Similar words MCQs
Showing 32 questions (Total: 32)
ণত্ব বিধি সাধারণত কোন শব্দে প্রযোজ্য?
Correct Answer:
গ: তৎসম
Explanation:
ণত্ব বিধি সাধারণত কোন শব্দে প্রযোজ্য? সঠিক উত্তর তৎসম যে বিধান বা নিয়ম অনুসরণে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে 'ণ (মূর্ধন্য - ণ) ও 'ন' (দন্ত্য - ন) এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায় তাকে ণত্ব বিধান হলো। উল্লেখ্য , খাঁটি বাংলা ও বিদেশী শব্দে মূর্ধন্য - ণ হয় না। যেমন - কান, সোনা, কুরআন ,গভর্নর ,ইরান ইত্যাদি।
' তৎসম' শব্দের ব্যবহার কোন রীতিতে বেশি হয়?
Correct Answer:
খ: সাধু রীতি
Explanation:
' তৎসম' শব্দের ব্যবহার কোন রীতিতে বেশি হয়? সঠিক উত্তর সাধু রীতি ক. বাংলাভাষার লৈখিক রীতি দুটির একটি চলিত রীতি। চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। খ. যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রুপ অপরিবর্তিত রয়েছে সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল । গ. বাংলা ভাষায় মিশ্র রীতির ব্যবহার নেই। ঘ. মৌখিক রীতির দুটি ভাগের একটি হলো আঞ্চলিক রীতি। বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক রীতির বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।
অর্ধ তৎসম শব্দের উদাহরণ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: গিন্নী
Explanation:
অর্ধ তৎসম শব্দের উদাহরণ কোনটি? সঠিক উত্তর গিন্নী অর্ধ - তৎসম শব্দ - জ্যোছনা, ছেরাদ্দ, গিন্নী, বোষ্টম, কুচ্ছিত।
নিচের কোনট তৎসম শব্দ নয়?
Correct Answer:
ক: হারাম
Explanation:
নিচের কোনট তৎসম শব্দ নয়? সঠিক উত্তর হারাম যেসব শষ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনোরূপ পরিবর্তন ছাড়াই সরাসারি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। এখানে চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র প্রতেকে তৎসম শব্দ । অন্যাদিকে ‘হারামৎ আরবি শব্দ ।
কোনটি তৎসম শব্দ ?
Correct Answer:
গ: ধর্ম
Explanation:
কোনটি তৎসম শব্দ ? সঠিক উত্তর ধর্ম তৎসম শব্দঃ চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, মনুষ্য, ধর্ম, পাত্র, মস্তক, অন্ন, গৃহ, চরণ, তৃণ, অগ্রহায়, ভাষা।
কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ ?
Correct Answer:
ঘ: কুচ্ছিত
Explanation:
কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ ? সঠিক উত্তর কুচ্ছিত কুচ্ছিত - অর্ধতৎসম শব্দ। কারণ, কুৎসিত(তৎসম) < কুচ্ছিত (অর্ধ তৎসম)।
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ ?
Correct Answer:
খ: ভবন
Explanation:
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ ? সঠিক উত্তর ভবন যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তৎ (তার) + সম (সমান)] = তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত। তৎসম শব্দ খুব গুরুগম্ভীর হয়ে থাকে। কেননা সংস্কৃত ভাষাও অত্যন্ত গুরুগম্ভীর। তাই গুরুগম্ভীর বাংলা লিখতে গেলে তৎসম শব্দ ব্যবহার করতে হয়। বাংলা সাধু ভাষার বেশির ভাগ শব্দই তৎসম। তৎসম শব্দের উদাহরণ : চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
নিচের কোনটি অর্ধতৎসম শব্দ ?
Correct Answer:
ক: গিন্নি
Explanation:
নিচের কোনটি অর্ধতৎসম শব্দ ? সঠিক উত্তর গিন্নি তৎসম শব্দ - হস্ত বিদেশি শব্দ - তসবি (আরবি শব্দ), গজ(ইংরেজি শব্দ) অর্ধ - তৎসম শব্দ - গিন্নী (তৎসম শব্দ - গৃহিণী)
নিচের কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দ ?
Correct Answer:
ক: গিন্নি
Explanation:
নিচের কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দ ? সঠিক উত্তর গিন্নি গৃহিনী>গিন্নী, কৃষ্ণ> কেষ্ট অর্ধ - তৎসম শব্দের উদাহরণ। বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তত আকারে ব্যবহৃত হয়, এগুলোকে বলে অর্থ - তৎসম শব্দ। যেমন : জ্যোন্সা - জ্যোছনা ,শ্রাদ্ধ - ছেরাদ্দ, গৃহিণী - গিন্নী ,কৃষ্ণ - কেষ্ট , বৈষ্ণব - বোষ্টম ইত্যাদি। সুতরাং গিন্নী শব্দটিই সঠিক উত্তর ।
কোনটি তৎসম শব্দ?
