Heat and Thermodynamics MCQs
Showing 50 questions (Total: 126)
দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে হলে হাইভোল্টেজ ব্যবহার করার কারণ-----
Correct Answer:
ক: এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয়
Explanation:
দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে হলে হাইভোল্টেজ ব্যবহার করার কারণ----- সঠিক উত্তর এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয় ব্যাখ্যাঃ বিদ্যুৎ পরিবহনে যে তার ব্যবহৃত হয় তার রোধ আছে। রোধের কারণে তড়িৎ প্রবাহের সময় তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তি হিসেবে অপচয় হয়। দূরত্ব যত বেশি হয়, অপচয়ও তত বেশি হয়। সেজন্য অধিক দূরত্বে তড়িৎ প্রেরণে তড়িৎ প্রবাহ কমিয়ে ভোল্টেজ বাড়ানো হয় যাতে অপচয় কম হয়।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ ----
Correct Answer:
ক: একই হয়
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ ---- সঠিক উত্তর একই হয় পর্যাবৃত্ত গতিনির্দিষ্ট সময় পর পর একইভাবে একই দিকে স্পন্দিত বা গতিশীল হয়। ঘড়ির কাটা, বৈদ্যুতিক পাখা, সাইকেলের চাকা ইত্যাদির গতিও পর্যাবৃত্ত গতির উদাহরণ। কম্পন/স্পন্দন গতিও
গৃহে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে লক্ষ রাখতে হয়-
Correct Answer:
গ: নিরাপত্তা ফিউজের সংযোগ কম গলনাংকের কোনো ধাতব তারে হয়
Explanation:
গৃহে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে লক্ষ রাখতে হয়- সঠিক উত্তর নিরাপত্তা ফিউজের সংযোগ কম গলনাংকের কোনো ধাতব তারে হয় ঘরবাড়িতে বা দোকানে বা কলকারখানায় কোনো কারণে বিদ্যুৎপ্রবাহ বৃদ্ধি পেলে তাপ উৎপাদিত হয়ে আগুন লেগে যেতে পারে। ফলে অপূরনীয় ক্ষতিও হতে পারে। এ সকল কারণে বিদ্যুৎ লাইনে নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজন হয় । কম গলনাংকের কোনো ধাতব তার ব্যবহার করে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়। এ তারকে নিরাপত্তা ফিউজ বলে।
বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের কাজে লাগানোর জন্য কোন বৈজ্ঞানিকের অবদান সবচেয়ে বেশি?
Correct Answer:
গ: টমাস এডিসন
Explanation:
বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের কাজে লাগানোর জন্য কোন বৈজ্ঞানিকের অবদান সবচেয়ে বেশি? সঠিক উত্তর টমাস এডিসন মার্কিন বিজ্ঞানি টমাস আলভা এডিসন গ্রামোফোন, ভিডিও ক্যামেরা, এবং দীর্ধস্থায়ী বৈদ্যুতিক বাতিসহ বহু যন্ত্র আবিষ্কার করে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। ব্যবসা বাণিজ্য ও কারখানায় বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন ও বণ্টনের ধারণা এবং প্রয়োগ তার হাত ধরেই চালু হয় যা আধুনিক শিল্প বিল্পবের কারণ।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ হয় -
Correct Answer:
গ: একই
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ হয় - সঠিক উত্তর একই তড়িৎতড়িৎ বা বিদ্যুৎ হল এক প্রকার শক্তি যা তড়িৎ আধানের স্থিতি বা গতির ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়। চুম্বকত্বের সাথে মিলিত হয়ে এটি একটি মৌলিক ক্রিয়ার জন্ম দেয় যার নাম হল তড়িৎ চুম্বকত্ব। অনেক গাঠনিক ও বাহ্যিক ঘটনার জন্য তড়িৎ দায়ী। যেমন: বজ্রপাত, তড়িৎ ক্ষেত্র, তড়িৎ প্রবাহ ইত্যাদি। অনেক শিল্প কারখানায় এবং ব্যবহারিক জীবনে এগুলোর প্রভাব বিদ্যমান। ইলেক্ট্রনিক্স এবং তড়িৎ ক্ষমতা এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ
বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হিসাব করা হয়-
Correct Answer:
ক: এক কিলোওয়াট- ঘন্টায়
Explanation:
বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হিসাব করা হয়- সঠিক উত্তর এক কিলোওয়াট- ঘন্টায় বৈদ্যুতিক এনার্জি বের করার সুত্র হল - W = V*I*T watt - sec. এখানে, w = বৈদ্যুতিক এনাজিv = ভেল্টেজI = অ্যামপিয়ারT = সময় আবার, পাওয়ার P = VIঅথাৎ পাওয়ার ও সময়ের গুনফলই হচ্ছে বৈদ্যুতিক এনাজি। বৈদ্যুতিক এনাজির একক হচ্ছে কিলোওয়াট - আওয়ার (Kwh) বা ইউনিট।
উড়োজাহাজের গতি নির্ণয়াক যন্ত্র ----
Correct Answer:
খ: ট্যাকোমিটার
Explanation:
উড়োজাহাজের গতি নির্ণয়াক যন্ত্র ---- সঠিক উত্তর ট্যাকোমিটার সূক্ষ্মভাবে সময় নির্ণায়ক যন্ত্র ক্রনোমিটার, উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র ট্যাকোমিটার, তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র হাইড্রোমিটার এবং মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র হচ্ছে ওডোমিটার ।
তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় কোন পদার্থ ?
