the water MCQs
Showing 50 questions (Total: 190)
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো ----
Correct Answer:
ঘ: প্রিজমের কাজ করে
Explanation:
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো ---- সঠিক উত্তর প্রিজমের কাজ করে ব্যাখ্যাঃ দুইটি হেলানো সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ প্রতিসারক মাধ্যমকে প্রিজম বলা হয়। প্রিজমের মধ্যে দিয়ে আলোর প্রতিসরণের ফলে সাদা রঙের আলো সাতটি মূল রঙের আলোতে বিশ্লিষ্ট হয়। রঙধনু একটি আলোকীয় ঘটনা। এক পশলা বৃষ্টির পর আবার যখন সূর্য ওঠে তখন কখনও কখনও সুর্যের বিপরীত দিকে আকাশে উজ্জ্বল রঙের অর্ধবৃত্ত দেখা যায়, একে বলা হয় রঙধনু বা রামধনু। রঙধনুতে সাতটি রঙ থাকে। বৃষ্টির কণায় সূর্যের আলোর প্রতিসরণ থেকে রঙধনু উৎপত্তি। এক্ষেত্রে বৃষ্টির পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে। সকালে রঙধনু পশ্চিমাকাশে ও বিকালে রংধনু পূর্ব আকাশে দেখা যায়
হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়---
Correct Answer:
খ: ১৯৮৬ সালে
Explanation:
হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়--- সঠিক উত্তর ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-----
Correct Answer:
ক: বিজয়পুরে
Explanation:
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে----- সঠিক উত্তর বিজয়পুরে দিনাজপুরে পাওয়া যায় প্রথম লোহার খনি৷
বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে----
Correct Answer:
খ: বিজয়পুরে
Explanation:
বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে---- সঠিক উত্তর বিজয়পুরে নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
পানির জীব হয়েও বাতাসে নিশ্বাস নেয়----
Correct Answer:
গ: শুশুক
Explanation:
পানির জীব হয়েও বাতাসে নিশ্বাস নেয়---- সঠিক উত্তর শুশুক শুশুকশুশুক একটি স্তন্যপায়ী জলজ প্রাণী। বাংলাদেশে এখন এটি বিপন্ন প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে পানিতে যেখানে এটা রাখা যায় সেখানেই এটা থাকে কারণ -----
Correct Answer:
গ: বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
Explanation:
কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে পানিতে যেখানে এটা রাখা যায় সেখানেই এটা থাকে কারণ ----- সঠিক উত্তর বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান ঘনত্বকোন বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার ঘনত্ব (Density) বলে। আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে (S.I.) এর একক কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার(Kg m−3)। ঘনত্বের সাথে আপেক্ষিক গুরুত্বের2 KB (129 words) - আপেক্ষিক গুরুত্ব (section ডিজিটাল ঘনত্ব পরিমাপক যন্ত্র)গুরুত্ব বলতে কোন বস্তুর ঘনত্ব এবং অন্য একটি প্রসঙ্গ বস্তুর ঘনত্বের অনুপাত অথবা কোন বস্তুর ভর এবং একই আয়তনের অন্য একটি প্রসঙ্গ বস্তুর ভরের অনুপাতকে বোঝায়।35 KB (2,317 words) - বিভবতড়িৎ বিভব বা চার্জমাত্রা বা আধানমাত্রা বলে। অর্থাৎ বিভব হল কোন বস্তুর চার্জের ঘনত্ব। ভোল্টেজের প্রতীক V এবং একক Volt (ভোল্ট)। যদি অসীম বা শূন্য বিভবের4 KB (271 words) - প্লবতা = ρ V {\displaystyle m = \rho V} যেখানে ρ {\displaystyle \rho } দ্বারা বস্তুর ঘনত্ব বোঝায়। কাজেই, বস্তুটি তার নিন্মতলে যে চাপ প্রয়োগ করবে তার মান হলো - 4 KB (218 words) - স্থানের মেট্রিক সম্প্রসারণভাষায়: Metric expansion of space) বলতে মহাবিশ্বের যেকোন দুটি দূরবর্তী বস্তুর দূরত্ব ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলাকে বোঝায়। এটি এক ধরনের অন্তর্নিহিত সম্প্রসারণ19 KB (1,150 words) - ব্যাপনঅণুর ঘনত্ব: যে পদার্থের ব্যাপন ঘটবে সে পদার্থের অণুর ঘনত্ব বেশি থাকলে ব্যাপন হার বেশি হবে, অণুর ঘনত্ব কম হলে ব্যাপন হার কম হবে। ৩. মাধ্যমের ঘনত্ব: যে মাধ্যমে6 KB (350 words) - তাপগতিবিজ্ঞানএগুলি তাপগতিবৈজ্ঞানিক চলক হিসেবে পরিচিত। এগুলি ছাড়াও আরও অনেক চলক, যেমন – ঘনত্ব, আপেক্ষিক তাপ, সংকোচনীয়তা, তাপীয় প্রসারাংক, ইত্যাদি চিহ্নিত ও তুলনা করে8 KB (338 words) - পৃথিবীর ভবিষ্যৎপৃথিবী পৃষ্ঠের রসায়ন, গ্রহের অভ্যন্তরের