Bengali literary and literary works MCQs
Showing 50 questions (Total: 296)
"অন্যপুষ্ট" কোন পাখিকে বলা হয়?
Correct Answer:
ক: কোকিল
Explanation:
"অন্যপুষ্ট" কোন পাখিকে বলা হয়? সঠিক উত্তর কোকিল কোকিল - অন্যপুষ্ট, অন্যভৃত, পরভৃত, পিক; দোয়েল - সমধুর গায়ক পাখিবিশেষ (বাংলাদেশের জাতীয় পাখি) কাক - বায়স; ময়ূর - শিখী, কলাপী, বর্হী, শিখন্ডী।
' মানবজীবন', 'মহৎজীবন', 'উন্নতজীবন'- প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা- ---
Correct Answer:
গ: মোঃ লুৎফর রহমান
Explanation:
' মানবজীবন', 'মহৎজীবন', 'উন্নতজীবন'- প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা- --- সঠিক উত্তর মোঃ লুৎফর রহমান মোহাম্মদ লুৎফর রহমান (১৮৮৯ - ১৯৩৬) ছিলেন একজন বাঙালি সাহিত্যিক, সম্পাদক ও সমাজকর্মী। তিনি 'ডাক্তার মোহাম্মদ লুৎফর রহমান' হিসেবে সমধিক পরিচিত। নারী সমাজের উন্নতির জন্য নারীতীর্থ নামে একটি সেবা প্রতিষ্ঠান গঠন এবং নারীশক্তি নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন তিনি এবং একজন চিন্তাশীল ও যুক্তিবাদী প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন।
কোন বিখ্যাত সাহিত্যিক ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকায় পোস্ট মাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন?
Correct Answer:
খ: দ্বীনবন্ধু মিত্র
Explanation:
কোন বিখ্যাত সাহিত্যিক ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকায় পোস্ট মাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন? সঠিক উত্তর দ্বীনবন্ধু মিত্র দীনবন্ধু মিত্র ১৮৫৫ সালে ১৫০টাকা বেতনে পটনায় পোস্টমাস্টার নিযুক্ত হন। ক্রমে তার পদোন্নতি হয় এবং তিনি ওড়িশা, নদিয়া ও ঢাকা বিভাগে এবং পরে কলকাতায় সুপারিনটেন্ডেন্ট পোস্টমাস্টার নিযুক্ত হন। লুসাই যুদ্ধের সময় ডাকবিভাগের কাজে তিনি কাছাড়ে প্রেরিত হন। এই সময় তার তদারকি কর্মে সন্তুষ্ট হয়ে সরকার তাকে রায়বাহাদুর উপাধি দান করেন। যদিও ডাকবিভাগের উচ্চস্তরের কর্মচারী হয়েও উপযুক্ত বেতন তিনি পাননি।
' কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়' এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা------
Correct Answer:
ক: লালন শাহ
Explanation:
' কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়' এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা------ সঠিক উত্তর লালন শাহ লালন (জন্ম: ১৭৭২ খ্রি. - মৃত্যু: ১৭ অক্টোবর, ১৮৯০ খ্রি.) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালি; যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক। তিনি অসংখ্য গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন।
পদাবলী লিখেছেন-
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
পদাবলী লিখেছেন- সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাধা - কৃষে।ঞর জীবন অবলম্বন করে যে ধারনাটিসবাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে সেটা হলো পদাবলী বা পদাবলী কাব্য । প্রশ্নে উল্লিখিত চারজনের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই পদাবলীর রচনা করেছেন, যার নাম ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, যা তিনি ব্রজবুলি ভাষায় রচনা করেন । বৈষ্ঞব পদাবলীর সৌন্দার্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি এটি রচনা করেন । পদাবলীর প্রধান কবিদের মধ্যে রয়েছেন - বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস প্রমূখ ।
কোন সাহিত্যিক ' ব্যাঙাচি' ছদ্মনামে লিখতেন?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
কোন সাহিত্যিক ' ব্যাঙাচি' ছদ্মনামে লিখতেন? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম ছদ্মনামছদ্মনাম কোনো ব্যক্তি বা ক্ষেত্রবিশেষে কোনো গোষ্ঠীর স্বগৃহীত ও স্বব্যবহৃত কাল্পনিক নাম।ছদ্মনাম ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখা। শুধুমাত্র লেখকেরাই ছদ্মনাম ব্যবহার করেন না, গ্র্যাফিটি শিল্পী, প্রতিবাদী আন্দোলনকারী অথবা সন্ত্রাসবাদী এমনকি কম্পিউটার হ্যাকারেরাও ব্যবহার করেন এই জাতীয় নকল নাম। অভিনেতা, গায়ক বা অন্যান্য শিল্পীরা অনেক সময় নিজেদের জাতিগত পরিচয় গোপন রাখার জন্য মঞ্চনাম ব্যবহার করেন।কোনো কোনো ক্ষেত্রে ছদ্মনাম গ্রহণের কারণ হয় সাংস্কৃতিক বা সাংগাঠনিক ঐতিহ্য। কোনো কোনো ধর্মীয় সংঘের সদস্যদের ধর্মীয় নাম এবং কমিউনিস্ট পার্টি নেতৃবৃন্দের ব্যবহৃত "ক্যাডার নাম" এর উদাহরণ। যথা: ট্রটস্কি ও স্তালিন।কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবার একাধিক ব্যক্তি একক ছদ্মনামের আড়ালেও লিখে থাকেন। কোনো রচনার সহকারী লেখকবৃন্দের ক্ষেত্রে এই জাতীয় ছদ্মনাম গ্রহণের প্রবণতা দেখা যায়। যেমন: এলারি কুইন বা নিকোলাস বরবাকি।বাংলা সাহিত্যিকদের ছদ্মনামবাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। বাংলা ভাষা তথা বিশ্বের সকল সাহিত্যে সাহিত্যিকরা অনেক সময় নিজেদের নাম আত্মগোপন করে অন্যকোন নামে সাহিত্য রচনা করতেন। বাংলা ভাষাতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। অনেক কবি, সাহিত্যিক,উপন্যাসিক, নাট্যকার তাদের আসল নাম গোপন করে ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন। নিম্নে তার একটি তালিকা দেওয়া হল। সময়কাল জন্মস্থান প্রকৃত নাম ছদ্মনাম বিশেষত্ব ১৯০৩ - ১৯৭৬ নোয়াখালী, বাংলাদেশ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত নীহারিকা দেবী কবি, ঔপন্যাসিক ১৮৮২ - ১৯৫৮ অনুরূপা দেবী অনুপমা দেবী ঔপন্যাসিক ১৯০৪ - ২০০২ উড়িষ্যা, ভারত অন্নদাশংকর রায় লীলাময় রায় কবি, ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার অহিদুর রেজা হাসন রাজা ১৯২৭ - ১৯৭১ ফেনী, বাংলাদেশ আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ শহীদুল্লা কায়সার ঔপন্যাসিক আবুল ফজল শমসের উল আজাদ আবুল হোসেন মিয়া আবুল হাসান ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো এম. ওবায়দুল্লাহ অাসকার ইবনে শাইখ ১৮৫৭ - ১৯৫১ ঢাকা, বাংলাদেশ কাজেম আল কোরেশী কায়কোবাদ কবি কাজী নজরুল ইসলাম নুরু; নুরুল ইসলাম কালিকানন্দ অবধূত কালীপ্রসন্ন সিংহ হুতোম পেঁচা কামিনী রায় জনৈক বঙ্গমহিলা চারুচন্দ্র চক্রবর্তী জরাসন্ধ জমীরউদ্দীন মোল্লা ১৮৯৮ - ১৯৭১ বীরভূম, ভারত তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় হাবু