General Science MCQs
Showing 50 questions (Total: 3716)
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে তাপমাত্রার একককে বলে --
Correct Answer:
খ: কেলভিন
Explanation:
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে তাপমাত্রার একককে বলে -- সঠিক উত্তর কেলভিন কেলভিন হলো তাপগতীয় তাপমাত্রার এস. আই. একক। ১ কেলভিন হলো পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপগতীয় তাপমাত্রা'র ১/২৭৩.১৬ ভগ্নাংশের সমান। তাপমাত্রার পার্থক্য কেলভিন এবং ডিগ্রি সেলসিয়াস(সেন্টিগ্রেড) স্কেলে সমান কিন্তু ডিগ্রী সেলসিয়াসে প্রকাশিত একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা সংখ্যাগতভাবে কেলভিনে প্রকাশিত তাপমাত্রার চেয়ে ২৭৩.১৫ পরিমাণ ক্ষুদ্রতর। অর্থাৎ, ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস = ১ কেলভিন - ২৭৩.১৫ কেলভিনকে 'K' দ্বারা সূচিত করা হয়।
Dengue fever is spread by-------
Correct Answer:
A: Aedes aegypti mosquito
Explanation:
Dengue fever is spread by------- Correct Answer Aedes aegypti mosquito এডিস মশকী ডেঙ্গু রোগের বাহক।Dengue viruses are spread to people through the bites of infected Aedes species mosquitoes (Ae. aegypti or Ae. albopictus). These are the same types of mosquitoes that spread Zika and chikungunya viruses.
কোন পতঙ্গ তার নিজের ওজনের ৫০ গুন বেশি ওজন বহন করতে পারে?
Correct Answer:
খ: পিঁপড়া
Explanation:
কোন পতঙ্গ তার নিজের ওজনের ৫০ গুন বেশি ওজন বহন করতে পারে? সঠিক উত্তর পিঁপড়া পিঁপড়ার কান নেই। পিঁপড়ার হাঁটু এবং পায়ে আছে বিশেষ এক ধরণের সেনসিং ভাইব্রেসন যার মাধ্যমে আশেপাশের পরিস্থিতি পিঁপড়ারা বুঝতে পারে। পোকামাকড়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় মস্তিষ্কের অধিকারী পিপড়া। বিশ্বে পিঁপড়ার প্রায় ১২ হাজার প্রজাতি রয়েছে। এই প্রাণীটি তার শরীরের ওজনের চেয়েও ৫০ গুণ বেশি ওজন বহন করতে পারে! পিঁপড়াদেরও একজন রাণী থাকে যার থেকে লক্ষাধিক বাচ্চা হয়। পিঁপড়ার কান নেই। তাই মাটির কম্পন থেকেই শব্দের ব্যাপারটি বুঝে নেয়।
Photosynthesis takes place in -----
Correct Answer:
C: Green parts of the plants
Explanation:
Photosynthesis takes place in ----- Correct Answer Green parts of the plants Photosynthesis বা সালোকসংশ্লেষণ একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া । এ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের সবুজ অঙ্গ (বিশেষ করে পাতা) সূর্যালোক হতে শক্তি সংগ্রহ করে এবং ঐ শক্তি কাজে লাগিয়ে পানি ও CO2 এর রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে । এ প্রক্রিয়ায় আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত হয় । সুতরাং সবুজ অঙ্গের মাধ্যমেই সালোকসংশ্লেষণ বা Photosynthesis সংঘটিত হয়।
সোয়াইন ফ্লুর ভাইরাস চিকিৎসা শাস্ত্রে কি নামে পরিচিত?
Correct Answer:
ক: এইচ১ এন১
Explanation:
সোয়াইন ফ্লুর ভাইরাস চিকিৎসা শাস্ত্রে কি নামে পরিচিত? সঠিক উত্তর এইচ১ এন১ সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সোয়াইন ফ্লু শূকরের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে পৃথিবীর কয়েকটি দেশে মানব মৃত্যুর কারণ বলে চিহ্নিত হয়েছে। এটি মূলত শূকরের মাঝেই পাওয়া যেত যা কিনা শূকরকে ইনফ্লুয়েঞ্জাতে আক্রান্ত করত। অন্যান্য ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মতই এটি শ্বাসনালীতে সংক্রমন করে থাকে। পূর্বে সোয়াইন ইনফ্লেঞ্জা ভাইরাস মানুষকে আক্রান্ত না করলেও ধারণা করা হচ্ছে, ২০০৯ সালের এপ্রিলে উদ্ভব হওয়া ভাইরাসটি মানুষ, শূকর ও পাখির ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সংমিশ্রনে। এটি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস টাইপ A (H1N1)।
ডিমের সাদা অংশে কোন শ্রেণীর প্রোটিন থাকে?
