Bengali novel MCQs
Showing 50 questions (Total: 383)
আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
গ: ওঙ্কার
Explanation:
আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর ওঙ্কার আহমদ ছফা একজন বাংলাদেশি লেখক, ঔপন্যাসিক, কবি, চিন্তাবিদ ও গণবুদ্ধিজীবী ছিলেন। ওঙ্কার তার বিখ্যাত উপন্যাস। জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক ও সলিমুল্লাহ খানসহ আরো অনেকের মতে, মীর মশাররফ হোসেন ও কাজী নজরুল ইসলামের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি মুসলমান লেখক হলেন আহমদ ছফা। তার লেখায় বাংলাদেশি জাতিসত্তার পরিচয় নির্ধারণ প্রাধান্য পেয়েছে।
'অপু' ও 'দুর্গা' চরিত্র দুটি কোন উপন্যাসের ?
Correct Answer:
খ: পথের পাঁচালী
Explanation:
'অপু' ও 'দুর্গা' চরিত্র দুটি কোন উপন্যাসের ? সঠিক উত্তর পথের পাঁচালী পথের পাঁচালী(১৯২৯)[১] হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। বাংলার গ্রামে দুই ভাইবোন অপু আর দুর্গার বেড়ে ওঠা নিয়েই বিখ্যাত এই উপন্যাস। এই উপন্যাসের ছোটদের জন্য সংস্করনটির নাম আম আঁটির ভেঁপু। পরবর্তী কালে বিখ্যাত বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় এই উপন্যাসটি অবলম্বনে পথের পাঁচালী (চলচ্চিত্র) নির্মান করেন যা পৃথিবী - বিখ্যাত হয়।[২] সমগ্র উপন্যাসটি তিনটি খণ্ড ও মোট পঁয়ত্রিশটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত। খণ্ড তিনটি যথাক্রমে বল্লালী বালাই (পরিচ্ছেদ ১ - ৬; ইন্দির ঠাকরূনের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে), আম - আঁটির ভেঁপু (পরিচ্ছেদ ৭ - ২৯; অপু - দুর্গার একসাথে বেড়ে ওঠা, চঞ্চল শৈশব, দুর্গার মৃত্যু, অপুর সপরিবারে কাশীযাত্রা চিত্রিত হয়েছে) এবং অক্রূর সংবাদ (পরিচ্ছেদ ৩০ - ৩৫; অপুদের কাশীজীবন, হরিহরের মৃত্যু, সর্বজয়ার কাজের জন্য কাশীত্যাগ এবং পরিশেষে নিশ্চিন্দিপুরে ফিরে আসার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে)।
'কাঁদো নদী কাঁদো ' কার উপন্যাস ?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
Explanation:
'কাঁদো নদী কাঁদো ' কার উপন্যাস ? সঠিক উত্তর সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ 'কাঁদো নদী কাঁদো ' সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ এর উপন্যাস। কাঁদো নদী কাঁদো ১৯৬৮ সালে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত চেতনাপ্রবাহরীতির একটি উপন্যাস। আঙ্গিক প্রকরণে পাশ্চাত্যের প্রভাব থাকলেও এর সমাজজীবন, পরিবেশ ও চরিত্রাদি স্বদেশীয়। তবারক ভুঁইয়া নামে এক স্টিমারযাত্রীর মুখে বিবৃত কুমুরডাঙ্গার ছোট হাকিম মুহাম্মদ মুস্তফার জীবনালেখ্য ও অন্তর্জীবনের ইতিকথা এর বিষয়বস্ত্ত।
হুমায়ূন আহমেদের 'শ্যামলা ছায়া ' উপন্যাসের পটভূমি হচ্ছে--।
Correct Answer:
গ: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
Explanation:
হুমায়ূন আহমেদের 'শ্যামলা ছায়া ' উপন্যাসের পটভূমি হচ্ছে--। সঠিক উত্তর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ হুমায়ূন আহমেদের 'শ্যামলা ছায়া ' উপন্যাসের পটভূমি হচ্ছে - - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। শ্যামল ছায়া ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রের পরিচালক হলেন হুমায়ূন আহমেদ। এই ছবিটি ২০০৬ সালে "সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র" বিভাগে একাডেমি পুরস্কার এর জন্য বাংলাদেশ থেকে নিবেদন করা হয়েছিল। ছবির বিশেষত্ব হচ্ছে, সরাসরি যুদ্ধের দৃশ্য না দেখিয়েও এতে যুদ্ধের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় পদ্মানদীর মাঝি, দিবারাত্রির কাব্য, পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসগুলোর লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
'পথের দাবী ' উপন্যাসের রচয়িতা -
Correct Answer:
খ: শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
Explanation:
'পথের দাবী ' উপন্যাসের রচয়িতা - সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এ উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: অদ্বৈত মল্লবর্মণ
Explanation:
'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর অদ্বৈত মল্লবর্মণ তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৫৬) অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। এই একটি উপন্যাস লিখে লেখক খ্যাতি অর্জন করেন। এই উপন্যাসে গ্রামের দরিদ্র মালো শ্রেণীর লোকজনের দুঃখ - দুর্দশার কাহিনী ফুটিয়ে তুলেছেন। পরবর্তীকালে এই উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।
'চোখের বালি' উপন্যাসটি লিখেছেন কে?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
'চোখের বালি' উপন্যাসটি লিখেছেন কে? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চোখের বালি' (১৯০৩) । এটি ৫৫ টি পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত। এ উপন্যাসটি প্রথমে 'বঙ্গদর্শন। পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। সমাজ ও যুগযুগান্তরের সংস্কারের সাথে ব্যক্তিজীবনের বিরোধ এ উপন্যাসের মূল সুর। চরিত্র : আশলতা; মহেন্দ্র, বিনোদনী, বিহারী, রাজলক্ষ্মী, অন্নপূর্ণা।
'নবীন মাধব' কোন উপন্যাসের চরিত্র?
Correct Answer:
ঘ: নীলদর্পণ
মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণমূলক উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
Explanation:
মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণমূলক উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর তেইশ নম্বর তৈলচিত্র 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' ঔপন্যাসিক আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম উপন্যাস। ১৯৬০ সালে পদক্ষেপ নামক এক পত্রিকার ঈদ সংখ্যায় উপন্যাসটি প্রথম ছাপা হয়। 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' বেশ কয়েকটি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। বুলগেরীয় ভাষায় অনুদিত হয়েছে ‘পোত্ৰেৎ দুবাতসাৎ ত্রি' শিরোনামে।
‘ইন্দ্রনাথ’ শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
Correct Answer:
ঘ: শ্রীকান্ত
‘যোগাযোগ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
‘যোগাযোগ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'যোগাযোগ' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। উল্লেখ্য, 'যোগাযোগ' (১৯২৬) 'বিচিত্রা' মাসিক পত্রিকায় ‘তিনপুরুষ' নামে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। তখন কাহিনিটি আরো দীর্ঘ হবে এই রকম পরিকল্পনা ছিল। পরে কাহিনির নাম হয় 'যোগাযোগ'। নায়িকা কুমুদিনী ও নায়ক মধুসূদনের ব্যক্তিত্বের তীব্র বিরোধ উপন্যাসের কেন্দ্র। শেষ পর্যন্ত স্বামীর কাছে কুমুদিনীর দ্বিধান্বিত সমর্পণে কাহিনির সমাপ্তি হলেও কুমুদিনীর মধ্যে এক বিদ্রোহিনী নারীর রূপ স্পষ্ট।
তেভাগা আন্দোলনকেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: নাঢ়াই
Explanation:
তেভাগা আন্দোলনকেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর নাঢ়াই শওকত আলী রচিত তেভাগা আন্দোলনকেন্দ্রিক উপন্যাস হলো 'নাঢ়াই'। এই উপন্যাসে - গরিব কৃষকের ঘরে এক বালক সন্তানের অল্পবয়সী মা ফুলমতি বিধবা হলে শুরু হয় তার বাঁচার লড়াই। লোভ, লালসা, সম্পদ আর সম্ভ্রম লুণ্ঠনের নানান চক্রান্তের বিরুদ্ধে তাকে লড়াই করতে হয়। তবে লড়াই ক্রমে একাকার হয়ে যায় গরিব কৃষকের লড়াই তেভাগার সঙ্গে। এই প্রক্রিয়ার বিবরণ নিয়েই লেখা শওকত আলীর উপন্যাস 'নাঢ়াই'। 'অক্টোপাস' হলো শামসুর রাহমানের একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। 'কালো বরফ' হলো মাহমুদুল হকের দেশ ভাগ নিয়ে লেখা উপন্যাস। আর 'ক্রীতদাসের হাসি' হলো শওকত ওসমানের একটি উপন্যাস যাতে স্বৈরশাসক আইয়ূব খানের শাসনামলকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে।
ইমদাদুল হকের উপন্যাস নিচের কোনটি?
