Samas MCQs
Showing 50 questions (Total: 425)
সমাস ভাষাকে ------
Correct Answer:
ক: সংক্ষেপ করে
Explanation:
সমাস ভাষাকে ------ সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল প্রক্রিয়ায় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি হয় সমাস তার একটি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন: দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (শ্রীকৃষ্ণ)। সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ। যেমন: এখানে দোয়াতকলম, পীতাম্বর হলো সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কতগুলো পদের মিলিত রুপ, এই প্রতিটি পদকে বলে সমস্যমান পদ। সমস্ত পদকে বিস্তৃত করে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম + অস(ধাতু) + অ । সমাসের উদ্দেশ্য অল্পকথায় অধিক ভাব প্রকাশ করা । একটা বিরাট শব্দগুচ্ছকে সমাসের মাধ্যমে সংক্ষেপণ করা যায়। তবে সাহিত্যিক প্রয়োজনেই সংস্কৃত ভাষায় সমাসের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মনে করা হয়। কারণ সাহিত্যমূলক কর্মে সমাসের ব্যবহার একে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
'সিংহাসন' শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
Explanation:
'সিংহাসন' শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর মধ্যপদলোপী কর্মধারয় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা, স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ, ব্রাহ্মণ ধর্মীয় প্রধান পুরোহিত = ব্রাহ্মণ পুরোহিত, জগতের রক্ষাকারী ঈশ্বর = জগদীশ্বর ।
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস?
Correct Answer:
গ: হাটেবাজারে
Explanation:
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস? সঠিক উত্তর হাটেবাজারে a. কোকিলকন্ঠী - কোকিলের ন্যায় কন্ঠ যার (বহুব্রীহি সমাস) b. রাতজাগা - রাতে জাগা (সপ্তমী তৎপুরুষ) c. হাটেবাজারে - হাটে ও বাজারে (দ্বন্দ্ব সমাস)। d. মেনিমুখো - মেনির (বিড়াল) মতো মুখ (উপমিত কর্মধারায় সমাস)।
'দুই এবং নব্বই'= বিরানব্বই' কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ
Correct Answer:
ঘ: নিত্য সমাস
Explanation:
'দুই এবং নব্বই'= বিরানব্বই' কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ সঠিক উত্তর নিত্য সমাস নিত্য সমাসযে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস - বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়। যেমন: কেবল তা = তন্মাত্র, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ, তুমি আমি ও সে = আমরা, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
সমাস নিষ্পন্ন পদটিকে কি বলে?
Correct Answer:
ক: সমস্ত পদ
Explanation:
সমাস নিষ্পন্ন পদটিকে কি বলে? সঠিক উত্তর সমস্ত পদ a. সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ। b. সমস্ত পদকে ভাঙলে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য । c. সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশকে উত্তর পদ বা পরপদ বলে । d. যে যে পদে সমাস হয়, তাদের প্রত্যেককে সমস্যমান পদ বলে।
'লাঠালাঠি' শব্দটির সমাস----
Correct Answer:
খ: বহুব্রীহি
Explanation:
'লাঠালাঠি' শব্দটির সমাস---- সঠিক উত্তর বহুব্রীহি যে সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কারো অর্থ প্রাধান্য পায় না , সম্পূর্ণ তৃতীয় একটি অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। প্রধানত বহুব্রীহি সমাস সাত প্রকার:১/ সমানাধিকরন বহুব্রীহি: দশানন—দশ আনন যার২/ ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি: পাপমতি - - পাপে মতি যার৩/ মধ্যপদোলোপি বহুব্রীহি: বিড়ালাক্ষী - - বিড়ালের অক্ষির মতো অক্ষি যার৪/ অলোপ বহুব্রীহি: মুখেভাত - - মুখে ভাত দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে। ৫/ ব্যাতিহার বহুব্রীহি: লাঠালাঠি - - লাঠিতে লাঠিতে লড়াই। ৬/ না বহুব্রীহি: নির্বাক - - নেই বাক যার। ৭/সহার্থক বহুব্রীহি: সবাক - - বাকের সহিত বর্তমান
'আশীবিষ' কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: বহুব্রীহি
Explanation:
'আশীবিষ' কোন সমাস? সঠিক উত্তর বহুব্রীহি যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানের 'বহু' কিংবা 'ধান' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে। বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়।
সমাস ভাষাকে কি করে ?
