Language movement MCQs
Showing 27 questions (Total: 27)
১৯৫২ সালে তৎকালীন ভাষা আন্দোলন কিসের জন্ম দিয়েছিল?
Correct Answer:
গ: এক নতুন জাতীয় চেতনার
Explanation:
১৯৫২ সালে তৎকালীন ভাষা আন্দোলন কিসের জন্ম দিয়েছিল? সঠিক উত্তর এক নতুন জাতীয় চেতনার ১৯৫২ সালে তৎকালীন ভাষা আন্দোলন এক নতুন জাতীয় চেতনার জন্ম দিয়েছিল। বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশে) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলনের মাধ্যমে তদানীন্তন পাকিস্তান অধিরাজ্যের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবীর বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্তুত এর বীজ রোপিত হয়েছিল বহু আগে, অন্যদিকে এর প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী।
'বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ' -এর পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ কবে প্রবর্তিত হয়?
Correct Answer:
গ: ১৯৭৫ সালে
Explanation:
'বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ' -এর পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ কবে প্রবর্তিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী বিল ১৯৭৫ - এর মাধ্যমে 'বাঙালী জাতীয়তাবাদ ' - এর পরিবর্তে 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' করা হলেও সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ - এর মাধ্যমে আবার তা বহাল করা হয়।
'বাঙালি' জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে 'বাংলাদেশী' জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়---
Correct Answer:
খ: ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে
Explanation:
'বাঙালি' জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে 'বাংলাদেশী' জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়--- সঠিক উত্তর ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বিল ১৯৭৫ - এর মাধ্যমে 'বাঙালী জাতীয়তাবাদ ' - এর পরিবর্তে 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' করা হলেও সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ২০১১ - এর মাধ্যমে আবার তা বহাল করা হয়।
কে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন?
Correct Answer:
ঘ: আসাদ
Explanation:
কে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন? সঠিক উত্তর আসাদ 1952 সালের 21 ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সংগঠিতভাবে 144 ধারা ভঙ্গ করে। ' রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগান দিতে দিতে বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ চত্বরে সমাবেশ হয়। পুলিশ উপস্থিত ছাত্র - জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করলে ছাত্র - পুলিশ সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ একপর্যায়ে গুলিবর্ষণ করলে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। কিন্তু আসাদ শহীদ হন 1969 সালের 20 জানুয়ারি 69 - এর গণঅভ্যুত্থান কে কেন্দ্র করে।
রাষ্ট্রভাষার আন্দোলন অংকুরিত হয় ১৯৪৭ সালে , মহীরুহে পরিণত হয়--
Correct Answer:
ঘ: ১৯৫২ সালে
Explanation:
রাষ্ট্রভাষার আন্দোলন অংকুরিত হয় ১৯৪৭ সালে , মহীরুহে পরিণত হয়-- সঠিক উত্তর ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত গণআন্দোলন। ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। স্বাধীনতার পরপরই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং উর্দুভাষী বুদ্ধিজীবীরা বলেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু। অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তান থেকে দাবি ওঠে, বাংলাকেও অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করতে হবে। ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দীন করাচি থেকে ঢাকায় আসেন। তিনি পল্টন ময়দানে এক জনসভায় বলেন যে, প্রদেশের সরকারি কাজকর্মে কোন ভাষা ব্যবহূত হবে তা প্রদেশের জনগণই ঠিক করবে। কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে কেবল উর্দু। সঙ্গে সঙ্গে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া হয় এবং ‘রাষ্টভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগানে ছাত্ররা বিক্ষোভ শুরু করেন। ৩০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট পালিত হয়। ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সভাপতি মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন রাজনৈতিক - সাংস্কৃতিক দলের প্রতিনিধিদের এক সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়, যার আহবায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব। এ সময় সরকার আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব পেশ করে। এর বিরুদ্ধেও তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ২১ ফেব্রুয়ারি ( একুশে ফেব্রুয়ারি) সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল, জনসভা ও বিক্ষোভ মিছিল আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়।
বাঙালী জাতিয়তাবাদের ভিত্তি কোনটি?
Correct Answer:
গ: ঐক্যও সংহতি
Explanation:
বাঙালী জাতিয়তাবাদের ভিত্তি কোনটি? সঠিক উত্তর ঐক্যও সংহতি বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হল ভাষা ও সংস্কৃতি। এর ফলে ঐক্য ও সংহতি প্রতিষ্ঠিত হয়। অপশনগুলোর মধ্যে কেবল ঐক্য ও সংহতিই ভাষা ও সংস্কৃতির স্থলাভিষিক্ত হয়।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন ?
Correct Answer:
ঘ: উপরের কোনটিই নয়
Explanation:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন ? সঠিক উত্তর উপরের কোনটিই নয় ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের স্ময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল ছিলেন মালিক মোহাম্মদ ফিরোজ খান নুন।
ভাষা আন্দোলনের ভিত্তিতে রচিত উপন্যাস কোনটি ?