শর্মা ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার দৃষ্টিহীন; মধুসূদন মজুমদার ১৯১৮ - ১৯৭০ বালিয়াডাঙ্গী, বাংলাদেশ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় সুনন্দ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ১৯১১ - ১৯৮৬ নড়াইল, বাংলাদেশ নীহাররঞ্জন গুপ্ত দাদাভাই; বাণভট্ট ঔপন্যাসিক প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৬৮ - ১৯৪৬ পাবনা, বাংলাদেশ প্রমথ চৌধুরী বীরবল কবি, প্রাবন্ধিক প্রেমেন্দ্র মিত্র কৃত্তিবাস ভদ্র; লেখরাজ সামন্ত প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কমলাকান্ত বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় যাযাবর বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় ক্বচিৎ প্রৌঢ় বিমল ঘোষ মৌমাছি বিমল মিত্র জাবালি বিহারীলাল চক্রবর্তী ভোরের পাখি মইনুদ্দিন অাহমেদ সেলিম অাল দীন মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় শংকর মণীশ ঘটক যুবনাশ্ব মনিরুজ্জামান হায়াৎ মামুদ মহাশ্বেতা দেবী সুমিত্রা দেবী মাইকেল মধুসূদন দত্ত এ নেটিভ মীর মশাররফ হোসেন গৌড়তটবাসী মশা; উদাসীন পথিক; গাজী মিয়াঁ মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ জহির রায়হান মোহিতলাল মজুমদার কৃত্তিবাস ওঝা; সত্যসুন্দর দাস মোঃ শহীদুল হক শহীদুল জহির ১৮৬১ - ১৯৪১ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ভারত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ ঠাকুর রাজশেখর বসু পরশুরাম রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অনিলা দেবী শম্ভু মিত্র প্রসাদ দত্ত; শ্রী সঞ্জীব; সুরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় শেখ অাজিজুর রহমান শওকত ওসমান সতীনাথ ভাদুড়ী চিত্রগুপ্ত ১৯২৪ - ১৯৮৮ বিক্রমপুর, বাংলাদেশ সমরেশ বসু কালকূট; ভ্রমর ১৯৩৪ - ২০১২ মাদারীপুর, বাংলাদেশ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নীল উপাধ্যায়; নীল লোহিত; সনাতন পাঠক সুভাষ মুখোপাধ্যায় সুবচনী সোমেন চন্দ ইন্দ্রকুমার সোম ১৯০৪ - ১৯৭৪ করিমগঞ্জ, আসাম সৈয়দ মুজতবা আলী প্রিয়দর্শী; ওমর খৈয়াম; মুসাফির; সত্য পীর ১৮৩৩ - ১৮৯৬ কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ হরিনাথ মজুমদার কাঙাল হরিনাথ সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া
'কালো বরফ' রচনা করেন
Correct Answer:
গ: মাহমুদুল হক
Explanation:
'কালো বরফ' রচনা করেন সঠিক উত্তর মাহমুদুল হক 'কালো বরফ' রচনা করেন মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকমাহমুদুল হক (ডিসেম্বর ১৬, ১৯৪০ - জুলাই ২১, ২০০৮) একজন বাংলাদেশি লেখক। তাকে বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিমান কথাশিল্পী বলা হয়ে থাকে। তার লেখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা চমকপ্রদ।প্রাথমিক জীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হক ১৯৪০ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সিরাজুল ইসলাম, মায়ের নাম মাহমুদা বেগম। ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় পর পিতা সরকারের উচ্চপদে চাকরিসূত্রে পূর্ব পাকিস্তানে যোগদান করেন এবং বেশ পরে তিনি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ১৯৫১ সালে আজিমপুরে বসবাস শুরু করেন। তিনি ছয় ভাই চার বোনের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন।শিক্ষা ও পেশাগত জীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকের পড়ালেখার হাতেখড়ি হয়েছিল বারাসাতের কালীকৃষ্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ১৯৫২ সালে ঢাকার লালবাগের ওয়েস্ট এন্ড স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন। রাতকানা রোগের কারণে মাঝখানে কিছুদিন তিনি পড়ালেখায় বিরতি দেন। পরে তিনি ১৯৫৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। পরে তিনি জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হলেও পড়ালেখার চেয়ে আড্ডাবাজিতে মগ্ন হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার ইতি ঘটান। দৈনিক সংবাদ পত্রিকার অনুবাদক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু তিন মাসের মাথায় চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি প্রথমে মনোহারি, পরে জুয়েলারি ব্যবসার সাথে যুক্ত হন। পরে অবশ্য মীজানুর রহমান এবং প্রতাপউদ্দিনের সাথে মিলি ‘গাঙচিল প্রেস’ প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৬৭ সালে; কিন্তু এ ব্যবসাও তার টেকে নি।সাহিত্যজীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকের শিক্ষক ছিলেন কথাশিল্পী শহীদ সাবের। তার প্রত্যক্ষ প্রেরণায় তিনি সাহিত্যের সাথে যুক্ত হন এবং প্রথমে ‘অগ্রগামী’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করেন। পত্রিকাটির মাত্র ৩টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল। মাহমুদুল হক যখন সপ্তম শ্রেণির ছাত্র তখন ‘রেড হর্নেট’ (১৯৫৪) ডিটেকটিভ উপন্যাস রচনা করেন। এ সময় তিনি ‘অরণ্য বাসর’ ও ‘আমি সম্রাট’ নামি দুটি রোমাঞ্চধর্মী উপন্যাসও লিখেছিলেন। তবে তিনি ১৯৮৪ সালের পর আর লেখালেখি করেন নি।সাহিত্যকর্ম - মাহমুদুল হকউপন্যাস অনুর পাঠশালা (১৯৬৭) নিরাপদ তন্দ্রা (১৯৬৮) জীবন আমার বোন (১৯৭২) কালো বরফ (১৯৭৭) অশরীরী (১৯৭৯) পাতালপুরী (১৯৮১) খেলাঘর (১৯৮৮) মাটির জাহাজ (১৯৭৭)শিশুতোষ উপন্যাস চিক্কোর কাবুক (১৯৭৯)গল্পগ্রন্থ প্রতিদিন একটি রুমাল (১৯৯৪) মাহমুদুল হকের নির্বাচিত গল্প (১৯৯৯) মানুষ মানুষ খেলা (২০০৯) অগ্রন্থিত গল্প [সংগ্রহ ও সম্পাদনা, আবু হেনা মোস্তফা এনাম] (২০১০)অন্যান্য মাহমুদুল হক শিশুদের কাগজ আলাপনী, শাহীন সেতারা প্রভৃতি পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন। তার কিছু সাড়া জাগানো উপন্যাসের মধ্যে খেলাঘর - চলচ্চিত্ররূপ ২০০৬। মাহমুদুল হক জন্ম ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪০ বারাসাত মৃত্যু ২১ জুলাই ২০০৮ (বয়স ৬৭) ঢাকা জাতীয়তা বাংলাদেশি যেখানের শিক্ষার্থী জগন্নাথ কলেজ পেশা সাহিত্যিক পরিচিতির কারণ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার উল্লেখযোগ্য কর্ম কালো বরফ, জীবন আমার বোন, মাটির জাহাজ, প্রতিদিন একটি রুমাল পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৯৭) সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
একাত্তরের ডায়েরী কার লেখা?
