Bangla MCQs
Showing 50 questions (Total: 14833)
"আনারস" এবং "চাবি" শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে---
Correct Answer:
ক: পর্তুগিজ ভাষা থেকে
Explanation:
"আনারস" এবং "চাবি" শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে--- সঠিক উত্তর পর্তুগিজ ভাষা থেকে পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দঃ পাদ্রী, বালতি, আনারস, চাবি, আলপিন, পাউরুটি, গির্জা, গুদাম, আলমারি।পর্তুগীজ শব্দ মনে রাখার একটি কৌশল :গীর্জার পাদ্রী চাবি দিয়ে গুদামের আলমারি খুলে তাতে পাউরুটি আনারস পেঁপে পেয়ারা আলপিন ও আলকাতরা রাখলেন।
'বৈরাগ্য সাধনে--- সে আমার নয়।' শূন্যস্থান পূরণ করুন।
Correct Answer:
খ: মুক্তি
Explanation:
'বৈরাগ্য সাধনে--- সে আমার নয়।' শূন্যস্থান পূরণ করুন। সঠিক উত্তর মুক্তি নৈবেদ্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বৈরাগ্যসাধনে মুক্তি, সে আমার নয়। অসংখ্যবন্ধন - মাঝে মহানন্দময় লভিব মুক্তির স্বাদ। এই বসুধার মৃত্তিকার পাত্রখানি ভরি বারম্বার তোমার অমৃত ঢালি দিবে অবিরত নানাবর্ণগন্ধময়। প্রদীপের মতো সমস্ত সংসার মোর লক্ষ বর্তিকায় জ্বালায়ে তুলিবে আলো তোমারি শিখায় তোমার মন্দির - মাঝে। ইন্দ্রিয়ের দ্বার রুদ্ধ করি যোগাসন, সে নহে আমার। যে কিছু আনন্দ আছে দৃশ্যে গন্ধে গানে তোমার আনন্দ রবে তার মাঝখানে। মোহ মোর মুক্তিরূপে উঠিবে জ্বলিয়া, প্রেম মোর ভক্তিরূপে রহিবে ফলিয়া। রবীন্দ্রনাথের 'পাতা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত লাইনটা।
কোনটি শুদ্ধ ?
Correct Answer:
ঘ: সৌজন্য
Explanation:
কোনটি শুদ্ধ ? সঠিক উত্তর সৌজন্য সৌজন্য - [বিশেষ্য পদ] ভদ্রতা, অমায়িকতা, শিষ্ট - ব্যবহার।
সমাস ভাষাকে ------
Correct Answer:
ক: সংক্ষেপ করে
Explanation:
সমাস ভাষাকে ------ সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল প্রক্রিয়ায় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি হয় সমাস তার একটি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন: দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (শ্রীকৃষ্ণ)। সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ। যেমন: এখানে দোয়াতকলম, পীতাম্বর হলো সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কতগুলো পদের মিলিত রুপ, এই প্রতিটি পদকে বলে সমস্যমান পদ। সমস্ত পদকে বিস্তৃত করে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম + অস(ধাতু) + অ । সমাসের উদ্দেশ্য অল্পকথায় অধিক ভাব প্রকাশ করা । একটা বিরাট শব্দগুচ্ছকে সমাসের মাধ্যমে সংক্ষেপণ করা যায়। তবে সাহিত্যিক প্রয়োজনেই সংস্কৃত ভাষায় সমাসের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মনে করা হয়। কারণ সাহিত্যমূলক কর্মে সমাসের ব্যবহার একে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
'শিষ্টাচার'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: সদাচার
Explanation:
'শিষ্টাচার'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর সদাচার শিষ্টাচার এর সমার্থক শব্দ সদাচার।সংযম এর সমার্থক শব্দগুলো হলো নিয়ম, নিয়ন্ত্রণ, নিগ্রহ, দমন, নিয়মন, রোধ, নিরোধ,ব্রত।শিষ্টাচার/আদব/ভদ্রতা/সৌজন্য - - যে নামেই ডাকি এটি একজন মানুষের বড় গুণ। সামাজিক জীবনে এই গুণের চর্চা অন্য প্রাণী হতে মানুষের স্বাতন্ত্র্য নির্দেশ করে। একটি দেশ কতটা সভ্য সেটির পরিমাপক হিসেবে সেই দেশের মানুষের সৌজন্যবোধ - কে বিবেচনা করা হয়। ভদ্র ব্যবহারে অন্যের হৃদয় জয় করা যায়, অনাকাঙ্ক্ষিত ঝগড়া এড়ানো যায় এবং পারিপার্শ্বিক সবার সাথে সম্পর্ক সৌহার্দপূর্ণ হয়ে উঠে।
'সূর্য '- এর প্রতিশব্দ ------
Correct Answer:
ঘ: আদিত্য
Explanation:
'সূর্য '- এর প্রতিশব্দ ------ সঠিক উত্তর আদিত্য সূর্যের সমার্থক শব্দ গুলি হলো রবি, আদিত্য, অর্ক , ভানু, প্রভাকর, মিহির, তপন, পুষা, সবিতা, অরুণ, চিত্রাভানু, অর্ঘমা, ভাস্কর, দিবাকর, বিবস্বান, তপন, দিনমণি, হরিদশ্ব, দিননাথ, কিরণমালী, বিভাবসু, ময়ূখমালী, বিভাবসু, বিভাকর, মার্তণ্ড, বালার্ক, অংশুমালী, হরিদশ্ব , দিনেশ, উষাপতি, দিবাবসু
বেগম রোকেয়ার রচনা কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: অবরোধবাসিনী
Explanation:
বেগম রোকেয়ার রচনা কোনটি? সঠিক উত্তর অবরোধবাসিনী অবরোধ - বাসিনী ভারতবর্ষের অগ্রণী নারীবাদী লেখিকা রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি গ্রন্থ। বেগম রোকেয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি হিসেবে বিবেচিত গ্রন্থটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তৎকালীন ভারতবর্ষীয় নারীদের বিশেষ করে মুসলমান ঘরের নারীদের সমাজের অবরোধপ্রথার জন্য যে অসুবিধায় পড়তে হত তা বর্ণিত হয়েছে। "মতিচূর " "সুলতানার স্বপ্ন" " Sultana's dream' তার রচনা। প্রথম প্রকাশিত ছোট গল্প ' পিপাসা'
কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
Correct Answer:
ক: একটা গোপনীয় কথা বলি
Explanation:
কোনটি শুদ্ধ বাক্য? সঠিক উত্তর একটা গোপনীয় কথা বলি বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ: শুদ্ধ বলা বা লেখা সৃজনশীল কাজ। আর এই শুদ্ধ বলা বা লেখা নির্ভর করে ব্যাকরণের ওপর। ব্যাকরণ ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত ও শৃংখলাবদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলে। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ বলে বা লেখে। ব্যাকরণজ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ অর্থাৎ অপপ্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। ভাষা অপপ্রয়োগের ক্ষেত্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাষার অপপ্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ১. শব্দ রূপান্তজাত অপপ্রয়োগ: দৈন্যতা, মাধুর্যতা, সমসাময়িক, উদ্ধেলিত, চোখের দৃষ্টিশক্তি, মাতাহারা। ২. শব্দদ্বিত্ব অপপ্রয়োগ : শুধু/কেমলমাত্র, অশ্রুজল, ঘামজল, ভুলত্রুটি, ভুলভ্রান্তি। ৩. সংখ্যাজাত অপপ্রয়োগ : ১ জুলাই/১লা জুলাই। ৪. বচনজাত অপপ্রয়োগ : বড় বড় মানুষরা সব, সকল/সমস্ত /সব যুদ্ধাপরাধীদের। ৫. নির্দেশকজাত অপপ্রয়োগ : এই লোকটি। ৬. সন্ধিজাত অপপ্রয়োগ : লজ্জাস্কর, ইতিমধ্যে, উল্লেখিত, দুরাবস্থা। ৭. সমাসজাত অপপ্রয়োগ : দেশ ও বিদেশে। ৮. উপসর্গজাত অপপ্রয়োগ : সুস্বাগতম, অক্লান্তি হীনভাবে, উপ - পরিচালক। ৯. বিভক্তিজাত অপপ্রয়োগ : আমাদেরকে, তাদেরকে, নারীদেরকে, বাড়িতে। ১০. প্রত্যয়জাত অপপ্রয়োগ : দৈন্যতা, দারিদ্রতা। ১১. চিহ্নজাত অপপ্রয়োগ : সুন্দরী বালিকা, আসমা অস্থিরা, অভাগিনী, কাঙালিনী। ১২. পক্ষজাত অপপ্রয়োগ : আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। ১৩. কারকজাত অপপ্রয়োগ : ছুরিতে, আমের কাননে। ১৪. বিসর্গজাত অপপ্রয়োগ : পুন:প্রচার। ১৫. সমোচ্চারিত অপপ্রয়োগ : তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। ১৬. বাক্যজাত অপপ্রয়োগ : আমি স্বচক্ষে/নিজের চোখে। ১৭. বাচ্যজাত অপপ্রয়োগ : সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়। ১৮. এককথায় প্রকাশ অপপ্রয়োগ : চারিদিকে প্রদক্ষিণ, হাতে কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা। ১৯. প্রবাদ অপপ্রয়োগ : স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ২০. বাগধারা অপপ্রয়োগ : পাকা ধানে আগুন দেয়া। ২১. বানান ও উচ্চারণ অপপ্রয়োগ : প্রাণীজগৎ, কীভাবে, পৃথিবীব্যাপী, স্ত্রীবাচক, শশীভূষণ, মন্ত্রীসভা, স্বামীগৃহ, গুণীজন, নদীতীর, নদীমাতৃক, বৈশাখীমেলা, আগামীকাল। সমাসবদ্ধ শব্দের বানান লেখা হয় ঈ - কার দিয়ে। ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে ঈ - কার হয়ে যায় ই - কার। ঊ - কার হয়ে যায় উ - কার। ণ - হয়ে যায় ন। য - ফলা থাকে না। যেমন: ঘরনি, কানাই/কানু, বোশেখি, সুয্যি, সোনা, সন্ধে ইত্যাদি। প্রাদেশিক ও বিদেশি শব্দ হলে /ছ/য/ণ/ষ/ঞ্জ/ঞ্চ/ ঈ - কার/উ - কার বসে না তবুও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন: লুংগি, ডেংগু, ঠান্ডা, ঝান্ডা, লন্ঠন, মিসরি, পসন্দ, নামাজ, ওজু, ইস্টার্ন, স্টোর, ইনজিন, ইনজিনিয়ার, সেনচুরি, তির (ধনুক অর্থে, পাড় অর্থে নয়), অ্যাকাডেমি/এ্যাকাডেমি/একাডেমি, রসুল, নুর ইত্যাদি। সংস্কৃতশব্দে য - ফলা চল আছে কিন্তু ইংরেজি শব্দে নাই তবু লেখা হচ্ছে। যেমন: ইস্যু, টিস্যু, গ্যেটে, স্যার। ইংরেজি শব্দকে তদ্ভব করে লেখা হচ্ছে। যেমন: হসপিটাল>হাসাপাতাল, চকোলেট>চকলেট। শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সংস্কৃত সহিত থেকে ‘সঙ্গে বা সাথে’র উৎপত্তি। নিয়ম আছে গদ্যে ‘সঙ্গে’ আর পদ্যে ‘সাথে’ ব্যবহার করতে হবে তবে এখন সর্বত্রই ‘সঙ্গে’ ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার বিশেষণ সাধারণত পদক্রম অনুসারে বিশেষ্যের আগে বসে। যেমন: খাঁটি গরুর দুধ। ‘কী খাঁটি’ প্রশ্ন করলে পাওয়া যায় গরুর দুধ (সংস্কৃত গোদুগ্ধ)। অনেকেই বর্তমানে এই বাক্যকে ভুল মনে করে শুদ্ধ করে লেখেন গরুর খাঁটি দুধ। ইংরেজিতে লেখা হয় Fresh/Pure Milk অর্থাৎ খাঁটি দুধ। লেখা হয় না Fresh /Pure Cow Milk। সাধারণত গরুর দুধই বিক্রি হয় অন্য দুধ নয়। তাই গরুর খাঁটি লেখার প্রয়োজন হয় না। খাঁটি দুধ—লেখলেই হয়। বিভিন্নভাবে বাক্য অুশুদ্ধ হতে পারে।
'মোস্তফা চরিত' গ্রন্থের রচয়িতা -----
Correct Answer:
ঘ: মওলানা আকরম খাঁ
Explanation:
'মোস্তফা চরিত' গ্রন্থের রচয়িতা ----- সঠিক উত্তর মওলানা আকরম খাঁ ১৯৩৬ সালের অক্টোবর মাসে মওলানা আকরম দৈনিক আজাদ পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন। সেই সময় এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। মুসলিম লীগের সমর্থন যোগাতে এই বাংলা পত্রিকাটি সেই সময় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে পত্রিকার বহু পুরনো সংখ্যা সংরক্ষিত আছে। সাহিত্য কর্ম: সমস্যা ও সমাধান [এই গ্রন্থে লেখকের ইসলামে নারীর মর্যাদা, সুদ সমস্যা, চিত্র (ছবি তোলা) সমস্যা, সঙ্গীত সমস্যা এই চারটি প্রবন্ধ সংকলিত হয়] আমপারার বাংলা অনুবাদ মোস্তফা - চরিত (বর্তমানে খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত) মোস্তফা - চরিতের বৈশিষ্ট্য বাইবেলের নির্দেশ ও প্রচলিত খ্রীষ্টান ধর্ম মোছলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস (ঐতিহ্য হতে প্রকাশিত) তাফসীরুল কোরআন(১ - ৫ খণ্ড) (খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত) মুক্তি ও ইসলাম[
পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক------
Correct Answer:
গ: ফকির গরিবুল্লাহ।
Explanation:
পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক------ সঠিক উত্তর ফকির গরিবুল্লাহ। ফকির গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৮০ - ১৭৭০) এদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন সাহিত্যিক। ফকির গরীবুল্লাহ হুগলি জেলার (তখনকার বর্ধমান এর অংশ) বালিয়া পরগনার হাফিজপুর গ্রামের অধিবাসী। গরীবুল্লাহ সম্পর্কে তেমন তথ্য পাওয়া যায় না। তাঁর পিতার নাম শাহ্ দুন্দীর (সাহা দুন্দি)। তথ্যের অভাবে গরীবুল্লাহ - এর সময় নির্ধারন করা দুরূহ। সাহিত্যকর্ম: তাঁর রচনা কোনগুলো তা নিয়েও মতবিরোধ আছে। তবে আমির হামজা প্রথম পর্ব তাঁর রচনা। ফকির গরীবুল্লাহ - এর ইউসুফ - জোলেখা নামে একটি কাব্যগ্রন্থ আছে। মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করেন, কাব্যটি ১৭৬৫ সালের পর রচিত। ঐতিহাসিকরা বলেন,আঠারো শতকের মধ্যভাগে ফকির গরীবুল্লাহ কয়েকটি পুঁথি রচনা করেন। সেগুলো হচ্ছে: ইউসুফ জোলেখা, আমির হামজা, সোনাভান ও সতয়পীরের পুঁথি। মৃত্যু: তাঁর মৃত্যুর কোনো সঠিক সাল, বা তারিখ পাওয়া যায় না।
'সংশয়'- এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
গ: প্রত্যয়
Explanation:
'সংশয়'- এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর প্রত্যয় প্রত্যয় - [বিশেষ্য পদ] নিশ্চয়তা, প্রতীতি, বিশ্বাস; (ব্যকরণ) শব্দ বা ধাতুর উত্তর জায়মান বিভক্তি; ধাতু বা প্রাতিপদিকের উত্তর যা বিহিত হয় (কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়)
বাংলা গীতি কবিতায় ভোরের পাখি কে?
