Literature MCQs
Showing 14 questions (Total: 14)
দোভাষী পুঁথি বলতে কি বোঝায়?
Correct Answer:
খ: কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষার রচিত পুঁথি
Explanation:
দোভাষী পুঁথি বলতে কি বোঝায়? সঠিক উত্তর কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষার রচিত পুঁথি 'দোভাষী পুঁথি' শুধু দুটি ভাষায় রচিত পুঁথি নয় । বাংলা, হিন্দি, ফারসি, আরবি, তুর্কি ইত্যাদি ভাষার সংমিশ্রণে রচিত পুঁথিই হলো 'দোভাষী পুঁথি' ।
পুঁথি সাহিত্য বলতে বুঝি-
Correct Answer:
গ: ইসলামী চেতনা সম্পৃক্ত
Explanation:
পুঁথি সাহিত্য বলতে বুঝি- সঠিক উত্তর ইসলামী চেতনা সম্পৃক্ত জসিম উদ্দিন এর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত কাব্যগ্রন্থ = নকশি কাঁথার মাঠ। ○ পুঁথি সাহিত্য বলতে বুঝায় = ইসলামী চেতনাসম্পৃক্ত। ○ পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক = সৈয়দ হামজা। ○ দোভাষী পুঁথি বলতে বুঝায় = মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি । ○ দোভাষী পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও স্বার্থক কবি কে = ফকির গরীবুল্লাহ ।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী পুঁথি সাহিত্য সংগ্রহের জন্য গিয়েছেন-
Correct Answer:
ক: তিব্বত, নেপাল
Explanation:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী পুঁথি সাহিত্য সংগ্রহের জন্য গিয়েছেন- সঠিক উত্তর তিব্বত, নেপাল মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ – ১৭ নভেম্বর, ১৯৩১) ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্ বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক।
পুঁথি সাহিত্য বলতে বোঝায়--
Correct Answer:
গ: ইসলামী চেতনা সম্পৃক্ত সাহিত্য
Explanation:
পুঁথি সাহিত্য বলতে বোঝায়-- সঠিক উত্তর ইসলামী চেতনা সম্পৃক্ত সাহিত্য যুগসন্ধিকালে (১৭৬০ - ১৮৬০) মুসলিম শায়েররা হিন্দি - উর্দু - বাংলা মিশ্রিত এক ধরনের বিশেষ ভাষায় কবি গান রচনা করেন আরবি - ফারসি উর্দু থেকে কাহিনী গ্রহণ করে। পুঁথি সাহিত্য রচয়িতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন ফকির গরীবুল্লাহ, সৈয়দ হামজা প্রমুখ।
পুঁথি সাহিত্যের লেখক-
Correct Answer:
ক: সৈয়দ হামজা
Explanation:
পুঁথি সাহিত্যের লেখক- সঠিক উত্তর সৈয়দ হামজা সৈয়দ হামজার সাহিত্যকীর্তি: মধুমালতী (১৭৮৮) - পুথিঁ (বাংলা) আমীর হামজা (১৭৯৫) হাতেম তাই
পুঁথি সাহিত্যের আদি কবি কে?
Correct Answer:
গ: শাহ গরীবুল্লাহ
Explanation:
পুঁথি সাহিত্যের আদি কবি কে? সঠিক উত্তর শাহ গরীবুল্লাহ শাহ্ গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৭০ - ১৭৭০) দোভাষী পুথি রচয়িতা। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার হাফেজপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর নামে প্রচলিত এ যাবৎ পাঁচখানি কাব্যের সন্ধান পাওয়া যায়। সেগুলি হলো: ইউসুফ জোলায়খা, জঙ্গনামা, সোনাভান, সত্যপীরের কথা এবং আমীর হামজা (১ম খন্ড)। কিন্তু এ কাব্যগুলি বটতলার পুথি প্রকাশকদের দ্বারা নানা ব্যক্তির নামে প্রকাশিত হয়েছে। যেমন ইউসুফ জোলায়খা মুনসী ফকির মোহাম্মদের নামে প্রচলিত হলেও কাব্যের প্রায় সর্বত্রই ‘অধীন ফকির’ বা ‘গরীব ফকির’ নামে ভণিতা আছে, যা ফকির গরীবুল্লাহকেই এর রচয়িতা হিসেবে প্রমাণ করে। ইউসুফ জোলায়খা, জঙ্গনামা ও আমীর হামজা কাব্যের উৎস আরবি ও ইরানি সাহিত্য, আর সোনাভান ও সত্যপীরের কথা কাব্যের উৎস ভারতীয় সাহিত্য। মধ্যযুগে বাংলা ভাষায় এসব বিষয় নিয়ে বহু কাব্য রচিত হয়েছে। আঠারো শতকের বাংলা সাহিত্যএ শাহ্ গরীবুল্লাহর বড় পরিচয় দোভাষী পুথিসাহিত্যের নির্মাতা হিসেবে। তিনিই প্রথম কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, ভুরসুট ও মান্দারণ নগর কেন্দ্রিক অশিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিত মুসলিম জনগণের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহূত বাংলা ভাষার সঙ্গে আরবি - ফারসি ও উর্দু - হিন্দি ভাষার প্রয়োগ ঘটিয়ে এক ভিন্ন ধারার কাব্যরীতি গড়ে তোলেন। এ ধারার কাব্যই দোভাষী পুথি নামে পরিচিত। উনিশ শতক পর্যন্ত বহু কবি এ রীতিতে কাব্য রচনা করেছেন। উল্লেখ্য যে, শাহ্ গরীবুল্লাহর প্রথম কাব্যখানি শুদ্ধ বাংলা ভাষায় রচিত। তিনি একাধারে সাধক ও কবি ছিলেন। তাঁর রচনায় ইসলাম ধর্মের শ্রেষ্ঠত্বের কথা উচ্চারিত হলেও পরধর্মের প্রতিও শ্রদ্ধার মনোভাব ব্যক্ত হয়েছে।
পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক কে?