Correct Answer:
খ: সুফিয়া কামাল
Explanation:
একাত্তরের ডায়েরী কার লেখা? সঠিক উত্তর সুফিয়া কামাল একাত্তরের ডায়েরী সুফিয়া কামাল এর লেখা ‘একাত্তরের ডায়েরী’ ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদের মাতামহের বাড়িতে সুফিয়া কামালের জন্ম। মা সাবেরা বানু এবং বাবা সৈয়দ আব্দুল বারি। পারিবারিক পরিমণ্ডলে সাহিত্য - পত্রিকা ও গল্প পড়তে - পড়তেই সাহিত্যচর্চার অনুপ্রাণিত হন।মাত্র ১৪ বছর বয়সে বরিশাল থেকে ‘তরুণ’ পত্রিকায় ‘সৈনিক বধূ’ গল্পটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা। লেখালেখির কাজ সুফিয়াকে লুকিয়ে করতে হয়েছে - বিশেষ করে বাংলা ভাষার চর্চা ছিলো না। সীমাবদ্ধ ছিল আরবি, ফারসি, উর্দুতে। মায়ের ঐকান্তিক সহযোগিতায় সুফিয়া বাংলা বলতে, পড়তে ও লিখতে শেখেন। লুকিয়ে লুকিয়ে কবিতা রচনা করতে - করতেই সওগাতে প্রকাশিত হল তার প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ যা সাথে - সাথেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। প্রথম গ্রন্থ রচয়িতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যসমগ্র প্রকাশের মাঝে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁকে দীর্ঘ চিঠি লিখে কাব্যচর্চায় উৎসাহিত করেন। প্রকৃতপক্ষে ‘সাঁঝের মায়া’ গ্রন্থের ভূমিকাটি তাঁরই লেখা।বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিতা পড়ে তাঁকে আর্শীবাণী পাঠিয়েছিলেন এই বলে, ‘তোমার কবিত্ব আমাকে বিস্মিত করে। বাংলা সাহিত্যে তোমার স্থান উচ্চে এবং ধ্রুত তোমার প্রতিষ্ঠা আমার আশির্বাদ গ্রহণ করো।’ (সেলিম জাহাঙ্গীর, সুফিয়া কামাল, নারী উদ্যোগ কেন্দ্র, ঢাকা ১৯৯৩ পৃ - ৬৪) সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন তাঁর সাহিত্য - জীবনে উৎসাহের বিরাট উৎস হিসেবে কাজ করেছেন।দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকাএকাত্তরের ডায়েরী প্রথম সংস্করণ খুব দ্রুত শেষ হয়ে গেলে আবারও তা প্রকাশের জন্য প্রচুর তাগাদা আসে। শেষ পর্যন্ত জাগৃতি প্রকাশনীই স্বেচ্ছায় প্রকাশের দায়িত্ব নিল দ্বিতীয় সংস্করণের। আমার একমাত্র প্রত্যাশা আজকের প্রজন্ম জানুক সেদিনগুলো কেমন সংগ্রামমুখর ছিল। সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদসুফিয়া কামাল৩১.১.৯৫ভূমিকাকবি সুফিয়া কামাল ছিলেন মনন ও সৃজনশীলতায় অগ্রগামী নারী। যে সময়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, নিজের সহজাত জ্ঞান ও মেধা দিয়ে সেই সময়কে অতিক্রম করেছিলেন এগিয়ে থাকা মানুষের শাণিত বোধে। যে বয়সে মানুষের বিবেচনা ও অভিজ্ঞতার সঞ্চয় হয় সে বয়সে তাঁর সময়কে তিনি উৎসর্গ করেছিলেন মানব কল্যাণের প্রয়োজনে। তাঁর রচিত ‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থ এই বিবেচনার সবটুকু প্রেরণা থেকে রচিত। ডায়েরির শুরু হয়ে ডিসেম্বর ৩০, ১৯৭০ তারিখে। শেষ হয়েছে ডিসেম্বর ৩১, শুক্রবার। পুরো এক বছর সময়। তবে প্রতিদিনের প্রতিদিনের দিনলিপি নয়।মাঝে মাঝে কিন্তু কিছু তারিখ বাদ দিয়ে লিখেছেন।১০৭০ সালের ১২ নভেম্বর ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়েছিল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল। দুর্যোগে বিপর্যন্ত মানুষের হাতে রিলিফ সামগ্রী তুলে দিতে তিনি গিয়েছিলেন। পটুয়াখালির ধানখালি চর এলাকায়। রিলিফ দিয়ে ঢাকার ফিরলেন ৮ জানুয়ারি।সত্তরের জলোচ্ছ্বোসের পরে ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাকিস্তানের সাধারন নির্বাচন। এই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করেছিল আওয়ামী লীগ।পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান বাঙালি নেতার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি শুরু করলেন। শেষ পর্যন্ত ১ মার্চ ১৯৭১ সালে গণপরিষদের অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। ১মার্চ, সোববার রাত দশটায় কবি লিখছেন, ‘বিক্ষুদ্ধ বাংলা।’ ভুট্ট্যো সাহেব পরিষদে যোগ দিবেন না সিন্ধান্তে পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি রইল। ১২টায় এ খবর প্রচারিত হওয়ায়, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেল। এভাবে বিভিন্ন তারিখে তিনি দেশের পরিস্থিতির কথা নানাভাবে বর্ণনা করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসের দলিল হিসেবে এই ডায়েরির তথ গবেষণার উপাদান হিসেবে কাজ করবে।ডায়েরির একটি বিশেষ দিক এই যে কোনো কোনো তারিখে তিনি শুধু একটি কবিতা লিখেছেন। একজন কবি এভাবেই নিজের প্রকাশ ঘটান। এপ্রিল ১, বৃহস্পতিবার। রাত আটটায় তিনি লেখাটি শেষ করেছেন এভাবে : ‘কারফিউ চলছে। প্লেনের আসা - যাওয়ার বিরাম নেই। কাল থেকে নাকি ব্যাঙ্ক সব খোলা হবে। আট আনায় তিনটি পান কিনলাম। বাংলার ইতিহাস কে রচনা করবে?’ শেষের বাক্যটি অন্য বাক্যগুলোর চেয়ে ভিন্ন। কিন্তু কোনোবাবেই এটি কোনো আকস্মিক বাক্য নয়।কারণ ২৫ শের রাতে গণহত্যার পরে শুরু হয়ে গেছে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হবে বাঙালির নতুন ইতিহাস। তিনি আহবান করছেন ইতিহাস রচয়িতাকে।এখানেই চিহ্নিত হয় তাঁর আগ্রগামী চিন্তার স্বরূপ। ডিসেম্বর ১৬, বৃহস্পতিবার লিখছেন, ‘আজ ১২ টায় বাংলাদেশ যুদ্ধ বিরতির পর মুক্তিফৌজ ঢাকার পথে পথে এসে আবার সোচ্চার হল ‘জয় বাংলা’ উচ্চারণে। আল্লাহর কাছে শোকর।’ডিসেম্বর ২৯ তারিখে একটি কবিতা লিখেছেন। কবিতাটি শুরু হয়েছে নিজের মেয়ের কথা দিয়ে লিখেছেন : ‘আমার ‘দুলু’র মুখ দেখি আজ বাংলার ঘরে ঘরে শ্বেত বাস আর শূন্য দু’হাত নয়নে অশ্রু ঝরে’..... শেষ হয়েছে এদুটি লাইন দিয়ে: ‘সুন্দর কর মহামহীয়ান কর এ বাংলাদেশ এই মুছিলাম অশ্রুর ধারা দুঃখের কেউ শেষ।’ কবিতাটি বেশ বড় কষ্ট থেকে আশায় ফিরে এসেছেন তিনি। ডায়েরী শেষ হয়েছে ডিসেম্বর ৩১, শুক্রবার। শেষ বাক্যটি লিখেছেন, ‘১৯৭১ আজ শেষ হয়ে গেল। জানিনা, আগামী কালের দিন কিভাবে শুরু হবে।’ তিনি বিশাল প্রত্যাশায় তাকান নি আগামী দিনের দিকে। বরং খানিকটুকু দ্বিধা প্রকাশ করেছেন। স্বাধীনতার ঊনচল্লিশ বছরে তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশে অনেক অপূর্ণতা এখনো রয়ে গেছে। একাত্তরের ডায়েরী Title একাত্তরের ডায়েরী Author সুফিয়া কামাল Publisher হাওলাদার প্রকাশনী ISBN 9789848964033 Edition 8th Edition, 2018 Number of Pages 208 Country বাংলাদেশ Language বাংলা
'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি কার?
