The war in question MCQs
Showing 50 questions (Total: 90)
মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র ব্যতিক্রম সেক্টর-
Correct Answer:
গ: ১০ নং
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র ব্যতিক্রম সেক্টর- সঠিক উত্তর ১০ নং মুক্তিযুদ্ধের সময় একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী সেক্টর হল ১০ নং সেক্টর। একে তিনটি সাব - সেক্টরে ভাগ করা হয়। এ সেক্টরে কোনো নিয়মিত কমান্ডার ছিল না। এটি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
Correct Answer:
খ: দুই নম্বর সেক্টর
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীনে ছিল? সঠিক উত্তর দুই নম্বর সেক্টর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর দুই নং সেক্টরের অধীনে ছিল। (দুই নং সেক্টরের অধীনে ছিল - নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার আখাউড়া - ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ফরিদপুর ও ঢাকার অংশবিশেষ)
'যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন' ---- এটি কার উক্তি?
Correct Answer:
গ: হিটলার
Explanation:
'যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন' ---- এটি কার উক্তি? সঠিক উত্তর হিটলার আডলফ হিটলার অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ যিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর এবং ১৯৩৪ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত সে দেশের ফিউরার ছিলেন।
মীরজ্জমলার কামানটি কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়?
Correct Answer:
ক: আসাম যুদ্ধে
Explanation:
মীরজ্জমলার কামানটি কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়? সঠিক উত্তর আসাম যুদ্ধে মীরজ্জমলার কামানটি ব্যবহৃত হয় আসাম যুদ্ধে। সরাইঘাটের যুদ্ধ আহোম সেনাপতি লাচিত ররফুকনের নেতৃত্বে ও মোগল সেনাপতি রাম সিংহের নেতৃত্বে ১৬৭১ সালে অসমের গুয়াহাটিতে হয়েছিল। মোগলেরা ৩০, ০০০ সৈন্য, ১৫০০০ ধনুর্বিদ, ১৮, ০০০টি ঘোড়া, ১০০০ অধিক কামান ও বিশাল নৌকা নিয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়েছিল। আহোম সেনার তুলনায় মোগল সেনারা বেশি শক্তিশালী ছিল কিন্তু গেরিলা যুদ্ধ কৌশলের ফলে মোগলেরা এই যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল। মোগলের নৌ - সেনা দুর্বল থাকায় আহোমেরা ইহার যথেষ্টে সুবিধা পেয়েছিল। এই যুদ্ধের দ্বারা মোগলেরা অন্তিম বারের জন্য অসমে সাম্রাজ্য স্থাপনের চেষ্টা করেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কোন সনে গঠিত হয়?
Correct Answer:
গ: ২০০১ সনে
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কোন সনে গঠিত হয়? সঠিক উত্তর ২০০১ সনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় ২৩ অক্টোবর ২০০১। সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি ২০০১ সালে 'মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়' নামে এ মন্ত্রণালয়টি গঠন করেন।
মুক্তিযুদ্ধের উপ- সর্বাধিনায়ক ছিলেন-
Correct Answer:
খ: এ কে খন্দকার
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের উপ- সর্বাধিনায়ক ছিলেন- সঠিক উত্তর এ কে খন্দকার মুক্তিযুদ্ধের উপ - সর্বাধিনায়ক ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার। তিনি ১৯৩০ সালে তার বাবার কর্মস্থলে রংপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার আদি নিবাস পাবনা জেলার পুরান ভারেঙ্গা গ্রামে।
বসনিয়ায় যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরের মধ্যস্থতাকারী কে?
Correct Answer:
খ: জিমি কার্টার
Explanation:
বসনিয়ায় যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরের মধ্যস্থতাকারী কে? সঠিক উত্তর জিমি কার্টার বসনিয়া - হার্জেগোভিনা প্রাক্তন ফেডারেল যুগোশ্লাভিয়ার একটি প্রজাতন্ত্র। ১৯৯২ সালের ১ মার্চ দেশটি স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং ১৯৯২ সালের ২২ মে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে। কিন্তু স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই দেশটির সর্বা ও ক্রোট সম্প্রদায় এর বিরোধিতা করতে থাকে। অবস্থার প্রেক্ষিতে বসনিয়া হার্জেগোভিনায় দেখা দেয় জাতিগত দ্বান্দ্ব যা পরবর্তীতে মারাত্মক গৃহযুদ্ধে রুপ নেয়। এ প্রেক্ষিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় ২৩ ডিসেম্বর ১৯৯৪ বসনিয়ার মুসলিম সরকার ও সার্ববাহিনীর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়?
