Charyapad MCQs
Showing 50 questions (Total: 107)
চর্যাপদ এক প্রকার-
Correct Answer:
গ: গান
Explanation:
চর্যাপদ এক প্রকার- সঠিক উত্তর গান বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ একই সাথে গান ও কবিতা।
কোন শাসনামলে চর্যাপদ রচিত হয়েছিলো?
Correct Answer:
ক: পাল আমলে
Explanation:
কোন শাসনামলে চর্যাপদ রচিত হয়েছিলো? সঠিক উত্তর পাল আমলে পাল শাসনামলে চর্যাপদ রচিত হয়।পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল।ধর্মপাল এবং দেবপালের শাসনকাল ছিল এ বংশের উদীয়মান প্রতিপত্তির যুগ।বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ পাল শাসনামলে রচিত হয়।পাল শাসনামলে সবার নামের শেষে পাল কথাটি ছিল,আর পাল শব্দের অর্থ - রক্ষাকর্তা।
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ' কোন ছন্দে রচিত?
Correct Answer:
খ: মাত্রাবৃত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ' কোন ছন্দে রচিত? সঠিক উত্তর মাত্রাবৃত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ মাত্রা বৃত্তছন্দে রচিত। চর্যাপদের পদগুলো প্রাচীন কোন ছন্দে রচিত তা বলা সম্ভব নয়। তবে আধনিক ছন্দের বিচারে এগুলোকে মাত্রা বৃত্ত ছন্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।
চর্যাপদের কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন ?
Correct Answer:
ক: ভুসুকুপা
Explanation:
চর্যাপদের কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন ? সঠিক উত্তর ভুসুকুপা চর্যাপদের কবি ভুসুকুপা নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন। চর্যাগীতি রচনার সংখ্যাধিক্যে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন ভুসুকুপা। তার রচিত পদের সংখ্যা হলো - ৮ টি।
চর্যাপদের আদি কবি কে?
Correct Answer:
ঘ: লুইপা
Explanation:
চর্যাপদের আদি কবি কে? সঠিক উত্তর লুইপা চর্যাপদ এর রচয়িতা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছেন চর্যাপদের আদি কবি লুইপা।ব্স্তান - 'গ্যুর গ্রন্থে লুই পাকে শ্রীভগবদ অভিসময়, বজ্রসত্ত্ব সাধনা, তত্ত্বস্বভাব দোহাকোষ গীতিকা দৃষ্টি নাম, শ্রীচক্রসম্বর অভিসময় টীকা এবং বুদ্ধদয়া গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি অতীশ দীপঙ্করের সাথে অভিসময় বিভঙ্গ রচনা করেছিলেন। চর্যাপদের প্রথম এবং ঊনত্রিশতম পদ লুই পার রচনা।
চর্যাপদ হলো -
Correct Answer:
খ: সাধন সংগীত
Explanation:
চর্যাপদ হলো - সঠিক উত্তর সাধন সংগীত = বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদ হলো বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধন সংগীত। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
চর্যাপদ মূলত -
Correct Answer:
খ: সাধন সম্পর্কিত গীত
Explanation:
চর্যাপদ মূলত - সঠিক উত্তর সাধন সম্পর্কিত গীত 'চর্যাপদ ' মূলত বৌদ্ধ সহজিয়াগণের রচিত সাধন সম্পর্কিত গীত। 'চর্যাপদ' বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে এ গ্রন্থটি আবিষ্কৃত হয়।
চর্যাপদ কোন ছন্দে লেখা?
Correct Answer:
খ: মাত্রবৃত্ত
'টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী' হাড়ীতে ভাত নাহি নিতি আবেশী' । চর্যাপদের এ চরণ দুটিতে কি বোঝানো হয়েছে?
Correct Answer:
গ: দারিদ্র্যক্লিষ্ট জীবনের চিত্র
Explanation:
'টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী' হাড়ীতে ভাত নাহি নিতি আবেশী' । চর্যাপদের এ চরণ দুটিতে কি বোঝানো হয়েছে? সঠিক উত্তর দারিদ্র্যক্লিষ্ট জীবনের চিত্র চর্যাপদঃ টালত মোর ঘর নাহি পড়বেসী।হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী। আধুনিক বাংলাঃ টিলার উপর আমার ঘর,আমার কোন প্রতিবেশী নেই।আমার হাঁড়িতে ভাত নেই,অথচ নিত্য অতিথি আসে। চর্যাপদের এই চরণ দুটিতে বোঝানো হয়েছে দারিদ্র্যক্লিষ্ট জীবনের চিত্র।
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন__
Correct Answer:
গ: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
Explanation:
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন__ সঠিক উত্তর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করেন__ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।
বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ কত সালে, কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছিল?
