Bengali novel MCQs
Showing 50 questions (Total: 383)
'রাজলক্ষ্মী' চরিত্রর স্রষ্টা ঔপন্যাসিক -----
Correct Answer:
খ: শরৎচন্দ্র
Explanation:
'রাজলক্ষ্মী' চরিত্রর স্রষ্টা ঔপন্যাসিক ----- সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬ - ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক, ও গল্পকার। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তার অনেক উপন্যাস ভারতবর্ষের প্রধান ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে। বড়দিদি (১৯১৩), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (চারখণ্ডে ১৯১৭ - ১৯৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), পথের দাবী (১৯২৬), পরিণীতা (১৯১৪), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি শরৎচন্দ্র রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার দরুন তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত। শরৎচন্দ্রের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস " শ্রীকান্ত "। শ্রীকান্ত ' র একটি শক্তিশালী চরিত্র " রাজলক্ষ্মী "।
শেষের কবিতা -
Correct Answer:
ঘ: রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস
Explanation:
শেষের কবিতা - সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস 'শেষের কবিতা 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক কাব্য উপন্যাস । এ উপন্যাসের বিষয়বস্তু পুরুষ ও নারীর অবিরোধে একসঙ্গে দুজনকে ভালোবাসা। এ উপন্যাসে অমিত - লাবণ্য, কেতকী - শোভনলাল চরিত্রের মাধ্যমে প্রেমের বিচিত্র বিকাশ দেখানো হয়েছেন।
' ঠক চাচা' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
Correct Answer:
ক: আলালের ঘরের দুলাল
Explanation:
' ঠক চাচা' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়? সঠিক উত্তর আলালের ঘরের দুলাল আলালের ঘরের দুলাল বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সফল উপন্যাস।প্যারীচাঁদ মিত্র ওরফে টেকচাঁদ ঠাকুর (১৮১৪ - ১৮৮৩) ১৮৫৭ সালে এটি রচনা করেন
"Farewell to Arms" উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
Explanation:
"Farewell to Arms" উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আর্নেস্ট হেমিংওয়ে A Farewell to Arms is a novel by Ernest Hemingway set during the Italian campaign of World War I. First published in 1929, it is a first - person account of an American, Frederic Henry, serving as a lieutenant ("tenente") in the ambulance corps of the Italian Army.
রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা?
Correct Answer:
ক: কৃষ্ণকান্তের উইল
Explanation:
রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকান্তের উইল কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।চোখের বালি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।গৃহদাহ - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়পথের পাঁচালি - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
কখনও উপন্যাস লেখেননিঃ
Correct Answer:
গ: সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
Explanation:
কখনও উপন্যাস লেখেননিঃ সঠিক উত্তর সুধীন্দ্রনাথ দত্ত সুধীন্দ্রনাথ দত্ত কখনও কোনো উপন্যাস না লিখেও বাংলা সাহিত্যে একজন বিখ্যাত ব্যক্তি।
নিচের কোনটি সঠিক?
Correct Answer:
গ: বিষবৃক্ষ-উপন্যাস
Explanation:
নিচের কোনটি সঠিক? সঠিক উত্তর বিষবৃক্ষ-উপন্যাস বিষবৃক্ষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের চতুর্থ বাংলা উপন্যাস এবং তাঁর বিষবৃক্ষ - কৃষ্ণকান্তের উইল - রজনী গার্হস্থ্যধর্মী উপন্যাসত্রয়ীর অন্যতম। ১২৭৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যা (১৮৭২) থেকে চৈত্র সংখ্যা (১৮৭৩) পর্যন্ত বঙ্গদর্শন পত্রিকায় মোট বারোটি কিস্তিতে বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। চরিত্রঃ নগেন্দ্রনাথ সূর্যমুখী,কুন্দনন্দিনী বিদ্রোহী - কাজী নজরুল ইসলাম এর বিখ্যাত কবিতা নৌকা ডুবি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস
"রোহিণী" চরিত্রটি কোন উপন্যাসের?
Correct Answer:
ঘ: কৃষ্ণকান্তের উইল
Explanation:
"রোহিণী" চরিত্রটি কোন উপন্যাসের? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকান্তের উইল শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পল্লীসমাজ’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রমা ও রমেশ। কাজী নজরুল ইসলামের ‘মৃত্যুক্ষুধা’ উপন্যাসের চরিত্র রুবি, আনসার, মোয়াজ্জেম।শহীদুল্লাহ কায়সারের ‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের চরিত্র লেকু, হুরমুতি, রমজান। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ভ্রমর, রোহিণী হরলাল, গোবিন্দলাল।
"তিতাস একটি নদীর নাম" কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
গ: উপন্যাস
Explanation:
"তিতাস একটি নদীর নাম" কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস তিতাস একটি নদীর নাম অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। এই একটি উপন্যাস লিখে লেখক খ্যাতি অর্জন করেন। এই উপন্যাসে গ্রামের দরিদ্র মালো শ্রেণীর লোকজনের দুঃখ - দুর্দশার কাহিনী ফুটিয়ে তুলেছেন। পরবর্তীকালে এই উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন ঋত্ত্বিক ঘটক।
রবীন্দ্রনাথের "শেষের কবিতা" কোন ধরনের গ্রন্থ?
Correct Answer:
গ: উপন্যাস
Explanation:
রবীন্দ্রনাথের "শেষের কবিতা" কোন ধরনের গ্রন্থ? সঠিক উত্তর উপন্যাস শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের চিত্রসৃষ্টি পর্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস (প্রথমটি যোগাযোগ) এটি। ১৯২৭ সাল (১৩৩৪ বঙ্গাব্দের ভাদ্র) থেকে ১৯২৮ সাল (১৩৩৪ বঙ্গাব্দের চৈত্র) অবধি প্রবাসীতে ধারাবাহিকভাবে রচনাটি প্রকাশিত হয়।
ম্যাক্সিম গোর্কির "মা" উপন্যাসটি কোন ভাষায় রচিত?
Correct Answer:
ঘ: রুশ
Explanation:
ম্যাক্সিম গোর্কির "মা" উপন্যাসটি কোন ভাষায় রচিত? সঠিক উত্তর রুশ মা রূশ কথাসাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কি রচিত এক কালজয়ী উপন্যাস যা ১৯০৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রুশ ভাষায় লিখিত এই উপন্যাসটি পরবর্তী এক শত বছরে সারা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। উপন্যাসটি বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত এবং উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হল প্যাভেল ও তার মা। বাংলা ভাষায় বিভিন্ন প্রকাশনী সংস্থা বিভিন্ন লেখকের অনুদীত মা উপন্যাস প্রকাশ করেছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ন্যাশনাল বুক এজেন্সিস্ - এর প্রকাশিত বইটি, যার অনুবাদ করেছেন পুষ্পময়ী বসু। মা উপন্যাসের উপর আজ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে।
কোনটি উপন্যাস?
