Non-renewable fuels MCQs
Showing 17 questions (Total: 17)
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয় -----
Correct Answer:
ঘ: বায়োগ্যাস
Explanation:
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয় ----- সঠিক উত্তর বায়োগ্যাস ব্যাখ্যাঃ জীবদেহ (প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ই) মাটির নিচে চাপা পড়ে লক্ষ লক্ষ বছর পর তা রূপান্তরিত হয় কয়লা, তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাসে। এজন্য এদের বলা হয় জীবাশ্ম জ্বালানি। গরু, মহিষ প্রভৃতি গবাদিপশুর মলমূত্র কাজে লাগিয়ে ফারমেনটেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় যে গ্যাস তৈরি করা হয়, তাকে বায়োগ্যাস বলে। বায়োগ্যাস নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস।
বায়োগ্যাসের কোন উপাদান জ্বালানির কাজে লাগে?
Correct Answer:
গ: মিথেন
Explanation:
বায়োগ্যাসের কোন উপাদান জ্বালানির কাজে লাগে? সঠিক উত্তর মিথেন মিথেনমিথেন হচ্ছে একটি রাসায়নিক যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত CH4। এর প্রতিটি অনুতে আছে এক পরমাণু কার্বন ও চার পরমাণু হাইড্রোজেন। এটি একটি অ্যালকেন এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান। মিথেনের আপেক্ষিক প্রাচুর্যতা এটিকে একটি আকর্ষণীয় জ্বালানীতে পরিনত করেছে। কিন্তু, সাধারণ তাপমাত্রায় যেহেতু এটি গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে তাই মিথেনকে উৎস থেকে পরিবহন করা কষ্টসাধ্য। বায়ুমন্ডলীয় মিথেন একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউজ গ্যাস (প্রতি এককে কার্বন ডাই অক্সাইড অপেক্ষা বেশি)। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে ১৯৯৮ সালে মিথেনের ঘনত্ব ছিল ১৭৪৫ এন.মোল/মোল (পার্টস পার বিলিয়ন, পিপিবি)। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী মিথেনের মাত্রা প্রায় একইরূপ থাকার পর ২০০৮ সালে ১৮০০ এন.মোল/মোল হয়।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি কি?
Correct Answer:
খ: পরমানু শক্তি
Explanation:
নবায়নযোগ্য জ্বালানি কি? সঠিক উত্তর পরমানু শক্তি অচিরাচিত শক্তি বা নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা রিনিউয়েবল এনার্জি হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। ১নবায়নযোগ্য শক্তির প্রকারভেদ ১.১সৌর শক্তি ১.২বায়ু শক্তি ১.৩জৈব শক্তি ১.৪সমুদ্র শক্তি ১.৪.১সমুদ্র তরঙ্গ শক্তি ১.৪.২সমুদ্র তাপ শক্তি ১.৪.৩জোয়ার ভাটা শক্তি ১.৫ভূতাপ শক্তি ১.৬জলবিদ্যুৎ ১.৭শহুরে আবর্জনা ১.৮হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ১.৯হাইড্রোজেন ফিউশন নিউক্লিয়ার পাওয়ার
নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?
Correct Answer:
ক: পরমাণু শক্তি
Explanation:
নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি? সঠিক উত্তর পরমাণু শক্তি নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা রিনিউয়েবল এনার্জি হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি ( বায়োগ্যাস, বায়োম্যাস, বায়োফুয়েল), ভূ - তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র - তাপ, জোয়ার - ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে?
Correct Answer:
ক: ডিজেল
Explanation:
কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে? সঠিক উত্তর ডিজেল ডিজেল বা গ্যাস অয়েলের কার্বন শিকলের দৈর্ঘ্য C13 থেকে C18 পর্যন্ত। ডিজেলকে পোড়ালে সালফার ডাই - অক্সাইড তৈরি হয় । অন্যদিকে পেট্রোল, অকটেন , সিএনজিকে জ্বালানি রুপে পোড়ালে কার্বন ডাই - অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয় । এদের কার্বন শিকলের দৈর্ঘ্য হলো প্রেট্রোল = C5 থেকে C12 অকটেন = C8 এবং সিএন (Compressed Natural Gas = C1) যা ডিজেলের তুলনায় ছোট শিকল।
নব্যায়নযোগ্য জ্বালানি কি?