Correct Answer:
ক: বাংলা ভাষার আদি নির্দশন ‘চর্যাপদ’ হ্রপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে আবিষ্কৃত হয়।
'চর্যাপদ' কোথায় আবিষ্কার হয়?
Correct Answer:
ঘ: নেপালের রাজগ্রন্থাগার
Explanation:
'চর্যাপদ' কোথায় আবিষ্কার হয়? সঠিক উত্তর নেপালের রাজগ্রন্থাগার মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার হতে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
কোন জন 'চর্যাপদ'-এর পদকর্তা?
Correct Answer:
ক: শবরপা
Explanation:
কোন জন 'চর্যাপদ'-এর পদকর্তা? সঠিক উত্তর শবরপা চর্যাপদ রচয়িতার মধ্যে শবরপা অন্যতম। মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে তিনি বাংলাদেশের লোক। তার রচিত পদ সংখ্যা ২ টি। 'রামায়ণ' প্রথম বাংলা অনুবাদ করেন কৃত্তিবাস ওঝা। বিদ্যাপতি বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার।
চর্যাপদ মূলত-
Correct Answer:
খ: সাধন সম্পর্কিত গীত
Explanation:
চর্যাপদ মূলত- সঠিক উত্তর সাধন সম্পর্কিত গীত 'চর্যাপদ ' মূলত বৌদ্ধ সহজিয়াগণের রচিত সাধন সম্পর্কিত গীত। 'চর্যাপদ' বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে এ গ্রন্থটি আবিষ্কৃত হয়।
চর্যাপদের গান সংখ্যা কতগুলো?
Correct Answer:
খ: ৫১ টি
Explanation:
চর্যাপদের গান সংখ্যা কতগুলো? সঠিক উত্তর ৫১ টি বাংলায় মুসলমান আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হবার আগে ব্রাহ্মণ্য হিন্দুসমাজের পীড়নের আশঙ্কায় বাংলার বৌদ্ধগণ তাঁদের ধর্মীয় পুঁথিপত্র নিয়ে শিষ্যদের সঙ্গী করে নেপাল, ভুটান ও তিব্বতে পলায়ন করেছিলেন – এই ধারণার বশবর্তী হয়ে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তিনবার নেপাল পরিভ্রমণ করেন। ১৮৯৭ সালে বৌদ্ধ লোকাচার সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য তিনি প্রথমবার নেপাল ভ্রমণ করেন। ১৮৯৮ সালের তার দ্বিতীয়বার নেপাল ভ্রমণের সময় তিনি কিছু বৌদ্ধ ধর্মীয় পুঁথিপত্র সংগ্রহ করেন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে তৃতীয়বার নেপাল ভ্রমণকালে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামক একটি পুঁথি নেপাল রাজদরবারের অভিলিপিশালায় আবিষ্কার করেন। চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, সরহপাদের দোহা এবং অদ্বয় বজ্রের সংস্কৃত সহজাম্নায় পঞ্জিকা, কৃষ্ণাচার্য বা কাহ্নপাদের দোহা, আচার্যপাদের সংস্কৃত মেখলা নামক টীকা ও আগেই আবিষ্কৃত ডাকার্ণব পুঁথি একত্রে ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (শ্রাবণ, ১৩২৩ বঙ্গাব্দ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা বৌদ্ধগান ও দোঁহা শিরোনামে সম্পাদকীয় ভূমিকাসহ প্রকাশ করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মোট ৪৬টি পূর্ণাঙ্গ ও একটি খণ্ডিত পদ পেয়েছিলেন। পুঁথিটির মধ্যে কয়েকটি পাতা ছেঁড়া ছিল। প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যার যে তিব্বতি অনুবাদ সংগ্রহ করেন তাতে আরও চারটি পদের অনুবাদসহ ওই খণ্ডপদটির অনুবাদও পাওয়া যায়। মূল পুঁথির পদের সংখ্যা ছিল ৫১। মূল তিব্বতি অনুবাদের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, মূল পুঁথির নাম চর্যাগীতিকোষ এবং এতে ১০০টি পদ ছিল। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুঁথিটি চর্যাগীতিকোষ থেকে নির্বাচিত পুঁথিসমূহের সমূল টীকাভাষ্য।
কোন কবির সবচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া গেছে ?