শীতলীকরণের হার, সৌরজগতের অন্যান্য বস্তুর সাথে মহাকর্ষীয় মিথস্ক্রিয়া এবং সৌর দীপ্তির ক্রম বৃদ্ধি। এই ভবিষ্যৎ নির্ণয়ে7 KB (365 words) - 17:31, 15 March 2018ভেক্টর গ্রাফিক্সজন্য একটি রং, আকার, ঘনত্ব এবং উপাদান নির্ধারণ করা যায়। ছবির পটভুমির আকারের সাথে ফাইলের আকার কম বেশি হয় না, কারণ প্রতিটি বস্তুর সাথে কেবল কিভাবে সেই5 KB (255 words) - মেরুকরণের ঘনত্বচিরায়ত তড়িৎচৌম্বকীয় বিদ্যায়, মেরুকরণের ঘনত্ব (বা তড়িৎমেরুকরণ, বা কেবল মেরুকরণ) হলো, একটি ভেক্টর ক্ষেত্র যা অস্তরক পদার্থগুলিতে স্থায়ী বা প্ররোচিত41 KB (2,443 words) - তড়িৎ বিভবতড়িৎ বিভব বা চার্জমাত্রা বা আধানমাত্রা বলে। অর্থাৎ বিভব হল কোন বস্তুর চার্জের ঘনত্ব। কোন বস্তু অপর বস্তু থেকে তড়িৎ গ্রহণ করবে না প্রদান করবে তা নির্ভর16 KB (868 words) - 02:00, 5 April 2020মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বমাঝে দুই ধরনের শক্তি ঘনত্ব ছিল: নিশ্চল ভর শক্তি ঘনত্ব এবং বিকিরণ শক্তি ঘনত্ব। আপেক্ষিক বেগ কমে যাওয়ার ফলে নিশ্চল ভরজনিত শক্তি ঘনত্ব মহাকর্ষীয়ভাবে বিকিরণজনিত109 KB (5,856 words) - কণার আকার বিতরণকোন বস্তুর কণার আকার বিতরণ বস্তুটির ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যগুলো অনুধাবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এটি মৃত্তিকা ও শিলার শক্তিমাত্রা ও ভারবহন ক্ষমতাকে প্রভাবিত3 KB (173 words) - অবস্থান্তর ধাতুরসায়নশাস্ত্রে অবস্থান্তর ধাতু বা অবস্থান্তর বস্তুর দুই ধরনের ব্যাখ্যা আছে: এটি সাধারণভাবে পর্যায় সারণীর d - ব্লকের যে কোন উপাদানকে বুঝাতে ব্যবহৃত হয়,9 KB (388 words) - নিউট্রন তারা (section ঘনত্ব এবং চাপ)ব্যাসার্ধ্যের তুলনায় ৩০,০০০ থেকে ৭০,০০০ গুণ কম। এ কারণে এদের ঘনত্ব খুবই বেশি। এর ঘনত্ব প্রায় ৮×১০১৩ থেকে ২×১০১৫ গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়।36 KB (2,122 words) - মহাকর্ষ ধ্রুবকআপেক্ষিকতাবাদের সূত্র থেকে পাওয়া যায়। মহাকর্ষীয় বলের সূত্র অনুসারে দুইটি বস্তুর মধ্যে আকর্ষণীয় বল(F) - উহাদের ভরের (m1 ও m2) সমানুপাতিক এবং উহাদের মধ্যকার7 KB (537 words) - তমোপদার্থ (section মহাবিশ্বের ঘনত্ব)যেমন: ছায়াপথের ঘূর্ণন বেগ, বুলেট স্তবকের মত ছায়াপথ স্তবকের কারণে পটভূমির বস্তুর মহাকর্ষীয় লেন্সিং এবং ছায়াপথ ও ছায়াপথ স্তবকের উত্তপ্ত গ্যাসের তাপমাত্রা94 KB (5,477 words) - তমোশক্তিউপাদানগুলি খুব ছোট পরিমাণে অবদান রাখে। গাঢ় শক্তি ঘনত্ব (~ ৭ × ১০ - ৩০ গ্রাম / সেমি ৩) খুব কম, সাধারণ বস্তুর ঘনত্ব বা ছায়াপথের মধ্যে অন্ধকার বিষয় তুলনায় অনেক7 KB (626 words) - ক্লাস্টার বিশ্লেষণ ক্লাস্টারিং এমন বস্তুর একটি সেট গোষ্ঠীভুক্ত করার কাজ যা এই গোষ্ঠীতে (ক্লাস্টার বলা হয়) বস্তুগুলি অন্য গোষ্ঠীগুলির (ক্লাস্টার্স) তুলনায়5 KB (240 words) - টলম্যান - ওপেনহাইমার - ভকহফ সীমাকরা হয়। ঠাণ্ডা (তাপীয় চাপ দ্বারা সমর্থিত নয়) নিজ - ভারের দ্বারা চালিত বস্তুর একটি পরম সর্বোচ্চ ভর রয়েছে এমন ধারণার পক্ষে ল্যেভ লান্দাউ 1932 সালে কাজ11 KB (787 words) বহু - বস্তু সমস্যামাইক্রোস্কোপিক শব্দটি ব্যবস্থাটির একটি নিঁখুত বর্ণনা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ঘন বস্তুর পদার্থবিজ্ঞান (কঠিন অবস্থার পদার্থবিজ্ঞান, ন্যানোপ্রযুক্তি, অতিপরিবাহিতা)
পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারণ, আলোর ----
Correct Answer:
খ: প্রতিসরণ
Explanation:
পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারণ, আলোর ---- সঠিক উত্তর প্রতিসরণ পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারণ, আলোরপ্রতিসরণের কারণে। পানি সচছ পদার্থ তাই আমরা যদি পানিতে তাকাই তাহলে তা ভেদ করে আলো অপর পাশে চলে যায় তাই পানিতে যে জিনিস আমরা যেখানে দেখতে পাই তা সেখানে নেই একটু দূরে আছে। তাই পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যায়। আলোর প্রতিসরণের কারণে এমনটা ঘটে। আলো হালকা/ বায়বীয় মাধ্যম থেকে ঘন/ পানি মাধ্যমে গেলে অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। তাই বৈঠাও বাঁকা দেখায়
বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ প্রতিক্রিয়া প্রথম কোন জেলায় ধরা পড়ে?
