Social science MCQs
Showing 50 questions (Total: 157)
নির্বাচনের উদ্দেশ্য কি?
Correct Answer:
ঘ: জনগণের প্রতিনিধি বাছাই করা
Explanation:
নির্বাচনের উদ্দেশ্য কি? সঠিক উত্তর জনগণের প্রতিনিধি বাছাই করা নির্বাচন হলো সিদ্ধান্ত গ্রহণের এমন একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জনগণ প্রশাসনিক কাজের জন্য একজন প্রতিনিধিকে বেছে নেয়। সপ্তদশ শতক থেকে আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে নির্বাচন একটি আবশ্যিক প্রক্রিয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনের মাধ্যমে আইনসভার পদগুলি পূরণ করা হতে পারে, কখনও আবার কার্যনির্বাহী ও বিচারব্যবস্থা ছাড়াও আঞ্চলিক এবং স্থানীয় সরকারে প্রতিনিধি বাছাইও নির্বাচনের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। এই নির্বাচন প্রক্রিয়া আবার প্রয়োগ হয় বহু বেসরকারী সংস্থা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানেও। ক্লাব বা সমিতি থেকে আরম্ভ করে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও কর্পোরেশন বা নিগমেও এই প্রক্রিয়ার ব্যবহার করা হয়।
বড়দের সম্মান করা, দানশীলতা, শ্রমের মর্যাদা ইত্যাদি কোন মূল্যবোধ?
Correct Answer:
ক: সামাজিক
Explanation:
বড়দের সম্মান করা, দানশীলতা, শ্রমের মর্যাদা ইত্যাদি কোন মূল্যবোধ? সঠিক উত্তর সামাজিক বড়দের সম্মান করা, দানশীলতা, শ্রমের মর্যাদা মূল্যবোধের সামাজিক দিক।
নাগরিক কাকে বলে?
Correct Answer:
ঘ: ওপরের সবগুলোই
Explanation:
নাগরিক কাকে বলে? সঠিক উত্তর ওপরের সবগুলোই যে ব্যক্তি কোনো রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করে, রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে, রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগ করে ও রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য পালন করে, তাকে ওই রাষ্ট্রের নাগরিক বলে।
'Mesne profit' বলতে কি বুঝায়?
Correct Answer:
গ: বেআইনীভাবে দখল করে লাভ
Penal Code - এর কোন ধারায় অপরাধমূলক নরহত্যা এর সংজ্ঞা আছে?
Correct Answer:
ক: ২৯৯
Penal Code অনুযায়ী কোন ধারার অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ড দেয়া যায় না?
Correct Answer:
গ: ৩০৪
দন্ডবিধির কত ধারায় জালিয়াতি অপরাধের শাস্তির বিধান উল্লেখ আছে?
Correct Answer:
গ: ৪৬৫ ধারায়
দায়রা জজ কোন ধারার ক্ষমতাবলে cognizance- গ্রহণ করেন?
Correct Answer:
খ: ১৯৩
Code of Criminal Procedure- এর কোন ধারায় বিধান অনুযায়ী একজন সাধারণ ব্যক্তি কেউ non-bailable and non cognizable অপরাধ করে তখন তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
Correct Answer:
গ: ৫৯
অপরাধ বলতে বুঝায় --
Correct Answer:
ক: আইন দ্বারা নিষিদ্ধ কর্ম সম্পাদন
Explanation:
অপরাধ বলতে বুঝায় -- সঠিক উত্তর আইন দ্বারা নিষিদ্ধ কর্ম সম্পাদন অপরাধ বা কসুর (ইংরেজি: Crime, Misdemeanor, Felony) হচ্ছে কোন ব্যক্তি কর্তৃক আইনবিরুদ্ধ কাজ।
কিসের অভাবে সমাজে বিশৃখংলা বা অসঙ্গতি বৃদ্ধি পায়?
Correct Answer:
খ: ন্যায়বিচারের
Explanation:
কিসের অভাবে সমাজে বিশৃখংলা বা অসঙ্গতি বৃদ্ধি পায়? সঠিক উত্তর ন্যায়বিচারের আইনশাস্ত্র ও দর্শনশাস্ত্রে ন্যায়বিচার বলতে কোন ব্যক্তির প্রাপ্য কী হবে এবং তার জন্য ভাল ও মন্দের ভাগের সঠিক অনুপাত কী হবে, তার তত্ত্বকে বোঝায়। ন্যায়বিচারকে কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা সম্ভব। এদের মধ্যে একটি হল বিতরণমূলক ন্যায়বিচার, যেখানে সম্পত্তি ও অন্যান্য পণ্য বিতরণ করা হয়। ন্যায় বিচারের ফলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
আদিম মানুষের সবচেয়ে বড় আবিস্কার কোনটি?
Correct Answer:
খ: আগুন
Explanation:
আদিম মানুষের সবচেয়ে বড় আবিস্কার কোনটি? সঠিক উত্তর আগুন প্রত্নপ্রস্তরযুগের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার - - আগুন | জীবজগতে একমাএ মানুষ ছাড়া আর সকলের কাছেই আগুন একটা ভয়ের ব্যাপার | আগুনের ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে চায় না | আগ্নেয়গিরি থেকে যখন দমকে দমকে আগুন বেরিয়ে আসে বা আকাশ থেকে যখন বাজ পড়ে গোটা একটা গাছ দাউ দাউ করে জ্বলে উঠে বা মাটি ফুঁড়ে জলন্ত গ্যাস আগুনের ফোরার মতো ছিটকে বেরোয় - সব জায়গাতেই আগুনের চেয়ারাটা এমন বুনো আর হিংস্র আর ভয়ংকর যে ভয় পাওয়াটাই স্বাভাবিক | কিন্তু এই ভয় পাওয়াটাকে বশে আনায় দুজয় সাহস মানুষের হয়েছিল | এ এক বিরাট কৃতিত্ব |
'জ', মিথ্যা কুৎসা রটনার ভয় দেখিয়ে 'ঝ' -কে ১ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য করে। 'জ' নিচের কোন অপরাধ করেছে?
Correct Answer:
গ: বলপূর্বক গ্রহণ
নিচের কোন কার্যটি চুরি (Theft) হিসেবে গণ্য হবে না?
Correct Answer:
ক: চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া।
পেনাল কোডে বর্ণিত অপরাধগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা ----
Correct Answer:
খ: ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
দুটি পৃথক মামলায় ভিন্ন দুজন বাদী একই বিবাদীর বিরুদ্ধে একই সম্পত্তির ব্যাপারে একই স্বত্ব দাবি করলে নিচের কোন কার্যক্রম গ্রহণ সঠিক হবে?
