division MCQs
Showing 29 questions (Total: 29)
বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয়-
Correct Answer:
খ: প্রাদিপাদিক
Explanation:
বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয়- সঠিক উত্তর প্রাদিপাদিক বিভক্তিহীন নাম পদকে বলা হয় - প্রাতিপাদিক প্রাতিপাদিকবিভক্তিহীন নাম - প্রকৃতি বা সাধিত শব্দকে এবং বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত ধাতু বা ক্রিয়া - প্রকৃতিকে প্রাতিপাদিক বলে। সংক্ষেপে বল্লে, প্রকৃতির সাথে প্রত্যয়ের যোগে যে শব্দ বা ধাতু গঠিত হয় তার নাম প্রাতিপাদিক। 'প্রাতিপাদিক' মানে যা দিয়ে শুরু করা হয়। নাম - প্রাতিপাদিকবিভক্তহীন ও প্রত্যয়হীন কংবা বিভক্তিহীন অথচ প্রত্যয়যুক্ত নাম - প্রকৃতিকে নাম প্রাতিপাদিক বলে। যেমন - দোকান + দার = দোকানদার + কে = দোকানদারকে ক্রিয়া - প্রাতিপাদিকবিভক্তহীন ও প্রত্যয়যুক্ত ধাতু - প্রকৃতিকে ক্রিয়া - প্রাতিপাদিক বলে। যেমন - কর্ + অ = করা + কে = করাকেবাংলা ধাতুর গণবাংলা ভাষার সমস্ত ধাতুকে ২০টি গণে ভাগ করা হয়েছে। যথা: - ক্রমিক নং ধাতুগণ উদাহরণ ১ হ - আদিগণ হ (হওয়া), ল (লওয়া) ইত্যাদি। ২ খা - আদিগণ খা (খাওয়া), ধা (ধাওয়া), পা (পাওয়া), যা (যাওয়া) ইত্যাদি। ৩ দি - আদিগণ দি (দেওয়া), নি (নেওয়া) ইত্যাদি। ৪ শু - আদিগণ চু (চোঁয়ানো), নু (নোয়ানো), ছু (ছোঁয়া) ইত্যাদি। ৫ কর্ - আদিগণ কর্ ( করা), কম্ (কমা), গড় (গড়া), চল (চলা) ইত্যাদি। ৬ কহ্ - আদিগণ কহ্ (কহা), সহ্ (সহা), বহ্ (বহা) ইত্যাদি। ৭ কাট্ - আদিগণ গাঁথ্, চাল্, আক্, বাঁধ্, কাঁদ্ ইত্যাদি। ৮ গাহ্ - আদিগণ চাহ্, বাহ্, নাহ্ (নাহান>স্নান) ইত্যাদি। ৯ লিখ্ - আদিগণ কিন্, ঘির্, জিত্, ফির্, ভিড়্, চিন্ ইত্যাদি। ১০ উঠ্ - আদিগণ উড়্, শুন্, ফুট্, খুঁজ্, খুল্, ডুব্, তুল্ ইত্যাদি। ১১ লাফা - আদিগণ কাটা, ডাকা, বাজা, আগা (অগ্রসর হওয়া) ইত্যাদি। ১২ নাহা - আদিগণ গাহা ইত্যাদি। ১৩ ফিরা - আদিগণ ছিটা, শিখা, ঝিমা, চিরা ইত্যাদি। ১৪ ঘুরা - আদিগণ উঁচা, লুকা, কুড়া (কুড়াচ্ছে) ইত্যাদি। ১৫ ধোয়া - আদিগণ শোয়া, খোঁচা, খোয়া, গোছা, যোগা ইত্যাদি। ১৬ দৌড়া - আদিগণ পৌঁছা, দৌড়া ইত্যাদি। ১৭ চটকা - আদিগণ সমঝা, ধমকা, কচলা ইত্যাদি। ১৮ বিগড়া - আদিগণ হিচড়া, ছিটকা, সিটকা ইত্যাদি। ১৯ উলটা - আদিগণ দুমড়া, মুচড়া, উপচা ইত্যাদি। ২০ ছোবলা - আদিগণ কোঁচকা, কোঁকড়া, কোদলা ইত্যাদি।
বিভক্তিহীন নাম শব্দ কে বলা হয় ?
Correct Answer:
ঘ: প্রাতিপদিক
Explanation:
বিভক্তিহীন নাম শব্দ কে বলা হয় ? সঠিক উত্তর প্রাতিপদিক প্রকৃতি : নাম ও ক্রিয়া শব্দের মূলকে প্রকৃতি বলে। যেমন: চলা, ঢাকা। নামপ্রকৃতি বা প্রাতিপদিক : নামের মূল অথবা বিভক্তিহীন নামকে নামপ্রকৃতি বা প্রাতিপদিক পদ বলে। যেমন: ঢাকা। ক্রিয়াপ্রকৃতি বা ধাতুপ্রকৃতি : ক্রিয়া বা ধাতুর মূলকে ক্রিয়া বা ধাতু প্রকৃতি বলে। যেমন: চল।
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কি বলে?
