Samas MCQs
Showing 50 questions (Total: 425)
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
Explanation:
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কোনটি? সঠিক উত্তর সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যে মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের কিছু উদাহরণঃ সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা, স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ। উল্লেখ্য, মহান যে পুরুষ = মহাপুরুষ (কর্মধারয় সমাস); কুসুমের মতো কোমল = কুসুমকোমল (উপমান কর্মধারয় সমাস); জায়া ও পতি = দম্পতি (দ্বন্দ্ব সমাস)।
‘মৌমাছি’ কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: কর্মধারয় সমাস
Explanation:
‘মৌমাছি’ কোন সমাস? সঠিক উত্তর কর্মধারয় সমাস যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তৎ (তার) + সম (সমান)] = তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত। যেমনঃ বিমান, চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, ইত্যাদি ।
’প্রভাত’ কোন সমাস?
Correct Answer:
গ: প্রাদি সমাস
Explanation:
’প্রভাত’ কোন সমাস? সঠিক উত্তর প্রাদি সমাস প্রাদি সমাসযেমন: সম্ (সম্যক্) যে আদর = সমাদর, প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন, পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ, অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ = অনুতাপ, প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) ভাত (আলোকিত) = প্রভাত, প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) গতি = প্রগতি ইত্যাদি, প্রদর্শন=প্রকৃত রুপে দর্শন, প্রনাম=প্রত্যয় দ্বারা নাম।
‘হজ্জযাত্রা' কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: ৪র্থী তৎপুরুষ
Explanation:
‘হজ্জযাত্রা' কোন সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর ৪র্থী তৎপুরুষ পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি ( কে, জন্য, নিমিত্ত ) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাই চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। যেমনঃ হজ্জের নিমিত্তে যাত্রা = হজ্জযাত্রা। প্রদত্ত ব্যাসবাক্যে ৪র্থী বিভক্তি ‘নিমিত্ত’ লোপ পেয়েছে।
’গোঁফ খেজুরে ‘কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
Explanation:
’গোঁফ খেজুরে ‘কোন সমাস? সঠিক উত্তর মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি যে বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের দুটিই বিশেষ্যপদ হয় (কখনো কখনো ক্রিয়াবিশেষ্য), তাকে বলে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস। যেমন: গোঁফে খেজুর যার - গোঁফখেজুরে। তবে অনেক ব্যাকরণবিদের মতে, 'গোঁফখেজুরে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস।
'পুঁথিগত' কোন ধরনের সমাসবদ্ধ পদ-
Correct Answer:
খ: তৎপুরুষ
Explanation:
'পুঁথিগত' কোন ধরনের সমাসবদ্ধ পদ- সঠিক উত্তর তৎপুরুষ যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকেই তৎপুরুষ সমাস বলে। পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাই সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস। যেমন - পুঁথিতে গত পুঁথিগত। প্রদত্ত ব্যাসবাক্যের ‘পুঁথিতে’ (পুঁথি + তে) শব্দটি সমস্ত পদে এসে 'তে' বিভক্তি লুপ্ত হয়ে 'পুঁথি" হয়েছে।
সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশকে কি বলা হয়?
Correct Answer:
ক: পূর্বপদ
Explanation:
সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশকে কি বলা হয়? সঠিক উত্তর পূর্বপদ সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে। যেমন: বিলাত থেকে ফেরত - বিলাত ফেরত। এখানে সমস্ত পদ - বিলাত ফেরত। ব্যাসবাক্য = বিলাত থেকে ফেরত। সমস্যমান পদ = বিলাত , ফেরত; পূর্বপদ = বিলাত পরপদ = ফেরত
’রক্তের ন্যায় লাল=রক্তলাল’ এটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: উপমান কর্মধারয়
বিভক্তি লোপ পায় কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: তৎপুরুষ সমাসে
Explanation:
বিভক্তি লোপ পায় কোন সমাস? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ সমাসে যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকেই তৎপুরুষ সমাস বলে। তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যেকোনো বিভক্তি থাকতে পারে; আর পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ হয়। যেমন: পদ থেকে চ্যুত = পদচ্যূত। এখানে থেকে বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
’সপ্তাহ’ কোন সমাস ?