Correct Answer:
ক: সংক্ষেপ করে
Explanation:
সমাস ভাষাকে কি করে ? সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল প্রক্রিয়ায় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি হয় সমাস তার একটি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন: দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (শ্রীকৃষ্ণ)। সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ। যেমন: এখানে দোয়াতকলম, পীতাম্বর হলো সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কতগুলো পদের মিলিত রুপ, এই প্রতিটি পদকে বলে সমস্যমান পদ। সমস্ত পদকে বিস্তৃত করে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য।সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম + অস(ধাতু) + অ । সমাসের উদ্দেশ্য অল্পকথায় অধিক ভাব প্রকাশ করা ।একটা বিরাট শব্দগুচ্ছকে সমাসের মাধ্যমে সংক্ষেপণ করা যায়। তবে সাহিত্যিক প্রয়োজনেই সংস্কৃত ভাষায় সমাসের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মনে হয়। কারণ সাহিত্যমূলক কর্মে সমাসের ব্যবহার একে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ ?
Correct Answer:
খ: ভাই-বোন
Explanation:
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ ? সঠিক উত্তর ভাই-বোন সিংহাসন :সিংহ চিহ্নিত আসন (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস) : ভাইবোন : ভাই ও বোন (দ্বন্দ্ব সমাস) : কানাকানি : কানে কানে যে কথা (ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস); গাছপাকা: গাছে পাকা (সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস)।
অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
ক: মায়ে ঝিয়ে
Explanation:
অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ কোনটি? সঠিক উত্তর মায়ে ঝিয়ে যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: দুধে - ভাতে, জলে - স্থলে, দেশে - বিদেশে, হাতে - কলমে।
যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা তা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে বলা হয় ----
Correct Answer:
ঘ: নিত্য সমাস
Explanation:
যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা তা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে বলা হয় ---- সঠিক উত্তর নিত্য সমাস যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে এবং পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই প্রাধান্য পায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। কাঁচা - পাকা ইত্যাদি। অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে সমাস পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে অব্যয়ীভাবে সমাস বলে। যেমন - কূলের সমীপে = উপকূল , আমিষের অভাব = নিরামিষ ইত্যাদি। আবার, যে সমাসে প্রথম পদটি দ্বিতীয় পদের বিশেষণরুপে অবস্থান করে এবং সমস্তপদে পরপদ তথা দ্বিতীয় পদের অর্থ প্রাধান্য থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন - নীল যে আকাশ = নীলাকাশ।
‘তেলেভাজা’ কোন্ সমাস?
Correct Answer:
ঘ: তৎপুরুষ
Explanation:
‘তেলেভাজা’ কোন্ সমাস? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ অলুক তৎপুরুষ সমাসযে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়াদি বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: গায়ে পড়া, ঘিয়ে ভাজা, কলে ছাঁটা, কলের গান, গরুর গাড়ি ইত্যাদি। তবে গায়ে - হলুদ, হাতেখড়ি ইত্যাদি সমস্তপদে পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় না অর্থাৎ হলুদ বা খড়িকে বোঝায় না, অনুষ্ঠান বিশেষকে বোঝায়। সুতরাং এগুলো অলুক তৎপুরুষ নয়, অলুক বহুব্রীহি সমাস।
কোনটি ‘অলুক দ্বন্দ্ব’ সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: ঘরে-বাইরে
Explanation:
কোনটি ‘অলুক দ্বন্দ্ব’ সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর ঘরে-বাইরে যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: দুধে - ভাতে, জলে - স্থলে, দেশে - বিদেশে, হাতে - কলমে।
‘অনুচিত’ শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: তৎপুরুষ সমাস
Explanation:
‘অনুচিত’ শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ সমাস নঞ্ তৎপুরুষ সমাস[সম্পাদনা]না বাচক নঞ্ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: ন আচার = অনাচার, ন কাতর = অকাতর। এরূপ - অনাদর, নাতিদীর্ঘ, নাতিখর্ব, অভাব, বেতাল ইত্যাদি। খাঁটি বাংলায় অ, আ, না কিংবা অনা হয়। যেমন: ন কাল = অকাল বা আকাল। এরূপ - আধোয়া, নামঞ্জুর, অকেজো, অজানা, অচেনা, আলুনি, নাছোড়, অনাবাদী, নাবালক ইত্যাদি। না - বাচক অর্থ ছাড়াও বিশেষ বিশেষ অর্থে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস হতে পারে। যেমন: ন বিশ্বাস = অবিশ্বাস (বিশ্বাসের অভাব), ন লৌকিক = অলৌকিক (ভিন্নতা), ন কেশা = অকেশা (অল্পতা), ন সুর = অসুর (বিরোধ), ন কাল = অকাল (অপ্রশস্ত), ন ঘাট = অঘাট (মন্দ)। এরূপ - অমানুষ, অসঙ্গত, অভদ্র, অনন্য, অগম্য ইত্যাদি।
সমাস ভাষাকে কি করে?