Correct Answer:
খ: কাহূপা
Explanation:
কোন কবির সবচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া গেছে ? সঠিক উত্তর কাহূপা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ এর সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কাহ্নপা । তার পদের সংখ্যা ১৩ টি । লুইপা ২ টি ,ভুদুকুপা ৮ টি ,শবরপা ২ টি পদ রচনা করেন ।
চর্যাপদের আদি কবি কে ?
Correct Answer:
ঘ: লুইপা
Explanation:
চর্যাপদের আদি কবি কে ? সঠিক উত্তর লুইপা সাধারণভাবে লুইপাদকেই আদি সিদ্ধাচার্য মনে করা হয়। তাঞ্জর বর্ণনা অনুযায়ী তিনি ছিলেন বাঙালি। তিনি মগধের বাসিন্দা ছিলেন ও রাঢ় ও ময়ূরভঞ্জে আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়। চর্যার টীকায় তাঁর অন্য নাম লূয়ীপাদ বা লূয়ীচরণ। ১ ও ২৯ সংখ্যক পদদুটি তাঁর রচিত।
'চর্যাপদ' কোন ছন্দে লেখা?
Correct Answer:
খ: মাত্রাবৃত্ত
Explanation:
'চর্যাপদ' কোন ছন্দে লেখা? সঠিক উত্তর মাত্রাবৃত্ত মাত্রাবৃত্ত ছন্দ (কলাবৃত্ত বা ধ্বনিপ্রধান ছন্দ) বাংলা সাহিত্যে প্রচলিত প্রধান তিনটি ছন্দের একটি। অন্য দুটি হলো স্বরবৃত্ত ছন্দ এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দ। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লেখা কবিতাগুলোর মূলপর্ব ৪, ৫, ৬, ৭ মাত্রার হতে পারে।
চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে ?
Correct Answer:
ঘ: বৌদ্ধধর্ম
Explanation:
চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে ? সঠিক উত্তর বৌদ্ধধর্ম ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত "চর্যাপদ" হল বৌদ্ধ সহজিয়া পন্থীদের দেহ সাধনার বই। চর্যাপদের ধর্মমত নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯২৭ সালে। বৌদ্ধ ধর্মমতে - শূন্যতা + করূণা = বোধিসত্ত্বলাভ ইহ জগতের সবকিছুই মূল্যহীন এই উপলব্ধি হচ্ছে - শূন্যতা। আর বস্তু জগতের লোভ লালসা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে বলে - করূণা। এই দুয়ের সমন্বয়ে সাধনার চরম স্তরে পৌঁছানো যায়। অর্থাৎ বোধিসত্ত্ব লাভ হয়। ১ সংখ্যক চর্যায় লুইপা লিখেছেন, "কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চিএ পইঠা কাল।।" অর্থাৎ দেহ হল তরুর মত পাঁচটা যার ডাল চঞ্চল চিত্তে প্রবেশ করে কাল। চর্যাপদে দেহ সাধনার কথা লেখা হয়েছে গূঢ় রহস্যপূর্ণ ভাষায় - যা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা প্রায় অসম্ভব।
কোন ব্যক্তি সম্প্রতি নতুন চর্যাপদ আবিষ্কার করেন?
Correct Answer:
ক: সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
Explanation:
কোন ব্যক্তি সম্প্রতি নতুন চর্যাপদ আবিষ্কার করেন? সঠিক উত্তর সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ নতুন চর্যাপদে সংকলিত মূলত বজ্রযানী দেবদেবীর আরাধনার গীত। এসব পদে তান্ত্রিক নানা দেবদেবীর রূপসৌন্দর্য, মুখ ও বাহুর বর্ণনা, তাঁদের আসন, মুদ্রা ও দেহভঙ্গি, তাঁদের আভরণ ও আয়ুধ ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্য ও বর্ণনা আছে। 2017 সালে বাংলা একাডেমী বইমেলায় বইটি প্রকাশিত হয়।
'চর্যাপদের ' আদি কবি কে?