Correct Answer:
ক: দ্বিগু
’বিরানব্বই’ কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: নিত্য সমাস
Explanation:
’বিরানব্বই’ কোন সমাস? সঠিক উত্তর নিত্য সমাস যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। যেমন: অন্য দেশ = দেশান্তর; ঈষৎ লাল = লালচে, অন্যকাল = কালান্তর ইত্যাদি।কেবল দর্শন = দর্শনমাত্রসমস্তগ্রাম = গ্রামশুদ্ধঅন্যদেশ = দেশান্তরকেবল মাত্র = তন্মাত্রএকটি কাপড় = কাপড়খানাকেবল জল = জলমাত্রঅন্যস্থান = স্থানান্তরঅন্যগ্রাম = গ্রামান্তরঅনেক মানুষ = মানুষগুলোঅন্যগৃহ = গৃহান্তর
সমস্যমান পদ গুলোর কোনটিকে না বুঝিয়ে সমস্ত পদে অন্য কোন শব্দকে বোঝানো হলে তাকে কোন সমাস বলে?
Correct Answer:
ঘ: বহুব্রীহি সমাস
Explanation:
সমস্যমান পদ গুলোর কোনটিকে না বুঝিয়ে সমস্ত পদে অন্য কোন শব্দকে বোঝানো হলে তাকে কোন সমাস বলে? সঠিক উত্তর বহুব্রীহি সমাস সমস্যমান পদগুলোর কোনোটিকে না বুঝিয়ে সমস্তপদে অন্য কোনো শব্দকে বোঝানো হলে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: দশ আনন যার - দশানন। এখানে 'দশ' বা 'আনন' (মুখ) এর কোনোটিরই অর্থ বুঝানো হয়নি; লঙ্কার রাজা রাবণের দশটি মাথা থাকায় তার নাম দশানন বুঝানো হচ্ছে।
বর্ণচোরা’ কোন ধরনের সমাস?
Correct Answer:
ঘ: উপপদ তৎপুরুষ
‘অরুনরাঙা’ শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: কর্মধারায়
" অধর পল্লব" কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: কর্মধারয়
Explanation:
" অধর পল্লব" কোন সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর কর্মধারয় সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকেই উপমিত কর্মধারয় সমাস 9 বলে। এতে দুটো পদই বিশেষ্য হয় এবং উপমেয় পদটি পূর্বে বসে। যেমন - অধর পল্লবের ন্যায় = অধরপল্লব (বিশেষ্য + বিশেষ্য)।
’কানে - কলম’ কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: অলুক বহুব্রীহি
Explanation:
’কানে - কলম’ কোন সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর অলুক বহুব্রীহি যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের কোনো পরিবর্তন হয় না, তাকেই অলুক বহুব্রীহি বলে। যে বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের পূর্বপদের বিভক্তি অক্ষুণ্ন থাকে, তাকে অলুক বহুব্রীহি বলে। যেমন: কানে খাটো যে কানেখাটো, গলায় গামছা যার = গলায় গামছা।
’ চৌরাস্তা’ কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: দ্বিগুণ কর্মধারয়
Explanation:
’ চৌরাস্তা’ কোন সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর দ্বিগুণ কর্মধারয় কিছু কিছু কর্মধারয় সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ হয়, সেগুলোকে দ্বিগু কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: চার রাস্তার মিলন চৌরাস্তা, তিন ফলের সমাহার - ত্রিফলা ।
’ সংবাদ’ কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: মধ্যপদলোডূ কর্মধারয়
'চিকিৎসাশাস্ত্র' কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: কর্মধারয়
Explanation:
'চিকিৎসাশাস্ত্র' কোন সমাস? সঠিক উত্তর কর্মধারয় বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ মিলে যে সমাস হয় এবং বিশেষ্য বা পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকেই কর্মধারয় সমাস বলে। কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থই প্রধান। ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাই মধ্যপনলোপী কর্মধারয় সমাস। যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন সিংহ। চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্র = চিকিৎসাশাস্ত্র।
সমাস নিষ্পন্ন পদকে কি বলা হয়?
Correct Answer:
খ: সমস্তপদ
কর্মধারায় সমাস কোনটি?
