Branch of Bengali literature MCQs
Showing 43 questions (Total: 93)
আরব দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় কোন দেশ?
Correct Answer:
খ: ইরাক
Explanation:
আরব দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় কোন দেশ? সঠিক উত্তর ইরাক ব্যাখ্যা : আরব ভূখন্ডের দেশ হিসাবে প্রথম ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ৮ জুলাই ১৯৭২ এবং প্রথম মুসলিম দেশ হিসাবে সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে । মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩, কুয়েত স্বীকৃতি দেয় ৪ নভেম্বর ১৯৭৩ । উল্লেখ্য, বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ভারত (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১) ।
ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
Correct Answer:
খ: হাজী শরিয়তউল্লাহ
Explanation:
ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন? সঠিক উত্তর হাজী শরিয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলন হলো একটি ও রাজনৈতিক আন্দোলন ১৯ শতকের প্রথম দিকে সূচিত হয়ে ছিলো। ফরায়েজি আন্দোলনের মুখপাত্র ছিলেন বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক হাজী শরীয়তুল্লাহ। ইসলামের অবশ্য করণীয় কাজকে বলে 'ফরজ'। এই 'ফরজ' শব্দ থেকেই 'ফরায়েজি' এসেছে। ফরাজী আন্দোলন ধর্মীয় সংস্কারের উদ্দেশ্যে সূচিত হলেও পরবর্তীতে এটি কৃষকদের আন্দোলনে রূপ লাভ করে। হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরিদপুর ও তার আশে পাশের অঞ্চলে সংগঠিত এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। [১] ধর্মীয় সংস্কারের পাশপাশি কৃষকদের জমিদার, নীলকরদের অত্যাচার ও শোষন হতে মুক্ত করা ছিল এই আন্দোলনের লক্ষ্য। [২] হাজী শরিয়তুল্লাহ - র মৃত্যুর পর তার পুত্র দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
ক্যালকুলাস কে আবিষ্কার করেন?
Correct Answer:
খ: নিউটন
Explanation:
ক্যালকুলাস কে আবিষ্কার করেন? সঠিক উত্তর নিউটন ক্যালকুলাস গণিতের একটি শাখা যেখানে সীমা, অন্তরকলন, সমাকলন ও অসীম শ্রেণী নিয়ে আলোচনা করা হয়। ক্যালকুলাস শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ "নুড়িপাথর"। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রেই ক্যালকুলাস একটি বাধ্যতামূলক বিষয়। মূলত হসডর্ফ তৌকীর,আইজ্যাক নিউটন ও গটফ্রেড লিবনিজকে এই বিদ্যার জনক বলা হয়। বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে ক্যালকুলাসের ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। প্রাথমিক বীজগণিত দিয়ে যেসব জটিল ও বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, সেগুলি সমাধান করতে ক্যালকুলাস কাজে লাগানো হয়। ক্যালকুলাস বিশ্লেষণী জ্যামিতি ও বিশ্লেষণ গণিত শাখার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। অন্তরকলন এবং সমাকলন ক্যালকুলাসের দুইটি প্রধান শাখা। এই দুই শাখা ক্যালকুলাসের মৌলিক উপপাদ্য দিয়ে পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থাপতি কে?
Correct Answer:
খ: হামিদুর রহমান
Explanation:
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থাপতি কে? সঠিক উত্তর হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থাপতি হামিদুর রহমান। হামিদুর রহমান (জন্ম: ১৯২৮ - মৃত্যু: নভেম্বর ১৯, ১৯৮৮) ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী। তিনিই ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিমাখা শহীদ মিনারের নকশা করেন। ১৯৮০ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন।
”একুশে ফেব্রুয়ারি” প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে?
Correct Answer:
ঘ: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
”একুশে ফেব্রুয়ারি” প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান ”একুশে ফেব্রুয়ারি” প্রথম সংকলনের সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান। হাসান হাফিজুর রহমান (জুন ১৪, ১৯৩২ – এপ্রিল ১, ১৯৮৩) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ জামালপুর জেলার অন্তর্গত কুলকান্দি গ্রামে বাস করতেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের দলিল সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অবদান রাখেন। একুশের চেতনার উপর ভিত্তি করে তার কবিতা অমর একুশে প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালেই। এটি সহ আরও কিছু লেখা একত্রিত করে ১৯৫৩ সালে তিনি তাঁর প্রথম বই একুশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করেন।
'কৃষ্ণকান্তের উইল'র রোহিনী আত্নহত্যা করতে চেয়েছিল কেন?
