Bengali Language (Grammar) MCQs
Showing 50 questions (Total: 132)
"আনারস" এবং "চাবি" শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে---
Correct Answer:
ক: পর্তুগিজ ভাষা থেকে
Explanation:
"আনারস" এবং "চাবি" শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে--- সঠিক উত্তর পর্তুগিজ ভাষা থেকে পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দঃ পাদ্রী, বালতি, আনারস, চাবি, আলপিন, পাউরুটি, গির্জা, গুদাম, আলমারি।পর্তুগীজ শব্দ মনে রাখার একটি কৌশল :গীর্জার পাদ্রী চাবি দিয়ে গুদামের আলমারি খুলে তাতে পাউরুটি আনারস পেঁপে পেয়ারা আলপিন ও আলকাতরা রাখলেন।
বাংলা ভাষায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ কয় প্রকার?
Correct Answer:
গ: ৩ প্রকার
Explanation:
বাংলা ভাষায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ কয় প্রকার? সঠিক উত্তর ৩ প্রকার বাংলা ভাষায় শব্দের শ্রেণীবিভাগ ৩ প্রকার। যথা : গঠনমূলক , অর্থমূলক এবং উৎপত্তিমূলক শ্রেণীবিভাগ। উৎপত্তিমূলক হলো ৫ প্রকার, গঠনমূলক হলো ২ প্রকার এবং অর্থমূলক হলো ৩ প্রকার।
"আনারস", "বালতি" শব্দ দুটি কোন ভাষা থেকে আগত?
Correct Answer:
গ: পর্তুগিজ
Explanation:
"আনারস", "বালতি" শব্দ দুটি কোন ভাষা থেকে আগত? সঠিক উত্তর পর্তুগিজ ***পর্তুগীজ শব্দ মনে রাখার একটি কৌশলঃ গীর্জারপাদ্রী চাবি দিয়ে গুদামের আলমারি খুলে তাতে আনারস পেঁপে পেয়ারা আলপিন ও আলকাতরা রাখলেন।কেরানি দিয়ে কামরা পরিষ্কার করে জানালা খুলে দিলেন। তারপর পেরেক ইস্ত্রি ইস্পাত ও পিস্তল বের করে বালতিতে রেখে বোমা বানালেন। শব্দ গির্জা , চাবি , গুদাম ,আলমারি , আনারস , পেঁপে ,পেয়ারা, আলপিন , আলকাতরা, কেরানি ,কামরা, জানালা, , পেরেক , ইস্ত্রি ,ইস্পাত , পিস্তল , বালতি, টুপি , সাবান, বোতাম ,পুউরুটি , মিস্রি ,পেরেক, ইংরেজ ,নিলাম ও বেহালা ইত্যাদি ।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ কতটি?
Correct Answer:
গ: ২০
Explanation:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ কতটি? সঠিক উত্তর ২০ যেসব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ । সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি । যথা : প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ ।
লুঙ্গি কোন ভাষার শব্দ?