Correct Answer:
খ: বষ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি কার? সঠিক উত্তর বষ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?' কথাটি সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা'র কপালকুণ্ডলাকপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। সম্ভবত এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস। কপালকুণ্ডলা লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দেশ ব্রিটিশ ভারত ভাষা বাংলা ধরন উপন্যাস প্রকাশনার তারিখ ১৮৬৬ মিডিয়া ধরন মুদ্রিত গ্রন্থ চরিত্র - কপালকুণ্ডলা নবকুমার শর্ম্মা - সপ্তগ্রামনিবাসী যুবক কাপালিক - যোগসাধক সন্ন্যাসী, কপালকুণ্ডলার প্রতিপালক কপালকুণ্ডলা/মৃন্ময়ী - কাপালিক কর্তৃক পালিতা কন্যা, নবকুমারের দ্বিতীয়া স্ত্রী অধিকারী - দেবালয়ের সেবক বা পুরোহিত মতিবিবি/লুৎফউন্নিসা/পদ্মাবতী - নবকুমারের প্রথম পত্নী শ্যামাসুন্দরী - নবকুমারের ভগিনী জাহাঁঙ্গীর ও মেহেরউন্নিসা - ঐতিহাসিক চরিত্রআখ্যানবস্তু - কপালকুণ্ডলাপ্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে নবকুমার এক জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপে আটকা পড়েন। সেখানে এক কাপালিক তাকে বলি দিতে উদ্যত হয়। তখন কাপালিকের পালিতা কন্যা কপালকুণ্ডলা তার প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। স্থানীয় মন্দিরের অধিকারীর সহায়তায় নবকুমার কপালকুণ্ডলাকে বিয়ে করে নিজের বাড়ি সপ্তগ্রামে ফিরে আসেন। পথে মতিবিবি বা লুৎফউন্নিসা নামে এক বিদেশী রমণীর সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎ হয়।কপালকুণ্ডলা বাল্যকাল থেকে জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপে কাপালিকের কাছে বড় হওয়ায় স্বাভাবিক সামাজিক রীতিনীতির সঙ্গে অপরিচিত ছিলেন। নবকুমারের বাড়িতে তিনি ধীরে ধীরে সমাজের মানুষজন ও তাদের আচারআচরণ সম্পর্কে ধারণা পেলেন। কপালাকুণ্ডলা নাম বদলে তার নাম রাখা হল মৃন্ময়ী।মতিবিবি বা লুৎফউন্নিসা আসলে নবকুমারের প্রথমা স্ত্রী পদ্মাবতী ছিলেন। পরে সপরিবারে মুসলমান হয়ে আগ্রা চলে যান। পথে নবকুমারকে দেখে তিনি পুনরায় তাকে স্বামীরূপে লাভ করতে উৎসুক হন এবং সপ্তগ্রাম চলে আসেন। পদ্মাবতীর পরিচয় জানার পর নবকুমার তাকে প্রত্যাখ্যান করেন।এদিকে কাপালিক কপালকুণ্ডলাকে বধ করতে সপ্তগ্রাম চলে আসে। তার হাত ভেঙে যাওয়ায় সে পদ্মাবতীর সাহায্য চায়।পদ্মাবতী ব্রাহ্মণবেশ ধারণ করে কপালকুণ্ডলাকে সব খুলে বলে এবং নবকুমারকে ছেড়ে চলে যেতে অনুরোধ করে। ব্রাহ্মণবেশী পদ্মাবতীর সাথে কপালকুণ্ডলাকে দেখতে পেয়ে নবকুমার তাকে ভুল বুঝে খুব কষ্ট পান। আর কাপালিক সুযোগ বুঝে সুরাপান করিয়ে নবকুমারকে উস্কে দিতে থাকেন।শেষপর্যন্ত নবকুমার আর কপালকুণ্ডলার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব সংঘাতের মধ্য দিয়ে উভয়েই জীবনের চরম উপসংহারে উপনীত হয়।[২]সুভাষিত উক্তি - কপালকুণ্ডলাএ উপন্যাসের কিছু অবিস্মরণীয় উক্তি বাংলা ভাষায় সুভাষিত উক্তি রূপে বহুল ব্যবহৃত ও চর্চিত হয়। যেমন: তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন? পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ? (নবকুমারের উদ্দেশ্যে কপালকুন্ডলা) যাহাতে জগদীশ্বরের হাত, তাহা পন্ডিতে বলিতে পারেনা। (নবকুমার, কপালকুণ্ডলার উদ্দেশ্যে অধিকারি) ক্ষেত্রে বীজ রোপিত হইলে আপনিই অঙ্কুর হয়।চলচ্চিত্র নির্মাণ - কপালকুণ্ডলা১৯৩৩ সনে প্রেমাঙ্কুর আতর্থীর পরিচালনায় কপালকুণ্ডলা চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। এতে অভিনয় করেন উমাশশী, দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, মলিনা দেবী, নিভাননা দেবী, অমর মল্লিক, অমূল্য মিত্র প্রমুখ।টেলিভিশন ধারাবাহিক২০১৯ সালে ভারতের স্টার জলসায় কপালকুণ্ডলা ধারাবাহিকটির সম্প্রচার শুরু হয়। এটি রাজ চক্রবর্তী দ্বারা নির্মিত।তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য - সংকলন। এই গ্রন্থে ঊনআশিটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে।
কাজী নজরুল ইসলামের নামের সাথে জড়িত ' ধূমকেতু' কোন ধরনের প্রকাশনা?