Correct Answer:
ঘ: দুটি মামলার বিচার একই কোর্টে পাশাপাশি চলবে
নিচের কোনটি 'cognizable' অপরাধ?
Correct Answer:
ক: দাঙ্গা-হাঙ্গামা (Rioting)
'ক' ৫,০০০ টাকা 'খ' কে ৭ দিনের জন্য রাখতে দেয়। 'ক' আকস্মিক প্রয়োজনে তা খরচ করে ফেলে এবং ১৫দিন পর তা 'ক'-এর নিকট ফেরত দেয়। এটি নিম্নের কোন অপরাধ?
Correct Answer:
গ: অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
The Special Powers Act, 1974 এর 25 A ধারার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করা হয়েছে ---
Correct Answer:
গ: মৃত্যুদণ্ড
The Arms Act, 1878-এর 19A ধারার অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি ---
Correct Answer:
খ: ১০ বছর
'ক' ঘুসি মেরে 'খ' -এর দাঁত ফেলে দেয়। 'ক' -এর কৃত অপরাধ হলো ----
Correct Answer:
খ: মারাত্মক জখম
সমাজে নৈতিকতাবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাধিক প্রয়োজন কোনটি?
Correct Answer:
গ: শিক্ষা
'A' makes an attempt to pick the pocket of 'Z' by thrusting his hand into 'Z's pocket. 'A' fails in the attempt in consequence of 'Z's having nothing in his pocket. এটি Penal Codeএর কত ধারার অপরাধ?
Correct Answer:
খ: ৫১১
Explanation:
'A' makes an attempt to pick the pocket of 'Z' by thrusting his hand into 'Z's pocket. 'A' fails in the attempt in consequence of 'Z's having nothing in his pocket. এটি Penal Codeএর কত ধারার অপরাধ? সঠিক উত্তর ৫১১ According to Penal Code (1860) Section - 511: Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment.( যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধসমূহ সংঘটনের উদ্যোগের শাস্তি সম্পর্কে দণ্ডবিধির ৫১১ ধারায় বলা আছে।) উদাহরণ : 'ক' 'ঙ' - র পকেটে হাত ঢুকিয়ে 'ঙ' - র পকেট মারার উদ্যোগ করে। 'ঙ' - র পকেটে কিছু না থাকায় 'ক' অনুরূপ উদ্যোগে ব্যর্থকাম হয়। 'ক' ৫১১ ধারার অধীনে দোষী। - দণ্ডবিধি(দশম সংস্করণ,২০১২), অধ্যক্ষ মো: আলতাফ হোসেন। Section - 108: A person abets an offence, who abets either the commission of an offence or the commission of an act which would be an offence, if committed by a person capable by law of committing an offence with the same intention or knowledge as that of the abettor.(দেশে বা দেশের বাইরে অপরাধকর্মে সহায়তা প্রদানকারী ব্যক্তি এই ধারার অধীনে দোষী সাব্যস্ত হয়।) Section - 379: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.(যেকেউ চুরি সংঘটিত করলে এই ধারার অধীনে দণ্ডিত হবে।)
শিক্ষক হয়ে আপনি কিভাবে একজন দুর্বল ছাত্রকে সংশোধন করবেন?
Correct Answer:
ক: ছাত্রটির মানসিক অবস্থা বুঝে, তার আগ্রহের বিষয় থেকে তাকে মূলস্রোতের আগ্রহে ফিরিয়ে এনে
Explanation:
শিক্ষক হয়ে আপনি কিভাবে একজন দুর্বল ছাত্রকে সংশোধন করবেন? সঠিক উত্তর ছাত্রটির মানসিক অবস্থা বুঝে, তার আগ্রহের বিষয় থেকে তাকে মূলস্রোতের আগ্রহে ফিরিয়ে এনে শিক্ষক হয়ে আপনি একজন দুর্বল ছাত্রকে সংশোধন করবেন - ছাত্রটির মানসিক অবস্থা বুঝে, তার আগ্রহের বিষয় থেকে তাকে মূলস্রোতের আগ্রহে ফিরিয়ে এনে।
শিক্ষকের কোন দিকে নজর দেয়া উচিত?
Correct Answer:
খ: অনুসন্ধিৎসু মনের উন্নয়ন ঘটানো
শিক্ষক সবচেয়ে বেশি শিখতে পারেন কার কাছ থেকে?
Correct Answer:
খ: বই
Explanation:
শিক্ষক সবচেয়ে বেশি শিখতে পারেন কার কাছ থেকে? সঠিক উত্তর বই শিক্ষক সবচেয়ে বেশি শিখতে পারেন বইয়ের কাছ থেকে। বই এমন একটি উপকরণ, যা একজন মানুষকে সহজেই আলোকিত করে তুলতে পারে। শিক্ষার আলো, নীতি - নৈতিকতা - আদর্শ, ইতিহাস - ঐতিহ্য, কৃষ্টি - সভ্যতা, সাহিত্য - সংস্কৃতিসহ সবকিছুই রয়েছে বইয়ের ভেতরে। একমাত্র বইয়ের মধ্যেই আছে সব ধরনের জ্ঞান। তাই জীবনের জন্য বই প্রয়োজন। প্রত্যেকের জীবনেই একঘেয়েমি, দুঃখ - কষ্ট, অস্থিরতা, মানসিক সমস্যাসহ নানা সমস্যা থাকে। কিন্তু বই পড়লে সেসব চিন্তা মাথায় থাকে না। অবসর সময়গুলো বিনোদনের মাধ্যমে কাটানোর জন্য কত কিছুই না আবিষ্কৃত হয়েছে পৃথিবীতে, কিন্তু বই পড়ার মতো নির্মল আনন্দের সমতুল্য হতে পারেনি কিছুই।
কত সালে হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ প্রথা চালু হয় ?
Correct Answer:
খ: ১৮৫৬
Explanation:
কত সালে হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ প্রথা চালু হয় ? সঠিক উত্তর ১৮৫৬ দ্য হিন্দু উইডো'স রিম্যারেজ অ্যাক্ট, ১৮৫৬ আইনটি ২৬ জুলাই ১৮৫৬ এ আইন প্রণয়ন করেছিল। , ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে এবং ডালহৌসির সহায়তায় ভারতবর্ষের সকল বিচারব্যবস্থায় হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ বৈধ করেছিল। বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ক্যানিং আইন প্রণয়ন করে বিধবা বিবাহ কে আইনি স্বীকৃতি দেন ।
সমাজকর্ম “মূল্যবোধ নিরপেক্ষ” বা Value Free নয় কেন?