Correct Answer:
গ: বর্মী
Explanation:
লুঙ্গি কোন ভাষার শব্দ? সঠিক উত্তর বর্মী মায়ানমার/ বর্মি শব্দ : ফুঙ্গি, লুঙ্গি; জাপানি শব্দ : রিক্সা, হারিকিরি ৷; হিন্দী শব্দ : চিঠি, ঠিকানা, পানি ইত্যাদি।
পর্তুগীজ ভাষা থেকে নিম্নোক্ত একটি শব্দ বাংলা ভাষায় আত্তীকরণ করা হয়েছে -----
Correct Answer:
গ: বালতি
Explanation:
পর্তুগীজ ভাষা থেকে নিম্নোক্ত একটি শব্দ বাংলা ভাষায় আত্তীকরণ করা হয়েছে ----- সঠিক উত্তর বালতি পর্তুগীজ শব্দ মনে রাখার কৌশল:গীর্জারপাদ্রী চাবি দিয়ে গুদামের আলমারি খুলে তাতে আনারস পেঁপে পেয়ারা আলপিন ও আলকাতরা রাখলেন। কেরানি দিয়ে কামরা পরিষ্কার করে জানালা খুলে দিলেন। তারপর পেরেক ইস্ত্রি ইস্পাত ও পিস্তল বের করে বালতিতে রেখে বোমা বানালেন। শব্দঃ গির্জা, চাবি, গুদাম, আলমারি, আনারস, পেঁপে, পেয়ারা, আলপিন, আলকাতরা, কেরানি, কামরা, জানালা, পেরেক, ইস্ত্রি, ইস্পাত, পিস্তল, বালতি, টুপি, সাবান, বোতাম, পাউরুটি, মিস্রি, পেরেক, ইংরেজ, নিলাম ও বেহালা ইত্যাদি ।
শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে ভাগ করা যায় ----
Correct Answer:
খ: তিন ভাগে
Explanation:
শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে ভাগ করা যায় ---- সঠিক উত্তর তিন ভাগে বাংলা ভাষার যে শব্দসম্ভারের সমাবেশ ঘটেছে, সেগুলোকে পণ্ডিতরা নিম্নলিখিত পাঁচ ভাগে ভাগ করেছেন। নিচে তা তুলে ধলা হলো।তৎসম শব্দ : যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। উদাহরণ—চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।তদ্ভব শব্দ : যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ। উদাহরণ—হাত, চাঁদ, আজ, চামার।অর্ধতৎসম শব্দ : বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে বলে অর্ধতৎসম শব্দ। তৎসম মানে সংস্কৃত। আর অর্ধতৎসম মানে আধা সংস্কৃত। উদাহরণ—জোছনা, ছেরাদ্দ, গিন্নী, বোষ্টম, কুচ্ছিত ইত্যাদি।দেশি শব্দ : বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু কিছু উপাদান বাংলায় রক্ষিত হয়েছে। এসব শব্দকে দেশি শব্দ নামে অভিহিত করা হয়। উদাহরণ—কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপর, ডাব, ডাগর, ঢেঁকি ইত্যাদি।বিদেশি শব্দ : রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সংস্কৃতিগত ও বাণিজ্যিক কারণে বাংলাদেশে আসা বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের বহু শব্দ বাংলায় এসে স্থান করে নিয়েছে। এসব শব্দকে বলা হয় বিদেশি শব্দ। এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি ও ইংরেজি শব্দই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, ভারত, মিয়ানমার, মালয়, চীন, জাপান প্রভৃতি দেশেরও কিছু শব্দ আমাদের ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। উদাহরণ—আল্লাহ, ইসলাম, কিতাব (আরবি), খোদা, পয়গম্বর, কারখানা (ফারসি), ইউনিভার্সিটি, নভেল, লাইব্রেরি (ইংরেজি), আনারস, আলপিন, বালতি (পর্তুগিজ), কার্তুজ, কুপন, রেস্তোরাঁ (ফরাসি), ইস্কাপন, তুরুপ (ওলন্দাজ), খদ্দর, হরতাল (গুজরাটি), চাকর, চাকু, দারোগা (তুর্কি), চা, চিনি (চীনা), ফুঙ্গি, লুঙ্গি (মিয়ানমার), রিকশা (জাপানি) ইত্যাদি।
'আনারস' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
Correct Answer:
খ: পর্তুগিজ
Explanation:
'আনারস' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত? সঠিক উত্তর পর্তুগিজ পর্তুগিজ শব্দ শব্দ পর্তুগিজ - তে আলমারি armário ইস্ত্রি ইস্তিরী estirar ইস্পাত espada কামিজ camisa গামলা gamela চাবি chave জানালা janela তামাক tobacco পেরেক prego ফিতা fita বারান্দা varanda বালতি balde বেহালা viola বোতাম botão মেজ mesa সাবান sabão কেদারা cadeira আতা ata আনারস ananás কাজু caju কপি couve পাউ pão পেঁপে papaia পেয়ারা pera সাগু sagu সালাদ salada ক্রুশ cruz গির্জা igreja যিশু Jesu পাদ্রি padre ইংরেজ inglês