Correct Answer:
ক: বিহারীলাল চক্রবর্তী
Explanation:
বাংলা গীতি কবিতায় ভোরের পাখি কে? সঠিক উত্তর বিহারীলাল চক্রবর্তী বিহারীলাল চক্রবর্তী (২১ মে, ১৮৩৫ - ২৪ মে, ১৮৯৪) বাংলা ভাষার কবি। বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি - কবি হিসেবে তিনি সুপরিচিত। রবীন্দ্রনাথ তাকে বাঙলা গীতি কাব্য - ধারার 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন। তার সব কাব্যই বিশুদ্ধ গীতিকাব্য। মনোবীণার নিভৃত ঝংকারে তার কাব্যের সৃষ্টি। বাঙালি কবি মানসের বহির্মুখী দৃষ্টিকে অন্তর্মুখী করার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। অতি অল্পকালের ভিতরে তিনি বাংলা কবিতার প্রচলিত ধারার পরিবর্তন ঘটিয়ে নিবিড় অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যমে গীতিকবিতার ধারা চালু করেন। এ বিষয়ে তিনি সংস্কৃত ও ইংরেজি সাহিত্যের মাধ্যমে গভীরভাবে প্রভাবিত হন। বিহারীলাল তার কবিতায় ভাবের আধিক্যকে খুব বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রকৃতি ও প্রেম, সংগীতের উপস্থিতি, সহজ - সরল ভাষা বিহারীলালের কবিতাকে দিয়েছে আলাদাধারার বৈশিষ্ট্য।
'অর্ধচন্দ্র' -এর অর্থ ------
Correct Answer:
ক: গলা ধাক্কা দেয়া
Explanation:
'অর্ধচন্দ্র' -এর অর্থ ------ সঠিক উত্তর গলা ধাক্কা দেয়া অর্ধচন্দ্র = অর্ধেক চন্দ্র বা চাঁদ। বাগধারাটার অর্থ "গলা ধাক্কা"। নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, আমরা যখন কাউকে গলা ধাক্কা দেই তখন আমাদের হাতটা তখন অর্ধেক চাঁদের মত দেখায়। সেখান থেকেই অর্ধচন্দ্র শব্দের উৎপত্তি।
'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' গ্রন্থের রচয়িতা -----
Correct Answer:
গ: আবুল মনসুর আহ্মদ
Explanation:
'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' গ্রন্থের রচয়িতা ----- সঠিক উত্তর আবুল মনসুর আহ্মদ আবুল মনসুর আহমেদ একজন শক্তিমান লেখক ছিলেন। তিনি ব্যঙ্গাত্মক রচনায় বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। আয়না ও ফুড কনফারেন্স গল্পগ্রন্থদ্বয়ে তিনি মুসলিম সমাজের গোঁড়ামি, ধর্মান্ধতা, ভণ্ডামিসহ নানা কুসংস্কারের ব্যঙ্গ করেছেন তীক্ষ্ণ দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে। গ্রন্থসমূহ ব্যঙ্গরচনা আয়না (১৯৩৬ - ১৯৩৭) ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪) গালিভারের সফরনামা স্মৃতিকথা আত্মকথা (১৯৭৮, আত্মজীবনী) আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯) শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু (১৯৭২) অন্যান্য রচনা সত্য মিথ্যা (১৯৫৩) জীবনক্ষুধা (১৯৫৫) আবে হায়াত (১৯৬৪) হুযুর কেবলা (১৯৩৫) ”বাংলাদেশের কালচার” (১৯৬৬) বাংলা একাডেমি সম্প্রতি আবুল মনসুর আহমদ রচনাসমগ্র নিয়ে তিন খণ্ড প্রকাশনা করেছে। আরও তিন খণ্ড প্রকাশিতব্য রয়েছে ( জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সম্পাদনায় ও কবি ও গবেষক ইমরান মাহফুজের সহযোগিতায়।
'ক্ষমার যোগ্য' -এর বাক্য সংকোচন ------
Correct Answer:
ক: ক্ষমার্হ
Explanation:
'ক্ষমার যোগ্য' -এর বাক্য সংকোচন ------ সঠিক উত্তর ক্ষমার্হ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন: যার অনুরাগ দূর হয়েছে – বীতরাগ। যার পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ থাকে – জাতিস্মর। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় — স্বয়ংবরা। যে ব্যক্তি দ্বার রক্ষার জন্য নিযুক্ত — দারোয়ান। যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পরে জন্মে – মরণোত্তরজাতক। যে আলোতে কুমুদ ফোটে – কৌমুদী। ক্ষমার যোগ্য – ক্ষমার্হ । বাঘের চামড়া – কৃত্তি।
'চাচা কাহিনীর' লেখক------
Correct Answer:
খ: সৈয়দ মুজতবা আলী
Explanation:
'চাচা কাহিনীর' লেখক------ সঠিক উত্তর সৈয়দ মুজতবা আলী শান্তিনিকেতনে পড়ার সময় সেখানের বিশ্বভারতী নামের হস্তলিখিত ম্যাগাজিনে মুজতবা আলী লিখতেন। পরবর্তীতে তিনি ‘সত্যপীর’, ‘ওমর খৈয়াম’, ‘টেকচাঁদ’, ‘প্রিয়দর্শী’ প্রভৃতি ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্রিকায়, যেমন: দেশ, আনন্দবাজার, বসুমতী, সত্যযুগ, মোহাম্মদী প্রভৃতিতে কলাম লিখেন। তাঁর বহু দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন ভ্রমণলিপি। এছাড়াও লিখেছেন ছোটগল্প, উপন্যাস, রম্যরচনা। বিবিধ ভাষা থেকে শ্লোক ও রূপকের যথার্থ ব্যবহার, হাস্যরস সৃষ্টিতে পারদর্শিতা এবং এর মধ্য দিয়ে গভীর জীবনবোধ ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে এক বিশেষ মর্যাদার আসনে বসিয়েছে। অনেকের মতে, ১৯৫০ - ৬০ দশকে মুজতবা আলী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক। তাঁর একটি বিখ্যাত উক্তি হলো: “ বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না। ” তুলনাত্মক ভাষাতত্ত্বের অধ্যাপক মুজতবার ধর্মদর্শন নিয়ে বড় ভাই সৈয়দ মুর্তাজা আলী মন্তব্য করেন: তাঁর (মুজতবা আলীর) সাহিত্যে বিন্দুমাত্র ধর্মীয় সংকীর্ণতা ছিল না। কিন্তু তাঁর এই উদারতার জন্য গোঁড়া স্বধর্মীরা তাঁকে কোনোদিন ক্ষমা করেননি। তাঁর রচিত বইয়ের সংখ্যা ৩০। প্রকাশনা উপন্যাস অবিশ্বাস্য (১৯৫৪) শবনম (১৯৬০) শহর - ইয়ার (১৯৬৯) ভ্রমণকাহিনী দেশে বিদেশে (১৯৪৯) (কাবুল শহরের কাহিনী নিয়ে লেখা। ) জলে ডাঙ্গায় (১৯৬০) ছোটগল্প চাচা কাহিনী (১৯৫২) টুনি মেম (১৯৬৪) পঞ্চতন্ত্র (১৯৫২) ময়ূরকন্ঠী (১৯৫৭) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'লালসালু' (১৯৪৮), শওকত উসমানের উপন্যাস ' ক্রীতদাসের হাসি ' (১৯৬২)