Correct Answer:
গ: ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়? সঠিক উত্তর ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও দেশীয় রাজাকার বাহিনীর সহযোগিতায় ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালায়। আর ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ , ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর যথাক্রমে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় সংঘটিত হয়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'মুজিবনগর 'কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
Correct Answer:
খ: ৮ নং সেক্টর
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'মুজিবনগর 'কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল? সঠিক উত্তর ৮ নং সেক্টর মুক্তিযুদ্ধের সময় 'মুজিবনগর ' অন্তর্ভুক্ত ছিল ৮ নং সেক্টরে। মুজিবনগর (পূর্বনাম: বৈদ্যনাথতলা এবং ভবেরপাড়া), বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান । বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের দ্বিতীয় রাজধানী ছিল এখানে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী ছিল চুয়াডাংগা । তৎকালীন বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মুজিবনগরের আম্রকাননে ১৭ এপ্রিল সরকারের মন্ত্রী পরিষদ শপথ নিয়েছিল। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। মুজিবনগর সরকারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এখানে গড়ে তোলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স।
যুদ্ধ অপরাধের বিচারের জন্য ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়-
Correct Answer:
খ: ১০ জুন, ২০১০
Explanation:
যুদ্ধ অপরাধের বিচারের জন্য ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়- সঠিক উত্তর ১০ জুন, ২০১০ যুদ্ধ অপরাধের বিচারের জন্য ট্রাইবুনাল গঠন করা হয় - ১০ জুন, ২০১০। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ) (International Crimes Tribunal (Bangladesh), সংক্ষেপে ICT (Bangladesh) বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি অপরাধ ট্রাইবুনাল যার উদ্দেশ্য হচ্ছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহের বিচার করা। এর আওতায় পড়ে যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের ৩৯ বছর পর যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ ট্রাইবুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয়। ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩ - এর ৬ ধারার বলে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় । সেই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয় বিচারপতি মো. নিজামুল হক এবং অন্য দুজন বিচারক ছিলেন বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীর এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এ কে এম জহির আহমেদ । পরবর্তীতে ২০১২ সালের ২২শে মার্চ ট্রাইব্যুনাল - ২ গঠিত হওয়ার পর এটিএম ফজলে কবীর প্রথম ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে গিয়ে দ্বিতীয়টির চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণ করেন ।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড আকারে মোট কয়টি ফোর্স গঠিত হয়েছিল?
Correct Answer:
খ: ৩টি
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড আকারে মোট কয়টি ফোর্স গঠিত হয়েছিল? সঠিক উত্তর ৩টি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম ব্রিগেড গঠন করা হয় ৭ই জুলাই ১৯৭১। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিগ্রেড ফোর্স ছিল তিনটি - জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩টি ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে গঠন করা হয় এই ব্রিগেড। ব্রিগেডের কমান্ডার হিসেবে নিযুক্তি পেলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং তার নামের আদি অক্ষর নিয়েই ব্রিগেডের নামকরণ করা হয় ‘জেড ফোর্স (জিয়া - ফোর্স)।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজন কে বীর শ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয়?