'গুরুচান্ডলী' দোষমুক্ত শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: শবদাহ
Explanation:
'গুরুচান্ডলী' দোষমুক্ত শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর শবদাহ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া মৃত্যুর পরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী কর্তৃক শবদাহ বা মৃতদেহ পোড়ানোর ধর্মীয় সংস্কার। এই শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা হলে দাঁড়ায় অন্ত (শেষ) + ইষ্টি (সংস্কার) + ক্রিয়া অর্থাৎ মৃত্যুর পরে মৃতদেহের শেষবারের মতো সংস্কারকার্য। পূর্বে কঠোরভাবে এ সংস্কারের রীতিনীতি থাকলেও বর্তমানে তা অনেকটাই কঠোরতামুক্ত। বর্তমানে শিশু, সন্ন্যাসী, সাপে কাটা অথবা বিশেষ কোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে জলসমাধি (পানিতে ভাসিয়ে দেওয়া) কিংবা মৃৎসমাধি (মাটিতে কবর) দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। শবদাহ করার কাজে বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে চন্দনকাঠ বা চন্দনগুঁড়া ব্যবহার করা হয়, কিন্তু সাধারণ লোকের ক্ষেত্রে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই।
বাংলা ভাষার মুল উৎস কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: প্রাকৃত ভাষা
Explanation:
বাংলা ভাষার মুল উৎস কোনটি? সঠিক উত্তর প্রাকৃত ভাষা প্রাকৃত মধ্যভারতীয় আর্যভাষা। প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা বৈদিক বা সংস্কৃত থেকে এর উৎপত্তি বলে মনে করা হয়। সংস্কৃত ভাষার যে রূপটি ছিল সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা, তা এক সময় শিথিল ও সরল হয়ে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন আঞ্চলিক রূপ ধারণ করে। কালক্রমে এগুলিকেই বলা হয় প্রাকৃত ভাষা।
'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' কে রচনা করেন?
Correct Answer:
খ: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বিশিষ্ট লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০ - ১৮৯১ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা' ও ব্যাকরণ কৌমুদী '(১ম ,২য়, ৩য় ও ৪র্থ ভাগ)। ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫ - ১৯৬৯ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'বাংলা ব্যাকরণ' শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬ - ১৯৮২ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ মঞ্জরী'।
উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহ কয়ভাগে বিভক্ত?
Correct Answer:
ঘ: ৫ ভাগে
Explanation:
উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহ কয়ভাগে বিভক্ত? সঠিক উত্তর ৫ ভাগে উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষায় শব্দসমূহকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা - তৎসম, অর্ধ তৎসম, তদ্ভব, দেশী ও বিদেশী।
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: ধ্বনি
Explanation:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কোনটি? সঠিক উত্তর ধ্বনি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো 'ধ্বনি' । এটা ভাষার মৌলিক অংশ । ধ্বনির লিখিত রুপ হলো 'বর্ণ' । শব্দের অংশ হলো অক্ষর। বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক বা অংশকে শব্দ বলে।
সাধু ভাষা সাধারনত কোথায় অনুপযোগী?