Correct Answer:
ঘ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ
Explanation:
বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ প্রতিক্রিয়া প্রথম কোন জেলায় ধরা পড়ে? সঠিক উত্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা বলতে বোঝানো হয় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অঞ্চলে খাবার পানিতে আর্সেনিকের মাত্রাতিরিক্ত হার, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। আর্সেনিক মূলত একপ্রকার রাসায়নিক উপাদান। পানিতে স্বল্প মাত্রায় আর্সেনিক সব সময়ই থাকে। কিন্তু যখনই এই মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি হয়ে যায়, তখনই তা পানকারীর শরীরের নানা রকম রোগের উপসর্গ তৈরি করে এবং পরবর্তিতে সেই সকল রোগব্যাধিকে মারাত্মক পর্যায়ে নিয়ে যায়। পুরো বিশ্ব থেকে, ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক দূষণের মোটামুটি ২০টি ঘটনা জানা যায়। এর মধ্যে, চারটি গুরুতর ঘটনাই পাওয়া গেছে এশিয়াতে। এর মধ্যে থাইল্যান্ড ও তাইওয়ানের কিছু এলাকা এবং চীনের মূল ভূখন্ড রয়েছে। [ দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা এবং চিলিতেও আর্সেনিক দূষণ চিহ্নিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকার ভূগর্ভস্থ পানিতে, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের হিসাবানুসারে, ইউনাইটেড স্টেট্স এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির মাত্রার (প্রতি বিলিয়নে ১০ পার্ট্স) চেয়ে বেশি মাত্রার আর্সেনিক পাওয়া গেছে। ইউএস সুপারফান্ড - এর অর্থায়নে নির্মিত সাম্প্রতিক চলচ্চিত্র In Some Doses থেকে জানা যায়, ১০ লক্ষের মতো ব্যক্তিগত কূপের আর্সেনিকের মাত্রা অজানা রয়ে গেছে, এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিছু এলাকায় ২০% - এরও বেশি কূপে নিরাপদ মাত্রার বেশি আর্সেনিক থাকতে পারে। ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের একটি গবেষণায় ধারণা করা হয়, ৭০টিরও বেশি দেশে, ১৩৭ মিলিয়ন - এরও বেশি মানুষ, খাবার পানিতে আর্সেনিক দূষণে আক্রান্ত। কিন্তু এই বৈশ্বিক বিপর্যয়কে ছাড়িয়ে গেছে গাঙ্গেয় উপত্যকার আর্সেনিক দূষণ। সম্প্রতি ভূগর্ভস্থ পানির উত্তোলন বেড়ে যাওয়ায় এই দূষণ আরো বেড়ে গেছে। আর্সেনিক প্রথম ধরা পড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে, আর সব থেকে বেশি চাঁদপুরে।
প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের মাটিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
Correct Answer:
ক: ৫ ভাগে
Explanation:
প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের মাটিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়? সঠিক উত্তর ৫ ভাগে প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের মাটিকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায় । যথা : (ক) পাহাড়ি মাটি, (খ) ল্যাটোসেলিক মাটি, (গ) পলল মাটি, (ঘ) জলাভূমি মাটি এবং (ঙ) কোষ মাটি।
বাংলাদেশে কবে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
Correct Answer:
খ: ১৯৫৭ সালে
Explanation:
বাংলাদেশে কবে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়? সঠিক উত্তর ১৯৫৭ সালে ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরের সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় এবং তা থেকে ১৯৫৭ সালে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ।
বাংলাদেশের পানি সম্পদের চাহিদা সবচেয়ে বেশি কোন খাতে?
Correct Answer:
খ: কৃষি
Explanation:
বাংলাদেশের পানি সম্পদের চাহিদা সবচেয়ে বেশি কোন খাতে? সঠিক উত্তর কৃষি বাংলাদেশের পানি সম্পদের চাহিদা সবচেয়ে বেশি কৃষি খাতে। কৃষিকার্য বা কৃষি মানবজাতির আদিমতম পেশা হিসেবে চিহ্নিত। মানুষের জীবনধারনের জন্য শষ্য উৎপাদন কিংবা গৃহপালিত পশু রক্ষণাবেক্ষনের জন্যে যথোচিত খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় কাঁচামাল উৎপাদন ও সরবরাহসহ বহুবিধ উদ্দশ্যে প্রতিপালনের লক্ষ্যে কৃষিকার্য নির্বাহ করা হয়। যিনি কৃষির সাথে সংশ্লিষ্ট তিনিই কৃষক। ১৯৪০ - এর দশক থেকে কৃষি উৎপাদন অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রধান কারণ ছিল জ্বালানী নির্ভর যান্ত্রিক পরিবহন, সার এবং কীটনাশকের ব্যাপক ব্যবহার। তন্মধ্যে এ খাতে সবচেয়ে বেশি জ্বালানী এসেছে জীবাশ্ম বা কয়লাজাত জ্বালানী থেকে।
স্বাভাবিক আদর্শ পরিবেশে পানির ঘনত্ব যে তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ মান পরিগ্রহ করে তা হলো -----
Correct Answer:
গ: ৪ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
Explanation:
স্বাভাবিক আদর্শ পরিবেশে পানির ঘনত্ব যে তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ মান পরিগ্রহ করে তা হলো ----- সঠিক উত্তর ৪ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড পানির ব্যতিক্রমী ধর্ম হচ্ছে 4°C তাপমাত্রায় এর ঘনত্ব সবচেয়ে বৃদ্ধি পায় এবং এরপর তাপমাত্রা কমালে ঘনত্ব হ্রাস পায়। 0°C তাপমাত্রায় পানি বরফ এবং 100°C - এ বাষ্পে পরিণত হয়।
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
Correct Answer:
ঘ: সাগরে
Explanation:
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ? সঠিক উত্তর সাগরে নদীর পানির চেয়ে সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ কারন সমুদ্রের পানিতে নানা ধরনের লবণ দ্রবীভূত থাকে। তাই সমুদ্রের পানির ঘনত্ব নদীর পানি বা পুকুরের পানির চেয়ে বেশি। ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারনে সমুদ্রের পানির প্লবতা নদী বা পুকুরের পানির চেয়ে বেশি। ফলে সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটার সময়সাঁতারুর শরীরের উপর প্লবতা বেশি হওয়ায় শরীর হালকা বলে মনে হয়। এ কারনে নদী বা পুকুরের পানির তুলনায় সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতি হয় -----
Correct Answer:
ঘ: পৃষ্ঠটান
Explanation:
পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতি হয় ----- সঠিক উত্তর পৃষ্ঠটান পৃষ্ঠটানপৃষ্ঠটান (ইংরেজি: Surface Tension) হল প্রবাহীর পৃষ্ঠের একটি স্থিতিস্থাপক প্রবণতা, যা তার উপরিতলকে সম্ভাব্য সর্বনিম্ন ক্ষেত্রফল প্রদান করে। পৃষ্ঠটানের জন্যই কিছু কীট, যাদের দেহের ঘনত্ব জল অপেক্ষা অনেক বেশি, তারা জলের উপরিতলে ভাসমান থাকতে পারে আর হেঁটে যেতে পারে। পৃষ্ঠটান ও পদার্থের জলবিকর্ষী ধর্ম জলের ফোঁটাকে কেটে তোলে। সাবানের ফেনা দিয়ে পৃষ্ঠটানের একটি পরীক্ষাতরল ও গ্যাসের সংযোগস্থলে, তরল অণুগুলির পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ (সংসক্তি টানের জন্য), তরল ও গ্যাসের অণুগুলির আকর্ষণ (আসঞ্জন বলের জন্য) অপেক্ষা অনেক বেশি হওয়ায় পৃষ্ঠটান সংঘটিত হয়। তরলপৃষ্ঠের নিচে অভ্যন্তরীণ বলসমূহের লব্ধি বল এমনভাবে ক্রিয়া করে, যেন তরলের উপরিতল কোনো টান করা স্থিতিস্থাপক পর্দা দ্বারা আবৃত রয়েছে। এই অসম লব্ধি বলের কারণেই তরল পৃষ্ঠে সংকোচনশীল টান প্রযুক্ত হয়, সেই কারণেই সম্ভবত একে ‘পৃষ্ঠটান’ বলা হয়। অন্যান্য তরলের থেকে জলের অণুগুলির হাইড্রোজেন বন্ধন উচ্চ মানের হয় (২০° সে. উষ্ণতায় ৭২.৮ মিলিনিউটন প্রতি মিটার)। পৃষ্ঠটানে বল প্রতি একক দৈর্ঘ্যে কিংবা প্রতি বর্গ - একক ক্ষেত্রফল প্রযুক্ত হতে পারে। এই দুই প্রকার বল বাস্তবে একই, কিন্তু প্রতি বর্গ - একক ক্ষেত্রফল প্রযুক্ত হলে, এই বলকে পৃষ্ঠশক্তি বলা হয়। পৃষ্ঠশক্তি আবার কঠিনের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হতে পারে। বস্তুবিজ্ঞানে পৃষ্ঠটানকে পৃষ্ঠ পীড়ন বা মুক্ত পৃষ্ঠশক্তি নামেও অভিহিত করা হয়।
বায়ুমণ্ডলের চাপের ফলে ভূগর্ভস্থ পানি লিফট পাম্পের সাহায্যে সর্বোচ্চ যে গভীরতা থেকে উঠানো যায় -----
Correct Answer:
খ: ১০ মিটার
Explanation:
বায়ুমণ্ডলের চাপের ফলে ভূগর্ভস্থ পানি লিফট পাম্পের সাহায্যে সর্বোচ্চ যে গভীরতা থেকে উঠানো যায় ----- সঠিক উত্তর ১০ মিটার পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলপৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বুঝায়, যা পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে। একে আবহমণ্ডল - ও বলা হয়। এই বায়ুমন্ডল সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে। এছাড়ও তাপ ধরে রাখার মাধ্যমে (গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া) ভূপৃষ্টকে উত্তপ্ত করে এবং দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা হ্রাস করে। শ্বাস - প্রশ্বাস ও সালোকসংশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত বায়ুমন্ডলীয় গ্যাসসমূহের প্রদত্ত প্রচলিত নাম বায়ু বা বাতাস। পরিমাণের দিক থেকে শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন, ২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে। বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%। বাতাসের পরিমাণ ও বায়ুমন্ডলীয় চাপ বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন রকম হয়, স্থলজ উদ্ভিদ ও স্থলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত বাতাস কেবল পৃথিবীর ট্রপোমণ্ডল এবং কৃত্রিম বায়ুমণ্ডলসমূহে পাওয়া যাবে। বায়ুমন্ডলের ভর হচ্ছে প্রায় ৫×১০১৮ কেজি, যার তিন চতুর্থাংশ পৃষ্ঠের প্রায় ১১ কিলোমিটারের (৩৬, ০০০ ফুট ৬.৮ মাইল) মধ্যে থাকে। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমন্ডল পাতলা হতে থাকে এবং বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের মধ্যে কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। Karman লাইন, 100 কিলোমিটার (62 মাইল), অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এর 1.57% এ, প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যে মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কারম্যান রেখা যা পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উপরে অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ১.৫৭% প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যের মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহার করা হয়। বায়ুমন্ডলীয় প্রভাবসমূহ পরিলক্ষিত হয় যখন মহাকাশযান প্রায় ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) উচ্চতায় অথ্যাৎ কারম্যান রেখার উপরে গমন করে। বৈশিষ্ট্য যেমন তাপমাত্রা ও গঠনের উপর ভিত্তি করে বায়ুমন্ডলকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং তার প্রক্রিয়া নিয়ে চর্চা করাকে বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান বা অ্যাইরলজি বলা হয়। লিওন টিইসারিয়েক ডি বর্ট ও রিচার্ড অ্যাসম্যান এই শাস্ত্রের প্রারম্ভিক পথিকৃৎ।
প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে সবচেয়ে মৃদু পানি পাওয়া যায়?