Correct Answer:
ক: খোয়াবনামা
Explanation:
কোনটি উপন্যাস? সঠিক উত্তর খোয়াবনামা খোয়াবনামা বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে, মাওলা ব্রাদার্স প্রকাশনী থেকে। একই বছরের এপ্রিলে বইটি বেরোয় পশ্চিমবঙ্গের নয়া উদ্যোগ প্রকাশনী থেকে। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের আর একটি উপন্যাস '৬৯ এর গণ অভ্যূত্থান নিয়ে লেখা " চিলেকোঠার সেপাই"
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম --------
Correct Answer:
গ: গোবিন্দলাল ও রোহিনী
Explanation:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম -------- সঠিক উত্তর গোবিন্দলাল ও রোহিনী কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।
"পদ্মা নদীর মাঝি" উপন্যাসটি কার রচনা?
Correct Answer:
গ: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
"পদ্মা নদীর মাঝি" উপন্যাসটি কার রচনা? সঠিক উত্তর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের পটভূমি বাংলাদেশের বিক্রমপুর - ফরিদপুর অঞ্চল। এই উপন্যাসের দেবীগঞ্জ ও আমিনবাড়ি পদ্মার তীরবর্তী গ্রাম। উপন্যাসে পদ্মার তীর সংলগ্ন কেতুপুর ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের পদ্মার মাঝি ও জেলেদের বিশ্বস্ত জীবনালেখ্য চিত্রিত হয়েছে। পদ্মা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। চরিত্রঃ - কুবের, মালা, কপিলা, হোসেন মিয়া, শীতলবাবু,
মানিক বন্দোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' নামক উপন্যাসের উপজীব্য -------
Correct Answer:
খ: জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ
Explanation:
মানিক বন্দোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' নামক উপন্যাসের উপজীব্য ------- সঠিক উত্তর জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের পটভূমি বাংলাদেশের বিক্রমপুর - ফরিদপুর অঞ্চল। এই উপন্যাসের দেবীগঞ্জ ও আমিনবাড়ি পদ্মার তীরবর্তী গ্রাম। উপন্যাসে পদ্মার তীর সংলগ্ন কেতুপুর ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের পদ্মার মাঝি ও জেলেদের বিশ্বস্ত জীবনালেখ্য চিত্রিত হয়েছে। পদ্মা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। এর ভাঙন প্রবণতা ও প্রলয়ংকরী স্বভাবের কারণে একে বলা হয় 'কীর্তিনাশা' বা রাক্ষুসী পদ্মা। এ নদীর তীরের নির্দিষ্ট কোন সীমারেখা নেই। শহর থেকে দূরে এ নদী এলাকার কয়েকটি গ্রামের দীন - দরিদ্র জেলে ও মাঝিদের জীবনচিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। জেলেপাড়ারর মাঝি ও জেলেদের জীবনের সুখ - দুঃখ, হাসি - কান্না - অভাব - অভিযোগ - যা কিনা প্রকৃতিগতভাবে সেই জীবনধারায় অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ তা এখানে বিশ্বস্ততার সাথে চিত্রিত হয়েছে। তাদের প্রতিটি দিন কাটে দীনহীন অসহায় আর ক্ষুধা - দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে - পরে বেঁচে থাকাটাই যেন তাদের জীবনের পরম আরাধ্য। এটুকু পেলেই তারা খুশি।
ঊনসত্তরের গণভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস কোনটি ?
Correct Answer:
ঘ: চিলেকোঠার সেপাই
Explanation:
ঊনসত্তরের গণভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস কোনটি ? সঠিক উত্তর চিলেকোঠার সেপাই "চিলেকোঠার সেপাই" ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস লিখিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। কোন বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে একজন সাধারণ মানুষের মিলতে সক্ষম হওয়ার গল্প এটি।
‘শর্মিলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের নায়িকা?
Correct Answer:
ক: দুইবোন
Explanation:
‘শর্মিলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের নায়িকা? সঠিক উত্তর দুইবোন ‘শর্মিলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত দুইবোন উপন্যাসের নায়িকা ।রবীন্দ্রনাথের চোখে নারী যেমন সবসময় অনন্য মর্যাদায় উন্নীত, তেমনি তাঁর সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষনশীল দৃষ্টিশক্তিও নারীকে বিচার করেছে নিজস্ব মহিমায়;"দুই বোন" উপন্যাসটিতে তারই প্রতিফলন সুস্পষ্ট। লেখক নারীকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন যে নারী জাতি দুপ্রকারের - এক হল মায়ের জাত আর অপরটি প্রিয়ার জাত। শর্মিলা আর ঊর্মিমালা কে নিয়ে উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। ঋতুর সাথেও নারীকে তুলনা করে লেখক বলেছেন যে যে মায়ের জাত সে হল বর্ষা ঋতু আর প্রিয়ার জাত হল বসন্ত ঋতু। পারিবারিক আধারে আপন মনঃস্তত্ব জাহির করেছেন লেখক।
শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' কোন শ্রেনীর উপন্যাস ?