Correct Answer:
গ: সারাবেলা
’নুরজাহান’ উপন্যাসটি কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ক: ইমদাদুল হক মিলন
Explanation:
’নুরজাহান’ উপন্যাসটি কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর ইমদাদুল হক মিলন 'নূরজাহান' (১৯৯৫) উপন্যাসটি লিখেছেন ইমদাদুল হক মিলন। উল্লেখ্য, 'নূরজাহান' (১৯০৮) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত একটি ইতিহাসশ্রয়ী নাটক।
ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থানের পটভূমিকায় লেখা উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: চিলেকোঠার সেপাই
Explanation:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থানের পটভূমিকায় লেখা উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর চিলেকোঠার সেপাই ঊনসত্তরের (১৯৬৯) গণঅভ্যূত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মহাকাব্যিক উপন্যাস 'চিলেকোঠার সেপাই'। এই উপন্যাসে ইতিবাচক রাজনীতির উপস্থাপনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অব্যবহিত পূর্বরূপটি ওঠে এসেছে।
বিধবার প্রেম নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’
Explanation:
বিধবার প্রেম নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’ 'চোখের বালি' (১৯০৩) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তত্ত্বমূলক সামাজিক উপন্যাস। এই উপন্যাসের উপজীব্য বিষয় হলোঃ বাঙালি সমাজ ও পারিবারিক জীবনের বিচিত্র, বলিষ্ঠ বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনা।
জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: গঙ্গা
Explanation:
জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর গঙ্গা 'গঙ্গা' (১৯৫৭) উপন্যাসটি লিখেছেন সমরেশ বসু। এই উপন্যাসে তিনি দক্ষিণবঙ্গের নদীনালা এবং মৎসজীবী মানুষের সুখ - দুঃখ, জীবনযাপনের সংগ্রাম, প্রকৃতির কঠোরতা এবং সামাজিক জীবনের বৈষম্য নিয়ে স্থির, নিশ্চিত মধ্যবিত্ত জীবনের নিরাপত্তার এক বিপরীত আখ্যান। এর একদিকে আছে বাস্তব তথ্যের প্রতি নিষ্ঠা, অন্যদিকে আছে মৃত্যু ও অস্তিত্বের সংগ্রামের এক মানবিক উপলব্ধি। 'গঙ্গা' সমরেশ বসুর শ্রেষ্ঠ রচনাগুলির অন্যতম। ‘ডিঙি টেনে বের করতে হবে। কোন ধরনের বাক্যের
’সারেং বৌ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
’সারেং বৌ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সারের উল্লেখযোগ্য দুটি উপন্যাস হলো 'সংশপ্তক' (১৯৬৫) ও ‘সারেং বৌ' (১৯৬২)।
পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ'- কোন উপন্যাসে উল্লেখ আছে?
Correct Answer:
ঘ: কপালকুণ্ডলা
নিচের কোনটি যুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
Correct Answer:
গ: হাঙর নদী গ্রেনেড
Explanation:
নিচের কোনটি যুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস? সঠিক উত্তর হাঙর নদী গ্রেনেড বঙ্গবন্ধুর লেখা প্রকাশিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'কারাগারের রোজনামচা' প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের মার্চ মাসে। বঙ্গবন্ধুর লেখা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ যা ২০১২ সালের জুন মাসে প্রকাশিত হয়। আর ‘আমার দেখা নয়াচীন’ তৃতীয় গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে।
”রোহিণী” কোন উপন্যাসের চরিত্র?
Correct Answer:
খ: কৃষ্ণকান্তের উইল
‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: জতির রায়হান
Explanation:
‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর জতির রায়হান ‘একুশে ফেব্রুয়ারি' উপন্যাসটি জহির রায়হানের অসমাপ্ত কাজের একটি। একুশে ফেব্রুয়ারি' এর চিত্র কাহিনী প্রকাশিত হয়েছিল মাসিক 'সমীপেষু' পত্রিকায়। বর্তমানে আমরা জহির রায়হানের যে 'একুশে ফেব্রুয়ারি' পড়ি তা মূলত সেই চলচ্চিত্র যা তার অসমাপ্ত কাজের একটি। উল্লেখ্য, হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় ১৬খণ্ডে 'বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র' (১৯৮২ ৮৩) প্রকাশিত হয়। এছাড়া তিনি একুশে ফেব্রুয়ারি' একটি সংকলন সম্পাদনা করেন।
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়?