Correct Answer:
খ: পত্রিকা
Explanation:
কাজী নজরুল ইসলামের নামের সাথে জড়িত ' ধূমকেতু' কোন ধরনের প্রকাশনা? সঠিক উত্তর পত্রিকা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯ - ১৯৭৬ খ্রি) সাহিত্যসেবার পাশাপাশি সাংবাদিকতায় ও আত্মনিয়োগ করেছিলেন। তিনি ছিলেন সান্ধ্য 'দৈনিক নবযুগ' (১৯২০) পত্রিকার যুগ্ম - সম্পাদক। তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অর্ধ সাপ্তাহিক 'ধূমকেতু' (১৯২২) । এছাড়া তিনি 'লাঙ্গল' (১৯২৫) নামক সাপ্তাহিক পত্রিকা ও সম্পাদনা করেছিলেন।
জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
ক: রাখালী
Explanation:
জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর রাখালী পল্লীকবি জসীমউদ্দীন (১৯০৩ - ১৯৭৬ খ্রি) বাংলা কাব্যে কাহিনী, কাব্য ,ছন্দ ও গীতিময়তারয় নবদিগন্তের সূচনা করেন। তার প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো 'রাখালী' (১৯২৭) । তার প্রকাশিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯) , বালুচর (১৯৩০) , ধানক্ষেত (১৯৩১) , সোজনবাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩) ,হাসু (১৯৩৮) , মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩) ইত্যাদি।
'ছোট বকুলপুরের যাত্রী' গ্রন্থটির রচয়িতা
Correct Answer:
গ: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
'ছোট বকুলপুরের যাত্রী' গ্রন্থটির রচয়িতা সঠিক উত্তর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯ মে, ১৯০৮ - ৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৬) ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তার প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবী জুড়ে মানবিক মূল্যবোধের চরম সংকটময় মুহূর্তে বাংলা কথা - সাহিত্যে যে কয়েকজন লেখকের হাতে সাহিত্যজগতে নতুন এক বৈপ্লবিক ধারা সূচিত হয় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তার রচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল মধ্যবিত্ত সমাজের কৃত্রিমতা, শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম, নিয়তিবাদ ইত্যাদি। ফ্রয়েডীয় মনঃসমীক্ষণ ও মার্কসীয় শ্রেণীসংগ্রাম তত্ত্ব দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন যা তার রচনায় ফুটে উঠেছে। জীবনের অতি ক্ষুদ্র পরিসরে তিনি রচনা করেন চল্লিশটি উপন্যাস ও তিনশত ছোটোগল্প। তার রচিত পুতুলনাচের ইতিকথা, দিবারাত্রির কাব্য, পদ্মা নদীর মাঝি ইত্যাদি উপন্যাস ও অতসীমামী, প্রাগৈতিহাসিক, ছোটবকুলপুরের যাত্রী ইত্যাদি গল্পসংকলন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ বলে বিবেচিত হয়। ইংরেজি ছাড়াও তার রচনাসমূহ বহু বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর, মাত্র আটচল্লিশ বছর বয়সে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী এই কথাসাহিত্যিকের জীবনাবসান ঘটে।
'সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর'- কে বলেছেন?
Correct Answer:
ক: চন্ডীদাস
Explanation:
'সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর'- কে বলেছেন? সঠিক উত্তর চন্ডীদাস চণ্ডীদাস বৈষ্ণব কবি ছিলেন। তার জন্ম কোন সময় তা সুনিশ্চিত করে বলা যায় না। তিনি ‘শুনহ মানুষ ভাই/সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই’ বলে জাত - পাতযুক্ত সমাজে প্রথম মানবতার বাণী কাব্যে ধারণ করেন এবং ব্যক্তি জীবনেও তিনি জাত - সংস্কারের ঊর্ধ্বে ছিলেন বলে তাকে বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়।
সাপ্তাহিক 'সুধাকর' --এর সম্পাদক কে?
Correct Answer:
গ: শেখ আব্দুর রহিম
Explanation:
সাপ্তাহিক 'সুধাকর' --এর সম্পাদক কে? সঠিক উত্তর শেখ আব্দুর রহিম সাপ্তাহিক 'সুধাকর' (১৮৯৪) , মাসিক 'মিহির (১৮৯২), মাসিক হাফেজ' 'মোসলেম ভারত' প্রভৃতি পত্রিকা সম্পাদনা করেন শেখ আবদুর রহিম। 'মুললামন' (১৮৮৪), সাপ্তাহিক 'নব সুধাকর' (১৯৮৫), 'ইসলাম ' (১৮৮৫) ইত্যাদি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ। মাসিক 'নূর' (১৯১৯) ও সাপ্তাহিক 'সুলতান' (১৯২৩) পত্রিকা সম্পাদনা করেন ইসমাইল হোসেন সিরাজী এবং মুন্সী মেহেরুল্লাহ ছিলেন ধর্মপ্রচারক । তিনি কোনো পত্রিকা সম্পাদনা করেননি। তিনি 'খ্রিষ্টান ধর্মের অসারতা' নামে একটি প্রচার পুস্তিকা প্রকাশ করেন।
প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয়-----।
Correct Answer:
গ: উপমেয়
Explanation:
প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয়-----। সঠিক উত্তর উপমেয় 'উপমান' শব্দের অর্থ 'তুলনীয় বস্তু'। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে অন্য কোনো পরোক্ষ বস্তুর তুলনা করা হলে ঐ প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে 'উপমেয়' বলা হয়। পক্ষান্তরে , যার সাথে উপমা দেয়া হয় বা তুলনা করা হয় তাকে 'উপমান' বেল। যেমন - 'পদ্মআঁখি' শব্দটিতে পদ্মের সাথে আখিঁর উপমা দেয়া হয়েছে। সুতরাং 'পদ্ম' উপমান এবং আঁখি' উপমেয়। 'উপমান' ও 'উপমেয়' পদের সমাস হলে যদি উপমেয়ের অর্থ প্রধান রুপে প্রতীয়মান হয় তাকে উপমিত সমাস হলে। যেমন - পুরুষ সিংহের ন্যায় = পুরুষসিংহ এবং যে স্থলে উপমান ও উপমেয় সমাস হয়েছে এবং উভয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে তাকে রুপক সমাস বলে। যেমন - ফুল রুপ কুমারী = ফুলকুমারী।
'ছিন্নপত্রে'র অধিকাংশ পত্র কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা?
Correct Answer:
ক: ইন্দিরা দেবী
Explanation:
'ছিন্নপত্রে'র অধিকাংশ পত্র কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা? সঠিক উত্তর ইন্দিরা দেবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৮৭ - ১৮৯৫ সময়কালে ভ্রাতুষ্পুত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীকে যে সকল চিঠি লিখেছিলেন 'ছিন্নপত্র' প্রধানত তারই সংকলন। বহু চিঠিই রবীন্দ্রনাথ 'ছিন্নপত্র' - এ অন্তর্ভুক্ত করেননি।
' কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?' ---- কার লেখা?
Correct Answer:
ক: কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
Explanation:
' কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?' ---- কার লেখা? সঠিক উত্তর কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সদ্ভাবশতক' । তার রচিত উল্লেখ্যযোগ্য পঙক্তিগুলো হলো - (i) কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ ? (ii) যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি । (iii) চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে?
কাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়?
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
কাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১) উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তার প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। সংস্কৃত ছাড়াও বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ বুৎপত্তি ছিল তার। তিনিই প্রথম বাংলা লিপি সংস্কার করে তাকে যুক্তিবহ ও অপরবোধ্য করে তোলেন। বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার তিনিই। তাকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী বলে অভিহিত করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি রচনা করেছেন জনপ্রিয় শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয় সহ, একাধিক পাঠ্যপুস্তক, সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ। সংস্কৃত, হিন্দি ও ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ সাহিত্য ও জ্ঞানবিজ্ঞান সংক্রান্ত বহু রচনা
" প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে।" ----- গানটির গীতিকার কে?
Correct Answer:
গ: শেখ ওয়াহিদ
Explanation:
" প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে।" ----- গানটির গীতিকার কে? সঠিক উত্তর শেখ ওয়াহিদ প্রশ্নোল্লিখিত গানটির গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমান। 'আমার মাটির গাছে লাউ ধরেছে' কাঙ্গালিনী সুফিয়ার বিখ্যাত 'পরানের বান্ধববে - বুড়ি হইলাম তোর কারণে' কিংবা ডলি সায়ন্তিনীর কণ্ঠে 'কোন বা পথে নিতাইগঞ্জ যাই'সহ অসংখ্য জনপ্রিয় লোকগীতির গীতিকার তিনি।
পাণিনি কে ছিলেন?
Correct Answer:
গ: বৈয়াকরণিক
Explanation:
পাণিনি কে ছিলেন? সঠিক উত্তর বৈয়াকরণিক পাণিনি ছিলেন প্রাচীন ভারতীয় একজন সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণবিদ। আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে তার অস্তিত্ব ছিল। সংস্কৃত ভাষার রূপতত্ত্বের ৩৯৫৯ ফর্মুলার জন্য তিনি বিখ্যাত হয়ে আছেন।
বাংলাদেশে 'গ্রাম থিয়েটার' --এর প্রবর্তক কে?