Correct Answer:
খ: ৭
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজন কে বীর শ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয়? সঠিক উত্তর ৭ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য চার ধরনের উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, এছাড়া বীরউত্তম ৬৮ জন, বীরবিক্রম ১৭৫ জন ও বীরপ্রতীক ৪২৬ জন। সর্বশেষ বীর - উত্তম পদক পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ (২০১০) মরণোত্তর সহ মোট বীর - উত্তম ৬৯ জন। বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালের আগস্টে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য তাকে ২০১০ সালে মরণোত্তর বীর - উত্তম পদক প্রদান করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
Correct Answer:
ক: উইং কমান্ডার এম কে বাশার
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন? সঠিক উত্তর উইং কমান্ডার এম কে বাশার মুক্তিযুদ্ধের ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম কে বাশার। মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার (জন্ম: নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার ছাতারদিঘি ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৫ - মৃত্যু: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৬) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর উত্তম খেতাব প্রদান করে। তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার পৈতিক নিবাস বগুড়ায়। মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার জুন মাস থেকে মুক্তিবাহিনীর ৬ নম্বর সেক্টরে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বৃহত্তর রংপুর ও বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে ছিল এ সেক্টর।
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শ্রেষ্ঠ খেতাব প্রাপ্ত এর সংখ্যা কতজন?
Correct Answer:
খ: ৭
Explanation:
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শ্রেষ্ঠ খেতাব প্রাপ্ত এর সংখ্যা কতজন? সঠিক উত্তর ৭ স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেয়া হয়। এছাড়া বীরউত্তম ৬৮ জন, বীরবিক্রম ১৭৫ জন, বীরপ্রতীক ৪২৬ জন। দুজন বীরপ্রতীক প্রাপ্ত মহিলা হলেন তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম।
স্বধীনতা যুদ্ধের সময় ঢাকা কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
Correct Answer:
খ: ২নং
Explanation:
স্বধীনতা যুদ্ধের সময় ঢাকা কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল? সঠিক উত্তর ২নং স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঢাকা শহর ২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। আর ঢাকা জেলা টি ছিল ২ নং ও ৩ নং সেক্টরের অধীনে। সঠিক উত্তর - ২ নং।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীরোত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়?
Correct Answer:
খ: ৬৮ জন
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীরোত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়? সঠিক উত্তর ৬৮ জন মুক্তিযুদ্ধে অবদানের ১৯৭৩ সালে সাতজনকে বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জনকে বীর উত্তম, ১৭৫ জনকে বীর বিক্রম, ৪২৬ জনকে বীর প্রতীক উপাধি দেওয়া হয়। একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর গেজেট প্রকাশ করা হয়। নূর চৌধুরীকে বীর বিক্রম, শরীফুল হক ডালিমকে বীর উত্তম, রাসেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দীনকে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হয়।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে “বীরোত্তম” খেতাবে ভূষিত করা হয়?
Correct Answer:
খ: ৬৮ জন
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে “বীরোত্তম” খেতাবে ভূষিত করা হয়? সঠিক উত্তর ৬৮ জন মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৬৮ জনকে “বীরোত্তম” খেতাবে ভূষিত করা হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৬৭৬ জনকে বিভিন্ন খেতাবে ভূষিত করা হয়। সাত জনকে বীরশ্রেষ্ঠ ৬৮ জনকে বীর উত্তম ১৭৫ জন কে বীরবিক্রম এবং ৪২৬ জনকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়।
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শুরুতে কে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ?
Correct Answer:
খ: চার্চিল
Explanation:
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শুরুতে কে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ? সঠিক উত্তর চার্চিল দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শুরুতে চার্চিল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। উইনস্টন চার্চিল (৩০শে নভেম্বর, ১৮৭৪ – ২৪শে জানুয়ারি, ১৯৬৫) ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক। তিনি যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অধিক পরিচিত। চার্চিলকে যুক্তরাজ্য ও বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রথম জীবনে তিনি ব্রিটিশ নৌবাহিনীর সদস্য ছিলেন। ১৯৫৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য সর্বোচ্চ রাষ্টীয় খেতাব কোনটি?
Correct Answer:
গ: বীরশ্রেষ্ঠ
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য সর্বোচ্চ রাষ্টীয় খেতাব কোনটি? সঠিক উত্তর বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ। মুক্তিযুদ্ধে খেতাব প্রাপ্ত যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন। তাদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন । বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন ও বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শুরুতে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন ?
Correct Answer:
খ: চার্চিল
Explanation:
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শুরুতে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন ? সঠিক উত্তর চার্চিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মানবসভ্যতার ইতিহাসে এ যাবৎকাল পর্যন্ত সংঘটিত সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ। এসময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন চার্চিল। ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল, এই ছয় বছর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়সীমা ধরা হলেও ১৯৩৯ সালের আগে এশিয়ায় সংগঠিত কয়েকটি সংঘর্ষকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর-২ এর অধিনায়ক কে ছিলেন?