Correct Answer:
ক: সংক্ষেপ করে
Explanation:
সমাস ভাষাকে কি করে? সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপ, মিল বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি বড় শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
‘সপ্তর্ষি’ শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: দ্বিগু সমাস
Explanation:
‘সপ্তর্ষি’ শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর দ্বিগু সমাস সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়। তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বৈয়াকরণ পাণিনি তাঁর 'অষ্টাধ্যায়ী' ব্যাকরণে দ্বিগু সমাসকে অর্থ ও পদ সন্নিবেশের ভিত্তিতে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। দ্বিগু সমাসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায় - i) তদ্বিতার্থক দ্বিগু ii) সমাহার দ্বিগু
' লাঠালাঠি' ----- এটি কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
Explanation:
' লাঠালাঠি' ----- এটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হলাে যে সমাসে একই রূপ দুটি বিশেষ্যপদ এক সাথে বসে পরস্পর একই জাতীয় কাজ করে যেমন — কানে কানে যে কথা = কানাকানি । তৎপুরুষ সমাস হলাে যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লােপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় । যেমন — ঢেঁকিতে ছাঁটা = ঢেঁকিছাঁটা । এখানে লাঠালাঠি = লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ , অর্থাৎ এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস ।
‘কদাচার’ শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: কর্মধারয়
Explanation:
‘কদাচার’ শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর কর্মধারয় যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। পূর্বপদে 'কু' বিশেষণ থাকলে এবং পরপদে প্রথমে স্বরধ্বনি থাকলে 'কু' স্থানে 'কৎ' হয়। যেমন: কু যে অর্থ = কদর্থ, কু যে আচার = কদাচার।
‘উপকথা’ শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: অব্যয়ীভাব
Explanation:
‘উপকথা’ শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর অব্যয়ীভাব পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: জানু পর্যন্ত লম্বিত ('পর্যন্ত' শব্দের অব্যয় 'আ') = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমরণ।
সমাসবদ্ধ শব্দ ' আনত' কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ঘ: অব্যয়ীভাব
Explanation:
সমাসবদ্ধ শব্দ ' আনত' কোন সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর অব্যয়ীভাব ঈষৎ নত = আনত (অব্যয়ীভাব সমাস)। পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। সামীপ্য, পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
' আলোছায়া' পদটি কোন সমাসের অন্তর্গত?
Correct Answer:
ক: দ্বন্দ্ব সমাস
Explanation:
' আলোছায়া' পদটি কোন সমাসের অন্তর্গত? সঠিক উত্তর দ্বন্দ্ব সমাস যে সমাসে দুই বা বহুপদ মিলে একপদ এবং প্রত্যেক পদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন - জায়া ও পতি = দম্পতি । আলো ও ছায়া = আলোছায়া , হাট ও বাজার = হাট - বাজার ইত্যাদি।
জ্যোৎস্নারাত কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
Correct Answer:
ক: মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
Explanation:
জ্যোৎস্নারাত কোন সমাসের দৃষ্টান্ত? সঠিক উত্তর মধ্যপদলোপী কর্মধারয় জ্যোৎস্নারাত - জ্যোৎস্না শোভিত রাত
'জজ সাহেব' কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
খ: কর্মধারয়
Explanation:
'জজ সাহেব' কোন সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর কর্মধারয় যিনি জজ তিনিই সাহেব = জজ সাহেব। এটি কর্মধারয় সমাস। যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্য ভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয় , তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
' জলে-স্থলে' কী সমাস?