Correct Answer:
ঘ: নাটকের সংলাপে
Explanation:
সাধু ভাষা সাধারনত কোথায় অনুপযোগী? সঠিক উত্তর নাটকের সংলাপে বাংলা লেখ্য গদ্যের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন রূপ; এর নবীন ও বর্তমানে বহুল প্রচলিত রূপটি হলো চলিত। সাধু ভাষা অনেকটা ধ্রুপদী বৈশিষ্ট্যের এবং চলিত ভাষা সর্বসাধারণের জীবন - ঘনিষ্ঠ। ভাষার এই দ্বিধারিক প্রপঞ্চকে বলা হয় দ্বি - ভাষারীতি। সাধু ভাষার বাক্যরীতি অনেকটা সুনির্ধারিত। এ ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। এতে সর্বনাম, ক্রিয়াপদ প্রভৃতির রূপ মৌখিক ভাষার রূপ অপেক্ষা পূর্ণতর। চলিত ভাষা সর্বদাই নতুন নতুন ধ্বনি - পরিবর্তন করে। কিন্তু সাধু ভাষায় শব্দের রূপান্তর খুব বেশি দেখা যায় না। যেমন, চলিত ভাষায় স্বরসঙ্গতি ও অভিশ্রুতির প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়, কিন্তু সাধু ভাষায় তেমনটা দেখা যায় না। চলিত ভাষা অপেক্ষাকৃত চটুল এবং সাধু ভাষা গম্ভীর; তবে ব্যঙ্গরচনা বা রম্যরচনায় চলিত ভাষার মতো সাধু ভাষারও সফল ব্যবহার হতে পারে। অন্যদিকে সাধু ভাষায় আছে এক রকম স্বাভাবিক আভিজাত্য ও ঋজুতা।
ভাষার মূল উপাদান কী ?
Correct Answer:
ঘ: ধ্বনি
Explanation:
ভাষার মূল উপাদান কী ? সঠিক উত্তর ধ্বনি কোন ভাষার উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম এককই হলো ধ্বনি। ভাষাকে বা ভাষার বাক প্রবাহকে বিশ্লেষণ করলে কতগুলো ক্ষুদ্রতম একক বা মৌলিক ধ্বনি পাওয়া যায়। যেমন - অ, আ, ক্, খ্, ইত্যাদি। ধ্বনি মূলত দুই প্রকার। যথা: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।
আলালি বা হুতোমি ভাষা বলা হয় কোন ভাষাকে ?
Correct Answer:
খ: চলিত
Explanation:
আলালি বা হুতোমি ভাষা বলা হয় কোন ভাষাকে ? সঠিক উত্তর চলিত আলালি ও হুতোমি ভাষা বলা হয় 'চলিত ' ভাষাকে । বাংলা চলিত ভাষায় লেখা প্যারীচাঁদ মিত্রের (টেকচাঁদ ঠাকুর ) 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসটি (১৮৫৮) । এ থেকে 'আলালি ভাষা' প্রচলিত হয়। আবার কালীপ্রসন্ন সিংহ একই ভাষা রীতিতে রচনা করনে 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' উপন্যাসটি (১৮৬২) । এ থেকে 'হুতোমি ভাষা' প্রচলিত হয়।
কে বহু ভাষাবিদ পন্ডিত ও গবেষক ছিলেন?
Correct Answer:
গ: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
Explanation:
কে বহু ভাষাবিদ পন্ডিত ও গবেষক ছিলেন? সঠিক উত্তর ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১০ জুলাই ১৮৮৫ - ১৩ জুলাই ১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অবিভক্ত চব্বিশ পরগণা জেলার পেয়ারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
বেদের ভাষাকে কি ভাষা বলা হয়?
Correct Answer:
খ: বৈদিক ভাষা
Explanation:
বেদের ভাষাকে কি ভাষা বলা হয়? সঠিক উত্তর বৈদিক ভাষা বৈদিক ভাষা ভারতে আগত আর্য জাতির আদি ভাষা। খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দের দিকে আর্যরা ভারতবর্ষে আসা শুরু করেছিল। উত্তর - পশ্চিম ভারত দিয়ে এই আগত এই জনগোষ্ঠী খ্রিষ্টপূর্ব ১১০০ অব্দের দিকে বঙ্গদেশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। খ্রিষ্ট - পূর্ব ১০০০ বৎসরের ভিতরে ভারতীয় ইন্দো - ইরানিয়ান ভাষার পরিবর্তন ঘটে।
চলিত ভাষারীতির ক্ষেত্রে কোন বৈশিষ্ট্য প্রয়োজন ?