Correct Answer:
ক: মেজর খালেদ মোশাররফ
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর-২ এর অধিনায়ক কে ছিলেন? সঠিক উত্তর মেজর খালেদ মোশাররফ মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার ভবেরপাড়া গ্রামের আমাবাগানে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিলে এবং এ অস্থায়ী সরকার শপথগ্রহণ করে ঐ বছরের ই ১৭ এপ্রিল। আর এ সরকারের দপ্তর বণ্টন হয় ১৯ এপ্রিল।
মুক্তিযুদ্ধে যোদ্ধাগণ যুদ্ধ চালাবার জন্য নিজেদের কত সেক্টরে ভাগ করেন?
Correct Answer:
ঘ: ১১
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে যোদ্ধাগণ যুদ্ধ চালাবার জন্য নিজেদের কত সেক্টরে ভাগ করেন? সঠিক উত্তর ১১ ১ নং সেক্টর: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম নোয়াখালী জেলার ফেনী(বর্তমানে জেলা) মহকুমার অংশবিশেষ(মুহুরী নদীর পূর্বপাড়) নিয়ে এই সেক্টর গঠিত। এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের হরিণা। এই সেক্টরে প্রথমে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর রফিকুল ইসলাম। ৫টি সাব সেক্টর নিয়ে গঠিত এই সেক্টরের প্রায় দশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করেছেন। তন্মধ্যে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীসহ পুলিশ, ইপিআরসহ প্রায় দুই হাজার নিয়মিত সৈন্য এবং গণবাহিনীর সংখ্যা ছিল আট হাজার। ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া - ভৈরব, নোয়াখালী(মুহুরী নদীর পূর্বাঞ্চল ব্যতীত) এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত। এই সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪ - ইস্ট বেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নেয়াখালীর ইপিআর বাহিনীর সমন্বয়ে। প্রথমে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর কেএম খালেদ মোশারফ। সেপ্টম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর এটিএম হায়দার। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল ভারতের আগরতলার দক্ষিণে ত্রিপুরা রাজ্যের মেলাঘরে। ছয়টি সাব - সেক্টর নিয়ে গঠিত এই সেক্টরে নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় হাজার এবং প্রায় পয়ত্রিশ হাজার গেরিলা যুদ্ধ করেছে। এই সেক্টরের সফল অভিযানের ফলে ঢাকা - চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে পাক - বাহিনী সম্পূর্ণ বিতাড়িত হয় এবং এই সেক্টরের অভিযানের ফলে ২১ জুন পর্যন্ত বেলোনিয়া সূচিব্যুহের প্রবেশ মুক্ত ছিল। ৩ নং সেক্টর: ঢাকা জেলার কিছু অংশ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও কুমিল্লার অংশ(আখাউড়া - ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্বদিকে অংশ) নিয়ে গঠিত হয়েছিল এই সেক্টর। ২ - ইস্ট বেঙ্গল এবং সিলেট ও ময়মনসিংহের ইপিআর বাহিনীর সমন্বয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর কেএম সফিউল্লাহ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এএনএম নূরুজ্জামান সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের হেজামারা ছিল এই সেক্টরের সদর দপ্তর। দশটি সাব - সেক্টর নিয়ে গঠিত এই সেক্টরের অধীনে ঊনিশটি গেরিলা ঘাঁটি গড়ে ওঠেছিল এবং গেরিলার সংখ্যা ছিল ত্রিশ হাজার। কুমিল্লা - সিলেট সড়কে কয়েকটি সেতু বিধ্বস্ত করে পাক বাহিনীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্নসহ শায়েস্তাগঞ্জে ট্যাঙ্কবিধ্বংসী মাইনের সাহায্যে একটি রেলগাড়ি বিধ্বস্ত করা ছিল এই সেক্টরের সফল অভিযান। ৪ নং সেক্টর: সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত। এর পশ্চিম সীমান্ত তামাবিল - আজমিরীগঞ্জ রেললাইনের উত্তরাংশ এবং লাখাই - শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইনের দক্ষিণাংশ। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সাথে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছিল এই সেক্টর। এই সেক্টরে কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর সিআর(চিত্তরঞ্জন) দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন আবদুর রব। প্রথমে এর সদর দপ্তর ছিল করিমগঞ্জে এরপর আসামের মাসিমপুর। ছয়টি সাব - সেক্টর নিয়ে গঠিত এই সেক্টরে ৯৭৫ জন সৈন্য এবং ৯,০০০ গেরিলা যুদ্ধ করেছে। ৫ নং সেক্টর: বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ(তামাবিল - আজমেরীগঞ্জ রেললাইনের পশ্চিমাংশ) নিয়ে গঠিত এই সেক্টর। মেজর মীর শওকত আলী এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল বাঁশতলাতে। এই সেক্টরকেও ছয়টি সাব - সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। এই সেক্টরে আটশত নিয়মিত সৈন্য এবং পাঁচ হাজার গেরিলা যুদ্ধ করেছে। সিলেট - তামাবিল এবং সিলেট - সুনামগঞ্জ সড়কে বেশ কয়েকটি সেতু বিধ্বস্ত করে পাকবাহিনীর যোগাযোগ বিচ্ছন্ন করাসহ ছাতক আক্রমণ ছিল সবচেয়ে সফল অভিযান। ৬ নং সেক্টর : দিনাজপুরের অংশ বিশেষ(ঠাকুরগাঁও) এবং ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর নিয়ে এই সেক্টর গঠিত। রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে গঠিত হয় এই সেক্টর। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল বুড়িমারী, পাটগ্রাম। সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এয়ার ভাইস - মার্শাল একে বাশার। পাঁচটি সাব - সেক্টরে বিভক্ত এই সেক্টরে সৈন্যসংখ্যা ছিল এগারো হাজার; তন্মধ্যে দুই হাজার নিয়মিত সৈন্য এবং নয় হাজার গণবাহিনী। রংপুর জেলার উত্তরাংশ নিজেদের দখলে রাখে এই সেক্টরের বাহিনী। ৭ নংসেক্টর : সমগ্র বগুড়া, রাজশাহী ও পাবনা জেলা, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল ও রংপুরের অংশবিশেষ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত। মূলত ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল এই সেক্টর। এই সেক্টরে কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে তিন জনÑ মেজর নাজমুল হক( সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হন), সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কারী নুরুজ্জামান। এর সদর দপ্তর ছিল ভারতের পশ্চিবঙ্গের বালুরঘাটের নিকটবর্তী তরঙ্গপুর। আটটি সাব - সেক্টরে বিভক্ত করে দুই হাজার পাঁচশত নিয়মিত সৈন্য এবং বারো হাজার পাঁচশত গেরিলার সমন্বয়ে পনেরো হাজার মুক্তিযোদ্ধা এই সেক্টরে যুদ্ধ করেন। ৮ নং সেক্টর : যশোর, কুষ্টিয়া জেলা এবং দৌলতপু
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধে ১নং সেক্টর ছিল?
Correct Answer:
খ: চট্টগ্রাম
Explanation:
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধে ১নং সেক্টর ছিল? সঠিক উত্তর চট্টগ্রাম ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি ও ফেনী পর্যন্ত ছিল সেক্টর ১। সুতরাং চট্টগ্রাম ১ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর রফিকুল ইসলাম।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কোন সালে গঠিত হয়?
Correct Answer:
ঘ: ২০০১
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কোন সালে গঠিত হয়? সঠিক উত্তর ২০০১ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় ২৩ অক্টোবর ২০০১ সালে। সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় নামে এ মন্ত্রণালটি গঠন করেন।
মুক্তিযুদ্ধে ' ঢাকা' কত নম্বর সেক্টরের অন্তর্গত ছিল?