Correct Answer:
খ: অ্যালবুমিন
Explanation:
ডিমের সাদা অংশে কোন শ্রেণীর প্রোটিন থাকে? সঠিক উত্তর অ্যালবুমিন ডিমের কুসুমে থাকে গ্লোবিউলিন।
নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসের একটি উদাহরণ হলো-----
Correct Answer:
ঘ: সূর্য
Explanation:
নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসের একটি উদাহরণ হলো----- সঠিক উত্তর সূর্য সূর্য থেকে প্রতিনিয়ত যে পরিমাণ শক্তি পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় তা সূর্যের উৎপন্ন শক্তির দুই শত কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র। এই সৌরশক্তির অফুরন্ত ভাণ্ডার আমাদের প্রতিদিনের নানারকম কাজের চাহিদা মেটায়। বর্তমানে সৌরশক্তিকে ব্যবহার করে বাষ্প উৎপাদনের মাধ্যমে টারবাইন ও জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এ ছাড়া রান্নার কাজে সৌরচুল্লি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই সৌরশক্তি বারবার ব্যবহার করা যাবে। কখনোই শেষ হবে না। তাই সৌর শক্তিকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলা হয়। পৃথিবীতে প্রায় 99.97% শক্তির উৎস হলো সুর্য। সুর্যই সকল শক্তির মুল উৎস।
প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ--------
Correct Answer:
গ: উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
Explanation:
প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ-------- সঠিক উত্তর উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় তরলের স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধিপায় আর চাপ কমলে তরলের স্ফুটনাংক হ্রাস পায়। যেজন্য পাহাড়ে বা উঁচু কোন জায়গায় রান্না করার সময় মাছ মাংস সহজে সিদ্ধ হয়না। কিন্তু প্রেসার কুকারে আবদ্ধ অবস্থায় তরলের চাপ বাড়ানো হয় ফলে মাছ মাংস সহজে সিদ্ধ হয়। উল্লেখ্য ঃঃঃপাহাড়ে তরলের স্ফুটনাংক হ্রাস পেয়ে ৭০ ডিগ্রি আর প্রেসার কুকারে বৃদ্ধি েপেয়ে ১২০ ডিগ্রি হয়।
যে তিনটি মুখ্য বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য বর্ণ সৃষ্টি করা যায় সেগুলো হলো-----
Correct Answer:
ঘ: লাল, নীল, সবুজ
Explanation:
যে তিনটি মুখ্য বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য বর্ণ সৃষ্টি করা যায় সেগুলো হলো----- সঠিক উত্তর লাল, নীল, সবুজ তিনটি মুখ্য বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য সব বর্ণ সৃষ্টি করা যায়, এগুলো হলো – লাল, সবুজ, নীল। সূত্রঃ সবুজ ও নীলা ভাই বোন। সবুজ নী = নীল লা = লাল বিকল্প টেকনিক: আসল আ - আসমানি (আকাশের বং যেহেতু নীল। তাই এইখানে নীল মনে রাখবেন।) স - সবুজ ল - লাল আরো সহজে মনে রাখার জন্য "RGB" ব্যবহার করা যায় R = Red (লাল) G = Green (সবুজ) B = Blue (নীল)
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো----
Correct Answer:
গ: লৌহ
Explanation:
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো---- সঠিক উত্তর লৌহ কচুশাকে প্রচুর পরিমান লৌহ নামক খনিজ পদার্থ থাকে। কচু শাকে ভিটামিন - এ প্রচুর পরিমানে পাওয়া যায়। কচু শাকে বিদ্যমান আক্সালিক এসিড গলায় কুটকুট ভাব তৈরি করে। গাজর সহ রঙিন ফলমূলে ভিটামিন এ সবুজ ও টক ফলমূলে ভিটামিন সি মাছের কাটা ও সামুদ্রিক মাছে ক্যালসিয়াম ও আয়োডিন থাকে
দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে হলে হাইভোল্টেজ ব্যবহার করার কারণ-----
Correct Answer:
ক: এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয়
Explanation:
দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে হলে হাইভোল্টেজ ব্যবহার করার কারণ----- সঠিক উত্তর এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয় ব্যাখ্যাঃ বিদ্যুৎ পরিবহনে যে তার ব্যবহৃত হয় তার রোধ আছে। রোধের কারণে তড়িৎ প্রবাহের সময় তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তি হিসেবে অপচয় হয়। দূরত্ব যত বেশি হয়, অপচয়ও তত বেশি হয়। সেজন্য অধিক দূরত্বে তড়িৎ প্রেরণে তড়িৎ প্রবাহ কমিয়ে ভোল্টেজ বাড়ানো হয় যাতে অপচয় কম হয়।
সংকর ধাতু পিতলের উপাদান হলো------
Correct Answer:
খ: তামা ও দস্তা
Explanation:
সংকর ধাতু পিতলের উপাদান হলো------ সঠিক উত্তর তামা ও দস্তা ব্যাখ্যাঃ পিতল বা ব্রাস একটি সংকর ধাতু। উপাদানঃ তামা ৮০%, দস্তা (জিঙ্ক) - ২০%। Cu(80%) + Zn(20%)
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে তা হলো------
Correct Answer:
খ: কর্কটক্রান্তি রেখা
Explanation:
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে তা হলো------ সঠিক উত্তর কর্কটক্রান্তি রেখা কর্কটক্রান্তি বা কর্কটক্রান্তি রেখা (কর্কট মানে কাঁকড়া) বা উত্তর বিষুব পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত প্রধান পাঁচটি অক্ষাংশের একটি। এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা। এটি বাংলাদেশের প্রায় মাঝামাঝি দিয়ে গেছে। একে ট্রপিক অব ক্যান্সার ও বলা হয়ে থাকে
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয় -----
Correct Answer:
ঘ: বায়োগ্যাস
Explanation:
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয় ----- সঠিক উত্তর বায়োগ্যাস ব্যাখ্যাঃ জীবদেহ (প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ই) মাটির নিচে চাপা পড়ে লক্ষ লক্ষ বছর পর তা রূপান্তরিত হয় কয়লা, তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাসে। এজন্য এদের বলা হয় জীবাশ্ম জ্বালানি। গরু, মহিষ প্রভৃতি গবাদিপশুর মলমূত্র কাজে লাগিয়ে ফারমেনটেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় যে গ্যাস তৈরি করা হয়, তাকে বায়োগ্যাস বলে। বায়োগ্যাস নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস।
মাছ অক্সিজেন নেয়-----
Correct Answer:
ঘ: পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে
Explanation:
মাছ অক্সিজেন নেয়----- সঠিক উত্তর পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে মাছেরা অক্সিজেন দুই ভাবে নিয়ে থাকে । প্রথমত মাছ তার নিজের ফুল্কোর ( gills ) সাহায্যে জলের ভিতর থেকে জলের দ্রবীভূত অক্সিজেন নিয়ে বেঁচে থাকে , এবং দ্বিতীয়ত জলের উপরের বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন নিয়ে থাকে। তবে তিমি শুশুক ডলফিন সরাসরি বাতাসের থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
বৈদ্যুতিক মটর এমন একটি যন্ত্রকৌশল, যা ------
Correct Answer:
ঘ: তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিকে রূপান্তরিত করে
Explanation:
বৈদ্যুতিক মটর এমন একটি যন্ত্রকৌশল, যা ------ সঠিক উত্তর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিকে রূপান্তরিত করে ব্যাখ্যাঃ বৈদ্যুতিক মটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। বৈদ্যুতিক জেনারেটর বা ডায়নামো যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। তাপীয় ইঞ্জিন তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। বৈদ্যুতিক মটর ফ্লেমিঙ্গয়ের ডান হস্ত নিয়ম অনুসারে পরিচালিত হয়।