Correct Answer:
ক: লুই পা
Explanation:
'চর্যাপদের ' আদি কবি কে? সঠিক উত্তর লুই পা বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ । চর্যাপদে 23 (মতান্তরে 24) জন কবির নাম পাওয়া যায় । চর্যাপদের আদি কবি লুইপা এবং সর্বাধিক পদ (13 টি) রচয়িতা কাহ্নপা ।
চর্যাপদে কোন ধর্মের কথা বলা হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: বৌদ্ধধর্ম
Explanation:
চর্যাপদে কোন ধর্মের কথা বলা হয়েছে? সঠিক উত্তর বৌদ্ধধর্ম মূলত চর্যাপদ রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। আর এই বৌদ্ধ সহজিয়া সম্প্রদায় হলো বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বাউল সম্প্রদায়ের লোক। এছাড়া ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত চর্যাপদ সংক্রান্ত গ্রন্থের নাম হলো 'Buddhist Mystic Songs' (১৯২৭ সালে)। অর্থাৎ এখান থেকেও বুঝা যায় যে, বৌদ্ধ ধর্মের কথাই চর্যাপদে উল্লেখ রয়েছে।
চর্যাপদ রচনার উদ্দেশ্য কি ছিল?
Correct Answer:
খ: ধর্ম চর্চা
চর্যাপদের টীকাকারের নাম কী?
Correct Answer:
ঘ: মুনিদত্ত
Explanation:
চর্যাপদের টীকাকারের নাম কী? সঠিক উত্তর মুনিদত্ত চর্যাপদের টীকাকারের নাম হলো 'মুনিদত্ত'। উল্লেখ্য, ‘প্রবোধচন্দ্র বাগচী' হলেন ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম পণ্ডিত, সাহিত্য গবেষক এবং ‘শিক্ষাবিদ’। আর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী হলেন চর্যাপদের আবিষ্কারক।
‘চর্যাপদ’ কোন ছন্দে রচিত ?
Correct Answer:
খ: মাত্রাবৃত্ত
Explanation:
‘চর্যাপদ’ কোন ছন্দে রচিত ? সঠিক উত্তর মাত্রাবৃত্ত চর্যাপদ 'মাত্রাবৃত্ত' ছন্দে লেখা। আধুনিক ছন্দের বিচারে এগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অধীনে বিবেচ্য। মাত্রাবৃ্ত্ত হলো প্রতি পর্বে ৫/৬/৭/৮ এর মাত্রা সংখ্যার চাল।
কোনজন চর্যাপদের পদকর্তা?
Correct Answer:
খ: শবরপা
Explanation:
কোনজন চর্যাপদের পদকর্তা? সঠিক উত্তর শবরপা প্রাচীন যুগের বাংলাা সাহিত্যের একমাত্রা নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ গানের সংকলন বা সাধন সংগীত , যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। । এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারে ( রয়েল লাইব্রেরি) থেকে ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন। এতে মোট পদ আছে ৫১ টি এবং পদকর্তা ২৪ জন। চর্যাপদের পদকর্তাশবরপা মোট ২ টি রচনা করেছেন। মঙ্গলযুগের শেষ কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্য’ এর রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর । মিথিলার কবি এবং ‘পদাবলি সাহিত্যের আদি কবি বিদ্যাপতি। বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি চন্ডীদাস। চন্ডীদাসের বিখ্যাতদ উক্তি ‘ গুনহ মানুষ তাই/ সবার উপরে মানুষ সত্যি , তাহার উপর নাই’।
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ এর আবিষ্কর্তা হলেন-
Correct Answer:
ঘ: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ এর আবিষ্কর্তা হলেন- সঠিক উত্তর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তৃতীয়বারের (প্রথমবার - ১৮৯৭, দ্বিতীয়বার - ১৮৯৮) প্রচেষ্টায় ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন। তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) কলকাতার ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে 'চর্য্যাচর্যবিনিশ্চয়', ‘ডাকার্ণব’, ‘সরহপাদের দোহা' ও 'কৃষ্ণপাদের দোহা' গ্রন্থের সম্মিলনে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।
বাংলা সাহিত্যের (চর্যাপদের) আদি কবি কে?
Correct Answer:
গ: লুইপা
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের (চর্যাপদের) আদি কবি কে? সঠিক উত্তর লুইপা চর্যাপদ এর রচয়িতা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছেন চর্যাপদের আদি কবি লুইপা। ব্স্তান - 'গ্যুর গ্রন্থে লুই পাকে শ্রীভগবদ অভিসময়, বজ্রসত্ত্ব সাধনা, তত্ত্বস্বভাব দোহাকোষ গীতিকা দৃষ্টি নাম, শ্রীচক্রসম্বর অভিসময় টীকা এবং বুদ্ধদয়া গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি অতীশ দীপঙ্করের সাথে অভিসময় বিভঙ্গ রচনা করেছিলেন। চর্যাপদের প্রথম এবং ঊনত্রিশতম পদ লুই পার রচনা।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?
