Language and Bengali language MCQs
Showing 50 questions (Total: 341)
বাংলাদেশ ছাড়া কোন অঞ্চলের মানুষের ভাষা বাংলা?
Correct Answer:
ক: উড়িষ্যা
Explanation:
বাংলাদেশ ছাড়া কোন অঞ্চলের মানুষের ভাষা বাংলা? সঠিক উত্তর উড়িষ্যা বাংলাদেশ ছাড়া উড়িষ্যা অঞ্চলের মানুষের ভাষা বাংলা। উড়িষ্যা ভারতের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি রাজ্য। রাজ্যটি পর্যটক মহলে অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। ওড়িয়া এ রাজ্যের প্রধান ভাষা। ওড়িয়া ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের ইন্দো আর্য শাখার একটি ভাষা। বাংলা ও আসামের সাথে এই ভাষার অনেক মিল আছে। উড়িষ্যার ৮০% মানুষ এই ভাষায় কথা বলে।
তারিখ শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে?
Correct Answer:
খ: আরবি
Explanation:
তারিখ শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে? সঠিক উত্তর আরবি বাংলায় ব্যবহৃত আরবি শব্দুলোকে ২ টি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায় - ১/ধর্ম সংক্রান্ত : আল্লাহ, ইসলাম, ঈমান, ওজু, কুরান, কিয়ামত, গোসল, জাহান্নাম, তওবা, তসবি, হজ ইত্যাদি। ২/প্রশাসনিক ও সংস্কৃত শব্দ: আদালত, আলেম, ইনসান, ঈদ, উকিল, তারিখ, ওজর, ইজলাস, কলম, কিতাব, খারিজ ইত্যাদি। তাই সঠিক উত্তর : আরবি শব্দ।
বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন প্রচলন করেন কে?
Correct Answer:
ক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন প্রচলন করেন কে? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১) উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি। এ গ্রন্থে তিনি জ্যোতিবা বিরাম চিহ্নের সফল ব্যবহার করেন।
”মান্দারিন” কোন দেশের ভাষা?
Correct Answer:
ক: চীন
Explanation:
”মান্দারিন” কোন দেশের ভাষা? সঠিক উত্তর চীন ”মান্দারিন” চীন দেশের ভাষা। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষের মুখের ভাষা মান্দারিন। এটি চীনের ভাষা। জাপান, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের ভাষার যথাক্রমে জাপানিজ, থাই ও ভিয়েতনামিজ।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন প্রাকৃত স্তর থেকে?
Correct Answer:
খ: গৌড়ীয় প্রাকৃত
Explanation:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন প্রাকৃত স্তর থেকে? সঠিক উত্তর গৌড়ীয় প্রাকৃত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা এসেছে গৌড়ীয় প্রাকৃত বা অপভ্রংশ থেকে। আর ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা এসেছে মাগধী অপভ্রংশ থেকে।
ভাষার মূল উপকরণ কী?
Correct Answer:
খ: বাক্য
Explanation:
ভাষার মূল উপকরণ কী? সঠিক উত্তর বাক্য ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি আর উপকরণ বাক্য।
বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভারকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: পাঁচটি
Explanation:
বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভারকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে? সঠিক উত্তর পাঁচটি উৎপত্তিগত দিক দিয়ে শব্দের ৫টি বিভাজন হলো - তৎসম, অর্ধ - তৎসম, তদ্ভব, দেশি আর বিদেশি শব্দ।
প্রবাসী বন্ধুকে লেখা পত্রের ঠিকানা কোন ভাষায় লিখতে হয় ?
Correct Answer:
ঘ: ইংরেজী ভাষায়
Explanation:
প্রবাসী বন্ধুকে লেখা পত্রের ঠিকানা কোন ভাষায় লিখতে হয় ? সঠিক উত্তর ইংরেজী ভাষায় প্রবাসী বন্ধুকে চিঠি লেখার সময় কতগুলো নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। তার মধ্যে ইংরেজী - ভাষায় ঠিকানা লেখা একটি। ইংরেজি তে ঠিকানা লিখলে এটি প্রবাসী কারো কাছে লেখা এটা বুঝতে সুবিধা হয়।
বাংলা ভাষার যতি চিহ্নের প্রচলন করেন কে ?