Correct Answer:
ক: স্বীকৃত পেশাবলে
সমাজের ভিত্তি কোনটি?
Correct Answer:
ক: ঐক্য
গ্রামীণ মানুষের কল্যাণে সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত কর্মসূচির নাম কি?
Correct Answer:
ঘ: আর এস এস
মিরিন্ডা কোন গ্রহের উপগ্রহ?
Correct Answer:
ঘ: ইউরেনাস
Explanation:
মিরিন্ডা কোন গ্রহের উপগ্রহ? সঠিক উত্তর ইউরেনাস ৩য় বৃহত্তম গ্রহ ইউরেনাস একটি সবুজ গ্রহ। এটির ৫টি উপগ্রহ রয়েছে। মিরিন্ডা, ওবেরন, অম্ব্রিয়েল, টাইটানিয়া, এরিয়েল।
'দ্যা লিবারেশন অব বাংলাদেশ ' গ্রন্থের রচিয়তা কে?
Correct Answer:
খ: সুখওয়াত সেন
Explanation:
'দ্যা লিবারেশন অব বাংলাদেশ ' গ্রন্থের রচিয়তা কে? সঠিক উত্তর সুখওয়াত সেন মুক্তিযুদ্ধকালে ইস্টার্ন জোনের ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিংয়ের লেখা ইন্ডিয়াস ওয়ারস সিন্স ইনডিপেনডেন্টস: দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ
বাংলাদেশ কোন সালে কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে?
Correct Answer:
গ: ১৯৭৪
Explanation:
বাংলাদেশ কোন সালে কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে? সঠিক উত্তর ১৯৭৪ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথে যোগ দেয়। কমনওয়েলথের অধিকাংশ সদস্য - দেশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সুস্পষ্ট সমর্থন জানিয়েছিল। কমনওয়েলথে যোগদানের পর থেকে বাংলাদেশ বরাবরই কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করেছে এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক - সাংস্কৃতিক বিষয়ক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে কানাডার অটোয়াতে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো যোগদান করে। দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বব্দবষলু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
বর্তমানে বাংলাদেশে বৃহৎ সাহায্যকারী দেশ কোনটি?
Correct Answer:
ক: জাপান
Explanation:
বর্তমানে বাংলাদেশে বৃহৎ সাহায্যকারী দেশ কোনটি? সঠিক উত্তর জাপান জাপান, বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ও বৃহৎ সাহায্য দানকারী দেশ । বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। দেশটি বাংলাদেশের উন্নয়নের বড় অংশীদার। জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধিরও সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে আরও বাণিজ্য - সুবিধা প্রদান করলে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়বে। বাংলাদেশ ২০১৮ - ১৯ অর্থবছরে জাপানে ১৩৬ কোটি ৫৭ লাখ মার্কিন ডলার এবং ২০১৯ - ২০ অর্থবছরে ১২০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে।
বাংলাদেশের প্রশস্ত তম নদী কোনটি?
Correct Answer:
ক: মেঘনা
Explanation:
বাংলাদেশের প্রশস্ত তম নদী কোনটি? সঠিক উত্তর মেঘনা মেঘনা নদী আপার নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুর এবং লক্ষ্মীপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৩০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩৪০০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। মেঘনা বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী।
বাংলাদেশ কোন অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহন করে?
Correct Answer:
ক: লস এঙ্গেলস
Explanation:
বাংলাদেশ কোন অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহন করে? সঠিক উত্তর লস এঙ্গেলস বাংলাদেশ লস এঞ্জেলেস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ১৯৮৪ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে একটি বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য ১ জন ক্রীড়াবিদ প্রেরণ করে। এটি ছিল অলিম্পিকে বাংলাদেশের প্রথম অংশগ্রহণ।
চন্দ্রদ্বীপ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের প্রাচীন নাম?
Correct Answer:
গ: বরিশাল
Explanation:
চন্দ্রদ্বীপ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের প্রাচীন নাম? সঠিক উত্তর বরিশাল কয়েকটি শহরের পুরাতন নাম উল্লেখ করা হলো। যেমন - ১। চট্টগ্রাম - ইসলামাবাদ। ২। খুলনা - জাহানাবাদ। ৩। সিলেট - জালালাবাদ। ৪। যশোর - খিলাফাতাবাদ। ৫। বাগেরহাট - খলিফাবাদ। ৬। ময়মনসিংহ - নাসিরাবাদ। ৭। ফরিদপুর - ফাতেহাবাদ। ৮। বরিশাল - ইসমাইলপুর/চন্দ্রদ্বীপ। ৯। কুমিল্লা - ত্রিপুরা। ১০। কুষ্টিয়া - নদীয়া। ১১। ফেনী - শমসের নগর। ১২। জামালপুর - সিংহজানী।
মুসলিম সাহিত্য সমাজ ' প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কোন সালে?
Correct Answer:
গ: ১৯২৬
Explanation:
মুসলিম সাহিত্য সমাজ ' প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কোন সালে? সঠিক উত্তর ১৯২৬ মুসলিম সাহিত্য সমাজ ছিল বাংলাদেশের একটি বুদ্ধি মুক্তির আন্দোলনের দল যা ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
'গ' রাজপথে 'চ' কে পেয়ে পিস্তল দেখিয়ে 'চ' এর নিকট অর্থ দাবী করায় 'চ' তার নিকট থাকা অর্থ 'গ' এর নিকট সমর্পণ করে। এখানে 'গ' কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ _
Correct Answer:
খ: Extortion
Explanation:
'গ' রাজপথে 'চ' কে পেয়ে পিস্তল দেখিয়ে 'চ' এর নিকট অর্থ দাবী করায় 'চ' তার নিকট থাকা অর্থ 'গ' এর নিকট সমর্পণ করে। এখানে 'গ' কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ _ সঠিক উত্তর Extortion দন্ডবিধির ৩৮৩ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির ইচ্ছাকৃতভাবে তাহার বা অন্য কারও ক্ষতির ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত বা সাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত যা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরিত হয় তাহা হস্তান্তরে বাধ্য করে, সেই ব্যক্তি ছিনতাই বা বলপূর্বক গ্রহণ বা আদায় ( Exortion) করে। এখানে 'গ' ছিনতাই করে। কারণ সে 'চ' কে পিস্তলের ভয় দেখিয়ে অর্থ সমর্পণে বাধ্য করেছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ----
Correct Answer:
খ: ২০ জানুয়ারী ১৯৭২
Explanation:
সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ---- সঠিক উত্তর ২০ জানুয়ারী ১৯৭২ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়টি ১৯৭২ সালে শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নামে গঠিত হয় এবং ১৯৮৯ সালে একক মন্ত্রণালয় হিসেবে গঠন করা হয়।
কোনটি স্থানীয় সরকার নয় ?