Correct Answer:
গ: পরিবর্তনশীল
Explanation:
চলিত ভাষারীতির ক্ষেত্রে কোন বৈশিষ্ট্য প্রয়োজন ? সঠিক উত্তর পরিবর্তনশীল চলতি ভাষার রীতি পরিবর্তনশীল, তদ্ভব শব্দবহুল। আর সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল
ভাষার মৌলিক অংশ কয়টি ?
Correct Answer:
খ: চারটি
Explanation:
ভাষার মৌলিক অংশ কয়টি ? সঠিক উত্তর চারটি প্রত্যেক ভাষারই চারটি মৌলিক অংশ থাকে। যেমন: ১. ধ্বনি (Sound) ২. শব্দ (Word ) ৩. বাক্য ( Sentence ) ৪. অর্থ (Meaning)
”ব্রজবুলি” কোন স্থানের ভাষা?
Correct Answer:
খ: মিথিলা
Explanation:
”ব্রজবুলি” কোন স্থানের ভাষা? সঠিক উত্তর মিথিলা ব্রজবুলি বলতে এক রকম কৃত্রিম পরিভাষাকে বোঝয়। ব্রজবুলি মিথিলার ভাষা। বাংলা এবং মৈথিলী ভাষার সমন্বয়ে ব্রজবুলি ভাষার সৃষ্টি হয়েছে।
ভাষার কোন রীতি পরিবর্তনশীল?
Correct Answer:
খ: চলিত রীতি
Explanation:
ভাষার কোন রীতি পরিবর্তনশীল? সঠিক উত্তর চলিত রীতি ভাষার চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত আকারে বিদ্যমান থাকে, তাকে চলিত ভাষা বলে। উদাহরণ: তারা কাজ করছে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমের বেড়ে গিয়েছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে সে জন্যই তাড়া।
”মান্দারিন” কোন দেশের ভাষা?
Correct Answer:
ক: চীন
Explanation:
”মান্দারিন” কোন দেশের ভাষা? সঠিক উত্তর চীন ”মান্দারিন” চীন দেশের ভাষা। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষের মুখের ভাষা মান্দারিন। এটি চীনের ভাষা। জাপান, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের ভাষার যথাক্রমে জাপানিজ, থাই ও ভিয়েতনামিজ।
ভাষার মূল উপকরণ কী?
Correct Answer:
খ: বাক্য
Explanation:
ভাষার মূল উপকরণ কী? সঠিক উত্তর বাক্য ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি আর উপকরণ বাক্য।
প্রবাসী বন্ধুকে লেখা পত্রের ঠিকানা কোন ভাষায় লিখতে হয় ?
Correct Answer:
ঘ: ইংরেজী ভাষায়
Explanation:
প্রবাসী বন্ধুকে লেখা পত্রের ঠিকানা কোন ভাষায় লিখতে হয় ? সঠিক উত্তর ইংরেজী ভাষায় প্রবাসী বন্ধুকে চিঠি লেখার সময় কতগুলো নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। তার মধ্যে ইংরেজী - ভাষায় ঠিকানা লেখা একটি। ইংরেজি তে ঠিকানা লিখলে এটি প্রবাসী কারো কাছে লেখা এটা বুঝতে সুবিধা হয়।
ভাষার কোন রীতি কেবলমাত্র লেখ্যরুপে ব্যবহৃত হয় ?