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বাংলা ভাষার যতি চিহ্নের প্রচলন করেন কে ? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষায় যতি বা ছেদ চিহ্নের প্রবর্তন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। যতি বা ছেদ চিহ্নের সংখ্যা ১২ টি। বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝার জন্য বাক্যের শুরুতে, শেষে বা মাঝে ছেদ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
”ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ” কে রচনা করেন?
Correct Answer:
খ: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
”ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ” কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ”ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ” সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচনা করেন। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (জন্ম : ২৬শে নভেম্বর, ১৮৯০— মৃত্যু : ২৯শে মে, ১৯৭৭) একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। অধ্যাপক তারাপুরওয়ালা'র কাছে আবেস্তা অধ্যয়ন করেন। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে ৩ খণ্ডের দি অরিজিন এন্ড ডেভেলপম্যান্ট অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ গ্রন্থখানি রচনা করে অসাধারণ বিদ্যাবত্তার পরিচয় প্রদান করেন। অন্যান্য রচনাবলি হলো: বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার, কিরাত জনকৃতি, ভারত - সংস্কৃতি(১৯৪৪), বাঙ্গালা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা(১৯২৯), পশ্চিমের যাত্রী(১৯৩৮), ইউরোপ ভ্রমণ, জাতি সংস্কৃতি সাহিত্য(১৯৩৮), ভারতের ভাষা ও ভাষা সমস্যা(১৯৪৪), সংস্কৃতি কী, দ্বীপময় ভারত(১৯৬৫), রবীন্দ্র সঙ্গমে(১৯৬৫), শ্যামদেশ(১৯৬৫) ইত্যাদি।
বাংলা ভাষার মূল উৎস কোনটি ?
Correct Answer:
ঘ: প্রাকৃত ভাষা
Explanation:
বাংলা ভাষার মূল উৎস কোনটি ? সঠিক উত্তর প্রাকৃত ভাষা বাংলা ভাষার মূল উৎস হচ্ছে প্রাকৃত ভাষা। প্রাকৃত ভাষা বলতে প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশে লোকমুখে প্রচলিত স্বাভাবিক ভাষাগুলোকে বোঝায়। প্রাকৃত ভাষাগুলো ইন্দো ইউরোপীয় পরিবারের ইন্দো আর্য শাখার প্রাচীন নিদর্শন।
' আ মরি বাংলা ভাষা' --এ চরণে 'আ' দ্বারা কী প্রকাশ পেয়েছে?
Correct Answer:
গ: আনন্দ
Explanation:
' আ মরি বাংলা ভাষা' --এ চরণে 'আ' দ্বারা কী প্রকাশ পেয়েছে? সঠিক উত্তর আনন্দ 'আ মরি বাংলা ভাষা' - এ চরণে 'আ' দ্বারা প্রকাশ পেয়েছে আনন্দ । 'আ মরি বাংলা ভাষা' - চরণে 'আ' দ্বারা আনন্দ প্রকাশ পেয়েছে। আ অব্যয় বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন; সুখ বোধ প্রকােশে ( আ কি আরাম) ;
বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন 'চযাপদ' কোথায় পাওয়া যায় ?
Correct Answer:
খ: নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগারে
Explanation:
বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন 'চযাপদ' কোথায় পাওয়া যায় ? সঠিক উত্তর নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগারে বাংলা ভাষার আদি নির্দশন চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের একমাত্র নির্দশন। এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কতৃক ১৯০৭ সালে আবিষ্কার হয় এবং ১৯১৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় নেপালের রাজ দরবার হতে। সঠিক উত্তর - - নেপাল রাজ দরবার গ্রন্থাগার।
বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা কী ?
Correct Answer:
ক: অস্ট্রিক
Explanation:
বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা কী ? সঠিক উত্তর অস্ট্রিক বংলা ভাষার আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা হল - - অস্টিক। অস্টিক ভাষা সম্পর্কে বিস্তর জানা যায়নি। সঠিক উত্তর - - অস্টিক।
কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে ?