Correct Answer:
খ: আত্নজৈবনিক
Explanation:
শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' কোন শ্রেনীর উপন্যাস ? সঠিক উত্তর আত্নজৈবনিক শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জীবনচরিত মূলক উপন্যাস। তিনি এই উপন্যাসটি মোট চার খণ্ডে সমাপ্ত করেন। চারটি খণ্ড একসাথে লেখেন নি। যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ এবং ১৯৩৩ সালে চারটি খণ্ড লেখা শেষ করেন।
'সংশপ্তক' উপন্যাসের রচয়িতা-
Correct Answer:
ঘ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
'সংশপ্তক' উপন্যাসের রচয়িতা- সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার সংশপ্তক শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে রচিত এই উপন্যাসটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।পরবর্তীতে আবদুল্লাহ আল মামুন নাট্যরূপ প্রদান করেন এবং যা বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়। সংশপ্তক নাটকটি বাংলাদেশে টিভি নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় নাটক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংশপ্তক শব্দের অর্থ হয় জয় নাহয় মৃত্যু।
' পদ্মানদীর মাঝী' উপন্যাসে অংকিত হয়েছে-
Correct Answer:
খ: ধীবর জীবন
Explanation:
' পদ্মানদীর মাঝী' উপন্যাসে অংকিত হয়েছে- সঠিক উত্তর ধীবর জীবন ধীবর হিন্দুদের চতুর্বর্ণের অন্তর্ভুক্ত একটি উপবর্ণ। এরা মূলত মৎস্যজীবী সম্প্রদায়। বৈদিক যুগে ভারতে কৃষিজীবী, পশুপালনকারী, শিকারি প্রভৃতি পেশাজীবী মানুষের পাশাপাশি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের লোকজনও ছিল। বৃহদ্ধর্মপুরাণে বারোটি মধ্যম সংকর শূদ্র বর্ণের মধ্যে ধীবর ও জালিক নামে দুটি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের উল্লেখ আছে।
‘জয়গুণ’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
Correct Answer:
ক: সূর্যদীঘল বাড়ী
Explanation:
‘জয়গুণ’ কোন উপন্যাসের চরিত্র? সঠিক উত্তর সূর্যদীঘল বাড়ী বাংলা ১৩৫০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অবিভক্ত ভারতের বাংলায় ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পঞ্চাশের আকাল নামে যে দুর্ভিক্ষ হযেছিল তাতে প্রাণ হারায় বহু লক্ষ দরিদ্র মানুষ। যারা কোনমতো শহরের লঙ্গরখানায় পাত পেতে বেঁচে থাকতে পেরেছিল তদেরই একজন আকালের সময় স্বামী পরিত্যক্তা জয়গুন। সঙ্গে তার মৃত প্রথম স্বামীর ঘরের ছেলে ও দ্বিতীয় স্বামীর ঘরের মেয়ে। আরো আছে মৃত ভাইদের স্ত্রী - পুত্র। তারা গ্রামে ফিরে এসে এমন একখণ্ড জমিতে ঘর ওঠায় যা অপয়া ভিটা বলে পরিচিত ছিল। জীবনের যুদ্ধে যখন সে প্রাণপণে লড়ছে তখন তার প্রতি দৃষ্টি পড়ে গাঁয়ের মোড়লের। দ্বিতীয় স্বামীও তাকে আবার ঘরে তুলতে চায়। সে কারো প্রস্তাবেই সায় দেয় না। কিন্তু এ দুজনের সাক্ষাৎ ঘটে এবং মোড়ল তার প্রতিযোগীকে হত্যা করে। ঘটনার একমাত্র দর্শক হিসেবে জয়গুনকেও মূল্য দিতে হয় অন্যভাবে। এই কাহিনীর বিচিত্রতার মধ্যে মূল বিষয় একটিই; তা হচ্ছে কুসংস্কার, সম্পদ, ধর্ম, প্রতিপত্তি, সামাজিকবিধি - নিষেধ, এমনকি জাতীয়তাবোধ - এসব কিছুকেই কাজে লাগিয়ে শ্রমজীবী ক্ষুধার্ত মানুষের ক্রমাগত শোষণ।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: দুর্গেশনন্দিনী
Explanation:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর দুর্গেশনন্দিনী দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সের রচনা। এই উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়।
'লালসালু' উপন্যাসটির লেখক কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Explanation:
'লালসালু' উপন্যাসটির লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলার গ্রাম ও সমাজ - জীবনে এক ধ্রুপদী জীবনধারাকে লালসালু উপন্যাসে রুপদান করেন। তিনি এতে বাংলার লোকায়ত সংস্কার ও ধর্মাচরণের নেপথ্যে তথাকথিত ধর্মধ্বজাধারী ও ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ীদের স্বরুপ গভীর জীবনবোধ ও মমত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেন। উপন্যাসটির ফরাসি অনুবাদ L Arbre Sams Maeme প্রকাশিত হয় ১৯৬১ সালে এবং ইংরেজি অনুবাদ Tree Without Roots প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে।
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এ উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
ক: মৃত্যুক্ষুধা
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর মৃত্যুক্ষুধা কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র তিনটি উপন্যাস রচনা করেন ।যথা - ১। বাঁধন হারা বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস , এর পত্রগুলো মোসলেম ভারত পত্রিকায় প্রকাশিত হয় , এতে ১৮ টি পত্র থাকে, পত্রগুলোর লেখক - লেখিকা ৯ জন যার মধ্যে ৬ জন নারী, এর প্রধান চরিত্র নুরুল হুদা , কাজী নজ্রুল ইসলাম এটিকে সাংবাধিক ,সাহিত্যিক নলিনীকান্ত সরকারকে উৎসর্গ করেন )। ২। কুহেলিকা - (বাংলা সাহিত্যের সন্ত্রাসী বিপ্লবের উপর লিখিত উপন্যাস ,প্রধান চরিত্র জমিদার পুত্র জাহাঙ্গীর )। ৩। মৃত্যুক্ষুধা - (কাজী নজরুলের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস , এটি অসহায় যোগ আন্দোলন পটভূমিতে লেখা )। বিদ্রঃ বাকুম শব্দটি মনে রাখার মাধ্যমে উপন্যাস তিনটির নাম মনে রাখতে পারেন।
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
Correct Answer:
খ: আগুনের পরশমণি
Explanation:
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস? সঠিক উত্তর আগুনের পরশমণি 'চিলেকোঠার সিপাই' আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। '৬৯ - এর গণআন্দোলন এর উপজীব্য। 'আগুনের পরশমনি ' হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।'একাত্তের দিনগুলি' জাহানারা ইমামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা (প্রবন্ধ)। 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
'কোনটি বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের চরিত্র নয় ?
Correct Answer:
ঘ: কুবের
Explanation:
'কোনটি বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের চরিত্র নয় ? সঠিক উত্তর কুবের বিষাদসিন্ধু এজিদ্ - বধ পর্বের প্রচ্ছদ (১৮৯০) লেখক মীর মশাররফ হোসেন দেশ অবিভক্ত বাংলা ভাষা বাংলা বিষাদ - সিন্ধুবিষাদ - সিন্ধু কারবালার যুদ্ধক্ষেত্রকে উপাত্ত করে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি যথাক্রমে ১৮৮৫, ১৮৮৭ ও ১৮৯১ সালে তিন ভাগে প্রকাশিত হয়; পরবর্তীতে সেগুলি একখন্ডে মুদ্রিত হয়।বিষাদ - সিন্ধুর প্রধান চরিত্রগুলো নামের দিক থেকে ঐতিহাসিক, কিন্তু ঘটনা বর্ণনায় ও চরিত্র সৃষ্টিতে কাল্পনিক। এই গ্রন্থে কিছু উপকাহিনী আছে, যেগুলো যথার্থ ঐতিহাসিক নয়। গ্রন্থের মুখবন্ধে লেখক মীর মশাররফ হোসেন লিখেছেন - ‘পারস্য ও আরব্য গ্রন্থ হইতে মূল ঘটনার সারাংশ লইয়া বিষাদ - সিন্ধু বিরচিত হইল।’ লক্ষণীয় বিষয়, মীর মশাররফ হোসেন বিষাদ - সিন্ধু গ্রন্থে বর্ণিত ঘটনাসমূহ কোন কোন আরবি এবং ফারসি গ্রন্থ হতে সংগ্রহ করেছেন তার নাম উল্লেখ করেননি। এ কারণে ‘সমালোচকবৃন্দ’ লেখকের ‘বক্তব্য অনুমোদনে দ্বিধান্বিত’। মুনীর চৌধুরী লেখকের দাবী সম্পর্কে যৌক্তিক সংশয় পোষণ করেছেন। তিনি দোভাষী পুঁথির সঙ্গে বিষাদ - সিন্ধুর বেশ সাদৃশ্য আবিষ্কার করে নিশ্চিন্ত হয়েছেন যে মশাররফের অবলম্বন ছিল কারবালাবিষয়ক জনপ্রিয় বাংলা পুঁথিই। গোলাম সাকলায়েনের অভিমতও অভিন্ন। আনিসুজ্জামান ও মুস্তাফা নূরউল ইসলামও মনে করেন দোভাষী পুঁথিই মশাররফের কাহিনীর প্রধান প্রেরণা ও মূল উৎস। কাজী আবদুল মান্নান অনুমান করেছেন, ‘গ্রন্থটির প্রতি ধর্মপ্রাণ মুসলমান সমাজের শ্রদ্ধা এবং আকর্ষণ সৃষ্টির জন্যই মশাররফ কাহিনী - উৎসের প্রশ্নে আরবি - ফারসি গ্রন্থেও প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন।মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ - সিন্ধুর মূল বিষয়বস্ত্ত হচ্ছে - হযরত মুহাম্মদ (সা.) - এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেনের মৃত্যুর জন্য দায়ী ঘটনাসমূহ। অবশ্য ইমাম হোসেনের মৃত্যুর ফলে যে সকল ঘটনা ঘটেছিল তারও বর্ণনা রয়েছে এ গ্রন্থে। বিষাদ - সিন্ধু উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলির সন্ধান ইতিহাসে পাওয়া যায়, কিন্তু কোনো কোনো অপ্রধান চরিত্রের উল্লেখ বা সন্ধান ঐতিহাসিক কোনো গ্রন্থে পাওয়া যায় না। কিন্তু গবেষকের সিদ্ধান্ত - ‘যেহেতু ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করেই এই গ্রন্থ রচিত হয়েছে, সুতরাং এটিকে ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা যায়।’ এতে একই সঙ্গে উপন্যাসের চরিত্রচিত্রণ, মানবজীবনের দুঃখ - যন্ত্রণা, হিংসা - বিদ্বেষ ইত্যাদি যেমন চিত্রিত হয়েছে তেমনি ইতিহাসের পটভূমিকায় সিংহাসন নিয়ে দ্বন্দ্ব, সংগ্রাম, রক্তপাত, হত্যাকান্ড ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে। সারকথা বিষাদ - সিন্ধুতে বর্ণিত ইতিহাসের চরিত্র ও ইতিহাসের লক্ষণকে প্রত্যক্ষ করে গবেষক একে ঐতিহাসিক উপন্যাসের মর্যাদা দিতে দ্বিধা করেননি। তবে এতে এমন কিছু ঘটনার উল্লেখ আছে যেগুলো ইতিহাসের আলোকে বিচার করা চলে না। এমনকি বাস্তব জীবনেও সেগুলির অস্তিত্ব সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করা চলে, যেমন - কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনা, এগুলির কোনোটির উৎপত্তি ধর্মীয় বিশ্বাসে, আবার কোনটির উৎপত্তি ঐন্দ্রজালিক শক্তিতে ও আস্থায়।বিষাদ - সিন্ধুর সূচনা হচ্ছে - হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর এক ভবিষ্যদ্বাণীতে এবং ভবিষ্যদ্বাণী সত্যে পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রন্থের উপসংহার হবে। এই ভবিষ্যদ্বাণী ছাড়াও এতে কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। যেমন - এজিদের চোখের সামনে থেকে হোসেনের খন্ডিত শির অদৃশ্য হওয়া, কারবালা প্রান্তরের বৃক্ষ থেকে রক্তক্ষরিত হওয়া, হোসেনের মৃতদেহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় হোসেনের পিতামাতার মর্তে আগমন এবং দু্ই পাহাড়ের মধ্যবর্তীস্থানে হানিফার বন্দি হওয়া ইত্যাদি। কোনো উপন্যাসে কেবল বাস্তব জীবনের ঘটনা চিহ্নিত হলে তাকে সাধারণত উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয় না। কিন্তু বিষাদ - সিন্ধুতে বাস্তব ঘটনা এবং অতিপ্রাকৃত বিষয়ের অবতারণা করা হলেও তা পাঠকদের অবিশ্বাস উদ্রেক করে না। বিষাদ - সিন্ধুর ঘটনাস্থান ও ঘটনাকাল সপ্তম শতাব্দীর আরবদেশ। এ উপন্যাস বিচারকালে কোনো কোনো গবেষক সেই বিশেষ যুগের ও মানুষের বিশ্বাসের কথাটি মনে রাখার পক্ষে মত দিয়ে বলেছেন - হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর বংশধরেরা যদি দৈবশক্তিতে বিশ্বাসী হন, আশ্চর্য হবার কিছু নেই। কারণ তাঁরা বিশ্বাস করতেন - বিধাতার স্থিরীকৃত পথ থেকে কেউ বিচ্যুত হতে পারে না। বিষাদ - সিন্ধু পাঠকালে কখনো কখনো মনে হয় যেন ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেন রক্তমাংসের কোনো মানুষ নয়, কেননা তারা সম্পূর্ণরূপে দৈবের ওপর নির্ভরশীল এবং তারা কেউ নিজেদের কৃতকর্মের ফলের জন্য নিজেদের দায়ী বলে মনে করে না। অপরদিকে এজিদ, জায়েদা, মায়মুনা এবং মরওয়ান - এরা পাষন্ড হলেও এদের অনেকটা রক্তমাংসের মানুষ মনে হয়। কারণ এরা মনে করে - তাদের বর্তমান ক্রিয়াকর্মের ফলেই ভবিষ্যৎ ঘটনাবলী প্রভাবান্বিত হবে। এজিদ হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর বংশধরদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে অনবরত সংগ্রাম করতে থাকে, কিন্তু সর্বক্ষণই এজিদ আপন বাহুবল ও কলাকৌশলের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ইমাম হাসান এবং ইমাম হোসেন মৃত্যুকে বরণ করে বিনা প্রতিবাদে, বিনা প্রতিরোধে। কেননা, তাঁরা বিশ্বাস করে - বিধাতার অভিপ্রায়ই তাই, ফলে তাঁকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।মীর মশাররফ হোসেন জন্মগ্রহণ করেন ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে এবং তিনি যে পরিবেশে বেড়ে উঠেন সেটি ছিল সে - যুগের পূর্ববর্তী সময়ের রীতি - নীতি ও বিশ্বাসদ্বারা লালিত। অধিকাংশ গবেষক বিষাদ - সিন্ধুকে মহাকাব্যের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন - ‘এতে রয়েছে মহাকাব্যের বিশাল পটভূমি। এটি ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সংঘর্ষের কাহিনী নয় - এ হচ্ছে প্রভুত্ব নিয়ে দুই নৃপতির মধ্যে সংঘর্ষ। এই সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত ছিল বহু লোকের জীবন, বহু লোকের ভাগ্য।’ এতে প্রায় শ’খানেক পাত্রপাত্রী আছে; এর মধ্যে রয়েছে অনেক কাহিনী শাখা - প্রশাখায় বিস্তৃত। হিংসা বিদ্বেষজর্জরিত মানুষের কামনা, বাসনা, প্রভুত্বের নিষ্ঠুরতা, রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, আর এসব ঘটেছিল একটি নারীকে কেন্দ্র করে। ঠিক এমন ঘটনা গ্রিক সাহিত্যের ইলিয়াড মহাকাব্যে ঘটেছিল।বিষাদ - সিন্ধুর অধিকাংশ ঘটনাই জয়নাবকে কেন্দ্র করে। এজিদ ও ইমাম হাসান - হোসেনের সংঘর্ষের মূল কারণ জয়নাব। জয়নাব সতীসাধ্বী স্ত্রী। প্রথম স্বামী কর্তৃক পরিত্যক্ত হয়ে দ্বিতীয়বার পরিণীতা হন ইমাম হাসানের সঙ্গে। ভাগ্যের পরিহাসে ইমাম হাসানের মৃত্যুর পর সে এজিদের কারাগারে বন্দিনী হন। কারাগারে বন্দিনী থাকাকালে তার মনে হতো কারবালার রক্তপাতের জন্য সেই যেন দায়ী। এজিদকে স্বামীত্বে বরণ করে নিলেই তো আর এসব ঘটনা ঘটত না। সাহিত্য সৃষ্টির দিক থেকে মাইকেলের মেঘনাদবধ কাব্যের সীতা - চরিত্রের সঙ্গে জয়নাবের তুলনা করা চলে।বিষাদ - সিন্ধু পাঠ্যপুস্তক হিসেবেই প্রথমে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং গ্রামে গ্রামে পঠিত হতে থাকে। পরবর্তীতে বিষাদ - সিন্ধুর এই জনপ্রিয়তার সূত্র ধরে বাংলাদেশের জারিগানের আসরে প্রথমত প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে আত্তীকৃত হয়, পরবর্তীতে জারিগানের গীত - নৃত্যমূলক পরিবেশনায় বিষাদ - সিন্ধুর পদ্যগীতে রূপান্তরিত হয়ে পরিবেশিত হতে থাকে। আধুনিক বাংলা ভাষার গদ্যরীতিতে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধুর পুরো পাঠটিই বাংলাদেশের নেত্রকোণা অঞ্চলে প্রচলিত জারিগানের আদলে আত্তীকৃত হয়েছে।বিষাদ - সিন্ধু ও জারিগানের তুলনামূলক পাঠের ভেতর দিয়ে পাঠক - গবেষক স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করতে পারবেন, আধুনিক বাংলা ভাষার লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধু কীভাবে গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত ‘বয়াতি’, ‘জারিয়াল’ বা ‘খেলোয়াড়’ কর্তৃক জারিগানের আসরে আত্তীকৃত হয়ে কতটা প্রাণবন্তভাবেই না গ্রামীণ আসরে পরিবেশিত হয়ে থাকে। উপস্থাপিত পাঠের ভেতর দিয়ে মূলত নৃত্য - গীত আশ্রিত জারিপালার আত্তীকৃত পাঠকে প্রত্যক্ষ করা যাবে। কিন্তু মনে রাখা দরকার যে, জারিগানের আসরে লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধু আত্তীকৃত হবার ইতিহাস হতে জানা যায় সাধারণত দুইভাবে আত্তীকৃত হয়ে বিষাদ - সিন্ধুর আখ্যান গ্রামীণ আসরে পরিবেশিত হয়ে আসছে। ক্ষেত্রসমীক্ষণে জারিগানের বয়াতিদের ভাষ্যমতে, জারিগানের আসরে বিষাদ - সিন্ধু প্রথমবারের মতো আত্তীকৃত হয়েছিল মূলত প্রতিযোগিতামূলক আসরে প্রশ্নোত্তরের একটি আকর্ষণীয় তথ্যনির্ভর উপাদান হিসেবে, দ্বিতীয়ত প্রতিযোগিতামূলক জারিগানের আসর হতেই পর্যায়ক্রমে বিষাদ - সিন্ধু গীত - নৃত্য আশ্রিত জারিপালায় প্রবেশ করে বয়াতিদের মুখে মুখে সৃজিত ছন্দের গাঁথুনিতে রূপান্তরিত হয়ে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বিষাদ - সিন্ধুর গদ্যরীতি জারিগানের সৃজনশীল বয়াতিদের দ্বারা ছন্দবদ্ধ গীতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে মূলত ‘ক্ষুদ্র পয়ার’ বা ‘দীর্ঘ পয়ার’ ছন্দগীত প্রযুক্ত হলেও তাতে বৈচিত্র্য প্রদান করে পালার পয়ারের পূর্বে এবং মধ্যে মধ্যে গীত দোহারদের দিশা - দোহার বা ধূয়া এবং ডাক। দিশা - দোহার বা ধূয়াতে বিচিত্র ছন্দের প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। মূলত দোহার - দিশাতেই বিচিত্র ছন্দ প্রয়োগ করা হয়, পালার পয়ারের প্রচলিত কাঠামোর ওপরে সাধারণত ত্রিপদী, চৌপদী ইত্যাদি ছন্দের আবরণ দিয়েই জারিগানে বৈচিত্র্য সৃজন করা হয়। জারিগানের আসরের নৃত্য - গীতের মধ্যে বৈচিত্র্য সৃজন করে দোহার - খোলোয়াড়দের মুখে উচ্চারিত আরেকটি উপাদান তা হলো ‘ডাক’।বিষাদ - সিন্ধু কেন্দ্রিক নৃত্য - গীত আশ্রিত জারিগানের আসরে লিখিত সাহিত্য এ উপন্যাসে নির্ধারিত প্রবাহ হতে কখনো মূলপাঠ আবার কখনো মূলপাঠের কথার কাট - ছাট উপস্থাপন করে তার আগে ও পরে ছন্দগীত আকারে জারিপালা পরিবেশন করে থাকেন। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কারবালাবিষয়ক কাব্য রচনায় কবি হায়াত মামুদ, ফকির গরীবুল্লাহ এবং সৈয়দ হামজা সর্বাপেক্ষা কৃতিত্বের পরিচয় দেন। মীর মশাররফ হোসেনের কাহিনীতে কবি হায়াত মামুদ ও ফকির গরীবুল্লাহ’র কাহিনীর সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। পূর্বসূরী ফকির গরীবুল্লাহ’র রচনা থেকে উপকরণ নিলেও বিষাদ - সিন্ধু গ্রন্থের কাহিনী - নির্বাচন, নির্মাণ ও চরিত্র সৃষ্টি মীর মশাররফের একান্ত নিজস্ব। [সাইমন জাকারিয়া]সুত্রঃ বাংলাপিডিয়া
'রোহিনী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
Correct Answer:
গ: কৃষ্ণকান্তের উইল
Explanation:
'রোহিনী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকান্তের উইল 'রোহিনী' চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে পাওয়া যায়। কৃষ্ণকান্তের উইল বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৮৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত।বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মসাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে, "সংবাদ প্রভাকর" পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে। বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) তাঁর লেখা। সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের পূর্ণ তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হলো: উপন্যাস প্রকাশকাল বিস্তারিত তথ্য Rajmohans Wife ১৮৬৪ বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস। এটি ১৮৬৪ সালে 'Indian Field' নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী মার্চ, ১৮৬৫ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস। রচনাকাল ১৮৬২ - ৬৪। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে উপন্যাসের তেরটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৯৩ সালে। কপালকুণ্ডলা ১৮৬৬ কাব্যিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস। মেদিনীপুর জেলার নেগুঁয়া মহকুমায় (বর্তমানে কাঁথি মহকুমা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা) অবস্থানকালে অর্জিত কিছু অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই উপন্যাস রচনা করেন বঙ্কিমচন্দ্র। সমালোচক মহলে উচ্চ - প্রশংসিত হয় এই উপন্যাস। মৃণালিনী ১৮৬৯ ঐতিহাসিক উপন্যাস। খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর পটভূমিতে রচিত। বিষবৃক্ষ ১৮৭৩ সামাজিক উপন্যাস। বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যা (বৈশাখ, ১২৭৯) থেকে ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়। মোট সংস্করণের সংখ্যা আট। সর্বশেষ সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৯২ সালে। ইন্দিরা ১৮৭৩ অনু - উপন্যাস। বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৭৯) ছোটোগল্প আকারে প্রকাশিত হয়। ১৮৭৩ সালে ৪৫ পৃষ্ঠার ক্ষুদ্র গ্রন্থাকারে প্রকাশিত। ১৮৯৩ সালে ১৭৭ পৃষ্ঠার একটি অনু - উপন্যাসের আকারে এই গ্রন্থের পঞ্চম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। যুগলাঙ্গুরীয় ১৮৭৪ ঐতিহাসিক অনু - উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (বৈশাখ, ১২৮০)। প্রথম সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৩৬। ১৮৯৩ সালে পঞ্চম তথা সর্বশেষ সংস্করণে পৃষ্ঠা সংখ্যা হয় ৫০। চন্দ্রশেখর ১৮৭৫ রোম্যান্সধর্মী উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (শ্রাবণ, ১২৮০ – ভাদ্র, ১২৮১)। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৮৯ সালে মুদ্রিত। রাধারাণী ১৮৮৬ অনু - উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (কার্তিক - অগ্রহায়ণ, ১২৮২)। ১৮৭৭ ও ১৮৮১ সালে উপন্যাস – অর্থাৎ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপন্যাস সংগ্রহ গ্রন্থে সংকলিত হয়। ১৮৮৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশের সময় পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৩৮। ১৮৯৩ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৬৫। রজনী ১৮৭৭ রোম্যান্সধর্মী উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (১২৮১ - ৮২)। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৮৭ সালে মুদ্রিত। কৃষ্ণকান্তের উইল ১৮৭৮ সামাজিক উপন্যাস। ১৮৮২ ও ১৮৮৪ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে চারটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯২ সালে মুদ্রিত। রাজসিংহ ১৮৮২ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৪ – ভাদ্র, ১২৮৫)। পত্রিকায় অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করে ১৮৮২ সালে ৮৩ পৃষ্ঠার প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৯০। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে চতুর্থ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা হয় ৪৩৪। আনন্দমঠ ১৮৮২ বঙ্কিমচন্দ্রের প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৭ – জ্যৈষ্ঠ, ১২৮৯)। - ১৮৯২ সালে মুদ্রিত। ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় স্তোত্র বন্দেমাতরম এই উপন্যাস থেকে গৃহীত। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় সন্যাসী বিদ্রোহের ছায়া অবলম্বনে রচিত। এই উপন্যাসে লেখকের দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে। দেবী চৌধুরাণী ১৮৮৪ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বিভিন্ন সময়ে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবিতকালে ছয়টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ সংস্করণ ১৮৯১ সালে মুদ্রিত। সীতারাম মার্চ, ১৮৮৭ ঐতিহাসিক উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্রের শেষ উপন্যাস। প্রচার পত্রিকায় (শ্রাবণ, ১২৯১ – মাঘ, ১২৯৩; মাঝে কয়েকমাসের বিরতি সহ) প্রকাশিত হয়। প্রথম সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৪১৯। তৃতীয় ও শেষ সংস্করণ বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় মুদ্রিত হলেও প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর অব্যবহিত পরে, ১৮৯৪ সালের মে মাসে। প্রবন্ধ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লোকরহস্য (১৮৭৪) বিজ্ঞান রহস্য (১৮৭৫) কমলাকান্তের দপ্তর (১৮৭৫) বিবিধ সমালোচনা (১৮৭৬) সাম্য (১৮৭৯) কৃষ্ণচরিত্র (১৮৮৬) বিবিধ প্রবন্ধ (১ম খন্ড - ১৮৮৭, ২য় খন্ড - ১৮৯২) ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন (১৮৮৮) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (১৯০২) তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ?
Correct Answer:
ঘ: ঘরে-বাইরে
Explanation:
কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ? সঠিক উত্তর ঘরে-বাইরে ঘরে - বাইরে উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।ঘরে বাইরে (উপন্যাস)ঘরে বাইরে (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস। এটি চলিত ভাষায় লেখা রবীন্দ্রনাথের প্রথম উপন্যাস। উপন্যাসটি সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে। স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত এই উপন্যাসে একদিকে আছে জাতিপ্রেম ও সংকীর্ণ স্বাদেশিকতার সমালোচনা, অন্যদিকে আছে সমাজ ও প্রথা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নারী পুরুষের সম্পর্ক; বিশেষত পরস্পরের আকর্ষণ - বিকর্ষণের বিশ্লেষণ।বিষয়বস্তু - ঘরে বাইরেস্বামী নিখিলেশের প্রতি অনুরাগ সত্ত্বেও এই কাহিনীর নায়িকা বিমলা বিপ্লবী সন্দীপের দ্বারা তীব্রভাবে আকর্ষিত। একদিকে বাইরে জাতীয় আন্দোলনের উত্তেজনা অন্যদিকে তিনটি মানুষের জীবনে টানাপোড়ন - রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবনের দ্বন্দ্ব এই দুই মিলে উপন্যাস।
রোহিণী- বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?