'রাজলক্ষ্মী' চরিত্রর স্রষ্টা ঔপন্যাসিক -----
Correct Answer:
খ: শরৎচন্দ্র
Explanation:
'রাজলক্ষ্মী' চরিত্রর স্রষ্টা ঔপন্যাসিক ----- সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬ - ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক, ও গল্পকার। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তার অনেক উপন্যাস ভারতবর্ষের প্রধান ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে। বড়দিদি (১৯১৩), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (চারখণ্ডে ১৯১৭ - ১৯৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), পথের দাবী (১৯২৬), পরিণীতা (১৯১৪), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি শরৎচন্দ্র রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার দরুন তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত। শরৎচন্দ্রের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস " শ্রীকান্ত "। শ্রীকান্ত ' র একটি শক্তিশালী চরিত্র " রাজলক্ষ্মী "।
বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে কোন প্রাচীন লিপি থেকে?
Correct Answer:
ঘ: ব্রাক্ষী লিপি
Explanation:
বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে কোন প্রাচীন লিপি থেকে? সঠিক উত্তর ব্রাক্ষী লিপি 'ব্রাহ্মীলিপি' হতে বাংলালিপি ও বর্ণমালার উদ্ভব হয় । ব্রাহ্মীলিপি ভারতের মৌলিক লিপি। সিংহলী , ব্রহ্মী, শ্যামী, যবদ্বীপী, নাগরি ও তিব্বতি লিপিরও উৎস ব্রাহ্মীলিপি। সেন আমলে মূলত বাংলালিপির গঠন কার্য শুরু হয় এবং তা পাঠান আমলে স্থায়ী রূপ লাভ করে।
"মেঘনাদবধ" কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
"মেঘনাদবধ" কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'মেঘনাদ বধ' কাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। 'মেঘনাদ বধ' কাব্যের কাহিনী সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ থেকে গৃহীত হয়েছে। রাবণ, ,মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা এ মহাকাব্যের প্রধান চরিত্র। বাংলা সাহিত্যের একমাত্র সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে -------
Correct Answer:
গ: পদ
Explanation:
বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে ------- সঠিক উত্তর পদ বিভক্তিযুক্ত শব্দকেই পদ বলে। পদের প্রকারভেদ : পদ প্রধানত ২ প্রকার - সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ। সব্যয় পদ আবার ৪ প্রকার - বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া।
"চাচাকাহিনী" এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: সৈয়দ মুজতবা আলী
Explanation:
"চাচাকাহিনী" এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ মুজতবা আলী সরস, মার্জিত ,বুদ্ধিদ্বীপ্ত সাহিত্য ধারার প্রবর্তক সৈয়দ মুজতবা আলী। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ - রসিকতায় তার গদ্য রচনা প্রদীপ্ত। 'চাচা কাহিনী' (১৯৫৯) তার বিখ্যাত গ্রন্থ।
শেষের কবিতা -
Correct Answer:
ঘ: রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস
Explanation:
শেষের কবিতা - সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস 'শেষের কবিতা 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক কাব্য উপন্যাস । এ উপন্যাসের বিষয়বস্তু পুরুষ ও নারীর অবিরোধে একসঙ্গে দুজনকে ভালোবাসা। এ উপন্যাসে অমিত - লাবণ্য, কেতকী - শোভনলাল চরিত্রের মাধ্যমে প্রেমের বিচিত্র বিকাশ দেখানো হয়েছেন।
"রক্তকরবী" কি?
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথের নাটক
Explanation:
"রক্তকরবী" কি? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথের নাটক 'রক্তকবরী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি সাংকেতিক নাটক। নাটকটি ১৯২৬ সালে 'প্রবাসী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে কোন পদ ছাড়া বাক্য গঠন করা যায় না?
Correct Answer:
গ: ক্রিয়া পদ
Explanation:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে কোন পদ ছাড়া বাক্য গঠন করা যায় না? সঠিক উত্তর ক্রিয়া পদ যে পদ দ্বারা কোনো কার্য সম্পাদন করা বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলে। বাক্য গঠনের জন্য ক্রিয়াপদ অপরিহার্য। সুতরাং বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে ক্রিয়াপদ ছাড়া বাক্য গঠন করা যায় না।
কোনটি অশ্বের ডাক?
Correct Answer:
খ: হ্রেষা
Explanation:
কোনটি অশ্বের ডাক? সঠিক উত্তর হ্রেষা অশ্বের ডাক - হ্রেষা , হাতির ডাক - বৃংহতি ; রাজহাঁসের ডাক - ক্রেকার ; কুকুরের ডাক - বুক্কন।
কাজী নজরুল ইসলামের "বিদ্রোহী" কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তুর্ভূক্ত?
