Charyapad MCQs
Showing 7 questions (Total: 107)
চর্যাপদের কতটি পদ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে?
Correct Answer:
ক: সাড়ে ছেচল্লিশটি
চর্যাপদ’ কোন ছন্দে লেখা?
Correct Answer:
খ: মাত্রাবৃত্ত
Explanation:
চর্যাপদ’ কোন ছন্দে লেখা? সঠিক উত্তর মাত্রাবৃত্ত আধুনিক ছন্দের বিচারে একে মাত্রাবৃত্ত ছন্দ মনে করা হয়।
'চর্যাপদ' এর আদি পদ রচয়িতা-
Correct Answer:
গ: লুইপা
Explanation:
'চর্যাপদ' এর আদি পদ রচয়িতা- সঠিক উত্তর লুইপা লুইপা - চর্যাপদের আদি কবিকাহ্নপা - পর্যাপদের সর্বাধিক কবিতা রচনকারী
চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় কে অনুবাদ করেন?
Correct Answer:
গ: কীর্তিচন্দ্ৰ
Explanation:
চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় কে অনুবাদ করেন? সঠিক উত্তর কীর্তিচন্দ্ৰ চর্যার অর্থ জানা যায় মুনিদত্তের 'নির্মল গিরাটীকা' থেকে। এই টীকার তিব্বতি অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র বা চন্দ্রকীর্তি। টীকাটি আবিষ্কার করেন প্রবোধচন্দ্র বাগচী।
চর্যাপদের কবির সংখ্যা কতজন?
Correct Answer:
খ: ২৪
Explanation:
চর্যাপদের কবির সংখ্যা কতজন? সঠিক উত্তর ২৪ চর্যাপদের কবি ডঃ. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে 23 জন। সুকুমার সেনের মতে 24 জন। এরা হলেন: লুই, কুক্কুরী, বিরুআ, গুণ্ডরী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কাম্বলাম্বর, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, শবর, আজদেব, ঢেণ্ডণা, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জয়নন্দী, ধাম, তান্তী পা, লাড়ীডোম্বী। এদের মধ্যে লাড়ীডোম্বীর পদটি পাওয়া যায়নি।
চর্যাপদের কবির সংখ্যা কতজন ?
Correct Answer:
খ: ২৪
Explanation:
চর্যাপদের কবির সংখ্যা কতজন ? সঠিক উত্তর ২৪ আবিষ্কৃত পুঁথিটিতে ৫০টি চর্যায় মোট ২৪ জন সিদ্ধাচার্যের নাম পাওয়া যায়। এঁরা হলেন: লুই, কুক্কুরী, বিরুআ, গুণ্ডরী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কাম্বলাম্বর, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, শবর, আজদেব, ঢেণ্ঢণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জয়নন্দী, ধাম, তান্তী পা, লাড়ীডোম্বী। এঁদের মধ্যে লাড়ীডোম্বীর পদটি পাওয়া যায়নি। ২৪, ২৫ ও ৪৮ সংখ্যক পদগুলি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুঁথিতে না থাকলেও ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচী আবিষ্কৃত তিব্বতি অনুবাদে এগুলির রচয়িতার নাম উল্লিখিত হয়েছে যথাক্রমে কাহ্ন, তান্তী পা ও কুক্কুরী। এই নামগুলির অধিকাংশই তাঁদের ছদ্মনাম এবং ভনিতার শেষে তাঁরা নামের সঙ্গে 'পা' (
‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন-
Correct Answer:
গ: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
Explanation:
‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন- সঠিক উত্তর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ পুঁথিটি আবিষ্কার করেন, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯২০ রাহুল সাংকৃত্যায়ন এ বছর থেকে পরবর্তী এক দশকে কয়েকবার তিব্বত সফর করে সেখান থেকে ২০টি চর্যাগীতি সংগ্রহ করতে সমর্থ হন। ১৯৫৪ সালে সেগুলো এলাহাবাদ থেকে প্রকাশিত হয়।