Nature and conviction MCQs
Showing 26 questions (Total: 26)
কোন শব্দে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
Correct Answer:
গ: পাঠক
Explanation:
কোন শব্দে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে? সঠিক উত্তর পাঠক প্রত্যয়: শব্দ গঠনের উদ্দেশ্যে শব্দ বা নাম প্রকৃতির এবং ক্রিয়া প্রকৃতির পরে যে শব্দাংশ যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে। কয়েকটি শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করে দেখানো হলো : নাম প্রকৃতি প্রত্যয় প্রত্যয়ান্ত শব্দ হাত + ল = হাতল ফুল + এল = ফুলেল মুখ + র = মুখর ক্রিয়া প্রকৃতি প্রত্যয় প্রত্যয়ান্ত শব্দ চল্ + অন্ত = চলন্ত জম্ + আ = জমা বাংলা শব্দ গঠনে দুই প্রকার প্রত্যয় পাওয়া যায়। যেমন : তদ্ধিত প্রত্যয় ও কৃৎপ্রত্যয়। তদ্ধিত প্রত্যয়: শব্দমূল বা নাম শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয়। যেমন : হাতল, ফুলেল ও মুখর শব্দের যথাক্রমে ল, এল ও র তদ্ধিত প্রত্যয়। কৃৎপ্রত্যয়: ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে কৃৎপ্রত্যয়। যেমন : চলন্ত, জমা ও লিখিত শব্দের যথাক্রমে অন্ত, আ ও ইত কৃৎপ্রত্যয়। তদ্ধিতান্ত শব্দ: তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলা হয় তদ্ধিতান্ত শব্দ। যেমন : হাতল, ফুলেল ও মুখর। কৃদন্ত শব্দ: কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলা হয় কৃদন্ত শব্দ। যেমন : চলন্ত, জমা ও লিখিত।
'সৃষ্টি' এর প্রকৃতি প্রত্যয়-
Correct Answer:
খ: √সৃজ্ + তি
Explanation:
'সৃষ্টি' এর প্রকৃতি প্রত্যয়- সঠিক উত্তর √সৃজ্ + তি প্রকৃতি : শব্দমূল বা শব্দের যে অংশকে আর ভাঙা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে। প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি মৌলিক শব্দ তথা প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি প্রাতিপদিক ও ধাতুই একেকটি প্রকৃতি। কিন্তু মৌলিক শব্দকে প্রকৃতি বলা যায় না। যখনই সেই শব্দের সঙ্গে বা অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তখনই কেবল নতুন সৃষ্ট শব্দটির মূল শব্দটিকে প্রকৃতি বলা যায়। অর্থাৎ, প্রত্যয় সাধিত শব্দের মূলশব্দকে বলা হয় প্রকৃতি। কিন্তু শব্দটি থেকে প্রত্যয় সরিয়ে ফেললে, মূলশব্দটিকে তখন আর প্রকৃতি বলা যাবে না। যেমন - লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর মূলশব্দ যথাক্রমে লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। এখানে, লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলো প্রত্যয়সাধিত (মূলশব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ) আর এই শব্দগুলোর মূলশব্দ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। অর্থাৎ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত - এগুলো লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর প্রকৃতি। কিন্তু আলাদাভাবে উল্লেখ করলে এগুলো আর প্রকৃতি নয়, এগুলো তখন স্রেফ কতোগুলো মৌলিক শব্দ। প্রত্যয় : মূলশব্দ বা মৌলিক শব্দের সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে। অর্থাৎ, প্রাতিপদিক ও ধাতুর সঙ্গে যেই শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদেরকেই প্রত্যয় বলে। উপরের উদাহরণে, লাজুক শব্দের প্রকৃতি ‘লাজ’ - এর সঙ্গে প্রত্যয় ‘উক’ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে ‘লাজুক’ শব্দটি। এমনিভাবেপ্রকৃতি + প্রত্যয় = প্রত্যয়সাধিত শব্দবড় + আই = বড়াইঘর + আমি = ঘরামি
'দোলনা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি- প্রত্যয় কোনটি?
Correct Answer:
ক: দুল্ + অনা
Explanation:
'দোলনা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি- প্রত্যয় কোনটি? সঠিক উত্তর দুল্ + অনা যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দ (প্রাতিপদিক) এর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। যেমন দুল + অনা = দোলনা। এখানে মূল ক্রিয়াপদ 'দুল এবং প্রত্যয় হল 'অনা'।
' উৎকর্ষতা' কি কারণে অশুদ্ধ?