সাধারণ ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে থাকে------
Correct Answer:
গ: কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা
Explanation:
সাধারণ ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে থাকে------ সঠিক উত্তর কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা ব্যাখ্যাঃ সাধারণ ড্রাইসেলে কার্বন দণ্ড ধনাত্বক পাত এবং দস্তার কৌটা ঋনাত্বক পাত হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কার্বন দণ্ডের চারপাশে থাকে কার্বন গুড়ো এবং ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড। ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড ছদন নিবারক হিসাবে কাজ করে। দস্তার কৌটা এবং কার্বন গুড়ো ও ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইডের মাঝে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের ঘন পেস্ট থাকে যা বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসাবে কাজ করে। ড্রাই সেল শুস্ক কোষ নামেও পরিচিত।
জলজ উদ্ভিদ সহজে ভাসতে পারে, কারণ -----
Correct Answer:
খ: এদের কান্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে
Explanation:
জলজ উদ্ভিদ সহজে ভাসতে পারে, কারণ ----- সঠিক উত্তর এদের কান্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে জলজ উদ্ভিদ সহজে ভাসতে পারে এর কারণ হলো , এদের কান্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে । এই বায়ু কুঠুরী জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। এরেনকাইমা জাতীয় কোষ বিদ্যমান থাকে
ধানের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে -----
Correct Answer:
ক: বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে
Explanation:
ধানের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে ----- সঠিক উত্তর বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে ধানগাছ বীজ অঙ্কুরিত হওয়ার পর ভ্রূণকান্ড ও ভ্রূণমূল যথাক্রমে ধানের কান্ড ও গুচ্ছমূলে পরিণত হয়। কান্ড পর্বসন্ধি ও পর্বমধ্য দ্বারা গঠিত। কান্ড থেকে উৎপন্ন পাতা একটি লম্বা পত্রফলক ও চ্যাপ্টা বৃন্তের সমন্বয়ে গঠিত। সর্বশেষ পাতাকে ধ্বজাপত্র (flag leaf) বলে, তাতে থাকে শেষ পর্বমধ্য বা যৌগমঞ্জরি (panicle)। সাধারণ জাতের ধানের তুলনায় উচ্চফলনশীল জাতগুলি অধিক সংখ্যক কুঁশি ও দানা উৎপাদন করে, তাই এদের ফলনও বেশি। ধানের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে বাতাসের সাথে পরাগ ঝড়ে পড়ে ।
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে -----
Correct Answer:
খ: ১০ নিউটন
Explanation:
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে ----- সঠিক উত্তর ১০ নিউটন গড়ে পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলের শীর্ষ পর্যন্ত, ১ বর্গ সেন্টিমিটার প্রস্থছেদের একটি বায়ুর কলামের ভর ১.০৩ কিলোগ্রাম, এবং এটি ১০.১ নিউটন বল বা ওজন প্রয়োগ করে। যার ফলে ১০.১নিউটন/সেমি২ বা ১০১ কিলোনিউটন/মিটার২ (১০১ কিলোপ্যাস্কেল, কেপিএ) চাপের সৃষ্টি হয়
পৃথিবীর ঘৃর্ণনের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না ------
Correct Answer:
খ: মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
Explanation:
পৃথিবীর ঘৃর্ণনের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না ------ সঠিক উত্তর মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য ব্যাখ্যাঃ কোন বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে। পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে কেন্দ্রবিমুখী বলের সৃষ্টি হয়। কিন্তু এ কেন্দ্রবিমুখী বলের মান মধ্যাকর্ষণ বলের চেয়ে অনেক কম। এজন্য পৃথিবীর আবর্তন সত্ত্বেও আমরা ছিটকে পড়ি না। মাধ্যাকর্ষণ = অভিকর্ষ
সর্বপ্রথমে যে উফশি ধান এ দেশে চালু হয়ে এখনো বর্তমান রয়েছে তা হলো----
Correct Answer:
ক: ইরি - ৮
Explanation:
সর্বপ্রথমে যে উফশি ধান এ দেশে চালু হয়ে এখনো বর্তমান রয়েছে তা হলো---- সঠিক উত্তর ইরি - ৮ বাংলাদেশে ১৯৬৮ সালে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) থেকে প্রথম উফশী জাতের ধান (আইআর ৮) মাঠ পর্যায়ে চাষাবাদ শুরু হয়। খাটো আকৃতির এ উফশী ধান থেকে প্রতি হেক্টরে ৫ - ৬ টন (বিঘাপ্রতি ১৮ - ২১ মণ) ফলন পাওয়া যায়। তখন থেকে উফশী ধান লোকমুখে ইরি ধান নামে পরিচিতি লাভ করে।
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে বলা হয় ------
Correct Answer:
ঘ: নিয়ত বায়ু
Explanation:
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে বলা হয় ------ সঠিক উত্তর নিয়ত বায়ু যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে বলা হয় - - নিয়ত
ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। কারণ এতে ----
Correct Answer:
খ: সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
Explanation:
ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। কারণ এতে ---- সঠিক উত্তর সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন, কারণ এতে সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে । ইস্পাত একটি লোহা ও কার্বনের সংকর যাতে মান ভেদে মোট ওজনের ০ .২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে। ম্যাংগানিজ, ক্রোমিয়াম, ভ্যানাডিয়াম এবং ট্যাংস্টেন লোহার সাথে ব্যবহৃত হলেও কার্বন সবচেয়ে সাশ্রয়ী। লোহার সাথে এই ধাতুগুলো যুক্ত হয়ে লোহার দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে।নিন্ম গলনাংক ও ঠালাই যৌগ্যতার জন্য উচ্চ কার্বনযুক্ত সংকর ঠালাই লোহা (কাস্ট আয়রণ) নামে পরিচিত।ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন, কারণ এতে সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে ।
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো -----
Correct Answer:
খ: মিথেন
Explanation:
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো ----- সঠিক উত্তর মিথেন প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন হলেও এর সাথে অল্প পরিমাণ অন্যান্য প্যারাফিন হাইড্রোকার্বন যেমন ইথেন, প্রোপেন , বিউটেন, পেন্টেন , হেক্সেন ইত্যাদি থাকে। এছাড়া আরও থাকে নাইট্রোজেন , কার্বন ডাই অক্সাইড ও হাইড্রোজেন সালফাইড । প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুপাত: - (a.) মিথেন - 97.33% (b.) ইথেন - 1.72% (c.) প্রোপেন - 0.35% (d.) ঊচ্চতর কার্বনের শিকল যুক্ত অংশ - 0.19% (e.) কার্বন ডাই অক্সাইড - 0.05% (f.) অক্সিজেন - 0.02% (g.) হাইড্রোজেন - 0.03% (h.) হাইড্রোজেন সালফাইড - 0.01% (i.) অন্যান্য - 0.3% মোট - 100%
মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে বলা হয় -----
Correct Answer:
ক: পরমাণু
Explanation:
মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে বলা হয় ----- সঠিক উত্তর পরমাণু ব্যাখ্যাঃ পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের বৈশিষ্ট্য রক্ষাকারী ক্ষুদ্রতম কণা যা সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। অণু হল মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের বৈশিষ্ট্য রক্ষাকারী ক্ষুদ্রতম কণা যা সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে না। যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত, তাদেরকে মূল কণিকা বলা হয়। যেমনঃ ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন।
কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো -----
Correct Answer:
খ: বালি
Explanation:
কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো ----- সঠিক উত্তর বালি কাঁচের প্রধান উপাদান হচ্ছে বালি বা সিলিকা। আজকের দিনে আমাদের যে কাঁচ তৈরি পদ্ধতি রয়েছে, তাতে যে মূল তিনটি উপাদান প্রয়োজন হয় সেগুলি হল কোয়ার্টজ(সিলিকা), সোডা, এবং চুন। যখন এগুলির মিশ্রণকে ১২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে উত্তপ্ত করা হয়, তখন এগুলি গলতে শুরু করে এবং তৎক্ষণাৎ যদি ঠাণ্ডা করা যায় তাহলে কাঁচের জন্ম হয়। ঢাকার আশে পাশে ২ - ৩ টি (ফ্লোট/শীট) গ্লাস কোম্পানি আছে। এর মধ্যে গাজীপুরের শ্রীপুরে ১০০ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত 'নাসির গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (NGIL)' বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত সর্ববৃহৎ ফ্লোট এন্ড শীট গ্লাস কোম্পানি। দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এই কোম্পানি বিদেশেও উন্নতমানের ফ্লোট, শীট ও কালার গ্লাস বিদেশে রপ্তানি করছে।
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ -----
Correct Answer:
ক: বায়ু প্রবাহের প্রভাব
Explanation:
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ ----- সঠিক উত্তর বায়ু প্রবাহের প্রভাব ব্যাখ্যাঃ সমুদ্র স্রোত উৎপত্তির কারণ হল - বায়ুপ্রবাহ, উষ্ণতার তারতম্য, লবণাক্ততার তারতম্য, বাষ্পীভবনের তারতম্য, গভীরতার তারতম্য, পৃথিবীর আবর্তন এবং স্থলভাগের অবস্থান।
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো ----
Correct Answer:
ঘ: প্রিজমের কাজ করে
Explanation:
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো ---- সঠিক উত্তর প্রিজমের কাজ করে ব্যাখ্যাঃ দুইটি হেলানো সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ প্রতিসারক মাধ্যমকে প্রিজম বলা হয়। প্রিজমের মধ্যে দিয়ে আলোর প্রতিসরণের ফলে সাদা রঙের আলো সাতটি মূল রঙের আলোতে বিশ্লিষ্ট হয়। রঙধনু একটি আলোকীয় ঘটনা। এক পশলা বৃষ্টির পর আবার যখন সূর্য ওঠে তখন কখনও কখনও সুর্যের বিপরীত দিকে আকাশে উজ্জ্বল রঙের অর্ধবৃত্ত দেখা যায়, একে বলা হয় রঙধনু বা রামধনু। রঙধনুতে সাতটি রঙ থাকে। বৃষ্টির কণায় সূর্যের আলোর প্রতিসরণ থেকে রঙধনু উৎপত্তি। এক্ষেত্রে বৃষ্টির পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে। সকালে রঙধনু পশ্চিমাকাশে ও বিকালে রংধনু পূর্ব আকাশে দেখা যায়
গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট বলতে বুঝায় -----
Correct Answer:
খ: তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
Explanation:
গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট বলতে বুঝায় ----- সঠিক উত্তর তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূপৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়। এই বিকীর্ণ তাপ ভূপৃষ্ঠে উপস্থিতিতেও বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূপৃষ্ঠের তথা বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। মূলত সৌর বিকিরণ দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং ভূপৃষ্ঠ পরবর্তীকালে এই শক্তি নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে অবলোহিত রশ্মি আকারে নির্গত করে। এই অবলোহিত রশ্মি বায়ুমণ্ডলস্থ গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে অনেক বেশি শক্তি আকারে ভূপৃষ্ঠে ও বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে পুনঃবিকিরিত হয়। গ্রীন হাউসের প্রভাবে নিম্নভুমি নিমজ্জিত হবে।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ ----
Correct Answer:
ক: একই হয়
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ ---- সঠিক উত্তর একই হয় পর্যাবৃত্ত গতিনির্দিষ্ট সময় পর পর একইভাবে একই দিকে স্পন্দিত বা গতিশীল হয়। ঘড়ির কাটা, বৈদ্যুতিক পাখা, সাইকেলের চাকা ইত্যাদির গতিও পর্যাবৃত্ত গতির উদাহরণ। কম্পন/স্পন্দন গতিও
কাজ করার সামর্থ্যকে বলে -----
Correct Answer:
গ: শক্তি
Explanation:
কাজ করার সামর্থ্যকে বলে ----- সঠিক উত্তর শক্তি ব্যাখ্যাঃ যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় বা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগে যদি বস্তুটির সরণ ঘটে, তাহলে বল এবং বলের দিকে বলের প্রয়োগ বিন্দুর সরণের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে। একক সময়ে ব্যক্তি বা উৎসটি দ্বারা সম্পাদিত কাজের পরিমাণই হচ্ছে ক্ষমতা। সময়ের সাপেক্ষে কোন বস্তুর কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে। বস্তুর সরণ না হলে কাজের পরিমান ০।
মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের দেশে প্রচলিত তাতে মাইক্রোওয়েভ অধিকাংশ দূরত্ব অতিক্রম করে -----
Correct Answer:
ক: ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে
Explanation:
মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের দেশে প্রচলিত তাতে মাইক্রোওয়েভ অধিকাংশ দূরত্ব অতিক্রম করে ----- সঠিক উত্তর ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের দেশে প্রচলিত তাতে মাইক্রোওয়েভ অধিকাংশ দূরত্ব অতিক্রম করে - - ওয়েভ গাইডের মধ্যে দিয়ে
কম্পিউটারের সফটওয়্যার বলতে বুঝানো হয় -----
Correct Answer:
ক: এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল
Explanation:
কম্পিউটারের সফটওয়্যার বলতে বুঝানো হয় ----- সঠিক উত্তর এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল ব্যাখ্যাঃ কম্পিউটারের সফটওয়্যার বলতে বোঝায় এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল। সফটওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় না। কোন কম্পিউটার ব্যবস্থায় সকল ভৌত যন্ত্রপাতি ও ডিভাইস, কী বোর্ড, প্রিন্টার, মনিটর ইত্যাদিকে একত্রে বলে হার্ডওয়্যার বা যান্ত্রিক সরঞ্জাম। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অংশের সম্মিলিত রূপ।
মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত ?