Correct Answer:
ক: আরেক ফাল্গুন
"চিলেকোঠার সেপাই' কার রচিত উপন্যাস?
Correct Answer:
খ: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
Explanation:
"চিলেকোঠার সেপাই' কার রচিত উপন্যাস? সঠিক উত্তর আখতারুজ্জামান ইলিয়াস উনসত্তরের গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত আখতারুজ্জামানের ইলয়াসের মহাকিব্যক উপন্যাস ‘ চিলেকোঠার সেপাই’ (১৯৮৭)। উপন্যাসের নায়ক ওসমান দেশবিভাগের কারণে উদ্বাস্তু হয়ে ঢাকায় এসছে। সে এতোটাই বিচ্ছিন্ন এবং ছিন্নমূল যে চিলেকোঠায় বাস করাই ছিল যেন তার নিয়তি। অথচ বামপন্থী ছাত্রনেতা, ছাত্রলীগ নেতা শ্রমিক ও রিক্সাওয়ালা এমন কি বাড়িওয়ালার মেয়ের সাথে তার বিচ্ছিন্নভাকে যোগাযোগ হয়েছে। ওসমান যেন ছোট ছোট কাহিনীর সূত্রধর। ওসমানের মাধ্যমে ইতবাচক রাজণীতি ও উপন্থানায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পূর্ববর্তীরূপটি ঔপন্যাসিক সার্থকভাবে তুলে এনেছেন।
’রোহিণী’ কোন উপন্যাসের নায়িকা?
Correct Answer:
ক: কৃষ্ণকান্তের উইল
Explanation:
’রোহিণী’ কোন উপন্যাসের নায়িকা? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকান্তের উইল বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়ের ‘ কৃষ্ণবান্তের উইল’ (১৮৭৮) এর অন্যতম চরিত্র রোহিণী। বিধবা নারী রোহিণী স্বীয় ব্যর্থ জীবনের হাহাকারের জন্য আত্মহত্যা করতে চায়। রোহিণীকে কেন্দ্র করে উদ্ভ।দ বিবিন্নন ধর্মীয় ও সামাজিক সমস্যার রূপায়ন ও উপন্যাসের মূল সুর। বিনোদিনী আশালতা মহেন্দ্র ‘ চোখের বালি উপন্যাসের চরিত্র। মহিম, সুরেশ অচেলা ‘ গুহদাহ’ উপন্যাসের চরিত্র। অপু, দুর্গা. ইন্দন ঠাকরুন’ পথের পাঁচালী উপন্যাসের চরিত্র।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস ‘ রাইফেল রোটি আওরাত’ কার লেখা?
Correct Answer:
ঘ: আনোয়ার পাশা
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস ‘ রাইফেল রোটি আওরাত’ কার লেখা? সঠিক উত্তর আনোয়ার পাশা আনোয়ার পাশার মুক্তিযুদ্ধের উপর রচিত প্রথম উপন্যাস ‘রাইফেল রোটি আওরাত' (১৯৭৩)। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আনোয়ার পাশা এপ্রিলে এটি রচনা শুরু করেন এবং জুন মাসে সমাপ্ত করেন। ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়, তার বিস্তারিত বর্ণনা আছে এ উপন্যাসে। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র সুদীপ্ত শাহীনের মাধ্যমে ঔপন্যাসিক নিজের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন।
"সূর্য দীঘল বাড়ি" উপন্যাসের রচয়িতা-
Correct Answer:
ঘ: আবু ইসহাক
Explanation:
"সূর্য দীঘল বাড়ি" উপন্যাসের রচয়িতা- সঠিক উত্তর আবু ইসহাক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে বাংলার ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে যে দুর্ভিক্ষ, গ্রামীণ জীবনের দারিদ্র্য, কুসংস্কার, মোড়ল ও মোল্লাদের দৌরাত্ম্য, হৃদয়হীনা শাশুড়ির বৌয়ের প্রতি অত্যাচার প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আবু ইসহাক রচনা করেন বিখ্যাত উপন্যাস 'সূর্য দীঘল বাড়ী' (১৯৫৫)। পঞ্চাশের মন্বন্তর, দেশ বিভাগ, স্বাধীনতার আনন্দ বেদনাসহ বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের বিশ্বস্ত দলিল এ উপন্যাস।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রথম উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
খ: রাইফেল আওরাত
'রোহিণী' কোন উপন্যাসের নায়িকা?