Correct Answer:
খ: প্রত্যয়জনিত
Explanation:
' উৎকর্ষতা' কি কারণে অশুদ্ধ? সঠিক উত্তর প্রত্যয়জনিত 'উৎকর্ষ' একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ শ্রেষ্ঠতা, উন্নতি , বৃদ্ধি, ইত্যাদি। কিন্তু এর বিশেষণ করতে 'উৎকর্ষতা ' বললে তা অশুদ্ধ হবে। কারণ এর বিশেষণ হবে - উৎকৃষ্টতা , যা দ্বারা বস্তুর , ভাবের বা রুচির উৎকর্ষ বোঝায়। সুতরাং এখানে 'উৎকর্ষতা' শব্দটি প্রত্যয়জনিত কারণে অশুদ্ধ।
শব্দ ও ধাতুর মূলকে বলে-
Correct Answer:
গ: প্রকৃতি
Explanation:
শব্দ ও ধাতুর মূলকে বলে- সঠিক উত্তর প্রকৃতি যে শব্দকে বা কোনো শব্দের যে অংশকে আর কোনো ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায় না তাকে প্রকৃতি বলে । প্রকৃতি দুই প্রকার । যেমন : নাম প্রকৃতি ও ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু । নাম প্রকৃতি : হাতল, ফুলেল , মুখর - এ শব্দগুলো বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই - হাত + ল = হাতল (বাঁট) , ফুল + এল = ফুলেল (ফুলজাত) ওমুখ + র = মুখর (বাচাল)। হাত, ফুল ও মুখ ইত্যাদি শব্দকে বলা হয় প্রকৃতি বা মূল অংশ। এগুলোর নাম প্রকৃতি । ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু : আবার চলন্ত , জমা ও লিখিত - শব্দগুলো বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই - চল্ + অন্ত = চলন্ত (চলমান) , জম্ + আ = জমা (সঞ্চিত) ওলিখ্ + ইত = লিখিত (যা লেখা হয়েছে) । এখানে চল্ , জম্ ও লিখ্ তিনটি ক্রিয়ামূল বা ক্রিয়ার মূল অংশ । এদের বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু ।
বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে ?
Correct Answer:
গ: পদ
Explanation:
বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে ? সঠিক উত্তর পদ পদ : বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দকে পদ বলে। বাক্যে যখন শব্দ ব্যবহৃত হয়, তখন শব্দগুলোর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির জন্য প্রতিটি শব্দের সঙ্গে কিছু অতিরিক্ত শব্দাংশ যুক্ত হয়। এগুলোকে বলে বিভক্তি। যে সব শব্দে আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় কোন বিভক্তি যুক্ত হয়নি, সে সব শব্দেও একটি বিভক্তি যুক্ত হয়। একে প্রথমা বিভক্তি বা শূণ্য বিভক্তি বলে। ব্যাকরণ অনুযায়ী কোন শব্দ বাক্যে ব্যবহৃত হলে তাতে বিভক্তি যুক্ত হতে হয়। আর তাই কোন শব্দ বাক্যে বিভক্তি না নিয়ে ব্যবহৃত হলেও তার সঙ্গে একটি বিভক্তি যুক্ত হয়েছে বলে ধরে নিয়ে তাকে শূণ্য বিভক্তি বলা হয়। অর্থাৎ, বিভক্তিযুক্ত শব্দকেই পদ বলে। পদের প্রকারভেদ : পদ প্রধানত ২ প্রকার - সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ।
ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করার উদ্দেশ্য কি?
Correct Answer:
ক: নতুন শব্দ গঠন
Explanation:
ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করার উদ্দেশ্য কি? সঠিক উত্তর নতুন শব্দ গঠন ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করার উদ্দেশ্য হলো - নতুন শব্দ গঠন করা। যেমন পৃথিবী শব্দের সাথে 'অ' প্রত্যয় যুক্ত হয় পার্থিব শব্দটি গঠিত হয়েছে। শব্দের সাথে যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠন হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। ক্রিয়া প্রকৃতির সাথে যে ধ্বনি বা ধ্বনি সমষ্টিকে যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
কোন বাক্যে সমধাতুজ কর্ম আছে?
Correct Answer:
খ: খুব ঠকা ঠকেছি
Explanation:
কোন বাক্যে সমধাতুজ কর্ম আছে? সঠিক উত্তর খুব ঠকা ঠকেছি বাক্যের ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ যদি একই ধাতু বা ক্রিয়ামূল থেকে গঠিত হয়, তবে তাকে সমধাতুজ কর্মপদ বলে। অর্থাৎ, ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ একই শব্দমূল থেকে গঠিত হলে তাকে সমধাতুজ কর্মপদ বলে। যেমন - আজ এমন ঘুম ঘুমিয়েছি।
ধাতু কত প্রকার ?