Correct Answer:
গ: ২৩ জোড়া
Explanation:
মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত ? সঠিক উত্তর ২৩ জোড়া বিজ্ঞানী স্ট্রাসবার্গার (Strasburger) (১৮৭৫) সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন। ১৮৮৮ সালে বিজ্ঞানী ওয়ালডেয়ার (Waldeyer) কোষ বিভাজনের প্রোফেজ দশায় প্রাপ্ত দণ্ডাকার গঠনের ক্রোমাটিনের নাম দেন ক্রোমোজোম। ১৯৩৩ সালে বিজ্ঞানী বোভেরি (Bovery) প্রমাণ করেন যে ক্রোমোজোমই বংশগতির ধারক ও বাহক। ১৯৩৫ সালে বিজ্ঞানী হেইজ (Heitz) সর্বপ্রথম ক্রোমোজোমের গঠনের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। ১৯৬৬ সালে বিজ্ঞানী ডুপ্রো (Dupraw) ক্রোমোজোমের সূক্ষ্ম গঠন বর্ণনা করেন। মানুষের ক্রোমোজোম ২৩ জোড়া। ২২ জোড়া অটোসোম আর ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম।
রান্না করার হাড়ি পাতিল সাধারণত এলুমিনিয়ামের তৈরি হয়। এর প্রধান কারণ -----
Correct Answer:
গ: এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়
Explanation:
রান্না করার হাড়ি পাতিল সাধারণত এলুমিনিয়ামের তৈরি হয়। এর প্রধান কারণ ----- সঠিক উত্তর এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয় রান্না করার হাড়ি - পাতিল সাধারণত অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি এর প্রধান কারণ এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয় এবং এর কোন রাসায়নিক খারাপ বিক্রিয়া নেই বললেই চলে এবং এটি সহজলভ্য । তাপ পরিবাহক হিসেবে স্টিলের চেয়ে অ্যালুমিনিয়াম অনেকগুণে বেশি ভালো। আর লোহায় মরিচা ধরে, অ্যালুমিনিয়ামে ধরে না। সে হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম প্রিফারেবল।
সাধারণ স্ট্রোরেজ ব্যাটারিতে সিসার ইলেকট্রোডের সঙ্গে যে তরলটি ব্যবহৃত হয় তা হলো -----
Correct Answer:
খ: সালফিউরিক এসিড
Explanation:
সাধারণ স্ট্রোরেজ ব্যাটারিতে সিসার ইলেকট্রোডের সঙ্গে যে তরলটি ব্যবহৃত হয় তা হলো ----- সঠিক উত্তর সালফিউরিক এসিড সালফিউরিক অ্যাসিড ব্যাখ্যা সালফিউরিক অ্যাসিড একটি রাসায়নিক যৌগ; যা একটি শক্তিশালী খনিজ এসিড বা অম্ল। কাঠামোগতভাবে এই রাসায়নিক যৌগটির নাম “হাইড্রোজেন সালফেট”। এটির সংকেত H2SO4। সালফিউরিক এসিড পানিতে দ্রবণীয়। সালফিউরিক এসিড পূর্বে ‘অয়েল অফ ভিট্রিয়ল’ নামে অভিহিত ছিল।
সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে -----
Correct Answer:
গ: স্টোরেজ ব্যাটারি
Explanation:
সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে ----- সঠিক উত্তর স্টোরেজ ব্যাটারি সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারী।
প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময় ------
Correct Answer:
ঘ: সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
Explanation:
প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময় ------ সঠিক উত্তর সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে পৃথিবীর বাইরের মহাকর্ষীয় শক্তির (বিশেষ করে চাঁদের) প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানি নিয়মিত বিরতিতে ফুলে ওঠাকে জোয়ার ও নেমে যাওয়ার ঘটনাকে ভাঁটা (একত্রে জোয়ার - ভাটা) বলা হয়। জোয়ার - ভাটার ফলে সমুদ্রে যে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তাকে জোয়ার তরঙ্গ (tidal waves) বলে। জোয়ারের পানি উপকূলের দিকে অগ্রসর হলে পানি সমতলের যে উত্থান ঘটে, তাকে জোয়ারের পানির সর্বোচ্চ সীমা (high tide water) এবং ভাটার পানি সমুদ্রের দিকে নেমে যাওয়ার সময় পানি সমতলের যে পতন ঘটে, তাকে জোয়ারের পানির সর্বনিম্ন সীমা (low tide water) বলে।
রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন বলতে বিশেষভাবে বুঝায় -----
Correct Answer:
ঘ: উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
Explanation:
রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন বলতে বিশেষভাবে বুঝায় ----- সঠিক উত্তর উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন দূর অনুধাবন (ইংরেজি : Remote Sensing) হল কোন বস্তুকে সরাসরি স্পর্শ না করে সেই বস্তু হতে তার গুনাবলি সম্পর্কিত উপাত্ত সংগ্রহ করা এবং পর্যবেক্ষন করার এক ধরনের কৌশল । এক্ষেত্রে বিভিন্ন সেন্সর বা ডিভাইস ব্যবহার করা হয় । দূর অনুধাবন হচ্ছে জিওইনফরমেটিক্স এর একটা বড় অংশ । এটা আবার ভূ - বিজ্ঞানের একটি উপশাখা বলা যায় । বর্তমান যুগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ। মহাকাশ তথা উপগ্রহ প্রযুক্তি আধুনিক যুগের এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে সেটা বলার অপেক্ষাই রাখেনা। রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি বর্তমান মহাকাশ প্রযুক্তির যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ। এটা এমন এক কৌশল যার মাধ্যমে রিমোট সেন্সিং ডিভাইসের দ্বারা কোন বস্তুকে সরাসরি স্পর্শ না করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সাধারণত এই প্রযুক্তি বলতে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণের দ্বারা মহাকাশ ও পৃথিবী পর্যবেক্ষণকে অনেকে বুঝিয়ে থাকেন। যদিও এর মানে শুধু মহাকাশ হতে পর্যবেক্ষণ বুঝানো একেবারে ঠিক হবেনা কারণ RADAR ও LIDAR এর সাহায্যে পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে সিগন্যাল পাঠিয়ে রিমোট সেন্সিং এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত তথ্যকে কম্পিউটারের মধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। রিমোট সেন্সিং বিশেষজ্ঞের পদার্থ বিজ্ঞান ও গণিতে যথেষ্ট জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যক । উদাহারন হিসেবে বলা যায় - আকাশে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহ বা বিমান থেকে পরিবেশের কোন উপাদানের তথ্য সংগ্রহ । দূর অনুধাবন কৌশলে বেশ কিছু সেন্সর ব্যবহার করা হয় সেগুলো হল - ক্যামেরালেসাররেডিও তরঙ্গ গ্রহণকারী রিসিভার বা সংগ্রাহকরাডার ব্যবস্থাসনারসীসমোগ্রাফগ্রাভিমিটারসম্যাগ্নেটমিটার।উপগ্রহ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশ ও আমাদের বাস যোগ্য পৃথিবীর দুর্গম স্থান পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়েছে। আকাশের উপরে অবস্থিত বিভিন্ন রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট ব্যবহার করে খুব সুন্দরভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসা সহ ভারত, জাপান, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, উত্তর কোরিয়া, চীন খুব ভাল ভাবে মহাকাশ গবেষণায় সাফল্য নিয়ে আসছে।
ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। কোন ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে?
