষ। অনেকের মধ্যে একজন অন্যতম। আকাশে বেড়ায় যে আকাশচারী, খেচর। আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার আস্তিক। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার নাস্তিক। একই মাতার উদরে জাত যে সহােদর। দিনে যে একবার আহার করে একাহারী। নদী মেখলা যে দেশের নদীমেখলা। নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার নশ্বর। নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে নাবিক। বিদেশে থাকে যে প্রবাসী।। বিশ্বজনের হিতকর বিশ্বজনীন। মৃতের মতাে অবস্থা যার মুমূর্ষ। যা অধ্যয়ন করা হয়েছে অধীত। যা আঘাত পায়নি অনাহত। যা উদিত হচ্ছে উদীয়মান। যা কখনাে নষ্ট হয় না অবিনশ্বর। যা চিন্তা করা যায় না অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য। যা জলে ও স্থলে চরে উভচর। যা জলে চরে জলচর। যা থলে চরে থলচর। যা দমন করা কষ্টকর দুর্দমনীয়। যা দমন করা যায় না অদম্য। যা নিবারণ করা কষ্টকর দুর্নিবার। যা বার বার দুলছে দোদুল্যমান। যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে অযত্বলন্ধ। যা মর্ম স্পর্শ করে মর্মস্পর্শী। যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় ব্যয়বহুল। যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন অনন্যসাধারণ। যার আকার কুৎসিত কদাকার। যার কোনাে উপায় নেই নিরুপায়। যার কোনাে কিছু থেকেই ভয় নেই অকুতােভয়। যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না বর্ণচোরা। যার বিশেষ খ্যাতি আছে বিখ্যাত। যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে পরগাছা। যে গাছ কোনাে কাজে লাগে না আগাছা। যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না বনস্পতি। যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে কাককন্ধ্যা। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় স্বয়ংবরা। যে নারীর কোনাে সন্তান হয় না বন্ধ্যা। যে পুরুষ বিয়ে করেছে কৃতদার। যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর সুদর্শন। যে বাতু থেকে উৎখাত হয়েছে উদ্বাস্তু। যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে অবিমৃষ্যকারী। যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না অপরিণামদর্শী। যে মেয়ের বিয়ে হয়নি অনুঢ়া। যে শুনেই মনে রাখতে পারে শ্রুতিধর। যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় সর্বংসহা। শুভ ক্ষণে জন্ম যার ক্ষণজন্মা। সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা প্রত্যুদৃগমন। (যে পুরুষ) পত্নী সহ বর্তমান সপত্নীক (যে পুরুষ) স্ত্রীর বশীভূত স্ত্রৈণ অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান পিজরাপোল অকালে উৎপন্ন কুমড়া অকালকুষ্মাণ্ড অক্ষি পত্রের (চোখের পাতা) লােম অক্ষিপক্ষ্ম অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর) কামাক্ষী অক্ষির অগােচরে পরোক্ষ অক্ষির অভিমুখে প্রত্যক্ষ অক্ষির সমীপে সমক্ষ অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের) সেঁজুতি অজ (ছাগল)কে গ্রাস করে যা অজগর অতিশয় ঘটা বা জাকজমক বড়ম্বর অধর - প্রান্তের হাসি বক্রোষ্ঠিকামর অনশনে মৃত্যু প্রায় অনুকরণ করার ইচ্ছা অনুচিকীর্ষা অনুসন্ধান করার ইচ্ছা অনুসন্ধিৎসা অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী) অন্তঃসলিলা অন্তরে যা ঈক্ষণ (দেখার) যােগ্য অন্তরিক্ষ অন্ন - ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য জলপান অন্য গতি নাই যার অগত্যা অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে অনপেক্ষ অন্যের মনােরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ উপচার অপকার করার ইচ্ছা অপচিকীর্ষা অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি উন্নাসিক। অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা অভ্রংলিহ অরিকে দমন করে যে অরিন্দম। অলঙ্কারের ধ্বনি শিঞ্জন। অশ্বের ডাক হ্রেষা। আকাশ ও পৃথিবী বা স্বর্গ ও মর্ত্য ক্রন্দসী আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল রোদসী আকাশে (খ - তে) ওড়ে যে বাজি খ - ধূপ আকাশে (খ - তে) চরে যে খেচর / খচর আনন্দজনক ধ্বনি নন্দিঘোষ আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর হিংটিংছট আয়ুর পক্ষে হিতকর আয়ুষ্য আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা বরাভয়। আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি কোজাগর ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল বিসর্পী। ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজাল (জাদু) বিদ্যায় পারদর্শী ঐন্দ্রজালিক ইন্দ্রের অশ্ব উচ্চৈঃশ্রবা। ঈষৎ উষ্ণ কবোষ্ণ উচচানে অবস্থিত ক্ষদ্র কটির টঙ্গি উদক (জল) পানের ইচ্ছা উদন্যা উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান উপজ্ঞা উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে যে উরগ (সর্প) ঋণ শােধের জন্য যে ঋণ করা হয় ঋণার্ণ ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি ঋত্বিক এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা অধ্যাস। একশত পঞ্চাশ বছর সার্ধশতবর্ষ ঐতিহাসিককালেরও আগের প্রাগৈতিহাসিক কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়ােগ বুনি করার ইচ্ছা চিকীর্ষা। কাচের তৈরি বাড়ি শিশমহল। কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে করিতকর্মা কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় কুকুরের ডাক বুক্কন কুমারীর পুত্র কানীনময় কোকিলের ডাক কুহু কোনাে কিছু থেকেই যার ভয় নেই অকুতোভয় ক্ষমা করার ইচ্ছা চিক্ষমিষা ক্ষমার যােগ্য ক্ষমার্হ। ক্ষুদ্র অঙ্গ উপাঙ্গ ক্ষুদ্র কূপ পাতকুয়া। ক্ষুদ্র গাছ গাছড়া। ক্ষুদ্র গ্রাম পল্লিগ্রাম ক্ষুদ্র চিহ্ন বিন্দু। ক্ষুদ্র জাতীয় বক বলাক। ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র নাকাড়া ক্ষুদ্র তিীয় বকের শ্রেণি বলাকা ক্ষুদ্র নদী সারণি ক্ষুদ্র নাটক নাটিকা। ক্ষুদ্র নালা নালি। ক্ষুদ্র প্রলয় খণ্ডপ্রলয় ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড নুড়ি ক্ষুদ্র ফেঁড়া ফুসকুড়ি ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন পিড়ি ক্ষুদ্র বাগান বাগিচা ক্ষুদ্র বিন্দু ফুটকি ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র ভঁড় ক্ষুদ্র রথ রথার্ভক ক্ষুদ্র রাজা রাজড়া ক্ষুদ্র লতা লতিকারুকার ক্ষুদ্র লেবু পাতিলেবু ক্ষুদ্র শিয়াল খেকশিয়াল ক্ষুদ্র হাঁস পাতিহাঁস ক্ষুদ্রকায় ঘােড়া টাটু গদ্যপদ্যময় কাব্য চম্পু গমন করার ইচ্ছা জিগমিষা গম্ভীর ধ্বনি মন্দ্র। গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান গোষ্পদ গুরু বাসগৃহ গুরুকুল। ঘরের অভাব হা - ঘর চতুরঙ্গ অষ্টপ্রহর (সারা দিন) ব্যবহার্য যা আটপৌরে চার অভ্রান্ত জ্ঞান প্রমা। চৈত্র মাসে উৎপন্ন ফসল চৈতালি চোখের কোণ অপাঙ্গ জয় করার ইচ্ছা জিগীষা জয়ের জন্য যে উৎসব জয়ন্তী জলপানের জন্য দেয় অর্থ জলপানি (বৃত্তি) জলে ও স্থলে চরে যে উভচর। জানবার ইচ্ছা জিজ্ঞাসা জ্বল জ্বল করছে যা জাজ্বল্যমান। জ্বলছে যে অর্চি (শিখা) জ্বলদর্চি ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা ঠ্যাঙারে। তুরিত গমন করতে পারে যে তুরগ (ঘোড়া) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি শাল। ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা তিতীর্ষা দমন করা কষ্টকর যাকে দুর্দমনীয় দমন করা যায় না যাকে অদম্য দান করার ইচ্ছা দিৎসা দিনের অপর ভাগ অপরাহু দিনের পূর্ব ভাগ পূর্বাহ দিনের মধ্য ভাগ মধ্যাহ্ন দিনের সায় (অবসান) ভাগ সায়াহ্ন দুয়ের মধ্যে একটি অন্যতর দেখবার ইচ্ছা দিদৃক্ষা দেখে চোখের আশা মেটে না যাকে অতৃপ্তদৃশ্য দ্বারে থাকে যে দৌবারিক। ধনুকের ধ্বনি টঙ্কার ধন্যবাদের যােগ্য ধন্যবাদাহ ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন পরিব্রাজন ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ প্রব্রজ্যা ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে ধুরন্ধর নষ্ট হওয়া স্বভাব যার নশ্বর। নারীর কটিভূষণ রশনা। নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ মেখলা নারীর লীলাময়ী নৃত্য লাস্য নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল) নিদাঘ নিন্দা করার ইচ্ছা জুগুপ্সা নির্মাণ করার ইচ্ছা নির্মিসা নীল বর্ণ পদ্ম ইন্দির। নূপুরের ধ্বনি নিকৃণ ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি নৈয়ায়িক পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব রজত জয়ন্তী পঙক্তিতে বসার অনুপযুক্ত অপাঙতেয় পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব সুবর্ণ জয়ন্তী পত্নী বর্তমান থাকা সত্ত্বেও পুনর্বিবাহ অধিবেদন পত্নীর সাথে বর্তমান সপত্নীক পদ্মের উঁটা বা নাল মৃণাল। পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ মৃণালিনী পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ পুণ্ডরীকাক্ষ পরকে (কোকিল শাবক) পালন করে যে পরভৃৎ (কাক) পরের (কাকের) দ্বারা প্রতিপালিত যে পরভৃত (কোকিল) পা দিয়ে যে চলে না পন্নগ (সর্প)। পা ধােয়ার জল পাদ্য পান করার ইচ্ছা পিপাসা পিতৃগৃহবাসিনী চিরন্টী পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন পুণ্যাহ। পুরুষের উদ্দাম নৃত্য তাণ্ডব পুরুষের কটিবন্ধ সরাসন পুরুষের কর্ণভূষণ বীরবৌলি পূর্ব ও পরের অবস্থা পৌর্বাপর্যয় পেঁচা বা উলুকের ডাক হ্যাকার পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল পৌষালি প্রতিকার করার ইচ্ছা প্রতিচিকীর্ষা প্রতিবিধান করার ইচ্ছা প্রতিবিধিৎসা প্রবেশ করার ইচ্ছা বিবক্ষা প্রশংসার যােগ্য প্রশংসাৰ্য প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতাে অবস্থা লবেজান প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন প্রভাতকল্পা প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা প্রিয়চিকীর্ষা। ফুল হতে জাত ফুলেল ফেলে দেবার যােগ্য ফেনায়ক বড় ভাই থাকতে ছােট ভাইয়ের বিয়ে পরিবেদন। বন্দুক বা তির ছোড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত এ লক্ষ্য চাঁদমারি বহু গৃহ থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা মাধুকরী/মধুকরী বাঘের চর্ম কৃত্তি বাতাসে (ক - তে) চরে যে কপােত বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি ঝংকার বাস করার ইচ্ছা বিবৎসা বিজয় লাভের ইচ্ছা বিজিগীষা বিশেষ খ্যাতি আছে যার বিখ্যাত বিহায়সে (আকাশ) বিচরণ করে যে বিহগ/বিহঙ্গ বীরের গর্জন হুঙ্কার বেঁচে থাকার ইচ্ছা জিজীবিষা। ভােজন করার ইচ্ছা বুভুক্ষা ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে যে ভুজগ/ভুজঙ্গ(স) ভুলহীন ঋষি বাক্য আপ্তবাক্য ভ্রমরের শব্দ গুঞ্জন। ময়ূরের ডাক কেকা