Correct Answer:
ঘ: বঙ্গ-কামরূপী
Explanation:
কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে ? সঠিক উত্তর বঙ্গ-কামরূপী বাংলা ভাষার উৎপত্তি: ইন্দো ইউরোপীয় → শতম → ইন্দো আর্য → ভারতীয় → প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা → প্রাচীন কথ্য ভারতীয় আর্যভাষা → গৌড়ী প্রাকৃত → গৌড় অপভ্রংশ → বঙ্গ কামরূপী → বাংলা ও অসমীয়।
বাংলা ভাষার পূর্ববর্তী স্তর এর নাম কি?
Correct Answer:
গ: প্রাকৃত
Explanation:
বাংলা ভাষার পূর্ববর্তী স্তর এর নাম কি? সঠিক উত্তর প্রাকৃত বাংলা ভাষা ইন্দো - ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকে গৌড়ায় প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় উদ্ভব। অন্যদিকে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে মাগধী প্রাকৃত থেকে। এছাড়া আয়ারল্যান্ডের খ্যাতিমান ভাষাতত্ত্ববিদ জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন মনে করেন, মাগধী প্রাকৃতের কোনো পূর্বাঞ্চলীয় রূপ থেকে জন্ম নিয়েছে বাংলা ভাষা। বাংলা ভাষার আগমন শৃঙ্খল : ইন্দো - ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী>শতম>আর্য>ভারতীয়>প্রাচীন ভারতীয় আর্য> প্রাচীন ভারতীয় কথ্য আর্য>আদিম প্রাকৃত>প্রাচীন প্রাচ্য>মাগধী প্রাকৃত/ গৌড়ীয় প্রাকৃত/মাগধী অপভ্রংশ/গৌড়ীয় অপভ্রংশ বঙ্গ কামরূপী>বাংলা।প্রাকৃত শব্দের শাব্দিক অর্থ সাধারণ। প্রাকৃত বলতে সাধারণ জনগণের মুখের ভাষা বোঝায়।
ভাষার কোন রীতি কেবলমাত্র লেখ্যরুপে ব্যবহৃত হয় ?
Correct Answer:
গ: সাধু
Explanation:
ভাষার কোন রীতি কেবলমাত্র লেখ্যরুপে ব্যবহৃত হয় ? সঠিক উত্তর সাধু বাংলা ভাষার সর্বজনস্বীকৃত লেখ্য রূপ হচ্ছে সাধু রীতি। এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। এ রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী।
প্রথম কোন বাঙালি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন?
Correct Answer:
ক: রাজা রামমোহন রায়
Explanation:
প্রথম কোন বাঙালি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন? সঠিক উত্তর রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন - রাজা রামমোহন রায়। রামমোহন রায়ের ইংরেজিতে রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ Bengali Grammar in the English Language প্রকাশিত হয় ১৮২৬ সালে, কলকাতার ইউনিটারিয়েন প্রেস থেকে। রামমোহন কেরী বা হটনের মতো সংস্কৃতের সঙ্গে বাংলার সম্পর্ককে বড় করে দেখেননি। তিনি বাংলা ভাষার একটি মূল প্রবণতা লক্ষ্য করেছিলেন। তাই তিনিই প্রথম ব্যাকরণের বিভিন্ন প্রকরণ (বিশেষ্য, বিশেষণ, কারক ইত্যাদি) সম্পর্কে শুধু দৃষ্টান্ত নয়, খানিকটা তাত্ত্বিক আলোচনাও পাঠকের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচনা করেছেন। রামমোহন তার আলোচনায় কোথাও সর্বজনবিদিত সংস্কৃত ব্যাকরণের সংজ্ঞার্থ ও পরিভাষা ব্যবহার করেছেন, আবার কোথাও বাংলা ভাষার প্রকৃতির প্রয়োজনে নতুন সংজ্ঞার্থ ও পরিভাষা রচনা করেছেন। ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে তিনি তার গ্রন্থের প্রথম অধ্যায়ে যে আলোচনা করেছেন, কালের দিক থেকে তা ছিল সম্পূর্ণ বিপ্লবাত্মক। তিনি ব্যাকরণকে কোনো ঔচিত্যমূলক শাস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করেননি, বরং ব্যাকরণকে তিনি দেখেছেন ভাষার বিশ্লেষণ বা বর্ণনামূলক শাস্ত্র হিসেবে।
সাধু ও চলিত ভাষায় পার্থক্য মূলত--
Correct Answer:
খ: ক্রিয়া ও সর্বনামে
Explanation:
সাধু ও চলিত ভাষায় পার্থক্য মূলত-- সঠিক উত্তর ক্রিয়া ও সর্বনামে সাধু ও চলিত ভাষায় পার্থক্য মূলত - - ক্রিয়া ও সর্বনামে। বাংলা ভাষার দুটি রূপ—সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা। পৃথিবীর প্রায় সব ভাষারই লেখ্য ও কথ্যরূপ আছে। বাংলা ভাষার লেখ্যরীতি হিসেবে সাধু এবং কথ্যরীতি হিসেবে চলিতরীতির উদ্ভব হয়েছে। যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপে বিদ্যমান থাকে, তাকে সাধুভাষা বলে। যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত আকারে বিদ্যমান থাকে, তাকে চলিত ভাষা বলে। উদাহরণ: তারা কাজ করছে।
চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন--
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন-- সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন - - প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার লেখা?