Correct Answer:
গ: সৈয়দ হামজা
Explanation:
পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ হামজা পুঁথিসাহিত্য হলো অষ্টাদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে আরবি - ফারসি শব্দ মিশ্রিত এক ধরনের বিশেষ ভাষা রীতিতে রচিত সাহিত্য কর্ম। পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক দৌলত কাজী হলেও অষ্টাদশ শতকের শেষ দিকে ফকির গরীবুল্লাহ, সৈয়দ হামজা প্রমুখ এ কাব্য রচনা করেন।
দো-ভাষী পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক কবি-
Correct Answer:
খ: ফকির গরীবুল্লাহ
Explanation:
দো-ভাষী পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক কবি- সঠিক উত্তর ফকির গরীবুল্লাহ ফকির গরীবুল্লাহ এদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন সাহিত্যিক। তিনি দো - ভাষী পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক কবি। ফকির গরীবুল্লাহ হুগলি জেলার (তখনকার বর্ধমান এর অংশ) বালিয়া পরগনার হাফিজপুর গ্রামের অধিবাসী। তাঁর পিতার নাম শাহ্ দুন্দীর (সাহা দুন্দি)। আমির হামজা প্রথম পর্ব তাঁর রচনা। ফকির গরীবুল্লাহ - এর ইউসুফ - জোলেখা নামে একটি কাব্যগ্রন্থ আছে। মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করেন, কাব্যটি ১৭৬৫ সালের পর রচিত। ঐতিহাসিকরা বলেন, আঠারো শতকের মধ্যভাগে ফকির গরীবুল্লাহ কয়েকটি পুঁথি রচনা করেন। সেগুলো হচ্ছে: ইউসুফ জোলেখা, আমির হামজা, সোনাভান ও সতয়পীরের পুঁথি।
পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক-কে?
Correct Answer:
ঘ: সৈয়দ হামজা
Explanation:
পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক-কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ হামজা সৈয়দ হামজা (জন্ম: ১৭৫৫ - মৃত্যু: ১৮১৫) সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। তিনি পুথিঁ সাহিত্যিক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক-
Correct Answer:
ক: সৈয়দ হামজা
Explanation:
পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক- সঠিক উত্তর সৈয়দ হামজা পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক - সৈয়দ হামজা। সৈয়দ হামজা (জন্ম: ১৭৫৫ - মৃত্যু: ১৮১৫) সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। তিনি পুথিঁ সাহিত্যিক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি কে?
Correct Answer:
খ: ফকির গরীব উল্লাহ
উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয় ?
Correct Answer:
ক: ময়মনসিংহ গীতিকা
Explanation:
উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয় ? সঠিক উত্তর ময়মনসিংহ গীতিকা ১৯১৬ সালে ময়মনসিংহের কবি চন্দ্রকুমার দে প্রথম সেই এলাকার প্রচলিত পালাগান বা গাথাগুলি সংগ্রহ করেছিলেন | আচার্য দীনেশচন্দ্র সেনের উত্সাহে তা পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় | এই সমস্ত পালা ময়মনসিংহ গীতিকা নামেই পরিচিতি লাভ করে |এটি লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত ।
কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয়?
Correct Answer:
ক: ময়মনসিংহ গীতিকা
পুঁথি সাহিত্যের ভাষা কিরূপ ?
Correct Answer:
ঘ: মিশ্র