Protein MCQs
Showing 19 questions (Total: 19)
ডিমের সাদা অংশে কোন শ্রেণীর প্রোটিন থাকে?
Correct Answer:
খ: অ্যালবুমিন
Explanation:
ডিমের সাদা অংশে কোন শ্রেণীর প্রোটিন থাকে? সঠিক উত্তর অ্যালবুমিন ডিমের কুসুমে থাকে গ্লোবিউলিন।
আমিষের সহজলভ্য উৎস হলো-
Correct Answer:
গ: সামুদ্রিক মাছ
Explanation:
আমিষের সহজলভ্য উৎস হলো- সঠিক উত্তর সামুদ্রিক মাছ চীনাবাদাম স্নেহের উৎস । চাল শর্করার উৎস । কলা লৌহ নামক খনিজ লবণের উৎস। সামুদ্রিক মাছ আমিষের উৎস।
মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন?
Correct Answer:
গ: ৭৩%
Explanation:
মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন? সঠিক উত্তর ৭৩% কোষের সাইটোপ্লাজমের মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থিত ধূসর বর্ণের ও শক্তি উৎপাদনের বিশেষ ধরনের অঙ্গগুলোকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলা হয়। একে কোষের পাওয়ার হাউজও বলে । এটি গঠিত হয়, DNA, RNA, প্রোটিন , ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সমন্বয়ে। এতে ৭০% প্রোটিন, ২৫ - ৩৯% লিপিড এবং সামান্য পরিমাণে RNA, DNA , ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে।
কোনটিতে প্রোটিন নেই ?
Correct Answer:
গ: পানি
Explanation:
কোনটিতে প্রোটিন নেই ? সঠিক উত্তর পানি পানির আণবিক সংকেত <math xmlns="http://www.w3.org/1998/Math/MathML"><msub><mi>H</mi><mn>2</mn></msub><mi>O</mi></math>১ অণু অক্সিজেনের সাথে ২ অণু হাইড্রোজেন সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে ১ অণু পানি তৈরী হয়। এতে কোন প্রোটিন নেই।
কোন ফলটি বেশি আমিষ সমৃদ্ধ ?
Correct Answer:
ঘ: কাঁঠাল
Explanation:
কোন ফলটি বেশি আমিষ সমৃদ্ধ ? সঠিক উত্তর কাঁঠাল কাঁঠাল পুষ্টি সমৃদ্ধ। এতে আছে থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, জিঙ্ক এবং নায়াসিনসহ বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদান। অন্যদিকে কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, শর্করা ও ভিটামিন থাকায় তা মানব দেহের জন্য বিশেষ উপকারী।
প্রোটিনের অভাবে মানুষের কি রোগ হয়?
Correct Answer:
ক: কোয়াশিয়রকর
Explanation:
প্রোটিনের অভাবে মানুষের কি রোগ হয়? সঠিক উত্তর কোয়াশিয়রকর কোয়াশিয়রকর হলো শিশুদের প্রোটিনের অভাবজনিত একটি রোগ। সাধারণত দুই বছর বয়সকালে শিশুদের প্রোটিনের বা আমিষের অভাব দেখা দিলে এ রোগ হয়ে থাকে। এ রোগের লক্ষণ হলো: ১. চুলের রং পরিবর্তিত হয়ে বাদামি হয়ে যায়; ২. দেহের বৃদ্ধি হয় না; ৩. পেশি ক্ষয় পেতে থাকে অথচ দেহে কিছু চর্বি জমা থাকে এবং ৪. পানি জমে শরীর ফুলে যায়। প্রতিকার : প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুদের এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
নিচের কোন ফলটি বেশি আমিষ সমৃদ্ধ?