Correct Answer:
ক: অগ্নিবীণা
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের "বিদ্রোহী" কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তুর্ভূক্ত? সঠিক উত্তর অগ্নিবীণা অগ্নিবীণা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে (অক্টোবর, ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দ) প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা আছে। কবিতাগুলি হচ্ছে - ‘প্রলয়োল্লাস (কবিতা)’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বর - ধারিণী মা’, ‘আগমণী’, ‘ধূমকেতু’, কামাল পাশা’, ‘আনোয়ার ‘রণভেরী’, ‘শাত - ইল - আরব’, খেয়াপারের তরণী’, কোরবানী’ ও মোহররম’। এছাড়া গ্রন্থটির সর্বাগ্রে বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ - কে উৎসর্গ করে লেখা একটি উৎসর্গ কবিতাও আছে। ‘অগ্নি - বীণা’ প্রচ্ছদপটের পরিকল্পনা ছিল অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এঁকেছিলেন তরুণ চিত্রশিল্পী বীরেশ্বর সেন। বইটির তৎকালীন মূল্য ছিল ৩ টাকা। ৭ নং প্রতাপ চ্যাটার্জি লেন থেকে গ্রন্থকার কর্তৃক গ্রন্থটি মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। প্রাপ্তিস্থান হিসেবে গ্রন্থে লেখা ছিল: 'আর্য পাবলিশিং হাউস, কলেজ স্ট্রিট, মার্কেট (দোতলায়)'। গ্রন্থটি ছাপা হয় মেটকাফ প্রেস, ৭৯ নং বলরাম দে স্ট্রিট, কলিকাতা থেকে। দাম এক টাকা। গ্রন্থটির উৎসর্গ হচ্ছে - “বাঙলার অগ্নিযুগের আদি পুরোহিত সাগ্নিক বীর শ্রীবারীন্দ্রকুমার ঘোষ শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”। নিচে লেখা আছে “তোমার অগ্নি - পূজারী - হে - মহিমাম্বিত শিষ্য - কাজী নজরুল ইসলাম”। অরবিন্দ ঘোষের ভ্রাতা বারীন্দ্রকুমার ঘোষ বাংলা তথা ভারতের বিপ্লববাদী আন্দোলনের অন্যতম নায়ক ছিলেন। বিপ্লবে বিশ্বাসী নজরুল তাই নিজেকে বারীন্দ্রকুমারের ‘ - হে - মহিমান্বিত শিষ্য’ বলে উল্লেখ করে তাকেই তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ উৎসর্গ করেছিলেন।
যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না -----
Correct Answer:
গ: ঊষর
Explanation:
যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না ----- সঠিক উত্তর ঊষর অকালের ফুল অকালকুসুমঅগ্র পশ্চাৎ না ভেবে কাজ করে যে অবিমৃশ্যকারীঅনুমান করা যায় না যা অননুমেয়অরিকে দমন করে যে অরিন্দমঅশ্ব,রথ,হস্তী,ও পদাতিক সৈন্যের সমাহার চতুরঙ্গঅগ্রে দান করে যে অগ্রদানীঅনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক অনুসন্ধিৎসুঅপকার করার ইচ্ছা অপচিকীর্ষা
"দত্তকুলোদ্ভাব" কবি কে?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
"দত্তকুলোদ্ভাব" কবি কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত মাইকেল মধুসূদন দত্তকে 'দত্তকুলোদ্ভব' কবি বলা হয়। বাংলা কাব্য সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম বিপ্লবী কবি। তার 'তিলোত্তমা' কাব্য ১৮৫৯ সালে প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা কাব্য নতুন যুগের সূচনা শুরু হয়। তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেটের প্রবর্তন করেন। বাংলার প্রথম আধুনিক কমেডি ও ট্র্যাজেডির স্রষ্টাও তিনি। তার 'মেঘনাদ বধ' কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য।
হুতোমী গদ্যের লেখকের নাম-
Correct Answer:
গ: কালীপ্রসন্ন সিংহ
Explanation:
হুতোমী গদ্যের লেখকের নাম- সঠিক উত্তর কালীপ্রসন্ন সিংহ হুতোমী গদ্যের লেখক কালীপ্রসন্ন সিংহ। তার রচিত 'হুতোম পেঁচার নকশা' গ্রন্থে এক বিশেষ ভাষার ব্যবহার পরিলক্ষিত হয় । হুতোম পেঁচা ছিল তার ছদ্মনাম । সে জন্য তার ব্যবহৃত ভাষাকে হুতোমী বাংলা বলা হয়।
কোন শব্দটি অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ?
Correct Answer:
খ: গরল
Explanation:
কোন শব্দটি অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ? সঠিক উত্তর গরল গরল: ক্ষতিকর প্রভাব, বিষাক্ত কর, বিষ প্রয়োগ করা, বিষাক্ত করা, তিক্ত করা, বিদ্বিষ্ট করা, দূষিত করা. venom. বিষ, দ্বেষ, গরল, বিদ্বেষ, হিংসা, সর্পবিষ, বিদ্বেষপূর্ণ চাক্য. venom. বিষ, দ্বেষ, গরল, বিদ্বেষ, হিংসা, সর্পবিষ, বিদ্বেষপূর্ণ চাক্য.
"যে সব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী - সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি" - কার রচনা?
Correct Answer:
ঘ: আব্দুল হাকিম
Explanation:
"যে সব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী - সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি" - কার রচনা? সঠিক উত্তর আব্দুল হাকিম আলোচ্য উক্তিটি মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি আব্দুল হাকিম রচিত 'বঙ্গবাণী 'কবিতার উদ্ধৃতি।
মহাশ্মশান কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কবি কায়কোবাদের আসল নাম কি?
Correct Answer:
গ: মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী
Explanation:
মহাশ্মশান কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কবি কায়কোবাদের আসল নাম কি? সঠিক উত্তর মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ কর্তৃক রচিত মহাকাব্য 'মহাশ্মশান'। কায়কোবাদের আসল নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন?
Correct Answer:
গ: বসন্ত
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন? সঠিক উত্তর বসন্ত বসন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ঋতুনাট্য। ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ১০ ফাল্গুন নাটকটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এটি একটি পালাগান এবং নাটকের আঙ্গিকে রচিত রবীন্দ্রনাথের প্রথম পালাগান। এটি কবির প্রথম ঋতুনাট্যও বটে। নাটকের বিষয়বস্তু বসন্তের আগমন ও বিদায়। নাটকে ব্যবহৃত গানগুলি গীতবিতান গীতিসংকলনের প্রকৃতি পর্যায়ের বসন্ত উপপর্যায়ের অন্তর্গত। রবীন্দ্রনাথ নাটকটি উৎসর্গ করেন কাজী নজরুল ইসলামের উদ্দেশ্যে। পরে এই নাটকটি ঋতু - উৎসব (১৯২৬) সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়।
বাংলাদেশের বর্তমান সাহিত্যাঙ্গনে সব্যসাচী লেখক কাকে বলা হয়?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
বাংলাদেশের বর্তমান সাহিত্যাঙ্গনে সব্যসাচী লেখক কাকে বলা হয়? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক সৈয়দ শামসুল হক (২৭ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়।
কোন শব্দটি পুত্র শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ নয়?