Correct Answer:
ক: মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
Explanation:
'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার লেখা? সঠিক উত্তর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত - লিখেছেন ড. মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ ও দার্শনিক ছিলেন। তিনি ভারতের পশ্চিম বঙ্গের অবিভক্ত চব্বিশ পরগণা জেলার পেয়ারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্য কর্ম - ভাষা ও সাহিত্য, বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত, বাংলা সাহিত্যের কথা ইত্যাদি।
বাংলা ভাষায় ছন্দ কত প্রকার?
Correct Answer:
গ: তিন প্রকার
Explanation:
বাংলা ভাষায় ছন্দ কত প্রকার? সঠিক উত্তর তিন প্রকার বাংলা ভাষার ছন্দ তিন প্রকার - - যেমন - - স্বরবৃ, , মাত্রাবৃত্ত, অক্ষরবৃত্ত। সঠিক উত্তর - - তিন প্রকার।
ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলা পৃথিবীর কোন স্থানে অবস্থান করছে?
Correct Answer:
খ: ষষ্ঠ
Explanation:
ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলা পৃথিবীর কোন স্থানে অবস্থান করছে? সঠিক উত্তর ষষ্ঠ ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা পৃথিবীর ৫ম স্থানীয় ভাষা। বাংলা ভাষায় কথা বলা লোকের সংখ্যা ২৭ কোটি ৫০ লক্ষ। বাংলা ভাষার উৎপত্তি দেশ বাংলাদেশ ও ভারত। ২০১১ সালের শুমারী অনুযায়ী ভারতে বাংলাভাষী মানুষ রয়েছে ১০ কোটি। ২০১৬ সালের শুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশে বাংলাভাষী মানুষ রয়েছে ১৬ কোটি।
আলমারি ও চাবি শব্দ দুটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
Correct Answer:
খ: পর্তুগীজ
Explanation:
আলমারি ও চাবি শব্দ দুটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে? সঠিক উত্তর পর্তুগীজ গুজরাটি শব্দ: খদ্দর, হরতাল ইত্যাদি। ফারসি শব্দ: খোদা, গুনাহ, দোযখ, আদমি, আমদানি, মেথর, বদমাশ ইত্যাদি। পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, আলপিন, আলমারি, চাবি, গুদাম, পাউরুটি ইত্যাদি। তাই উত্তর হবে: পর্তুগিজ শব্দ।
বাংলা ভাষায় কয়টি যৌগিক স্বরবর্ণ রয়েছে?
Correct Answer:
ক: ২ টি
Explanation:
বাংলা ভাষায় কয়টি যৌগিক স্বরবর্ণ রয়েছে? সঠিক উত্তর ২ টি বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি দুইটি - ঐ, ঔ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য কার কাছে প্রত্যক্ষভাবে ঋণী?