Correct Answer:
খ: বায়বীয় পদার্থ
Explanation:
তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় কোন পদার্থ ? সঠিক উত্তর বায়বীয় পদার্থ তাপ প্রয়োগে করলে পদার্থ প্রসারিত হয়। তবে যে পদার্থের অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যতো কম সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হয় । কঠিন বা তরল পদার্থের তুলনায় বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম। তাই তাপ প্রয়োগে বায়বীয় পদার্থ সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়।
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র -----
Correct Answer:
গ: ট্যাকোমিটার
Explanation:
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র ----- সঠিক উত্তর ট্যাকোমিটার ক্রনোমিটার সুক্ষ্মভাবে সময় নির্ণায়ক যন্ত্র, ওডোমিটার মোটরগাড়ি গতি নির্ণায়ক যন্ত্র, ট্যাকোমিটার উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র এবং ক্রোসকোগ্রাফ উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ -----
Correct Answer:
গ: একই হয়
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ ----- সঠিক উত্তর একই হয় রেগুলেটরের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। যখন বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরানোর জন্য বিদ্যুৎ প্রবাহ কমানো হয় তখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রেগুলেটরে তাপ সৃষ্টি করে। যার ফলে বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় কারণ সবসময় বিদ্যুৎ প্রবাহ একই থাকে।
ঘর্ষণ, তাপ, রাসায়নিক ইত্যাদি প্রক্রিয়ায় সহজেই পরমাণু থেকে নির্গত হয়-
Correct Answer:
ক: ইলেক্ট্রন
Explanation:
ঘর্ষণ, তাপ, রাসায়নিক ইত্যাদি প্রক্রিয়ায় সহজেই পরমাণু থেকে নির্গত হয়- সঠিক উত্তর ইলেক্ট্রন ইলেকট্রন একটি অধঃ - পরমাণু মৌলিক কণা যা একটি ঋণাত্মক তড়িৎ আধান বহন করে। ইলেকট্রন একটি স্পিন - ১/২ অর্থাৎ ফার্মিয়ন এবং লেপ্টন শ্রেনীভুক্ত। এটি প্রধানত তড়িৎ - চুম্বকীয় মিথষ্ক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। পারমাণবিক কেন্দ্রের সঙ্গে একত্র হয়ে ইলেকট্রন পরমাণু তৈরি করে এবং এর রাসায়নিক বন্ধনে অংশগ্রহণ করে।
পারমাণবিক চুল্লীতে তাপ পরিবাহক হিসেবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়?
Correct Answer:
ক: সোডিয়াম
Explanation:
পারমাণবিক চুল্লীতে তাপ পরিবাহক হিসেবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়? সঠিক উত্তর সোডিয়াম পারমাণবিক চুল্লির জন্য অতি উপযোগী তাপ স্থানান্তরকারী বা তাপ পরিবাহক পদার্থ হলো ক্ষার ধাতুসমূহ। কারণ এদের রয়েছে চমৎকার তাপ স্থানান্তর ধর্ম। আবার ক্ষার ধাতুসমূহ যেমন - লিথিয়াম (Li) , সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (k) প্রভৃতির মধ্যে সোডিয়াম হলো সর্বাপেক্ষা আকর্ষণীয়। কারণ এর রয়েছে অপেক্ষাকৃত নিম্ন গলন বিন্দু এবং অতি উচ্চ তাপ - স্থানান্তর সহগ (Heat transfer coefficient )। তাছাড়া সেডিয়াম সহজলভ্য এবং তুলনামূলকভাবে এর মূল্য কম।এজন্য পারমাণবিক চুল্লিতে সাধারণত তাপ পরিবাহক হিসেবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।
সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ কত?