Correct Answer:
ঘ: স্বীয় ব্যার্থ যৌবনের হাহাকারে
Explanation:
'কৃষ্ণকান্তের উইল'র রোহিনী আত্নহত্যা করতে চেয়েছিল কেন? সঠিক উত্তর স্বীয় ব্যার্থ যৌবনের হাহাকারে "কৃষ্ণকান্তের উইল" উপন্যাসটির রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এ উপন্যাসের মুখ্য চরিত্র হলো - রোহিণী। রোহিণী - জমিদার পুত্র গোবিন্দলালকে ভালোবাসতো। গোবিন্দলালের স্ত্রী ভ্রমর ছিল কৃষ্ণকায়। রোহিণী গোবিন্দলালকে ভালোবেসে "স্বীয় ব্যর্থ যৌবনের হাহাকারে জলে ডুবে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে গোবিন্দলালই তাকে উদ্ধার করে।
'মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংস্করণের দলিলপত্র' কে সম্পাদনা করেন?
Correct Answer:
ঘ: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
'মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংস্করণের দলিলপত্র' কে সম্পাদনা করেন? সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান 'মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংস্করনের দলিলপত্র' হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদন করেন। কবি, সমালোচক ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংস্করনের দলিলপত্র ১৫ খন্ডে সম্পাদনা করেন।
সাংস্কৃতিক সংগঠন 'উদীচীর' প্রতিষ্ঠাতা কে?
Correct Answer:
ক: সত্যেন সেন
Explanation:
সাংস্কৃতিক সংগঠন 'উদীচীর' প্রতিষ্ঠাতা কে? সঠিক উত্তর সত্যেন সেন সত্যেন সেন সাংস্কৃতিক সংগঠন 'উদীচীর' প্রতিষ্ঠাতা। সত্যেন সেন ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে উদীচী প্রতিষ্ঠা করেন।
পর কে পালন করে যে-
Correct Answer:
খ: পরভৃৎ
Explanation:
পর কে পালন করে যে- সঠিক উত্তর পরভৃৎ পরকে পালন করে যে - পরভৃৎ পরের উপকার করে যে - পরোপকারী অন্য জীবের উপর বাস করে যে জীব - পরজীবী। অন্যের কাছে আশ্রয় গ্রহণ করে যে - পরাশ্রয়ী। তাই সঠিক উত্তর - পরভৃৎ।
চলিত রীতির প্রবর্তন করেন কে?
Correct Answer:
খ: প্রমথ চৌধুরী
তোমাকে পাবার জন্যে হে স্বাধীনতা - এ পংক্তিটি কার ?
Correct Answer:
ক: শামসুর রাহমান
Explanation:
তোমাকে পাবার জন্যে হে স্বাধীনতা - এ পংক্তিটি কার ? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান 'তোমাকে পাবার জন্য হে স্বাধীনতা' - - পংক্তিটি শামসুর রাহমানের। তার আরেকটি বিখ্যাত পংক্তি - - "তোমার মুখের দিকে আজ আর যায় না তাকনো, বর্ণমালা, আমার দুঃখীনী বর্ণমালা। "
'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' কোন জাতীয় শিল্পকর্ম ?
Correct Answer:
গ: প্রহসন
Explanation:
'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' কোন জাতীয় শিল্পকর্ম ? সঠিক উত্তর প্রহসন 'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' প্রহসন জাতীয় শিল্পকর্ম। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত (২৫ জানুয়ারি ১৮২৪ – ২৯ জুন ১৮৭৩) ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার এবং প্রহসন রচয়িতা। তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবেও তিনি পরিচিত। তার উল্লেখযোগ্য প্রহসন সম্পাদনা: বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ ১৮৬০, একেই কি বলে সভ্যতা ১৮৬০।
'ভোরের পাখি' কাকে বলা হয়?