Correct Answer:
গ: সেলিম আল দীন
Explanation:
বাংলাদেশে 'গ্রাম থিয়েটার' --এর প্রবর্তক কে? সঠিক উত্তর সেলিম আল দীন নাট্যকার ড. সেলিম আল দীন (১৯৪৯ - ২০০৮) নাট্যনির্দেশক নাসিরউদ্দিন ইউসুফের সাথে ১৯৮১ - ৮২ সালে 'গ্রাম থিয়েটার ' গঠন করেন এবং তিনি ছিলেন ঢাকা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক : ঘুম নেই , চাক, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, মুনতাসীর ফ্যান্টাসি , কেরামতমঙ্গল, কীত্তনখোলা হাতহদাই, হরগজ বনপাংশুল । অন্যদিকে নাট্যকার মমতাজউদ্দীন আহমদের উল্লেখযোগ্য নাটক : স্বাধীনতা , বর্ণচোরা । আবদুল্লাহ আল মামুনের উল্লেখযোগ্য নাটক : সুবচন নির্বাসনে, এখন দুঃসময় এখন ও ক্রীতদাস , কোকিলারা। নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারের উল্লেকযোগ্য নাট্যগ্রন্থ : তত্ত্ব ও শিল্পরুপ, বাংলাদেশের নাট্যচর্চার তিন দশক।
'পূর্ববঙ্গ গীতিকা'র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?
Correct Answer:
গ: চন্দ্রকুমার দে
Explanation:
'পূর্ববঙ্গ গীতিকা'র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে? সঠিক উত্তর চন্দ্রকুমার দে বাংলা সাহিত্যে তিন ধরনের গীতিকা প্রচলিত রয়েছে। যথা : নাথ গীতিকা , মৈমনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা। 'পূর্ববঙ্গ গীতিকা'র লোকপালাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। তার সংগৃহীত পূর্ববঙ্গ গীতিকার উল্লেখযোগ্য পালা : মইষাল বন্ধু, ভেলুয়া, কমলারানী , দেওয়ান ঈসা খাঁ, আয়না বিবি, শিলাদেবী বণ্ডুলার বারমাসী, ভারাইয়া রাজা। এসব পালা দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় 'পূর্ববঙ্গ গীতিকা ' নামে ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় । অন্যদিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অমরকীর্তি হলো বাংলাভাষার প্রথম'চর্যাপদ' উদ্ধার। শিশুসাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জন মজুমদারের উল্লেখযোগ্য শিশুসাহিত্য দক্ষিণারঞ্জন মজুমদারের উল্লেখযোগ্য শিশুসাহিত্য গ্রন্থ: ঠাকুরমার ঝুলি, ঠাকুর দাদার ঝুলি।
'মোদের গরব মোদের আশা' কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ক: অতুলপ্রসাদ সেন
Explanation:
'মোদের গরব মোদের আশা' কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর অতুলপ্রসাদ সেন অতুলপ্রসাদ বাংলা গানে ঠুংরি ধারার প্রবর্তক। তিনিই প্রথম বাংলায় গজল রচনা করেন। তার রচিত বাংলা গজলের সংখ্যা ৬ - ৭টি। গীতিগুঞ্জ (১৯৩১) গ্রন্থে তার সমুদয় গান সংকলিত হয়। এই গ্রন্থের সর্বশেষ সংস্করণে (১৯৫৭) অনেকগুলি অপ্রকাশিত গান প্রকাশিত হয়। অতুলপ্রসাদের গানের সংখ্যা ২০৮। অতুলপ্রসাদ সেনের কয়েকটি বিখ্যাত গান হল মিছে তুই ভাবিস মন, সবারে বাস রে ভালো, বঁধুয়া, নিঁদ নাহি আঁখিপাতে, একা মোর গানের তরী, কে আবার বাজায় বাঁশি, ক্রন্দসী পথচারিণী ইত্যাদি। তার রচিত দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে প্রসিদ্ধ উঠ গো ভারত - লক্ষ্মী, বলো বলো বলো সবে, হও ধরমেতে ধীর। তার মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা! গানটি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অণুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। অতুলপ্রসাদের গানগুলি দেবতা, প্রকৃতি, স্বদেশ, মানব ও বিবিধ নামে পাঁচটি পর্যায়ে বিভক্ত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানের বিশেষ গুণগ্রাহী ছিলেন। অতুলপ্রসাদী গান নামে পরিচিত এই ধারার একজন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী হলেন কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায়।
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়'-কে লিখেছেন ?
Correct Answer:
ক: রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়'-কে লিখেছেন ? সঠিক উত্তর রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় মূলত স্বদেশপ্রেমিক কবিরূপে বিখ্যাত। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদ্মিনী উপাখ্যান, কর্মদেবী এবং শূরসুন্দরী। টডের অ্যানাল্স্ অফ রাজস্থান থেকে কাহিনীর অংশ নিয়ে তিনি পদ্মিনী উপাখ্যান রচনা করেন। তাঁর মৃত্যুর পর স্বদেশী যুগের বিপ্লবীদের মধ্যে পদ্মিনী উপাখ্যানের অংশ - “স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায়দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায়”
বাংলা গদ্যের জনক কে ?
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বাংলা গদ্যের জনক কে ? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১) বাংলা গদ্যের জনক = ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ২) বাংলা গদ্যের পথিকৃৎ = উইলিয়াম কেরি। ৩) বাংলা গদ্য রীতির প্রবর্তক = প্রমথ চৌধুরী।
কাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ?
Correct Answer:
খ: ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
কাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ? সঠিক উত্তর ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক - ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর।ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য গদ্যে ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত’ সৃষ্টি করেন। তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত কে?
Correct Answer:
খ: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
Explanation:
মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত কে? সঠিক উত্তর রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বেগম রোকেয়া ছিলেন সাহিত্যিক, সমাজসেবী ও শিক্ষাব্রতী। তিনি আজীবন মুসলমান নারীদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করেছেন। তাকে বলা হয় মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ।
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'- এই প্রার্থনা কার?
Correct Answer:
গ: ঈশ্বরী পাটনী
Explanation:
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'- এই প্রার্থনা কার? সঠিক উত্তর ঈশ্বরী পাটনী ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ উক্তিটি করেছিলেন ঈশ্বরী পাটনি। ইক্তিটি পাওয়া যায় ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে। ‘ভাডু দত্ত’ চন্ডীমঙ্গলের এবং ‘চাঁদ সওদাগর’ পদ্মপুরাণের বিখ্যাত চরিত্র।
বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় কাকে?
Correct Answer:
খ: চার্লস উইলকিন্স
Explanation:
বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় কাকে? সঠিক উত্তর চার্লস উইলকিন্স বাংলা মুদ্রাক্ষরেরে জনক বলা হয় চার্লস উইলকিন্সকে। তিনি ১৭৭৮ সালে হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি নিজেই বাংলা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন। তবে তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তীতে পঞ্চানন কর্মকার বাংলা অক্ষর খোদাই করেন।
”আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী”- গানটির সুরকার কে?
Correct Answer:
ক: আলতাফ মাহমুদ
Explanation:
”আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী”- গানটির সুরকার কে? সঠিক উত্তর আলতাফ মাহমুদ আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বিখ্যাত এই গানটির প্রথম সুরকার প্রয়াত আবদুল লতিফ এবং বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ। উল্লেখ্য, গানটির গীতিকার বা রচিয়তা আবদুল গাফফার চৌধুরী।
মানুষের ভাব প্রকাশের বাহন কোনটি?