Correct Answer:
ক: ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
Explanation:
সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ কত? সঠিক উত্তর ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬,০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড (সেলসিয়াস) বা ১০,০০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং সূর্যের কেন্দ্রভাগের তাপমাত্রা প্রায় ১৫,০০০০০ কেলভিন । সূর্যের ভর প্রায় ১.৯৯ * ১০৩৩ কিলোগ্রাম । আমাদের পৃথিবীসহ সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ ও উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস হলো সূর্য ।
আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় -----
Correct Answer:
ক: মেঘের অসংখ্য জলকণা/বরফকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
Explanation:
আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় ----- সঠিক উত্তর মেঘের অসংখ্য জলকণা/বরফকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে 'ধনাত্মক' ও 'ঋণাত্মক' চার্জযুক্ত দুটি মেঘ কাছাকাছি আসলে আকর্ষণের ফলে চার্জ এক মেঘ থেকে অন্য মেঘে দ্রুত ছুটে যায়। ফলে ইলেক্ট্রনের চার্জ এক মেঘ থেকে অন্য মেঘে দ্রুত ছুটে যায়। ফলে ইলেক্ট্রনের (চার্জ) গতিপথে যে তীব্র আলোক উৎপন্ন হয় তাকে বিজলী চমকানো বলে।
কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়?
Correct Answer:
ঘ: রাবার
Explanation:
কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়? সঠিক উত্তর রাবার যেসব পদার্থের ভিতর দিয়ে সহজে তড়িৎ চলাচল করতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে। যেমন - রুপা, তামা, লোহা, ধাতব পদার্থ কার্বন, মানবদেহ, কয়লা, এসিড মিশ্রিত পানি , মাটি পারদ ইত্যাদি। যেসব পদার্থের ভিতর দিয়ে তড়িৎ একেবারে চলাচল করতে পারে না তাদেরকে অপরিবাহী পদার্থ বলে। যেমন - রাবার, শুকনা বায়ু, পার্সেলিন কাচ, কাগজ , কাঠ, গন্ধক, ইবোনাইট , রঞ্জন, রেশম ইত্যাদি। সঠিক উত্তর হবে : রাবার
পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়?
Correct Answer:
ক: সোডিয়াম
Explanation:
পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়? সঠিক উত্তর সোডিয়াম পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে ক্ষার ধাতু ব্যবহার করা হয়। কারণ ক্ষার ধাতুসমূহের তাপ পরিবাহকতা ও তাপ স্থানান্তর করার ক্ষমতা বেশি। এছাড়াও ক্ষার ধাতুসমূহ নিম্ন গলনাঙ্ক ও অতি উচ্চাতপ স্থানান্তর সহগ বিশিষ্ট। সোডিয়াম একটি ক্ষার ধাতু যা পারমাণবিক চুল্লির জন্য অতি উপযোগী তাপ স্থানান্তরকারী বা তাপ পরিবাহক পদার্থ । তাই পারমাণবিক চুল্লিতে উৎপাদিত তাপকে প্রশিমিত করার জন্য সোডিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়।
বিদ্যুৎ বিলের হিসাব কিভাবে করা হয়?
Correct Answer:
ঘ: কিলোওয়াট ঘণ্টায়
Explanation:
বিদ্যুৎ বিলের হিসাব কিভাবে করা হয়? সঠিক উত্তর কিলোওয়াট ঘণ্টায় প্রতি সেকেন্ড এক কিলোওয়াট হারে এক ঘণ্টায় যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রুপান্তরিত হয় বা ব্যয় হয় তাকে এক কিলোওয়াট ঘণ্টা বলা হয়। তড়িৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ বিলের হিসাব করে কিলোওয়াট ঘণ্টা এককে। বাণিজ্যিকভাবে এক 'বোর্ড অব ট্রেড ইউনিট ' (B.O.T Unit) বা সংক্ষেপে শুধু 'ইউনিট ' বলা হয় থাকে।
বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বলতে বুঝায় ----
Correct Answer:
ক: এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা
Explanation:
বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বলতে বুঝায় ---- সঠিক উত্তর এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা আন্তর্জাতিকভাবে সারাবিশ্বে তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠা বাড়িতে, দোকানে, অফিস আদলতে যে তড়িৎ সরবরাহ করে তা কিলোওয়াট ঘণ্টা এককে শক্তি পরিমাপ করে এই একককে বোর্ড অব ট্রেড ইউনিট (B.O.T Unit) সংক্ষেপে শুধু ইউনিট বলে।
নিচের কোনটির বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি?