মশত বর্ণ পদ পৰীক মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে নির্মক্ষিক মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন উপবৃত্ত মাণের যােগ্য ঘেয়। মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া অনুব্রজন মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া প্রত্যুৎগমন মায়া (ছল) জানে না যে অমায়িক মাসের শেষ দিন সংক্রান্তি। মােরগের ডাক শকুনিবাদ মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন অভিসার মুক্তি পেতে ইচ্ছা মুমুক্ষা মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত মৃন্ময় যা অতিক্রম করা যায় না অনতিক্রম্য যা অনুভব করা হচ্ছে অনুভূয়মান যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর দূরপনেয় যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না অনপনেয় যা অস্ত যাচ্ছে অস্তায়মান যা আগুনে পােড়ে না অগ্নিসহ। যা আঘাত পায় নি অনাহত যা আহুত (ডাকা) হয় নি অনাহুত যা উচ্চারণ করা কঠিন দুরুচ্চার্য। যা উচ্চারণ করা যায় না অনুচ্চার্য। যা উপলব্ধি করা যাচ্ছে উপলভ্যমান যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে ক্ষীয়মাণ। যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে অপসৃয়মাণ যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে ক্রমবিস্তাৰ্যমান যা ক্রয় করার যােগ্য ক্রেয় যা চিবিয়ে খাবার যােগ্য চর্ব যা চুষে খাবার যােগ্য চোষ্য। যা চেটে খাবার যােগ্য লেহ্য। যা জল দেয় জলদ (মেঘ) যা ধারণ বা পােষণ করে ধর্ম। যা নিজের দ্বারা অর্জিত স্বােপার্জিত যা পান করার যােগ্য পেয়। যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান যা পুনঃ পুনঃ দুলছে দোদুল্যমান যা পূর্বে কখনাে হয় নি অভূতপূর্ব যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি অচিন্তিতপূর্ব যা প্রকাশ করা হয় নি অব্যক্ত যা প্রতিরােধ করা যায় না অপ্রতিরােধ্য। যা প্রমাণ করা যায় না অপ্রমেয় যা বচন / বাক্যে প্রকাশযােগ্য নয় অনির্বচনীয় যা বলা হচ্ছে বক্ষ্যমাণ যা বহন করা হচ্ছে নীয়মান যা বিক্রয় করার যােগ্য বিক্রেয় যা মাটি ভেদ করে ওঠে উদ্ভিদ। যা মুছে ফেলা যায় না দুর্মোচ্য যা শল্য - ব্যথা দূরীকৃত করে বিশল্যকরণী যা সহজে জানা যায় না দুয়ে । যার অর্থ নেই অর্থহীন যার ঈহা (চেষ্টা) নেই নিরীহ যার কোনাে তিথি নেই অতিথি যার চারদিকে স্থল হ্রদ যার দাড়ি গোঁফ উঠে নি অজাতশত্রু যার দুই দিক বা চার দিকে জল দ্বীপ যার দুটি মাত্র দাঁত দ্বিরদ (হাতি) যার দুবার জন্ম হয় দ্বিজ যার দুহাত সমান চলে সব্যসাচী যার পুত্র নেই অপুত্রক যার পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে জাতিস্মর যার বরাহের (শূকর) মতাে খুর বরাখুরে যার বেশবাস সংবৃত নয় অসংবৃত যার শুভ ক্ষণে জন্ম ক্ষণজন্মা যিনি অতিশয় হিসাবি পাটোয়ারি যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না সংশপ্তক যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি যুধিষ্ঠির যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করে নি অকৃতদার যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করেছে কৃতদার যে (পুরুষ) প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার পরিগ্রহ করেছে অধিবেত্তা যে অগ্র - পশ্চাৎ চিন্তা না - করে কাজ করে অবিমৃশ্যকারী যে অন্য দিকে মন দেয় না অনন্যমনা যে অপরের লেখা চুরি করে নিজনামে চালায় কুম্ভীলক যে আকৃষ্ট হচ্ছে কৃষ্যমাণ যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে কৃতার্থম্মন্য যে আপনাকে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য যে আপনাকে হত্যা করে আত্মঘাতী যে আলােতে কুমুদ ফোটে কৌমুদী যে গমন করে না নগ পাহাড়) যে গাঁজায় নেশা করে গেঁজেল যে গাভি প্রসবও করে না, দুধও দেয় না গােবশা। যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালােবাসে বারমুখাে । যে জমিতে দুবার ফসল হয় দো - ফসলি যে জমিতে ফসল জন্মায় না ঊষর যে তির নিক্ষেপে পটু তিরন্দাজ যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে ত্র্যহস্পর্শ যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী পয়স্বিনী যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী অঘটনঘটনপটিয়সী যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা মহাশ্বেতা যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা পরভৃতা বা পরভৃতিকা যে নারী আনন্দ দান করে বিনােদিনী যে নারী একবার সন্তান প্রসব করেছে কাকবন্ধ্যা যে নারী কহলপ্রিয় খাপ্তানী যে নারী চিত্রে অর্পিতা বা নিবদ্ধা চিত্রার্পিতা যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না অঙ্গনা যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল অন্যপূর্বা যে নারী প্রিয় বাক্য বলে প্রিয়ংবদা যে নারী বার (সমূহ) গামিনী বারাঙ্গনা। যে নারী বীর বীরাঙ্গনা যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা বালপুত্রিকা যে নারী সাগরে বিচরণ করে সাগরিকা যে নারী সুন্দরী রামা যে নারী সূর্যকে দেখে না (অন্তঃপুরে থাকে) অসূর্যম্পশ্যা যে নারী স্বয়ং পতি বরণ করে স্বয়ংবরা যে নারীর (মেয়ের বিয়ে হয় নি কুমারী যে নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই অনসূয়া যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র দ্বিপুত্রিকা। যে নারীর নখ শূৰ্পের (কুলা) মত শূর্পণখা যে নারীর পঞ্চ স্বামী পঞ্চভর্তকা যে নারীর বিয়ে হয় না অনূঢ়া(আইবুড়াে অর্থে) যে নারীর বিয়ে হয়েছে ঊঢ়া যে নারীর সতীন/শত্রু নেই নিঃসপ্ত যে নারীর সন্তান হয় না বন্ধ্যা যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে নবােঢ়া। যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় বিষকন্যকা যে নারীর স্বামী (ভর্তা) বিদেশে থাকে প্রােষিতভর্তৃকা যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত বীরা বা পুরন্ধ্রী যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত অবীরা যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বা অধিবিন্না যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত শুচিস্মিতা যে নারীর হাসি সুন্দর সুস্মিতা যে পরের গুণেও দোষ ধরে অসূয়ক যে পুত্রের মাতা কুমারী কানীন যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে প্রােষিতপত্নীক বা প্রােষিতভার্য যে বিদ্যা লাভ করেছে কৃতবিদ্য যে বৃক্ষের ফল হয় কিন্তু ফুল হয় না বনস্পতি যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় সংবর্ত যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর কন্যকা। যে রূপ ইচ্ছা যদৃচ্ছা যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পর জন্মে মরণােত্তরজাতক যে সব গাছ থেকে ঔষধ প্রস্তুত হয় ঔষধি। যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে অন্ত্যজ যে সর্বত্র গমন করে সর্বগ যে সুপথ থেকে কুপথে যায় উন্মার্গগামী যেখানে মৃতজন্তু ফেলা হয় ভাগাড় / উপশল্য যে - শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে আটাসে রক্ত বর্ণ পদ্ম কোকনদ রমণের ইচ্ছা রিরংসা রাজহাঁস (পক্ষীর) কর্কশ ডাক ক্রেঙ্কার রাত্রিকালীন যুদ্ধ সৌপ্তিক রাত্রির তিনভাগ একত্রে ত্রিযামা রাত্রির প্রথম ভাগ পূর্বরাত্র রাত্রির মধ্যভাগ মহানিশা রাত্রির শেষভাগ পররাত্র রাহ বা রাস্তায় ডাকাতি রাহাজানি রােদে শুকোনাে আম আমশি রেশম দিয়ে নির্মিত রেশমি লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন আলুনি লাফিয়ে চলে যে প্লবগ (ব্যাঙ/বানর)। শত্রুকে জয় করেন যিনি পরঞ্জয় বা শত্রুজিৎ শত্রুকে হত্যা করেন যিনি শত্রুঘ্ন । শােনামাত্র যার মনে থাকে শ্রুতিধর শুকনাে পাতার শব্দ মর্মর। ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব হীরক জয়ন্তী সকলের জন্য হিতকর বা মঙ্গলজনক সর্বজনীন সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ ধাররাষ্ণ সব কিছু সহ্য করেন যিনি সর্বংসহা সমুদ্র থেকে হিমালয় পর্যন্ত আসমুদ্রহিমাচল সমুদ্রের ঢেউ ঊর্মি। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ কল্লোল সরােবরে জন্যে যা সরােজ সর্বত্র গমন করেন যিনি সর্বগ সাপের খােলস নিমোক বা কধুক সিংহের নাদ (ডাক) হুঙ্কার সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ অয়নাংশ সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত সাবন সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল ব্রাহ্মমুহূর্ত সৃষ্টি করার ইচ্ছা সিসৃক্ষা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস নাই যার নাস্তিক সেবা করার ইচ্ছা শুশ্রুষা সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির স্কন্দাবার স্তন্য পান করে যে স্তন্যপায়ী। স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি - কান্না দেয়ালা স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে স্বৈরাচারী স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন স্বাদিত স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা সহমরণ স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ) উপদা স্মরণের যােগ্য স্মরণাই হরিণের চর্ম অজিন হরিণের চর্মের আসন অজিনাসন হরেক রকম বলে যে হরবােলা হস্ত, অশ্ব, রথ, পদাতিকের সমাহার চতুরঙ্গ হাতির ডাক বৃংহণ বা বৃংহিত হাতির পিঠে আরােহী বসার স্থান হাওদা হাতির শাবক (বাচ্চা) করভ হাতের কজি মণিবন্ধ হাতের কজি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত পাণি হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশ প্রকোষ্ঠ হাতের চতুর্থ আঙুল অনামিকা। হাতের তৃতীয় আঙুল মধ্যমা। হাতের তেলাে বা তালু করতল। হাতের দ্বিতীয় আঙুল তর্জনী। হাতের পঞ্চম আঙুল কনিষ্ঠা । হাতের প্রথম আঙুল (বুড়াে আঙুল) অঙ্গুষ্ঠ হিত ইচ্ছা করে যে হিতৈষী হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল হৈমন্তিক
সাধুরীতির শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: গ্রহ
Explanation:
সাধুরীতির শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর গ্রহ সাধু শব্দের অর্থ শিষ্ট, ভদ্র বা মার্জিত। বাংলা গদ্য সাহিত্যের শুরু থেকে শিষ্টজনেরা এ ভাষায় সাহিত্য চর্চা করতেন। তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ সাধুরীতি শব্দ। এ শব্দ কোনো রূপ পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। যেমন - চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, গৃহ, ক্ষেত, কর্ণ, ভবন, নক্ষত্র, পাত্র, ধর্ম ইত্যাদি।
নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?
Correct Answer:
ঘ: আমার কথাই প্রমাণিত হলো
Explanation:
নিচের কোন বাক্যটি সঠিক? সঠিক উত্তর আমার কথাই প্রমাণিত হলো প্রয়োগ - অপপ্রয়োগ ও বাক্যশুদ্ধি অশুদ্ধ শুদ্ধ প্রয়োগ - অপপ্রয়োগ ও বাক্যশুদ্ধি ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধ ও ভাতে’, এই কথা কবি বলেছেন। আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ও ভাতে, এই কথা কবি বলেছেন।/আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে, এই কথা কবি বলেছেন। দুধ ও ভাতে> দুধে ও ভাতে অক্লান্তি হীনভাবে প্রজন্ম চত্বরে সমায়েত হচ্ছে। ক্লান্তি হীনভাবে প্রজন্ম চত্বরে সমায়েত হচ্ছে। অক্লান্তি হীনভাবে> ক্লান্তি হীনভাবে অক্ষির জলে বুকে ভেসে গেল চোখের জলে বুক ভেসে গেল। অক্ষির> চোখের অধ্যায়ন ছাত্রদের তপস্যা। অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা। অধ্যায়ন> অধ্যয়নই অনুমতি ছাড়া কারখানায় ঢুকা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া কারখানায় ঢুকা আইনত দণ্ডনীয়/আইনত অপরাধ। আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ> আইনত দণ্ডনীয়/আইনত অপরাধ অন্য কোন উপায়ন্তর না দেখে তারা গুলি ছুড়তে লাগল। অন্য কোন উপায় না দেখে তারা গুলি ছুড়তে লাগল। উপায়ন্তর> উপায় অন্যাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার অন্নাভাবে প্রতি ঘরে হাহাকার। অন্যাভাবে> অন্নাভাবে অন্যায়ের প্রতিফল দুর্নিবার্য। অন্যায়ের প্রতিফলন অনিবার্য। প্রতিফল> প্রতিফলন অভাবে চরিত্র নষ্ট। অভাবে স্বভাব নষ্ট। চরিত্র> স্বভাব অরন্য জনপদে একটি চমৎকার পুস্তক। ‘অরণ্য জনপদে’ একটি চমৎকার পুস্তক। অরন্য> অরণ্য অল্পদিনের মধ্যে তিনি আরোগ্য হলেন। অল্পদিনের মধ্যে তিনি আরোগ্য লাভ করলেন। আরোগ্য হলেন> আরোগ্য লাভ করলেন অশ্রুজলে তার কপল ভিজে গেছে। অশ্রুতে তার কপল ভিজে গেছে। অশ্রুজলে> অশ্রুতে আইনানুসারে তিনি একাজ করতে পারেন না। আইনত তিনি একাজ করতে পারেন না। আইনানুসারে> আইনত আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন ভাল নয় আকণ্ঠ ভোজন ভাল নয়। আকণ্ঠ পর্যন্ত> আকণ্ঠ আগুনের দ্বারা নিভে গেছে কতগুলো প্রাণ। আগুনে নিভে গেছে কতগুলো প্রাণ। আগুনের দ্বারা> আগুনে আগে সিংহচিহ্নিত আসনে বসে রাজা দেশ চালাতেন। আগে সিংহাসনে বসে রাজা দেশ চালাতেন। সিংহচিহ্নিত আসনে> সিংহাসনে আজকাল বিদ্বান মেয়ের অভাব নেই আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই। বিদ্বান> বিদুষী আজকের সন্ধ্যা বড়ই মনমুগ্ধকর। আজকের সন্ধ্যা বড়ই মনোমুগ্ধকর। মনমুগ্ধকর> মনোমুগ্ধকর আপনার এলাকার উন্নয়নের জন্য আপনি দিবারাত্রি পরিশ্রম করেছেন। আপনার এলাকার উন্নয়নের জন্য আপনি দিবারাত্র/দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। দিবারাত্রি> দিবারাত্র/দিনরাত আপনারাই প্রথম তাদেরকে সুস্বাগতম জানালেন। আপনারাই প্রথম তাদের স্বাগত জানালেন। তাদেরকে সুস্বাগতম> তাদের স্বাগত আপনি জনগণের হয়েও তাদের পক্ষে সাক্ষী দেননি। আপনি জনগণের হয়েও তাদের পক্ষে সাক্ষ্য দেননি। সাক্ষী> সাক্ষ্য আপনি তো গরিবদেরকে সাহায্য করেন না। আপনি তো গরিবদের সাহায্য করেন না। /আপনি তো গরিবকে সাহায্য করেন না। গরিবদেরকে> গরিবদের/ গরিবকে আপনি তো ছুরিতে মানুষ মারেন। আপনি তো ছুরি দিয়ে মানুষ মারেন। ছুরিতে> ছুরি দিয়ে আপনি বা হুজুর যদি বলেন, তাহলে (আমি) যাই। আপনি বা হুজুর যদি বলেন, তাহলে (আমি) যাব। যাই> যাব আপনি রবীন্দ্রনাথ পড়ে কী পেলেন? আপনি রবীন্দ্রনাথকে পড়ে কী পেলেন? রবীন্দ্রনাথ> রবীন্দ্রনাথকে আপনি সদাসর্বদা জনগণের মঙ্গল চেয়েছেন। আপনি সর্বদা/সব সময় জনগণের মঙ্গল চেয়েছেন। সদাসর্বদা> সর্বদা/সব সময় আপনি সপরিবার আমন্ত্রিত আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত সপরিবার> সপরিবারে আবশ্যকীয় ব্যয়ে কার্পণ্যতা অনুচিৎ। আবশ্যকীয় ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত। কার্পণ্যতা অনুচিৎ> কার্পণ্য অনুচিত আবাল্য হতে তিনি কাব্য প্রিয়। বাল্য হতেই তিনি কাব্য প্রিয়। আবাল্য> বাল্য আমরা এমন কিছু মানুষদের চিনি, যারা এখনও দেশের জন্য প্রাণ দেবে। আমরা এমন কিছু মানুষকে চিনি যারা এখনও দেশের জন্য প্রাণ দেবে। মানুষদের> মানুষকে আমরা বাংলা দেশের সুসন্তান এই কথা যেন কদাপিও না ভুলি আমরা বাংলাদেশের সুসন্তান এই কথা যেন কদাপি না ভুলি। কদাপিও> কদাপি আমাদের প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করেছেন নর - নারীর বৈষম্যতা দূর করতে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করেছেন নর - নারীর বৈষম্য দূর করতে। বৈষম্যতা> বৈষম্য আমার আর বাঁচিবার স্বাদ নেই। আমার আর বাঁচার সাধ নেই। বাঁচিবার> বাঁচার আমার এ কাজে মনোযোগীতা নাই আমার এ কাজে মনোযোগ নেই। মনোযোগীতা> মনোযোগ আমি অপমান হয়েছি। আমি অপমানিত হয়েছি। অপমান> অপমানিত আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করে না। করি> করে আমি এই ঘটনা চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করিয়াছি। আমি এই ঘটনা চাক্ষুষ দেখিয়াছি (বা প্রত্যক্ষ করিয়াছি)। প্রত্যক্ষ করিয়াছি> দেখিয়াছি/ প্রত্যক্ষ করিয়াছি আমি এই মানুষটিকে চিনি। আমি এই মানুষকে চিনি। /আমি মানুষটিকে চিনি। এই মানুষটিকে> এই মানুষকে/ মানুষটিকে আমি এখন ভীষণ ব্যাস্ত। আমি এখন ভীষণ ব্যস্ত। ব্যাস্ত> ব্যস্ত আমি বড় অপমান হইয়াছি আমি বড় অপমানিত হইয়াছি। অপমান> অপমানিত আমি সন্তোষ্ট হইলাম আমি সন্তুষ্ট হলাম সন্তোষ্ট হইলাম> সন্তুষ্ট হলাম আমি সাক্ষী দিয়েছি। আমি সাক্ষ্য দিয়েছি। সাক্ষী> সাক্ষ্য আমি, সে আর তুমি কাজটি করব। সে, তুমি আর আমি কাজটি করব। আমি, সে আর তুমি> সে, তুমি আর আমি আশাকরি তুমি আরোগ্য হইয়াছ। আশাকরি তুমি আরোগ্য লাভ করিয়াছ । আরোগ্য হইয়াছ> আরোগ্য লাভ করিয়াছ ইতিপূর্বে তার সাথে দেখা হয় নাই। ইতঃপূর্বে তার সঙ্গে দেখা হয় নি। ইতিমধ্যে আপনি বলেছেন, আপনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ইতোমধ্যে আপনি বলেছেন, আপনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ইতিমধ্যে> ইতোমধ্যে ইত্যাবসারে বৃদ্ধ লোকটির দিন কাটে। ইত্যবসারে বৃদ্ধ লোকটির দিন কাটে। ইত্যাবসারে> ইত্যবসারে ইহা একটি কিম্বদন্তী ইহা একটি কিংবদন্তি । কিম্বদন্তী> কিংবদন্তি ইহা প্রমাণ হইয়াছে । ইহা প্রমাণিত হইয়াছে। প্রমাণ> প্রমাণিত ইহার আবশ্যক নাই। ইহার আবশ্যকতা নাই। আবশ্যক> আবশ্যকতা উৎপন্ন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন। উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন। উৎপন্ন> উৎপাদন উপরোক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। উপরোক্ত> উপর্যুক্ত উল্লেখিত বিষয় হলো তিনি এখন সমাজসেবী। উল্লিখিত বিষয় হলো তিনি এখন সমাজসেবী। উল্লেখিত> উল্লিখিত উহার আবশ্যক নাই। ইহার আবশ্যকতা নাই। উহার আবশ্যক> ইহার আবশ্যকতা উহার উদ্ধতপূর্ণ আচারণে ব্যাথিত হইয়াছি। তাহার উদ্ধত (বা ঔদ্ধতপূর্ণ) আচরণে ব্যথিত হইয়াছি। উদ্ধতপূর্ণ> উদ্ধত/ঔদ্ধতপূর্ণ এ কলম দিয়ে কাজ হবে না। এ কলমকে দিয়ে কাজ হবে না। কলম> কলমকে এ কাজটি আমার পক্ষে সম্ভব নহে। এ কাজটি করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কাজটি> কাজটি করা এ কাজে তাহার হস্ত পাকা। এ কাজে তার হাত পাকা। তাহার হস্ত> তার হাত এ প্রেক্ষিতে আমরা ঘটনাটি ঘটিয়েছি। এ পরিপ্রেক্ষিতে (প্রেক্ষাপটে) আমরা ঘটনাটি ঘটিয়েছি। এ প্রেক্ষিতে> এ পরিপ্রেক্ষিতে/প্রেক্ষাপটে এ বিষয়ে তাহারা সচেষ্টিত নহে। এ বিষয়ে তাহারা সচেষ্ট নহে। সচেষ্টিত> সচেষ্ট এ ব্যাপারে আমার অর্থাৎ হাসানের ভুল হবে না। এ ব্যাপারে আমার অর্থাৎ হাসানের ভুল হয় না। হবে না> হয় না এ মহান নারীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। এই মহিয়সী নারীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। মহান নারীর > মহিয়সী নারীর এ রূপ জীবন কল্পনা করিতেও আমাদের আতঙ্কিত হয়েছিল। এরূপ জীবন কল্পনা করিতেও আমাদের আতঙ্ক হয়েছিল। আতঙ্কিত> আতঙ্ক এই কলমটিকে দিয়ে ভালো লেখা হয়। কলমটি দিয়ে ভালো লেখা হয়। এই কলমটিকে> কলমটি দিয়ে এই কাজে স্বার্থকতা লাভ করিতে চাইলে আরো মনযোগ করিতে হইবে এই কাজে সার্থকতা লাভ করতে চাইলে আরো মনোযোগ দিতে হবে। স্বার্থকতা> সার্থকতা, মনযোগ> মনোযোগ এক অগ্রহায়ণে শীত যায় না। এক মাঘে শীত যায় না। অগ্রহায়ণে> মাঘে এক সদ্যজাত শিশুর সর্বাংগীন কুশলতা কামনা করে তিনি কাব্যিকতা করেছেন। এক সদ্যোজাত শিশুর সর্বাঙ্গীণ কুশল কামনা করে তিনি কাব্য রচনা করেছেন। সর্বাংগীন কুশলতা> সর্বাঙ্গীণ কুশল, কাব্যিকতা> কাব্য রচনা একসময় আমের কাননে মিটিং বসেছিল। একসময় আম্রকাননে মিটিং বসেছিল। /একসময় আমের বাগানে মিটিং বসেছিল। আমের কাননে> আম্রকাননে/ আমের বাগানে একের লাঠি দশের বোঝা। দশের লাঠি একের বোঝা । একের লাঠি দশের> দশের লাঠি একের এখানে খাটি গরুর দুধ পাওয়া যায়। এখানে গরুর খাঁটি দুধ পাওয়া যায়। খাটি গরুর দুধ> গরুর খাঁটি দুধ এটা অপক্ক হাতের লেখা। এটা কাঁচা হাতের লেখা। অপক্ক> কাঁচা এটি অপক্ক হাতের কাজ। এটি অপটু হাতের কাজ। অপক্ক> অপটু এটি একটি মহৎ আবিস্কার। এটি একটি মহৎ আবিষ্কার। আবিস্কার> আবিষ্কার এটি দল কোন্দল। এটি দলীয় কোন্দল। দল কোন্দল> দলীয় কোন্দল এটি সার্বজনীন ব্যাপার। এটি সর্বজনীন ব্যাপার। সার্বজনীন> সর্বজনীন এত বড় মানুষ হয়েও আপনার সৌজন্যতার কমতি নাই। এত বড় মানুষ হয়েও আপনার সৌজন্যের/সুজনতার কমতি নাই। সৌজন্যতার> সৌজন্যের/সুজনতার এমন অষহনীয় ব্যাথা কখনো অনুভব করিনি। এমন অসহ্য ব্যথা কখনো অনুভব করি নি। অষহনীয়> অসহ্য এমন কিছু লোকদের কথা বললেন, যারা রাজাকার। এমন কিছু লোকের কথা বললেন, যারা রাজাকার। লোকদের> লোকের এমন লজ্জাস্কর ব্যাপার যে ঘটবে তাহা কদাপিও চিন্তা করিনি এমন লজ্জাকর ব্যাপার যে ঘটবে তা কখনও চিন্তা করি নি। লজ্জাস্কর> লজ্জাকর, তাহা কদাপিও> তা কখনও এর একটা ব্যাবস্থা কর। এর একটা ব্যবস্থা কর। ব্যাবস্থা> ব্যবস্থা ঐ লোকটি খুব সৎ। লোকটি খুব সৎ। খুব সৎ> সৎ কস্ট অর্থ ক্লেস। কষ্ট অর্থ ক্লেশ। কস্ট> কষ্ট, ক্লেস> ক্লেশ কায়কবাদ মহাশশান লেখেন। কায়কোবাদ ‘মহাশ্মশান’ লেখেন। কায়কবাদ> কায়কোবাদ, মহাশশান> মহাশ্মশান কালীদাস বিখ্যাত কবি । কালিদাস বিখ্যাত কবি। কালীদাস> কালিদাস কিছু কিছু মানুষ আছে যে অন্যের ভালো দেখতে পারে না। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা অন্যের ভালো দেখতে পারে না। যে> যারা কীতির্বাস বাঙলা রামায়ণ রচনা করেছিলেন। কৃত্তিবাস বাংলা রামায়ণ রচনা করেছিলেন। কীতির্বাস বাঙলা> কৃত্তিবাস বাংলা কুআকারের মানুষগুলো ভালো স্বভাবেরও হয়। কদাকার মানুষগুলো ভালো স্বভাবেরও হয়। কুআকারের> কদাকার কুপুরুষের মত কথা বল কেন? কাপুরুষের মতো কথা বল কেন? কুপুরুষের> কাপুরুষের ক্রিয়ার সঙ্গে যেসব বিভক্তি যুক্ত হয় তাদেরকে ক্রিয়াবিভক্তি বলে। ক্রিয়ার সঙ্গে যেসব বিভক্তি যুক্ত হয় তাদের ক্রিয়াবিভক্তি বলে। তাদেরকে> তাদের ক্ষমা একটি মহানগুণ ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। মহানগুণ> মহৎ গুণ গরুকে দিয়ে শুধু লাঙল না গাড়িও টানা হয়। গরু দিয়ে শুধু লাঙল না গাড়িও টানা হয়। গরুকে> গরু গেলাসে করে দুধ দাও। গেলাসে দুধ দাও। গেলাসে করে> গেলাসে ঘটনাটি শুনে আপনি তো উদ্বেলিত হয়ে পড়েছিলেন। ঘটনাটি শুনে আপনি তো উদ্বেল হয়েছিলেন। উদ্বেলিত হয়ে পড়েছিলেন> উদ্বেল হয়েছিলেন ঘড়িকে হাতে দাও। ঘড়ি হাতে দাও /ঘড়িটি হাতে দাও। ঘড়িকে> ঘড়ি/ ঘড়িটি ঘরটি ছিমছিমে অন্ধকার। ঘরটি ঘুটঘুটে অন্ধকার। ছিমছিমে> ঘুটঘুটে ঘামজলে তার শার্ট ভিজে গেছে। ঘামে তার শার্ট ভিজে গেছে। ঘামজলে> ঘামে ঘি মাখা ভাত ডিম দিয়ে খেতে খুব মজা। ঘিভাত ডিম দিয়ে খেতে খুব মজা। ঘি মাখা ভাত> ঘিভাত ছয়টি ঋতুর সমাহারের দেশ বাংলাদেশ। ছয়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। সমাহারের দেশ > দেশ ছেলেটি নিস্পাপী নিরপরাধী কিন্তু সেই সেষ বংশের মাথায় চূণকালী দিল। ছেলেটি নিস্পাপ, নিরপরাধ কিন্তু সেই পর্যন্ত বংশের মুখে চুনকালি দিল । নিস্পাপী নিরপরাধী> নিস্পাপ, নিরপরাধ, মাথায় চূণকালী> মুখে চুনকালি ছেলেটি ভয়ানক মেধাবী ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী। ভয়ানক> অত্যন্ত ছোট নাটকটি সবাইকে মুগ্ধ করল । নাটিকাটি সবাইকে মুগ্ধ করল । ছোট নাটকটি> নাটিকাটি জ্যোৎস্না রাত বড়ই মাধুর্যময়। জ্যোৎস্না রাত বড়ই মধুর। মাধুর্যময়> মধুর ঢাকা দিন দিন তার ভারসাম্যতা হারিয়ে ফেলছে। ঢাকা দিন দিন তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। ভারসাম্যতা> ভারসাম্য ঢাকার সৌন্দর্যতা বৃদ্ধিতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। ঢাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। সৌন্দর্যতা> সৌন্দর্য তপ্ত ভাতে নুন জোটে না, ঠাণ্ডা ভাতে ঘি। তপ্ত ভাতে নুন জোটে না, পান্তা ভাতে ঘি। ঠাণ্ডা> পান্তা তবলাওয়ালা ভালোই তবলা বাজায়। তবলচি /তবলাবাদক ভালোই তবলা বাজায়। তবলাওয়ালা> তবলচি /তবলাবাদক তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। তারা আমড়াতলায় বসে আমড়া খাওয়ার সময় মালির তাড়া খেয়েছে। তাড়া আমরাতলায়> তারা আমড়াতলায়, আমরা> আমড়া, তারা খেয়েছে> তাড়া খেয়েছে তাদের যথোচিত পুরষ্কার দাও। তাদের যথোচিত পুরস্কার দাও। পুরষ্কার> পুরস্কার তাদেরকে দিয়ে একাজ করিও না। তাদের দিয়ে একাজ করিও না। তাদেরকে> তাদের তার অন্তর অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন। তার অন্তর তিমিরাচ্ছন্ন। অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন> তিমিরাচ্ছন্ন তার কথার মাধুর্যতা নাই। তার কথার মাধুর্য/মধুরতা নাই। মাধুর্যতা> মাধুর্য/মধুরতা তার দারিদ্রতা অসহনীয় তার দারিদ্র্য অসহনীয়/ তার দরিদ্রতা অসহনীয় দারিদ্রতা> দারিদ্র্য/ দরিদ্রতা তার দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল। তার দুচোখ অশ্রুতে ভেসে গেল। অশ্রুজলে> অশ্রুতে তার দুরাবস্থা দেখিলে দুঃখী হয়। তার দুরবস্থা দেখলে দুঃখ হয় । দুরাবস্থা> দুরবস্থা, দুঃখী> দুঃখ তার মা খুব মহান নেতা ছিলেন। তার মা খুব মহিয়সী নেতা ছিলেন। মা খুব মহান নেতা> মা খুব মহিয়সী নেতা তার সব ছেলেরাই কৃতি তার সব ছেলেই কৃতী। ছেলেরাই কৃতি> ছেলেই কৃতী তারকাবৃন্দ আকাশে মিটিমিটি করে জ্বলছে। তারকারাজি আকাশে মিটিমিটি করে জ্বলছে। তারকাবৃন্দ> তারকারাজি তারা শব পোড়াতে গেল। তারা শবদাহ করতে গেল। শব পোড়াতে> শবদাহ করতে তারা সকলেই এলো। তারা এলো/ সকলেই এলো। সকলেই এলো> এলো, তারা সকলেই> সকলেই তালে কানা লোককে দিয়ে কিছুই হবে না। তালকানা লোককে দিয়ে কিছুই হবে না। তালে কানা> তালকানা তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্যতা দেখিতে পাই। তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্য দেখিতে পাই। সখ্যতা> সখ্য তাহার জীবন সংশয়ময় । তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ । সংশয়ময়> সংশয়াপূর্ণ তাহার দুর্দমনীয় অধ্যাবসায় সত্যিই প্রশংসনীয়। তাহার অধ্যবসায় সত্যিই প্রশংসনীয়। দুর্দমনীয় অধ্যাবসায়> অধ্যাবসায় তাহার বৈমাত্রেয় সহোদর অসুস্থ। তাহার বৈমাত্রেয় ভ্রাতা অসুস্থ। বৈমাত্রেয় সহোদর> বৈমাত্রেয় ভ্রাতা তাহার সাংঘাতিক আনন্দ হইল। তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল। সাংঘাতিক আনন্দ> অপরিসীম আনন্দ তাহার সৌন্দর্যবোধ আমাকে অভিভূত করেছে তার সৌজন্যবোধ আমাকে অভিভূত করেছে। সৌন্দর্যবোধ> সৌজন্যবোধ তাহারা যেন ভূল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে তারা যেন ভুল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ভূল> ভুল তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিলেন তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন। সাক্ষী> সাক্ষ্য তিনি মনোকষ্টে কাল কাটাচ্ছেন তিনি মনঃকষ্টে কাল কাটাচ্ছেন। মনোকষ্টে> মনঃকষ্টে তিনি স্বসম্মানে হল ত্যাগ করলন। তিনি সসম্মানে হল ত্যাগ করলন। স্বসম্মানে> সসম্মানে তিনি স্বস্ত্রীক বাজারে গিয়েছেন। তিনি সস্ত্রীক বাজারে গিয়েছেন। স্বস্ত্রীক> সস্ত্রীক তুমি কী ঢাকা যাবে? তুমি কি ঢাকা যাবে? কী> কি তুমি নির্দোষী নও তুমি নির্দোষ নও। নির্দোষী> নির্দোষ তুমি, করিম ও আমি আজ পড়িতে যাইব করিম, তুমি ও আমি আজ পড়িতে যাইব। তুমি, করিম ও আমি> করিম, তুমি ও আমি তোমার কথায় বুকেতে আঘাত পাই। তোমার কথায় বুকে আঘাত পাই। বুকেতে> বুকে তোমার তিরষ্কার বা পুরষ্কার কিছুই চাই না। তোমার তিরস্কার বা পুরস্কার কিছুই চাই না। তিরষ্কার বা পুরষ্কার> তিরস্কার বা পুরস্কার তোমার সাথে আমার একটি গোপন পরামর্শ আছে । তোমার সঙ্গে আমার একটি গোপনীয় পরামর্শ আছে। গোপন পরামর্শ> গোপনীয় পরামর্শ দরিদ্র আমাদের দেশের একটি অভিশাপ। দারিদ্র্য আমাদের দেশের একটি অভিশাপ। দরিদ্র> দারিদ্র্য দরীদ্রকে দয়া কর । দরিদ্রকে দয়া কর । দরীদ্রকে> দরিদ্রকে দারিদ্র কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মহান করেছে। দারিদ্র্য কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মহান করেছে। দারিদ্র> দারিদ্র্য দারিদ্রতার মধ্যেই মহত্ব আছে। দরিদ্রতার মধ্যেই মহত্ত্ব আছে। দারিদ্রতার> দরিদ্রতার দিবারাত্র পরিশ্রমে তাহার শারীরিক স্বাস্থ্য ভঙ্গ হইয়াছে। দিবারাত্র পরিশ্রমে তাহার স্বাস্থ্য ভঙ্গ হইয়াছে। শারীরিক স্বাস্থ্য> স্বাস্থ্য দুধ মাখা ভাত কাকে খায়। দুধভাত কাকে খায়। দুধ মাখা ভাত> দুধভাত দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী> দুর্বলতাবশত অনাথা দুর্বিসহ বানানটি অধিকাংশ ব্যাক্তি ভূল লেখে। দুর্বিষহ বানানটি অধিকাংশ ব্যক্তি ভুল লেখে। দুর্বিসহ> দুর্বিষহ, ব্যাক্তি ভূল> ব্যক্তি ভুল দৈনতা সব সময় ভাল নয়। দীনতা সব সময় ভাল নয়। দৈনতা> দীনতা দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়। দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়। মহত্বের> মহত্ত্বের ধর্মের কল বাতাসেতে নড়ে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। বাতাসেতে> বাতাসে নদীর ঘাটে যাইয়া আমরা মরাদাহ দেখিতে লাগিলাম। চিতার ধোঁয়ায় সমস্ত জায়গাটা সমাচ্ছন্ন হইয়া আঁধার করে তুলিছিল যে আমাদের নিঃশ্বাস আটকাইয়া যাইতেছিল। নদীর তীরে যাইয়া আমরা শবদাহ দেখিতে লাগিলাম। তার ধূমে সমস্ত স্থান সমাচ্ছন্ন হইয়া এরূপ অন্ধকার হইয়া গিয়াছিল যে আমাদের নিঃশ্বাস রোধ হইয়া যাইতেছিল। নদীর ঘাটে> নদীর তীরে, মরাদাহ> শবদাহ, চিতার ধোঁয়ায় সমস্ত জায়গাটা> তার ধূমে সমস্ত স্থান, আঁধার করে তুলিছিল> এরূপ অন্ধকার হইয়া গিয়াছিল, নিঃশ্বাস আটকাইয়া> নিঃশ্বাস রোধ হইয়া পয়লা বৈশাখ বাঙালির আসল উৎসবের দিন। (ভুলটাই শুদ্ধ) পয়লা বৈশাখ বাঙালির আসল উচ্ছবের দিন। পরবর্তিকালে /পরবর্তী সময়ে আপনি আসবেন। পরবর্তীতে আপনি আসবেন। পরবর্তিকালে /পরবর্তী সময়ে > পরবর্তীতে পরের মাথায় বন্দুক রেখে শিকার। পরের কাঁধে বন্দুক রেখে শিকার। মাথায়> কাঁধে পাহাড়কে নাড়ায় সাধ্য কার। পাহাড় নাড়ায় সাধ্য কার। পাহাড়কে> পাহাড় পিপিলিকা আর মরিচিকার পিছু ধাওয়া করা একই কথা। পিপীলিকা আর মরীচিকার পিছু ধাওয়া করা একই কথা। পিপিলিকা আর মরিচিকার> পিপীলিকা আর মরীচিকার প্রধান মন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্য মন্ত্রীবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান মন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্য মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রীবর্গ> মন্ত্রী প্রাতকালে লোকটি গাত্রস্থান করে। প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোখান করে। প্রাতকালে> প্রাতঃকালে, গাত্রস্থান> গাত্রোখান প্রায়ই অর্থ কথাগুলো বড় অস্পষ্ট হয়ে থাকে বড় কথাগুলোর অর্থ প্রায়ই অস্পষ্ট হয়ে থাকে। প্রায়ই অর্থ কথাগুলো বড় অস্পষ্ট হয়ে> বড় কথাগুলোর অর্থ প্রায়ই অস্পষ্ট হয়ে প্রেমগঙ্গা আজ এমন করিয়া উদ্বেল আর হইল কেন? প্রেমযমুনা আজ এমন উদ্বেল হইল কেন? প্রেমগঙ্গা> প্রেমযমুনা, এমন করিয়া উদ্বেল আর> এমন উদ্বেল ফুল দিয়ে তাঁকে সুস্বাগতম জানানো সবার কর্তব্য। ফুল দিয়ে তাঁকে স্বাগতম জানানো সবার কর্তব্য। সুস্বাগতম> স্বাগতম বংকিমচন্দ্রের ভয়ানক প্রতিভা ছিল। বঙ্কিমচন্দ্রের অসাধারণ প্রতিভা ছিল। বংকিমচন্দ্রের ভয়ানক> বঙ্কিমচন্দ্রের অসাধারণ বইকে পুড়িয়ে ফেলো/বইগুলোকে পুড়িয়ে ফেলো। বই/বইটি পুড়িয়ে ফেলো (একবচন)/বইগুলো পুড়িয়ে ফেলো (বহুবচন) বইকে> বই/বইটি, বইগুলোকে> বইগুলো বইটি তার জরুরি প্রয়োজন। বইটি তার (খুব) প্রয়োজন। জরুরি> খুব বমালশুদ্ধ চোর ধরা পড়েছে। বমাল বা মালশুদ্ধ চোর ধরা পড়েছে। বমালশুদ্ধ> বমাল বা মালশুদ্ধ বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। উন্নতশীল> উন্নয়নশীল বাংলা বানান আয়ত্ব করা কঠিন নয়। বাংলা বানান আয়ত্ত করা কঠিন নয়। আয়ত্ব> আয়ত্ত বাংলা ব্যাকরণ অত্যান্ত জটিল বাংলা ব্যাকরণ অত্যন্ত জটিল। অত্যান্ত> অত্যন্ত বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল আধুনিক রাষ্ট্র। বাংলাদেশ একটি উন্নতিশীল (বা উন্নয়নশীল) আধুনিক রাষ্ট্র। উন্নতশীল> উন্নতিশীল/ উন্নয়নশীল বাজীকরের অদ্ভুত ক্রিয়া দেখিয়া ছাত্রগণেরা প্রফুল্লিত হল । বাজিকরের অদ্ভুত খেলা দেখে ছাত্ররা আনন্দিত হল। ক্রিয়া দেখিয়া ছাত্রগণেরা প্রফুল্লিত> খেলা দেখে ছাত্ররা আনন্দিত বাসের ধাক্কায় তিনি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। বাসের ধাক্কায় তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। চোখের দৃষ্টিশক্তি> দৃষ্টিশক্তি বিকার লোক যে কোন সময় ক্ষতি করতে পারে। বিকৃত লোক যে কোন সময় ক্ষতি করতে পারে। বিকার লোক> বিকৃত লোক বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর। বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। শ্রেষ্ঠতর> শ্রেষ্ঠ বিদ্যান বক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন বিদ্যান বক্তিগণ দরিদ্রের > বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের বিদ্যান লোকেরা মনে করেন আমাদের ছেলেমেয়েরা অধ্যায়ন ছেড়েছে বলেই তারা ব্যাথা, আকাঙ্খা, মুহুর্ত, প্রতিযোগীতা, দরিদ্রতা ইত্যাদি বানান ভূল করে। বিদ্বান লোকেরা মনে করেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা অধ্যয়ন ছেড়েছে বলেই তারা ব্যথা, আকাক্ষা, মুহুর্ত, প্রতিযোগিতা, দরিদ্রতা ইত্যাদি বানান ভুল করে। বিদ্যান> বিদ্বান, অধ্যায়ন> অধ্যয়ন, ব্যাথা, আকাঙ্খা> ব্যথা, আকাক্ষা, প্রতিযোগীতা> প্রতিযোগিতা বিদ্যান হইতে হলে নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হয়। বিদ্বান হতে হলে নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হয়। বিদ্যান হইতে হলে> বিদ্বান হতে হলে বিপদগ্রস্থকে সাহায্য কর। বিপদগ্রস্তকে সাহায্য কর। বিপদগ্রস্থকে> বিপদগ্রস্তকে বুনো কচু, বাঘা তেঁতুল। বুনো ওল, বাঘা তেতুল। বুনো কচু> বুনো ওল, বাঘা তেঁতুল> বাঘা তেতুল বৃক্ষটি সমূলসহ উৎপাটিত হইয়াছে। বৃক্ষটি মূলসহ উৎপাটিত হইয়াছে। সমূলসহ> মূলসহ বেশি চাতুর্যতা দেখাতে গিয়ে শেষে নিজেই দল থেকে বাদ পড়লেন। বেশি চাতুর্য/চতুরতা দেখাতে গিয়ে শেষে নিজেই দল থেকে বাদ পড়লেন। চাতুর্যতা> চাতুর্য/চতুরতা ব্যাপারটি ছিল আপনার জন্য লজ্জাস্কর। ব্যাপারটি ছিল আপনার জন্য লজ্জাকর বা লজ্জাজনক। লজ্জাস্কর> লজ্জাকর/ লজ্জাজনক ভাত ছড়ালে শালিখের অভাব হয় না। ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না। শালিখের> কাকের ভারত ব্রিটিশদের অধীনস্থ ছিল বলেই তারা যুদ্ধ করেছিল। ভারত ব্রিটিশদের অধীনে ছিল বলেই তারা যুদ্ধ করেছিল। অধীনস্থ> অধীনে ভিক্ষুকদেরকে ভিক্ষা দাও। ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও। (একবচন) /ভিক্ষুকদের ভিক্ষা দাও। (বহুবচন) ভিক্ষুকদেরকে> ভিক্ষুককে/ ভিক্ষুকদের মনরঞ্জন মনমোহনের বড় ভাই। মনোরঞ্জন মনোমোহনের বড় ভাই। মনরঞ্জন মনমোহনের> মনোরঞ্জন মনোমোহনের মনস্কামনা পূর্ণ না হওয়ায় সে মনোস্তাপ ভুগছে। মনস্কামনা পূর্ণ না হওয়ায় সে মনস্তাপে ভুগছে। মনোস্তাপ> মনস্তাপে মহারাজ সভাগৃহে প্রবেশ করলেন। মহারাজ সভাকক্ষে প্রবেশ করলেন। সভাগৃহে> সভাকক্ষে মাতাহীন শিশুর অনেক দুঃখ। মাতৃহীন শিশুর অনেক দুঃখ। মাতাহীন> মাতৃহীন মাতাহীন শিশুর কি দুঃখ। মাতৃহীন শিশুর কি দুঃখ! মাতাহীন> মাতৃহীন মাল বহনকারী গাড়িগুলোতে আগুন ধরিয়ে তারা পালালো। মালগাড়িগুলোতে আগুন ধরিয়ে তারা পালালো। মাল বহনকারী গাড়িগুলোতে> মালগাড়িগুলোতে মুমুর্ষ রোগীকে শুশ্রসা কর । মুমূর্ষ রোগীকে শুশ্রুষা কর। মুমুর্ষ> মুমূর্ষ, শুশ্রসা> শুশ্রুষা মেয়েটি সুকেশৈলী ও সুহাসি মেয়েটি সুকেশী ও সুহাসিনী । সুকেশৈলী ও সুহাসি> সুকেশী ও সুহাসিনী মেয়েটি স্বয়ম্বর। মেয়েটি স্বয়ংবরা। স্বয়ম্বর> স্বয়ংবরা যাদুঘরে কিন্তু যাদু দেখানো হয় না। জাদুঘরে কিন্তু জাদু দেখানো হয় না। যাদুঘরে কিন্তু যাদু> জাদুঘরে কিন্তু জাদু যাবতীয় লোক সমূহ সভায় উপস্থিত ছিল । যাবতীয় লোক সভায় উপস্থিত ছিল। লোক সমূহ> লোক যার লাঠি, তার ঘাটি। যার লাঠি, তার মাটি। তার ঘাটি> তার মাটি যেসব অর্থহীন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দের পরে বসে শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেসব অর্থহীন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দের পরে বসে শব্দ গঠন করে তাদের প্রত্যয় বলে। তাকে > তাদের যেসব ছাত্রদের নিয়ে কথা তারা বখাটে। যেসব ছাত্রকে নিয়ে কথা তারা বখাটে। যেসব ছাত্রদের> যেসব ছাত্রকে রচনাটির উৎকর্ষতা অনস্বীকার্য। রচনাটির উৎকর্ষ অনস্বীকার্য। উৎকর্ষতা> উৎকর্ষ রহিম ছেলেদের মধ্যে কনিষ্ঠতম/তর। রহিম ছেলেদের মধ্যে কনিষ্ঠ। কনিষ্ঠতম/তর> কনিষ্ঠ রহিমসহ আরো অনেকেই আছেন এই নাটকে। রহিমসহ অনেকেই আছেন এই নাটকে। আরো অনেকেই> অনেকেই রহিমা পাগলিনী হয়ে গেছে রহিমা পাগল হয়ে গেছে রহিমা পাগলিনী> রহিমা পাগল রাত্রিতে আসন্ন পরীক্ষার বিভীষিকা, উপেক্ষা করে তাড়াতাড়ি গেলাম শয়ন করতে ভাল নিদ্রা না হলেপাছে অসুখ বিসুখ হতে পারে এই ভয়ে। পাছে রাতে ভাল ঘুম না হলে অসুখ বিসুখ হতে পারে এই ভয়ে আসন্ন পরীক্ষার বিভীষিকা উপেক্ষা করে তাড়াতাড়ি ঘুমোতে গেলাম। রীতিকে অতিক্রম না করেও যথারীতি সে বড়লোক। রীতিকে অতিক্রম না করেও সে বড়লোক। যথারীতি সে> সে লক্ষ লক্ষ জনতারা সব সভায় উপস্থিত হয়েছিল। লক্ষ লক্ষ জনতা সভায় উপস্থিত হয়েছিল। জনতারা> জনতা লালালু খুব পুষ্টিকর। লাল আলু খুব পুষ্টিকর। লালালু> লাল আলু লেখাপড়ায় তার মনযোগ নেই। লেখাপড়ায় তার মনোযোগ নেই। মনযোগ> মনোযোগ লোকজন তার প্রতিকূলে নাই। লোকজন তার অনুকূলে নাই। প্রতিকূলে> অনুকূলে লোকটি কায়দায় নাই। লোকটি বেকায়দায় আছে। কায়দায় নাই> বেকায়দায় আছে লোকটি মিশির মতো কালো হয়েও সাদা মনের মানুষ। লোকটি মিশকালো হয়েও সাদা মনের মানুষ। মিশির মতো কালো> মিশকালো শওকত ওসমানের কৃতদাসের হাসি একটি আদমজি পুরষ্কার প্রাপ্ত উপন্যাস। শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি’ আদমজি পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাস। কৃতদাসের হাসি> ক্রীতদাসের হাসি শরীর অসুস্থ্যের জন্য আমি কাল আসিতে পারি নাই। অসুস্থতার জন্য আমি কল্য আসিতে পারি নাই। শরীর অসুস্থ্যের জন্য আমি কাল> অসুস্থতার জন্য আমি কল্য শশান ঘাট কোথায়। শ্মশান ঘাট কোথায়? শশান> শ্মশান শশীভূষণ কি আসে নাই? শশিভূষণ কি আসে নাই? শশীভূষণ> শশিভূষণ শহর ও গ্রামে এখন ইলেকশনের আমেজ। শহরে ও গ্রামে এখন ইলেকশনের আমেজ। শহর ও গ্রামে> শহরে ও গ্রামে শহীদুল্লাহ কায়সার এবং মুনীর চৌধুরী দুজনই দেশের জন্য প্রাণ দিলেন। শহীদুল্লাহ কায়সার ও মুনীর চৌধুরী দুজনই দেশের জন্য প্রাণ দিলেন। এবং> ও শিক্ষা উপ - পরিচালক ও সহ - উপ পরিচালক আজ এই স্কুলে আসবেন। শিক্ষা উপপরিচালক ও সহউপপরিচালক আজ এই স্কুলে আসবেন। উপ - পরিচালক ও সহ - উপ পরিচালক> উপপরিচালক ও সহউপপরিচালক শিল্পায়নের সাহায্যে দেশ সমৃদ্ধশালী হইতে পারে। শিল্পায়নের সাহায্যে দেশ সমৃদ্ধ (বা সমৃদ্ধিশালী) হইতে পারে। সমৃদ্ধশালী> সমৃদ্ধ/ সমৃদ্ধিশালী শুধু নিজের না, দেশের উৎকর্ষতা সাধন করা প্রত্যেকেরই উচিত। শুধু নিজের না, দেশের উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা সাধন করা প্রত্যেকেরই উচিত। উৎকর্ষতা> উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা শুধুমাত্র গায়ের জোরে কাজ হয় না শুধু গায়ের জোরে কাজ হয় না। শুধুমাত্র> শুধু শুনেছি আপনি স্বস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন। শুনেছি আপনি সস্ত্রীক/স্ত্রীসহ ঢাকায় থাকেন। স্বস্ত্রীক> সস্ত্রীক/স্ত্রীসহ সকল দৈন্যতা দূর হয়ে যাক। সকল দৈন্য দূর হয়ে যাক। সকল দীনতা দূর হয়ে যাক। দৈন্যতা> দৈন্য/ দীনতা সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন। সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন। সকল সভ্যগণ> সভ্যগণ সকল সুধীমণ্ডলী উপস্থিত আছেন। সুধীমণ্ডলী উপস্থিত আছেন। সকল সুধীমণ্ডলী> সুধীমণ্ডলী সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করেছে জনতা। সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীর বিচার দাবি করেছে জনতা। সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীদের> সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীর সৎ চরিত্রবান লোক সবার কাছে প্রিয়। চরিত্রবান লোক সবার কাছে প্রিয়। সৎ চরিত্রবান> চরিত্রবান সত্য প্রমাণ হোক। সত্য প্রমাণিত হোক। প্রমাণ> প্রমাণিত সব পাখিরা ঘর বাঁধে না। সব পাখি ঘর বাঁধে না। সব পাখিরা> সব পাখি সব মাছগুলোর দাম কত? মাছগুলোর দাম কত ? সব মাছগুলোর> মাছগুলোর সবাই বাবা - মার সুস্বাস্থ্য কামনা করে। সবাই বাবা - মার সুস্থতা কামনা করে। সুস্বাস্থ্য> সুস্থতা সবিনয় পূর্বক নিবেদন করি বিনয়পূর্বক নিবেদন করি। সবিনয় পূর্বক> বিনয়পূর্বক সর্ব বিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করিবে সর্ব বিষয়ে বাহুল্য বর্জন করিবে। বাহুল্যতা> বাহুল্য সশঙ্কিত চিত্তে সে বলল শঙ্কিত চিত্তে সে বলল। সশঙ্কিত> শঙ্কিত সাপুড়ে সাপকে খেলায়। সাপুড়ে সাপ খেলায়। সাপুড়ে সাপকে> সাপুড়ে সাপ সারা জীবন ভুতের মজুরী খেটে মরলাম। সারা জীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম। ভুতের মজুরী খেটে> ভূতের বেগার খেটে সাহিত্য এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাহিত্য এবং সাংস্কৃতিক> সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সুজন, অন্যান্য মেয়র প্রার্থীদের খবর কী? সুজন, অন্যান্য মেয়র প্রার্থীর খবর কী? মেয়র প্রার্থীদের> মেয়র প্রার্থীর সূর্য উদয় হয়নি। সূর্য উদিত হয়নি। সূর্য উদয়> সূর্য উদিত সে এমন রূপসী যেন অপ্সরী। সে এমন রূপবতী যেন অপ্সরা। রূপসী যেন অপ্সরী> রূপবতী যেন অপ্সরা সে কৌতুক করার কৌতুহল সম্বরণ করিতে পারিল না। সে কৌতুক করার কৌতূহল সংবরণ করিতে পারিল না। সম্বরণ> সংবরণ সে ক্যান্সারজনিত কারণে মারা গিয়েছে। সে ক্যান্সার/ক্যান্সারজনিক রোগে মারা গিয়েছে। ক্যান্সারজনিত কারণে. ক্যান্সার/ক্যান্সারজনিক রোগে সে ক্রোধে আত্মহারা হইয়া উঠিয়াছে। সে ক্রোধান্ধ হইয়াছে। ক্রোধে আত্মহারা হইয়া> ক্রোধান্ধ হইয়াছে সে ভুড়ি ভুড়ি খেয়ে ভুরিটি বাড়িয়েছে। সে ভুরি ভুরি খেয়ে ভুঁড়িটি বাড়িয়েছে। ভুড়ি ভুড়ি খেয়ে ভুরিটি> ভুরি ভুরি খেয়ে ভুঁড়িটি সে শৈশবেই মাতা বাপ হারিয়েছে। সে শৈশবেই মা - বাপ হারিয়েছে। মাতা বাপ> মা - বাপ সে সঙ্কট অবস্থায় পড়েছে। সে সঙ্কটে পড়েছে। সঙ্কট অবস্থায়> সঙ্কটে সেখানে গেলে তুমি অপমান হবে। সেখানে গেলে তুমি অপমানিত হবে। অপমান> অপমানিত সেলিনা হোসেন একজন বিদ্বান লেখিকা। সেলিনা হোসেন একজন বিদ্বান লেখক। /সেলিনা হোসেন একজন বিদুষী লেখিকা। বিদ্বান লেখিকা> বিদ্বান লেখক/বিদুষী লেখিকা স্নেহভাজন পুরুষলোককে পত্রের মূল আদিতে কল্যানীয়াসু বলিয়া সম্বোধন করিবে। স্নেহভাজন পুরুষলোককে লিখিত পত্রের আদিতে কল্যাণীয়েষু’ বলিয়া সম্বোধন করিবে। কল্যানীয়াসু> কল্যাণীয়েষু স্বল্পবিদ্যা ভয়ংকরী। অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী। স্বল্পবিদ্যা> অল্পবিদ্যা হাতে ব্যাথা পেয়েছি হাতে ব্যথা পেয়েছি। ব্যাথা> ব্যথা হীন চরিত্রবান লোক পশ্বাধম চরিত্রহীন লোক পশ্বধম । হীন চরিত্রবান> চরিত্রহীন, পশ্বাধম> পশ্বধম হে ত্রিনয়নী আমাকে রক্ষা কর হে ত্রিনয়না, আমাকে রক্ষা কর । ত্রিনয়নী> ত্রিনয়না
'মৃন্ময়' এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
Correct Answer:
গ: মৃৎ +ময়
Explanation:
'মৃন্ময়' এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি? সঠিক উত্তর মৃৎ +ময় মৃন্ময় /বিশেষণ পদ/ মাটির তৈরী, মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত। /বিশেষণ পদ/ স্ত্রীলিঙ্গ. মৃন্ময়ী।মৃন্ময় /adjective/ earthen; clayey.সন্ধি বিচ্ছেদ : প্রারম্ভিক আলোচনাসন্ধি: সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি। যেমন - আশা + অতীত = আশাতীত। হিম + আলয় = হিমালয়। প্রথমটিতে আ + অ = আ (া) এবং দ্বিতীয়টিতে অ + আ = আ (া) হয়েছে। আবার, তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে, এখানে ত + ম = ন্ম হয়েছে।সন্ধির উদ্দেশ্য(ক) সন্ধির উদ্দেশ্য স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা এবং(খ) ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন।তাই যে ক্ষেত্রে আয়াসের লাঘব হয় কিন্তু ধ্বনি - মাধুর্য রক্ষিত হয় না, সে ক্ষেত্রে সন্ধি করার নিয়ম নেই। যেমন - কচু + আদা + আলু = কচ্চাদালু হয় না। অথবা কচু + আলু + আদা = কচ্চান্বাদা হয় না।বাংলা শব্দের সন্ধিবাংলা সন্ধি দুই রকমের:১. স্বরসন্ধি২. ব্যঞ্জনসন্ধি।১. স্বরসন্ধি : স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি মিলে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে।১. সন্ধিতে দুটি সন্নিহিত ঘরের একটির লোপ হয়। যেমন - (ক) অ + এ = এ (অ লােপ) যেমন – শত + এক = শতেক। এরূপ – কতেক। (খ) আ + আ = আ (একটি আ লােপ)। যেমন – শাঁখা + আরি = শাঁখারি। এরূপ – রুপা + আলি = রূপালি। (গ) আ + উ = উ (আ লােপ)। যেমন – মিথ্যা + উ = মিথুক। এরূপ – হিংসুক, নিন্দুক ইত্যাদি। (ঘ) ই + এ = ই (এ লােপ)। যেমন – কুড়ি + এক = কুড়িক। এরূপ – ধনিক, গুটিক ইত্যাদি। আশি + এর = আশির (এ লােপ)। এরূপ — নদীর (নদী + এর)। ২. কোনাে কোনাে স্থলে পাশাপাশি দুটি ঘরের শেষেরটি লােপ পায়। যেমন – যা + ইচ্ছা + তাই = যাচ্ছেতাই। এখানে (আ + ই) এর মধ্যে ই লােপ পেয়েছে।২। ব্যঞ্জন সন্ধিসরে আর ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে আর ব্যঞ্জনে এবং ব্যঞ্জনে আর সরে মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি সমীভবন (Assimilation) - এর নিয়মেই হয়ে থাকে। আর তা - ও মূলত কথ্যরীতিতে সীমাবদ্ধ।১. প্রথম ধ্বনি অঘােষ এবং পরবর্তী ধ্বনি ঘােষ হলে, দুটি মিলে ঘােষ ধ্বনি দ্বিত্ব হয়। অর্থাৎ সন্ধিতে ঘােষ ধ্বনির পূর্ববর্তী অঘােষ ধ্বনিও ঘােষ হয়। যেমন – ছােট + দ = ছােড়দা।২. হলন্ত র (বদ্ধ অক্ষর বিশিষ্ট) ধ্বনির পরে অন্য ব্যঞ্জন ধ্বনি থাকলে রু লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনি দ্বিত্ব হয়।যেমন— আর + না = আন্না ধর, + না = ধন্না চার + টি = চাট্টি দুর, + ছাই = দুচ্ছাই ইত্যাদি। ৩. চ - বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ত - বর্গীয় ধ্বনি আসে তাহলে, ত - বর্গীয় ধ্বনি লােপ হয় এবং চ - বর্গীয় ধ্বনিরদ্বিত্ব হয়। অর্থাৎ ত - বর্গীয় ধ্বনি ও চ - বর্গীয় ধ্বনি পাশাপাশি এলে প্রথমটি লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়। যেমন - নাত + জামাই = নাজ্জামাই (ত্ + জ = জ্জ) বদ্ + জাত = বজ্জাত হাত + ছানি = হাচ্ছানি ইত্যাদি। ৪. ‘প’ - এর পরে ‘চ’ এবং “স’ - এর পরে ‘ত এলে চ ও ত এর স্থলে শ হয়। যেমন – পাঁচ + শ = পাশ সাত + শ = সাশ পাঁচ + সিকা = পাশিকা ৫. হলন্ত ধ্বনির সাথে স্বরধ্বনি যুক্ত হলে ঘরের লােপ হয় না। যেমন – বােন + আই = বােনাই বার + এক = বারেক চুন + আরি = চুনারি তিন + এক = তিনেক তিল + এক = তিলেক ৬. স্বরধ্বনির পরে ব্যঞ্জনধ্বনি এলে স্বরধ্বনিটি লুপ্ত হয়। যেমন – কঁচা + কলা = কাঁচকলা ঘােড়া + দৌড় = ঘােড়দৌড় নাতি + বৌ = নাতবৌ ঘােড়া + গাড়ি = ঘােড়গাড়ি ইত্যাদি। তৎসম শব্দের সন্ধিবাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে। এসব শব্দই তৎসম (তৎ = তার + সম = সমান)। তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান। এ শ্রেণির শব্দের সন্ধি সংস্কৃত ভাষার নিয়মেই সম্পাদিত হয়ে এসেছে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম সন্ধি তিন প্রকার:(১) স্বরসন্ধি(২) ব্যঞ্জন সন্ধি(৩) বিসর্গ সন্ধি১. স্বরসন্ধিস্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের নাম স্বরসন্ধি।১. অ - কার কিংবা আকারের পর অ - কার কিংবা আ - কার থাকলে উভয়ে মিলে আ - কার হয়, আ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন - অ + অ = আ নর + অধম = নরাধম এরূপ - হিমাচল, প্রাণাধিক, হস্তান্তর, হিতাহিত ইত্যাদি অ + আ = আ হিম + আলয় = হিমালয়। এরূপ – দেবালয়, রত্নাকর, সিংহাসন ইত্যাদি। আ + অ = আ যথা + অর্থ = যথার্থ। এরূপ — আশাতীত, কথামৃত, মহার্ঘ ইত্যাদি। আ + আ = আ বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এরূপ - কারাগার, মহাশয়, সদানন্দ ইত্যাদি। ২. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ই - কার কিংবা ঈ - কার থাকলে উভয়ে মিলে এ - কার হয়; এ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন— অ + ই = এ শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা। আ + ই = এ যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট। অ + ঈ = এ পরম + ঈশ = পরমেশ। আ + ঈ = এ মহা + ঈশ = মহেশ। এরূপ –পূর্ণেন্দু, শ্রবণেন্দ্রিয়, স্বেচ্ছা, নরেশ, রমেশ, নরেন্দ্র ইত্যাদি। ৩. অ - কার কিংবা আ - কারের পর উ - কার কিংবা ঊ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ও - কার হয়; ও - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়। যেমন - অ + উ = ও সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়। আ + উ = ও যথা + উচিত = যথােচিত। অ + ঊ = ও গৃহ + ঊর্ধ্ব = গৃহাের্ধ্ব। আ + ঊ = ও গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি। এরূপ — নীলােৎপল, চলাের্মি, মহােৎসব, নবােঢ়া, ফলােদয়, যথােপযুক্ত, হিতােপদেশ, পরােপকার, প্রশ্নোত্তর ইত্যাদি। ৪. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ঋ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ‘অর’ হয় এবং তা রেফ () রূপে পরবর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন— অ + ঋ = অ দেব + ঋষি = দেবর্ষি। আ + ঋ = অর মহা + ঋষি = মহর্ষি। এরূপ — অধমর্ণ, উত্তমর্ণ, সপ্তর্ষি, রাজর্ষি ইত্যাদি। ৫. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ‘ঋত’ - শব্দ থাকলে (অ, আ + ঋ) উভয় মিলে ‘আর’ হয় এবং বানানে পূর্ববর্তী বর্ণে আ ও পরবর্তী বর্ণে রেফ লেখা হয়। যেমন— অ + ঋ = আর শীত + ঋত = শীতার্ত। আ + ঋ = আর তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত। এরূপ —ভয়ার্ত, ক্ষুধার্ত ইত্যাদি। ৬. অ - কার কিংবা আ - কারের পর এ - কার কিংবা ঐ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ - কার হয়; ঐ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন— অ + এ = ঐ জন + এক = জনৈক। আ + এ = ঐ সদা + এব = সদৈব। অ + ঐ = ঐ মত + ঐক্য = মতৈক্য। আ + ঐ = ঐ মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য। এরূপ - হিতৈষী, সর্বৈব, অতুলৈশ্বর্য ইত্যাদি। ৭. অ - কার কিংবা আ - কারের পর ও - কার কিংবা ঔ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ - কার হয়; ঔ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন - অ + ও = ঔ বন + ওষধি = বনৌষধি। আ + ও = ঔ মহা + ওষধি = মহৌষধি। অ + ঔ = ঔ পরম + ঔষধ = পরমৌষধ। আ + ঔ = ঔ মহা + ঔষধ = মহৌষধ। ৮. ই - কার কিংবা ঈ - কারের পর ই - কার কিংবা ঈ - কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ - কার হয়। দীর্ঘ ঈ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন - ই + ই = ঈ অতি + ইত = অতীত ই + ঈ = ঈ পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা। ঈ + ই = ঈ সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র। ঈ + ঈ = ঈ সতী + ঈশ = সতীশ। এরূপ - গিরীন্দ্র, ক্ষিতীশ, মহীন্দ্র, শ্রীশ, পৃথ্বীশ, অতীব, প্রতীক্ষা, প্রতীত, রবীন্দ্র, দিল্লীশ্বর ইত্যাদি। ৯. ই - কার কিংবা ঈ - কারের পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য ঘর থাকলে ই বা ঈ স্থানে ‘য বা য() ফলা হয়। য - ফলা।লেখার সময় পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লেখা হয়। যেমন - ই + অ = + অ অতি + অন্ত = অত্যন্ত। ই + আ = ঘৃ + আ ইতি + আদি = ইত্যাদি। ই + উ = খৃ + উ অতি + উক্তি = অত্যুক্তি। ই + উ = য + উ প্রতি + ঊষ = প্রত্যুষ। ঈ + আ = + আ মসী + আধার = মস্যাধার। ই + এ = য + এ প্রতি + এক = প্রত্যেক। ঈ + অ = ঘৃ + অ নদী + অ = নদঘু। এরূপ - প্রত্যহ, অত্যধিক, গত্যন্তর, প্রত্যাশা, প্রত্যাবর্তন, আদ্যন্ত, যদ্যপি, অভ্যুত্থান, অত্যাশ্চর্য, প্রত্যুপকার ইত্যাদি। ১০. উ - কার কিংবা উ - কারের পর উ - কার কিংবা উ - কার থাকলে উভয়ে মিলে ঊ - কার হয়; উ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জন ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়। যেমন— উ + উ = উ মরু + উদ্যান = মরুদ্যান। উ + উ = উ বহু + ঊর্ধ্ব = বহূর্ধ্ব। ঊ + উ = উ বধূ + উৎসব = বধূৎসব। ঊ + উ = উ ভূ + ঊর্ধ্ব = ভূর্ধ্ব। ১১. উ - কার কিংবা ঊ - কারের পর উ - কার ও উ - কার ভিন্ন অন্য ঘর থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব - ফলা হয় এবং লেখার সময় ব - ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন - উ + অ = ব + অ সু + অল্প = স্বল্প উ + আ = ব + আ সু + আগত = স্বাগত উ + ই = ব + ই অনু + ই = অন্বিত উ + ঈ = ব + ঈ তনু + ঈ = তন্বী উ + এ = ব + এ অনু + এষণ = অন্বেষণ এরুপ - পশ্বধম, পশ্বাচার, অন্বয়, মন্বন্তর ইত্যাদি। ১২. এ, ঐ, ও, ঔ - কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব ও আবু হয়। যেমন - এ + অ = অহ্ + অ নে + অন = নয়ন। শে + অন = শয়ন। ঐ + অ = আয়ু + অ নৈ + অক = নায়ক। গৈ + অক = গায়ক। ও + অ = অব + অ পাে + অন = পবন। লাে + অন = লবণ। ঔ + অ = আবৃ + অ পৌ + অক = পাবক। ও + আ = অ + আ গাে + আদি = গবাদি। ও + এ = অ + এ গাে + এষণা = গবেষণা। ও + ই = অ + ই পাে + ইত্র = পবিত্র ঔ + ই = আবৃ + ই নৌ + ইক = নাবিক। ঔ + উ = আবৃ + উ ভৌ + উক = ভাবুক ২. ব্যঞ্জনসন্ধিস্বরে - ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে - স্বরে ও ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। এদিক থেকে ব্যঞ্জন সন্ধিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি৩, ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনিক, চ, ট, ত, পৃ - এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলাে যথাক্রমে গ, জ্ব, ডু (ড়), দৃ, বৃ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন - ক্ + অ = গ দিক্ + অন্ত = দিগন্ত। চ্ + অ = জ ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত। ট্ + আ = ড় ষট্ + আনন = ষড়ানন। ত্ + অ = দ তৎ + অবধি = তদবধি। প + অ = ব সুপ + অন্ত = সুবন্ত। এরূপ - বাগীশ, তদন্ত, বাগাড়ম্বর, কৃদন্ত, সদানন্দ, সদুপায়, সদুপদেশ, জগদিন্দ্র ইত্যাদি। ২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনিস্বরধ্বনির পর ছ থাকলে উক্ত ব্যঞ্জনধ্বনিটি দ্বিত্ব (চ্ছ) হয়। যথা— অ + ছ = চ্ছ এক + ছত্র = একচ্ছত্র আ + ছ = চ্ছ কথা + ছলে = কথাচ্ছলে ই + ছ = চ্ছ পরি + ছ = পরিচ্ছদ। এরূপ – মুখচ্ছবি, বিচ্ছেদ, পরিচ্ছেদ, বিচ্ছিন্ন, অঙ্গচ্ছেদ, আলােকচ্ছটা, প্রতিচ্ছবি, প্রচ্ছদ, আচ্ছাদন, বৃক্ষচ্ছায়া, বচ্ছন্দে, অনুচ্ছেদ ইত্যাদি। ৩. ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি(ক) ১. ত্ ও দৃ - এর পর চূ ও ছ, থাকলে ত্ ও দৃ স্থানে চ হয়। যেমন— ত্ + চ = চ্চ সৎ + চিন্তা = সচ্চিন্তা। ত্ + ছ উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ। দ্ + চ = চ্চ বিপদ + চয় = বিপচ্চয়। দৃ + ছ = চ্ছ বিপদ + ছায়া = বিপচ্ছায়া। এরূপ — উচ্চারণ, শরচ্চন্দ্র, সচ্চরিত্র, তচ্ছবি ইত্যাদি। ২. ত্ ও দ্ এরপর জ্ব ও ঝ থাকলে ত্ ও দৃ - এর স্থানে জ্ব হয়। যেমন— ত্ + জ = জ্জ সৎ + জন = সজ্জন। দৃ + জ = জ্জ বিপদ + জাল = বিপজ্জাল ত্ + ঝ = দ্রু কুৎ + ঝটিকা = কুক্কটিকা এরূপ – উজ্জ্বল, তজ্জন্য, যাবজ্জীবন, জগজ্জীবন ইত্যাদি। ৩. ত্ ও দৃ - এরপর শ থাকলে ত্ ও দৃ - এর স্থলে চ্ এবং শ্ - এর স্থলে ছ উচ্চারিত হয়। যেমন - ত্ + শ = চ + ছ = চ্ছ উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাসএরূপ — চলচ্ছক্তি, উচ্ছঙ্খল ইত্যাদি।৪. ত্ ও দৃ - এর পর ডু থাকলে ত্ ও দৃ এর স্থানে ড্র হয়। যেমন - ত্ + ড = ডড় উৎ + ডীন = উড্ডীন।এরূপ – বৃহড্ঢক্কা৫. ত্ ও দৃ এর পর হ থাকলে ত্ ও দৃ এর স্থলে দ এবং হ এর স্থলে ধূ হয়। যেমন - ত্ + হ = দৃ + ধ = দ্ধ উৎ + হার = উদ্ধার।দৃ + = দৃ + ধ = দ্ধ পদ + হতি = পদ্ধতি।এরূপ – উদ্ধৃত, উদ্ধত, তদ্ধিত ইত্যাদি।৬. ত্ ও দ, এর পর নৃ থাকলে ত্ ও - এর স্থলে ল উচ্চারিত হয়। যেমনত্ + ল = ল্ল উৎ + লাস = উল্লাস।এরূপ – উল্লেখ, উল্লিখিত, উল্লেখ্য, উল্লম্ফন ইত্যাদি।(খ) ১. ব্যঞ্জন ধ্বনিসমূহের যে কোনাে বর্গের অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির পর যে কোনাে বর্গের ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ ধ্বনি কিংবা ঘােষ অল্পপ্রাণ তালব্য ধ্বনি, (য ) জ), ঘােষ অল্পপ্রাণ ওষ্ঠ ধ্বনি (ব), ঘােষ কম্পনজাত দন্তমূলীয় ধ্বনি (র) কিংবা ঘােষ অল্পপ্রাণ ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনি (ব) থাকলে প্রথম অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি ঘােষ অল্পপ্রাণরূপে উচ্চারিত হয়। যথা : ক্ + দ = গ + দ বাক্ + দান = বাগদান টু + য = ডু + য ষ + যন্ত্র = ষড়যন্ত্র ত্ + ঘ = দ্ + ঘ উৎ + ঘাটন = উদ্ঘাটন ত্ + য = দৃ + য উৎ + যােগ = উদ্যোগ ত্ + ব = দৃ + ব উৎ + বন্ধন = উদ্বন্ধন। ত্ + র = দৃ + র তৎ + রূপ = তদুপ এরূপ - দিগ্বিজয়, উদ্যম, উদ্গার, উদ্গিরণ, উদ্ভব, বাগ্জাল, সদ্গুরু, বাগদেবী ইত্যাদি। ২. ঙ, ঞ, ণ, ন, ম পরে থাকলে পূর্ববর্তী অঘােষ অল্পপ্রাণ স্পর্শধ্বনি সেই বর্গীয় ঘােষ স্পর্শধ্বনি কিংবা নাসিক্যধ্বনি হয়। যথা :ক্ + ন = গ + ন দিক্ + নির্ণয় = দিগনির্ণয় বা দিনির্ণয়ত্ + ম = দ/ন + ম তৎ + মধ্যে = তদ্মধ্যে বা তন্মধ্যে।লক্ষণীয়: এরূপ ক্ষেত্রে সাধারণত নাসিক্য ব্যঞ্জনই বেশি প্রচলিত। যেমন – বাক্ + ময় = বাঙ্ময়, জগৎ + নাথ = জগন্নাথ ইত্যাদি। তৎ + ময় = তন্ময়, এরূপ—উন্নয়ন, উন্নীত, চিন্ময় ইত্যাদি। মৃৎ + ময় = মৃন্ময়, ৩. ম্ এর পর যে কোনাে বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম্ ধ্বনিটি সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি হয়। যেমন— মৃ + ক = ঙ + ক্ শম্ + ক = শঙ্কা। ম্ + চ = ঞ + চ্ সম্ + চয় = সঞ্চয়। ম + ত = নৃ + ত্ সম্ + তাপ = সন্তাপ। এরূপ – কিম্ভূত, সন্দর্শন, কিন্নর, সম্মান, সন্ধান, সন্ন্যাস ইত্যাদি। দ্রষ্টব্য : আধুনিক বাংলায় মূ - এর পর কণ্ঠ্য - বর্গীয় ধ্বনি থাকলে মৃ স্থানে প্রায়ই ঙ না হয়ে অনুস্বার (ং) হয়। যেমন - সম্ + গত = সংগত, অহম্ + কার = অহংকার, সম্ + খ্যা = সংখ্যা এরূপ –সংকীর্ণ, সংগীত, সংগঠন, সংঘাত ইত্যাদি। ৪. ম্ - এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে, মৃ স্থলে অনুবার (ং) হয়। যেমন - সম্ + যম = সংযম, সম্ + বাদ = সংবাদ, সম্ + রক্ষণ = সক্ষণ সম্ + লাপ = সংলাপ সম্ + শয় = সংশয় সম্ + সার = সংসার সম্ + হার = সংহার। এরূপ - বারংবার, কিংবা, সংবরণ, সংযােগ, সংযােজন, সংশােধন, সর্বংসহা, সয়ংবরা। ব্যতিক্রম : সম্রাট (সম্ + রাট)। ৫. চু ও জু - এর পরে নাসিক্য ধ্বনি তালব্য হয়। যেমন –চ + ন = চ + ঞ যাচ্ + না = যাচ্ঞা, রাজ্ + নী = রাজ্ঞী।জ + ন = জ + ঞ, যজ্ + ন = যজ্ঞ,৬. দৃ ও ধ এর পরে ক, চ, ট, ত, প, খ, ছ, ঠ, থ, ফ, থাকলে দৃ ও ধূ স্থলে অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। যেমন - দ্> ত্ তদ্ + কাল = তৎকালধূ > ত্ ক্ষুধ + পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।এরূপ —হৃৎকম্প, তৎপর, তত্ত্ব ইত্যাদি।৭. দৃ কিংবা ধূ - এর পরে স্ থাকলে, দৃ ও ধূ স্থলে অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়। যেমন - বিপদ + সংকুল = বিপৎসংকুল।এরূপ — তৎসম।৮. যু - এর পরে ত্ বা থু থাকলে, যথাক্রমে ত্ ও থু স্থানে ট ও ঠ হয়। যেমনকৃষ + তি = কৃষ্টি, ষষ্ + থ্ = ষষ্ঠ। বিসর্গ সন্ধিসংস্কৃত সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত বৃ ও স্ অনেক ক্ষেত্রে অঘােষ উম্মধ্বনি অর্থাৎ হ ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয় এবং তা বিসর্গ(ঃ) রূপে লেখা হয়। র্ ও সূ বিসর্গ ব্যঞ্জনধ্বনিমালার অন্তর্গত। সে কারণে বিসর্গ সন্ধি ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্গত। বস্তুত বিসর্গ র্ এবং স্ - এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বিসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে :১. র - জাত বিসর্গ ও২. সৃ - জাত বিসর্গ।১. র - জাত বিসর্গ : র স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে বলে র - জাত বিসর্গ। যেমন:অন্তর অন্তঃ, প্রাতরপ্রাতঃ, পুনর – পুনঃ ইত্যাদি।২. স - জাত বিসর্গ : স্ স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে বলে স্ - জাত বিসর্গ। যেমন :নমস্ – নমঃ, পুরস্ – পুরঃ, শিরস্ – শিরঃ ইত্যাদি।বিসর্গের সাথে অর্থাৎ র ও স্ - এর সাথে স্বরধ্বনির কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।বিসর্গ সন্ধি দুইভাবে সাধিত হয়:১. বিসর্গ + স্বর এবং২. বিসর্গ + ব্যঞ্জন।১. বিসর্গ ও স্বরের সন্ধিঅ - ধ্বনির পরস্থিত (অঘােষ উধ্বনি) বিসর্গের পর অ ধ্বনি থাকলে অ + ও + অ – এ তিনে মিলে ও - কার হয়। যেমন - ততঃ + অধিক = ততােধিক।২. বিসর্গ ও ব্যঞ্জনের সন্ধি১. অ - কারের পরস্থিত স - জাত বিসর্গের পর ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্যধ্বনি কিংবা অন্তস্থ য, অন্তস্থ ব, র, ল, হ থাকলে অ - কার ও স্ - জাত বিসর্গ উভয় স্থলে ও - কার হয়। যেমন – তিরঃ + ধান = তিরােধান, মনঃ + ম = মনােরম, মনঃ + হর = মনােহর, তপঃ + বন = তপােবন ইত্যাদি। ২. অ - কারের পরঙ্খিত রূ - জাত বিসর্গের পর উপযুক্ত ধ্বনিসমূহের কোনােটি থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়। যেমন— অন্তঃ + গত = অন্তর্গত, অন্তঃ + ধান = অন্তর্ধান, পুনঃ + আয় = পুনরায়, পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত, অহঃ + অহ = অহরহ। এরূপ — পুনর্জন্ম, পুনর্বার, প্রাতরুথান, অন্তর্ভুক্ত, পুনরপি, অন্তবর্তী ইত্যাদি। ৩. অ ও আ ভিন্ন অন্য ঘরের পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সঙ্গে অ, আ, বর্গীয় ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ নাসিক্যধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব, হ - এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়। যেমন - নিঃ + আকার = নিরাকার, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ, দুঃ + যােগ = দুর্যোগ ইত্যাদি। এরূপ – নিরাকরণ, জ্যোতির্ময়, প্রাদুর্ভাব, নির্জন, বহির্গত, দুর্লোভ, দুরন্ত ইত্যাদি। ব্যতিক্রম : ই কিংবা উ ধ্বনির পরের বিসর্গের সঙ্গে ‘র’ এর সন্ধি হলে বিসর্গের লােপ হয় ও বিসর্গের পূর্ববর্তী ব্ৰস ঘর দীর্ঘ হয়। যেমন –নিঃ + রব = নীরব, নিঃ + রস = নীরস ইত্যাদি।৪. বিসর্গের পর অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ তালব্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘােষ মহাপ্রাণ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গ স্থলে মূর্ধন্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘােষ মহাপ্রাণ দন্ত্য ব্যঞ্জনের স্থলে দন্ত্য শিশ ধ্বনি হয়। যেমনঃ ঃ + চ + ছ = শ + চ / ছ নিঃ + চয় = নিশ্চয়, শিরঃ + ছেদ = শিরচ্ছেদ। ঃ + ট /ঠ = ষ + ট ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার, নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর। ঃ + ত + থ = স + ত + থ দুঃ + তর = দুস্তর, দুঃ + থ = দুস্থ। ৫. অঘােষ অল্পপ্রাণ ও অঘােষ মহাপ্রাণ কণ্ঠ্য কিংবা ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন (ক, খ, প, ফ) পরে থাকলে অ বা আ ধ্বনির পস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘােষ দন্ত্য শিশ ধ্বনি (স) হয় এবং অ বা আ ব্যতীত অন্য স্বরধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ হলে অঘোেষ মূর্ধন্য শিশূ ধ্বনি (ষ) হয়। যেমন - অ এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = স + ক নমঃ + কার = নমস্কার। অ এর পরে বিসর্গ ঃ + খ = স + খ পদঃ + খলন = পদখলন। ই এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = ষ + ক নিঃ + কর = নিষ্কর। উ এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = ষ + ক দুঃ + কর = দুষ্কর। এরূপ – পুরস্কার, মনস্কামনা, তিরস্কার, চতুষ্পদ, নিষ্ফল, নিস্পাপ, দুষ্প্রাপ্য, বহিস্কৃত, দুস্কৃতি, আবিষ্কার, চতুষ্কোণ, বাচস্পতি, ভাস্কর ইত্যাদি। ৬. কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে সন্ধির বিসর্গ লােপ হয় না। যেমন - প্রাতঃ + কাল = প্রাতঃকাল মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট শিরঃ + পীড়া = শিরঃপীড়া ৭. যুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনি ত, স্থ কিংবা স পরে থাকলে পূর্ববর্তী বিসর্গ অবিকৃত থাকে অথবা লােপ পায়। যেমন— নিঃ + স্তন্ধ = নিঃস্তব্ধ কিংবা নিস্তব্ধ। দুঃ + থ = দুঃস্থ কিংবা দুস্থ। নিঃ + প = নিঃস্পন্দ কিংবা নিস্পন্দ। সন্ধি বিচ্ছেদ : আলোচনার সারসংক্ষেপসন্ধি বিচ্ছেদ এর উপরিউক্ত আলোচনা আপনার ভাল না লাগাই স্বাভাবিক। ফাঁকি দেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ২১০টি সন্ধি বিচ্ছেদ ঝেড়ে ফেলুন। ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ ও বিশেষ নিয়মে সাধিত ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ও বিশেষ নিয়মে সাধিত ১ অক্ষৌহিণী = অক্ষ + ঊহিণী ৭ মার্তণ্ড = মার্ত + অণ্ড ২ কুলটা = কুল + অটা ৮ রক্তোষ্ঠ = রক্ত + ওষ্ঠ ৩ গবাক্ষ = গাে + অক্ষ ৯ শারঙ্গ = শার + অঙ্গ ৪ গবেন্দ্র = গাে + ইন্দ্র ১০ শুদ্ধোধন = শুদ্ধ + ওদন ৫ গবেশ্বর = গাে + ঈশ্বর ১১ সীমন্ত = সীমন + অত ৬ প্রৌঢ় = প্র + ঊঢ় ১২ স্বৈর = স্ব + ঈর ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গসন্ধি ১ অহর্নিশ = অহঃ + নিশ ৫ মনঃকষ্ট = মনঃ + কষ্ট ২ আস্পদ = আঃ + পদ ৬ শিরঃপীড়া = শিরঃ + পীড়া ৩ প্রাতঃকাল = প্রাতঃ + কাল ৭ হরিশ্চন্দ্র = হরিঃ + চন্দ্র ৪ বাচস্পতি = বাচঃ + পতি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ: নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ১ আশ্চর্য = আ + চর্য ৭ পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি ২ একাদশ = এক + দশ ৮ পরস্পর = পর + পর ৩ গােস্পদ = গাে + পদ ৯ বনস্পতি = বন + পতি ৪ ঘােড়শ = ষ + দশ ১০ বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি ৫ তস্কর = তৎ + কর ১১ মনীষা = মনস + ঈষা ৬ দ্যুলােক = দিক্ + লােক ১২ ষােড়শ = ষট্ + দশ ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি ১ অন্যান্য = অন্য + অন্য ২ শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি ১ উত্থান = উৎ + স্থান ৫ সংস্কার = সম + কার ২ উত্থাপন = উৎ + স্থাপন ৬ সংস্কৃত = সম + কৃত ৩ পরিকৃত = পরি + কৃত ৭ সংস্কৃতি = সুম + কৃতি ৪ পরিষ্কার = পরি + কার ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিসর্গসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : বিসর্গসন্ধি ১ অতএব = অতঃ + এব ২১ দুস্থ = দুঃ + থ ২ অন্তর্লীন = অন্তঃ + লীন ২২ ধনুষ্টঙ্কার = ধনুঃ + টঙ্কার ৩ অহরহ = অহঃ + অহ ২৩ নিরাকার = নিঃ + আকার ৪ আবিষ্কার = আবিঃ + কার ২৪ নিশ্চয় = নিঃ + চয়ন ৫ আশীর্বাদ = আশীঃ + বাদ ২৫ নীরব = নিঃ + রব ৬ ইতস্তত = ইতঃ + তত ২৬ নীরস = নিঃ + রস ৭ চতুষ্কোণ = চতুঃ + কোণ ২৭ পুনরায় = পুনঃ + আয় ৮ যশােচ্ছা = যশঃ + ইচ্ছা ২৮ পুনর্জন্ম = পুনঃ + জন্ম ৯ যশােভিলাষ = যশঃ + অভিলাষ ২৯ প্রাতরাশ = প্রাতঃ + আশ ১০ যশােলাভ = যশঃ + লাভ ৩০ পুরস্কার = পুরঃ + কার ১১ তিরস্কার = তিরঃ + কার ৩১ বহিষ্কার = বহিঃ + কার ১২ ততােধিক = ততঃ + অধিক ৩২ ভাস্কর = ভাঃ + কর ১৩ তপােধিক্য = তপঃ + আধিক্য ৩৩ ভ্রাতুস্পুত্র = ভ্রাতুঃ + পুত্র ১৪ তপােবন = তপঃ + বন ৩৪ মনােজ = মনঃ + জ ১৫ দ্বিরাগমন = দ্বিঃ + আগমন ৩৫ মনােযােগ = মনঃ + যােগ ১৬ দুরাত্মা = দুঃ + আত্মা ৩৬ মনােহর = মনঃ + হর ১৭ দুর্যোগ = দুঃ + যােগ ৩৭ শিরােপরি = শিরঃ + উপরি ১৮ দুরবস্থা = দুঃ + অবস্থা ৩৮ শিরচ্ছেদ = শিরঃ + ছেদ ১৯ দুর্লোভ = দুঃ + লােভ ৩৯ শ্রেয়স্কর = শ্রেয়ঃ + কর ২০ দুস্তর = দুঃ + তরকার ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : ব্যঞ্জনসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : ব্যঞ্জনসন্ধি ১ অহংকার = অহম্ + কার ৩১ বাগলােপ = বাক্ + লােপ ২ উচ্চারণ = উৎ + চারণ ৩২ বাঙ্ময় = বাক্ + ময় ৩ উচ্ছ্বাস = উৎ + শ্বাস ৩৩ বিচ্ছেদ = বি + ছেদ ৪ উজ্জ্বল = উৎ + জ্বল ৩৪ বুদ্ধ = বুধ + ত ৫ উডডীন = উৎ + ডীন ৩৫ বরঞ্চ = বরম্ + চ ৬ উদ্যোগ = উৎ + যােগ ৩৬ বসুন্ধরা = বসুম্ + ধরা ৭ উদ্যম = উৎ + যম ৩৭ মুখচ্ছবি = মুখ + ছবি ৮ উদ্ধৃঙ্খল = উৎ + শৃঙ্খল ৩৮ রাজ্ঞী = রাজ + নী ৯ উদ্ধত = উৎ + হত ৩৯ শঙ্কা = শম্ + কান ১০ কিংবা = কিম্ + বা ৪০ শরচ্চন্দ্র = শরৎ + চন্দ্র ১১ কিন্তু = কিম্ + তু ৪১ ষড়ঋতু = ষট + ঋতু ১২ কিন্নর = কিম্ + নর ৪২ ষড়ানন = ষট + আনন ১৩ কিম্ভুত = কিম্ + ভূত ৪৩ ষড়যন্ত্র = ষট + যন্ত্র ১৪ কুটিকা = কুৎ + ঝটিকা ৪৪ ষষ্ঠ = ষষ + থ ১৫ কৃদন্ত = কৃৎ + অন্ত ৪৫ সংখ্যা = সম্ + খ্যা ১৬ কৃষ্টি = কৃ + তি ৪৬ সংগত = সম + গত ১৭ ক্ষুৎপিপাসা = ক্ষুধ + পিপাসা ৪৭ সংঘ = সম্ + ঘ ১৮ চলচ্চিত্র = চলৎ + চিত্র ৪৮ সংলাপ = সম্ + লাপ ১৯ জগন্নাথ = জগৎ + নাথ ৪৯ সিংহ = সিন্ + হ ২০ যাবজ্জীবন = যাবৎ + জীবন ৫০ সচ্চিন্তা = সৎ + চিন্তা ২১ যজ্ঞ = যজু + ন ৫১ সচ্চরিত্র = সৎ + চরিত্র ২২ ণিজন্ত = ণিচ্ + অন্ত ৫২ সঞ্চয় = সম্ + চয় ২৩ দিগন্ত = দিক্ + অন্ত ৫৩ সদুপদেশ = সৎ + উপদেশ ২৪ পদ্ধতি = পদ্ + হতি ৫৪ সন্ধান = সম্ + ধান ২৫ পরিচ্ছেদ = পরি + ছেদ ৫৫ স্বয়ংবরা = স্বয়ম্ + বরা ২৬ প্রিয়ংবদা = প্রিয়ম্ + বদা ৫৬ সুবন্ত = সুপ + অন্ত ২৭ বৃক্ষচ্ছায়া = বৃক্ষ - + ছায়া ৫৭ সম্পল্লাভ = সম্পন্ + লাভ ২৮ বাগীশ = বাক্ + ঈশ ৫৮ সম্মান = সম্ + মান ২৯ বাগদত্তা = বাক্ + দত্তা ৫৯ সম্রাট = সম্ + রাট ৩০ বাগধারা = বাক্ + ধারা ৬০ হিংসা = হিন্ + সা ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : স্বরসন্ধি ক্রম সন্ধি বিচ্ছেদ : স্বরসন্ধি ১ অত্যন্ত = অতি + অন্ত ৩৭ প্রত্যহ = প্রতি + অহ ২ অধমর্ণ = অধম + ঋণ ৩৮ পশ্বাচার = পশু + আচার ৩ অন্বেষণ = অনু + এষণ ৩৯ পশ্বধম = পশু + অধম ৪ অর্ধেক = অর্ধ + এক ৪০ বেশকম = বেশি + কম ৫ ইত্যাদি = ইতি + আদি ৪১ বধূক্তি = বধূ + উক্তি ৬ উত্তমর্ণ = উত্তম + ঋণ ৪২ বধূৎসব = বধূ + উৎসব ৭ উপযুক্ত = উপরি + উক্ত ৪৩ ভয়ার্ত = ভয় + ঋত ৮ একেক = এক + এক ৪৪ ভবন = ভাে + অন ৯ একোন = এক + উন ৪৫ মাত্ৰাদেশ = মাতৃ + আদেশ ১০ একত্রিত = একত্র + ইত ৪৬ মাত্রুপদেশ = মাতৃ + উপদেশ ১১ কাঁচকলা = কাঁচা + কলা ৪৭ মিশকাল = মিশি + কাল ১২ কথােপকথন = কথা + উপকথন ৪৮ মতৈক্য = মত + ঐক্য ১৩ কথামৃত = কথা + অমৃত ৪৯ মন্বন্তর = মনু + অন্তর ১৪ ক্ষুধার্ত = ক্ষুধা + ঋত ৫০ মস্যাধার = মসী + আধার ১৫ গায়ক = গৈ + অক ৫১ মহৈশ্বর্য = মহা + ঐশ্বর্য ১৬ গত্যন্তর = গতি + অন্তর ৫২ মহৌষধি = মহা + ওষধি ১৭ গবেষণা = গাে + এষণা ৫৩ রাজর্ষি = রাজা + ঋষি ১৮ চন্দ্রানন = চন্দ্র + আনন ৫৪ রত্নাকর = রত্ন + আকর ১৯ জনৈক = জন + এক ৫৫ রবীন্দ্র = রবি + ইন্দ্র ২০ যথার্থ = যথা + অর্থ ৫৬ লঘূর্মি = লঘু + ঊর্মি ২১ যদ্যপি = যদি + অপি ৫৭ লবণ = লাে + অন ২২ তথৈবচ = তথা + এবচ ৫৮ শায়ন = শে + অন ২৩ তষী = তনু + ঈ ৫৯ শীতার্ত = শীত + ঋত ২৪ তৃষ্ণার্ত = তৃষ্ণা + ঋত ৬০ শতেক = শত + এক ২৫ ধর্মাধর্ম = ধর্ম + অধর্ম ৬১ শুভেচ্ছা = শুভ + ইচ্ছা ২৬ নিন্দাহ = নিন্দা + অর্থ ৬২ সৃক্ত = সু + উক্ত ২৭ নীলােৎপল = নীল + উৎপল ৬৩ সানুনাসিক = স + অনুনাসিক ২৮ নদ্যম্বু = নদী + অষু ৬৪ স্বাধিকার = স + অধিকার ২৯ নদপকণ্ঠ = নদী + উপকণ্ঠ ৬৫ স্বাধীন = স্ব + অধীন ৩০ নবােঢ়া = নব + ঊঢ়া ৬৬ স্বেচ্ছা = স + ইচ্ছা ৩১ নরাধম = নর + অধম ৬৭ স্বল্প = সু + অল্প ৩২ নরেন্দ্র = নর + ইন্দ্র ৬৮ হিতােপদেশ = হিত + উপদেশ ৩৩ পিত্রালয় = পিতৃ + আলয় ৬৯ হিতৈষী = হিত + ঐষী ৩৪ পবিত্র = পাে + ইত্ৰ ৭০ হিমাচল = হিম + অচল ৩৫ পরীক্ষা = পরি + ঈক্ষা ৭১ হস্তান্তর = হস্ত + অন্তর ৩৬ প্রত্যেক = প্রতি + এক
'ব্যর্থ' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলোঃ
Correct Answer:
গ: বি + অর্থ
Explanation:
'ব্যর্থ' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলোঃ সঠিক উত্তর বি + অর্থ ব্যর্থ - [বিশেষণ পদ] বিফল, নিরর্থক; অকৃতকার্য। [বিশেষ্য পদ] ব্যর্থতা। 'ব্যর্থ' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো - বি + অর্থ.
নিচের কোনটি ভাব বাচ্যের উদাহরণ?
Correct Answer:
খ: এবার মাছ ধরা যাক
Explanation:
নিচের কোনটি ভাব বাচ্যের উদাহরণ? সঠিক উত্তর এবার মাছ ধরা যাক ভাববাচ্য : বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে প্রকাশিত হলে তাকে ভাববাচ্য বলে। এ ধরনের বাক্যে কর্ম থাকে না এবং কর্তাও প্রধান হয় না। কাউকে কোন কিছু সরাসরি না বলে ঘুরিয়ে বলতে গেলে ভাববাচ্যে বলা যায়। এ ধরনের বাক্যে কর্তায় - ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া বা তৃতীয়া বিভক্তি হয়। নামপুরুষের ক্রিয়াপদ [ক্রিয়াপদ] হয়। মাঝে মাঝে মূল ক্রিয়াপদের সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়াপদও যুক্ত হয়। কখনো কখনো কর্তা উহ্য থাকে, অর্থাৎ কর্তা অনুল্লেখিত থাকে। যেমন - আমার খাওয়া হল না। (নামপুরুষের ক্রিয়াপদ) তোমার যাওয়া হবে না। (নামপুরুষের ক্রিয়াপদ) এ পথে চলা যায় না। (সহযোগী ক্রিয়াপদ যুক্ত) কোথা থেকে আসা হচ্ছে। (সহযোগী ক্রিয়াপদ যুক্ত) এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না। (কর্তা ‘তুমি’ উহ্য) এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস?
Correct Answer:
গ: হাটেবাজারে
Explanation:
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস? সঠিক উত্তর হাটেবাজারে a. কোকিলকন্ঠী - কোকিলের ন্যায় কন্ঠ যার (বহুব্রীহি সমাস) b. রাতজাগা - রাতে জাগা (সপ্তমী তৎপুরুষ) c. হাটেবাজারে - হাটে ও বাজারে (দ্বন্দ্ব সমাস)। d. মেনিমুখো - মেনির (বিড়াল) মতো মুখ (উপমিত কর্মধারায় সমাস)।
পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে কি বলে?
Correct Answer:
ঘ: সন্ধি
Explanation:
পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে কি বলে? সঠিক উত্তর সন্ধি a. পরস্পর অর্থসঙ্গতিসম্পন্ন দুই বা ততোধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে । b. শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর স্থান পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বা ধ্বনি বিপর্যাস বলে । c. পরের ই – কার ও উ - কার ও উ – কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে ই – কার বা উ – কার উচ্চারিত হলে তাকে অপনিহিতি বলে। d. পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে বলে সন্ধি।
নিচের কোন স্ত্রীবাচক শব্দের দুটি পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে?
Correct Answer:
গ: ননদ
Explanation:
নিচের কোন স্ত্রীবাচক শব্দের দুটি পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে? সঠিক উত্তর ননদ কবিরাজ শব্দটির লিঙ্গান্তর হয় না । এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। ‘কুলটা শব্দের অর্থ ভ্রষ্টা, অসতী স্ত্রী, কুল বা স্বামীগৃহ ত্যাগ করে যে রমনী, ‘ননদ’ শব্দটির দুটি পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে। যথা - দেবর ও ননদাই। নবীন শব্দটির স্ত্রী লিঙ্গ নবীনা (অল্পবয়স্কা, তরুণী, যৌবনবতী, নবযৌবনা, যুবতী)।
উপকারীর অপকার করেন যিনি-
Correct Answer:
গ: কৃতঘ্ন
Explanation:
উপকারীর অপকার করেন যিনি- সঠিক উত্তর কৃতঘ্ন কৃতঘ্ন - [বিশেষণ পদ] যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না বা তাহার অপকার করে, নিমকহারাম, অকৃতজ্ঞ। [বিশেষ্য পদ] কৃতঘ্নতা।