Correct Answer:
খ: অপভ্রংশ
Explanation:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য কার কাছে প্রত্যক্ষভাবে ঋণী? সঠিক উত্তর অপভ্রংশ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অপভ্রংশ কাছে প্রত্যক্ষভাবে ঋণী। প্রথম সহস্রাব্দে বাংলা যখন মগধ রাজ্যের একটি অংশ ছিল তখন মধ্য ইন্দো - আর্য উপভাষাগুলি বাংলায় প্রভাবশালী ছিল। এই উপভাষাগুলিকে মাগধী প্রাকৃত বলা হয় এবং এটি আধুনিক বিহার, বাংলা ও আসামে কথিত হত। এই ভাষা থেকে অবশেষে অর্ধ - মাগধী প্রাকৃতের বিকাশ ঘটে। প্রথম সহস্রাব্দের শেষের দিকে অর্ধ - মাগধী থেকে অপভ্রংশের বিকাশ ঘটে। সময়ের সাথে সাথে বাংলা ভাষা একটি স্বতন্ত্র ভাষা হিসেবে বিকশিত হয়।
'ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ' কে রচনা করেন?
Correct Answer:
খ: সুনীতিকুুমার চট্রেপপাধ্যায়
Explanation:
'ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ' কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর সুনীতিকুুমার চট্রেপপাধ্যায় ' ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ' - রচনা করেন ড.সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম - " সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা ও ব্যাকরণ কৌমুদী " (১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ ভাগ), ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম - ' বাংলা ব্যাকরণ" এবং এনামুল হক রচনা করেন " ব্যাকরণ মঞ্জরী "।
'পেয়ারা' কোন ভাষা খেকে আগত?
Correct Answer:
ঘ: পর্তুগিজ
Explanation:
'পেয়ারা' কোন ভাষা খেকে আগত? সঠিক উত্তর পর্তুগিজ পর্তুগিজ শব্দ - আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, পেয়ারা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি। তাই সঠিক উত্তর : পর্তুগিজ শব্দ।
'ব্রজবুলি' ভাষার স্রষ্টা-
Correct Answer:
খ: বিদ্যাপতি
Explanation:
'ব্রজবুলি' ভাষার স্রষ্টা- সঠিক উত্তর বিদ্যাপতি "ব্রজবুলি হলো মৈথিলী ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে গঠিত এক প্রকার কৃত্রিম কবিভাষা। এ ভাষার স্রষ্টা হলেন বিদ্যাপতি। তবে চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাসও এ ভাষায় বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন।
আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম কী ?
Correct Answer:
খ: উপভাষা
Explanation:
আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম কী ? সঠিক উত্তর উপভাষা আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম উপভাষা। বাংলা ভাষার মোট আঞ্চলিক ভাষা ৫ টি।
বাংলা ভাষা ও সাহ্যিতের প্রাচীন নিদর্শন কোনটি ?
Correct Answer:
গ: চর্যাপদ
Explanation:
বাংলা ভাষা ও সাহ্যিতের প্রাচীন নিদর্শন কোনটি ? সঠিক উত্তর চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহ্যিতের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি। খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।
যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি- এই অংশের সম্প্রসারণে কোন ভাষাটি সঠিক ?
Correct Answer:
ঘ: অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক
Explanation:
যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি- এই অংশের সম্প্রসারণে কোন ভাষাটি সঠিক ? সঠিক উত্তর অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি - এই অংশের সম্প্রসারণে ভাষাটি সঠিক হচ্ছে - - অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক।
প্রাচীন যুগের বাংলাভাষার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কি?
Correct Answer:
গ: চর্যাপদ
Explanation:
প্রাচীন যুগের বাংলাভাষার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কি? সঠিক উত্তর চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'চর্যাপদ' ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে আবিস্কৃত হয়। চর্যাপদের পুঁথিগুলো ১৯১৬ সালে ' বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে বই আকারে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা লুই পা এবং সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করনে কাহ্ন পা (১৩টি) । অন্যদিকে মধ্যযুগের কাব্যগ্রন্থ লাইলী মজনু , শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ও পদ্মাবতীর রচয়িতা হলেন যথাক্রমে - দৌলত উজির বাহরাম খান , বড়ু চণ্ডীদাস ও আলাওল।
বাংলা ভাষার সার্থক মহাকাব্য কোনটি?