Correct Answer:
ঘ: রকেট ইঞ্জিন
Explanation:
ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। কোন ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে? সঠিক উত্তর রকেট ইঞ্জিন রকেট (ইংরেজি: Rocket) একটি বিশেষ ধরনের প্রচলন কৌশল। এটি এমন এক ধরনের যান যেখানে রাসায়নিক শক্তির দহনের মাধ্যমে সৃষ্ট উৎপাদকগুলিকে প্রবল বেগে যানের নির্গমন পথে বের করে দেয়া হয় এবং এর ফলে উৎপন্ন ঘাতবলের কারণে রকেট বিপরীত দিকে প্রবল বেগে অগ্রসর হয়। এক্ষেত্রে নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুসৃত হয়। তাই এই সূত্রটিকে রকেট ইঞ্জিনের মূলনীতি হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। রকেট ইঞ্জিন প্রতিক্রিয়া ইঞ্জিনের সাহায্যে কাজ করে। এই ইঞ্জিনের প্রচালক কঠিন, তরল বিভিন্ন রকম হতে পারে।বিশ্বে অনেক ধরনের রকেট উদ্ভাবিত হয়েছে। এটি ছোট্ট বোতল আকৃতি থেকে শুরু করে বৃহৎ আকৃতির মহাকাশযানের মতো হতে পারে। তন্মধ্যে এরিয়েন ৫ হচ্ছে অন্যতম বৃহৎ আকৃতির রকেট যা দিয়ে কক্ষপথে কৃত্রিম উপগ্রহ প্রেরণ করা হয়।অসম্ভব মেধাবী জার্মান বিজ্ঞানী বার্নার ফন ব্রাউন সর্বপ্রথম তরল - জ্বালানী ব্যবহার উপযোগী রকেট আবিষ্কার করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে জার্মানির পক্ষে কাজ করেন; কিন্তু পরবর্তীকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত হন। সেখানেই তিনি আমেরিকার মহাকাশ প্রকল্পে কাজ করেন ও চাঁদে নভোচারী প্রেরণে সহায়তা করেন। তাকে রকেট বিজ্ঞানের জনক নামে অভিহিত করা হয়। বর্তমান এ আরো অনেক আধুনিক রকেট আবিষ্কার করা হয়েছে মানুষের কল্যাণের জন্য ,যেমন ফ্যালকন নাইন
ফিউশন প্রক্রিয়ায় ------
Correct Answer:
খ: একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
Explanation:
ফিউশন প্রক্রিয়ায় ------ সঠিক উত্তর একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে প্রবল চাপে হাইড্রোজেন পরমাণু একটির সঙ্গে আরেকটি মিলে যায়। হাইড্রোজেন পরমাণু একীভূত হওয়ার এই প্রক্রিয়াকে বলে ফিউশন। আর এই ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় হিলিয়াম। একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে আগের চেয়ে ভারী পরমাণু উৎপন্ন করার এই প্রক্রিয়ায় একই সঙ্গে নতুন মৌল ও শক্তি পাওয়া যায়। এই শক্তির উৎস হচ্ছে পরমাণুগুলোর কেন্দ্র, যাকে নিউক্লিয়াস বলে। কিন্তু এই ফিউশন প্রক্রিয়া থেকে সব সময় শক্তি পাওয়া যায় না। আয়রন বা লোহার চেয়ে ভারী মৌলের পরমাণুর ক্ষেত্রে ফিউশনের ফলে শক্তির শোষণ হয়।
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয় ------
Correct Answer:
ঘ: নিয়ত বায়ু
Explanation:
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয় ------ সঠিক উত্তর নিয়ত বায়ু নিয়ত বায়ুপ্রবাহবায়ুচাপের পার্থক্যই নিয়ত বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ, যেখানে বায়ুচাপ বেশি, সেখান থেকে যেদিকে বায়ুচাপ কম, সেদিকেই বায়ু প্রবাহিত হয় । এই নিয়ম মেনে পৃথিবীর চারটি স্থায়ী উচ্চচাপ বলয় থেকে তিনটি স্থায়ী নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিত ভাবে ও নির্দিষ্ট গতিতে প্রবাহিত বায়ুই হল নিয়তবায়ু প্রবাহ ।
পালতোলা নৌকা সম্পূর্ণ অন্য দিকের বাতাসকেও এর সম্মুখ গতিতে ব্যবহার করতে পারে। কারণ -----
Correct Answer:
খ: সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
Explanation:
পালতোলা নৌকা সম্পূর্ণ অন্য দিকের বাতাসকেও এর সম্মুখ গতিতে ব্যবহার করতে পারে। কারণ ----- সঠিক উত্তর সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয় বল (ইংরেজি: Force) হলো এমন একটি বাহ্যিক প্রভাব যা কোনো বস্তুর গতির, দিকের বা আকৃতিগত পরিবর্তন সাধন করতে সক্ষম। বল সম্পর্কে একটি সহজাত ধারণা হলো— টানা বা ঠেলা, যা কোনো ভরযুক্ত বস্তুর বেগের পরিবর্তন ঘটায়। এর মাধ্যমে স্থির বস্তু গতি লাভ করতে পারে বা গতিশীল বস্তুর বেগের পরিবর্তন ঘটতে পারে এমনকি স্থিতিশীলও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বড় বস্তুতে ত্বরণ সৃষ্টি করে বা নমনীয় বস্তুকে বিকৃত করতে পারে। বল প্রকাশ করতে এর মান ও দিক উভয়েরই প্রয়োজন , তাই এটি একটি ভেক্টর রাশি। পদার্থবিজ্ঞানী নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রানুসারে , {\displaystyle F = ma}, অর্থাৎ কোনো বস্তুর ত্বরণের ওপর প্রযুক্ত নিট বল এর সমানুপাতিক এবং ভর এর ব্যস্তানুপাতিক। ধারণা করা হয় এই নীতি আলোর বেগ এর কাছাকাছি গেলে ভেস্তে যায়। নিউটনের আসল সূত্র অবশ্য সর্বদা সত্য। যা বলে,বস্তুর ভর বেগের পরিবর্তনের হার এর ওপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক।
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
Correct Answer:
গ: বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
Explanation:
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক? সঠিক উত্তর বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলপৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বুঝায়, যা পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে। একে আবহমণ্ডল - ও বলা হয়। এই বায়ুমন্ডল সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে। এছাড়ও তাপ ধরে রাখার মাধ্যমে (গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া) ভূপৃষ্টকে উত্তপ্ত করে এবং দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা হ্রাস করে।শ্বাস - প্রশ্বাস ও সালোকসংশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত বায়ুমন্ডলীয় গ্যাসসমূহের প্রদত্ত প্রচলিত নাম বায়ু বা বাতাস।পরিমাণের দিক থেকে শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন,০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।বাতাসের পরিমাণ ও বায়ুমন্ডলীয় চাপ বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন রকম হয়,স্থলজ উদ্ভিদ ও স্থলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত বাতাস কেবল পৃথিবীর ট্রপোমণ্ডল এবং কৃত্রিম বায়ুমণ্ডলসমূহে পাওয়া যাবে।বায়ুমন্ডলের ভর হচ্ছে প্রায় ৫×১০১৮ কেজি,যার তিন চতুর্থাংশ পৃষ্ঠের প্রায় ১১ কিলোমিটারের (৩৬,০০০ ফুট ৬.৮ মাইল) মধ্যে থাকে।উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমন্ডল পাতলা হতে থাকে এবং বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের মধ্যে কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই।Karman লাইন, 100 কিলোমিটার (62 মাইল), অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এর 1.57% এ, প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যে মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহৃত হয়।কারম্যান রেখা যা পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উপরে অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ১.৫৭% প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যের মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহার করা হয়।বায়ুমন্ডলীয় প্রভাবসমূহ পরিলক্ষিত হয় যখন মহাকাশযান প্রায় ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) উচ্চতায় অথ্যাৎ কারম্যান রেখার উপরে গমন করে।বৈশিষ্ট্য যেমন তাপমাত্রা ও গঠনের উপর ভিত্তি করে বায়ুমন্ডলকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়।পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং তার প্রক্রিয়া নিয়ে চর্চা করাকে বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান বা অ্যাইরলজি বলা হয়।লিওন টিইসারিয়েক ডি বর্ট ও রিচার্ড অ্যাসম্যান এই শাস্ত্রের প্রারম্ভিক পথিকৃৎ।
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাল্পনিক রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে, সেটি হচ্ছে -----
Correct Answer:
খ: কর্কট ক্রান্তি রেখা
Explanation:
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাল্পনিক রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে, সেটি হচ্ছে ----- সঠিক উত্তর কর্কট ক্রান্তি রেখা কর্কট ক্রান্তি ও বিষুবরেখার মধ্যবর্তী অঞ্চল টেকটনিক পাত - এর সংঘর্ষের ফলে বান্দরবানের নৈসর্গিক পাহাড়ের সৃষ্টি হয়। কর্কট ক্রান্তি ও বিষুবরেখার মধ্যবর্তী অঞ্চল হওয়ায় এখানকার জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।
কোন রঙের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়?
Correct Answer:
খ: কালো
Explanation:
কোন রঙের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়? সঠিক উত্তর কালো কালোকালো হল সেসকল বস্তুর রঙ যা দৃশ্যমান বর্ণালীর মধ্যে কোন আলো বিকিরণ বা প্রতিফলন করে না। কালো রঙের বস্তু দৃশ্যমান বর্ণালীর সকল কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট আলো শোষণ করে নেয়। যদিও কখন কখন বর্ণহীন বলতে কালো বলা হয়, তবে ব্যবহারিক অর্থে কালো একটি রঙ, যেমন বলা হয় "কালো বিড়াল"।
এক কুইন্টাল ওজনে কত কিলোগ্রাম হয়?
Correct Answer:
গ: ১০০ কিলোগ্রাম
Explanation:
এক কুইন্টাল ওজনে কত কিলোগ্রাম হয়? সঠিক উত্তর ১০০ কিলোগ্রাম কিলোগ্রামএক কিলোগ্রাম ১০০০ গ্রাম এর সমান। ফ্রান্সের প্যারিসে রক্ষিত প্ল্যাটিনাম - ইরিডিয়ামের সংকর ধাতুর একটি সিলিন্ডারকে কিলোগ্রামের প্রমাণ নমুনা হিসাবে ধরা হয়, এবং এর সাপেক্ষেই কিলোগ্রামকে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
'অগ্নিশ্বর', 'কানাইবাঁসি', 'মোহনবাঁশী' ও 'বীটজবা' কি জাতীয় ফলের নাম?
Correct Answer:
খ: কলা
Explanation:
'অগ্নিশ্বর', 'কানাইবাঁসি', 'মোহনবাঁশী' ও 'বীটজবা' কি জাতীয় ফলের নাম? সঠিক উত্তর কলা কলা জাতের আরো কিছু নাম দুধসর, দুধসাগর, চিনিচাম্পা, কবরী, চন্দন কবরী, জাবকাঠালী
সূর্যরশ্মি কি গতিতে ভ্রমণ করে?