Correct Answer:
খ: রূপা
Explanation:
নিচের কোনটির বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি? সঠিক উত্তর রূপা যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে চলাচল করতে পারে তাকে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের এ ধর্মকে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বলে। তামা, সোনা, রুপা ইত্যাদি বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। তবে যার রোধ যত কম তার বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তত বেশি। এক্ষেত্রে রুপার রোধ সবচেয়ে কম বলে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি।
তাপ প্রয়োগে সবচাইতে বেশি প্রসারিত হয় কোন পদার্থ ?
Correct Answer:
ক: বায়বীয় পদার্থ
Explanation:
তাপ প্রয়োগে সবচাইতে বেশি প্রসারিত হয় কোন পদার্থ ? সঠিক উত্তর বায়বীয় পদার্থ তাপ প্রয়োগ করলে পদার্থ প্রসারিত হয়। তবে যে পদার্থের অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যতো কম সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হয়। কঠিন বা তরল পদার্থের তুলনায় বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম। তাই তাপ প্রয়োগে বায়বীয় পদার্থ সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়।
নিচের কোনটি তাপের একক?
Correct Answer:
খ: জুল
Explanation:
নিচের কোনটি তাপের একক? সঠিক উত্তর জুল ভোল্ট হচ্ছে তড়িৎ চালক বা তড়িৎ বিভবের একক হচ্ছে। অন্যদিকে তাপের একক হচ্ছে জুল। এছাড়া কাজ এবং শক্তির এককও জুল। আর ওয়াট হচ্ছে ক্ষমতার একক।
সুর্যের প্রখর উত্তাপেও গরম হয় না
Correct Answer:
ক: গাছের পাতা
Explanation:
সুর্যের প্রখর উত্তাপেও গরম হয় না সঠিক উত্তর গাছের পাতা সূর্যের আলোয় পাতার পত্ররন্ধ্রগুলো খুলে যায়, যেকারণে দিনের বেলায় সর্বক্ষণ প্রস্বেদন হতে থাকে। আর উদ্ভিদদেহের অতিরিক্ত পানি প্রধানত পাতার (পত্ররন্ধ্রের) মাধ্যমে বাষ্পাকারে বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ার নামই প্রস্বেদন। দিনের বেলায় সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে প্রস্বেদনের হার অনেক বেড়ে যায়, অর্থাৎ পাতার চারপাশের বায়ু জলীয়বাষ্প দ্বারা সিক্ত হতে থাকে এবং জলীয়বাষ্পের তাপধারণ ক্ষমতা বেশি হওয়ায় তা চারপাশের পরিবেশ থেকে বেশি পরিমাণে তাপ গ্রহণ করে থাকে। এ কারণেই সূর্যের প্রখর আলোতেও গাছের পাতা গরম হয়ে যেতে পারে না। কেননা প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় নির্গত প্রচুর জলীয়বাষ্প সবসময়ই সেখান থেকে তাপ শোষণ করে নিচ্ছে।
তাপ প্রয়োগে কোন ধরনের পদার্থের প্রসারণ সবচেয়ে বেশি?
Correct Answer:
খ: বায়বীয়
Explanation:
তাপ প্রয়োগে কোন ধরনের পদার্থের প্রসারণ সবচেয়ে বেশি? সঠিক উত্তর বায়বীয় তাপ প্রয়োগ করলে কঠিন পদার্থের প্রসারন বেশি ঘটে
দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে হলে হাইভোল্টেজ ব্যবহার করার কারণ
Correct Answer:
ক: এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয়
Explanation:
দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে হলে হাইভোল্টেজ ব্যবহার করার কারণ সঠিক উত্তর এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয় বিদ্যুৎ পরিবহনে যে তার ব্যবহৃত হয় তার রোধ আছে। রোধের কারণে তড়িৎ প্রবাহের সময় তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তি হিসেবে অপচয় হয়। সেজন্য অধিক দূরত্বে তড়িৎ প্রেরণে তড়িৎ প্রবাহ কমিয়ে ভোল্টেজ বাড়ানো হয় যাতে অপচয় কম হয়।
কোনটির গতি সবচেয়ে বেশি?