Correct Answer:
খ: ২
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে ' ঢাকা' কত নম্বর সেক্টরের অন্তর্গত ছিল? সঠিক উত্তর ২ মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা শহর ছিল ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে। তবে ঢাকা জেলার অংশবিশেষ হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ। ৫ নং সেক্টরের অধীনে ছিল পশ্চিমা এলাকা, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী এলাকা।
মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম কত নম্বর সেক্টরের আওতায় ছিল-
Correct Answer:
ক: ১নং
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম কত নম্বর সেক্টরের আওতায় ছিল- সঠিক উত্তর ১নং ১ংং সেক্টরের আওতাভুক্ত জেলাসমূহ হলো - চট্টগ্রাম, বান্দরবন, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এবং নোয়াখালী জেলার মুহুরি নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা।
বদরের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
Correct Answer:
ঘ: ৬২৪
Explanation:
বদরের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়? সঠিক উত্তর ৬২৪ মক্কার বদর নামক স্থানে মুসলিম বাহিনী ও মক্কার পৌত্তলিকদের মধ্যে এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে ৭০ জন কাফের নিহত হয় এবং ৭০ জন বন্দী হয়। মুসলমানদের পক্ষে ১৩ জন শহীদ হন মুসলমানরা এ যুদ্ধে জয়ী হয়।
মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য মোট কত জনকে খেতাব প্রদান করা হয়?
Correct Answer:
গ: ৬৭৬ জনকে
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য মোট কত জনকে খেতাব প্রদান করা হয়? সঠিক উত্তর ৬৭৬ জনকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়। তার মধ্য ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জন বীরউত্তম, ১৭৫ জন বীরবিক্রম, ৪২৬ জন বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।
কোরিয়ান যুদ্ধ কত সালে আরম্ভ হয়?
Correct Answer:
খ: ১৯৫০
Explanation:
কোরিয়ান যুদ্ধ কত সালে আরম্ভ হয়? সঠিক উত্তর ১৯৫০ দুই কোরিয়ান যুদ্ধ ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বিরতি চুক্তির মাধ্যমে এ যুদ্ধের অবসান ঘটে।
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে “মুজিবনগর” কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
Correct Answer:
খ: ৮
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে “মুজিবনগর” কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল? সঠিক উত্তর ৮ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মুজিবনগর ৮ নং সেক্টর এর অধীনে ছিল। ৮ নং সেক্টর হলো - কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, নড়াইল, যশোর, খুলনা, বাগেরহাট ও আরো কিছু এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। ১০ নং ছিল নৌ সেক্টর।
মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব কোনটি?
Correct Answer:
গ: বীরশ্রেষ্ঠ
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব কোনটি? সঠিক উত্তর বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ । মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানসূচক সর্বোচ্চ খেতাব হলো বীরশষ্ঠ । বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখায় ৭ জন ব্যক্তিকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেয়া হয় । দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মানসূচক খেতাব বীরউত্তম প্রাপ্ত হলেন ৬৮ জন, তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্মানসূচক খেতাব বীরবিক্রম প্রাপ্ত হলেন ১৭৫ জন এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ সম্মানসূচক খেতাব বীর প্রতীক প্রাপ্ত হলেন ৪২৬ জন । এভাবে মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মানসূচক বিভিন্ন খেতাবে ভূষিত করা হয় ।
মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
Correct Answer:
খ: ২
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল? সঠিক উত্তর ২ কুমিল্লা আখাউড়া - ভৌরব এবং ঢাকা শহর ফরিদপুর, নোয়াখালী জেলার অংশবিশেষ ছিল 2 নং সেক্টরের অধীনে। সেক্টর প্রধান: মেজর খালেদ মোশাররফ ও মেজর এটিএম হায়দার।
মহামতি অশোক কোন যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন?