Correct Answer:
গ: অলুক দ্বন্দ্ব
Explanation:
' জলে-স্থলে' কী সমাস? সঠিক উত্তর অলুক দ্বন্দ্ব যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি সমস্তপদে অক্ষুণ্ণ থাকে তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন - জলে - স্থলে, হাতে - কলমে, দুধে - ভাতে , দেশে - বিদেশে ইত্যাদি। সম অর্থপূর্ণ দুটি পদের মিলন হলে তাকে বলা হয় সমার্থক দ্বন্দ্ব। যেমন - হাট ও বাজার = হাট - বাজার। অর্থের দিক থেকে যে দ্বন্দ্ব পরস্পরের মধ্যে বিরোধ বা বৈপরীত্য বুঝায়, তাকে বলা হয় বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব । যেমন - আয় ও ব্যয় = আয় - ব্যয়। যে সমাসে অন্যান্য পদের বিলুপ্তি ঘটিয়ে প্রথম পদটির সঙ্গে শেষ পদটির সামঞ্জস্য রচিত হয়, তাকে বলে একশেষ দ্বন্দ্ব। যেমন - জায়া ও পতি = দম্পতি।
কোনটি নিত্য সমাসের সমস্তপদ ?
Correct Answer:
গ: গ্রামান্তর
Explanation:
কোনটি নিত্য সমাসের সমস্তপদ ? সঠিক উত্তর গ্রামান্তর যে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস - বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়। যেমন: কেবল তা = তন্মাত্র, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ, তুমি আমি ও সে = আমরা, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
‘সংখ্যাবাচক’ শব্দের সাথে বিশেষ্যপদের যে সমাস হয়, তাকে কী সমাস বলে ?
Correct Answer:
খ: দ্বিগু
Explanation:
‘সংখ্যাবাচক’ শব্দের সাথে বিশেষ্যপদের যে সমাস হয়, তাকে কী সমাস বলে ? সঠিক উত্তর দ্বিগু সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়। তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বৈয়াকরণ পাণিনি তাঁর 'অষ্টাধ্যায়ী' ব্যাকরণে দ্বিগু সমাসকে অর্থ ও পদ সন্নিবেশের ভিত্তিতে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। দ্বিগু সমাসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায় - i) তদ্বিতার্থক দ্বিগু ii) সমাহার দ্বিগু
বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ কোনটি?
Correct Answer:
খ: অনমনীয়
Explanation:
বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ কোনটি? সঠিক উত্তর অনমনীয় জন দ্বারা শ্রুতি = জনশ্রুতি (তৃতীয়া তৎপুরুষ) ; তপের নিমিত্ত বন = তপোবন (চতুর্থী তৎপুরুষ) ; খাস যে মহল = খাসমহল (কর্মধারয়); নেই নমন যার = অনমনীয় ( নঞ বহুব্রীহি সমাস) সুতরাং সঠিক উত্তর (খ) ।
'লাঠালাঠি' এটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: ব্যাতিহার বহুব্রীহি
Explanation:
'লাঠালাঠি' এটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর ব্যাতিহার বহুব্রীহি ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়। এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যুক্ত হয়। যেমন: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, কানে কানে যে কথা = কানাকানি। এরূপ - চুলাচুলি, কাড়াকাড়ি, গালাগালি, দেখাদেখি, কোলাকুলি, লাঠালাঠি, হাসাহাসি, গুঁতাগুঁতি, ঘুষাঘুষি ইত্যাদি।
'লাঠালাঠি' কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: বহুবীহি সমাস
Explanation:
'লাঠালাঠি' কোন সমাস? সঠিক উত্তর বহুবীহি সমাস ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়। এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যুক্ত হয়। যেমন: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, কানে কানে যে কথা = কানাকানি। এরূপ - চুলাচুলি, কাড়াকাড়ি, গালাগালি, দেখাদেখি, কোলাকুলি, লাঠালাঠি, হাসাহাসি, গুঁতাগুঁতি, ঘুষাঘুষি ইত্যাদি।
'বেতমিজ' কোন তৎপুরুষ সমাস?