Correct Answer:
খ: আলো
Explanation:
কোনটির গতি সবচেয়ে বেশি? সঠিক উত্তর আলো আলোর বেগ শূন্য মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে প্রতি সেকেন্ডে ২, ৯৯, ৭৯২, ৪৫৮ মিটার। আলোর বেগকে c দ্বারা প্রকাশ করা হয়। E = mc2 এখানে যে "c" ব্যাবহার করা হয়েছে সেটাই আলোর বেগকে নির্দেশ করছে। •প্রতি ঘন্টায় ১০৮০০০০০০০১০৮০০০০০০০ কি.মি.। • প্রতি সেকেন্ডে ১৮৬০০০১৮৬০০০ মাইল। • প্রতি ঘন্টায় ৬৭১০০০০০০৬৭১০০০০০০ মাইল। কিন্তু আলোর বেগ মাধ্যম ভেদে ভিন্ন হয়ে যেতে পারে। আলো যখন কোনো ঘণ স্বচ্ছ মাধ্যম দিয়ে প্রবেশ করে তখন এর বেগ "c" এর তুলনায় কমে যায়।
বিদ্যুৎ হচ্ছে
Correct Answer:
গ: শক্তি
Explanation:
বিদ্যুৎ হচ্ছে সঠিক উত্তর শক্তি বিদ্যুৎ এমন এক অদৃশ্য শক্তি যা আলো, শব্দ, গতি এবং রূপান্তরিত শক্তি ইত্যাদি উৎপন্ন করে বিভিন্ন বাস্তব কাজ সমাধা করে। বিদ্যুৎ ২(দুই) প্রকার। (i) স্থির বিদ্যুৎ (ii) চল বিদ্যুৎ ।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের আধুনিক উপায় কি?
Correct Answer:
খ: সৌরশক্তি
Explanation:
বিদ্যুৎ উৎপাদনের আধুনিক উপায় কি? সঠিক উত্তর সৌরশক্তি সৌর শক্তি হল সূর্যরশ্মিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তিতে রুপান্তর করা। দুইভাবে রুপান্তরের এই কাজটি করা হয়ে থাকে - প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে। প্রত্যক্ষভাবে সূর্যরশ্মিকে ব্যবহার করাকে ফোটো ভোলটাইক (পিভি) বলা হয়। প্রাথমিকভাবে ছোট ও মাঝারি পরিসরে এর ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পরোক্ষভাবে সূর্যরশ্মিকে ব্যবহার করাকে বলা হয় ঘনীভূত সৌর শক্তি বা কনসেনট্রেডেট সোলার পাওয়ার (সিএসপি)। সূত্র: উইকিপিডিয়া
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ
Correct Answer:
খ: একই হয়
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ সঠিক উত্তর একই হয় যেসব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত অপ, সম্, নি, অনু, অব, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।
বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বলতে বুঝায়-
Correct Answer:
ক: এক কিলোওয়াট -ঘন্টা
Explanation:
বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বলতে বুঝায়- সঠিক উত্তর এক কিলোওয়াট -ঘন্টা এক কিলোওয়াট ঘন্টা হলো শক্তির একক, যা ৩৬০০০০০ জুল শক্তি বা ১০০০ ওয়াট ক্ষমতায় ১ ঘন্টায় খরচকৃত বিদ্যুতের পরিমাণ। তাই এক কিলোওয়াট ঘন্টাকে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বোঝায়।
সিূর্যের প্রখর উত্তাপে গরম হয় না কোনটি?
Correct Answer:
ক: গাছের পাতা
Explanation:
সিূর্যের প্রখর উত্তাপে গরম হয় না কোনটি? সঠিক উত্তর গাছের পাতা সূর্যের আলোয় পাতার পত্ররন্ধ্রগুলো খুলে যায়। যেকারণে দিনের বেলায় সর্বক্ষণ প্রস্বেদন হতে থাকে। আর উদ্ভিদদেহের অতিরিক্ত পানি প্রধানত পাতার (পত্ররন্ধ্রের) মাধ্যমে বাষ্পাকারে বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ার নামই প্রস্বেদন। দিনের বেলায় সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে প্রস্বেদনের হার অনেক বেড়ে যায়, অর্থাৎ পাতার চারপাশের বায়ু জলীয়বাষ্প দ্বারা সিক্ত হতে থাকে এবং জলীয়বাষ্পের তাপধারণ ক্ষমতা বেশি হওয়ায় তা চারপাশের পরিবেশ থেকে বেশি পরিমাণে তাপ গ্রহণ করে থাকে। এ কারণেই সূর্যের প্রখর আলোতেও গাছের পাতা গরম হয়ে যেতে পারে না। কেননা প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় নির্গত প্রচুর জলীয়বাষ্প সবসময়ই সেখান থেকে তাপ শোষণ করে নিচ্ছে।
একটি বৈদ্যুতিক পাখা ধাীরে চালালে বিদ্যুৎ থরচ-
Correct Answer:
গ: একই হয়
Explanation:
একটি বৈদ্যুতিক পাখা ধাীরে চালালে বিদ্যুৎ থরচ- সঠিক উত্তর একই হয় বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের রোটেশন কমে কিন্তু রেগুলেটর উত্তপ্ত হয়। এই অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।
বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট কি দিয়ে তৈরী ?