Correct Answer:
খ: কৃষ্ণকান্তের উইল
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
গ: 'কর্ণফুলি'
Explanation:
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর 'কর্ণফুলি' ক্ষুদ্র নৃ - গোষ্ঠীগুলোর জনসংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২ শতাংশ। বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী দেশের পূর্বাঞ্চলে বসবাস করে। বর্তমানে বাংলাদেশে বসবাসকারী মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি। গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্র নৃ - গোষ্ঠী চাকমা জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী চাকমা। চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং তাদের প্রধান ধর্মীয়গ্রন্থ ত্রিপিটক। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্য চাকমাদের শিক্ষার হার সব থেকে বেশি। আরও তথ্য – ‘চাকমা’ শব্দের অর্থ মানুষ। চাকমাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বলা হয় – বিজু। ধর্মীয় উৎসব – ফাল্গুনী পূর্ণিমা। চাকমা বিদ্রোহের নায়ক – জুম্মা খান। চাকমা গ্রামকে বলা হয় – আদম। গ্রামপ্রধানকে বলা হয় – কারবারি। কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গঠিত হয় – মৌজা। মৌজাপ্রধানকে বলা হয় – হেডম্যান। চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস – ফাবো (২০০৪)। মারমা সংখ্যাগত বিচারে বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী। মারমারা ‘মগ’ নামেও পরিচিত। তাদের আদি নিবাস আরাকান এবং তারা জাতিতে মঙ্গলীয়। তিন পার্বত্য জেলায় মারমাদের আবাস থাকলেও তাদের মূল জনগোষ্ঠী বান্দরবন জেলায় বসবাস করে। আরও তথ্য – মারমা বর্ষবরণ উৎসবের নাম – সাংগ্রাই। মারমাদের একটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব – ওয়াগ্যই বা প্রবারণা পূর্ণিমা। মারমা গ্রামকে বলা হয় – রোয়া এবং গ্রামপ্রধানকে বলা হয় – রোয়াজা বা কারবারি। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য একমাত্র খেতাব প্রাপ্ত ব্যক্তি ইউ কে সিং মারমা। তিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। সাঁওতাল সংখ্যাগত বিচারে বাংলাদেশের ৩য় বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী। তারা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি - অস্ট্রেলীয় (প্রোটো - অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর। সাঁওতাল সমাজের মূলভিত্তি হচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েত। সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একটি বড় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্যাপিত হয়। ১৮৫৫ সালে সাওতাল বিদ্রোহ সংগঠিত হয়। বিদ্রোহের নায়ক দুই ভাই কানু আর সাদু। এছাড়া তেভাগা আন্দোলনে সাঁওতালদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল। গারো গারোরা মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী জাতিগোষ্ঠী। গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। এ সমাজে মা পরিবারের প্রধান ও সম্পত্তির মালিক। প্রথা অনুযায়ী এ সমাজে পারিবারিক সম্পত্তির মালিক মেয়েরা। তবে শুধুমাত্র নির্বাচিত মেয়েই সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করে। এই নির্বাচিত মেয়েকে গারো ভাষায় ‘নক্না’ বলা হয়। সাধারণত পরিবারের কনিষ্ঠ কন্যা সন্তানকেই ‘নক্না’ নির্বাচন করা হয়। গারোরা নিজেদের আচিক্ মান্দে বা পাহাড়ের মানুষ বলে পরিচয় দেয়। তাদের ভাষার নামও আচিক ভাষা। তাদের আদি ধর্মের নাম ‘সংসারেক’। তবে বর্তমানে অধিকাংশ গারো খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারী। খাসিয়া বাংলাদেশের সিলেট ও ভারতের আসামে এ জনগোষ্ঠী বসবাস করে। তাদেরকে ‘খাসি’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত। খাসিয়া সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। খাসিয়া গ্রামগুলোকে পুঞ্জি বলে এবং গ্রাম প্রধানকে বলা হয় ‘সিয়েন’। রাখাইন বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের একটি জাতিগোষ্ঠী। এরা মূলত পটুয়াখালী জেলায় বসবাস করে। এদের আদি নিবাস আরাকান। এরা সমতলে বসবাসকারী মগের বংশধর। আর্য বংশোদ্ভূত প্রকৃতি উপাসক রাখাইনরা প্রাচীনযুগে মগধ রাজ্যে বসবাস করত। রাখাইনদের শিল্পকলা ও সংস্কৃতির সুপ্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে। তাদের প্রচলিত নৃত্যের মধ্যে প্রদীপ নৃত্য, শিশু নৃত্য, পুষ্পনৃত্য, জলকেলি নৃত্য, ছাতা নৃত্য, পাখা নৃত্য, রাখাল নৃত্য প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া তাদের নিজস্ব বাদ্যযন্ত্র আছে। আরও তথ্য – রাখাইন বড় ধর্মীয় উৎসব – বুদ্ধপূর্ণিমা। বর্ষবরণ উৎসবের নাম – সান্দ্রে। দেশের একমাত্র জড় উপাসক উপজাতি – সাঁওতাল। লক্ষ্য রাখুন: গ্রাম ও গ্রাম প্রধান চাকমাদের গ্রামের নাম ‘আদম’ ও গ্রামপ্রধানের নাম ‘কারবারি’, মারমাদের গ্রামের নাম ‘রোয়া’ ও গ্রামপ্রধানের নাম ‘রোয়াজা’ এবং খাসিয়াদের গ্রামের নাম ‘পুঞ্জি’ ও গ্রামপ্রধানের নাম ‘সিয়েন’ জাতিগোষ্ঠীগুলোর অঞ্চলভিত্তিক অবস্থান দক্ষিণ - পূর্ব অঞ্চল গোষ্ঠী বাসস্থান চাকমা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন, কক্সবাজার মারমা বান্দরবন, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ম্রো/মুরং বান্দরবন (চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে) ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী তঞ্চঙ্গ্যা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম লুসাই খাগড়াছড়ি, বান্দরবন, রাঙ্গামাটি পাংখোয়া বান্দরবন ও রাঙ্গামাটি খিয়াং রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, চট্টগ্রাম রাখাইন পটুয়াখালী, বরগুনা ও কক্সবাজার ****পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১১টি জাতিসত্তা বসবাস করে। তাদের মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, মুরং, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, লুসাই, খুমি অন্যতম।পার্বত্য তিন জেলাতেই বসবাস করে এমন উল্লেখযোগ্য জাতিগোষ্ঠী হল – চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা ও লুসাই। ত্রিপুরাদের (টিপরা) বাংলাদেশের সিলেট ও কুমিল্লা জেলাতেও বসবাস করতে দেখা যায়। উত্তর - পূর্ব অঞ্চল গোষ্ঠী বাসস্থান গারো ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোণা, টাঙ্গাইল, জামালপুর, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও গাজীপুর খাসিয়া/খাসি সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেট (জৈয়ন্তিকা পাহাড়ে) মণিপুরি মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও সিলেট। তাদের প্রধান আবাসস্থল মৌলভীবাজার। হাজং ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও সিলেট পাঙন মৌলভীবাজার শবর মৌলভীবাজার, সিলেট মুণ্ডা সিলেট, যশোর ও খুলনা উত্তর - পশ্চিমাঞ্চল গোষ্ঠী বাসস্থান সাঁওতাল দিনাজপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুর। প্রধান আবাসস্থল দিনাজপুর। রাজবংশী রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও ময়মনসিংহ। প্রধান আবাসস্থল রংপুর। ওরাওঁ দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী ও বগুড়া কোল চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী ধর্ম প্রধান ধর্ম গোষ্ঠী বৌদ্ধ চাকমা, মারমা, ম্রো/মুরং, রাখাইন খ্রিষ্টান সাঁওতাল, গারো, খাসিয়া/খাসি হিন্দু সাঁওতাল, ত্রিপুরা সনাতন মনিপুরি ইসলাম পাঙন, লাউয়া প্রকৃতি উপাসক