Correct Answer:
ঘ: বৃষ্টি
Explanation:
প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে সবচেয়ে মৃদু পানি পাওয়া যায়? সঠিক উত্তর বৃষ্টি সাগরের পানি লবণাক্ত। হ্রদ ও নদীর পানি মৃদু হলেও তুলনামূলকভাবে বৃষ্টির পানি অধিকতর মৃদু। কারণ সাগর, নদী প্রভৃতির পানি সূর্যতাপে বাষ্পীভূত হয়ে মেঘ সৃষ্টি হয়, যার ফলে বৃষ্টির পানিতে বিভিন্ন প্রকার লবণের উপস্থিতি একেবারেই থাকে না।
পেট্রোলের আগুন পানি দ্বারা নেভানো যায় না, কারণ ----
Correct Answer:
ঘ: খ ও গ উভয়ই ঠিক
Explanation:
পেট্রোলের আগুন পানি দ্বারা নেভানো যায় না, কারণ ---- সঠিক উত্তর খ ও গ উভয়ই ঠিক পেট্রোল প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হাইড্রোকার্বন যা পানির তুলনায় অনেক হালকা। পেট্রোলের আগুনে পানি ঢেলে দিলে পেট্রোলের আগুনের উত্তাপ অনেক বেশি হওয়ায় পানি বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়। তাই পানি দ্বারা পেট্রােলের আগুন নেভানো যায় না। তাছাড়া পানি পেট্রোল অপেক্ষা ভারী হওয়ায় বিশ্লিষ্ট হওয়ার পর যে পানি অবশিষ্ট থাকে তা প্রেট্রােলের নিচে চলে যায়। ফলে পেট্রোলের আগুন জ্বলতে থাকে।
প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাঙ্ক ----
Correct Answer:
খ: বেশি হয়
Explanation:
প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাঙ্ক ---- সঠিক উত্তর বেশি হয় বায়ুর চাপ যতো বৃদ্ধি পায় পানি বা তরলের স্ফুনাঙ্ক ততো বৃদ্ধি পায়। প্রেসার কুকারে বাষ্পের বহির্গমন নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ চাপ বৃদ্ধির ফলে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পেয়ে ১০৩° সে. পর্যন্ত পৌঁছে । এ কারণে প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয়।
পানি জমলে আয়তনে-
Correct Answer:
ক: বাড়ে
Explanation:
পানি জমলে আয়তনে- সঠিক উত্তর বাড়ে তরল পদার্থে তাপ প্রয়োগ করলে তার আয়তন বাড়ে ও তাপ সরিয়ে নিলে তার আয়তন কমে। 0̊C তাপমাত্রার পানিকে গরম করলে এর আয়তন বাড়ে না বরং আয়তন কমে। 4 ̊ C তাপমাত্রা পর্যন্ত এভাবেই আয়তন কমে। পরবর্তীতে 4 ̊ C তাপমাত্রার পানিকে গরম বা ঠাণ্ডা যাই করা হোক না কেন তা প্রসারিত হয়। এই ব্যতিক্রমের প্রধাণ কারণ হচ্ছে, 4 ̊ C তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
পান করা পানির সাথে ক্লোরিন মিশানো হয়-
Correct Answer:
ঘ: ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করার জন্য
Explanation:
পান করা পানির সাথে ক্লোরিন মিশানো হয়- সঠিক উত্তর ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করার জন্য পানির জীবাণু ধ্বংস করতে ক্লোরিন বহুল ব্যবহৃত একটি রাসায়নিক। যদি পানি ফোটানো বা ফিল্টার করার ব্যবস্থা না থাকে তাহলে পানি বিশুদ্ধিকরণ ক্লোরিন ট্যাবলেট দিয়ে পানি পরিশোধন করা যেতে পারে। সাধারণত প্রতি তিন লিটার পানিতে একটি ট্যাবলেট বা ১০ লিটার পানিতে ব্লিচিং গুলিয়ে রেখে দিলে বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়।
গরম পানির ঝরনা কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
গ: সীতাকুণ্ড পাহাড়ে
Explanation:
গরম পানির ঝরনা কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর সীতাকুণ্ড পাহাড়ে গরম পানির ঝরনা সীতাকুণ্ড পাহাড়ে অবস্থিত। সীতাকুণ্ড পাহাড় হিমালয় হতে বিচ্ছিন্ন হিমালয়ের পূর্বাঞ্চলীয় অংশ। এই পাহাড়টি হিমালয়ের দক্ষিণ ও দক্ষিণ - পূর্ব দিক ঘুরে ভারতের আসাম এবং ত্রিপুরা রাজ্যের মধ্য দিয়ে ফেনী নদী পার হয়ে চট্টগ্রামের সঙ্গে মিশেছে। চট্টগ্রাম অংশে ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম শহর পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০ কিলোমিটার। এই পাহাড়ের পাদদেশে নির্মিত হয়েছে সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক। এখানে রয়েছে সহস্রধারা আর সুপ্তধারা নামের দুটি জলপ্রপাত। মীরসরাই অংশে রয়েছে খৈয়াছড়া, হরিণমারা, হাটুভাঙ্গা, নাপিত্তাছড়া, বাঘবিয়ানী, বোয়ালিয়া, অমরমানিক্যসহ আরো অনেক অনেক ঝর্ণা ও জলপ্রপাত। পূর্বদিকে এই পাহাড় থেকে উৎসারিত হয়ে কয়েকটি ঝর্ণা তথা খাল হালদা নদীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে।
কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হত না?
