Dhatu (Bangla Grammar) MCQs
Showing 10 questions (Total: 10)
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয়----
Correct Answer:
খ: ধাতু
Explanation:
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয়---- সঠিক উত্তর ধাতু ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয় 'ধাতু'।আর 'ধাতু' বলতে ক্রিয়া পদের এমন একটি অংশকে বুঝানো হয়,যে অংশকে আর ভাঙ্গা যায় না।
' যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর'--- এখানে 'হারায়' কোন ধাতু?
Correct Answer:
ক: প্রযোজক ধাতু
Explanation:
' যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর'--- এখানে 'হারায়' কোন ধাতু? সঠিক উত্তর প্রযোজক ধাতু সঠিক হবে প্রযোজক ধাতু। মৌলিক ধাতুর পররে প্রেরনার্থ ( অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকেই প্রযোজক বা নিজন্ত ধাতু যা কখন ও কখন ও কর্মবাচ্যের ধাতু বলা হয়। অন্যদিকে নাম ধাতু হলো বিশেষ্য, বিশেষণ ও অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগে গঠিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু হলো বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সাথে কর, দে ,পা, খা, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতুর সংযোগে গঠিত ধাতু। যেমন - ঘুম (বিশেষ্য) + আ + ক্রিয়া বিভক্তি = ঘুমাচ্ছে ( নাম ধাতু)। যোগ (বিশেষ্য ) + কর (ধাতু) = যোগ কর (সংযোগমূলক ধাতু)
ধাতু চিহ্ন বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
Correct Answer:
গ: √
Explanation:
ধাতু চিহ্ন বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়? সঠিক উত্তর √ ক্রিয়ার মূল কিংবা এর যে অবিভাজ্য অংশ এর অন্তর্নিহিত মূল ভাবটির দ্যোতনা (দ্যোতনা = সূচনা, প্রকাশনা) করে, অথবা বিশ্লেষণ করা যায় না এ রকম যে ক্ষুদ্রতম ধ্বনি - সমষ্টি ক্রিয়ার বস্তু বা গুণ বা অবস্থান বুঝায় তাকে ধাতু বলে। যেমন - 'করা' ক্রিয়ার মূল 'কর্' একটি ধাতু।
কোন ধাতু গুলো মূলত এক ?
Correct Answer:
খ: প্রযোজক ধাতু ও কর্মবাচ্যের ধাতু
Explanation:
কোন ধাতু গুলো মূলত এক ? সঠিক উত্তর প্রযোজক ধাতু ও কর্মবাচ্যের ধাতু সাধিত ধাতু: মৌলিক ধাতু বা নাম শব্দের পরে ‘আ’ প্রত্যয়যোগে সাধিত ধাতু গঠিত হয়ে থাকে। সাধিত ধাতু তিন প্রকার। যথা:১. প্রযোজক ধাতু ২. নাম ধাতু ৩. কর্মবাচ্যের ধাতু১. প্রযোজক ধাতু: মৌলিক ধাতুর পরে (অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) ‘আ’ প্রত্যয়যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু বলে। যেমন: পড়্ + আ = শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন। কর্ + আ = করা। সে নিজে করে না, অন্যকে দিয়ে করায়। ২. নাম ধাতু: বিশেষ্য, বিশেষণ ও অনুকার অব্যয়ের পরে ‘আ’ প্রত্যয়যোগে গঠিত ধাতুকে নাম ধাতু বলে। যেমন: ঘুম্ + আ = ঘুমা। বাবা ঘুমাচ্ছেন। হাত্ + আ = হাতা। অন্যের পকেট হাতানো আমার স্বভাব নয়। ৩. কর্মবাচ্যের ধাতু: বাক্যে কর্তার চেয়ে কর্মের সঙ্গে যখন ক্রিয়ার সম্পর্ক প্রধান হয়ে ওঠে, তখন সে ক্রিয়াকে কর্মবাচ্যের ক্রিয়া বলে। কর্মবাচ্যের ক্রিয়ার মূলকে কর্মবাচ্যের ধাতু বলে। মৌলিক ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয়যোগে কর্মবাচ্যের ধাতু গঠিত হয়। যেমন: কর্ + আ = করা। আমি তোমাকে অঙ্কটি করতে বলেছি। হার্ + আ = হারা। বইটি হারিয়ে ফেলেছি।
শব্দ ও ধাতুর মূলকে বলে--
Correct Answer:
ক: প্রকৃতি
Explanation:
শব্দ ও ধাতুর মূলকে বলে-- সঠিক উত্তর প্রকৃতি শব্দ ও ধাতুর মূলকে বলে - - প্রকৃতি। প্রকৃতি মূলত দুই প্রকার। যথা : নাম প্রকৃতি ও ক্রিয়া প্রকৃতি।
ধাতুর শেষে 'অন্ত প্রত্যয়' যোগ করলে কোন পদ গঠিত হয়?