ওরাওঁ ভাষা গোষ্ঠী ভাষা চাকমা চাকমা ভাষা। নিজস্ব বর্ণমালা আছে। মারমা মারমা ভাষা। ভাষার নিজস্ব হরফ আছে। সাঁওতাল সাঁওতালি। এটি অনক্ষর ভাষা যার নিজস্ব বর্ণমালা নেই । ত্রিপুরা ককবরক। এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। গারো আচিক খুসিক/ মান্দি। এটি অনক্ষর ও অলিখিত একটি প্রাচীন অনাযর্ ভাষা। তবে বাংলা হরফে গারো ভাষা স্বাচ্ছন্দে লেখা যায়। মুরং ম্রো। পূর্বে নিজস্ব বর্ণমালা না থাকলেও বর্তমানে নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে। মণিপুরী মৈ তৈ / মণিপুরী ভাষা। নিজস্ব বর্ণমালা আছে। রাখাইন আরাকানী / রাখাইন ভাষা ওরাওঁ কুরুখ / শাদরি। উত্তরবঙ্গের ওঁরাও সম্প্রদায় কুরুখ ভাষা ও সিরাজগঞ্জ থেকে রাজশাহী অঞ্চলের ওঁরাওরা সাদরি ভাষা ব্যবহার করে। নিজস্ব বর্ণমালা নেই। খাসিয়া পাড়, লিংগাম ও ওয়ার। রোমান হরফে লেখা হয়। কোল কোল/মান্দারী/ খেড়োয়াড়ী। বর্তমানে নিজস্ব বর্ণমালা আছে। উৎসব গোষ্ঠী উৎসব চাকমা বিজু, বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মাঘি পূর্ণিমা, বৈশাখী পূর্ণিমা মারমা সাংগ্রাই, ওয়াগ্যই, বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মাঘি পূর্ণিমা, বৈশাখী পূর্ণিমা সাঁওতাল সোহরাই উৎসব (পৌষ সংক্রান্তির দিন উদ্যাপিত হয়), বাহা ( বসন্তে ফুলফোটার উৎসব), স্যালসেই উৎসব বোঙ্গাবোঙ্গি উৎসব গারো ওয়ানগালা (ফসল ঘরে তোলার উৎসব) ত্রিপুরা বৈসুব বৈসাবি উৎসব: পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার প্রধান ৩টি আদিবাসী সমাজ: চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা – এর বর্ষবরণ উৎসব। এটি তাদের অন্যতম প্রধান অনুষ্ঠান। উৎসবটিকে ত্রিপুরা জনগষ্ঠী বলে বৈসুব, বৈসু বা বাইসু , মারমারা বলে সাংগ্রাই এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যাদের বলে বিজু। এই তিনটি উৎসবের প্রথম অক্ষর গুলো নিয়ে ‘বৈসাবি’ নামকরণ করা হয়েছে।
’কাদোঁ নদী কাঁদো ‘ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
’নীল অপরাজিতা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: হুমায়ূন আহমেদ
’তিতাস একটি নদীর নাম “উপন্যাসের রচয়িতা”
Correct Answer:
ঘ: অদ্বৈত মল্লবর্মণ
কোন উপন্যাস অবলম্বনে ‘বাঙলা’ নামে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে-
Correct Answer:
গ: ওঙ্কার
বিমলা-কুমুদিনী’ কোন দুটি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র?
Correct Answer:
ক: ঘরে- বাইরে, যোগাযোগ
Explanation:
বিমলা-কুমুদিনী’ কোন দুটি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র? সঠিক উত্তর ঘরে- বাইরে, যোগাযোগ `বিমলা - কুসুমদিনী’ ঘরের বািইরে ও যোগাযোগ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। নিম্নে কিছু গ্রন্থ ও কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম দেওয়া হল। গ্রন্থের নাম কেন্দ্রীয় চরিত্র চতুরঙ্গ দামিনী শেষের কবিতা অমিত রায়, লাবণ্য চোখের বালি মহেন্দ্র, আশা, বিনোদিনী
নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
Correct Answer:
খ: বলাকা
মুক্তিযুুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
খ: নেকড়ে অরণ্য
'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি কার লেখা?
Correct Answer:
খ: জহির রায়হান
Explanation:
'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি কার লেখা? সঠিক উত্তর জহির রায়হান জহির রায়হান (১৯ আগস্ট ১৯৩৫ — ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক, এবং গল্পকার। ... তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো হাজার বছর ধরে ও আরেক ফাল্গুন।
উপন্যাস কোন যুগের সৃষ্টি?
Correct Answer:
খ: আধুনিক যুগের
‘পথের পাঁচালী' উপন্যাসটি কার লেখা?