Correct Answer:
খ: কাঁঠাল
Explanation:
নিচের কোন ফলটি বেশি আমিষ সমৃদ্ধ? সঠিক উত্তর কাঁঠাল কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন এর সমন্বয়ে আমিষ গঠিত। উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ উভয় উৎস থেকেই আমিষ পাওয়া যায়। ফলের মধ্যে প্রতি গ্রাম আমে ০.৮২ গ্রাম, কাঁঠালে ১ গ্রাম, লিচুতে ০.৮০ গ্রাম এবং তরমুজে ০.৬১ গ্রাম আমিষ থাকে।
দেহে আমিষের কাজ কি?
Correct Answer:
গ: দেহে কোষ গঠনে সহায়তা করা
Explanation:
দেহে আমিষের কাজ কি? সঠিক উত্তর দেহে কোষ গঠনে সহায়তা করা দেহে আমিষের কাজ 'দেহে কোষ গঠনে সহায়তা করা'। আমিষের প্রধান কাজ হল দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করা। দেহের অস্থি, পেশি, বিভিন্ন অঙ্গতন্ত্র, রক্তকণিকা ইত্যাদি অধিকাংশই আমিষ দ্বারা তৈরি। আমিষ দেহের এন্টিবডি উৎপাদনেও মুখ্য ভূমিকা পালন করে এবং রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে।
প্রোটিনের মূল উপাদান কী?
Correct Answer:
খ: নাইট্রোজেন
Explanation:
প্রোটিনের মূল উপাদান কী? সঠিক উত্তর নাইট্রোজেন প্রোটিনের মূল উপাদান নাইট্রোজেন। খাদ্যের ছয়টি উপাদানের মধ্যে প্রোটিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন ছাড়া কোনো প্রাণীর অস্তিত্ব কল্পনা করা সম্ভব নয়। তাই প্রোটিনকে সকল প্রাণের প্রধান উপাদান হিসেবে গণ্য করা হয়। সব প্রোটিনই কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। প্রোটিনকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাঙলে প্রথমে এমাইনো এসিড পরে কার্বন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়।
কোন খাদ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ আমিষ নেই ?
Correct Answer:
খ: আনারস
Explanation:
কোন খাদ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ আমিষ নেই ? সঠিক উত্তর আনারস একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ, কর্মক্ষম ব্যাক্তির দৈনিক ৬৫ গ্রাম আমিষের প্রয়োজন এবং একজন নারীর দরকার ৫৫ গ্রাম। আমিষ এন্টিবডি উৎপাদনে, রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে। বাদাম, মাংস, ডিম, দুধ, মাছ প্রভৃতি আমিষের উৎস।
প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়-
Correct Answer:
গ: অ্যামাইনো এসিড
Explanation:
প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়- সঠিক উত্তর অ্যামাইনো এসিড কার্বন - হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত স্নেহ জাতীয় পদার্থ লিপিড। হাইড্রোলাইসিস করলে এরা ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারোলে পরিণত হয়। নিউক্লিয়াসের এক্টে রাসায়নেক পদার্থ নিউক্লেক এসিড। জীবকোষে দুই প্রকার (DNAও RNA) নিউক্লিক এসিড পাওয়া যায়। এক কথায় বলা যায়, অসংখ্য নাইট্রোজেন ঘটিত ক্ষারক, পেন্টোজ সুগার এবং ফসফরিক এসিড সমন্বয়ে গঠিত এসিড যা বংশগতের ধারাসহ সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রন করে তা - ই নিউক্লিক এসিড। সাইট্রিক এসিড পাওয়া যায় লেবুতে। আর অসংখ্য অ্যামাইনো এসিড বিভিন্নভাবে সমন্বিত হয়ে বৃহদাকার যৌগিক জৈব অণুগঠন করে , যা প্রোটিন নামে পরিচিত। অর্থাৎ সঠিক উত্তর (গ)।
রক্তে প্রোটিনের হার কত?