Correct Answer:
গ: জেলা প্রশাসন
Explanation:
কোনটি স্থানীয় সরকার নয় ? সঠিক উত্তর জেলা প্রশাসন বর্তমানে বাংলাদেশে ৫ স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান । শহরাঞ্চলে ২ স্তরবিশিষ্ট । যথা: পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন । গ্রামাঞ্চলে ৩ স্তরবিশিষ্ট । যথা : ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ ।
শিক্ষাক্রম বলা যায় কোনটিকে ?
Correct Answer:
খ: শিক্ষা কীভাবে পরিচালিত হবে তার নীতিমালা
Explanation:
শিক্ষাক্রম বলা যায় কোনটিকে ? সঠিক উত্তর শিক্ষা কীভাবে পরিচালিত হবে তার নীতিমালা শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তুলবার শক্তিশালী ও কার্যকর এবং প্রয়োগযোগ্য সুষ্ঠু সবল শিক্ষা সম্বদ্ধীয় পরিকল্পনা হল শিক্ষাক্রম। ইংরেজিতে curriculum ল্যাটিন শব্দ currer থেকে curriculum শব্দের উৎপত্তি। যার অর্থ ঘোড় দৌড়ের পথ। এখানে দৌড়ের মাধ্যমে নিদিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর ধারণা প্রকাশ করা হয়। শিক্ষাকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পাথেয় হিসেবে ব্যবহার করে বিশাল জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য অপরিহার্য হাতিয়ার হল শিক্ষাক্রম। শিক্ষাক্রমে কোন শিক্ষা পর্যায়ের কয়েক বছরের কর্মসূচি বা কাজের ইঙ্গিত থাকে। এটি গোটা বৃক্ষের মত। এটি শিক্ষার্থীর পঠিতব্য বিষয়াদির সম্মিলিত রূপ। শিক্ষার্থীর সঠিক বিকাশের লক্ষ্যে কখন, কোথায়, কিভাবে, কততুকু সেখাতে হবে এবং কোন কোন দিক হাতে কলমে শিখবে তারই রূপরেখা হল শিক্ষা ক্রম। এক কথায় যে অনুক্রমিক সুগঠিত শিখন বিন্যাস এর সাহায্যে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত শিখন অভিজ্ঞতা অর্জন করিয়ে তাদের আচার - আচরন ও মনভাবে এমন পরিবর্তন আনা যা একজন দক্ষ নাগরিক গড়ে তুলতে সাহায্য করে। শিক্ষাক্রমের উপাদান চারটি। যেমন - উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, পদ্ধতি ও মূল্যায়ন। বিভিন্ন প্রকার শিক্ষাক্রম - ১। বিষয় কেন্দ্রিক শিক্ষাক্রম। ২। সমন্বিত শিক্ষাক্রম - একাধিক বিষয় সমন্বয়। যেমন বিজ্ঞানে - পদার্থ বিগান,রসায়ন, জীব ইত্যাদি। ৩। শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক শিক্ষাক্রম। ৪। সমস্যা কেন্দ্রিক শিক্ষা ক্রম - বাস্তব জীবন সমস্যা সমাধান ভিত্তিক। ৫। মৌল শিক্ষাক্রম - এতে বিষয় বিভাজন নীতি পরিহার করা হয়।
বাংলাদেশে ৫+ বছর বয়সী শিশুদের জন্য এক বছর মেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাকে কী হিসেবে দেখা হচ্ছে?
Correct Answer:
ক: আনুষ্ঠানিক শিক্ষার প্রস্তুতি
Explanation:
বাংলাদেশে ৫+ বছর বয়সী শিশুদের জন্য এক বছর মেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাকে কী হিসেবে দেখা হচ্ছে? সঠিক উত্তর আনুষ্ঠানিক শিক্ষার প্রস্তুতি প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষা প্রাথমিক শিক্ষা আরম্ভের পূর্বে ৬ বছরের কম বয়সের শিশুদের জন্য আনুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা। ৩ থেকে ৫/৬ বছর বয়সী শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক অবস্থান অনুযায়ী তাদের যত্ন, বেড়ে উঠা এবং শিশু অধিকার নিশ্চিত করা, খেলাধুলা, আনন্দ, অক্ষরজ্ঞান এবং গণনার হাতেখড়ির মাধ্যমে তাদের উন্নয়ন এবং শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ার সময় এটি। প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষাকে সাধারণত দুটি ধাপে বিভক্ত করা হয় ৩ - ৫ বছরের শিশুদের জন্য নার্সারি/প্লে গ্রুপ বা প্রাক - কিন্ডার গার্টেন এবং ৫ - ৬ বছরের শিশুদের জন্য প্রাক - প্রাথমিক বা কিন্ডারগার্টেন। অবশ্য, কোন কোন স্কুলে ৩ - ৪ বছরের শিশুদের জন্য প্লে - গ্রুপ, ৪ - ৫ বছরের শিশুদের জন্য নার্সারি, ৫ - ৬ বছরের শিশুদের জন্য কেজি - ১ এবং ৬ - ৭ বছরের শিশুদের জন্য কেজি - ২ শ্রেণীতে শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। স্কুল এবং প্রতিদিনকার জীবন - যাপনে সফলতা আনার জন্য শিশুকাল থেকেই দক্ষতা, জ্ঞান এবং আচরণ শেখানোর জন্য প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষা। এটি শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার উপযোগী এবং সকল ধরনের উন্নয়নের জন্য কাজ করে। এর কয়েকটি লক্ষ্য হলো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষার প্রতি ঝোঁক তৈরির জন্য শিশুদের মানসিক এবং শারীরিকভাবে প্রস্ত্তত করানো, শিশুদের উপযোগী খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুর সামাজিকীকরণ শিক্ষা, শিশুদের গান, নাচ, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন. গল্প বলা, গণনা এবং বর্ণমালা শিক্ষার ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি করা। স্বাধীনতার পর থেকে, প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব এবং ছোট