Correct Answer:
খ: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
‘পথের পাঁচালী' উপন্যাসটি কার লেখা? সঠিক উত্তর বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১২ই সেপ্টেম্বর, ১৮৯৪ - ১লা নভেম্বর, ১৯৫০ ছিলেন একজন জনপ্রিয় ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্প লিখে খ্যাতি অর্জন করেন। পথের পাঁচালী ও অপরাজিত তাঁর সবচেয়ে বেশি পরিচিত উপন্যাস। অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে আরণ্যক, চাঁদের পাহাড়,আদর্শ হিন্দু হোটেল, ইছামতী ও অশনি সংকেত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। উপন্যাসের পাশাপাশি বিভূতিভূষণ প্রায় ২০টি গল্পগ্রন্থ, কয়েকটি কিশোরপাঠ্য উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনি এবং দিনলিপিও রচনা করেন। বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালী উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত চলচ্চিত্রটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন। ১৯৫১ সালে ইছামতী উপন্যাসের জন্য বিভূতিভূষণ পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার রবীন্দ্র পুরস্কার (মরণোত্তর) লাভ করেন।
’নদী ও নারী ‘ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: হুমায়ন কবির
‘জলোচ্ছ্বাসৎ উপন্যাসে রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: সেলিনা হোসেন
Explanation:
‘জলোচ্ছ্বাসৎ উপন্যাসে রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সেলিনা হোসেন ২০২০ সালের ১৪ জুন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের ৭৪তম জন্মদিন। তাঁর প্রথম উপন্যাস 'জলোচ্ছ্বাস' (১৯৭২), প্রথম গল্পগ্রন্থ 'উৎস থেকে নিরন্তর'(১৯৬৯)।
‘তাতারী’ কোন উপন্যাসের চরিত্র ?
Correct Answer:
খ: ক্রীতদাসের হাসি
শওকত আলীর ত্রয়ী উপন্যাস ‘ দক্ষিণায়ণের দিনের’র শেষ খন্ড কোনটি?
Correct Answer:
গ: পূর্বরাত্রি পূর্বদিন
‘পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ।’ কোন উপন্যাসে উল্লেখ আছে?
Correct Answer:
ঘ: কপালকুন্ডলা
Explanation:
‘পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ।’ কোন উপন্যাসে উল্লেখ আছে? সঠিক উত্তর কপালকুন্ডলা বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোসান্সধর্মী উপন্যান ‘ কপালকুন্ডলা’ ১৮৬৬ । অরণ্যে কাপালিক পালিতা নারী ‘কুপালকুন্ডলা’ কে ঘিরে এই উপন্যাসের ‘পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ’ এ উপন্যাসের ‘পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ’ উক্তিটি কাপালকুন্ডলা নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে বলেছে।
কত সালে 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়?
Correct Answer:
গ: ১৮৬৫
Explanation:
কত সালে 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়? সঠিক উত্তর ১৮৬৫ দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সের রচনা। এই উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দেশ ব্রিটিশ ভারত ভাষা বাংলা ধরন উপন্যাস প্রকাশনার তারিখ ১৮৬৫ ইংরেজিতে প্রকাশিত ১৮৮০ মিডিয়া ধরন মুদ্রিত গ্রন্থ সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
ভাষা আন্দোলন বিষয়ক উপন্যাস-
Correct Answer:
খ: আরেক ফাল্গুন
Explanation:
ভাষা আন্দোলন বিষয়ক উপন্যাস- সঠিক উত্তর আরেক ফাল্গুন উপন্যাসঃ ১) আরেক ফাল্গুন→জহির রায়হান। (প্রথম)। ২) আর্তনাদ→শওকত ওসমান। ৩) নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি→সেলিনা হোসেন।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয় কোনটি?
Correct Answer:
গ: শেষের কবিতা
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয় কোনটি? সঠিক উত্তর শেষের কবিতা অপশনগুলোর মধ্যে - কাঁদো নদী কাঁদো - মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস নয়। এ উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে রচিত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর চেতনা প্রবাহরীতির একটি উপন্যাস।
‘হাঙর নদী গ্রেনেড ‘ উপন্যাসটি লিখেছেন-
Correct Answer:
ঘ: সেলিনা হোসেন
Explanation:
‘হাঙর নদী গ্রেনেড ‘ উপন্যাসটি লিখেছেন- সঠিক উত্তর সেলিনা হোসেন হাঙর নদী গ্রেনেড বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন রচিত একটি বাংলা ভাষার উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কালের যশোরের কালীগঞ্জ গ্রামের এক মায়ের সত্য ঘটনা অবলম্বনে সেলিনা হোসেন এই উপন্যাসটি রচনা করেন।