Correct Answer:
খ: তিন প্রকার
Explanation:
ধাতু কত প্রকার ? সঠিক উত্তর তিন প্রকার ধাতু প্রধানত তিন প্রকার। যথা : i. মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতু: যে সকল ধাতুকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না তাকে মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতু বলে। যেমন - √কর্, √চল, √দেখ্, √খেল, √পড়, √খা ইত্যাদি। বাংলা ভাষায় মৌলিক ধাতুগুলোকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়ঃ (ক)বাংলা ধাতু (খ)সংস্কৃত ধাতু এবং (গ)বিদেশি ধাতু ii. সাধিত ধাতু: কোন মৌলিক ধাতু কিংবা নাম শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে সাধিত ধাতু বলে। যেমন - √কর + আ = √করা, √দেখ্ + আ = √দেখা, √পড়্ + আ = √পড়া iii. সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতু: বিশেষ্য, বিশেষণ, ইত্যাদির সাথে কর্, দে, হ, পা ইত্যাদি মৌলিক ধাতু যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠন করে তাকে সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতু বলে। যেমন - পূজা কর্, রাজি হ, কষ্ট পা, শাস্তি দে।
”পাঠক” শব্দটি কোন শ্রেণীর ধাতু হতে গঠিত?
Correct Answer:
ক: সংস্কৃত
Explanation:
”পাঠক” শব্দটি কোন শ্রেণীর ধাতু হতে গঠিত? সঠিক উত্তর সংস্কৃত বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে। যেমন : 'পাঠক' শব্দটি থেকে পাই = 'পঠ' + 'অক' (প্রকৃতি/ধাতু + প্রত্যয়)। আবার, 'পঠ' ধাতু বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়ঃ প + অ + ঠ, এখানে 'ঠ' অন্ত্যধ্বনি এবং 'অ' উপধা ।
বিভক্তি যুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে-
Correct Answer:
গ: পদ
Explanation:
বিভক্তি যুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে- সঠিক উত্তর পদ বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলে। পদ প্রধানত ২ প্রকার। যথা: ক) সব্যয় পদ খ) অব্যয় পদ সব্যয় পদকে আবার ৪ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা : ১/বিশেষ্য ২/বিশেষণ ৩/ সর্বনাম ৪/ ক্রিয়া
শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন। ' পড়াচ্ছেন' ক্রিয়াটি কোন প্রকারের ধাতু দ্বারা গঠিত?
Correct Answer:
ক: প্রযোজক ধাতু
Explanation:
শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন। ' পড়াচ্ছেন' ক্রিয়াটি কোন প্রকারের ধাতু দ্বারা গঠিত? সঠিক উত্তর প্রযোজক ধাতু প্রযোজক ধাতু: মৌলিক ধাতুর পরে প্রেরণার্থ (অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) "আ" প্রত্যয় যোগ করে প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু গঠিত হয়। যেমন: পড় + আ = পড়া; শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন। তাই সঠিক উত্তর: প্রযোজক ধাতু।
শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যে সব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে ঐসব শব্দাংশকে বলে----
Correct Answer:
খ: উপসর্গ
Explanation:
শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যে সব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে ঐসব শব্দাংশকে বলে---- সঠিক উত্তর উপসর্গ যেসকল অব্যয় শব্দ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাক্যের অর্থের সম্প্রসারণ, সংকোচন বা অন্য কোনো পরিবর্তন ঘটায় সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
যে বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে বলে ---
Correct Answer:
ঘ: প্রত্যয়
Explanation:
যে বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে বলে --- সঠিক উত্তর প্রত্যয় যে বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন - পড় + উয়া = পড়ুয়া। এখানে 'উয়া' একটি প্রত্যয়।
ক্রিয়া বা ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলে ---
Correct Answer:
গ: কৃৎ প্রত্যয়
Explanation:
ক্রিয়া বা ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলে --- সঠিক উত্তর কৃৎ প্রত্যয় ক্রিয়া বা ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলে - - - কৃৎ প্রত্যয়। ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যেই প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন, উপরের উদাহরণে, ‘√পড়’ - এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া ‘উয়া’, ‘√নাচ’ - এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া ‘উনে’ এবং ‘√জিত’ - এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া ‘আ’ কৃৎ প্রত্যয়।
'যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন, কেষ্ট বেটাই চোর '- এ বাক্যে হারায় কোন ধাতু?