Correct Answer:
ক: চন্দন
Explanation:
কোনটি তৎসম শব্দ? সঠিক উত্তর চন্দন কলম - আরবি শব্দ বাড়ি - তদ্ভব শব্দ ফুল, চন্দন - তৎসম শব্দ
দেশি ও তৎসম শব্দের মিশ্রণকে কি বলে ?
Correct Answer:
খ: গুরুচন্ডালী দোষ
Explanation:
দেশি ও তৎসম শব্দের মিশ্রণকে কি বলে ? সঠিক উত্তর গুরুচন্ডালী দোষ গুরুচণ্ডালী দোষ : বাংলা গদ্যে দেশি ও তৎসম শব্দের মিশ্রণ বা সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। যেমন: শবপোড়া ( শব মানে মরা আর দাহ মানে পোড়া)। যদি " শবদাহ " বা " মরা পোড়া" না বলে শবপোড়া বলা হয়, তাহলে সেটা গুরুচণ্ডালী দোষ হবে।
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?
Correct Answer:
ক: দধি
Explanation:
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ? সঠিক উত্তর দধি তৎসম শব্দ: যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ - তৎ মানে তার আর সম মানে সমান অর্থাৎ তার বা সংস্কৃতের সমান। যেমন: দধি, চন্দ্র, ভবন, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি। তাই সঠিক উত্তর: দধি।
নিচের কোনটি অর্ধতৎসম শব্দ?
Correct Answer:
ক: গিন্নি
Explanation:
নিচের কোনটি অর্ধতৎসম শব্দ? সঠিক উত্তর গিন্নি যে সব শব্দ সংস্কৃতি ভাষা থেকে কিছুটা বিকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত ও ব্যবহৃত হয়েছিল - সে সব শব্দকে অর্ধ - তৎসম শব্দ বলে। যেমন - - গিন্নি, ছেরাদ্দ, গেরাম ইত্যাদি।
কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ?
Correct Answer:
গ: সপত্নী
Explanation:
কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ? সঠিক উত্তর সপত্নী নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ: সতীন, কুলটা, বিধবা, অরক্ষণীয়া, সপত্নী, অর্ধাঙ্গিনী, অসূর্যস্পশ্যা ইত্যাদি। তাই সঠিক উত্তর : সপত্নী।
বাংলা ভাষায় অর্ধতৎসম শব্দগুলো এসেছে কোন ভাষা থেকে?
Correct Answer:
ক: সংস্কৃত
Explanation:
বাংলা ভাষায় অর্ধতৎসম শব্দগুলো এসেছে কোন ভাষা থেকে? সঠিক উত্তর সংস্কৃত (ক) যে সব সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, তাদেরকে অর্ধতৎসম শব্দ বলে। আর অর্ধতৎসম শব্দ মানে আধাসংস্কৃত ।
তৎসম শব্দের ব্যবহার কোন ভাষারীতিতে বেশি হয়?
Correct Answer:
ক: সাধু ভাষারীতিতে
Explanation:
তৎসম শব্দের ব্যবহার কোন ভাষারীতিতে বেশি হয়? সঠিক উত্তর সাধু ভাষারীতিতে যে ভাষারীতিতে তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি এবং ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় তাকে সাধুরীতি বলে । যেমন : করিয়াছি, তাহারা ইত্যাদি ।
কৃষ্ণ এর অর্ধ-তৎসম শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
খ: কেষ্ট
Explanation:
কৃষ্ণ এর অর্ধ-তৎসম শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর কেষ্ট যে সব সংস্কৃত শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে বলা হয় অর্ধ - তৎসম। এগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকেই কিছুটা সহজ আকারে গৃহীত হয়েছে। সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে বাংলায় আসেনি। যেমন, জ্যোৎস্না˂< জ্যোছনা, শ্রাদ্ধ˂< ছেরাদ্দ, গৃহিণী˂< গিন্নী, বৈষ্ণব˂< বোষ্টম, কুৎসিত˂ কুচ্ছিত, কৃষ্ণ < কেষ্ট ।
তৎসম শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: হস্ত
Explanation:
তৎসম শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর হস্ত যে সব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে তৎসম শব্দ বলে। যেমন - হস্ত, হুথ ইত্যাদি।
নিম্নের কোনটি তৎসম শব্দ নয়?
Correct Answer:
ঘ: চামার
Explanation:
নিম্নের কোনটি তৎসম শব্দ নয়? সঠিক উত্তর চামার ভবন, ধর্ম, পত্র তিনটি তৎসম শব্দ। আরো কিছু তৎসম শব্দ : - চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, মনুষ্য। অন্য দিকে চামার হলো তদ্ভব শব্দ।
'কৃষ্ণ' এর অর্ধ তৎসম শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: কেষ্ট
Explanation:
'কৃষ্ণ' এর অর্ধ তৎসম শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর কেষ্ট বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়, এগুলোকে অর্ধ - তৎসম শব্দ বলে।তৎসম মানে সংস্কৃত আর অর্ধ তৎসম মানে আধা সংস্কৃত। যেমন: কৃষ্ণ (তৎসম) > কেষ্ট।
কোনটি অর্ধ তৎসম শব্দ?