Correct Answer:
ঘ: নঞ
Explanation:
'বেতমিজ' কোন তৎপুরুষ সমাস? সঠিক উত্তর নঞ 'বেতমিজ' নঞ তৎপুরুষ সমাস। না বাচক নঞ্ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: ন আচার = অনাচার, ন কাতর = অকাতর। এরূপ - অনাদর, নাতিদীর্ঘ, নাতিখর্ব, অভাব, বেতাল ইত্যাদি।
'কেবল দর্শন' ব্যাসবাক্যটি কোন সমাসের অন্তর্ভুক্ত?
Correct Answer:
খ: নিত্যসমাস
Explanation:
'কেবল দর্শন' ব্যাসবাক্যটি কোন সমাসের অন্তর্ভুক্ত? সঠিক উত্তর নিত্যসমাস নিত্যসমাস. যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্যসমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না তাকে নিত্যসমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়। যেমন : অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর. (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ. তুমি, আমি ও সে = আমরা ।
সমাসবদ্ধ পদগুলো বিছিন্ন করে দেখানোর জন্য কোন চিহ্ন বসে ?
Correct Answer:
গ: হাইফেন
Explanation:
সমাসবদ্ধ পদগুলো বিছিন্ন করে দেখানোর জন্য কোন চিহ্ন বসে ? সঠিক উত্তর হাইফেন সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য হাইফেন( - ) ব্যবহৃত হয়। যেমন - এ আমাদের শ্রদ্ধা - অভিনন্দন, আমাদের প্রীতি - উপহার।
'মীনের মত অক্ষি যার'--- কোন সমাস?
Correct Answer:
ঘ: মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
Explanation:
'মীনের মত অক্ষি যার'--- কোন সমাস? সঠিক উত্তর মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি মীনের মত অক্ষি যার - এর ব্যাসবাক্য হচ্ছে মীনাক্ষী। যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন সিংহাসন, সাহিত্য সভা, স্মৃতিসৌধ।
‘সিংহপুরুষ’ কোন সমাস ?
Correct Answer:
গ: উপমিত কর্মধারয়
Explanation:
‘সিংহপুরুষ’ কোন সমাস ? সঠিক উত্তর উপমিত কর্মধারয় 'সিংহপুরুষ ' উপমিত কর্মধারয় সমাস। এর ব্যাসবাক্য - পুরুষ সিংহের ন্যায় । এরুপ - চন্দ্রমুখ, বাহুলতা , করকমল, চাঁদমুখ। উপমিত কর্মধারয় সমাস হলো - উপমান ও উপমেয় পদের সমাস।
’শ্বেতবস্ত্র’ শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
খ: কর্মধারয় সমাস
Explanation:
’শ্বেতবস্ত্র’ শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর কর্মধারয় সমাস যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম, শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট, কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা। অনেক ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসকে তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন।
‘মৌমাছি’ - কোন সমাস ?
Correct Answer:
ক: কর্মধারয় সমাস
Explanation:
‘মৌমাছি’ - কোন সমাস ? সঠিক উত্তর কর্মধারয় সমাস 'মৌমাছি' কর্মধারয় সমাস। এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। মৌ (মধু) আশ্রিত মাছি। এরুপ - ঘর জামাই। বহুব্রীহি সমাস - নদী মাতা যার = নদীমাতৃক । দ্বিগু সমাস - ত্রি কালের সমাহার = ত্রিকাল। অব্যয়ীভাব সমাস - কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ।
’অপয়া’ শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: তৎপুরুষ
Explanation:
’অপয়া’ শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ নঞ্ তৎপুরুষ সমাস: না বাচক নঞ্ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: ন আচার = অনাচার, ন কাতর = অকাতর। এরূপ - অনাদর, নাতিদীর্ঘ, নাতিখর্ব, অভাব, বেতাল ইত্যাদি। খাঁটি বাংলায় অ, আ, না কিংবা অনা হয়। যেমন: ন কাল = অকাল বা আকাল। এরূপ - আধোয়া, নামঞ্জুর, অকেজো, অজানা, অচেনা, আলুনি, নাছোড়, অনাবাদী, নাবালক ইত্যাদি। না - বাচক অর্থ ছাড়াও বিশেষ বিশেষ অর্থে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস হতে পারে। যেমন: ন বিশ্বাস = অবিশ্বাস (বিশ্বাসের অভাব), ন লৌকিক = অলৌকিক (ভিন্নতা), ন কেশা = অকেশা (অল্পতা), ন সুর = অসুর (বিরোধ), ন কাল = অকাল (অপ্রশস্ত), ন ঘাট = অঘাট (মন্দ)। এরূপ - অমানুষ, অসঙ্গত, অভদ্র, অনন্য, অগম্য ইত্যাদি।
শতাব্দী শব্দটি কোন সমাস যোগে গঠিত?