Correct Answer:
গ: শৈল
Explanation:
কোন শব্দটি পুত্র শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ নয়? সঠিক উত্তর শৈল 'পুত্র' শব্দের সমার্থক শব্দ - আত্মজ, তনয়, নন্দন। 'শৈল ' শব্দের সমার্থক - অদ্রি, গিরি, পাহাড়, ভূধর, নগ প্রভৃতি। সুতরাং শৈল পুত্র' শব্দের সমার্থক নয়।
' সোনালী কাবিন ' এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: আল-মাহমুদ
Explanation:
' সোনালী কাবিন ' এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আল-মাহমুদ সোনালী কাবিন ' এর রচয়িতা আল মাহমুদ ‘সোনালী কাবিন’ আল মাহামুদের সনেট জাতীয় কাব্য। আল মাহমুদ যে সকল সাহিত্য রচনা করেছেন তার মধ্যে সোনালী কাবিন তাকে বেশি পরিচিতি প্রদান করেছে। এতে মোট ১৪টি সনেট রয়েছে। সোনালী কাবিন ‘‘সোনার দিনার নেই, দেনেমাহর চেয়ো না হরিণী যদি নাও, দিতে পারি কাবিনবিহীন হাত দু’টি, আত্মবিক্রয়ের স্বর্ণ কোনোকালে সঞ্চয় করিনি আহত বিক্ষত করে চারদিকে চতুর ভ্রুকুটি; ভালোবাসা দাও যদি আমি দেব আমার চুম্বন, ছলনা জানি না বলে আর কোনো ব্যবসা শিখিনি; দেহ দিলে দেহ পাবে, দেহের অধিক মূলধন আমার তো নেই সখী, যেই পণ্যে অলংকার কিনি। বিবসন হও যদি দেখতে পাবে আমাকে সরল পৌরুষ আবৃত করে জলপাইয়ের পাতাও থাকবে না; তুমি যদি খাও তবে আমাকেও দিয়ো সেই ফল জ্ঞানে ও অজ্ঞানে দোঁহে পরস্পর হব চিরচেনা পরাজিত নই নারী, পরাজিত হয় না কবিরা; দারুণ আহত বটে আর্ত আজ শিরা - উপশিরা। ” আল মাহমুদ মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (১১ জুলাই ১৯৩৬ – ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) যিনি আল মাহমুদ নামে অধিক পরিচিত, ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন প্রবাসী সরকারের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে । তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা - পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত সরকার বিরোধী সংবাদপত্র দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২ - ১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৫০ - এর দশকে যে কয়েকজন লেখক বাংলা ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ, রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার বিরোধী আন্দোলন নিয়ে লিখেছেন তাদের মধ্যে মাহমুদ একজন। লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্যও খ্যতি অর্জন করেছিলেন। আল মাহমুদ এর প্রারম্ভিক জীবন আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতৃপ্রদত্ত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। তার পিতার নাম মীর আবদুর রব ও মাতার নাম রওশন আরা মীর। তার দাদার নাম আব্দুল ওহাব মোল্লা যিনি হবিগঞ্জ জেলায় জমিদার ছিলেন। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার সাধনা হাই স্কুল এবং পরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড হাই স্কুলে পড়ালেখা করেন। মূলত এই সময় থেকেই তার লেখালেখির শুরু। আল মাহমুদ বেড়ে উঠেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। তিনি মধ্যযুগীয় প্রণয়োপাখ্যান, বৈষ্ণব পদাবলি, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল প্রমুখের সাহিত্য পাঠ করে ঢাকায় আসার পর কাব্য সাধনা শুরু করেন এবং ষাট দশকেই স্বীকৃতি ও পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন। আল মাহমুদ এর কর্মজীবন সংবাদপত্রে লেখালেখির সূত্র ধরে ১৯৫৪ সালে মাহমুদ ঢাকা আগমন করেন। সমকালীন বাংলা সাপ্তাহিক পত্র/পত্রিকার মধ্যে কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী সম্পাদিত ও নাজমুল হক প্রকাশিত সাপ্তাহিক কাফেলা পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি দৈনিক মিল্লাত পত্রিকায় প্রুফ রিডার হিসেবে সাংবাদিকতা জগতে পদচারণা শুরু করেন। ১৯৫৫ সাল কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী কাফেলা পত্রিকার চাকরি ছেড়ে দিলে তিনি সেখানে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে তিনি ভারত গমন করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। যুদ্ধের পরে দৈনিক গণকণ্ঠ নামক পত্রিকায় প্রতিষ্ঠা - সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। সম্পাদক থাকাকালীন এ সময় সরকারের বিরুদ্ধে লেখার কারণে এক বছরের জন্য কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। ১৯৭১ - এর মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি গল্প লেখার দিকে মনোযোগী হন। ১৯৭৫ সালে তার প্রথম ছোটগল্প গ্রন্থ পানকৌড়ির রক্ত প্রকাশিত হয়। পরে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে শিল্পকলা একাডেমীর গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের সহপরিচালক পদে নিয়োগ দেন। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর তিনি পরিচালক হন। পরিচালক হিসেবে ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন। আল মাহমুদ এর সাহিত্যজীবন ১৯৫৪ সাল অর্থাৎ ১৮ বছর বয়স থেকে তার কবিতা প্রকাশ পেতে থাকে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সমকাল পত্রিকা এবং কলকাতার নতুন সাহিত্য, চতুষ্কোণ, ময়ূখ ও কৃত্তিবাস ও বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকায় লেখালেখির সুবাদে ঢাকা - কলকাতার পাঠকদের কাছে তার নাম পরিচিত হয়ে ওঠে এবং তাকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয়। কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর (১৯৬৩) সর্বপ্রথম তাকে স্বনামধন্য কবিদের সারিতে জায়গা করে দেয়। এরপর কালের কলস (১৯৬৬), সোনালি কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে উঠো (১৯৭৬) কাব্যগ্রন্থগুলো তাকে প্রথম সারির কবি হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। ১৯৯৩ সালে বের হয় তার প্রথম উপন্যাস কবি ও কোলাহল। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার নগরকেন্দ্রিক প্রেক্ষাপটে ভাটি বাংলার জনজীবন, গ্রামীণ আবহ, নদীনির্ভর জনপদ, চরাঞ্চলের জীবনপ্রবাহ এবং নরনারীর চিরন্তন প্রেম - বিরহকে তার কবিতায় অবলম্বন করেন। নারী ও প্রেমের বিষয়টি তার কবিতায় ব্যাপকভাবে এসেছে। উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী হিসেবে নারীর যৌনতা, আকাঙ্ক্ষা ও ভোগের লালসাকে তিনি শিল্পের অংশ হিসেবেই দেখিয়েছেন আধুনিক বাংলা ভাষার প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততায় আঞ্চলিক শব্দের প্রয়োগ তার অনন্য কীর্তি। ১৯৬৮ সালে ‘লোক লোকান্তর’ ও ‘কালের কলস’ নামে দুটি কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তার সবচেয়ে সাড়া জাগানো সাহিত্যকর্ম সোনালি কাবিন। ১৯৭০ - এর দশকের শেষার্ধ তার কবিতায় বিশ্বস্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস উৎকীর্ণ হতে থাকে; এর জন্য তিনি প্রগতিশীলদের সমালোচনার মুখোমুখি হন। ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম উপন্যাস “কবি ও কোলাহল”। কোনো কোনো তাত্ত্বিকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিশ্বাসগ্রস্ততার কারণে তার বেশকিছু কবিতা লোকায়তিক সাহিত্যদর্শন দৃষ্টান্তবাদ দ্বারা অগ্রহণযোগ্য। তবে একথাও সত্য, কবিতায় দর্শন থাকে, কিন্তু দর্শন দ্বারা কবিতা নিয়ন্ত্রিত নয়, কবিতা আবেগের কারবার। আল মাহমুদ উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত গ্রন্থ লোক লোকান্তর (১৯৬৩) কালের কলস (১৯৬৬) সোনালী কাবিন (১৯৭৩) মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো (১৯৭৬) আরব্য রজনীর রাজহাঁস বখতিয়ারের ঘোড়া অদৃশ্যবাদীদের রান্নাবান্না Selected Poems - Al Mahmud (১৯৮১) দিনযাপন দ্বিতীয় ভাঙ্গন একটি পাখি লেজ ঝোলা পাখির কাছে ফুলের কাছে আল মাহমুদের গল্প গল্পসমগ্র প্রেমের গল্প যেভাবে বেড়ে উঠি কিশোর সমগ্র কবির আত্নবিশ্বাস কবিতাসমগ্র কবিতাসমগ্র - ২ পানকৌড়ির রক্ত সৌরভের কাছে পরাজিত গন্ধ বণিক ময়ূরীর মুখ না কোন শূন্যতা মানি না নদীর ভেতরের নদী পাখির কাছে , ফুলের কাছে প্রেম ও ভালোবাসার কবিতা প্রেম প্রকৃতির দ্রোহ আর প্রার্থনা কবিতা প্রেমের কবিতা সমগ্র উপমহাদেশ বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ উপন্যাস সমগ্র - ১ উপন্যাস সমগ্র - ২ উপন্যাস সমগ্র - ৩ তোমার গন্ধে ফুল ফুটেছে (২০১৫) ছায়ায় ঢাকা মায়ার পাহাড় (রূপকথা) ত্রিশেরা উড়াল কাব্য এ গল্পের শেষ নেই শুরুও ছিল না(মহাকাব্য) আল মাহমুদ পুরস্কার ও সম্মাননা বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮) জয় বাংলা পুরস্কার (১৯৭২) হুমায়ুন কবীর স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২) জীবনানন্দ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২) কাজী মোতাহার হোসেন সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৬) কবি জসীম উদ্দিন পুরস্কার ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬) একুশে পদক (১৯৮৬) নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক (১৯৯০) ভানুসিংহ সম্মাননা পদক (২০০৪) লালন পুরস্কার (২০১১) বাসাসপ কাব্যরত্ন (২০১৭)
'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' এর প্রধান লেখক ছিলেন----
Correct Answer:
ক: কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ
Explanation:
'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' এর প্রধান লেখক ছিলেন---- সঠিক উত্তর কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ মুসলিম সাহিত্য - সমাজ ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল শিক্ষক ও ছাত্রের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য - সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন, মুসলিম হলের ছাত্র এ.এফ.এম আবদুল হক, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্র আবদুল কাদির প্রমুখের ওপর। এরাই ছিলেন প্রথম কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য। নেপথ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করতেন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক কাজী আবদুল ওদুদ ও যুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক কাজী আনোয়ারুল কাদীর
"বনলতা সেন" কার রচনা?
Correct Answer:
ঘ: জীবনানন্দ দাশ
Explanation:
"বনলতা সেন" কার রচনা? সঠিক উত্তর জীবনানন্দ দাশ 'বনলতা সেন ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা জীবনানন্দ দাশ। জীবননান্দ দাশ প্রধানত প্রকৃতির কবি। তার কাব্য চিত্ররুপময়। তার রচিত কাব্যগ্রন্থের নাম 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' 'সাতটি তারার তিমির' 'বেলা অবেলা কালবেলা' এবং 'রুপসী বাংলা' প্রভৃতি।
রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরষ্কার পান-
Correct Answer:
ক: ১৯১৩ সালে
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরষ্কার পান- সঠিক উত্তর ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পান ১৯১৩ সালে তার 'গীতাঞ্জলি' ও অন্যান্য কাব্য থেকে কিছু কবিতার ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' গ্রন্থের জন্য।
' ঠক চাচা' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
Correct Answer:
ক: আলালের ঘরের দুলাল
Explanation:
' ঠক চাচা' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়? সঠিক উত্তর আলালের ঘরের দুলাল আলালের ঘরের দুলাল বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সফল উপন্যাস।প্যারীচাঁদ মিত্র ওরফে টেকচাঁদ ঠাকুর (১৮১৪ - ১৮৮৩) ১৮৫৭ সালে এটি রচনা করেন
' অপমান' শব্দের ' অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
Correct Answer:
ক: বিপরীত
Explanation:
' অপমান' শব্দের ' অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত? সঠিক উত্তর বিপরীত ‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম----
Correct Answer:
গ: উত্তরাধিকার
Explanation:
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম---- সঠিক উত্তর উত্তরাধিকার বাংলা একাডেমি থেকে যে ৬ টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়, তার মধ্যে 'উত্তরাধিকার' একটি। প্রথমে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হলে ও ১৯৮৩ সালে তা ত্রৈমাসিক করা হয়। বর্তমানে আবারও 'উত্তরাধিকার' মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে, 'লোকায়েত' আবুল কাশেম ফজলুল হক সম্পাদিত পত্রিকা।
কোন লেখিকা মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত?
Correct Answer:
খ: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
Explanation:
কোন লেখিকা মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত? সঠিক উত্তর রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত। মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন; পদ্মরাগ , অবরোধবাসিনী প্রভৃতি বেগম রোকেয়ার প্রসিদ্ধ গ্রন্থ। এ গ্রন্থসমূহের মাধ্যমে মুসলিম নারী সমাজের দুর্দশার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
Correct Answer:
গ: দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
Explanation:
শুদ্ধ বাক্য কোনটি? সঠিক উত্তর দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
' বঙ্গদর্শন ' পত্রিকা কোন সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
Correct Answer:
খ: ১৮৭২
Explanation:
' বঙ্গদর্শন ' পত্রিকা কোন সালে প্রথম প্রকাশিত হয়? সঠিক উত্তর ১৮৭২ বঙ্গদর্শন উনিশ শতাব্দীতে প্রকাশিত একটি বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বা সাময়িকপত্র। এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্থপতি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ১২৭৯ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ (১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দ, বারো এপ্রিল) তারিখে মাসিক বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়। সে সময়ে অবিভক্ত বাংলায় কোনো উন্নত মানের সাময়িকপত্র ছিল না। ১২৭৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখ থেকে ১২৮২ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাস অবধি এর সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ১২৮৩ বঙ্গাব্দে এর প্রকাশ স্থগিত থাকে। ১২৮৪ বঙ্গাব্দ থেকে পত্রিকাটি পুনঃপ্রকাশিত হয় সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায়। শ্রীশচন্দ্র মজুমদার ১২৯০ বঙ্গাব্দের কার্তিক থেকে মাঘ পর্যন্ত ৪টি সংখ্যার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৩০৮ বঙ্গাব্দ থেকে ১৩১২ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন নবপর্যায়ে ৫ বৎসর প্রকাশিত হয়।
কোন দ্বিরুক্ত শব্দজুটি বহুবচন সংকেত করে ?