Correct Answer:
গ: কদাচার
Explanation:
কর্মধারায় সমাস কোনটি? সঠিক উত্তর কদাচার কর্মধারায় সমাসঃ যে সমাসে পূর্বপদ পরপদের বিশেষণ - রূপে অবস্থান করে এবং উত্তরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় তাকে কর্মধারায় সমাস বলে। এই সমাসে উভয় পদে কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি হয়। সাধারণ কর্মধারায়, মধ্যপদলোপী কর্মধারায়, উপমান কর্মধারায়, উপমিত কর্মধারায় এবং রূপক কর্মধারায় সমাস।
নিচের কোনটি সমাসজাত শব্দ?
Correct Answer:
ক: কালসাপ
'অল্পপ্রাণ' যে সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: বহুব্রীহি
Explanation:
'অল্পপ্রাণ' যে সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর বহুব্রীহি অল্পপ্রাণ শব্দটির ব্যাসবাক্য; অল্প প্রাণ যার=বহুব্রীহি
সমাসের রীতি কোন ভাষা হতে বাংলায় এসেছে?
Correct Answer:
খ: সংস্কৃত
প্রত্যেক পদের অর্থ প্রাধান্য পায় কোন সমাসে?
Correct Answer:
ক: দ্বন্দ্ব সমাসে
‘মেঘের মত নাদ যার’ কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
Explanation:
‘মেঘের মত নাদ যার’ কোন সমাস? সঠিক উত্তর মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহিঃ - বহুব্রীহি সমাসের ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত বাক্যাংশের কোন অংশ যদি সমস্ত পদে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমনঃ - হাতে খড়ি দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি, বিড়ালের মত চোখ যে নারীর = বিড়ালচোখী, চন্দ্রের ন্যায় সুন্দর যাত মুখ = চন্দ্রমুখ, মেঘের মত নাদ যার = মেঘনাদ, সোনার মত উজ্জ্বল মুখ যার = সোনামুখী। এরূপ - গায়ে হলুদ, মেনিমুখো, বিড়ালাক্ষী ইত্যাদি।
‘সমাস’ ভাষাকে-
Correct Answer:
খ: সংক্ষেপ করে
Explanation:
‘সমাস’ ভাষাকে- সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে। সমাস: সমাস শব্দের অর্থ মিলন। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের মিলিত হয়ে একটি নতুন শব্দ তৈরির ব্যাকরণ সম্মত প্রক্রিয়াকেই বলা হয় সমাস। মূলত, সমাসে একটি বাক্যাংশ একটি শব্দে পরিণত হয়। সমাসের রীতি বাংলায় এসেছে সংস্কৃত ভাষা থেকে। বাক্যে শব্দের ব্যবহার কমানোর উদ্দেশ্যে সমাস ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য, সমাস অর্থ সম্বন্ধপূর্ণ একাধিক শব্দের মিলন। আর সন্ধি পাশাপাশি অবস্থিত দুইটি ধ্বনির মিলন।
সমাসের প্রক্রিয়ার সমাস নিস্পতি পদটির নাম?
Correct Answer:
ক: সমস্ত পদ
‘বইপড়া’ কোন সমাস?
Correct Answer:
গ: তৎপুরুষ
Explanation:
‘বইপড়া’ কোন সমাস? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ ”বইপড়া” তৎপুরুষ সমাস। পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। পূর্বপদের কে রে ব্যাপিয়া বিভক্তি লোপ পেলে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন : বইকে পড়া = বইপড়া, ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী ইত্যাদি।
কোনটি 'পরপদ' প্রধান সমাস?
Correct Answer:
ক: কর্মধারয়
‘জলে -স্থলে’ কী সমাস?