Correct Answer:
ক: মেঘনাদবধ কাব্য
Explanation:
বাংলা ভাষার সার্থক মহাকাব্য কোনটি? সঠিক উত্তর মেঘনাদবধ কাব্য সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ ' এর খণ্ডকাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে রচনা করেন 'মেঘনাদবধ কাব্য'। এটি বাংলা ভাষার সার্থক মহাকাব্য । বৃত্রসংহার (প্রথম খণ্ড ১৮৭৫ ও দ্বিতীয় খণ্ড ১৮৭৭) , কুরুক্ষেত্র (১৮৯৪) ও মহাশ্মশান (১৯০৫) বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য মহাকাব্য । এগুলো রচনা করেছেন যথাক্রমে - হেমচন্দ্র, নবীনচন্দ্র ও কায়কোবাদ।
বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন--
Correct Answer:
ঘ: চর্যাপদ
Explanation:
বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন-- সঠিক উত্তর চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন - - চর্যাপদ। চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি। খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।
'সবুজ পত্র' বাংলা ভাষা ও সাহিেত্য কী হিসেবে পরিচিত?
Correct Answer:
গ: বিশেষ উল্লেখযোগ্য সাহিত্য পত্রিকা
Explanation:
'সবুজ পত্র' বাংলা ভাষা ও সাহিেত্য কী হিসেবে পরিচিত? সঠিক উত্তর বিশেষ উল্লেখযোগ্য সাহিত্য পত্রিকা "সবুজপত্র" - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য সাহিত্য পত্রিকা। বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান সাময়িক পত্রিকা ছিল সবুজপত্র। এটি প্রকাশিত হত প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায়। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩২১ বঙ্গাব্দে এবং ইংরেজি ১৯১৪ সালে। সবুজপত্রে কখনো কোন বিজ্ঞাপন বা ছবি প্রকাশিত হয় নি।
বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের প্রথম অনুবাদ করেন?
Correct Answer:
গ: ভাই গিরিশচন্দ্র
Explanation:
বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের প্রথম অনুবাদ করেন? সঠিক উত্তর ভাই গিরিশচন্দ্র বাংলা ভাষায় কুরান শরীফের প্রথম অনুবাদ করেন ভাই গিরিশচন্দ্র সেন। গিরিশচন্দ্র সেন ছিলেন একজন বাঙালি ধর্মবেত্তা, অনুবাদক ও বহুভাষীক। ভাই গিরিশচন্দ্র সেন নামেই তিনি বেশি পরিচিত এবং মৌলভী উপাধিও পেয়েছেন। বাংলা ভাষাভাষী জনসাধারণের নিকট প্রথম বাংলা ভাষায় পূর্ণাঙ্গ কুরান অনুবাদ ও প্রকাশের কৃতিত্ব তাকে দেয়া হয়।
আধুনিক বাংলা ভাষার মোট কয়টি বর্ণ পূর্ণ ব্যবহৃত হয়?
Correct Answer:
খ: ৪৫
Explanation:
আধুনিক বাংলা ভাষার মোট কয়টি বর্ণ পূর্ণ ব্যবহৃত হয়? সঠিক উত্তর ৪৫ বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ আছে ৫০টি। তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। কিন্তু আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে কিছু ব্যঞ্জন বর্ণের মধ্যে উচ্চারণে পার্থক্য নেই। যেমন: ন, ণ; ড়, ঢ়;শ, ষ, স;জ, য। তাই আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে পূর্ণরূপে ব্যবহৃত বর্ণ ৪৫ টি।
বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন-
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন- সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । তিনি সর্বপ্রথম বাংলা গদ্যে যতি চিহ্নের সংযােজন করে ভাষার শৃঙ্খলা আনেন । এছাড়াও বাংলা গদ্যের বিকাশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা অনন্য ।
যেসব সংস্কৃত শব্দ কোনো রকম বিকৃত না হয়ে বাংলা ভাষায় প্রচলিত সেগুলোকে বলে--
Correct Answer:
ক: তৎসম শব্দ
Explanation:
যেসব সংস্কৃত শব্দ কোনো রকম বিকৃত না হয়ে বাংলা ভাষায় প্রচলিত সেগুলোকে বলে-- সঠিক উত্তর তৎসম শব্দ যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তৎ (তার) + সম (সমান)] = তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত। তৎসম শব্দ খুব গুরুগম্ভীর হয়ে থাকে। কেননা সংস্কৃত ভাষাও অত্যন্ত গুরুগম্ভীর। তাই গুরুগম্ভীর বাংলা লিখতে গেলে তৎসম শব্দ ব্যবহার করতে হয়। বাংলা সাধু ভাষার বেশির ভাগ শব্দই তৎসম। তৎসম শব্দের উদাহরণ : চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন কোনটি?