Correct Answer:
ক: পাকা পাকা আম
Explanation:
কোন দ্বিরুক্ত শব্দজুটি বহুবচন সংকেত করে ? সঠিক উত্তর পাকা পাকা আম পাকা পাকা বলতে আধিক্য বোঝানো হয়েছে। দ্বিরুক্ত শব্দ বলতে বোঝায় ঐ সকল শব্দ, যা বাক্যের মধ্যে পরপর দু'বার উচ্চারিত হয়েছে।
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ------
Correct Answer:
খ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
Explanation:
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ------ সঠিক উত্তর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্যউত্তর: সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য: বাংলা ভাষার দুটি রূপ—সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা। দুটি রূপের মধ্যে যেমন প্রকৃতিগত সাদৃশ্য রয়েছে, তেমনি পার্থক্যও রয়েছে। নিচে এ দুয়ের পার্থক্য আলোচনা করা হলো। সাধু ভাষা চলিত ভাষা ১। যে ভাষায় সাধারণত সাহিত্য রচিত হয় এবং যা মার্জিত ও সর্বজনস্বীকৃত, তাই সাধু ভাষা। ১। শিক্ষিত লোক সাধারণ কথাবার্তায় যে ভাষা ব্যবহার করে থাকে, তা - ই চলিত ভাষা। ২। সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী। ২। চলিত ভাষার সুনির্ধারিত ব্যাকরণ আজও তৈরি হয়নি। ৩। সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী। ৩। চলিত ভাষা সহজ ও স্বাভাবিক। এ ভাষা মানুষের মনোভাব প্রকাশে উপযোগী। ৪। সাধু ভাষার কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়। ৪। চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল। ৫। সাধু ভাষা কৃত্রিম। ৫। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। ৬। সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় তেমন উপযোগী নয়। ৬। চলিত ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় বেশ উপযোগী। ৭। সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়ে থাকে। যেমন—খাইতেছি, তাহারা ইত্যাদি। ৭। চলিত ভাষায় ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত। যেমন—খাচ্ছি, তারা ইত্যাদি। ৮। এ ভাষা প্রাচীন। ৮। এটি আধুনিক। ৯। সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। ৯। চলিত ভাষায় অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রয়োগ বেশি। ১০। সাধু ভাষায় অপনিহিত ও অভিশ্রুতির ব্যবহার নেই। ১০। চলিত ভাষায় এদের প্রয়োগ লক্ষণীয়। সাধুরীতি থেকে চলিতরীতিতে পরিবর্তনের নিয়ম নিচে উল্লিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে সাধু ভাষাকে চলিত ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়: ই - স্বরধ্বনির লোপ: ক্রিয়াপদের মধ্যে ই - স্বরধ্বনি থাকলে চলিত রীতিতে ই - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—খাইব>খাব, আসিবে>আসবে। উ - স্বরধ্বনির লোপ: চলিত রীতিতে উ - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—হউক>হোক, থাউক>থাক। হ - কারের লোপ: চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় পদের মধ্যে হ - কারের লোপ হয়। যেমন—তাহা>তা, যাহা>যা। উ - ধ্বনির পরিবর্তন: পদের শেষে অ - আ স্বরধ্বনি থাকলে চলিতরীতিতে পূর্ববর্তী উ - স্বরধ্বনি ও - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়।যেমন—শুন>শোন উঠে>ওঠে। আ - ধ্বনির পরিবর্তন: পূর্ববর্তী ই - ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অক্ষরের আ - ধ্বনি এ - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—গিয়া>গিয়ে মিঠা>মিঠে। অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে পরিবর্তন: অপিনিহিত, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে সাধুরীতির পরিবর্তন ঘটে। যেমন—করিয়া>করে, ছুটিয়া>ছুটে।উদাহরণ:সাধুরীতি: দেখিলাম, এই সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো আসিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল হইতে সে জাগিয়া উঠে নাই। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের উপর সকালের আলো ঠিকরিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু বরফ এখনো গলিল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!চলিতরীতি: দেখলাম, এ সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো এসে পড়েছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল থেকে সে জেগে ওঠেনি। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের ওপর সকালের আলো ঠিকরে পড়েছে, কিন্তু বরফ এখনো গলল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!
বাংলা ভাষায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ কয় প্রকার?
Correct Answer:
গ: ৩ প্রকার
Explanation:
বাংলা ভাষায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ কয় প্রকার? সঠিক উত্তর ৩ প্রকার বাংলা ভাষায় শব্দের শ্রেণীবিভাগ ৩ প্রকার। যথা : গঠনমূলক , অর্থমূলক এবং উৎপত্তিমূলক শ্রেণীবিভাগ। উৎপত্তিমূলক হলো ৫ প্রকার, গঠনমূলক হলো ২ প্রকার এবং অর্থমূলক হলো ৩ প্রকার।
' সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন -----
Correct Answer:
খ: সিকান্দার আবু জাফর
Explanation:
' সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ----- সঠিক উত্তর সিকান্দার আবু জাফর দিগদর্শন (১৮১৮)দিগদর্শন প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র।শ্রীরামপুর মিশনের উদ্যোগে শ্রীরামপুর থেকে ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে প্রথম এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়।সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।চার পৃষ্ঠার পত্রিকাটি ছিল বাংলা - ইংরেজি দ্বিভাষিক পত্রিকা। এখানে বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ একসঙ্গে প্রকাশিত হত। শ্রীরামপুরের সাংবাদিকেরা একটি নিজস্ব ভাষারীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। এটি ছিল মাসিক পত্রিকা এবং এখানে ছাত্রদের উপযোগী ইতিহাস, ভূগোল ও বিজ্ঞান সংক্রান্ত নানা রচনা থাকত।
বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক-
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক- সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক ও বিদ্রুপাত্মক প্রাবন্ধিক হিসেবে চিরস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব প্রমথ চৌধুরী । তার ' তেল - নুন - লকড়ি (১৯০৬) , 'বীরবলের হালখাতা' (১৯১৬), 'নানাকথা' (১৯১৯) , 'আমাদের শিক্ষা' (১৯২০)' 'রায়তের কথা' (১৯২৬) , 'নানচর্চা' (১৯৩২), 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' (১ম খণ্ড - ১৯৫২ ও ২য় খণ্ড - ১৯৫৩) ইত্যাদি গদ্যগ্রন্থ বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ । কবিতা ও ছোটগল্পের রচিয়তা হিসেবে ও তিনি খ্যাত। 'সনেট পঞ্চাশৎ '(১৯১৩) ও ' পদচারণ' (১৯১৯) তার কাব্যগ্রন্থ। 'চার ইয়ারী কথা' (১৯১৬) আহুতি (১৯১৯) ,'নীল লোহিত ' ও 'গল্প সংগ্রহ ' (১৯৪১) তার গল্পগ্রন্থ।