Correct Answer:
ঘ: কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
Explanation:
রোহিণী- বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত 'কৃষ্ণকান্তের উইল' - এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো ভ্রমর, রোহিণী, হরলাল ও গোবিন্দলাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'চোখের বালি'র প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র ও বিনোদিনী' শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত ' চরিত্রহীন' এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো সতীশ, সাবেত্রী কিরণময়ী ও দিবাকর।
কখনো উপন্যাস লেখেননি ----
Correct Answer:
গ: সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
Explanation:
কখনো উপন্যাস লেখেননি ---- সঠিক উত্তর সুধীন্দ্রনাথ দত্ত সুধীন্দ্রনাথ দত্ত(১৯০১ - ১৯৬০ খ্রি.) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি। তিনি অনেক কবিতা ও গদ্য রচনা করলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯ - ১৯৭৬ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো বাঁধনহহারা (১৯২৭) , মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) ও কুহেলিকা (১৯৩১) । পল্লীকবি জসীমউদ্দীন (১৯০৩ - ১৯৭৬খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো বোবা কাহিনী (১৯৬৪) । কবি ও কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮ - ১৯৭৪ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো সাড়া (১৯৩০) সানন্দা (১৯৩৩) ,নির্জন স্বাক্ষর (১৯৫১), তিথিডোর (১৯৫২), নীলাঞ্জনের খাতা (১৯৬০) ইত্যাদি।
'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে শীতল বাবুর স্ত্রীর নাম কি?
Correct Answer:
খ: যুগী
Explanation:
'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে শীতল বাবুর স্ত্রীর নাম কি? সঠিক উত্তর যুগী পদ্মানদীর মাঝি ঔপন্যাসিক মানিক বন্দোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পঠিত, আলোচিত ও একাধিক বিদেশী ভাষায় অনূদিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। প্রকাশকালের আনুমানিক হিসাবে পুতুলনাচের ইতিকথাকে তৃতীয় উপন্যাস ধরলে পদ্মানদীর মাঝি মানিক বন্দোপাধ্যায়ের চতুর্থ উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৩৪ সাল থেকে পূর্বাশা পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে এবং ১৯৩৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত হওয়ার পরে ভারতীয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভাষায় অনূদিত হওয়ার গৌরব লাভ করে এই উপন্যাসটি। ভারতের একাধিক প্রাদেশিক ভাষাসহ ইংরেজি, চেক, হাঙ্গেরিয়ান, রুশ, লিথুয়ানিয়ান, নরওয়েজিয়ান ও সুইডিশ ভাষায় এই উপন্যাসের অনুবাদ প্রকশিত হয়। এই উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে পদ্মানদীর মাঝি চলচ্চিত্রটি।
'চিলে কোঠার সেপাই' উপন্যাসের লেখক কে?
Correct Answer:
ঘ: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
Explanation:
'চিলে কোঠার সেপাই' উপন্যাসের লেখক কে? সঠিক উত্তর আখতারুজ্জামান ইলিয়াস চিলেকোঠার সেপাই বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা একটি উপন্যাস। এটি ছিলো তার প্রথম উপন্যাস। আশির দশকের শুরুতে রোববার নামীয় সাপ্তাহিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। ১৯৮৬ সালের অক্টোবর মাসে ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
খ: হাঙর নদী গ্রেনেড
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর হাঙর নদী গ্রেনেড মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হাঙর নদী গ্রেনেড। হাঙর নদী গ্রেনেড বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন রচিত একটি বাংলা ভাষার উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কালের যশোরের কালীগঞ্জ গ্রামের এক মায়ের সত্য ঘটনা অবলম্বনে সেলিনা হোসেন এই উপন্যাসটি রচনা করেন। ১৯৭২ সালে গল্পাকারে ঘটনাটি লিখেন এবং সমকালীন টেরেডাকটিল নামে তরুণদের একটি পত্রিকায় গল্পটি ছাপা হয়েছিল। পরে তিনি ১৯৭৪ সালে গল্পটিকে উপন্যাস আকারে লিখেন এবং ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
কাজী ইমদাদুল হক-এর ' আবদুল্লাহ' উপন্যাসের উপজীব্য কি?
Correct Answer:
গ: তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র
Explanation:
কাজী ইমদাদুল হক-এর ' আবদুল্লাহ' উপন্যাসের উপজীব্য কি? সঠিক উত্তর তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র ‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসটি লেখকের জীবদ্দশায় সম্পূর্ণ বা প্রকাশ হয়নি। তিনি এ উপন্যাসটি জীবনের শেষান্তে শুরু করলেও শেষ করে যেতে পারেননি। পরবর্তীতে তার খসড়ার ভিত্তিতে উপন্যাসটি সম্পূর্ণ করা হয় এবং তা ১৯৩২ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ১৯৬৮ সালে কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড (আজকের বাংলা একাডেমি) আবদুল কাদিরের সম্পাদনায় প্রকাশ করে 'কাজী ইমদাদুল হকের রচনাবলি'।
‘হাসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসটি কার লেখা?
Correct Answer:
খ: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
‘হাসুলী বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসটি কার লেখা? সঠিক উত্তর তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় হাঁসুলী বাঁকের উপকথা হল তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত একটি আঞ্চলিক উপন্যাস। প্রকাশ কাল ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ। উপন্যাসটি গ্রামীণ বাংলার জীবন, জমিদারী ব্যবস্থার বাস্তবতা (যা বাংলার সামাজিক বৈষম্যের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী ছিল) ও পাশাপাশি সময়ের সাথে সামাজিক ধারণার পরিবর্তনগুলিকে অন্বেষণ করে।
‘গৃহদাহ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
‘গৃহদাহ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গৃহদাহ, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি ১৯২০ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়। গৃহদাহ উপন্যাসে, তিনটি প্রধান চরিত্র রয়েছেঃ অচলা, মহিম ও সুরেশ।
‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটি কার লেখা?
Correct Answer:
ক: আবু ইসহাক
Explanation:
‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটি কার লেখা? সঠিক উত্তর আবু ইসহাক সূর্য দীঘল বাড়ী ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। ছায়াছবিটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। বিশিষ্ঠ গ্রন্থকার আবু ইসহাক এর ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত কালজয়ী (উপন্যাস) সূর্য দীঘল বাড়ী অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়। এটিই বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদান প্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রধান প্রধান চরিত্র গুলোতে অভিনয় করেছেন ডলি আনোয়ার, রওশন জামিল, জহিরুল হক, আরিফুল হক, কেরামত মাওলা, এ টি এম শামসুজ্জামান।
‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শওকত ওসমান
Explanation:
‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শওকত ওসমান ক্রীতদাসের হাসি বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি উপন্যাস। ১৯৬২ সালে তিনি এ উপন্যাসটি রচনা করেন। ১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন পাকিস্তানকে বর্বর স্বৈরশাসনের যাঁতাকলে আবদ্ধ করলো। এ সময় সব ধরনের - বাক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। তৎকালীন পাকিস্থানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের শাসন ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে এ উপন্যাস রচিত হয়। এ উপন্যাসের মূল চরিত্র তাতারী।
' উত্তম পুরুষ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: রশীদ করিম
Explanation:
' উত্তম পুরুষ' উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রশীদ করিম রশীদ করিমের একটি অন্যতম উপন্যাস হলো 'উত্তম পুরুষ' । ১৯৬১ সালে প্রকাশিত এ উপন্যাসটি নগরজীবনের বৈশিষ্ট্য অবলম্বনে রচিত। তার অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে। প্রসন্ন পাষাণ (১৯৬৩) , আমার যত গ্লানি (১৯৭৩) , মায়ের কাছে যাচ্ছি - ইত্যাদি। শওকত ওসমান রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - জননী (১৯৬৮) ,ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২) , জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭১) ইত্যাদি। জহির রায়হান রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - হাজার বছর ধরে (১৯৬৪), আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮) , বরফ গলা নদী (১৯৬৯) ইত্যাদি। শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - সারেং বউ (১৯৬২) ও সংশপ্তক (১৯৬৫)।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?