Correct Answer:
গ: ভাষা
Explanation:
মানুষের ভাব প্রকাশের বাহন কোনটি? সঠিক উত্তর ভাষা ভাষা মানুষে - মানুষে যোগাযোগের প্রধানতম বাহন। ভাষার কতটুকু মানুষের কোন জন্মগত বৈশিষ্ট্য আর কতটুকু পরিবেশনির্ভর সে ব্যাপারে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানীদের মতভেদ আছে। তবে সবাই একমত যে স্বাভাবিক মানুষমাত্রেই ভাষা অর্জনের মানসিক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়, এবং একবার ভাষার মূলসূত্রগুলি আয়ত্ত করে ফেলার পর বাকী জীবন ধরে মানুষ তার ভাষায় অসংখ্য নতুন নতুন বাক্য সৃষ্টি করতে পারে। এরকম অসীম প্রকাশক্ষমতাসম্পন্ন ভাষা একান্তই একটি মানবিক বৈশিষ্ট্য; মানুষ ছাড়া আর কোন প্রাণী এই ক্ষমতার অধিকারী নয়। প্রতিটি মানুষ ভাষা আয়ত্ত করার সহজাত বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্ম নেয় এবং ঐ মানুষটি যে নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক পর্যায়ের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিবেশ - বেষ্টিত ভাষিক সমাজের অন্তর্গত, সেই সমাজে সে দৈনন্দিন ভাষাপ্রয়োগের মাধ্যমে তার নিজস্ব ভাষাজ্ঞান বিকশিত করে।
”অনল প্রবাহ” কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ঘ: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
Explanation:
”অনল প্রবাহ” কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ইসমাইল হোসেন সিরাজী বাংলা সাহিত্যের প্রথম দিকের মুসলমান লেখকদের অন্যতম। ইসমাইল হোসেন সিরাজী ১৯০০ সালে অনল - প্রবাহ লিখেছেন
'বাদলের জলে নাহিয়া সে মেয়ে হেসে কুটি কুটি হয় ' -- মেয়েটি কে?
Correct Answer:
ক: কদম্ব ফুল
Explanation:
'বাদলের জলে নাহিয়া সে মেয়ে হেসে কুটি কুটি হয় ' -- মেয়েটি কে? সঠিক উত্তর কদম্ব ফুল 'বাদলের জলে নাহিয়া সে মেয়ে হেসে কুটি কুটি হয়'_ জসীমউদ্দীন রচিত'পল্লী বর্ষা' কবিতার পঙ্ক্তিটিতে 'মেয়ে' বলতে বোঝানো হয়েছে কদম ফুল
মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কে?
Correct Answer:
খ: কাশীরাম দাস
Explanation:
মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কে? সঠিক উত্তর কাশীরাম দাস কাশীরাম দাস (১৬শ - ১৭শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি। তাঁর রচিত বাংলা মহাভারত সর্বাধিক জনপ্রিয়। আনুমানিক ষোলো শতকের মধ্যভাগে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার ইন্দ্রাণী পরগনার সিঙ্গি গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তাঁর জন্ম। পিতা রমাকান্ত দাস উড়িষ্যার পুরীতে জগন্নাথ দর্শনে গিয়ে সেখানেই বসতি স্থাপন করেন। কাশীরাম মেদিনীপুরের আওয়াসগড় রাজার শাসনাধীন কোনো এক স্থানে পাঠশালা খুলে শিক্ষকতা করেন। হরহরপুরের অভিরাম মুখুটি ছিলেন কাশীরামের গুরু। তিনি তাঁরই নির্দেশে মহাভারত রচনা করেন।
'Friends of Bangladesh' পুরস্কার কাকে দেয়া হয়েছে?
Correct Answer:
খ: ফ্রান্সিস জুলিয়ান
Explanation:
'Friends of Bangladesh' পুরস্কার কাকে দেয়া হয়েছে? সঠিক উত্তর ফ্রান্সিস জুলিয়ান 'Friends of Bangladesh' পুরস্কার দেয়া হয়েছে ফ্রান্সিস জুলিয়ান। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১২ সালের মার্চে ফ্রান্সিসকে ‘ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ’ সম্মাননা দেওয়া হয়। বাংলাদেশী বন্ধুদের কাছে ‘জুলিয়ান ভাই’ হিসেবে পরিচিত ফ্রান্সিস ১৯৬৮ সালে ভারতের বিহারে অক্সফামের একটি প্রকল্পে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশ শরণার্থী শিবিরে তিনি কাজ শুরু করেন। তিনি ১৯৭১ সালে অক্সফামের ত্রাণ তৎপরতায় সমন্বয় করেন। ভারতের সীমান্ত এলাকাগুলোতে তখন অক্সফাম বাংলাদেশি শরণার্থী শিবিরগুলোতে সহায়তা দেয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্সিস বাংলাদেশের ত্রাণ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। ফ্রান্সিসের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৯ এপ্রিল যুক্তরাজ্যের মলভারেনে। ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি তিনি প্রথম বাংলাদেশে আসেন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
শ্রীচৈতন্যদেব কেন বিখ্যাত?
Correct Answer:
ক: বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক
Explanation:
শ্রীচৈতন্যদেব কেন বিখ্যাত? সঠিক উত্তর বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক শ্রীচৈতন্যদেব বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক বলা হয়। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে তার প্রভাব অপরিসীম। বাংলা সাহিত্যে ' চৈতন্যযুগ' নামে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
”কেরী সাহেবের মুন্সী” কার লেখা?
Correct Answer:
গ: প্রমথনাথ বিশী
Explanation:
”কেরী সাহেবের মুন্সী” কার লেখা? সঠিক উত্তর প্রমথনাথ বিশী প্রথমনাথ বিশী সাহিত্য সমালোচক হিসেবে খ্যাত। কেরী সাহেবর মুন্সী - ছাড়া ও অন্য উপন্যাস হল পদ্না, চলনবিল, লালকেল্লা, বঙ্গভঙ্গ ইত্যাদি।
”বন্দী শিবির থেকে” এর বন্দী কে?
Correct Answer:
ক: শামসুর রাহমান
Explanation:
”বন্দী শিবির থেকে” এর বন্দী কে? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান বন্দী শিবির থেকে - শামসুর রাহমান ঈর্ষাতুর নই, তবু আমি তোমাদের আজ বড় ঈর্ষা করি। তোমরা সুন্দর জামা পরো, পার্কের বেঞ্চিতে বসে আলাপ জমাও, কখনো সেজন্যে নয়। ভালো খাও দাও, ফুর্তি করো সবান্ধব সেজন্যেও নয়। বন্ধুরা তোমরা যারা কবি, স্বাধীন দেশের কবি, তাদের সৌভাগ্যে আমি বড়ো ঈর্ষান্বিত আজ। যখন যা খুশি মনের মতো শব্দ কী সহজে করো ব্যবহার তোমরা সবাই। যখন যে শব্দ চাও, এসে গেলে সাজাও পয়ারে, কখনো অমিত্রাক্ষরে, ক্ষিপ্র মাত্রাবৃত্তে কখনো - বা। সেসব কবিতাবলী, যেন রাজহাঁস দৃপ্ত ভঙ্গিমায় মানুষের অত্যন্ত নিকটে যায়, কুড়ায় আদর। অথচ এদেশে আমি আজ দমবদ্ধ এ বন্দী - শিবিরে মাথা খুঁড়ে মরলেও পারি না করতে উচ্চারণ মনের মতন শব্দ কোনো। মনের মতন সব কবিতা লেখার অধিকার ওরা করেছে হরণ। প্রকাশ্য রাস্তায় যদি তারস্বরে চাঁদ, ফুল, পাখি এমনকি নারী ইত্যাকার শব্দাবলী করি উচ্চারণ, কেউ করবে না বারণ কখনো। কিন্তু কিছু শব্দকে করেছে বেআইনী ওরা ভয়ানক বিস্ফোরক ভেবে। স্বাধীনতা নামক শব্দটি ভরাট গলায় দীপ্ত উচ্চারণ করে বারবার তৃপ্তি পেতে চাই। শহরের আনাচে কানাচে প্রতিটি রাস্তায় অলিতে - গলিতে, রঙিন সাইনবোর্ড, প্রত্যেক বাড়িতে স্বাধীনতা নামক শব্দটি আমি লিখে দিতে চাই বিশাল অক্ষরে। স্বাধীনতা শব্দ এত প্রিয় যে আমার কখনো জানিনি আগে। উঁচিয়ে বন্দুক, স্বাধীনতা, বাংলাদেশ - এই মতো শব্দ থেকে ওরা আমাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখছে সর্বদা। অথচ জানেনা ওরা কেউ গাছের পাতায়, ফুটপাতে পাখির পালকে কিংবা নারীর দু’চোখে পথের ধুলায় বস্তির দুরন্ত ছেলেটার হাতের মুঠোয় সর্বদাই দেখি জ্বলে স্বাধীনতা নামক শব্দটি।
'সব কটি জানালা খুলে দাও না' -এই গানটির গীতিকার কে?