Correct Answer:
ঘ: ক্যালসিয়াম কার্বনেট
Explanation:
কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হত না? সঠিক উত্তর ক্যালসিয়াম কার্বনেট রসায়ন বিদ্যা থেকে আমরা জানি যে, ক্ষার ধাতু ব্যতীত অন্যান্য ধাতুসমূহের কার্বনেট লবণ পানিতে অদ্রবণীয়। ক্যালসিয়াম (Ca) ক্ষার ধাতু নয়, এটি একটি মৃৎক্ষার ধাতু। সুতরাং ক্যালসিয়ামের কার্বনেট লবণ বা ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় অর্থাৎ পানিতে দ্রবীভূত হয় না। অপরদিকে গ্লিসারিন ,ফিটকিরি ও সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) বা খাবার লবণ এদের প্রত্যেকেই পানিতে দ্রবণীয়।
ভারী পানির রাসায়নিক সংকেত -----
Correct Answer:
গ: D2O
Explanation:
ভারী পানির রাসায়নিক সংকেত ----- সঠিক উত্তর D2O ভারী পানি হচ্ছে পানির একটি রুপভেদ যেখানে পারমাণবিক ভর ১ সংবলিত হাইড্রোজেন পরমাণুসহ পারমাণবিক ভর ২ সংবলিত হাইড্রোজেনের আইসোটোপ ডিউটোরিয়াম দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। ভারী পানির আণবিক সংকেত <math xmlns = "http://www.w3.org/1998/Math/MathML"><msub><mi>D</mi><mn>2</mn></msub><mi>O</mi></math>
ভারী পানি (Heavy water)-- এর সংকেত হচ্ছে ------
Correct Answer:
গ: D2O
Explanation:
ভারী পানি (Heavy water)-- এর সংকেত হচ্ছে ------ সঠিক উত্তর D2O ভারী পানি হচ্ছে পানির একটি রুপ যেখানে পারমাণবিক ভর ১ সংবলিত হাইড্রোজেনের আইসোটোপ, ডিউটোরিয়াম দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। ভারী পানির আণবিক সংকেত D2O।
প্রাকৃতিক কোন উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়?
Correct Answer:
ঘ: বৃষ্টিপাত
Explanation:
প্রাকৃতিক কোন উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়? সঠিক উত্তর বৃষ্টিপাত মৃদু পানির প্রধান উৎস বৃষ্টিপাত। বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ মৃদু পানি পাওয়া যায়।
বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির -----
Correct Answer:
খ: ঘনত্ব বেশি
Explanation:
বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির ----- সঠিক উত্তর ঘনত্ব বেশি সাধারণত কোনো বস্তুর তাপমাত্রা হ্রাস করলে এর ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। পানির একমাত্র ব্যতিক্রমী প্রসারণ হচ্ছে পানির তাপমাত্রা ৪°সেন্টিগ্রেডে আনলে এর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয় এবং ৪° থেকে তাপমাত্রা কমিয়ে আনলে এর ঘনত্ব কমতে থাকে। ০° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় পানি বরফে পরিণত হয় এবং এর ঘনত্ব কমে যায়। পানির ঘনত্ব বেশি থাকার কারণে বরফ পানিতে ভাসে।
বাংলাদেশে চীনা মাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
Correct Answer:
ক: বিজয়পুরে
Explanation:
বাংলাদেশে চীনা মাটির সন্ধান পাওয়া গেছে- সঠিক উত্তর বিজয়পুরে চীনা মাটি হল কেওলিন কর্দম মনিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম। চীনা মাটি প্রধানত ব্যবহার করা হয় সিরামিক শিল্পে। ১৯৬২ সালে বাংলাদেশের জয়পুরহাটে জামালগঞ্জে উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় নিচের কোন স্থানে?
Correct Answer:
ক: হরিপুর
Explanation:
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় নিচের কোন স্থানে? সঠিক উত্তর হরিপুর বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় 1955 সালে হরিপুরে (সিলেট) । এটি আবিষ্কার করে পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লি. (পিপিএল) এবং এর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হলেন এসসিএফসিএল ।
তিতাস গ্যাসে কি আছে?
Correct Answer:
গ: মিথেন
Explanation:
তিতাস গ্যাসে কি আছে? সঠিক উত্তর মিথেন তিতাস গ্যাসে মিথেন আছে।
বাখরাবাদ গ্যাস ক্ষেত্র
Correct Answer:
ক: কুমিল্লায়
Explanation:
বাখরাবাদ গ্যাস ক্ষেত্র সঠিক উত্তর কুমিল্লায় বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি কুমিল্লায় অবস্থিত। এটি ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় পাকিস্তান শেলওয়েল কোম্পানি কতৃক। এ গ্যাসক্ষেত্রটি বর্তমান পরিচালনা কারী প্রতিষ্ঠান বিজিএফসিএল।
ফসল উৎপাদানরে জন্য কোন ধরনের মাটি উত্তম?