Correct Answer:
ক: Buddist Mystic Songs
চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান কোথায়?
Correct Answer:
খ: নেপাল
Explanation:
চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান কোথায়? সঠিক উত্তর নেপাল প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। ১৮৮২ সালে বিবিয়াম পত্রিকার সম্পাদক রাজেন্দ্রলাল মিত্র Sanskrit Buddhist Literature in Nepal' গ্রন্থে নেপালে থা সংস্কৃত ভাষায় রচিত বিভিন্ন বৌদ্ধতান্ত্রিক সাহিত্যের কথা প্রকাশ করেন। রাজেন্দ্রলালের মৃত্যুর পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার বাংলা, বিহার ও আসাম অঞ্চলের পুঁথি সপ্তাহের দায়িত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মহামহোপাধ্যায় হরপ্রস শাস্ত্রীর উপর। তিনি তৃতীয়বারের প্রচেষ্টা ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের সন্থাগারে (রয়েল লাইব্রেরি) নতুন কিছু পুঁথির সন্ধান পান, মা 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়', 'ডাকার্ণব’, ‘সরহপানের দোহা' ও 'কৃষ্ণপাদের দোহা নামে পরিচিত। পরবর্তীতে এগুলো তাঁর সম্পাদনায় ১৯১ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ ব.) কলকাতার 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।
’চর্যাপদ’ কোন ছন্দে লেখা?
Correct Answer:
ক: মাত্রাবৃত্ত
চর্যাপদের ভাষাকে ‘আলো -আঁধারি বলে অভিহিত করেছেন কে?
Correct Answer:
গ: হরপ্রাসাদ শাস্ত্রী
‘চর্যাপদ’ কোন যুগের কাব্য?
Correct Answer:
ক: প্রাচীন যুগ
চর্যাপদের অধ্যাত্মভাবনা ও সাহিত্যিক উৎকর্ষেরা সর্বোত্তম সমস্বয় ঘটেছে যার মাধ্যমে-
Correct Answer:
ক: সমাজচিত্র
চর্যাপদ হলো-
Correct Answer:
খ: সাধন সংগীত
চর্যাপদ’ হলো মূলত-
Correct Answer:
ক: গানের সংকলন
Explanation:
চর্যাপদ’ হলো মূলত- সঠিক উত্তর গানের সংকলন চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্য ভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি। খ্রিষ্টীয় ৬৫০ - ১২০০ সালে (ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ'র মতে) বা ৯৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে ( আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এর মতে) রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তারা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।
চর্যাপদে কত জন কবির পদ রয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: ২৪ জন
Explanation:
চর্যাপদে কত জন কবির পদ রয়েছে? সঠিক উত্তর ২৪ জন আবিষ্কৃত পুঁথিটিতে ৫০টি চর্যায় মোট ২৪ জন সিদ্ধাচার্যের নাম পাওয়া যায়। এঁরা হলেন: লুই, কুক্কুরী, বিরুআ, গুণ্ডরী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কাম্বলাম্বর, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, শবর, আজদেব, ঢেণ্ঢণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জয়নন্দী, ধাম, তান্তী পা, লাড়ীডোম্বী। এঁদের মধ্যে লাড়ীডোম্বীর পদটি পাওয়া যায়নি। ২৪, ২৫ ও ৪৮ সংখ্যক পদগুলি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুঁথিতে না থাকলেও ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচী আবিষ্কৃত তিব্বতি অনুবাদে এগুলির রচয়িতার নাম উল্লিখিত হয়েছে যথাক্রমে কাহ্ন, তান্তী পা ও কুক্কুরী। এই নামগুলির অধিকাংশই তাঁদের ছদ্মনাম এবং ভনিতার শেষে তাঁরা নামের সঙ্গে 'পা' (
চর্যাপদ কে সম্পাদন করেন?