Correct Answer:
ক: আরেক ফাল্গুন
Explanation:
ভাষা আন্দোলনের ভিত্তিতে রচিত উপন্যাস কোনটি ? সঠিক উত্তর আরেক ফাল্গুন আরেক ফাল্গুন উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের ভিত্তিতে রচিত। রচিয়তা জহির রায়হান।
কিসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
Correct Answer:
ঘ: বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
Explanation:
কিসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল? সঠিক উত্তর বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ পাকিস্তান সৃষ্টির পর যখন বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উপর প্রথম আঘাত আসে, তখন বাঙালি জনগণ বিশেষ করে যুবসম্প্রদায় ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। মূলত তখন থেকেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন পরবর্তীতে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ জন্মের পথ সুগম করে। এ আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সালাম, বরকত, রফিক ,জব্বারসহ নাম না জানা অনেকের জীবন বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি কোনটি?
Correct Answer:
ক: ঐক্য ও সংহতি
Explanation:
বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি কোনটি? সঠিক উত্তর ঐক্য ও সংহতি বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হলো ঐক্য ও সংহতি। বাঙালি জাতীয়তাবাদ হল একটি রাজনৈতিক অভিব্যক্তি যার মাধ্যমে প্রাচীন কাল থেকে দক্ষিণ এশিয়াতে বসবাসরত বাঙালি জাতি, তথা বাংলা ভাষাগত অঞ্চলের অধিবাসীদের বুঝানো হয়ে থাকে। বাঙালি জাতি উপমহাদেশের একটি অন্যতম জাতীয়তাবাদী চেতনায় প্রভাবিত এক প্রভাবশালী জাতি। বাঙালি জাতিকে উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের রূপকার বলা হয়ে থাকে।
ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয় -
Correct Answer:
ক: ১৯৪৮ সালে
Explanation:
ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয় - সঠিক উত্তর ১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল ১৯৪৮ সাল থেকে। বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশে) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলনের মাধ্যমে তদানীন্তন পাকিস্তান অধিরাজ্যের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবির বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
”বাঙালী জাতীয়তাবাদের” পরিবর্তে “বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ” প্রবর্তিত হয় সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
Correct Answer:
খ: পঞ্চম
Explanation:
”বাঙালী জাতীয়তাবাদের” পরিবর্তে “বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ” প্রবর্তিত হয় সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে? সঠিক উত্তর পঞ্চম 'বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের' পরিবর্তে 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' প্রবর্তিত হয় সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে। পঞ্চম সংশোধনী গৃহীত হয় ৫ এপ্রিল ১৯৭৯; রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দেন ৬ এপ্রিল ১৯৭৯। এ সংশোধনীর মাধ্যমে 'বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ' এর পরিবর্তে 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' প্রবর্তন করা হয়।
ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান তমুদ্দিন মজলিস কার নেতৃত্বে গঠিত হয় ?
Correct Answer:
ক: অধ্যাপক আবুল কাশেম
Explanation:
ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান তমুদ্দিন মজলিস কার নেতৃত্বে গঠিত হয় ? সঠিক উত্তর অধ্যাপক আবুল কাশেম তমুদ্দিন মজলিশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে ১৯৪৮ সালের ২ সেপ্টম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
চলিত ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য জোর আন্দোলন চালিয়ে ছিলেন কে ?
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালি জাতির _
Correct Answer:
খ: ঐক্য ও সংহতি
ভাষার জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের একজনের নাম উল্লেক করুন।
Correct Answer:
গ: সালাম
Explanation:
ভাষার জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের একজনের নাম উল্লেক করুন। সঠিক উত্তর সালাম ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে পূর্ব বালার ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজপথে মিছিল বের করে। তখন পাকবাহিনীর গুলিতে অনেক ছাত্র নিহত হয় তার মধ্যে রফিক, বরকত, সালাম আরো অনেকে নিহত হন।
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক কোনটি ?
Correct Answer:
ক: কবর
Explanation:
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক কোনটি ? সঠিক উত্তর কবর মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় কবর নাটকটি রচনা করেন। ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা - সংস্কার কমিটির রিপোর্টের অবৈজ্ঞানিক ও সাম্প্রদায়িক বিষয়বস্তুর তীব্র সমালোচনা করে মুনীর চৌধুরী পূর্ববঙ্গের ভাষা কমিটির রিপোর্ট আলোচনা প্রসঙ্গে একটি দীর্ঘ ভাষাতাত্ত্বিক প্রবন্ধ লেখেন। ১৯৫৯ সালের ২৭শে এপ্রিল প্রবন্ধটি বাংলা একাডেমিতে পঠিত হয়। কিন্তু মুসলিম ধর্মবিশ্বাসে আঘাতের অভিযোগে সামরিক সরকারের কাছে তাকে কৈফিয়ৎ দিতে হয়। এরপর তিনি সাহিত্যে মনোনিবেশ করেন ও বেশ কিছু মৌলিক ও অনুবাদ নাটক লেখেন। অনেকগুলি প্রবন্ধের সংকলনও প্রকাশ করেন।
'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ' কবে গঠন করা হয়?