Correct Answer:
গ: দ্বিগু সমাস
Explanation:
শতাব্দী শব্দটি কোন সমাস যোগে গঠিত? সঠিক উত্তর দ্বিগু সমাস দ্বিগু উদাহরণ: ত্রিকাল (তিন কালের সমাহার), চৌরাস্তা (চৌরাস্তার সমাহার), তেমাথা (তিন মাথার সমাহার), শতাব্দী (শত অব্দের সমাহার), পঞ্চবটী (পঞ্চবটের সমাহার), ত্রিপদী (ত্রি বা তিন পদের সমাহার), ত্রিফলা (ত্রি বা তিন ফলের সমাহার), নবরত্ন (নব বা নয় রত্নের সমাহার), তেপান্তর (তিন বা তে প্রান্তরের সমাহার), পঞ্চনদ, পঞ্চভূত, ষড়ঋতু, দশ চক্র, অষ্টধাতু, সপ্তর্ষি, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, চতুরঙ্গ, ত্রিমোহিনী, ত্রিভুবন, চতুর্দশপদী, তেরনদী, সাতসমুদ্র ইত্যাদি।
সমাস ভাষাকে -
Correct Answer:
ক: সংক্ষেপ করে
Explanation:
সমাস ভাষাকে - সঠিক উত্তর সংক্ষেপ করে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল প্রক্রিয়ায় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি হয় সমাস তার একটি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন: দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (শ্রীকৃষ্ণ)।
কোনটি ভিন্ন সমাস?
Correct Answer:
খ: চালাক চতুর দেখে একটি ছেলে পাঠাও
Explanation:
কোনটি ভিন্ন সমাস? সঠিক উত্তর চালাক চতুর দেখে একটি ছেলে পাঠাও বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল প্রক্রিয়ায় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি হয় সমাস তার একটি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন: দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (শ্রীকৃষ্ণ)। সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ। যেমন: এখানে দোয়াতকলম, পীতাম্বর হলো সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কতগুলো পদের মিলিত রুপ, এই প্রতিটি পদকে বলে সমস্যমান পদ। সমস্ত পদকে বিস্তৃত করে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম + অস(ধাতু) + অ । সমাসের উদ্দেশ্য অল্পকথায় অধিক ভাব প্রকাশ করা । একটা বিরাট শব্দগুচ্ছকে সমাসের মাধ্যমে সংক্ষেপণ করা যায়। তবে সাহিত্যিক প্রয়োজনেই সংস্কৃত ভাষায় সমাসের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মনে হয়। কারণ সাহিত্যমূলক কর্মে সমাসের ব্যবহার একে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
কোনটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: পল্লান্ন
Explanation:
কোনটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর পল্লান্ন ফল মিশ্রিত অন্ন = ফলান্ন,
”রাজপুত্র” কোন সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: তৎপুরুষ
Explanation:
”রাজপুত্র” কোন সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর তৎপুরুষ প্রশ্ন: রাজপুত কোন সমাসের উদাহরণ? উত্তর: তৎপুরুষ। বর্ণনা: যে সমাসে পূর্বপদ এর বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন - রাজার পুত্র = রাজপুত্র । বিয়ের জন্য পাগল = বিয়ে পাগল। রাতেকানা = রাতকানা । পথের রাজা = রাজপথ
কোনটি প্রাদি সমাস
Correct Answer:
ঘ: প্রবচন
Explanation:
কোনটি প্রাদি সমাস সঠিক উত্তর প্রবচন প্র[, পরা প্রভৃতি ২০টি উপসর্গের সাথে কৃৎ প্রত্যয়সাধিত বিশেষ্য পদের সমাস হলে, তাকে প্রাদি সমাস বলে। যেমন: সম্ (সম্যক্) যে আদর = সমাদর, প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন, পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ, অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ = অনুতাপ, প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) ভাত (আলোকিত) = প্রভাত, প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) গতি = প্রগতি ইত্যাদি, প্রদর্শন = প্রকৃত রুপে দর্শন, প্রনাম = প্রত্যয় দ্বারা নাম।
কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
Correct Answer:
ক: কলে ছাটা
Explanation:
কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ? সঠিক উত্তর কলে ছাটা যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন - গায়ে পড়া = গায়েপড়া, চোখের বালি = চোখের বালি, কলে ছাঁটা = কলে ছাঁটা। গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়ে হলুদ - অলুক বহুব্রীহি সমাস। সুতরাং সঠিক উত্তরঃ কলে ছাটা
পূর্বপদ প্রধান সমাস কোনটি ?