শিশুদের উপযুক্ত যত্ন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে ক্রমবর্ধমান সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর ফলস্বরূপ দিবাযত্নকেন্দ্র এবং নার্সারি স্কুলের আদলে ছোট শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কুদরাত - ই - খুদা (১৯৭৪) এবং মফিজউদ্দিন আহমেদ (১৯৮৮) - এর নেতৃত্বাধীন শিক্ষা কমিশন শিশুদের শিক্ষার গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং দেশে এর প্রচলনের জোর সুপারিশ করেছে। এই শিক্ষা কমিশন শহর ও শিল্প এলাকায়, বিশেষত যাদের অভিভাবকগণ বাইরে কাজ করেন, সে সকল শিশুদের জন্য নার্সারি ও কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে। মফিজউদ্দিন কমিশন যেখানে বেসরকারি উদ্যোগ নেই এরূপ সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুশ্রেণী খোলার সুপারিশ করেছে। ১৯৯৫ সালে গঠিত সবার জন্য শিক্ষা - সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি ‘সবার জন্য শিক্ষা’ লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে ছোট শিশুদের শিক্ষার গুরুত্ব স্বীকার করে এবং প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি সুপারিশ পেশ করে। জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য ১৯৯৭ সালে গঠিত কমিটিও সুপারিশ করে যে, ১ম শ্রেণির প্রথম ছয়মাস প্রস্ত্ততিমূলক প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষার জন্য ব্যয় করা যায়। কমিটি শিশুদের শিক্ষা দানের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিলা শিক্ষকদের নিয়োগ করারও পরামর্শ দেয়। সকল শিক্ষা কমিশনই প্রতিটি ছোট শিশুকে প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের সুপারিশ করলেও আজ অবধি সে লক্ষ্যে তেমন কিছু করা হয় নি। অবশ্য, বাংলাদেশ সরকার স্বীকার করেছে যে, পাঁচ বছর বয়সের ঊর্ধ্বের শিশুদের জন্য একটি পৃথক প্রাক - প্রাথমিক শ্রেণি থাকা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি করে শিশুশ্রেণি খোলার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে এ কাজটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংগঠন/প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নার্সারি বিদ্যালয়সমূহের মাধ্যমে করা হচ্ছে। শুরুতে চাহিদা পূরণের জন্য বেসরকারিভাবে কয়েক হাজার প্রিস্কুল চালু করা হয়, কিন্তু এগুলি চাহিদানুযায়ী যথেষ্ট নয়। তাই, শিশুরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাড়িতে অভিভাবক ও বড়দের কাছ থেকেই তাদের শিশুকালীন শিক্ষা লাভ করে থাকে। যে সকল শিশুর অভিভাবক ও অন্যান্য সদস্য শিক্ষিত নয়, তারা থেকে যায় অবহেলিত। তবে পাঁচ বছরের উপরের বেশিরভাগ শিশুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে প্রাক - প্রাথমিক ক্লাসে যোগদান করে আসছে। দেশে কতগুলি নার্সারি বিদ্যালয় আছে, তা বলা কঠিন। কতিপয় তথ্য অনুযায়ী, কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সংখ্যা ২,৫০০, কিন্ডারগার্টেন সমিতি এ সংখ্যাকে প্রায় ৫,০০০ বলে থাকে। এগুলির অধিকাংশই শহর এলাকায় অবস্থিত। সাধারণত বিশেষ কোন সুযোগ - সুবিধা ছাড়াই এ সকল স্কুল কিন্ডারগার্টেন এবং প্রাথমিক উভয় ধরনের শিক্ষার জন্যই চালু করা হয়েছে। পরবর্তীকালে এগুলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে কলেজে রূপান্তরিত হয়। কিছু কিছু এনজিও বিশেষত দরিদ্রদের প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষার প্রয়োজন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছে। এগুলি সাধারণত বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করে থাকে। প্রায় ৩৮,০০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সমসংখ্যক বেসরকারি স্কুলে প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা হয়। যথাযথ প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও সহায়ক সামগ্রী ব্যতিরেকেই এ সকল ক্লাস পরিচালিত হয়। অধিকাংশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রাক - প্রাথমিক স্কুলে ভৌত সুবিধাদি অত্যন্ত অপ্রতুল। এলাকা ও স্কুলের পরিসম্পদ ভেদে স্কুলের বেতনের তারতম্য ঘটে থাকে। থানা বা ইউনিট পর্যায়ে স্কুলের বেতন খুবই কম। সরকারি প্রাথমিক স্কুলগুলিতে সাধারণত বিনা বেতনে পড়ানো হয়। এনজিও কর্তৃক পরিচালিত কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে বিনামূল্যে পড়ায় অথবা নামমাত্র বেতন নেওয়া হয়। ঢাকা এবং অন্যান্য বড় শহরের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রবেতন অতি উচ্চ। উপরন্তু, প্রতি শিক্ষাবর্ষের প্রারম্ভে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে এককালীন মোটা অঙ্কের ফিস বা উন্নয়ন চার্জ নেওয়া হয়। বেসরকারি স্কুলগুলিতে এত বিপুল পরিমাণ ফিসগ্রহণ রোধকল্পে কোন কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান নেই। বাংলাদেশে জন্ম নিবন্ধীকরণ সফলভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ার কারণে কিন্ডারগার্টেনে অধ্যয়নের উপযুক্ত শিশুর সঠিক সংখ্যা নিরূপণও সম্ভব নয়। তথাপি, বিশ্বব্যাংক কর্তৃক ১৯৯৫ সালে প্রদত্ত সম্ভাব্য জনসংখ্যার পূর্বানুমান থেকে প্রাক্কলন করা হয়েছে যে, দেশে প্রাক - প্রাথমিক (৩ - ৫ বছর) শ্রেণিভুক্ত ৯.