Correct Answer:
ঘ: দো-আঁশ মাটি
Explanation:
ফসল উৎপাদানরে জন্য কোন ধরনের মাটি উত্তম? সঠিক উত্তর দো-আঁশ মাটি দেঁআশ মাটিতে বালু, কাদা এবং হিউমাস থাকে। বালু এবং কাদা থাকার কারণে এ মাটি এবং মাটির অন্যান্য উপাদান ধরে রাখতে পারে। এ মাটিতে পানি জমে থাকে না। এ সব কারনেই দোআঁশ মাটিতে ফসল ভালো জন্মায়।
বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ঘ: কুমিল্লায়
Explanation:
বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর কুমিল্লায় বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় অবস্থিত। ঢাকা থেকে এটির অবস্থান ৪০ কিলোমিটার পূর্বে। তিতাস ও হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র এর মতো এটিও ১৯৬৯ সালে তদানিন্তন পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি আবিষ্কার করে।
বাংলাদেশের নতুন গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের--
Correct Answer:
খ: সুন্দলপুর
Explanation:
বাংলাদেশের নতুন গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের-- সঠিক উত্তর সুন্দলপুর বাংলাদেশের নতুন গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের - - সুন্দলপুর। নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ সুন্দলপুর - সাহাজাদপুর গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাস পাওয়ার ৭ বছর পর বাংলাদেশের ২৪ নম্বর গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে ৮ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করবেন। বর্তমানে ৫০ বিলিয়ন কিউবিক ফিট গ্যাস রিজার্ভ রয়েছে।
কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না?
Correct Answer:
খ: ক্যালসিয়াম কার্বনেট
Explanation:
কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না? সঠিক উত্তর ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে দ্রবীভূত হয় না ক্যালসিয়াম কার্বনেট। সোডিয়াম যৌগ বা খাবার লবণ স্বচ্ছ বর্ণহীন কঠিন পদার্থ এবং পানিতে অদ্রবণীয়। চিনি এবং সালফিউরিক অ্যাসিড উভয় পানিতে দ্রবণীয়। পক্ষান্তরে, ক্যালসিয়াম কার্বনেট প্রকৃতিতে চুনাপাথর মার্বেল পাথর ও অন্যান্য রূপে বিদ্যমান বিশুদ্ধ পানিতে অদ্রবণীয় হলেও কার্বন - ডাই - অক্সাইড মিশ্রিত পানিতে দ্রবীভূত হয়।
পানিবাহিত রোগ-
Correct Answer:
ঘ: টাইফয়েড
Explanation:
পানিবাহিত রোগ- সঠিক উত্তর টাইফয়েড টাইফয়েড পানি বাহিত একটি মারাত্মক রোগ। এর জীবাণু দুষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। তাই একে পানিবাহিত রোগ বলা হয়।
বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান কোনটি ?
Correct Answer:
ক: মিথেন
What is the name of the oil Refinery in Bangladesh ?
Correct Answer:
D: Eastern Refinery
Explanation:
What is the name of the oil Refinery in Bangladesh ? Correct Answer Eastern Refinery Eastern Refinery Limited or ERL is the sole country - owned oil refinery in Bangladesh. ERL, a subsidiary of Bangladesh Petroleum Corporation, plays a vital role in supplying around 40% of country's current petroleum products demand and thus maintains stability in petroleum, oil and lubricants (POL) products market of the country. ERL sometimes becomes the only fall back system available, to avoid products crisis in the face of disruption of products' import.
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো--
Correct Answer:
খ: প্রিজমের কাজ করে
Explanation:
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো-- সঠিক উত্তর প্রিজমের কাজ করে রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে। প্রিজমে সাদা আলো পতিত হলে তা সাতটি বর্ণে বিশ্লিষ্ট হয়। যথা: বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল। একে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। বৃষ্টির ফোটায় সূর্যের আলো পড়লে তা প্রিজমের নেয় কাজ করে।
কলের পানিতে সাধারণত কোন রাসায়নিক উপাদান থাকে?
Correct Answer:
ঘ: ক্লোরিন
Explanation:
কলের পানিতে সাধারণত কোন রাসায়নিক উপাদান থাকে? সঠিক উত্তর ক্লোরিন কলের পানিতে সাধারণত রাসায়নিক উপাদান থাকে ক্লোরিন। কলের পানিতে রাসায়নিক উপাদান হিসেবে সাধারণত আর্সেনিক, বোরন, বেরিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও আয়রন বিদ্যমান থাকে। আবার সাধারণত খনিজ পানিতে বিভিন্ন ধাতু লবণ আয়নিত অবস্থায় থাকে। যেমন সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, কোবাল্ট, ক্লোরাইড ইত্যাদি। ক্লোরাইড আয়ন ক্লোরিন থেকে সৃষ্টি। সুতরাং কলের পানিতে ক্লোরিন থাকে।
বাংলাদেশে কোন সন থেকে গ্যাস উত্তোলন আরম্ভ হয়?
Correct Answer:
খ: ১৯৫৭
কোনটি খর পানিতে উত্তম ফেনা দেয়?
Correct Answer:
ঘ: ডিটারজেন্ট
Explanation:
কোনটি খর পানিতে উত্তম ফেনা দেয়? সঠিক উত্তর ডিটারজেন্ট ডিটারজেন্ট খর পানিতে উত্তম ফেনা দেয়। যে পানিতে ক্যালসিয়াম ম্যাগনেশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম প্রভৃতি সালফেট ও ক্লোরাইড জাতীয় লবণ দ্রবীভূত থাকে সেই পানিকে খর পানি বলে। সাবান খর পানিতে কম ফেনা উৎপন্ন করে। ডিটারজেন্ট একপ্রকার অ্যালকোহল হাইড্রোজেন সালফেট এর চরম লবণ বা অ্যালকাইল বেনজিন সালফেটের সোডিয়াম লবণ। যা সহজেই খর পানিতে উত্তম ফেনা দেয়।
কোনটি পানিবাহিত রোগ?
Correct Answer:
ক: টাইফয়েড
Explanation:
কোনটি পানিবাহিত রোগ? সঠিক উত্তর টাইফয়েড টাইফয়েড একটি পানিবাহিত রোগ। যক্ষা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হাম বায়ুবাহিত রোগ। টাইফয়ড ও যক্ষ্মা ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ও হাম ভাইরাস ঘটিত রোগ।
কোন যন্ত্রের সাহায়্যে ডুবোজাহাজ পানির নিচ হতে উপরিভাগের দৃশ্য দেখে?