Correct Answer:
গ: অলুক দ্বন্দ্ব
Explanation:
‘জলে -স্থলে’ কী সমাস? সঠিক উত্তর অলুক দ্বন্দ্ব অর্থবিচারে যে সমাসে দুইপদ (পূর্বপদ ও পরপদ) - এর সমান গুরুত্ব থাকে এবং দুই পদে একই বিভক্তি যুক্ত থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়। যেমন: মা - বাবা, সাদা - কালো, সোনা - রূপা, ঘরে - বাইরে, তেলে - জলে প্রভৃতি। দ্বন্দ্ব সমাসে দুই পদ একই শ্রেণীর হয় এবং দুইপদ দুজন ব্যক্তি বা দুটি বস্ত্তকে বোঝায়। যেমন : ক. দুপদই বিশেষ্য : অহি - নকুল, পিতা - পুত্র প্রভৃতি। খ. দুপদই বিশেষণ : সাদা - কালো, ক্ষত - বিক্ষত প্রভৃতি। গ. দুপদই সর্বনাম : তোমরা, আমরা প্রভৃতি। ঘ. দুপদই ক্রিয়াপদ : বেচা - কেনা, আসা - যাওয়া প্রভৃতি। ² দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্য গঠন : পদদুটোর মাঝে ‘ও’, ‘এবং’ যুক্ত করলে ব্যাসবাক্য হয়ে যাবে। যেমন : অহিনকুল = অহি ও নকুল; পিতা - পুত্র = পিতা ও পুত্র; সাদা - কালো = সাদা ও কালো; ক্ষত - বিক্ষত = ক্ষত ও বিক্ষত; তোমরা = তুমিও সে; আমরা = আমি, তুমি ও সে; বেচা - কেনা = বেচা ও কেনা; আসা - যাওয়া = আসা ও যাওয়া। ² দ্বন্দ্ব সমাসের প্রকারভেদ : ক. সমার্থক দ্বন্দ্ব : দ্বন্দ্ব সমাসের দুই পদ সমার্থক হলে তাকে সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন : রাজা - বাদশা, কাগজ ও পত্র = কাগজ - পত্র, কাজ ও কর্ম = কাজ - কর্ম, জন ও মানব = জন - মানব, ধন ও দৌলত = ধন - দৌলত ইত্যাদি। খ. বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব : দ্বন্দ্ব সমাসের দুই পদ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলে তাকে বিপরীতার্থক বা বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়। যেমন : ভালো ও মন্দ = ভালো - মন্দ; বাদি ও বিবাদি = বাদি - বিবাদি ইত্যাদি। গ. মিলনার্থক দ্বন্দ্ব : যে দ্বন্দ্ব সমাসে দুই পদের অর্থের মধ্যে সম্পর্ক বা সৌহার্দ থাকে, তাকে মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে যেমন: ভাই ও বোন = ভাই - বোন; স্বামী ও স্ত্রী = স্বামী - স্ত্রী ইত্যাদি। ঘ. অলুক দ্বন্দ্ব : যে দ্বন্দ্ব সমাসের দুই পদে একই বিভক্তি যুক্ত থাকে অথবা কোন বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন : দুধে ও ভাতে = দুধে - ভাতে; ঘরে ও বাইরে = ঘরে - বাইরে ইত্যাদি। ঙ. ইত্যাদি অর্থবোধক দ্বন্দ্ব : নির্দিষ্ট ব্যক্তিদ্বয় বা নির্দিষ্ট বস্ত্তদ্বয় না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট কোনো কিছু বোঝালে তাকে ইত্যাদি অর্থবোধক দ্বন্দ্ব বলা হয়। যেমন : দোকান - পাট; বাসন - কোসন ইত্যাদি। চ. একশেষ দ্বন্দ্ব সমাস : যে দ্বন্দ্ব সমাসের সুনির্দিষ্ট পূর্বপদ বা পরপদ থাকে না, কিন্তু দুই পদ সমান অর্থবোধক সর্বনাম দ্বারা সমাসটি গঠিত হয়ে থাকে, তাকে একশেষ দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন : আমরা, তোমরা প্রভৃতি। এ সমাস দুটির ব্যাসবাক্য হতে পারে যথাক্রমে - আমরা = আমি ও তুমি কিংবা আমি ও তোমরা কিংবা আমি - তুমি ও সে। তোমরা = এ সমাসটির ব্যাসবাক্য হতে পারে - তুমি ও সে কিংবা তুমি ও তারা। ছ. বহুপদী দ্বন্দ্ব সমাস : যে দ্বন্দ্ব সমাসে দুয়ের অধিক পদ সমাসবদ্ধ হয়ে থাকে, তাকে বহুপদী দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন : টাকা - আনা - পাই; রোদ - বৃষ্টি - ঝড়; কাঠ - খড় - কেরোসিন প্রভৃতি।
‘অনুচিত ‘ কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: তৎপুরুষ
‘বেকার’ কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
গ: বহুব্রীহি
"শশব্যস্ত' কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: কর্মধারয়
Explanation:
"শশব্যস্ত' কোন সমাস? সঠিক উত্তর কর্মধারয় 'শশব্যস্ত' কর্মধারয় সমাস (শশকের ন্যায় ব্যস্ত)। যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম, শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট, কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।
নিচের কোন শব্দটি সমাসবদ্ধ নয়?