Correct Answer:
খ: প্রযোজক
Explanation:
'যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন, কেষ্ট বেটাই চোর '- এ বাক্যে হারায় কোন ধাতু? সঠিক উত্তর প্রযোজক 'যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন, কেষ্ট বেটাই চোর ' - এ বাক্যে হারায় প্রযোজক ধাতু। প্রযোজক ধাতু: মৌলিক ধাতুর সাথে 'আ' বা 'ওয়া' যুক্ত হয়ে ণিজন্ত বা প্রযোজন ধাতু গঠিত হয়। এটা এক ধরনের সাধিত ধাতু। যেমন - _/কর + আ = করা। ''যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর।'', এখানে ''হারায়'' হল প্রযোজক ধাতু।
ধাতুর পরে কৃৎ প্রত্যয় যোগ হয়ে যে শব্দ গঠিত হয় তাকে বলা হয় --
Correct Answer:
খ: কৃদন্ত শব্দ
Explanation:
ধাতুর পরে কৃৎ প্রত্যয় যোগ হয়ে যে শব্দ গঠিত হয় তাকে বলা হয় -- সঠিক উত্তর কৃদন্ত শব্দ ধাতুর পরে কৃৎ প্রত্যয় যোগ হয়ে যে শব্দ গঠিত হয় তাকে বলা হয় - - কৃদন্ত শব্দ। কৃদন্ত শব্দ: কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলা হয় কৃদন্ত শব্দ। যেমন : চলন্ত, জমা ও লিখিত।
ধাতু কত প্রকার?
Correct Answer:
ক: তিন প্রকার
Explanation:
ধাতু কত প্রকার? সঠিক উত্তর তিন প্রকার ধাতু তিন প্রকারের। যথা ১. মৌলিক ধাতু ২. সাধিত এবং ৩. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
”গমন” শব্দের মূল ধাতু কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: গম্
Explanation:
”গমন” শব্দের মূল ধাতু কোনটি? সঠিক উত্তর গম্ ‘গমন’ শব্দটি ‘অন’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। এর মূল ধাতু গম। গম + অন, কাঁদ + অন = কাঁদন, নাচ + অন = নাচন। শব্দগুলো ‘অন’ প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়েছে।
'ধাতুরুপ' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
Correct Answer:
ক: রুপতত্ত্বে
Explanation:
'ধাতুরুপ' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়? সঠিক উত্তর রুপতত্ত্বে শব্দতত্ত্ব বা রুপতত্ত্বঃ শব্দতত্ত্ব বা রুপতত্ত্বে থাকে শব্দের উৎপত্তি, শব্দমূল, শব্দের গঠন, বচন ও লিঙ্গ এবং ক্রিয়ামূল বা ধাতুরুপ, ক্রিয়ার কাল, পুরুষ, কারক, সমাস ইত্যাদি।
ক্রিয়া বা ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলে -
Correct Answer:
গ: কৃৎ প্রত্যয়
Explanation:
ক্রিয়া বা ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলে - সঠিক উত্তর কৃৎ প্রত্যয় ক্রিয়া বা ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ বলে।
‘কাজটি ভালো দেখায় না' এ বাক্যে ‘দেখায়’ ক্রিয়াটি কোন ধাতুর উদাহরণ?
Correct Answer:
খ: কর্মবাচ্যের ধাতুর
Explanation:
‘কাজটি ভালো দেখায় না' এ বাক্যে ‘দেখায়’ ক্রিয়াটি কোন ধাতুর উদাহরণ? সঠিক উত্তর কর্মবাচ্যের ধাতুর মৌলিক ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে কর্মবাচ্যের ধাতু সাধিত হয়। এটি বাক্যমধ্যস্থ কর্মপদের অনুসারী ক্রিয়ার ধাতু। যথাঃ দেখ + আ = দেখা; কাজটি ভালো দেখায় না। হার্ + আ = হারা; যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর'। কর্মবাচ্যের ধাতু বলে আলাদা নামকরণের প্রয়োজন নেই। কারণ, এটি প্রযোজক ধাতুরই অন্তর্ভুক্ত। যেমনঃ 'দেখায়' এবং ‘হারায়' প্রযোজক ধাতু।
কোন ধাতুর বিশ্লেষণ সাপেক্ষ নয়?
Correct Answer:
ঘ: মৌলিক ধাতু
বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে-
Correct Answer:
ঘ: কোনোটিই নয়
‘যাচঞা’ এর ধাতু অংশ হলো-
Correct Answer:
ক: √ যাচ্
ধাতুর পর কোন প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বুঝায়?
Correct Answer:
ঘ: আও
Explanation:
ধাতুর পর কোন প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বুঝায়? সঠিক উত্তর আও ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে আও প্রত্যয় যুক্ত হয় । { রেফারেন্স - পুরাতন বাংলা ব্যকরণ বই (৯-১০ শ্রেণি ) - নবম পরিচ্ছেদ - বিশেষ নিয়ম ৯ - পৃষ্ঠা ৮৪