Correct Answer:
ক: বিহারীলাল চক্রবর্তীকে
Explanation:
'ভোরের পাখি' কাকে বলা হয়? সঠিক উত্তর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলা হয় বিহারীলাল চক্রবর্তীকে। বিহারীলাল চক্রবর্তী (২১ মে, ১৮৩৫ - ২৪ মে, ১৮৯৪) বাংলা ভাষার কবি। বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি - কবি হিসেবে তিনি সুপরিচিত। রবীন্দ্রনাথ তাকে বাঙলা গীতি কাব্য - ধারার 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন। তার সব কাব্যই বিশুদ্ধ গীতিকাব্য। মনোবীণার নিভৃত ঝংকারে তার কাব্যের সৃষ্টি। বাঙালি কবি মানসের বহির্মুখী দৃষ্টিকে অন্তর্মুখী করার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য।
ব্যাখ্যার মাধ্যমে ভাবকে সহজ করে তোলার নামই হচ্ছে ----
Correct Answer:
গ: ভাবসম্প্রসারণ
Explanation:
ব্যাখ্যার মাধ্যমে ভাবকে সহজ করে তোলার নামই হচ্ছে ---- সঠিক উত্তর ভাবসম্প্রসারণ প্রতিটি ভাষায়ই এমন কিছু বাক্য রয়েছে যেগুলোতে লুকিয়ে আছে গভীর ভাব। কবি, সাহিত্যিক, মনীষীদের রচনা কিংবা হাজার বছর ধরে প্রচলিত প্রবাদ প্রবচনে নিহিত থাকে জীবনসত্য। এ ধরনের গভীর ভাব ব্যাখ্যার মাধ্যমে ভাবকে সহজভাবে বুঝিয়ে দেওয়াকে বলে ভাবসম্প্রসারণ।
ইহলোকে যা সামান্য নয় -
Correct Answer:
ক: অলোকসামান্য
Explanation:
ইহলোকে যা সামান্য নয় - সঠিক উত্তর অলোকসামান্য ইহলোকে যা সামান্য নয় - আলোকসামান্য; যার সাধারণের মধ্যে যায় না এমন - অনন্য সাধারণ।
মাইকেল মুধূসূদন দত্তের প্রহসন-
Correct Answer:
খ: একেই কি বলে সভ্যতা
Explanation:
মাইকেল মুধূসূদন দত্তের প্রহসন- সঠিক উত্তর একেই কি বলে সভ্যতা মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রহসন ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ (১৮৫৯) ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ (১৮৫৯)। ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ প্রহসন তৎকালীন নব্যবঙ্গীয় সম্প্রদায়ের সুরা পান এবং ইংরেজ অনুকরণের প্রতি ব্যঙ্গ করা হয়েছে।
”অন্যপুষ্ট” কোন পাখিকে বলা হয়?
Correct Answer:
খ: কোকিল
Explanation:
”অন্যপুষ্ট” কোন পাখিকে বলা হয়? সঠিক উত্তর কোকিল 'অন্যপুষ্ট' কোকিল পাখিকে বলা হয়। মিষ্টি সুরের অধিকারী কোকিল। এর নিজস্ব কোনো বাসা নেই। এরা কাকের বাসায় বাস করে।
শূন্যস্থান পূরণ : 'কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন --- তুলিতে।'
Correct Answer:
গ: কমল
Explanation:
শূন্যস্থান পূরণ : 'কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন --- তুলিতে।' সঠিক উত্তর কমল কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে, দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? ~কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার পদ্মকে তুলতে গিয়ে কাঁটার ভয় করলে চলবে না। কাঁটার ভয়ে বা কাঁটার আঘাতে যদি কেউ পদ্ম তুলতে না যায়, তাহলে তার পক্ষে পদ্ম আহরণ সম্ভব হবে না। তেমনি দুঃখকে বাদ দিয়ে জীবনে সুখের আশা করা যায় না। একটিকে চাইতে গেলে অপরটিকে মেনে নিতে হয়। ভাল - মন্দ, সুখ - দুঃখ জয় - পরাজয় ইত্যাদি নিয়েই আমাদের জীবন। একটি অপরটির পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। দুঃখকে বাদ দিলে জীবনে সুখের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়।
”পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?” -উদ্ধৃতাংশের পথিক কে?