Correct Answer:
খ: কলিঙ্গ যুদ্ধের
Explanation:
মহামতি অশোক কোন যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন? সঠিক উত্তর কলিঙ্গ যুদ্ধের খ্রিস্টপূর্ব ২৬১ অব্দে মৌর্য সাম্রাজ্য ও কলিঙ্গ রাজ্যের সংঘটিত কলিঙ্গ যুদ্ধে মৌর্য সম্রাট অশোক জয়লাভ করেছিলেন। এ যুদ্ধে উভয়পক্ষের লক্ষাধিক লোকের প্রাণহানি ও সম্পদ ধ্বংস্বের ভয়াবহতা বিমর্ষ হয়ে শান্তির পথ হিসেবে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন।
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানটির রচয়িতাঃ
Correct Answer:
গ: গোবিন্দ হালদার
Explanation:
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানটির রচয়িতাঃ সঠিক উত্তর গোবিন্দ হালদার 'মােরা একটি ফুলকে বাঁচাবাে বলে যুদ্ধ করি' গানটির রচয়িতা গােবিন্দ হালদার এবং সুরকার আপেল মাহমুদ । ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অনুপ্রেরণা যােগাতে এ গানটি রচিত হয় । ২০০৬ সালে এটি বিবিসি কর্তৃক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গান হিসেবে শ্রোতা মনােনীত ২০ সেরা গানের মধ্যে ৭ম অবস্থানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ।
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী দেশ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: যুক্ত্ররাষ্ট্র
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী দেশ কোনটি? সঠিক উত্তর যুক্ত্ররাষ্ট্র মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দের মধ্যে পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছিল অন্যতম।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বরিশাল কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
Correct Answer:
ঘ: ৯নং সেক্টর
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের সময় বরিশাল কোন সেক্টরের অধীনে ছিল? সঠিক উত্তর ৯নং সেক্টর মুক্তিযুদ্ধের সময় ৯ নং সেক্টরের অধীনে জেলাসমূহ হলো - বৃহত্তর বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা এবং সাতক্ষীরা - দৌলতপুর সড়কসহ খুলনা জেলার সমগ্র দক্ষিনাঞ্চল। এ সেক্টরকে তিনটি তিনটি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস “নিষিদ্ধ লোবান” এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস “নিষিদ্ধ লোবান” এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস হলো - নিষিদ্ধ লেবানন, নীল দংশন, এক যুবকের ছায়াপথ এবং ত্রাহি। তার মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক হলো - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ---
Correct Answer:
গ: ৬২৪ সালে
Explanation:
বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয় --- সঠিক উত্তর ৬২৪ সালে বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয় - - - ৬২৪ সালে। বদরের যুদ্ধ ২ হিজরির ১৭ রমজান (১৭ মার্চ ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ) মদিনার মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে সংঘটিত হয়। ইসলামের ইতিহাসে এটি প্রথম প্রধান যুদ্ধ। এতে জয়ের ফলে মুসলিমদের ক্ষমতা পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরে কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
Correct Answer:
খ: ১০ নং সেক্টর
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরে কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না? সঠিক উত্তর ১০ নং সেক্টর মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র দেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ১০ নং সেক্টরটি নৌ সেক্টর হিসেবে পরিচিত। এ সেক্টরে নিয়মিত কোন কমান্ডার ছিল না। নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি কর্মকর্তা এ সেক্টরে কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ---
Correct Answer:
খ: ৬২৭ সালে
Explanation:
খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয় --- সঠিক উত্তর ৬২৭ সালে খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয় - - ৬২৭ সালে। খন্দকের যুদ্ধ ৫ হিজরিতে (৬২৭ খ্রিষ্টাব্দ) সংঘটিত হয়। এসময় ২৭দিন ধরে আরব ও ইহুদি গোত্রগুলি মদিনা অবরোধ করে রাখে। জোট বাহিনীর সেনাসংখ্যা ছিল প্রায় ১০, ০০০ এবং সেসাথে তাদের ৬০০ ঘোড়া ও কিছু উট ছিল। অন্যদিকে মদিনার বাহিনীতে সেনাসংখ্যা ছিল ৩, ০০০। যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে মদিনার বাইরে খন্দক বা পরিখা খনন করার ফলে যুদ্ধের এরূপ নাম প্রদান করা হয়েছে। সালমান ফারসি এরূপ পরিখা খননের পরামর্শ দিয়েছিলেন। এছাড়াও এই যুদ্ধকে আহজাবের যুদ্ধ বলা হয় যার অর্থ জোটের যুদ্ধ।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
Correct Answer:
খ: ক্যাপটেন এম মনসুর আলী
Explanation:
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন? সঠিক উত্তর ক্যাপটেন এম মনসুর আলী রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী)। উপরাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম (রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন)। প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দীন আহমদ। অর্থমন্ত্রী ছিলেন মনসুর আলী।
মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা কত নং সেক্টরের অধীন ছিল?