Correct Answer:
ঘ: পেরিস্কোপ
Explanation:
কোন যন্ত্রের সাহায়্যে ডুবোজাহাজ পানির নিচ হতে উপরিভাগের দৃশ্য দেখে? সঠিক উত্তর পেরিস্কোপ পেরিস্কোপ সম্পর্কে জেনে নিই
কোন প্রাকৃতিক উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায় ?
Correct Answer:
গ: বৃষ্টি
Explanation:
কোন প্রাকৃতিক উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায় ? সঠিক উত্তর বৃষ্টি প্রাকৃতিক উৎস হতে প্রাপ্ত সবচেয়ে মৃদু পানি হচ্ছে বৃষ্টির পানি। মৃদু পানির প্রধান উৎস বৃষ্টিপাত। বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে মৃদু পানি পাওয়া যায়। এছাড়াও নদী ও হ্রদের মৃদু পানি পাওয়া যায় তবে তাতে ময়লা ও অপদ্রব্য মিশ্রিত থাকে। সমুদ্রের পানি লবনাক্ত।
পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তনে-
Correct Answer:
ক: বাড়ে
Explanation:
পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তনে- সঠিক উত্তর বাড়ে সাধারণত পানিকে বরফে পরিণত করলে এর আয়তন বেড়ে যায় কারণ পানি অপেক্ষা বরফের হাইড্রোজেন বন্ধন কিছুটা দৈর্ঘ্য বরাবর বৃদ্ধি পায়। ফলে এদের মধ্যবর্তি ফাকাস্থান বেশি হয়। যেকারণে সমায়তন পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তন বাড়ে।
পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রার পরিমান কত-
Correct Answer:
ক: ০.০১মিগ্র/লি
Explanation:
পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রার পরিমান কত- সঠিক উত্তর ০.০১মিগ্র/লি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, আর্সেনিক গ্রহণযোগ্য মাত্রা ০.০১ মিলিগ্রাম/লিটার। তবে বাংলাদেশের জন্য আর্সেনিকের গ্রহনযোগ্য মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম/ লিটার।
রংধনু সৃষ্টির সময় পানির কণাগুলো কিসের কাজ করে?
Correct Answer:
গ: প্রিজমের
Explanation:
রংধনু সৃষ্টির সময় পানির কণাগুলো কিসের কাজ করে? সঠিক উত্তর প্রিজমের বৃষ্টি শেষে বাতাসে যে পানির কণা ভাসমান থাকে তা অনেকটা প্রিজমের মতো কাজ করে সূর্যের আলোকে বিভাজিত করে। যখন প্রিজমের মতো আচরণ করে পানির কণাগুলো সূর্যের সাদা আলোকে সাতটি আলাদা আলোতে ভাগ করে তখন তা আমাদের চোখে রংধনু হিসেবে ধরা দেয়। তবে বৃষ্টির পরপর আকাশে থাকা জলকণা যে রংধনু সৃষ্টি করবেই তার কোন নিশ্চয়তা নেই। সকালে পশ্চিমাকাশে ও বিকালে পূর্বাকাশে রংধনুর দেখা পাওয়া যায়।
চন্দ্র ও সূর্য জল ও স্থলকে আকর্ষণ করে বলে পানি ফুলে ওঠে; পানির এ ফুলে উঠাকে বলে ---
Correct Answer:
ক: জোয়ার
Explanation:
চন্দ্র ও সূর্য জল ও স্থলকে আকর্ষণ করে বলে পানি ফুলে ওঠে; পানির এ ফুলে উঠাকে বলে --- সঠিক উত্তর জোয়ার চন্দ্র ও সূর্য জল ও স্থলকে আকর্ষণ করে বলে পানি ফুলে ওঠে; পানির এ ফুলে উঠাকে বলে - - - জোয়ার। পৃথিবীর বাইরের মহাকর্ষীয় শক্তির (বিশেষ করে চাঁদের) প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের জল নিয়মিত বিরতিতে ফুলে ওঠাকে জোয়ার ও নেমে যাওয়ার ঘটনাকে ভাঁটা (একত্রে জোয়ার - ভাটা) বলা হয়। জোয়ার - ভাটার ফলে সমুদ্রে যে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তাকে জোয়ার তরঙ্গ (Tidal Eaves) বলে। চাঁদ থেকে জলের দূরত্ব মাটি অপেক্ষা বেশি থাকায় জলের উপর চাঁদের আকর্ষণ কম থাকে। ফলে সেখানকার জলও ফুলে উঠে। ফলে একই সময়ে চাঁদের দিকে এবং চাঁদের বিপরীত দিকে পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের জলের এই ফুলে উঠাকে জোয়ার বলে। আবার পৃথিবী ও চাঁদের ঘুর্ণনের কারণে একসময় ফুলে ওঠা জল নেমে যায়। জলের এই নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
পানির pH কত?
Correct Answer:
ঘ: 7.0
Explanation:
পানির pH কত? সঠিক উত্তর 7.0 পানি একটি অজৈব যৌগ যা অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত। বিশুদ্ধ পানি সাধারণত নিরপেক্ষ হয় অর্থাৎ তখন তার pH এর মান 7.0 হয়।
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে ---
Correct Answer:
খ: বিজয়পুরে
Explanation:
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে --- সঠিক উত্তর বিজয়পুরে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৫৭ সালে নেত্রকোনো জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়। এছাড়া নওগাঁর পত্নীতলা, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া ও বড়পুকুরিয়া এবং জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে চীনামাটি পাওয়া যায়।