Correct Answer:
খ: নবকুমার
Explanation:
”পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?” -উদ্ধৃতাংশের পথিক কে? সঠিক উত্তর নবকুমার ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত এ উক্তিটি কপালকুন্ডলা উপন্যাসের। উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র কপালকুন্ডলা নায়ক নবকুমারকে বনে দেখে উক্তিটি করেন। নবকুমারকে বাঘে খেয়েছে। তারা নদীর ধারের নির্জন বনে নবকুমারকে রেখে বাড়ি ফিরেছিল। আর নবকুমার বনে বনে ঘুরতে ঘুরতে সহসা এ প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। প্রশ্ন করেছিল উপন্যাসের নায়িকা কপালকুন্ডলা।
”সবুজপত্র” সম্পাদনা করেন কে?
Correct Answer:
ক: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
”সবুজপত্র” সম্পাদনা করেন কে? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘সবুজপত্র’ বাংলা সাময়িকপত্রের ইতিহাসে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রমথ চৌধুরী বীরবলী রীতি নামে যে মৌখিক ভাষারীতি সাহিত্যে প্রচলন করে যুগান্তর এনেছিলেন তার প্রচারের মাধ্যম ছিল এ সবুজপত্র।
বাউল মতের প্রতি শিক্ষিত মহলকে উৎসুক করে তোলেন কে ?
Correct Answer:
ক: লালন ফকির
Explanation:
বাউল মতের প্রতি শিক্ষিত মহলকে উৎসুক করে তোলেন কে ? সঠিক উত্তর লালন ফকির বাংলার পল্লীগীতির একটি বিশেষধারার নাম বাউলগান। পন্ডিতদের মতে, সতেরো শতকে বাংলাদেশে বাউল মতের উদ্ভব হয়েছে। তবে বাউল মত সতেরো শতকে জন্ম নিলেও উনিশ শতকে শ্রেষ্ঠ বাউল সাধক লালন ফকির শিক্ষিত মহলে একে জনপ্রিয় করে তোলেন।
”আমার সন্তান যে থাকে দুধে ভাতে”- এই প্রার্থনা কার?
Correct Answer:
ঘ: ঈশ্বরী পাটানী
Explanation:
”আমার সন্তান যে থাকে দুধে ভাতে”- এই প্রার্থনা কার? সঠিক উত্তর ঈশ্বরী পাটানী আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে " - - এই উক্তিটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের। এটি " অন্নদামঙ্গল " কাব্যের অন্তর্ভুক্ত। উক্তিটি করেন ঈশ্বরী পাটনী।
’আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’- এ প্রার্থনাটি করেছেন-
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরী পাটনী
Explanation:
’আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’- এ প্রার্থনাটি করেছেন- সঠিক উত্তর ঈশ্বরী পাটনী ’আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’ - এ প্রার্থনাটি করেছেন - ঈশ্বরী পাটনী। আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে” – এই বিখ্যাত পঙক্তিটি কার রচনা? রায়গুনাকর ভারত চন্দ্র রায়ের বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল - এ প্রধান চরিত্র ঈশ্বরী পাটনী এই কথা বলেছিল ছদ্মবেশী দেবী অন্নপূর্ণা কে।
’একুশে ফেব্রুয়ারি’ প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে?
Correct Answer:
ঘ: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
’একুশে ফেব্রুয়ারি’ প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান ’একুশে ফেব্রুয়ারি’ প্রথম সংকলনের সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান। হাসান হাফিজুর রহমান (জুন ১৪, ১৯৩২ – এপ্রিল ১, ১৯৮৩) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ জামালপুর জেলার অন্তর্গত কুলকান্দি গ্রামে বাস করতেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের দলিল সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অবদান রাখেন। একুশের চেতনার উপর ভিত্তি করে তার কবিতা অমর একুশে প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালেই। এটি সহ আরও কিছু লেখা একত্রিত করে ১৯৫৩ সালে তিনি তাঁর প্রথম বই একুশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করেন।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান কে ছিলেন?