১২ মিলিয়ন শিশু রয়েছে। দেশব্যাপী কোন জরিপ পরিচালিত না হওয়ায় প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা গ্রহণকারী শিশুদের প্রকৃত সংখ্যা জানাও কঠিন। ৩৮,০০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গড়ে ৫০ জন শিক্ষার্থী ধরে নিলে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১.৯ মিলিয়ন। যদি দেশে প্রায় ৫,০০০ কিন্ডারগার্টেন স্কুল থাকে এবং প্রাক - প্রাথমিক ১ম শ্রেণিতে গড়ে ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকে, তবে এ সকল স্কুলে প্রায় ০.২৫ মিলিয়ন শিক্ষার্থী থাকবে। ঐ দুটো সংখ্যা মিলিয়ে হিসাব দাঁড়ায় ২.১৫ মিলিয়ন। এটা ঐ বয়স গ্রুপের মোট জনসংখ্যার ২৪%। অবশ্য একটা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী এনজিওদের স্কুলেও যোগ দিয়ে থাকে। কিন্ডারগার্টেন স্কুলসমূহের জন্য কোন একক বা সাধারণ পাঠ্যক্রম নেই। সম্প্রতি (১৯৯৮) জাতীয় পাঠ্যক্রম বোর্ড (এনসিটিবি) প্রাক - প্রাথমিক শ্রেণীর জন্য একটি পাঠ্যপুস্তক (যার নাম দেখাশুনা) প্রণয়ন করেছে। সকল স্কুলে বেসরকারিভাবে প্রচলিত সকল কিন্ডারগার্টেন নিজস্ব কিছু শিক্ষার দিক নির্দেশনা (পাঠ্যক্রম পাঠ্যসূচি) অনুসরণ করে থাকে। ১৯৯৮ সালে কারিতাস এডুকেশনাল প্রোগ্রামের সহযোগিতায় ঢাকায় ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ডহুড এডুকেশন প্রতিষ্ঠিত হয়, যা কে.জি স্কুলসমূহের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রণয়নসহ বিষয়বস্ত্ত চিহ্নিত করে এবং শিক্ষকদের জন্য উপযুক্ত শিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করে। বর্তমানে দেশে প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষার জন্য কোন দিক - নির্দেশনামূলক নীতিমালা নেই। অধিকাংশ স্কুলে শিশুদের আনুষ্ঠানিক ১ম ও ২য় শ্রেণির মতো আনুষ্ঠানিক পড়া, লেখা, গণনা, যোগ, বিয়োগ শিক্ষা দেওয়া হয়। অধিকন্তু, শিশুদের সাফল্যের পর্যায় পরিমাপের জন্য নিয়মিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। কিছু স্কুলে শিক্ষার মাধ্যম হচ্ছে ইংরেজি। কোন কোন স্কুলে শিশুদের বাংলা, ইংরেজি, ভাষা, পরিবেশ, গণিত - এর পুস্তকাদি পড়তে এবং দশ পর্যন্ত নামতা ইত্যাদি মুখস্থ করতে বলা হয়। কিছু স্কুলে ছোট শিশুদের আরবি অক্ষর পড়তে ও লিখতে শিখানো হয়। যদি শিক্ষক - শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৫০ হয়, তবে এ পর্যায়ে শিশুদের পরিচালনাকারীর আনুমানিক সংখ্যা হচ্ছে ৪৮,০০০। তাদের অধিকাংশই ছোট শিশুদের পাঠদানে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত নয়। কিভাবে পড়াতে হয়, এটা না জেনেই সাধারণত পাঠ দান করে থাকে। প্রাকস্নাতক, স্নাতক এবং কখনও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী ব্যক্তিগণকে এ সকল শিশুদের শিক্ষা দানে নিয়োগ করা হয়। এদের অধিকাংশই মহিলা। ২০০০ সালের শিক্ষা নীতিতে বিশেষ কিছু স্কুলে ১ বছর ব্যাপী প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষার কথা বলা হলেও এখন প্রায় সকল স্কুলে করা হচ্ছে। এর বিকল্প হিসেবে ভাবা হয়েছিল যে ক্লাস ওয়ানের আগে ৬ মাস প্রিপেটরি শিক্ষা এবং ২০০৫ সাল নাগাদ এটিকে ১ বছর মেয়াদি করা হবে বলে সেই সময় বলা হয়েছিলো। এর পরে বলা হয়েছিলো যে এই প্রিপ্রাইমারিতে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য এলাকার লোকেরাই এটির ব্যয়ভার বহন করবে। জাতীয় শিক্ষা কমিশন ২০০৩ এ বলা হয়েছে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি ৫ বছর বয়সী সকল শিশুদের স্কুলে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করবেন এবং প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাবেন। এই উদ্দেশ্যে সরকারিভাবে প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছয়টি করে নতুন শ্রেণীকক্ষ তৈরি এবং বাড়তি ছয়জন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। জাতীয় শিক্ষানীতি - ২০০৯ এ ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ২ বছরের প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষার সুপারিশ করা হয়। যদিও সকল শিক্ষা কমিশন, নীতি এবং কমিটি প্রাক - প্রাথমিক শিক্ষার কথা বলেছেন কিন্তু এখনও পর্যন্ত এটি পুরোপুরি অর্জন করা সম্ভব হয় নি। বেসরকারিভাবে নার্সারি স্কুলগুলি এটি করছে যদিও তা পর্যাপ্ত নয়। [কামরুন্নেসা বেগম এবং সারা সুলতানা] সূত্র: বাংলাপিডিয়া
একীভূত শিক্ষা সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সর্বাপেক্ষা পূর্ণাঙ্গ?