Correct Answer:
গ: প্রাতিপদিক
Explanation:
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কি বলে? সঠিক উত্তর প্রাতিপদিক যে পদ দ্বারা নাম বুঝায় থাকে নামপদ বলে। যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে উপপদ বলে। বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলা হয় প্রাতিপদিক।
নিচের কোন শব্দটিতে কর্তায় শূন্য বিভক্তি রয়েছে?
Correct Answer:
খ: বাঁশি
Explanation:
নিচের কোন শব্দটিতে কর্তায় শূন্য বিভক্তি রয়েছে? সঠিক উত্তর বাঁশি সঠিক উত্তর কোনোটিই নয়। বাবাকে ভয় পাই - অপাদানে দ্বিতীয়া, বাঁশি বাজে - কর্তায় শূন্য, ফলে বৃক্ষের পরিচয় - করণে সপ্তমী, পাপে বিরত হও - অপাদানে সপ্তমী।
নিম্নের কোনটি বিভক্তি নয়?
Correct Answer:
ঘ: পর্যন্ত
Explanation:
নিম্নের কোনটি বিভক্তি নয়? সঠিক উত্তর পর্যন্ত বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য যে সকল বর্ণ যুক্ত হয় তাদেরকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি স্থানীয় কয়েকটি অব্যয় শব্দ ও কারক সম্বন্ধ নির্ণয়ের জন্য বাংলায় প্রচলিত রয়েছে। যেমন: দ্বারা, দিয়ে, হতে, থেকে ইত্যাদি।
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কী বলে?
Correct Answer:
ঘ: প্রাতিপদিক
উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ- এখানে “উদ্যম বিহনে” কোন করাকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: অধিকরণে ৭মী
Explanation:
উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ- এখানে “উদ্যম বিহনে” কোন করাকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে ৭মী অধিকরণে ৭মী। ক্রিয়ার আধার কে অধিকরণ কারক বলে। অর্থাৎ যে স্থানে একবার যে বিষয়টি আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সে বিষয়, সময় বা স্থানকে বলা হয় অধিকরণ কারক। যেমন - আকাশে চাঁদ উঠেছে ।
”আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক” কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
গ: অধিকরণে ৬ষ্ঠী
Explanation:
”আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক” কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অধিকরণে ৬ষ্ঠী অধিকরণ কারক বলতে বোঝায় ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) ও আধারকে। বাংলাদেশ একটি স্থান, এর সাথে বিভক্তি চিহ্ন ‘এর’ যুক্ত হয়েছে। কাজেই নিয়ম অনুযায়ী এটি অধিকরণ কারক এবং ৬ষ্ঠী বিভক্তি।
”দশে মিলে করি কাজ” বাক্যে “দশে” কোন করাকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ক: কর্তৃকারকে ৭মী
Explanation:
”দশে মিলে করি কাজ” বাক্যে “দশে” কোন করাকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর কর্তৃকারকে ৭মী বাক্যের সঙ্গে "কে বা কারা" যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই ই কর্তৃকারক। দশে" - শব্দটি কর্তৃকারক এবং এর সাথে "এ" বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। সুতরাং সঠিক উত্তর কর্তৃকারকে ৭মী।
বিভক্তিহীন নাম শব্দ কে কি বলে?
Correct Answer:
গ: প্রাতিপাদিক
Explanation:
বিভক্তিহীন নাম শব্দ কে কি বলে? সঠিক উত্তর প্রাতিপাদিক বিভক্তিহীন নাম শব্দ কে প্রাতিপাদিক বলে। প্রাতিপদিক : বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলে। নামপদের যেই অংশকে আর বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, তাকেই প্রাতিপদিক বলে। যেমন - ‘হাত’। এই নাম শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি নেই। এর সঙ্গে ‘আ’ যুক্ত করে নতুন শব্দ ‘হাতা’ তৈরি করা যেতে পারে। এটিও একটি নাম শব্দ। আবার এর সঙ্গে ‘অল’ শব্দাংশ যুক্ত করে ‘হাতল’ আরেকটি নামশব্দ তৈরি করা যেতে পারে।
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কি বলে ?
Correct Answer:
ঘ: প্রাতিপদিক
Explanation:
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কি বলে ? সঠিক উত্তর প্রাতিপদিক বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে। যেমন : হাত, বই, কলম, মাছ ইত্যাদি। সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে। যেমন - তুমি আমি ও সে = আমরা।
বিভক্তিহীন নাম শব্দের কি বলে ?