Correct Answer:
গ: বিশেষণ
Explanation:
ধাতুর শেষে 'অন্ত প্রত্যয়' যোগ করলে কোন পদ গঠিত হয়? সঠিক উত্তর বিশেষণ ধাতুর সাথে অন্ত প্রত্যয় যোগ করলে বিশেষণ গঠিত হয়। যেমন: উড় + অন্ত = উড়ন্ত, ডুব + অন্ত = ডুবন্ত, চল + অন্ত = চলন্ত ইত্যাদি।
ধাতু কয় প্রকার?
Correct Answer:
গ: তিন
Explanation:
ধাতু কয় প্রকার? সঠিক উত্তর তিন ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলে। তিন প্রকারের ধাতু হলো - মৌলেক ধাতু, সাধিত ধাতু ও যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
কোনটি নামধাতুর উদাহরণ?
Correct Answer:
গ: বেতা
Explanation:
কোনটি নামধাতুর উদাহরণ? সঠিক উত্তর বেতা বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতুটি গঠিত হয়, তাই নাম ধাতু যেমন: বেত (বিশেষ্য) + (প্রায়) = বেতা (নামধাতু)। শিক্ষক ছাত্রটিকে বেতাচ্ছেন। আমাকে ধমকিও না ("ধমক' থেকে নাম ধাতু 'ধর্মকা')। কর, পড়, চল মৌলিক বাংলা ধাতু।
নিচের কোনটি বাংলা ‘ধাতু’র দৃষ্টান্ত?
Correct Answer:
ক: কহ্
Explanation:
নিচের কোনটি বাংলা ‘ধাতু’র দৃষ্টান্ত? সঠিক উত্তর কহ্ বাংলা ভাষার ধাতুগুলোকে ২০টি আদি গণে ভাগ করা হয়, যাদের মধ্যে একটি হলো কহ আদিগণ।মিক নংধাতুগণউদাহরণ১হ-আদিগণহ (হওয়া), ল (লওয়া) ইত্যাদি।২খা-আদিগণখা (খাওয়া), ধা (ধাওয়া), পা (পাওয়া), যা (যাওয়া) ইত্যাদি।৩দি-আদিগণদি (দেওয়া), নি (নেওয়া) ইত্যাদি।৪শু-আদিগণচু (চোঁয়ানো), নু (নোয়ানো), ছু (ছোঁয়া) ইত্যাদি।৫কর্-আদিগণকর্ ( করা), কম্ (কমা), গড় (গড়া), চল (চলা) ইত্যাদি।৬কহ্-আদিগণকহ্ (কহা), সহ্ (সহা), বহ্ (বহা) ইত্যাদি।৭কাট্-আদিগণগাঁথ্, চাল্, আক্, বাঁধ্, কাঁদ্ ইত্যাদি।৮গাহ্-আদিগণচাহ্, বাহ্, নাহ্ (নাহান>স্নান) ইত্যাদি।৯লিখ্-আদিগণকিন্, ঘির্, জিত্, ফির্, ভিড়্, চিন্ ইত্যাদি।১০উঠ্-আদিগণউড়্, শুন্, ফুট্, খুঁজ্, খুল্, ডুব্, তুল্ ইত্যাদি।১১লাফা-আদিগণকাটা, ডাকা, বাজা, আগা (অগ্রসর হওয়া) ইত্যাদি।১২নাহা-আদিগণগাহা ইত্যাদি।১৩ফিরা-আদিগণছিটা, শিখা, ঝিমা, চিরা ইত্যাদি।১৪ঘুরা-আদিগণউঁচা, লুকা, কুড়া (কুড়াচ্ছে) ইত্যাদি।১৫ধোয়া-আদিগণশোয়া, খোঁচা, খোয়া, গোছা, যোগা ইত্যাদি।১৬দৌড়া-আদিগণপৌঁছা, দৌড়া ইত্যাদি।১৭চটকা-আদিগণসমঝা, ধমকা, কচলা ইত্যাদি।১৮বিগড়া-আদিগণহিচড়া, ছিটকা, সিটকা ইত্যাদি।১৯উলটা-আদিগণদুমড়া, মুচড়া, উপচা ইত্যাদি।২০ছোবলা-আদিগণকোঁচকা, কোঁকড়া, কোদলা ইত্যাদি।
ধাতুর পর কোন প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বুঝায়?
Correct Answer:
ঘ: আও
Explanation:
ধাতুর পর কোন প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বুঝায়? সঠিক উত্তর আও ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে আও প্রত্যয় যুক্ত হয় । { রেফারেন্স - পুরাতন বাংলা ব্যকরণ বই (৯-১০ শ্রেণি ) - নবম পরিচ্ছেদ - বিশেষ নিয়ম ৯ - পৃষ্ঠা ৮৪