Correct Answer:
গ: একীভূত শিক্ষা বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করে ও মানসম্মত শিক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণ শিখনফল অর্জন করে
Explanation:
একীভূত শিক্ষা সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সর্বাপেক্ষা পূর্ণাঙ্গ? সঠিক উত্তর একীভূত শিক্ষা বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করে ও মানসম্মত শিক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণ শিখনফল অর্জন করে শিক্ষা বিজ্ঞানের আধুনিকতম ক্ষেত্র হচ্ছে একীভূত শিক্ষা।শিক্ষা একটি মৌলিক মানবাধিকার (Universal Declaration Of Human Rights, UN,1949)এর অর্ন্তভুক্ত,শিশুদের রয়েছে কোন বৈষম্য শিকার না হওয়ার অধিকার,এ ধারনা থেকেই জন্ম নিয়েছে একীভূত শিক্ষার ধারনা।১৯৯৪ সালে”World Conference on Special Needs Education ” থেকে একীভূত শিক্ষার তাগিদ আসে।এই সম্মেলনে শিক্ষাকে একীভূত করার নীতিমালার ওপর জোর সুপারিশ করা হয়।এরই ফলপ্রসূ হিসেবে পরবর্তীতে ২০০০সালের “ডাকার ” বিশ্ব শিক্ষা ফোরাম,১৯৯৬ সালে একুশ শতকের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষা কমিশন জোর প্রচেষ্টা চালায়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে একই শিক্ষাক্রম অনুসরণে একই শ্রেণিকক্ষে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকে একীভূত শিক্ষা বুঝায়। সংজ্ঞা বিশ্লেষণে বলা হয় যে, সব ধরনের সামাজিক,অর্থনৈতিক অবস্থানের সকল পরিবেশের এবংযে কোন দিকে অল্প প্রতিবন্ধী শিশুদের একই সাথে সমভাবে সমপরিমাণে শিক্ষা দেওয়াই হল একীভূত শিক্ষা। আমরা বিভিন্ন স্কুল,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যালোচনা করে দেখতে পাই যে,আমাদের দেশে উচ্চবিত্তের সন্তানেরা এক ধরণের স্কুলে,মধ্যবিত্তের সন্তানেরা সাধারণ স্কুলে এবং গরীব ঘরের সন্তানেরা মাদরাসায় পড়াশুনা করে কিংবা লেখাপড়া করেনা।আর যারা দরিদ্রতার কারনে লেখাপড়া করতে পারেনা, তাদেরকে স্কুলে নিয়ে আসা অনেক কষ্টসাধ্য।আর এদেরকে “Hard to reach children “বলে।যারা Hard to reach children, আদিবাসী, বা যারা অল্পমাত্রার প্রতিবন্ধী অর্থ্যৎ সমাজে অবহেলিত এবং অধিকার বঞ্চিত,তারা যদি সমাজে সুবিধাপ্রাপ্ত শিশু ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানের সাথে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং একই শিক্ষা পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত করে তবে তাকে একীভূত শিক্ষা বলে।
সামাজিক দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করা কোন ধরনের কার্যক্রম ?
Correct Answer:
খ: সহশিক্ষা ক্রমিক কার্যক্রম
Explanation:
সামাজিক দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করা কোন ধরনের কার্যক্রম ? সঠিক উত্তর সহশিক্ষা ক্রমিক কার্যক্রম শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যই হলো একজন মানুষের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভাকে বিকশিত করা, তার চিন্তাশক্তিকে শাণিত করা এবং তাকে আত্মবিশ্বাসী, ধৈর্যশীল ও দায়িত্ববান মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। অথচ গতানুগতিক পদ্ধতির শিক্ষা ব্যবস্থায় দেখা যেত শিশুর প্রতিভা বিকাশ তো দূরের কথা, অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রতিভার বিকাশ সংকোচিত হয়। আর এতে করে আমাদের শতশত সম্ভাবনার অপমৃত্যু ঘটে। আমাদের অপার সম্ভাবনা এবং যোগ্যতা থাকার পরও আমরা আন্তর্জাতিক মানদন্ডে সব সময়ই পিছিয়ে ছিলাম। তবে বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে যে বিপ্লব সাধন করেছে, তা আমাদের জাতীয় উন্নয়নের ভিতকে আরও মজবুত করে তুলেছে, আমরা আমাদের মেধাকে বিশ্বের দরবারে প্রমাণ করার সুযোগ তৈরী করে দিয়েছে। সরকার ক্ষমতা গ্রহণের ১ বছরের মাথায় যে শিক্ষনীতি প্রণয়ন করে, তাতে ছাত্রছাত্রীদের মুখস্ত বিদ্যার পরিবর্তে বিকশিত চিন্তাশক্তি, কল্পনাশক্তি অনুসন্ধিৎসু মননের অধিকারী হওয়ার গুরুত্বারোপ করা হয়। আর এ জন্য সরকার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহশিক্ষা কার্যক্রম চালু এবং তা সফলভাবে পরিচালনার বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সহশিক্ষা কার্যক্রম হলো ছাত্র জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই কার্যক্রমগুলো স্কুল - কলেজের সাধরন কারিক্যুলামের বাইরের কাজ, যেগুলো ছাত্রছাত্রীদের দ্বারা সম্পন্ন হয়। এই ধরনের কাজগুলোর বেশিরভাগই স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়েই ছাত্রছাত্রীরা করে থাকে এবং এগুলো বাধ্যতামূলক কাজগুলোর মতো নয়। সহশিক্ষা কার্যক্রমগুলো ছাত্রছাত্রীরা আনন্দের সাথে গ্রহণ করে। তারা এগুলো ব্যবহারিক এবং বৃত্তিমূলক কাজেও ব্যবহার করতে পারে। সেই সাথে এই কাজকর্ম তাদের সামাজিকতাকে বিকশিত করে। যেহেতু সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়ায় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তাই ছাত্রছাত্রীরা পূর্ণ স্বাধীনতা বজায় রেখে এবং স্বপ্রণোদিত হয়ে তাতে অংশগ্রণ করে। তাদের আগ্রহের এবং প্রথম পছন্দের বিষয়টিই এখানে স্থান পায়। আর এটাই মূল শিক্ষাক্রম এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। অনেক অভিভাবক শুধু প্রতিযোগিতার মানসিকতায় সহশিক্ষা কার্যক্রমকে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেন। তারা এগুলোকে সময় অপচয়ের কারণ মনে করতেন। এগুলোকে অপ্রয়োজনীয় এবং এগুলো থেকে অর্জন করার মতো কিছু নেই বলেই তাদের ধারণা ছিল। বর্তমান সরকার ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের মধ্যে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং এর কার্যকারিতা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের বিদ্যালয়গুলো আজ ছাত্রছাত্রীদের কাছে স্বপ্নের মতো। আর তা বাস্তবায়নে সহশিক্ষার অবদান অনস্বীকার্য। আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে নানা ধরণের সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে উৎসব আয়োজন, খেলাধুলা, গানবাজনা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, মডেল, আর্ট, মিউজিক, নাটক, বিতর্ক এবং আলোচনা, গল্প প্রতিযোগিতা, প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, ওয়াল ম্যাগাজিন তৈরী, স্কুল ম্যাগাজিন প্রকাশ, লোকগান, লোকনৃত্য, ফুল প্রদর্শনী, স্কুল সাজানো, ভাস্কর্য তৈরী, অ্যালবাম তৈরী, ফটোগ্রাফি, মাটির জিনিস তৈরী, খেলনা তৈরী, সাবান তৈরী, ঝুড়ি তৈরী, প্রতিষ্ঠানের প্রদর্শনী ইত্যাদি। এই কাজগুলো পরিচালনায় বিদ্যালয়ের পাশাপাশি সরকারি প্রশাসন ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। সহশিক্ষা কার্যক্রম কাজে দক্ষতা বাড়াতে এবং সেই সাথে শিখন - শিখানো কার্যক্রমেও বেশ প্রভাব ফেলতে পারে। সহশিক্ষা কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আমাদের শিশুরা শিক্ষার অন্য এক মানে খুজে পেয়েছে। বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা আর মুখস্ত বিদ্যার মাধ্যমে আমরা আমদের মেধাকে আস্তাকুড়ে ঠেলে দিচ্ছিলাম। সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা একদিকে যেমন তাদের মেধাকে শানিত করছে অন্যদিকে তাদের অর্জিত জ্ঞানকে প্রয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছে। ধরা যাক একটি বিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন করা হবে। আর সেই অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্ব পড়ল ছাত্রছাত্রীদের কাধে। এই এক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে যে সকল প্রস্তুতি নিতে হয় তার মধ্যে রয়েছে, অনুষ্ঠানসূচি তৈরী, দায়িত্ব বন্টন, জায়গা নির্ধারণ, অতিথি নির্ধারণ, অতিথি নিমন্ত্রণ, অর্থের সংস্থান, শিক্ষকদের সাথে এবং বড়দের সাথে সমন্বয় সাধন, সৃষ্ট জটিলতা নিরসন, পারস্পরিক বোঝাপড়া, ঐকবদ্ধ কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা, অনুষ্ঠান পরিচালনার মতো নানা ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পায়। এভাবে অন্যান্য বিষয়গুলোতেও তাদের সৃজনশীতা প্রদর্শনের ব্যাপক সুযোগ থাকছে। আর এই সৃজনশীরতা বৃদ্ধি করাইতো আমাদের লেখাপড়া করার মূল উদ্যেশ্য। যেগুলো শুধু বই পড়ে বা পরিক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে কখনই সম্ভব নয়। আমরা যদি শুধু পরীক্ষা পাশ বা চাকুরি লাভের আশায় লেখাপড়া করি বা আমাদের শিক্ষাব্যাবস্থা পরিচালিত হয় তাহলে শিক্ষা নামের যে মেরুদন্ড তা কখনই সুগঠিত হতে পারবে না।
জেন্ডার এর ধারণা প্রকাশ করে কোন বক্তব্যটি ?
Correct Answer:
ক: সামাজিকভাবে নারী ও পুরুষের জন্য সৃষ্ট ভূমিকা বা বৈশিষ্ট্য
Explanation:
জেন্ডার এর ধারণা প্রকাশ করে কোন বক্তব্যটি ? সঠিক উত্তর সামাজিকভাবে নারী ও পুরুষের জন্য সৃষ্ট ভূমিকা বা বৈশিষ্ট্য ছেলে ও মেয়ে শিশু উভয়ই সমান সম্ভাবনা নিয়ে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে। শুধুমাত্র শারীরিক গঠনে এবং শরীর বৃত্তীয় কাজে কিছু পার্থক্য থাকে যা প্রাকৃতিক। শারীরিক এই পার্থক্যের কারণে মেয়েরা গর্ভধারণ করে, সন্তান জন্ম দিতে পারে, অন্যদিকে ছেলেরা ভ্রুণ উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। ছেলে ও মেয়ে বা নারী ও পুরুষের মধ্যে এই পার্থক্য প্রকৃতগত, যা চিরন্তন, অপরিবর্তনীয়। ছেলে ও মেয়ে বা নারী ও পুরুষের মধ্যে প্রকৃতগত এই পার্থক্যকে ভিত্তি করে, সমাজ ছেলে আর মেয়ের ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা ও অধিকার নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। যেমন, বহুদিন ধরে মেয়েরা ঘরের কাজ, রান্না, সন্তান লালন পালন, এই সব গৃহস্থলী কাজ করে আসছে, যার বিনিময়ে কোনো পারিশ্রমিক হয় না। অন্যদিকে ছেলেরা আয় উপার্জন, বিচার সালিশ, রাজনীতি ইত্যাদি কাজ করত। ছেলে এবং মেয়েদের সাজ - সজ্জা, আচার আচরণ, পোশাক - পরিচ্ছদও আলাদা। ছেলে এবং মেয়েদের অধিকারও এক নয়। ছেলে ও মেয়ের উপর সামাজিকভাবে আরোপিত এই পরিচয় বা ভূমিকাকেই জেন্ডার বলে । সমাজের তৈরি এই পার্থক্যর ফলে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে। সৃষ্টি হয়েছে নানা ধরনের বৈষম্যমূলক সামাজিক ভূমিকা ও আচার আচরণ। তবে যুগের প্রয়োজনে বর্তমানে মেয়েরা শিক্ষা, রাজনীতি এবং আয় উপার্জনমূলক কর্মকান্ডে ধীরে ধীরে অংশগ্রহণ করছে। সুতরাং জেন্ডার ভূমিকা পরিবর্তনযোগ্য।
শ্রেণি কার্যক্রম পরিকল্পনার ক্ষেত্রে শিক্ষক কোনটির ওপর সবচেয়ে বেশি খেয়াল রাখবেন?
Correct Answer:
ক: নির্ধারিত শিখন ফল
হাঁস ও মুরগীর ঘর কোন মুখী হলে ভালো?
Correct Answer:
ঘ: দক্ষিণ মুখী
E = mc2 সূত্রটি কার?
Correct Answer:
ক: আইনস্টাইন
অাধুনিক সমাজে কোন ধরনের পরিবার কাঠামো বিদ্যমান?
Correct Answer:
খ: অণু পরিবার
Explanation:
অাধুনিক সমাজে কোন ধরনের পরিবার কাঠামো বিদ্যমান? সঠিক উত্তর অণু পরিবার স্বামী - স্ত্রী ও তাদের অবিবাহিত সন্তাান - সন্ততি নিয়ে গঠিত পরিবারকে অণু বা একক পরিবার বলে। আমাদের দেশের শহরাঞ্চলের অধিকাংশ পরিবারই একক পরিবার। গ্রামাঞ্চলে এ ধরণের পরিবার গড়ে ওঠার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। মোটকথা অণু পরিবার বলতে বোঝায় স্বামী - স্ত্রী ও তাদের অবিবাহিত সন্তান - সন্ততির বসবাস।