Correct Answer:
খ: বিদ্যালয়
'জজসাহেব’ কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: কর্ম ধারয়
Explanation:
'জজসাহেব’ কোন সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর কর্ম ধারয় দুটি বিশেষ্য পদে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন: যিনি জজ তিনিই সাহেব= জজসাহেব। কার্যে পরম্পরা বোঝাতে দুইটি কৃদন্ত বিশেষণ পদেও কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন: আগে ধোয়া পরে মোছা= ধোয়ামোছা।
কোনটি রূপক কর্মধারয় সমাস?
Correct Answer:
গ: মনমাঝি
Explanation:
কোনটি রূপক কর্মধারয় সমাস? সঠিক উত্তর মনমাঝি উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। এ সমাসে উপমেয় পদ পূর্বে বসে ও উপমান পদ পরে বসে এবং সমস্যমান পদে 'রূপ' অথবা 'ই' যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়। যেমন: ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল, বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু, মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।
নিচের যেটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ -
Correct Answer:
ক: মৌমাছি
দিন দিন= প্রতিদিন কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: অব্যয়ীভাব
Explanation:
দিন দিন= প্রতিদিন কোন সমাস? সঠিক উত্তর অব্যয়ীভাব দিন দিন = প্রতিদিন ; কূলের সমীপে = উপকূল : মিলের অভাব = গরমিল। এই পদগুলিকে 'প্রতি'; 'উপ', 'গর, উপসর্গ বা অব্যয় পদ পূর্বে বসে সমাস হয়েছে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধানরুপে বোঝাচ্ছে; পরপদগুলি বিশেষ্য।
"কাজল কালো" এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: কাজলের ন্যায় কালো
’প্রাণভয়’ কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
‘যথারীতি’ কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
Correct Answer:
ক: অব্যয়ীভাব
Explanation:
‘যথারীতি’ কোন সমাসের দৃষ্টান্ত? সঠিক উত্তর অব্যয়ীভাব রীতিকে অতিক্রন না করে = যথারীতি । অব্যয়ীভাব সমাস।
পথে ও প্রান্তরে = 'পথে প্রান্তরে' এটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: দ্বন্দ্ব
সমোসের প্রক্রিয়ায় সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম-
Correct Answer:
খ: সমস্ত পদ
Explanation:
সমোসের প্রক্রিয়ায় সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম- সঠিক উত্তর সমস্ত পদ সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ। যেমন: এখানে দোয়াতকলম, পীতাম্বর হলো সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কতগুলো পদের মিলিত রুপ, এই প্রতিটি পদকে বলে সমস্যমান পদ। সমস্ত পদকে বিস্তৃত করে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য।
`হাঘরে’ কোন সমাসঃ
Correct Answer:
খ: অব্যয়ীভাব
Explanation:
`হাঘরে’ কোন সমাসঃ সঠিক উত্তর অব্যয়ীভাব পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: জানু পর্যন্ত লম্বিত ('পর্যন্ত' শব্দের অব্যয় 'আ') = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমরণ।
`দিগম্বর’ কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: বহুব্রীহি
‘মনমাঝি’ কোন সমাসের উদাহরণ ?
Correct Answer:
গ: রূপক কর্মধারয়
Explanation:
‘মনমাঝি’ কোন সমাসের উদাহরণ ? সঠিক উত্তর রূপক কর্মধারয় রূপক কর্মধারয় এ সমাসে উপমেয় পদ পূর্বে বসে ও উপমান পদ পরে বসে এবং সমস্যমান পদে 'রূপ' অথবা 'ই' যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়। যেমন: ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল, বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু, মন রূপ মাঝি = মনমাঝি
পৃষ্ঠ প্রদর্শন কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
‘আনন্দাশ্রু কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: রূপক সমাস
Explanation:
‘আনন্দাশ্রু কোন সমাস? সঠিক উত্তর রূপক সমাস আন্দাশ্রু সমাসের ব্যাসবাক্য হল - আনন্দে যে অশ্রু। এটি মূলত কর্মধারয় সমাস। তবে প্রশ্নে যদি ব্যাসবাক্যে বলা হয় - আনন্দের অশ্রু - তাহলে হবে ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।