Correct Answer:
ঘ: সেকেণ্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল
Explanation:
সূর্যরশ্মি কি গতিতে ভ্রমণ করে? সঠিক উত্তর সেকেণ্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল সূর্যসূর্য (রবি নামেও ডাকা হয়) সৌরজগতের কেন্দ্রের খুব কাছে অবস্থিত তারাটির নাম। প্রায় আদর্শ গোলক আকৃতির এই তারা প্রধানত প্লাজমা তথা আয়নিত পদার্থ দিয়ে গঠিত যার মধ্যে জড়িয়ে আছে চৌম্বক ক্ষেত্র।এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার কিলোমিটার যা পৃথিবীর ব্যাসের ১০৯ গুণ, ভর প্রায় ২×১০৩০ কিলোগ্রাম তথা পৃথিবীর ভরের ৩ লক্ষ ৩০ হাজার গুণ। এই ভর সৌরজগতের মোট ভরের শতকরা ৯৯.৮৬ ভাগ। সূর্যের প্রধান গাঠনিক উপাদান হাইড্রোজেন, আসলে মোট ভরের তিন চতুর্থাংশই হাইড্রোজেন। হাইড্রোজেনের পরেই সবচেয়ে প্রাচুর্য্যময় মৌল হিলিয়াম। হিলিয়ামের চেয়ে ভারী মৌল সূর্যের মাত্র ১.৬৯% ভরের জন্য দায়ী, তারপরও এদের সম্মিলিত ভর পৃথিবীর ভরের ৫,৬২৮ গুণ। এই ভারী মৌলগুলোর মধ্যে রয়েছে অক্সিজেন, কার্বন, নিয়ন, লোহা ইত্যাদি।তারার শ্রেণীবিন্যাস করার একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে যা অনুসারে সূর্য জিটুভি (G2V) শ্রেণীর মধ্যে পড়ে। অনেক সময় একে হলদে বামন ডাকা হয় কারণ তার তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি বর্ণালীর হলুদ - সবুজ অংশে। সূর্যের রঙ সাদা হলেও ভূপৃষ্ঠ থেকে একে হলুদ দেখাতে পারে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে নীল আলোর বিচ্ছুরণের কারণে। বর্ণালী ধরন "জিটু" বলে দেয় সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা আনুমানিক ৫৭৭৮ কেলভিন বা ৫৫০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর "ভি" দিয়ে বোঝায় আকাশগঙ্গার অধিকাংশ তারার মত সূর্যও একটি প্রধান ধারার তারা অর্থাৎ সে কেন্দ্রভাগে নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে অবিরাম হাইড্রোজেন পুড়িয়ে হিলিয়াম উৎপাদন করে যাচ্ছে। কেন্দ্রে সূর্য প্রতি সেকেন্ডে ৬২ কোটি মেট্রিক টন হাইড্রোজেন পোড়ায়। আগে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্যকে অনুজ্জ্বল ও বেশ তাৎপর্যহীন একটি তারা মনে করলেও বর্তমানে জানা গেছে আকাশগঙ্গার শতকরা ৮৫ ভাগ তারার চেয়ে সূর্যের উজ্জ্বলতা বেশি, প্রকৃতপক্ষে আকাশগঙ্গার অধিকাংশ তারাই লোহিত বামন। সূর্যের পরম মান + ৪.৮৩; কিন্তু পৃথিবীর খুব কাছে হওয়ার কারণে আকাশে একে অন্য যেকোন বস্তুর চেয়ে অনেক উজ্জ্বল দেখায়, তাই আপাত মান অনেক কম, - ২৬.৭৪।সূর্যের করোনা অবিরত মহাশূন্যে প্রসারিত হতে থাকে যে কারণে সৌরঝড়ের জন্ম হয়। সৌরঝড় মূলত আয়নিত কণার ধারা যা হেলিওপজ তথা প্রায় ১০০ নভো - একক (সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্বের ১০০ গুণ) পর্যন্ত ধেয়ে যায়। সৌরঝড়ের মাধ্যমে আন্তঃনাক্ষত্রিক মাধ্যমে সৃষ্ট হেলিওস্ফিয়ার বা সৌরমণ্ডল সৌরজগতের বৃহত্তম অবিচ্ছিন্ন কাঠামো।সূর্য বর্তমানে স্থানীয় বুদবুদ অঞ্চলের স্থানীয় আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করছে যা আকাশগঙ্গার কালপুরুষ বাহুর ভেতরের দিকে অবস্থিত। পৃথিবী থেকে ১৭ আলোকবর্ষ দূরত্বের মাঝে তথা সবচেয়ে নিকটবর্তী ৫০টি তারার (সবচেয়ে নিকটবর্তী তারা প্রক্সিমা সেন্টরি ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে) মধ্যে সূর্য ভরের দিক দিয়ে চতুর্থ।সূর্য আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে আনুমানিক ২৪ - ২৬ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এবং কেন্দ্রের চারদিকে ২২.৫ থেকে ২৫ কোটি বছরে একবার ঘুরে আসে। ছায়াপথীয় উত্তর মেরু থেকে দেখলে সূর্যের এই আবর্তন ঘড়ির কাঁটার দিকে। আমাদের ছায়াপথ যেহেতু মহাজাগতিক অণুতরঙ্গ পটভূমি বিকিরণের (পটবিকিরণ) সাপেক্ষে হ্রদসর্প মণ্ডলের দিকে সেকেন্ডে ৫৫০ কিলোমিটার বেগে ধাবিত হচ্ছে সেহেতু পটবিকিরণের সাপেক্ষে সূর্যের বেগ কাংস্য বা সিংহ মণ্ডলের দিকে সেকেন্ডে প্রায় ৩৭০ কিলোমিটার।পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব আনুমানিক ১৪.৯৬ কোটি কিলোমিটার যাকে ১ নভো - একক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে পৃথিবীর কক্ষপথ যেহেতু উপবৃত্তাকার সেহেতু সূর্য থেকে তার দূরত্ব পরিবর্তিত হয়, জানুয়ারি মাসে সে সূর্যের সবচেয়ে কাছে (অনুসূর) আসে এবং জুলাইয়ে সবচেয়ে দূরে (অপসূর) সরে যায়।যাহোক, গড় দূরত্বে সূর্য থেকে আলো পৃথিবীতে আসতে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড সময় নেয়। এই সূর্যালোকের শক্তি পৃথিবীর প্রায় সকল জীবকে বাঁচিয়ে রাখে। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এই আলো থেকে খাদ্য উৎপাদন করে এবং প্রাণীরা খাদ্যের জন্য এসব উদ্ভিদ বা অন্য প্রাণীর উপর নির্ভর করে। পাশাপাশি জলবায়ু এবং আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণেও সূর্যালোক প্রধান ভূমিকা রাখে। পৃথিবীর উপর সূর্যের বিশাল প্রভাব সেই প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই মানুষ অনুধাবন করে আসছে। অনেক সংস্কৃতিতে সূর্যকে তাই দেবতা মনে করা হতো। তবে সূর্যের প্রকৃত কাঠামো সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ধারণা গড়ে উঠতে অনেক সময় লেগেছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত বিজ্ঞানীরাও সূর্যের গাঠনিক উপাদান এবং শক্তির উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতেন না। এখনও সূর্য নিয়ে গবেষণা চলছে কারণ তার কিছু ব্যবহর এখনও পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা যায়নি।