Correct Answer:
খ: টাংস্টেন
Explanation:
বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট কি দিয়ে তৈরী ? সঠিক উত্তর টাংস্টেন বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেণ্ট টাংস্টেনের তার দিয়ে তৈরি। টাংস্টেনের গলনাঙ্ক খুব বেশি হওয়ায় (৩৪১০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড) অনেক গরম হলেও তার গলে যায় না।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ -
Correct Answer:
গ: একই হয়
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ - সঠিক উত্তর একই হয় রেগুলেটরের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। যখন বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরানোর জন্য বিদ্যুৎ প্রবাহ কমানো হয় তখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রেগুলেটরে তাপ সৃষ্টি করে। যার ফলে বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় কারণ সবসময় বিদ্যুৎ প্রবাহ একই থাকে।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ---
Correct Answer:
গ: একই হয়
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ--- সঠিক উত্তর একই হয় বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়। বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে বা জোরে ঘোরা রেগুলেটর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। রেগুলেটর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখা বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রেগুলেটরি পরিবর্তনশীল রোধ থাকে। তাই পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় কারণ এ সময় রেগুলেটরি বিদ্যুৎ শক্তি তাপ শক্তি হিসেবে অপচয় হয়।
তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় কোন পদার্থ
Correct Answer:
খ: বায়বীয় পদার্থ
Explanation:
তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় কোন পদার্থ সঠিক উত্তর বায়বীয় পদার্থ তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় বায়বীয় পদার্থ। তাপ প্রয়োগ করলে পদার্থ প্রসারিত হয়। তবে যে পদার্থের অণুগুলো মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যত কম সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হয়। কঠিন বা তরল পদার্থের তুলনায় বায়বীয় পদার্থের অণুগুলো মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ অনেক কম। তাই তাপ প্রয়োগে বায়বীয় পদার্থ সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়।
উড়োজাহাজের গতি নির্ণয়ক যন্ত্র---
Correct Answer:
গ: ট্যাকোমিটার
Explanation:
উড়োজাহাজের গতি নির্ণয়ক যন্ত্র--- সঠিক উত্তর ট্যাকোমিটার ক্রোনোমিটার - সময় নির্ণয়কারী যন্ত্র। ক্রেসকোগ্রাফ - উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপক যন্ত্র। ওডোমিটার - দূরত্ব পরিমাপক যন্ত্র
কোন রঙের বস্তু তাপ শোষণ কম করে?
Correct Answer:
ক: সাদা
Explanation:
কোন রঙের বস্তু তাপ শোষণ কম করে? সঠিক উত্তর সাদা সাদা রঙের বস্তু তাপ শোষণ কম করে। সাদা রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম কিন্তু কালো রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষতা বেশি?
Correct Answer:
ক: কালো
Explanation:
কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষতা বেশি? সঠিক উত্তর কালো কালো রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষতা বেশি। কালো রঙের বস্তু আলোর সকল রং শোষণ করে। সুতরাং কালো রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি। সাদা রঙের বস্তু আলোর সকল রং প্রতিফলিত করে ফলে সাদা রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা কম।
সাধারণ তাপমাত্রায় বায়ুচাপে পানি কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফোটে?