Correct Answer:
খ: উইলিয়াম কেরি
Explanation:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান কে ছিলেন? সঠিক উত্তর উইলিয়াম কেরি ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে 'বাংলা বিভাগ ' চালু করা হয়। ১৮০১ সালের মে মাসে উইলিয়াম কেরি 'বাংলা বিভাগের'' অধ্যাপক ও প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন। তার রচনা - ইতিহাসমালা, কথোপকথন।
ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে-
Correct Answer:
খ: জিতেন্দ্রিয়
Explanation:
ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে- সঠিক উত্তর জিতেন্দ্রিয় ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে - জিতেন্দ্রিয়। জিতেন্দ্রিয় শব্দের অর্থ - সংযম,সংযত, প্রশান্ত ইত্যাদি।জিতেন্দ্রিয় শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ।
'নিকেতন'
Correct Answer:
ক: গৃহ
Explanation:
'নিকেতন' সঠিক উত্তর গৃহ নিকেতন = গৃহ, আলয়, নিবাস, আবাস, আশ্রয়, নিলয়, ভবন , সদন, বাড়ি, বাটী, বাসস্থান
'এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত'
Correct Answer:
গ: একাদিক্রমে
Explanation:
'এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত' সঠিক উত্তর একাদিক্রমে এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত - একাদিক্রমে।
কম্পিউটার বাংলা ফন্টের উদ্ভাবক কে?
Correct Answer:
ক: মোস্তফা জব্বার
Explanation:
কম্পিউটার বাংলা ফন্টের উদ্ভাবক কে? সঠিক উত্তর মোস্তফা জব্বার কম্পিউটারের বাংলা ফ্রন্টের জনক - মোস্তফা জব্বার। কম্পিউটারের বাংলা কী বোর্ড হলো বিজয়। বিজয় কী - বোর্ড হলো মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ম্যাক ও এস এবং লিনাক্স এ গ্রাফিক্যাল লে আউট পরিবর্তক এবং ইউনিকোড ও এএনএসআই সমর্থিত বাংলা লেখার সফটওয়্যার। এটি আবিষ্কার ও এর উন্নয়ন সাধনের পেছনে মূল অবদান মোস্তফা জব্বার নামক ব্যক্তির।
’আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ এই প্রার্থনাটি করেছে :
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরী পাটনী
Explanation:
’আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ এই প্রার্থনাটি করেছে : সঠিক উত্তর ঈশ্বরী পাটনী ইতোপূর্বে শব্দটি শুদ্ধ।
’কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন ............. তুলিতে’
Correct Answer:
গ: কমল
Explanation:
’কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন ............. তুলিতে’ সঠিক উত্তর কমল কাটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? উপরোক্ত লাইন দুটির রচয়িতা কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। উল্লেখিত লাইন দুটির মূল কথা হচ্ছে - অনায়াসে লব্ধ জিনিসের চেয়ে কষ্টে লাভ করা জিনিসের মূল্য অনেক। কঠিন বাস্তবতার পথা পাড়ি দিয়ে সাফল্যের স্বর্ণশিখরে যে আরোহণ করতে পারে, সেই পায় প্রকৃত জীবনের আস্বাদ।
আমি ..........., আমি এলোকেশে ঝড় অকাল বৈশাখীর। আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব-বিধাত্রীর।
Correct Answer:
ঘ: ধূর্জটি
Explanation:
আমি ..........., আমি এলোকেশে ঝড় অকাল বৈশাখীর। আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব-বিধাত্রীর। সঠিক উত্তর ধূর্জটি আমি ধূর্জটী, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল - বৈশাখীর আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী - সুত বিশ্ব - বিধাতৃর ! বল বীর - চির - উন্নত মম শির! " বিদ্রোহী " কাজী নজরুল ইসলাম
মা শিশুকে ভাত খাওয়াচ্ছেন। এখানে ‘শিশু’ কে-
Correct Answer:
ঘ: প্রযোজ্য কর্তা
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সর্বাধিক গ্রহনযোগ্য
Correct Answer:
ঘ: দুই যুগের মিলনকারী
Explanation:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সর্বাধিক গ্রহনযোগ্য সঠিক উত্তর দুই যুগের মিলনকারী ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষনের কবি। ১৮০১ সালে বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা হলেও ১৮৬১ সালে মেঘানাদবধ কাব্য রচনার পূর্ব পর্যন্ত আধুনিকতা আরম্ভ হয়নি। মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র ও আধুনিক যুগের প্রথম কবি মাইকেল মধুসূদন। সঠিক উত্তর - দুই যুগের মিলনকারী।
কে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন?