Correct Answer:
গ: ২নং সেক্টর
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা কত নং সেক্টরের অধীন ছিল? সঠিক উত্তর ২নং সেক্টর মুক্তিযুদ্ধের সময় মোট ১১টি সেক্টর ছিল, সাবসেক্টর ছিল ৬৪টি। ২নং সেক্টরে নোয়াখালী, কুমিল্লা, আখাউড়া, ভৈরব এবং ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশ বিশেষ অন্তর্ভক্ত ছিল।
’ফুটবল যুদ্ধ’ (Football war) কবে সংঘটিত হয়েছিল?
Correct Answer:
ক: ১৯৬৯
Explanation:
’ফুটবল যুদ্ধ’ (Football war) কবে সংঘটিত হয়েছিল? সঠিক উত্তর ১৯৬৯ ১৪ - ১৮ জুলাই ১৯৬৯ এল সালভাদর ও হন্ডুরাসের মধ্যে ও যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
কত সালে ওয়াটার লু যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
Correct Answer:
ক: ১৮১৫ সালে
Explanation:
কত সালে ওয়াটার লু যুদ্ধ সংঘটিত হয়? সঠিক উত্তর ১৮১৫ সালে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের দশ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত ওয়াটার লু নামক স্থানে ১৮১৫ সালের ১৫ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত সংঘটিত যুদ্ধ ইতিহাসে ‘ওয়াটার লু’ যুদ্ধ নামে পরিচিত । এ যুদ্ধে নেপোলিয়ন পরাজিত হলে তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামান্য চিত্র 'এ স্টেট ইস বর্ণ' এর নির্মাতা কে?
Correct Answer:
ঘ: জহির রায়হান
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামান্য চিত্র 'এ স্টেট ইস বর্ণ' এর নির্মাতা কে? সঠিক উত্তর জহির রায়হান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র ‘এ স্টেট ইজ বর্ন - এর নির্মাতা জহির রায়হান। তার আরেকটি উল্লেখযােগ্য প্রামাণ্যচিত্র হলো স্টপ জেনােসাইড, যেটিতে বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার রূপরেখা ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
'এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়'-- Who is the writher of this line of a poem?
Correct Answer:
ক: Helal Hafiz
Explanation:
'এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়'-- Who is the writher of this line of a poem? সঠিক উত্তর Helal Hafiz “এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়” কবি হেলাল হাফিজের “নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়” কবিতার একটি অমর লাইন।
কোন যুদ্ধে মহানবীর (সা) দানদান মোবারক শহীদ হয়?
Correct Answer:
ঘ: ওহুদ
Explanation:
কোন যুদ্ধে মহানবীর (সা) দানদান মোবারক শহীদ হয়? সঠিক উত্তর ওহুদ উহুদ প্রান্তরে কোরায়েশরা নির্মমভাবে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)- এর দাঁত মোবারক শহিদ করেছিল, তাকে আহত করেছিল।
মুক্তিযুদ্ধের নূন্যতম বয়স (সংশোধিত) কত বছর?
Correct Answer:
ক: ১৩
কোনটি মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ সামিরিক খেতাব?
Correct Answer:
খ: বীরশ্রেষ্ঠ
Explanation:
কোনটি মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ সামিরিক খেতাব? সঠিক উত্তর বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব হলো - বীরশ্রেষ্ঠ। তাদের আত্নত্যাগের জন্য আজ বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে পরিচিত। বীরশ্রেষ্ঠের সংখ্যা ৭ জন। বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত হয় ৬৮ জন।
মুক্তিযুদ্ধে কয়জন মহিলা বীরপ্রতিক খেতাবে ভূষিত হন?
Correct Answer:
খ: ২ জন
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধে কয়জন মহিলা বীরপ্রতিক খেতাবে ভূষিত হন? সঠিক উত্তর ২ জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার দুইজন মহিলাকে বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করে। তারা হচ্ছেন ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম ( সেনাবাহিনী ২ নং সেক্টর) এবং তারামন বিবি ( গণবাহিনী ১১ নং সেক্টর)