Correct Answer:
ক: ১০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
Explanation:
সাধারণ তাপমাত্রায় বায়ুচাপে পানি কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফোটে? সঠিক উত্তর ১০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড সাধারণ বায়ুচাপে পানি ১০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড ফোটে । স্ফুটনাঙ্ক হলো একটি তাপমাত্রা যাতে পৌঁছালে তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়। অতঃএব, যে তাপমাত্রায় কোন তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে তাকে উক্ত পদার্থের ‘স্ফুটনাঙ্ক’ বলা হয়। অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় কোন তরল পদার্থের বাষ্পীয় চাপ এক বায়ুমণ্ডল (1 atm ) চাপের সমান হয় এবং তরলটি বুদবুদসহ ফুটতে থাকে,তাকে সেই তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে । তাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তরলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে থাকলে এক পর্যায়ে তাপমাত্রা স্থির হয়ে যায়। এর পর আর তাপ প্রয়োগ করলেও তাপমাত্রার কোন পরিবর্তন হয়না। একটি নির্দিষ্ট সময় পর অর্থাৎ যতক্ষণে সম্পূর্ণ তরল বাষ্পে পরিণত হয় ততক্ষণ পর আবার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই স্থির তাপমাত্রাটিই হল স্ফুটানাঙ্ক। প্রকৃতপক্ষে এই স্থির তাপমাত্রায় যে তাপ প্রয়োগ করা হয় তা কেবল তরল থেকে পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করতে ব্যবহৃত হয়। বায়শূন্য স্থানে তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম থাকে। অধিক বায়ুচাপে স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায়। এজন্য পাহাড়ের ওপর পানি ফুটতে দেরি হয়। যেমনঃ ভূপৃষ্ঠে পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস , তবে হিমালয়ের পর্বতের ওপরে এই স্ফুটনাঙ্ক মাত্র ৭১ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
কোন পদার্থ সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী?
Correct Answer:
ক: রুপা
Explanation:
কোন পদার্থ সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী? সঠিক উত্তর রুপা রুপা পদার্থ সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী । পদার্থবিজ্ঞানের এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলের দৃষ্টিকোন থেকে তড়িৎ পরিবাহী বা বিদ্যুৎ পরিবাহী বা তড়িৎ পরিবাহক হলো সেই বস্তু যার মধ্য দিয়ে খুব সহজেই অর্থাৎ খুব অল্প বাধায় বা রোধে তড়িৎ বা বিদ্যুৎ চলাচল করতে পারে। প্রধানত ধাতব পদার্থগুলো যেমন তামা বা রূপা ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা খুব ভালো হয় কারণ এদের পরমাণুর গঠন অনুযায়ী সর্ব বহিঃস্থ খোলকে একটি করে ইলেকট্রন থাকে যা খুব সহজেই বা অল্প প্রণোদনাতেই ঐ পরিবাহীর পরমাণু থেকে পরমাণুতে চলাচল করতে পারে। যেহেতু তড়িৎ প্রবাহ হচ্ছে আসলে চার্জ যুক্ত আধানের প্রবাহ তাই এই সহজে চলাচলে সক্ষম ইলেকট্রন খুব সহজে পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহে সহায়তা করে। ঋণাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রনই শুধু নয়, স্ফটিক সজ্জার মধ্য দিয়ে ধনাত্মক আধানও পরমাণুর আকারে প্রবাহিত হতে পারে যেটা ইলেকট্রন হোল নামে পরিচিত। আবার তড়িৎ কোষের (battery) মধ্যে দিয়ে আয়নের আকারেও আধান প্রবাহিত হতে পারে। এই সকল ধরনের আধানের প্রবাহই তড়িৎ প্রবাহ, তাই যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হতে পারে তাকে তড়িৎ পরিবাহী বলা যায়। কিন্তু সাধারণভাবে তড়িৎ পরিবাহী বলতে ইলেকট্রন প্রবাহ করতে সক্ষম পদার্থকেই বোঝায়। দৈনন্দিন জীবনে বিদ্যুৎ পরিবহনকারী তারকে বিদ্যুৎ পরিবাহীর প্রতিশব্দ হিসেবেও দেখা হয়।
বাংলাদেশে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা নিচের কত ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড?
Correct Answer:
গ: ২৫
Explanation:
বাংলাদেশে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা নিচের কত ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড? সঠিক উত্তর ২৫ বাংলাদেশে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১° সেন্টিগ্রেড এবং গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার। শীতকালীন তাপমাত্রা (নভেম্বর - ফেব্রুয়ারি) ঃ ২৯° সে. এবং সর্বনিম্নঃ ১১° সে.। গ্রীস্মকালীন তাপমাত্রা (এপ্রিল - সেপ্টেম্বর) ৩৪° সে. এবং সর্বনিম্নঃ ২১° সে.।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ--
Correct Answer:
গ: একই থাকে
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-- সঠিক উত্তর একই থাকে বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরা বা দ্রুত ঘুরা নিয়ন্ত্রিত হয় রেগুলেটরের সাহায্যে। এটি একটি বিশেষ বর্তনী যা প্রবাহিত মূল প্রবাহকে একটি পরিবর্তনশীল রোধের দ্বারা কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেয় । মূলপ্রবাহ ঠিকই থাকে। এখানে রোধকৃত বৈদ্যুতিক শক্তি তাপশক্তি রুপে খরচ একই থাকে।
অক্সিঅ্যাসিটিলিন শিখার তাপমাত্রা --
Correct Answer:
খ: ৩০০০ ডিগ্রী - ৩৫০০ ডিগ্রী সে.