Correct Answer:
খ: অব্যয়ীভাব
Explanation:
পূর্বপদ প্রধান সমাস কোনটি ? সঠিক উত্তর অব্যয়ীভাব পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন জানু পর্যন্ত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় আ) = আজানুলম্বিত (বাহু) , মরণ পর্যন্ত = আমরণ।
কোনটি নিত্য সমাস ?
Correct Answer:
ঘ: জলমাত্র
Explanation:
কোনটি নিত্য সমাস ? সঠিক উত্তর জলমাত্র যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসাক্যের দরকার হয় না তাকে নিত্য সমাস বলে। যেমন: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর ; কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র; অন্য গৃহ = গৃহান্তর ; কাল তুল্য সাপ = কালসাপ ; তুমি, আমি ও সে = আমরা , দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
‘চাঁদের ন্যায় মুখ = চাঁদমুখ’ কোন প্রকার কর্মধারয় সমাস ?
Correct Answer:
খ: উপমিত
Explanation:
‘চাঁদের ন্যায় মুখ = চাঁদমুখ’ কোন প্রকার কর্মধারয় সমাস ? সঠিক উত্তর উপমিত চাঁদমুখ উপমিত কর্মধারয়
লাঠালাঠি শব্দটি কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: বহুব্রীহি সমাস
Explanation:
লাঠালাঠি শব্দটি কোন সমাস? সঠিক উত্তর বহুব্রীহি সমাস যে সমাসের সমস্ত পদে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান না হয়ে অন্য একটি পদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। বহুব্রীহি সমাস ৮ প্রকার। যথাঃ ১. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি, ২. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি, ৩. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি, ৪. ব্যতিহার বহুব্রীহি ৫. অলুক বহুব্রীহি ৬. নঞ্চ বহুব্রীহি ৭. প্রত্য্যান্ত বহুব্রীহি ও ৮. দ্বিগু বা সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি। এদের মধ্যে ‘লাঠালাঠি’ শব্দের ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ - লাঠালাঠি। একইরুপে দুটি বিশেষ্য পদ একসঙ্গে বসে পরস্পর একই জাতীয় কাজ করলে যে সমাস হয় তাকে বলা হয় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।
'সবান্ধব' কোন সমাস ?
Correct Answer:
গ: বহুব্রীহি
Explanation:
'সবান্ধব' কোন সমাস ? সঠিক উত্তর বহুব্রীহি 'সবান্ধব' বহুব্রীহি সমাস। যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানের 'বহু' কিংবা 'ধান' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।
সংবাদপত্র কোন সমাস?
Correct Answer:
ক: মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
Explanation:
সংবাদপত্র কোন সমাস? সঠিক উত্তর মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সংবাদ বহনকারী পত্র = সংবাদপত্র এখানে সংবাদ এবং পত্র এর মধ্যে একটি পদ লোপ পেয়েছে। আবার সংবাদ ও পত্র শব্দ দুটি বিশেষ্যপদ এজন্য কর্মধারয় সমাস। অর্থাৎ সব মিলিয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।