Correct Answer:
গ: চর্যাপদ
Explanation:
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন কোনটি? সঠিক উত্তর চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন হচ্ছে চর্যাপদ। চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষার ও প্রাচীনতম রচনা এটি। ১৯০৭ খ্রীষ্টাব্দে মহামোহপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। চর্যাপদ এর প্রধান কবিগণ হলেন, লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা, শবর পা ইত্যাদি।
বাংলা ভাষার জন্ম কোন ভাষা থেকে ?
Correct Answer:
ঘ: কোনটি নয়
Explanation:
বাংলা ভাষার জন্ম কোন ভাষা থেকে ? সঠিক উত্তর কোনটি নয় বাংলা শব্দ বিশ্লেষণ করে ভাষাবিদেরা প্রমাণ করেছেন, ভারতবর্ষের পূর্বাঞ্চলীয় আরও অনেক ভাষার মতো (যেমন আসামিজ, ওড়িয়া, ভোজপুরি, মৈথালি, মাঘী প্রভৃতি) মাগধী প্রাকৃতই বাংলা ভাষার জননী। বাংলা ভাষা বিশ্বে আজ একটি সুপরিচিত ভাষা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বের ৬৯০৯টি ভাষার মধ্যে এর অবস্থান পঞ্চম স্থানে। কেননা, জনসংখ্যা রিপোর্ট অনুযায়ী সারা বিশ্বে বাঙালি জনসংখ্যা এখন প্রায় ২৭ কোটির কাছাকাছি। বাংলা বাংলাদেশের প্রধানতম ভাষা।
বাংলা ভাষায় ওষ্ঠ ধ্বনির সংখ্যা কত?
Correct Answer:
ঘ: ৫টি
Explanation:
বাংলা ভাষায় ওষ্ঠ ধ্বনির সংখ্যা কত? সঠিক উত্তর ৫টি বাংলা ভাষায় ওষ্ঠ্যব্যঞ্জন ধ্বনির সংখ্যা ৫ টি। বাংলা ভাষায় ওষ্ঠ্যব্যঞ্জন ধ্বনির সংখ্যা হলো ৫ টি। যথাঃ প, ফ, ব, ভ, ম।
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা--
Correct Answer:
ঘ: রামমোহন রায়
Explanation:
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা-- সঠিক উত্তর রামমোহন রায় বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা - রাজা রামমোহন রায়। রামমোহন রায় প্রথম ধর্মীয় সামাজিক পুনর্গঠন আন্দোলন ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা। রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি যিনি বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন। তার রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম "গৌড়ীয় ব্যাকরণ"(১৮৩৩)।
বাংলা ভাষা কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Correct Answer:
খ: গৌড়ীয় প্রাকৃত
Explanation:
বাংলা ভাষা কোন ভাষা থেকে এসেছে? সঠিক উত্তর গৌড়ীয় প্রাকৃত বাংলা ভাষা ' গৌড়ীয় প্রাকৃত' ভাষা থেকে এসেছে। গৌড়ীয় প্রাকৃত (খ্রি. পূ. ২০০) ভাষা প্রাচীন ভারতীয় আর্য (খ্রি.পূ. ১০০০) ভাষা বংশধর। গৌড়ীয় প্রাকৃত ভাষা গৌড় অপভ্রংশ (আনু . ৪০০ - ৬০০ খ্রি.) ও বঙ্গ - কামরুপী (আনু. ৫০০ খ্রি.) থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে।
বাংলা ভাষারীতির কয়টি রূপ?
