Newspapers and editors MCQs
Showing 14 questions (Total: 14)
বাংলাদেশে সংবাদপত্র পাঠক সংখ্যার হার কত ?
Correct Answer:
ক: প্রতি ৩০০ জনে একজন
Explanation:
বাংলাদেশে সংবাদপত্র পাঠক সংখ্যার হার কত ? সঠিক উত্তর প্রতি ৩০০ জনে একজন বাংলাদেশের এখন ২৩ শতাংশ মানুষ পত্রিকা পড়ে। সে হিসেবে এদেশে পত্রিকার পাঠক প্রায় ৩ কোটি ৬৮ লাখ। এর মধ্যে ৫৫ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার পাঠক একাধিক পত্রিকা পড়েন।
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন?
Correct Answer:
গ: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন? সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অবদান রাখেন। একুশের চেতনার উপর ভিত্তি করে তার কবিতা অমর একুশে প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালেই। এটি সহ আরও কিছু লেখা একত্রিত করে ১৯৫৩ সালে তিনি তাঁর প্রথম বই একুশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করেন।
কে প্রথম সংবাদপত্রকে ' Fourth state' হিসেবে আখ্যায়িত করেন ?
Correct Answer:
গ: অ্যাডমান্ড বার্ক
Explanation:
কে প্রথম সংবাদপত্রকে ' Fourth state' হিসেবে আখ্যায়িত করেন ? সঠিক উত্তর অ্যাডমান্ড বার্ক Edmornd bark was an Irish statesman, economist, and philosopher. Born in Dublin, Burke served as a member of parliament (MP) between 1766 and 1794 in the House of Commons of Great Britain with the Whig Party after moving to London in 1750.
বেগম পত্রিকার সম্পাদক কে?
Correct Answer:
গ: নূরজাহান বেগম
Explanation:
বেগম পত্রিকার সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর নূরজাহান বেগম নূরজাহান বেগম (৪ জুন ১৯২৫ - ২৩ মে ২০১৬) বাংলাদেশে নারী সাংবাদিকতার অগ্রদূত এবং সাহিত্যিক। তিনি ভারত উপমহাদেশের প্রথম নারী সাপ্তাহিক পত্রিকা "বেগম" পত্রিকার সূচনালগ্ন থেকে এর সম্পাদনার কাজে জড়িত ছিলেন এবং ছয় দশক ধরে বেগম পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার ডাক নাম ছিল নূরী।
সবুজপত্র পত্রিকাটির সম্পাদক কে?
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
সবুজপত্র পত্রিকাটির সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী চলিত রীতি প্রতিষ্ঠায় 'সবুজপত্র' পত্রিকার নাম স্মরণীয়। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে মাসিক 'সবুজপত্র' প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম। সাধু গদ্যরীতির বদলে চলিত গদ্যরীতি এই পত্রিকা ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠা করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন। সাহিত্যজগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরি করতে সক্ষম হয়।
‘দৈনিক আজাদ' পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?
Correct Answer:
ক: মোহম্মদ আকরম
Explanation:
‘দৈনিক আজাদ' পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী? সঠিক উত্তর মোহম্মদ আকরম আজাদ, দৈনিক একটি জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকা। ১৯৩৬ সালের ৩১ অক্টোবর পত্রিকাটি কলকাতা থেকে আত্মপ্রকাশ করে। মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁর সম্পাদনায় বাংলা ও আসামের মুসলমানদের মুখপত্র হিসেবে দৈনিক আজাদ প্রকাশিত হয়। আট পৃষ্ঠার এ পত্রিকাটি তখন নিজস্ব রোটারী মেশিনে ছাপা হতো। এ সময় আজাদ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ মোদাবেবর। পত্রিকা প্রকাশের সার্বিক দায়িত্ব পালন করতেন মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ ও তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র মোহাম্মদ খায়রুল আনাম খাঁ। এ সময় পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন ও নজীর আহমদ চৌধুরী। খায়রুল কবির তখন ছিলেন ঢাকার আঞ্চলিক রিপোর্টার। ভারত বিভাগের (১৯৪৭) পর ১৯৪৮ সালের ১৯ অক্টোবর পত্রিকাটি কলকাতা থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। আজাদ পত্রিকাই তখন ছিল পূর্ববঙ্গের প্রধান দৈনিক পত্রিকা। ঢাকায় স্থানান্তরের পর আজাদের সম্পাদক হন আবুল কালাম শামসুদ্দীন। সম্পাদকীয় বিভাগে যোগ দেন মুজীবুর রহমান খাঁ ও আবু জাফর শামসুদ্দীন। বার্তা সম্পাদক ছিলেন খায়রুল কবির। কিছুদিনের মধ্যেই কাগজ সংকটের কারণে কর্তৃপক্ষ পত্রিকার প্রকাশনা কিছুকাল বন্ধ রাখেন। কর্মচারীদের আন্দোলনের ফলে অচিরেই পত্রিকার প্রকাশনা শুরু করতে হয়। ১৯৪৯ সালে আজাদ ‘সাধু সাবধান’ শিরোনামে এক সম্পাদকীয় লিখলে তা নিয়ে পূর্ববঙ্গ ব্যবস্থাপক সভায় তীব্র বাদানুবাদ হয়। আজাদের স্টাফ রিপোর্টারের ব্যবস্থাপক সভার অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয় এবং সরকার পত্রিকাটির বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দেয়। ভাষা আন্দোলনে আজাদ সাহসী ভূমিকা পালন করে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্রজনতার মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণ ও ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে সমগ্র ঢাকা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। দৈনিক আজাদ গুলিবর্ষণের নিন্দা জানিয়ে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। আজাদের সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দীন ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে পূর্ববঙ্গ ব্যবস্থাপক সভা থেকে পদত্যাগ করেন। আইয়ুব খানের সময়ে বিভিন্ন কালাকানুনের বিরুদ্ধে অন্যান্য পত্রিকার পাশাপাশি দৈনিক আজাদ জোরালো প্রতিবাদ জানায়। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রতিবাদে এবং ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে দৈনিক আজাদ জনগণের পক্ষে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করে। ১৯৬৯ সালে মওলানা আকরম খাঁর মৃত্যুর পর পত্রিকাটির মালিকানা ও কর্তৃত্ব নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। স্বাধীনতার পর দৈনিক আজাদ সরকারি ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছুদিন প্রকাশিত হবার পর পুনরায় ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দেয়া হয়। ১৯৯০ সালে পত্রিকাটির প্রকাশনা স্থায়িভাবে বন্ধ হয়ে যায়। বিক্রয় হয়ে যায় আজাদ পত্রিকার ভবনটিও।
বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কে ছিলেন?
Correct Answer:
গ: সুফিয়া কামাল
’সুবজপত্র’ পত্রিকাটির সম্পাদক কে?
Correct Answer:
গ: প্রথম চৌধুরী
"পূর্বাশা" পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
Correct Answer:
খ: সঞ্জয় ভট্টাচার্য
Explanation:
"পূর্বাশা" পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? সঠিক উত্তর সঞ্জয় ভট্টাচার্য কবি ও কথাসাহিত্যিক সঞ্জয় ভট্টাচার্য সম্পাদিত মাসিক পত্রিকা 'পূর্বাশা' । পত্রিকাটি ১৯৩২ সালে কুমিল্লা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা - দৈনিক নবযুগ (যুগ্ম সম্পাদক), ধূমকেতু , লাঙ্গল। শাহাদাৎ হোসেন ও সুধীন্দ্রনাথ দত্ত সম্পাদিত পত্রিকা যথাক্রমে 'এলান' ও পরিচয়"
বাংলা ভাষায় প্রথম সংবাদপত্রের নাম কী?
Correct Answer:
ঘ: সমাচার দর্পণ
Explanation:
বাংলা ভাষায় প্রথম সংবাদপত্রের নাম কী? সঠিক উত্তর সমাচার দর্পণ বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ‘সমাচার দর্পণ', যা ১৮১৮ সালের মে মাসে হুগলি জেলার শ্রীরামপুর মিশনারির জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। সংবাদই ছিল এ পত্রিকার প্রাণ, তবে ধর্ম বা তত্ত্ব আলোচনাও থাকত। এ পত্রিকা কোনো ধর্মীয় বিতর্কে না গিয়ে খ্রিষ্টান মতবাদের প্রতি 4 পক্ষপাত পোষণ করতো। পত্রিকাটি ১৮৪০ সালে বন্ধ হয়ে যায়।
`সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক কে?
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
Explanation:
`সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ঈশ্বরচন্দ্রের মৃত্যুর পর তাঁর ভাই রামচন্দ্র গুপ্ত সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদক নিযুক্ত হন। ভগ্নস্বাস্থ্যের কারণে তাঁর পক্ষে এ দায়িত্ব বেশিদিন পালন করা সম্ভব হয়নি এবং তাঁর স্থলে গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায় দায়িত্ব লাভ করেন। সম্ভবত মণীন্দ্রকৃষ্ণ গুপ্ত ছিলেন সংবাদ প্রভাকরের সর্বশেষ সম্পাদক।
‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম কী?
Correct Answer:
গ: দীনেশরঞ্জন দাস
’তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক কে?
Correct Answer:
ক: অক্ষয় কুমার দত্ত
Explanation:
’তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর অক্ষয় কুমার দত্ত তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ছিল ব্রাহ্মসমাজের তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র। ব্রাহ্মধর্মের প্রচার এবং তত্ত্ববোধিনী সভার সভ্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার উদ্দেশ্যে ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট (১ ভাদ্র, ১৭৬৫ শক) অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
বাংলাদেশ ভূখন্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: রংপুর বার্তাবহ
Explanation:
বাংলাদেশ ভূখন্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র কোনটি? সঠিক উত্তর রংপুর বার্তাবহ বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র রংপুর বার্তাবহ। ১৮৪৭ সালের আগস্টে গুরুচরণ শর্মা রায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত রংপুর বার্তাবহ নামক সাপ্তাহিক পত্রিকা টি বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র। এ পত্রিকাটির অর্থায়ন করেন জমিদার কালি চন্দ্র রায়।