Correct Answer:
খ: পরমাণু শক্তি
Explanation:
নব্যায়নযোগ্য জ্বালানি কি? সঠিক উত্তর পরমাণু শক্তি প্রশ্ন : নবায়নযোগ্য জ্বালানি কি? উত্তর : পরমাণু শক্তি বর্ণনা: পরমাণু শক্তি কে অফুরন্ত ধরা হয় । এটি একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
বায়োগ্যাস প্লান্টে গোবর ও পানির অনুপাত কত?
Correct Answer:
ক: ১ঃ ২
Explanation:
বায়োগ্যাস প্লান্টে গোবর ও পানির অনুপাত কত? সঠিক উত্তর ১ঃ ২ বায়োগ্যাস মূলত মিথেন সমৃদ্ধ গ্যাস। পশুর গোবর, মানুষের বজ্র ও শষ্যের অবশেষে বায়ু বদ্ধ পাত্রে গাঁজানোর মাধ্যমে এটি তৈরি করা হয়। বায়োগ্যাস প্লান্টে গোবর ও পানির অনুপাত ১:২।
নাবয়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?
Correct Answer:
ক: পরমাণু শক্তি
Explanation:
নাবয়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি? সঠিক উত্তর পরমাণু শক্তি যে সব শক্তি বা জ্বালানি পুনঃপুন ব্যবহার করা যায়, সেস শক্তি বা জ্বালানিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলে। যেমন - পরমাণু শক্তি, সূর্যশক্তি, বায়ুশক্তি ইত্যাদি। কয়লা, পেট্রোল, প্রাকৃতিক গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানি।
বায়োগ্যাস প্লান্টে গোবর ও পানির অনুপাত হলো ---
Correct Answer:
ক: ১ঃ ২
Explanation:
বায়োগ্যাস প্লান্টে গোবর ও পানির অনুপাত হলো --- সঠিক উত্তর ১ঃ ২ বায়োগ্যাস মূলত মিথেন সমৃদ্ধ গ্যাস। পশুর গোবর, মানুষের বজ্র ও শষ্যের অবশেষে বায়ু বদ্ধ পাত্রে গাঁজানোর মাধ্যমে এটি তৈরি করা হয়। বায়োগ্যাস প্লান্টে গোবর ও পানির অনুপাত ১:২।
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানী নয়?
Correct Answer:
খ: বায়োগ্যাস
Explanation:
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানী নয়? সঠিক উত্তর বায়োগ্যাস বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি নয়। বায়োগ্যাস হলো পচনশীল জৈববস্তুসমূহ হতে তৈরি গ্যাস। সব প্রাণীরই মল হতে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে এ গ্যাস তৈরি করা যায়। পশুর গোবর ও অন্যান্য পচনশীল পদার্থ বাতাসের অনুপস্থিতিতে পঁচানোর ফলে যে গ্যাস তৈরি হয় তাই হচ্ছে বায়োগ্যাস। তবে গৃহপালিত বা বাণিজ্যিকভাবে পালিত পশুপাখি এবং মানব মল সহজলভ্য বলে এগুলোই বেশি ব্যবহার করা হয়। এজাতীয় গ্যাসে অধিকাংশ পরিমাণই থাকে মিথেন গ্যাস। বায়োগ্যাস উৎপাদনের পর অবশিষ্ট আবর্জনাটুকু উত্তম জৈব সার হিসেবে বেশ কার্যকরী।
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জালানি নয়?
Correct Answer:
ঘ: বায়োগ্যাস
Explanation:
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জালানি নয়? সঠিক উত্তর বায়োগ্যাস উত্তর: বায়োগ্যাস ব্যাখ্যা : প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা অন্য কোন কারণে ভূ - পৃষ্ঠের গাছপালা , জীবজন্তু বছর ধরে মাটিচাপা পড়ে পচে যায় । এভাবে বহুবছর চাপা পড়া অবস্থায় থাকলে অভ্যন্তরে প্রচণ্ড চাপ ও তাপে এরা জীবাশ্ম জ্বালানি তে পরিণত হয় । যেমন - পেট্রোল , খনিজ কয়লা , প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি । অপরদিকে, বায়োগ্যাস কোন জীবাশ্ম জ্বালানি নয়। কারণ এটি প্রাণের মলমূত্র পচা গাছপালা হতে 'ফারমেন্টেশন' ও 'গাজন ' প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত হয়।
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয় ?