Correct Answer:
ক: দুইটি
Explanation:
বাংলা ভাষারীতির কয়টি রূপ? সঠিক উত্তর দুইটি বাংলা ভাষারীতির রুপ দুটি। সাধু ভাষা রীতি ও চলিত ভাষা রীতি। যে ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণ অনুসরণ করে চলে সটি সাধু ভাষা রীতি। আর চলিত ভাষা রীতি পরিবর্তনশীল।
বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন-
Correct Answer:
ক: ম্যানুয়েল দ্য আসসুস্পাসাও
Explanation:
বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন- সঠিক উত্তর ম্যানুয়েল দ্য আসসুস্পাসাও মানোএল দা আস্সুম্পসাঁউ একজন পর্তুগিজ যিনি অষ্টাদশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে আগমন করেছিলেন। বলা হয়ে থাকে তিনিই প্রথম ইউরোপিয় যিনি ভালোবেসে বাংলা ভাষার আসক্ত হয়েছিলেন। তিনি একজন ক্যাথলিক পাদ্রী যিনি ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রধানতঃ অবিভক্ত বঙ্গ এলাকায় আস্তানা গেড়ে বসবাস শুরু করেন। বাংলাভাষী জনগণের মধ্যে খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারের সুবিধার্তে তিনি একটি গ্রন্থ রচনা করেন। এ গ্রন্থের নাম কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ। মূল গ্রন্থটি পর্তুগিজ ভাষায় রচিত। তবে একই সঙ্গে বঙ্গানুবাদ প্রদান করা হয়েছে। অর্থ্যাৎ কার্যত এটি একটি দ্বিভাষিক গ্রন্থ। তবে উল্লেখ্য যে, বঙ্গানুবাদ মুদ্রিত হয়েছে রোমান হরফে, বাংলা বা দেবনাগরী হরফে নয়। অধিকন্তু আস্সুম্পসাঁউ বাংলা ভাষার একটি ব্যাকরণ রচনা করার প্রয়াস নেন। এ গ্রন্থটিও রোমান হরফে রচিত। সংক্ষেপে এর নাম ভোকাবুলারি। এ গ্রন্থে ব্যাকরণ ছাড়াও বাংলা - পর্তুগিজ ও পর্তুগিজ - বাংলা অভিধান সংকলিত ছিল। গ্রন্থটি দুটি রচনার সময় তিনি ঢাকার অদূরে হালের গাজীপুর জেলার অন্তর্গত ভাওয়াল গড়ে অবস্থান করছিলেন।
বাংলাভাষায় প্রথম আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক বিষয়ে নাটক লেখেন-
Correct Answer:
গ: দীনবন্ধু মিত্র
Explanation:
বাংলাভাষায় প্রথম আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক বিষয়ে নাটক লেখেন- সঠিক উত্তর দীনবন্ধু মিত্র বাংলা ভাষায় প্রথম আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক বিষয়ে নাটক লিখেন - দীনবন্ধু মিত্র। তিনি উনবিংশ শতাব্দীর বাংলা নাটকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার। তার প্রথম প্রকাশিত নাটক "নীলদর্পণ" প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে। এটি ছিল মূলত ইংরেজ নীলকরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাবমূর্তি।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কোনটি?
Correct Answer:
গ: কাব্য
Explanation:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কোনটি? সঠিক উত্তর কাব্য বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কাব্য। বিশ্ব সাহিত্যের (বিশেষ করে গ্রিক) প্রাচীনতম শাখা নাটক। আধুনিক সাহিত্যের প্রাচীনতম জনপ্রিয় শাখা উপন্যাস, ছোটগল্প হচ্ছে সর্বশেষ সংযোজন।
“সারাংশ লিখনে” ভাষার বাহুল্য, উপমা, অলংকার এসকল-
Correct Answer:
ক: বর্জনীয়
Explanation:
“সারাংশ লিখনে” ভাষার বাহুল্য, উপমা, অলংকার এসকল- সঠিক উত্তর বর্জনীয় সারাংশ লিখনে ভাষার বাহুল্য, উপমা, অলংকার - বর্জনীয়। সারাংশ বলতে সাধারণত মূলভাবকে বোঝায়। উপমা, অলংকার, প্রবাদ প্রবচন, বাগধারা, উক্তি - এগুলো মূলত সারাংশের বর্জনীয় বিষয়। শুধুমাত্র মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরতে হবে।