Correct Answer:
ঘ: জোছনা
কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দ?
Correct Answer:
গ: জোছনা
Explanation:
কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দ? সঠিক উত্তর জোছনা সূর্য - তৎসম ,জোছনা - অর্ধ - তৎসম, সুনাম - সংস্কৃত এবং জবান - ফারসি শব্দ।
কোনটি তৎসম শব্দ নয়?
Correct Answer:
ঘ: ডিঙ্গা
Explanation:
কোনটি তৎসম শব্দ নয়? সঠিক উত্তর ডিঙ্গা যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ । যেমন: চন্দ্র, সূর্য, ভবন, নক্ষত্র, নক্ষত্র, ধর্ম, পাত্র, মানুষ্য । 'ডিঙ্গি' দেশি শব্দ ।
নিম্নের কোনটি তৎসম শব্দ?
Correct Answer:
গ: দধি
Explanation:
নিম্নের কোনটি তৎসম শব্দ? সঠিক উত্তর দধি মুড়ি - বাংলা ,দধি - সংস্কৃত - কলম - আরবি শব্দ। আম শব্দটি সংস্কৃত , তবে উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হলে এটি হবে আরবি।
তৎসম শব্দের ব্যবহার কোথায় বেশি?
Correct Answer:
ঘ: সাধু রীতিতে
Explanation:
তৎসম শব্দের ব্যবহার কোথায় বেশি? সঠিক উত্তর সাধু রীতিতে সংস্কৃতের শব্দভান্ডার থেকে সব সময়েই প্রয়োজনীয় শব্দাবলি বাংলা ভাষায় গ্রহণ করা হয়। এ ধরনের সংস্কৃত শব্দ যদি অপরিবর্তিত রূপে হুবহু বাংলায় ব্যবহৃত হয় তাহলে সেই শব্দকে তৎসম শব্দ বলা হয়। 'তৎসম' অর্থ তার (তৎ) সমান (সম)। 'তার' অর্থ অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান শব্দই তৎসম। তৎসম শব্দ খুব গুরুগম্ভীর হয়ে থাকে, কেননা সংস্কৃত ভাষাও অত্যন্ত গুরুগম্ভীর। তাই গুরুগম্ভীর বাংলা লিখতে গেলে তৎসম শব্দ ব্যবহার করা প্রয়োজন। তৎসম শব্দের উদাহরণঃ চন্দ্র, সূর্য, আকাশ, স্থল, হস্ত, পদ, মস্তক, চক্ষু, কর্ণ, নর, নারী, বৃক্ষ, লতা ইত্যাদি। মনে রাখা দরকার, তৎসম শব্দ বানানের দিক দিয়েই শুধু সংস্কৃতের সমান, উচ্চারণের ক্ষেত্রে নয়।
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ নয়?
Correct Answer:
ক: ঢাক
নিচের কোন শব্দটি তৎসম শব্দ?
Correct Answer:
ক: জীবন
Explanation:
নিচের কোন শব্দটি তৎসম শব্দ? সঠিক উত্তর জীবন যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তৎ (তার) + সম (সমান)] = তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত। তৎসম শব্দ খুব গুরুগম্ভীর হয়ে থাকে। কেননা সংস্কৃত ভাষাও অত্যন্ত গুরুগম্ভীর। তাই গুরুগম্ভীর বাংলা লিখতে গেলে তৎসম শব্দ ব্যবহার করতে হয়। বাংলা সাধু ভাষার বেশির ভাগ শব্দই তৎসম। তৎসম শব্দের উদাহরণ : চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
নীচের কোনটি তৎসম শব্দ?
Correct Answer:
ক: পাত্র
Explanation:
নীচের কোনটি তৎসম শব্দ? সঠিক উত্তর পাত্র হস্ত >হন্ত >হাত
নিচের কোন শব্দটি তৎসম?
Correct Answer:
খ: নক্ষত্র
Explanation:
নিচের কোন শব্দটি তৎসম? সঠিক উত্তর নক্ষত্র বাংলা সাধু ভাষার বেশির ভাগ শব্দই তৎসম। তৎসম শব্দের উদাহরণ : চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
‘তৎসম' শব্দের ব্যবহার কোন রীতিতে বেশী হয়?
Correct Answer:
খ: সাধু রীতি
কোনটি ‘তৎসম' শব্দ?
Correct Answer:
খ: মানব
কোনটি অর্থ-তৎসম শব্দ?
Correct Answer:
খ: গিন্নী
Explanation:
কোনটি অর্থ-তৎসম শব্দ? সঠিক উত্তর গিন্নী গিন্নি [ ginni ] বি. 1 গৃহিণী, গৃহকর্ত্রী; 2 পত্নী। [সং. গৃহিণী]।