Correct Answer:
ঘ: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
‘চর্যাপদ’ মূলত:
Correct Answer:
খ: গানের সংকলন
Explanation:
‘চর্যাপদ’ মূলত: সঠিক উত্তর গানের সংকলন চর্যাপদ মূলত প্রাচীনতম পদের সংকলন। সাংকেতিক পদ্ধতিতে বৌদ্ধ সিদ্ধার্যগণ চর্যাপদের গীতিপদাবলি রচনা করেছিলেন। চর্যাপদ একটি গীতি সংকলন। এতে মোট ২৩ জন কবির মোট সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে।
চর্যাপদের ভাষা-
Correct Answer:
ক: সান্ধ্য ভাষা
Explanation:
চর্যাপদের ভাষা- সঠিক উত্তর সান্ধ্য ভাষা বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ যে ভাষায় লেখা হয়েছে তা সন্ধ্যাভাষা নামে পরিচিত। "সন্ধ্যা" কোনো ভাষার নাম না হলেও দুর্বোধ্যতার কারণে এরুপ নামকরণ করা হয়েছে। এই ধরনের ভাষারীতিতে শব্দের দুটি অর্থ থাকে - একটি তার সাধারণ অর্থ, অন্যটি নিগুঢ় অর্থ। সন্ধ্যা হচ্ছে এমন একটা সময় যখন আলো আঁধারকে আলিঙ্গন করে।
’চর্যাপদ’ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
Correct Answer:
গ: ১৯০৭ সালে
Explanation:
’চর্যাপদ’ আবিষ্কৃত হয় কত সালে? সঠিক উত্তর ১৯০৭ সালে বাংলা ভাষা ও সঙ্গীতের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন।
চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতা-
Correct Answer:
ক: লুইপা
Explanation:
চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতা- সঠিক উত্তর লুইপা বিশেষজ্ঞদের মতে এই পুঁথির রচয়িতা শ্রীকৃষ্ণাচার্যই প্রকৃতপক্ষে চর্যার কাহ্নপাদ বা চর্যা-টীকার কৃষ্ণাচার্য। নাথ সাহিত্য অনুযায়ী কাহ্নপাদের গুরু জালন্ধরিপাদ বা হাড়িপা, যিনি গোরক্ষনাথের শিষ্য ছিলেন।
‘চর্যাপদ’ কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে?
Correct Answer:
খ: নেপাল
Explanation:
‘চর্যাপদ’ কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে? সঠিক উত্তর নেপাল ১৯০৭ নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ পুঁথিটি আবিষ্কার করেন, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯২০ রাহুল সাংকৃত্যায়ন এ বছর থেকে পরবর্তী এক দশকে কয়েকবার তিব্বত সফর করে সেখান থেকে ২০টি চর্যাগীতি সংগ্রহ করতে সমর্থ হন। ১৯৫৪ সালে সেগুলো এলাহাবাদ থেকে প্রকাশিত হয়।
চর্যাপদ কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
Correct Answer:
গ: ১৯০৭
Explanation:
চর্যাপদ কত সালে আবিষ্কৃত হয়? সঠিক উত্তর ১৯০৭ বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন 'চর্যাপদ' মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে আবিষ্কৃত হয় । বৌদ্ধ সহজিয়াগণের রচিত চর্যাপদ ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয় ।চর্যার পুঁথিতে ৫১ টি গান ছিল, যার সাড়ে ৪৬ টি পাওয়া গেছে।
‘চর্যাপদ’ কত সালে আবিষ্কার হয়?
Correct Answer:
খ: ১৯০৭
Explanation:
‘চর্যাপদ’ কত সালে আবিষ্কার হয়? সঠিক উত্তর ১৯০৭ ১৯০৭ নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ পুঁথিটি আবিষ্কার করেন, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯২০ রাহুল সাংকৃত্যায়ন এ বছর থেকে পরবর্তী এক দশকে কয়েকবার তিব্বত সফর করে সেখান থেকে ২০টি চর্যাগীতি সংগ্রহ করতে সমর্থ হন। ১৯৫৪ সালে সেগুলো এলাহাবাদ থেকে প্রকাশিত হয়
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথম কোথা থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন?
Correct Answer:
ক: নেপালের রাজদরবার
Explanation:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথম কোথা থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন? সঠিক উত্তর নেপালের রাজদরবার বাংলা সাহিত্যের পাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন ‘চর্যাপদ'। ‘চর্যাপদ’ হলো গানের সংকলন । মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থশালা তথা নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে ‘চর্যাপদ’ আবিস্কার করেন।
চর্যাপদ কত জনের রচনার সন্ধান পাওয়া যায়?
Correct Answer:
খ: ২৪ জনের
‘চর্যাপদ’ রচনার উদ্দেশ্য কী ছিল?
Correct Answer:
খ: ধর্মচর্চা
`চর্যাপদ’ কোন ছন্দে লেখা?
Correct Answer:
খ: মাত্রাবৃত্ত
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়-
Correct Answer:
ক: নেপালের রাজদরবার থেকে
Explanation:
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়- সঠিক উত্তর নেপালের রাজদরবার থেকে নেপালের রাজ দরবার থেকে।