Correct Answer:
ঘ: কোনটিই নয়
Explanation:
'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ' কবে গঠন করা হয়? সঠিক উত্তর কোনটিই নয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় গঠিত একটি সংগঠন। পাকিস্তান সরকারের থেকে বাংলা ভাষার মর্যাদা আদায়ের লক্ষ্যে সেই সময় বাঙালি রাজনীতিবিদ এবং বুদ্ধিজীবিদের সমন্বয়ে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় এটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ১৯৪৭ সালে ডিসেম্বরের দিকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
Correct Answer:
ক: খাজা নাজিম উদ্দীন
Explanation:
ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন? সঠিক উত্তর খাজা নাজিম উদ্দীন ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিম উদ্দীন। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান আততায়ীর হাতে নিহত হলে প্রধানমন্ত্রী হন খাজা নাজিম উদ্দীন। 'নূরুল আমিন' ছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ' ছিলেন পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল।
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে কোন সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
Correct Answer:
ক: তমদ্দুন মজলিশ
Explanation:
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে কোন সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে? সঠিক উত্তর তমদ্দুন মজলিশ তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা ভাষার আন্দোলনে তমদ্দুন মজলিশের অবস্থান ছিল। পূর্ববাংলায় জনসাধারণের আকাঙ্খারই প্রতিফলন। তমদ্দুন মজলিশ ব্যাপক সাড়া পেয়েছে দেশের ইসলাম ভাবাপন্ন বিশিষ্ট মহল থেকে, বিশেষত ছাত্র ও শিক্ষক, সাংবাদিক, লেখক ও সংস্কৃতিসেবীদের কাছ থেকে। তদুপরি ভাষা আন্দোলনে তমদ্দুন মজলিশের পথিকৃতের ভূমিকা এ সংগঠনের জন্য এনে দিয়েছে উদার ও মুক্তবুদ্ধির বিশিষ্ট জনগোষ্ঠীর মৌন সমর্থন, যদিও তারা ঐ আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন না যে আদর্শের উপর ভিত্তি করে। তমদ্দুন মজলিশ গড়ে উঠেছিল। এখানেই তমদ্দুন মজলিশের বিরাট সাফল্য যে, এই সংগঠন অত্যন্ত সফলভাবে দীর্ঘ পাঁচ বছর ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং সামাজিক প্রত্যয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে দেশের সকল জনগোষ্ঠীকে এর সাথে সম্পৃক্ত করে ভাষা আন্দোলনকে একটি জাতীয় ইস্যুতে পরিণত করেছে।
বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছেন নিচের কে ?
Correct Answer:
গ: সালাম
Explanation:
বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছেন নিচের কে ? সঠিক উত্তর সালাম তালিকাটিতে ২১ ফেব্রুয়ারি রফিকউদ্দিন আহমদ, আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম এবং ২২ ফেব্রুয়ারি শফিকুর রহমান, আব্দুল আউয়াল, অহিউল্লাহ ও অজ্ঞাত বালককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে ভাষাশহিদ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়েছেন পাঁচজন—আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, রফিকউদ্দিন আহমদ, আবদুস সালাম ও শফিউর রহমান।
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্য সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি কে সম্পাদনা করেন?
Correct Answer:
খ: হাসান হাফিজুর রহমান
‘তমদ্দুন মজলিশ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
Correct Answer:
গ: আবুল কাশেম
Explanation:
‘তমদ্দুন মজলিশ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন? সঠিক উত্তর আবুল কাশেম প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ আবুল কাসেম একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, লেখক, সমাজসেবক এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। তিনি বাংলা ভাষা আন্দোলনের স্থপতি এবং তমদ্দুন মজলিস ও বাঙলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। জন্ম: ২৮ জুন, ১৯২০, চট্টগ্রাম জেলা মারা গেছেন: ১১ মার্চ, ১৯৯১, ঢাকা পুরস্কার: বাংলা একাডেমী পুরস্কার; একুশে পদক; স্বাধীনতা পদক প্রতিষ্ঠা করা সংস্থা: তমদ্দুন মজলিস, সরকারি বাঙলা কলেজ শিক্ষা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৪৫), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৪৪) স্বামী বা স্ত্রী: রাহেলা কাসেম, মমতাজ কাসেম সূত্র: উইকিপিডিয়া
ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দেয়?
Correct Answer:
ক: বাঙালি জাতীয়তাবাদ
কীসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল?
Correct Answer:
ঘ: বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে একুশে পদক পেয়েছেন-
Correct Answer:
ঘ: হালিমা খাতুন
Explanation:
ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে একুশে পদক পেয়েছেন- সঠিক উত্তর হালিমা খাতুন ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য 2019 সালে একুশে পদক দেওয়া হয় তিনজনকে। যথা - অধ্যাপক হালিমা খাতুন (মরণোত্তর), অ্যাডভোকেট গোলাম আরিফ টিপু ও অধ্যাপক মনোয়ারা ইসলাম।
ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবদর্শ ছাড়িয়ে দেয়?
Correct Answer:
ঘ: বাঙালি জাতীয়তাবাদ
Explanation:
ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবদর্শ ছাড়িয়ে দেয়? সঠিক উত্তর বাঙালি জাতীয়তাবাদ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন। ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্রে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা প্রদান করা হয়।