Correct Answer:
খ: রামরাম বসু
Explanation:
কে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন? সঠিক উত্তর রামরাম বসু তৎকালীন ইংরেজশাসিত ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক ১৮০০ সালের ৪ মে ফাের্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮০১ সালে এ কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয়। এ কলেজের শিক্ষকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন রামরাম বসু, উইলিয়াম কেরি, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। রামরাম বসু রচিত দুটি গ্রন্থ: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র', 'লিপিমালা'। উইলিয়াম কেরি রচিত দুটি গ্রন্থ 'কথোপকথন' ও 'ইতিহাসমালা'। মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: 'বত্রিশ সিংহাসন', 'হিতোপদেশ', 'রাজাবলি'। অন্যদিকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কারক ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা। তার আর্থিক সহযোগিতায় ও অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় ১৮৪৩ সালে 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা প্রকশিত হয়।
’চন্দরা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
’চন্দরা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শাস্তি' গল্পের প্রধান চরিত্র 'চন্দরা' । তার ছোটগল্পের বিখ্যাত আরো কয়েকটি চরিত্র: ফটিক (ছুটি) , রতন (পোস্টমাস্টার) মৃন্ময়ী (সমাপ্তি) চারু (নষ্টনীড়) , সুরবালা (একরাত্রি) , কাদম্বিনী (জীবিত ও মৃত) , রহমত ও খুকী (কাবুলিওয়ালা) , কল্যাণী (অপরিচিতা) , অপু (হৈমন্তী) ।
পবিত্র কুরআন প্রথম কে বাংলায় অনুবাদ করেন?
Correct Answer:
গ: গিরিশচন্দ্র সেন
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দলিল সংকলন ও সম্পাদনা কে করেছেন ?
Correct Answer:
ক: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দলিল সংকলন ও সম্পাদনা কে করেছেন ? সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দলিল সংকলন ও সম্পাদনা করেছেন। তার আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংকলন।
'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' প্রবচনটি বোঝায়-
Correct Answer:
গ: বুড়োর ভীমরতি
বুকে ভর দিয়ে চলে যে প্রাণী
Correct Answer:
খ: উরগ
'মৈমনসিংহ গীতিকা' কে সম্পাদনা করেছেন?
Correct Answer:
ক: ড. দীনেশচন্দ্র সেন
Explanation:
'মৈমনসিংহ গীতিকা' কে সম্পাদনা করেছেন? সঠিক উত্তর ড. দীনেশচন্দ্র সেন ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ সম্পাদনা করেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন। বৃহত্তর ময়মনসিংহের ব্রক্ষপুত্রনদের পূর্বাংশে নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর, বিল, নদ - নদী প্লাবিত ভাটি অঞ্চলে যে গীতিকা বিকশিত হয়েছিল তা ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ নামে পরিচিত।
”বাকের ভাই” চরিত্রটি আমরা কোথায় দেখতে পাই?
Correct Answer:
গ: টিভি সিরিয়াল “কোথাও কেউ নেই”-তে
Explanation:
”বাকের ভাই” চরিত্রটি আমরা কোথায় দেখতে পাই? সঠিক উত্তর টিভি সিরিয়াল “কোথাও কেউ নেই”-তে 'বাকের ভাই' চরিত্রটি আমরা টিভি সিরিয়াল 'কোথাও কেউ নেই' - তে দেখতে পাই । এটি প্রখ্যাত নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদের 'কোথাও কেউ নেই' ধারাবাহিক নাটকের একটি চরিত্র । চরিত্রটিতে অভিনয় করেন বরেণ্য অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর।
বিধবাবিবাহ রহিতকরণ বিষয়ে কে কলমযুদ্ধ শুরু করেন?
Correct Answer:
ঘ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
[ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির তৎকালীন বড়লাট লর্ড ডালহৌসি আইন প্রণয়ন করে বিধবা বিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেন। ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই আইন প্রণয়ন করা হয়। রাজকৃষ্ণ বন্দোপাধ্যায় এর বাড়িতে ১৮৫৬ সালের ৭ ডিসেম্বর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উপস্থিতিতে প্রথম বিধবা বিবাহ সম্পন্ন হয়।]