Correct Answer:
ঘ: বায়োগ্যাস
Explanation:
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয় ? সঠিক উত্তর বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি নয় বায়োগ্যাস । বায়োগ্যাস হলো পচনশীল জৈববস্তুসমূহ হতে তৈরি গ্যাস। সব প্রাণীরই মল হতে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে এ গ্যাস তৈরি করা যায়। পশুর গোবর ও অন্যান্য পচনশীল পদার্থ বাতাসের অনুপস্থিতিতে পঁচানোর ফলে যে গ্যাস তৈরি হয় তাই হচ্ছে বায়োগ্যাস। তবে গৃহপালিত বা বাণিজ্যিকভাবে পালিত পশুপাখি এবং মানব মল সহজলভ্য বলে এগুলোই বেশি ব্যবহার করা হয়। এজাতীয় গ্যাসে অধিকাংশ পরিমাণই থাকে মিথেন গ্যাস। বায়োগ্যাস উৎপাদনের পর অবশিষ্ট আবর্জনাটুকু উত্তম জৈব সার হিসেবে বেশ কার্যকরী ।
কোনটি বায়োগ্যাসের প্রধান কাঁচামাল ?
Correct Answer:
ক: গোবর ও পানি
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়?
Correct Answer:
ঘ: বায়োগ্যাস
Explanation:
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়? সঠিক উত্তর বায়োগ্যাস কোটি বছর পূর্বে গাছ গাছড়া, জীবজন্তু প্রভৃতি প্রচন্ড ভুমিকম্প বা কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে কাদা ও বালির বেশ গভীরে ঢাকা পড়ে। ভুল অভ্যান্তরে প্রচন্ড চাপে ও তাপে এসব পদার্থের জৈব বিধ্বংসী পাতন ঘটে এবং পেট্রোলিয়াম, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস আকারে ভু অভ্যান্তর ভাগে অবস্থান করে। এদেরকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি নয় কারণ বায়োগ্যাস কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করা হয়।
বায়োগ্যাসে প্রধানত কি থাকে?
Correct Answer:
ক: মিথেন
Explanation:
বায়োগ্যাসে প্রধানত কি থাকে? সঠিক উত্তর মিথেন জৈব পদার্থের অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে যে বিশ্লেষণ হয় এবং এর ফলে যে গ্যাস উৎপন্ন হয় তাকে বায়োগ্যাস বলে। পচনশীল বস্তু যেমনঃ জৈব আবর্জনা, গোবর, মনুষ্য মল - মূত্র, উদ্ভিদ - প্রাণীর দেহাবশেষ প্রভৃতি গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয়। এ ধরনের বায়োগ্যাসে প্রাথমিকভাবে এবং কার্বন ডাইওক্সাইড গ্যাস থাকে। বায়োগ্যাসের উপাদানগুলোর শতকরা হিসাব নিম্মরুপ ঃ মিথেন (CH4) ৫০ - ৭৫%, কার্বন ডাইওক্সাইড (CO2) ২৫ - ৫০%, নাইট্রোজেন (N2) ০ - ১০%, হাইড্রোজেন (H2) ০ - ১%, সালফাইড ০ - ৩%।সুতরাং সঠিক উত্তর (ক)।
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানী নয়।
Correct Answer:
ঘ: বায়োগ্যাস
Explanation:
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানী নয়। সঠিক উত্তর বায়োগ্যাস বায়োগ্যাস কে জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হয়। জীবাশ্ম জ্বালানি হলো এক প্রকার জ্বালানি যা বায়ুর অনুপস্থিতিতে অবাত পচন প্রক্রিয়ায় তৈরী হয়। মৃত গাছের পাতা, মৃতদেহ ইত্যাদি জীবনের উপাদান মাটির নিচে হাজার হাজার বছর ধরে চাপা পড়ে জীবাশ্ম জ্বালানি তৈরী হয়। জীবাশ্ম জ্বালানি প্রচুর পরিমানে কার্বন থাকে। বায়োগ্যাস আমাদের জন্য অনেক উপকারী। বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট থেকে যে বর্জ্য পাওয়া যায়, তা জমিতে সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
বায়োগ্যাসের শতকরা কতভাগ মিথেন থাকে?
Correct Answer:
খ: ৬০-৭০
Explanation:
বায়োগ্যাসের শতকরা কতভাগ মিথেন থাকে? সঠিক উত্তর ৬০-৭০ বায়োগ্যাস হলো পচনশীল জৈববস্তু হতে তৈরি গ্যাস। সব প্রাণীরই মল হতে প্রক্রিয়াজানকরণের মাধ্যমে এ গ্যাস তৈরি করা যায়। পশুর গোবর ও অন্যান্য পচনশীল পদার্থ বাতাসের অনুপস্থিতিতে পঁচানোর ফলে যে গ্যাস তৈরি হয় তাই হচ্ছে বায়োগ্যাস। এ জাতীয় গ্যাসে অধিকাংশ পরিমাণই থাকে মিথেন (৬০ - ৭০%) গ্যাস।