Explanation:
অক্সিঅ্যাসিটিলিন শিখার তাপমাত্রা -- সঠিক উত্তর ৩০০০ ডিগ্রী - ৩৫০০ ডিগ্রী সে. অক্সিজেন ও অ্যাসিটিলিন নামক গ্যাসের মিশ্রণ কে অক্সি অ্যাসিটিলিন বলা হয়। এই মিশ্রণ কে প্রজ্জ্বলিত করলে, যে অগ্নিশিখার সৃষ্টি হয় তাকেই অক্সি অ্যাসিটিলিন শিখা বলে। এই শিখার তাপমাত্রা ৩০০০ - ৩৫০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হয়ে থাকে।
কোনটির গতি বেশি?
Correct Answer:
গ: ECL
Explanation:
কোনটির গতি বেশি? সঠিক উত্তর ECL Emitter Coupled Logic (ECL) is a high speed integrtted circuit bipolar transistor logic family.ECL uses an overdriven BJT differential amplifire with single inded input & limited emmiter curent to avoid the saturated region of operation & its slow turn off behaviour.
বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার সময় আমরা যার জন্য বিল পরিশোধ কারি তা হলো--
Correct Answer:
ঘ: শক্তি
Explanation:
বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার সময় আমরা যার জন্য বিল পরিশোধ কারি তা হলো-- সঠিক উত্তর শক্তি বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বলতে বোঝায় এক কিলোওয়াট ঘন্টা। কিলোওয়াট ঘন্টা শক্তির একক, যা ৩৬,০০,০০০ জুল শক্তি বা কাজের সমতুল্য।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
Correct Answer:
গ: একই হয়
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ- সঠিক উত্তর একই হয় প্রশ্ন বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ উত্তরঃ একই হয় বর্ণনা : রেগুলেটর এর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখা বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয় । যখন বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরানোর জন্য বিদ্যুৎপ্রবাহ কমানো হয় তখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রেগুলেটরের তাপ সৃষ্টি করে । যার ফলে বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় । কারণ সব সময় বিদ্যুৎ প্রবাহ একই থাকে।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ ____.
Correct Answer:
ঘ: একই হয়
Explanation:
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ ____. সঠিক উত্তর একই হয় বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের রোটেশন কমে কিন্তু রেগুলেটর উত্তপ্ত হয়। এই অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম - বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।
কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
Correct Answer:
ক: ৪ সে.
Explanation:
কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি? সঠিক উত্তর ৪ সে. সাধারণত কোনো বস্তুর তাপমাত্রা হ্রাস করলে এর ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। পানির একমাত্র ব্যতিক্রমী প্রসারণ হচ্ছে পানির তাপমাত্রা কমিয়ে ৪০ সেন্টিগ্রেডে আনলে এর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয় এবং ৪০ থেকে তাপমাত্রা কমিয়ে আনলে এর ঘনত্ব কমতে থাকে। পানির এ ধর্মের জন্যই বরফ পানিতে ভাসে।
সেন্টিগ্রেড মাপে তাপমাত্রায় পরিবর্তন যদি ৪৫ ডিগ্রী হয়, তাহলে কেলভিন মাপে পরিবর্তন কত হবে?
Correct Answer:
খ: ৪৫ ডিগ্রী
Explanation:
সেন্টিগ্রেড মাপে তাপমাত্রায় পরিবর্তন যদি ৪৫ ডিগ্রী হয়, তাহলে কেলভিন মাপে পরিবর্তন কত হবে? সঠিক উত্তর ৪৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ফারেনহাইট ও কেলভিন স্কেলের মধ্যে সম্পর্কC/5 = (F - 32)/9 = K-273/5C = সেলসিয়াস স্কেলে তাপমাত্রাK = কেলভিন স্কেলে তাপমাত্রাF = ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রাসুতরাং সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি হলে কেলভিন তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি হবে।
নিচের উল্লিখিত বস্তুর মধ্যে কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহক নয়?
Correct Answer:
ঘ: রাবার
Explanation:
নিচের উল্লিখিত বস্তুর মধ্যে কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহক নয়? সঠিক উত্তর রাবার বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ - রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, মাটি, কার্বন, কয়লা, মানবদেহ ইত্যাদি। বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ - শুকনো কাপড়, কাচ, শুকনো কাঠ, রাবার, কাগজ, ব্যাকেলাইট ইত্যাদি।