Correct Answer:
ক: শেষের কবিতা
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস? সঠিক উত্তর শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - বৌ ঠাকুরাণীর হাট (১৮৮৩), রাজর্ষি (১৮৮৩), চোখের বালি (১৯০৩) , নৌকাডুবি (১৯০৬) , গোরা (১৯১০) , চতুরঙ্গ (১৯১৬), ঘরে বাইরে (১৯১৬) , যোগাযোগ (১৯২৯) , শেষের কবিতা (১৯২৯) ইত্যাদি।
' রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: আনোয়ার পাশা
Explanation:
' রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আনোয়ার পাশা বিশিষ্ট কবি, কথাসাহিত্যিক , সমালোচক ও শিক্ষাবিদ আনোয়ার পাশা (১৯২৮ - ১৯৭১ খ্রি) রচিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস হলো 'রাইফেল রোটি আওরাত' (১৯৭৩) । তার রচিত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - 'নীড় সন্ধানী' (১৯৬৮) এবং 'নিষুতি রাতের গাধা' (১৯৬৯)। বিশিষ্ট কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান (১৯৩৫ - ১৯৭২ খ্রি) রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - 'হাজার বছর ধরে' (১৩৭১) , 'আরেক ফাল্গুন' (১৩৭৫) , 'বরফগলা নদী' (১৩৭৬) , 'শেষ বিকেলের মেয়ে ' (১৩৬৭) ইত্যাদি। সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সার (১৯২৭ - ১৯৭১ খ্রি) রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - সারেং বৌ ' (১৯৬২) , ' সংশপ্তক ' (১৯৬৫) ইত্যাদি।
' কাশবনের কন্যা' কোন জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
খ: উপন্যাস
Explanation:
' কাশবনের কন্যা' কোন জাতীয় রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস ঔপন্যাসিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত অন্যতম উপন্যাস 'কাশবনের কন্যা' । এটি জেলে সম্প্রদায়ের জীবনভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত (গ্রন্থাকারে) উপন্যাসটিতে বরিশাল অঞ্চলের মুখের ভাষা ও জীবনবোধ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
Correct Answer:
ক: পথের দাবী
Explanation:
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল? সঠিক উত্তর পথের দাবী বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮ খ্রি) রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় । তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - পরিণীতা (১৯১৪), বিরাজ বৌ (১৯১৪) ,বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬) ,দেবদাস (১৯১৭) চরিত্রহীন (১৯১৭) , শ্রীকান্ত (১ম পর্ব - ১৯৩৩) ,দত্তা (১৯১৮) , গৃহদাহ (১৯২০) ,দেনাপাওনা (১৯২৩) ,শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ,বিপ্রদাস (১৯৩৫) নিস্কৃতি ইত্যাদি।
' পথের দাবি' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
' পথের দাবি' উপন্যাসের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের 'পথের দাবি' ১৯২৬ সালে প্রকাশিত রাজনৈতিক পটভূমিতে লিখিত উপন্যাস, যা তৎকালীন সময়ে রাজরোষে বাজেয়াপ্ত ও হয়েছিল। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো 'পরিণীতা' (১৯১৪), 'বিরাজ বৌ' (১৯১৪) , 'বৈকুণ্ঠের উইল' (১৯১৬) , 'দেবদাস' (১৯১৭), 'চরিত্রহীন' (১৯১৭) , 'শ্রীকান্ত' (১ম পর্ব - ১৯১৭), ২য় পর্ব ১৯১৮ , ৩য় পর্ব ১৯২৭), ৪র্থ পর্ব ১৯৩৩) ,'শেষ প্রশ্ন' (১৯৩১) 'বিপ্রদাস' (১৯৩৫) ।
'শেষের কবিতা' পুস্তকটি কোন শ্রেণীর সাহিত্যকর্ম?
Correct Answer:
ঘ: উপন্যাস
Explanation:
'শেষের কবিতা' পুস্তকটি কোন শ্রেণীর সাহিত্যকর্ম? সঠিক উত্তর উপন্যাস ঔপন্যাসিক , কবি, প্রাবন্ধিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত জীবনের শেষ পর্যায়ের উপন্যাস শেষের কবিতা। এ উপন্যাসে দেখানো হয়েছে পুরুষ বা নারীর পক্ষে একসাথে দু'জনকে অবিরোধে ভালোবাসা সম্ভব এবং এ ভালোবাসা একপাত্র সম্পর্কিত , অপরপাত্র নিঃসম্পর্কিত।
'শেষের কবিতা' কি জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
ঘ: উপন্যাস
Explanation:
'শেষের কবিতা' কি জাতীয় রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত জীবনের শেষ পর্যায়ের উপন্যাস শেষের কবিতা। উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিস্ময়কর সৃষ্টি।
'জাহান্নাম হতে বিদায়'-উপন্যাসটি লেখক কে?
Correct Answer:
গ: শওকত ওসমান
Explanation:
'জাহান্নাম হতে বিদায়'-উপন্যাসটি লেখক কে? সঠিক উত্তর শওকত ওসমান 'জাহান্নাম হতে বিদায়' উপন্যাসটির লেখক শওকত ওসমান। ও উপন্যাসে তিনি নিয়ে এসেছেন পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর অত্যাচারের মিত্র। সেই সঙ্গে পাকিস্তানীদের বর্বরতা,মানুষের অসহায়ত্ব এবং আমাদের প্রতিরোধের চিত্র এঁকেছেন।
বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
Correct Answer:
গ: আরেক ফাল্গুন
Explanation:
বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস কোনটি? সঠিক উত্তর আরেক ফাল্গুন বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ১৯৫৫ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাস রচনা করেন। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন, ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, তাদের প্রেম - প্রণয় ইত্যাদি উপন্যাসটির মূল বিষয়।
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি
Correct Answer:
ক: মৃত্যুক্ষুধা
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি সঠিক উত্তর মৃত্যুক্ষুধা ‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস। এখানে ময়মনসিংহের ত্রিশাল গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আলেয়া, ঝিলিমিলি ও মধুমালা তার উল্লেখযোগ্য নাট্যগ্রন্থ ।