Correct Answer:
ক: প্রাতিপদিক
Explanation:
বিভক্তিহীন নাম শব্দের কি বলে ? সঠিক উত্তর প্রাতিপদিক বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপাদিক বলে। যেমন, হাত, বই, কলম ইত্যাদি।
দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ক: তৃতীয়া বিভক্তি
Explanation:
দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর তৃতীয়া বিভক্তি বাংলা শব্দ বিভক্তি ৭ প্রকার - বিভক্তির নাম - বিভক্তি প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি - ০, অ দ্বিতীয়া বিভক্তি - কে, রে তৃতীয়া বিভক্তি - দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক চতুর্থী বিভক্তি - কে, রে* পঞ্চমী বিভক্তি - হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে ষষ্ঠী বিভক্তি - র, এর সপ্তমী বিভক্তি - এ, য়, তে
সম্বদ্ধ পদে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?
Correct Answer:
গ: র, এর
Explanation:
সম্বদ্ধ পদে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়? সঠিক উত্তর র, এর ক্রিয়াপদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে যে নামপদ বাক্যস্থিত অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক হয়, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে। সম্বন্ধ পদে 'র' বা 'এর' বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন - মতিনের ভাই বাড়ি যাবে।
সম্বন্ধ পদে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?
Correct Answer:
গ: র, এর
Explanation:
সম্বন্ধ পদে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়? সঠিক উত্তর র, এর সম্বন্ধ পদের বিভক্তি : (ক) সম্বন্ধ পদে 'র' বা 'এর' বিভক্তি (ষষ্ঠী বিভক্তি) যুক্ত হয়ে থাকে। যথা: আমি + র = আমার (ভাই), খালিদ + এর = খালিদের (বই) ইত্যাদি। (খ) সময়বাচক অর্থে সম্বন্ধ পদে কার> কের বিভক্তি যুক্ত হয়। যথা - আজি + কার = আজিকার > আজকের (কাগজ)। পূর্বে + কার = পূর্বেকার (ঘটনা)। কালি + কার = কালিকার > কালকার > কালকের। কিন্তু 'কাল' শব্দের উত্তর শুধু 'এর' বিভক্তিই যুক্ত হয়। যেমন - কাল + এর = কালের। উদাহরণ - সে কত কালের কথা।
দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক, বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
ক: তৃতীয়া বিভক্তি
'লোকে কিনা বলে' - বাক্যের 'লোক' শব্দের সাথে কোণ বিভক্তি যুক্ত আছে?
Correct Answer:
ক: -এ
অপাদানে দ্বিতীয়া বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
গ: বাবাকে বড্ড ভয় পায়
Explanation:
অপাদানে দ্বিতীয়া বিভক্তির উদাহরণ কোনটি? সঠিক উত্তর বাবাকে বড্ড ভয় পায় যা থেকে কিছু বিচ্যুত , গৃহিত, জাত, বিরত, আরম্ভ. দূরীবূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে। যেমন” বাবাকে বড্ড ভয় পাই। প্রদত্ত বাক্যটিতে বাবাকে ’ভয়’ পাওয়ার বা ভীত’ হওয়ার অবস্থ বুঝিয়ে । এখঅনে ‘বাবাকে এর সাথে দ্বিতীয় বিভক্তি ’কে’ ( বাবা + কে = বাবাকে) যুক্ত হয়েছে। সুতরাং এটি অপাদান কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি।
‘আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে’ এখানে “রাঘবে” কোন করকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: অপাদানে সপ্তমী
Explanation:
‘আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে’ এখানে “রাঘবে” কোন করকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর অপাদানে সপ্তমী যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে । ‘বিচ্যুত' অর্থে অপাদান কারকঃ গাছ থেকে পাতা পড়ে। 'গৃহীত' অর্থে অপাদান কারকঃ দুধ থেকে দই হয়। ‘জাত’ অর্থে অপাদান কারকঃ টাকায় টাকা হয়। ‘বিরত' অর্থে অপাদান কারকঃ পাপে বিরত হওয়া। 'রক্ষিত' অর্থে অপাদান কারকঃ বিপদে মোরে রক্ষা কর। 'ভীত' অর্থে অপাদান কারকঃ আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে।
কোনটিকে সম্বন্ধপদের নিজস্ব বিভক্তি বলা হয়?
Correct Answer:
ক: র
Explanation:
কোনটিকে সম্বন্ধপদের নিজস্ব বিভক্তি বলা হয়? সঠিক উত্তর র ক্রিয়া পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে যে নামপদ বাক্যস্থিত অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে। সম্বন্ধ পদে 'র' বা 'এর' বিভক্তি যুক্ত হয়ে থাকে। যেমন: আমার ভাই বাড়ি যাবে। এখানে ‘আমি’ এর সাথে 'র' বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘আমার’ (আমি + র = আমার) হয়েছে; যা সম্বন্ধ পদের নিজস্ব বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত।
বাংলায় বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এম ব্যাকরণিক উপদান কোনটি?