Correct Answer:
খ: ৫-৮%
Explanation:
রক্তে প্রোটিনের হার কত? সঠিক উত্তর ৫-৮% রক্তে ৫৫% রক্তরস ও ৪৫% রক্তকণিকা থাকে । রক্তরসে ৯০ - ৯২% পানি এবং ৮ - ১৯% কঠিন পদার্থ থাকে। আবার কঠিন পদার্থে ৭.১ - ৮.১% জৈব পদার্থ ও ০.৯% অজৈব পদার্থ আর এ জৈব পদার্থে প্রোটিন (প্লাজমাপ্রোটিন) থাকে গড়ে ৬ - ৮% ।
ঈস্ট কি?
Correct Answer:
গ: ছত্রাক
Explanation:
ঈস্ট কি? সঠিক উত্তর ছত্রাক ঈস্ট (ইংরেজি :Yeast)একপ্রকার এককোষী ছত্রাক। ঈস্ট থেকে প্রাপ্ত উৎসেচক বা এনজাইম বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়। বেকারি শিল্পে ঈস্ট পাউরুটি, কেক প্রভৃতি খাবার তৈরি করার জন্যও ব্যবহার করা হয়।
The Protein of breast Milk - কে বলা হয়?
Correct Answer:
খ: Lacto albumin
Explanation:
The Protein of breast Milk - কে বলা হয়? সঠিক উত্তর Lacto albumin মায়ের দুধে আমিষ হিসেবে Lacto albumin বিদ্যমান।
প্রোটিন তৈরি হয়
Correct Answer:
গ: অ্যামিনো এসিড দিয়ে
Explanation:
প্রোটিন তৈরি হয় সঠিক উত্তর অ্যামিনো এসিড দিয়ে কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন এই ৪টি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ বা প্রোটিন তৈরি হয়। শরীরে আমিয পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামিনো এসিডে পরিণত হয়। অর্থাৎ বলা যায় একটি নির্দিষ্ট আমিষের পরিচয় হয় কিছু অ্যামিনো এসিড দিয়ে।
প্রোটিন তৈরি হয়-
Correct Answer:
গ: অ্যামিনো এসিড দিয়ে
Explanation:
প্রোটিন তৈরি হয়- সঠিক উত্তর অ্যামিনো এসিড দিয়ে অ্যামিনো এসিড (Amino acid) হলো প্রোটিনের মূল গাঠনিক একক। জৈব এসিডের এক বা একাধিক হাইড্রোজেন পরমাণু অ্যামিনো মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হওয়ার ফলে উৎপন্ন জৈব এসিডকে অ্যামিনো এসিড বলে। অর্থাৎ প্রোটিন বা আমিষকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে যেসব উপাদান পাওয়া যায় তাদের অ্যামিনো এসিড বলে।
আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে-
Correct Answer:
ঘ: ট্রিপসিন
Explanation:
আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে- সঠিক উত্তর ট্রিপসিন অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত 'অগ্ন্যাশয় রস' হলো ট্রিপসিন। এটি প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাককারী এনজাইম। অন্যদিকে টায়ালিন ও অ্যামাইলেজ হলো লিপিড বা স্নেহ জাতীয় খাদ্য পরিপাককারী এনজাইম ।
কোনটিতে আমিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
Correct Answer:
ঘ: শুঁটকী মাছ
আমিষ বেশি কোনটিতে-
Correct Answer:
খ: মসুরডাল
Explanation:
আমিষ বেশি কোনটিতে- সঠিক উত্তর মসুরডাল প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয় জগৎ থেকেই প্রচুর পরিমানে আমিষ পাওয়া যায়। পরিমাণের ওপর ভিওি করে আমিষ বেশি পাওয়া যায় - সয়াবিন তেল> সীমের বীচি>মসুরের ডাল/অন্যান্য ডাল> গরুর মাংস প্রতি ১০০ গ্রামে মসুর ডালে আমিষের পরিমাণ ২৫.১ গ্রাম এবং গরুর মাংসে ২২.৬ গ্রাম। সূত্র: জীববিজ্ঞান ৯ম - ১০ ম শ্রেণি