Correct Answer:
গ: সাধু
Explanation:
ভাষার কোন রীতি কেবলমাত্র লেখ্যরুপে ব্যবহৃত হয় ? সঠিক উত্তর সাধু বাংলা ভাষার সর্বজনস্বীকৃত লেখ্য রূপ হচ্ছে সাধু রীতি। এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। এ রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী।
সাধু ও চলিত ভাষায় পার্থক্য মূলত--
Correct Answer:
খ: ক্রিয়া ও সর্বনামে
Explanation:
সাধু ও চলিত ভাষায় পার্থক্য মূলত-- সঠিক উত্তর ক্রিয়া ও সর্বনামে সাধু ও চলিত ভাষায় পার্থক্য মূলত - - ক্রিয়া ও সর্বনামে। বাংলা ভাষার দুটি রূপ—সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা। পৃথিবীর প্রায় সব ভাষারই লেখ্য ও কথ্যরূপ আছে। বাংলা ভাষার লেখ্যরীতি হিসেবে সাধু এবং কথ্যরীতি হিসেবে চলিতরীতির উদ্ভব হয়েছে। যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপে বিদ্যমান থাকে, তাকে সাধুভাষা বলে। যে ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত আকারে বিদ্যমান থাকে, তাকে চলিত ভাষা বলে। উদাহরণ: তারা কাজ করছে।
চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন--
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন-- সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন - - প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
'পেয়ারা' কোন ভাষা খেকে আগত?
Correct Answer:
ঘ: পর্তুগিজ
Explanation:
'পেয়ারা' কোন ভাষা খেকে আগত? সঠিক উত্তর পর্তুগিজ পর্তুগিজ শব্দ - আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, পেয়ারা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি। তাই সঠিক উত্তর : পর্তুগিজ শব্দ।
'ব্রজবুলি' ভাষার স্রষ্টা-
Correct Answer:
খ: বিদ্যাপতি
Explanation:
'ব্রজবুলি' ভাষার স্রষ্টা- সঠিক উত্তর বিদ্যাপতি "ব্রজবুলি হলো মৈথিলী ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে গঠিত এক প্রকার কৃত্রিম কবিভাষা। এ ভাষার স্রষ্টা হলেন বিদ্যাপতি। তবে চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাসও এ ভাষায় বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন।
আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম কী ?
Correct Answer:
খ: উপভাষা
Explanation:
আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম কী ? সঠিক উত্তর উপভাষা আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম উপভাষা। বাংলা ভাষার মোট আঞ্চলিক ভাষা ৫ টি।
যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি- এই অংশের সম্প্রসারণে কোন ভাষাটি সঠিক ?
Correct Answer:
ঘ: অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক
Explanation:
যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি- এই অংশের সম্প্রসারণে কোন ভাষাটি সঠিক ? সঠিক উত্তর অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি - এই অংশের সম্প্রসারণে ভাষাটি সঠিক হচ্ছে - - অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক।
“সারাংশ লিখনে” ভাষার বাহুল্য, উপমা, অলংকার এসকল-
Correct Answer:
ক: বর্জনীয়
Explanation:
“সারাংশ লিখনে” ভাষার বাহুল্য, উপমা, অলংকার এসকল- সঠিক উত্তর বর্জনীয় সারাংশ লিখনে ভাষার বাহুল্য, উপমা, অলংকার - বর্জনীয়। সারাংশ বলতে সাধারণত মূলভাবকে বোঝায়। উপমা, অলংকার, প্রবাদ প্রবচন, বাগধারা, উক্তি - এগুলো মূলত সারাংশের বর্জনীয় বিষয়। শুধুমাত্র মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরতে হবে।
চলিত ভাষার আদর্শরূপে গৃহীত ভাষাকে বলা হয় ----
Correct Answer:
খ: প্রমিত ভাষা
Explanation:
চলিত ভাষার আদর্শরূপে গৃহীত ভাষাকে বলা হয় ---- সঠিক উত্তর প্রমিত ভাষা চলিত ভাষার আদর্শরূপে গৃহীত ভাষাকে প্রমিত ভাষা বলে। প্রমিত ভাষা বলা ও লেখার উপযোগী। এটি বক্তৃতা, আলাপ আলোচনা ও নাট্যসংলাপের উপযোগী। প্রমিত ভাষা কালের প্রবাহে অনেক পরিবর্তিত হয়।
চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য নয় ---
Correct Answer:
ঘ: সংস্কৃত শব্দের বহুল ব্যবহার
Explanation:
চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য নয় --- সঠিক উত্তর সংস্কৃত শব্দের বহুল ব্যবহার চলিত ভাষায় সংস্কৃত শব্দ নয় তদ্ভব শব্দ বহুল ব্যবহার হয়।
কোনটি ভাষার বৈশিষ্ট্য নয়?