Correct Answer:
গ: অনুসর্গ
Explanation:
বাংলায় বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এম ব্যাকরণিক উপদান কোনটি? সঠিক উত্তর অনুসর্গ বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বলে। জন্য, দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক, হতে, থেকে, চেয়ে ইত্যাদি 'অব্যয় পদগুলো অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং বিভক্তি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। তাই বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এমন ব্যাকরণিক উপাদান "অনুসর্গ”। যেমন: অনুসর্গ: ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়। বিভক্তি: ঋণ থেকে মুক্ত বনমুক্ত।
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে?
Correct Answer:
ঘ: প্রাতিপদিক
'ঝনঝন' শব্দটি যে সাধারণের বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: ধন্যাত্মক
কর্মবাচ্যের কর্তার কোন বিভক্তি হয়?
Correct Answer:
ঘ: তৃতীয়া
উপমহাদেশের বিভক্তির সময় (১৯৪৭) ভারতবর্ষের ভাইসরয় কে ছিলেন?
Correct Answer:
গ: লর্ড মাউন্টব্যাটেন
Explanation:
উপমহাদেশের বিভক্তির সময় (১৯৪৭) ভারতবর্ষের ভাইসরয় কে ছিলেন? সঠিক উত্তর লর্ড মাউন্টব্যাটেন অনেক আলোচনার পর ১৯৪৬ সালের অক্টোবর মাসে মুসলিম লীগ অন্তর্বর্তী সরকারে যোগ দেয়। ইতোমধ্যে কলকাতা এবং নোয়াখালী সহ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু - মুসলিম দাঙ্গার ঘটনা ঘটে। সে প্রেক্ষাপটে ১৯৪৭ সালের ২২শে মার্চ নতুন ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারতবর্ষে এসে পৌঁছান।
ভাবাধিকরণে সবসময় কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?
Correct Answer:
গ: ৭ মী
নিচের কোনটি বিভক্তি নয়?
Correct Answer:
ঘ: পর্যন্ত
অপ্রাণিবাচক শব্দের উত্তর এ বিভক্তি হবে
Correct Answer:
ঘ: শূন্য
‘হেলায় সুযোগ হারিও না' বাক্যে নিম্নরেখ (হেলায়) শব্দটি কারকে কোন বিভক্তি?
Correct Answer:
খ: করণে ৭মী
Explanation:
‘হেলায় সুযোগ হারিও না' বাক্যে নিম্নরেখ (হেলায়) শব্দটি কারকে কোন বিভক্তি? সঠিক উত্তর করণে ৭মী কীসের দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাকে করণ কারক বলে। যেমন- শাক দিয়ে মাছ ঢেকো না।বি:দ্র: অনেক সময় কর্মকারক এ করণ কারকের মধ্যে বিভ্রন্তি সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে নিম্নে লিখিত নিয়মটি মেনে চলতে হবে।কাজটি কোন বস্তুর দ্বারা হয় কি না? উত্তর হ্যাঁ বোধক হলে তা করণ কারক। আর উত্তর না বোধক হলে তা কর্মকারক।এরমধ্যে মানুষের তৈরি নিয়ম আছে কি না? উত্তর হ্যাঁ বোধক হলে তা করণ কারক। আর উত্তর না বোধক হলে তা কর্মকারক।এবার কারক নির্ণয়ের জন্য দুটি উদাহরণ বেচে নেই।১. ছেলেরা বল খেলে। ২. ছেলেরা তাস খেলে।কাজটি কোন বস্তুর দ্বারা হয় কি না? হ্যাঁ। ফুটবল ও তাস দু’টিই বস্তু।এর মধ্যে মানুষের তৈরি নিয়ম আছে কি না? হ্যাঁ আছে। সুতরাং এটি করণ কারক। বিভক্তি সমূহ একবচন বহুবচন (কারক বিভক্তি বাংলা ব্যাকরণ)প্রথমা অ, শূন্য রা, এরা, গুলি, সমূহ,গণ, সকলদ্বিতীয়া কে, রে দিগে, দিগকে, দিগেরেতৃতীয়া দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক দিগ দ্বারা, দিগদিয়া, দিগ কর্তৃকচতুর্থী কে, রে দিগে. দিগকে, দিগেরেপঞ্চমী হইতে, থেকে, চেয়ে দিগ হইতে, দিগ থেকে, দিগ চেয়েষষ্ঠী র, এর দিগের, দের, গুলির, গণেরসপ্তমী এ, য়, তে দিগে, দিগেতে, গানে, গুলোর মধ্যে