Correct Answer:
খ: নজরুল ইসলাম বাবু
Explanation:
'সব কটি জানালা খুলে দাও না' -এই গানটির গীতিকার কে? সঠিক উত্তর নজরুল ইসলাম বাবু 'সব কটি জানালা খুলে দাও না' - এই গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। নজরুল ইসলাম বাবু (১৭ জুলাই ১৯৪৯ - ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯০) বাংলাদেশের একজন গীতিকবি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। "সব কটা জানালা খুলে দাও না", "একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার" গানের গীতিকার তিনি। ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পদ্মা মেঘনা যমুনা চলচ্চিত্রের গীত রচনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
'ভারতেশ্বরী হোমস্' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
Correct Answer:
ঘ: আর পি সাহা
Explanation:
'ভারতেশ্বরী হোমস্' এর প্রতিষ্ঠাতা কে? সঠিক উত্তর আর পি সাহা বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির ব্যবহারকারী প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
সারেং বৌ এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
সারেং বৌ এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার সারেং বৌ এর রচয়িতা শহীদুল্লাহ কায়সার। শহীদুল্লা কায়সার (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯২৭ - ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবী। তার প্রকৃত নাম ছিল আবু নঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লা। তিনি ১৯৬৯ সালে উপন্যাসে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে সাংবাদিকতায় মরণোত্তর একুশে পদক এবং সাহিত্যে ১৯৯৮ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন(গল্পে অবদান রাখার জন্য)। উপন্যাস সম্পাদনা: সারেং বৌ (১৯৬২) (চলচ্চিত্র রূপ ১৯৭৮) সংশপ্তক (১৯৬৫) কৃষ্ণচূড়া মেঘ তিমির বলয় দিগন্তে ফুলের আগুন সমুদ্র ও তৃষ্ণা
'বীরবল' নামে কাকে অভিহিত করা হয়?
Correct Answer:
খ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
'বীরবল' নামে কাকে অভিহিত করা হয়? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীকে 'বীরবল' নামে অবিহিত করা হয়। ' বীরবল' তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম। অন্যদিকে মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যিক ছদ্মনাম ' গাজী মিয়া' উদাসীন পথিক '। বিশিষ্ট অধ্যাপক প্রমথনাথ বিশী ছিলেন রবীন্দ্র সাহিত্যিক একজন নিপুণ বিশ্লেষক।
'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা'- গানটির রচিয়তা কে ?
Correct Answer:
ক: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
Explanation:
'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা'- গানটির রচিয়তা কে ? সঠিক উত্তর দ্বিজেন্দ্রলাল রায় 'ধনে ধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা'_ দেশাত্মবোধক গানটির রচয়িতা নাট্যকার ও গীতিকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। তাঁর উল্লেখযোগ্য আরো দুটি গান - বঙ্গ আমার জননী আমার, যে দিন সুনীল জলধি হতে, । তার উল্লেখযোগ্য নাটক - তারাবাঈ, প্রতাপ সিংহ, নুরজাহান, মেবার পতন, শাজাহান, পাষানী, বঙ্গনারী।
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ আলী আহসান
Explanation:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক সৈয়দ আলী আহসান। সৈয়দ আলী আহসান (২৬ মার্চ ১৯২২ - ২৫ জুলাই ২০০২) বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা সাহিত্যিক, কবি, সাহিত্য সমালোচক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ। ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। তিনি তাঁর পাণ্ডিত্যের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। সৈয়দ আলী আহসানকৃত বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ সরকারি ভাষান্তর হিসাবে স্বীকৃত।
প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে বস্তুটিকে বলা হয়--
Correct Answer:
ঘ: উপমেয়
Explanation:
প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে বস্তুটিকে বলা হয়-- সঠিক উত্তর উপমেয় প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে বস্তুটিকে বলা হয় - - উপমেয়। উপমেয় শব্দের বাক্যে যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমা। যেমন : আকাশের রং = উপমেয়।
সব ক'টি জানালা খুলে দাও না' গানটির গীতিকার কে?
Correct Answer:
ঘ: নজরুল ইসলাম বাবু
Explanation:
সব ক'টি জানালা খুলে দাও না' গানটির গীতিকার কে? সঠিক উত্তর নজরুল ইসলাম বাবু সব ক'টি জানালা খুলে দাও না' গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। নজরুল ইসলাম বাবু (১৭ জুলাই ১৯৪৯ - ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯০) বাংলাদেশের একজন গীতিকবি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। "সব কটা জানালা খুলে দাও না", "একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার" গানের গীতিকার তিনি। ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পদ্মা মেঘনা যমুনা চলচ্চিত্রের গীত রচনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
'পাণিগ্রহণ' কথাটি যা গ্রহণ থেকে এসেেছে--
Correct Answer:
ঘ: হাত
Explanation:
'পাণিগ্রহণ' কথাটি যা গ্রহণ থেকে এসেেছে-- সঠিক উত্তর হাত বাঙালি বিবাহের বৈদিক আচার, শাস্ত্রীয় প্রথা ও রীতি:পাণিগ্রহণ (কন্যার পাণি অর্থাৎ হস্ত গ্রহণ)
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে ?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ মঈনুল হোসেন
Explanation:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে ? সঠিক উত্তর সৈয়দ মঈনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেন। স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন (জন্ম: ৫ মে, ১৯৫২ ঢাকা বিক্ৰমপুৱ; এবং মৃত্যু: ১০ নভেম্বর, ২০১৪)বাংলাদেশের প্রখ্যাত স্থপতি। তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের স্থপতি।
বাংলাদেশের রণ সংগীতের রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
খ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
বাংলাদেশের রণ সংগীতের রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের রণ সংগীতের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম। নতুনের গান বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে রচিত এবং সুরারোপিত সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি গান। দাদরা তালের এই সঙ্গীতটি ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের তৎকালীন মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশের রণ - সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচন করা হয়। বাংলাদেশের যে কোনো সামরিক অনুষ্ঠানে এই গানটির ২১ লাইন যন্ত্রসঙ্গীতে বাজানো হয়। গানটি ২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার করা জরিপে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিশটি বাংলা গানের ১৮তম স্থান অধিকার করে।