Correct Answer:
খ: ইশারা বা অঙ্গভঙ্গি
Explanation:
কোনটি ভাষার বৈশিষ্ট্য নয়? সঠিক উত্তর ইশারা বা অঙ্গভঙ্গি ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি। ধ্বনির সাহায্যে ভাষার সৃষ্টি হয়। আবার ধ্বনি সৃষ্টি হয় বাগযন্ত্রের দ্বারা। মানুষের কন্ঠ নিঃসৃত বাক সংকেতের সংগঠন কে ভাষা বলে। গলনালি, মুখবিবর, কন্ঠ, জিহ্বা, তালু, দাঁত, নাক ইত্যাদি বাক প্রত্যঙ্গকে বাকযন্ত্র বলে। ইশারা বা অঙ্গভঙ্গির সাহাযে মনের ভাব সম্পুর্ণ রূপে প্রকাশ পাই না। তাই এটি ভাষার অন্তর্ভুক্ত নয়।
চলিত ভাষায় নিম্নের কোনটির রূপ সংক্ষিপ্ত হয়?
Correct Answer:
ক: অনুসর্গ
Explanation:
চলিত ভাষায় নিম্নের কোনটির রূপ সংক্ষিপ্ত হয়? সঠিক উত্তর অনুসর্গ চলিত ভাষাতে অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার হয়। অনুসর্গগুলো প্রাতিপদিক এর পরে ব্যবহার হয়। চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সংক্ষিপ্ত রূপে ব্যবহার হয়। এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সহজতর রূপ লাভ করে।
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল ---
Correct Answer:
ঘ: ফারসি
Explanation:
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল --- সঠিক উত্তর ফারসি ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে রাজভাষা ছিল ফার্সি। ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম বিজয় শুরু হয় মূলত ১২শ থেকে ১৬শ শতাব্দীতে। ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজী বাংলা জয় করেন যা ছিল তৎকালে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে উত্তর প্রান্ত। তৎকালীন ফার্সি ভাষা ছিল মধ্য এশিয়ায় প্রচলিত ইন্দো ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের ইরানীয় শাখার অন্তর্ভুক্ত একটি ভাষা।
কোনটি চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য?
Correct Answer:
খ: প্রমিত উচ্চারণ
Explanation:
কোনটি চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য? সঠিক উত্তর প্রমিত উচ্চারণ চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল এবং কৃত্রিমতা বর্জিত।
কোন ভাষা পরিবর্তনশীল?
Correct Answer:
খ: চলিত
Explanation:
কোন ভাষা পরিবর্তনশীল? সঠিক উত্তর চলিত চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল। একশ বছর আগে যে চলিত রীতি সে যুগের শিষ্ট ও ভদ্রজনের কথিত ভাষা বা মুখের বুলি হিসেবে প্রচলিত ছিল, কালের প্রবাহে বর্তমান এ তা অনেকটা পরিবর্তিত রূপ লাভ করেছে। এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। চলিত রীতি বক্তৃতা ও আলাপ আলোচনারর উপযোগী।
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা চিহ্নিত করুন :
Correct Answer:
গ: বৈদিক
Explanation:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা চিহ্নিত করুন : সঠিক উত্তর বৈদিক প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা হলো বৈদিক বা ছান্দস, সংস্কৃত, বৌদ্ধ - সংস্কৃত।
সাধুভাষা সাধারণত অনুপযোগী-
Correct Answer:
ঘ: নাটকে
Explanation:
সাধুভাষা সাধারণত অনুপযোগী- সঠিক উত্তর নাটকে সাধুভাষা গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। এ রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে। তাই সাধুরীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
ভাষার ক্ষদ্রতম একক কোনটি?
Correct Answer:
খ: ধ্বনি
Explanation:
ভাষার ক্ষদ্রতম একক কোনটি? সঠিক উত্তর ধ্বনি বাগযন্ত্রের দ্বারা উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনির সাহায্যে মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমকে ভাষা বলে। ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি। এছাড়া ধ্বনি ভাষার মৌলিক অংশ।
”আমি বাড়ি গিয়ে দেখলাম তুমি বসিয়া আছ”। এটা কোন রীতির ভাষা?
Correct Answer:
ঘ: সাধু ও চলিত মিশ্রণ রীতি
Explanation:
”আমি বাড়ি গিয়ে দেখলাম তুমি বসিয়া আছ”। এটা কোন রীতির ভাষা? সঠিক উত্তর সাধু ও চলিত মিশ্রণ রীতি বাংলা, আরবি, হিন্দি প্রভৃতি ভাষার মৌখিক বা কথ্য এবং লৈখিক রূপ দেখা যায়। ভাষার মৌখিক রূপের আবার রয়েছে দুটি রীতি একটি প্রমিত রীতি, অপরটি আঞ্চলিক কথ্য রীতি। সঠিক উত্তর - সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ।
ব্যবহারকারীর দেশ হিসেবে আরবি ভাষার অবস্থান ----
Correct Answer:
ঘ: চতুর্থ
Explanation:
ব্যবহারকারীর দেশ হিসেবে আরবি ভাষার অবস্থান ---- সঠিক উত্তর চতুর্থ ২০১৭ সালে প্রকাশিত ইথনোলগ এর ২০ তম সংস্করণ অনুসারে বিশ্বে ৭, ০৯৯ টি প্রচলিত ভাষার মধ্যে আরবি ভাষার অবস্থান ৪র্থ। বিশ্বের ৫৭ টি দেশে এ ভাষা ব্যবহারকারী সংখ্যা ২৯৫ মিলিয়ন।
”দোসরা” তারিখ জ্ঞাপক সংখ্যাটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Correct Answer:
ঘ: হিন্দি
Explanation:
”দোসরা” তারিখ জ্ঞাপক সংখ্যাটি কোন ভাষা থেকে এসেছে? সঠিক উত্তর হিন্দি ”দোসরা” তারিখ জ্ঞাপক সংখ্যাটি হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে । 'দোসরা' হিন্দি ভাষার শব্দ । হিন্দি ভাষার আরো কয়েকটি শব্দ : পানি, বাচ্চা, চানাচুর, দাদা, নানা, কাহিনি, খানাপিনা ।
প্রত্যেক ভাষারই মৌলিক অংশ কয়টি?
Correct Answer:
ক: চারটি
Explanation:
প্রত্যেক ভাষারই মৌলিক অংশ কয়টি? সঠিক উত্তর চারটি প্রত্যেক ভাষারই চারটি মৌলিক অংশ থাকে - যথা: - ধ্বনি, শব্দ, বাক্য, অর্থ। অন্য দিকে ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় চারটি - ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা অর্থতত্ত্ব।
ভাষার মূল উপাদান হচ্ছে-
Correct Answer:
গ: ধ্বনি
নিচের কোনটিতে সাধুভাষা সাধারণত অনুপযোগী?
Correct Answer:
ঘ: নাটকে
Explanation:
নিচের কোনটিতে সাধুভাষা সাধারণত অনুপযোগী? সঠিক উত্তর নাটকে বাংলা লেখ্য সাধুরীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারণ করে চলে এমন পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী।
”পেয়ারা” কোন ভাষা থেকে আগত?
Correct Answer:
ঘ: পর্তুগিজ
Explanation:
”পেয়ারা” কোন ভাষা থেকে আগত? সঠিক উত্তর পর্তুগিজ বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং বিকৃত কিংবা অবিকৃতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব শব্দকে বিদেশি শব্দ বলে। বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ শব্দ শতাধিক বা তারও বেশি প্রচলিত আছে।