Bengali Language (Grammar) MCQs
Showing 32 questions (Total: 132)
"After meat comes mustard"
Correct Answer:
C: নুন আনতে পান্তা ফুরায়
চাবি, জানালা, বালতি, এগুলি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Correct Answer:
ক: পর্তুগিজ
'কারাগারের রোজনামচা'-
Correct Answer:
ঘ: দিন লিপি
Explanation:
'কারাগারের রোজনামচা'- সঠিক উত্তর দিন লিপি কারাগারের রোজনামচা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত গ্রন্থ সংকলন। ২০১৭ সালে মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকীতে গ্রন্থটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়।
‘বিষাদ-সিন্ধু’ একটি
Correct Answer:
ঘ: উপন্যাস
‘পাণিনি' ছিলেন-
Correct Answer:
খ: ব্যাকরণবিদ
Explanation:
‘পাণিনি' ছিলেন- সঠিক উত্তর ব্যাকরণবিদ পাণিনি ছিলেন উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ বৈয়াকরণিক । সংস্কৃত ভাষায তাঁর রচিত প্রন্থের নাম ‘ অষ্টধ্যায়ী। কাত্যায়ন ও পতাঞ্জলি পাণিনির ব্যাকরণের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
কোনটি ভাষাবংশের নাম নয়?
Correct Answer:
ঘ: হিস্পানি
‘অবেলায় আমি দিলেম পাড়ি, অথৈ সাগরে’ এখানে কয়টি উপসর্গ রয়েছে?
Correct Answer:
খ: দুইটি
Explanation:
‘অবেলায় আমি দিলেম পাড়ি, অথৈ সাগরে’ এখানে কয়টি উপসর্গ রয়েছে? সঠিক উত্তর দুইটি অ (উপসর্গ) +বেলা =অবেলা; অ (উপসর্গ ) +থৈ =অথৈ ।
চাবি জানালা, বালতি- এইগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Correct Answer:
ক: পর্তুগিজ
Explanation:
চাবি জানালা, বালতি- এইগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে? সঠিক উত্তর পর্তুগিজ উদাহরণস্বরূপ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অতি পরিচিত কিছু দৈনন্দিন শব্দ যেমন পাউরুটির "পাউ" (Paõ), চাবি (Chave), বালতি (Balde), ইত্যাদি পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে।
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা উদ্ভবকাল কবে?
Correct Answer:
খ: ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ
Explanation:
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা উদ্ভবকাল কবে? সঠিক উত্তর ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে. বাংলা ভাষার উৎপুত্ত সপ্তম শতাব্দীতে ( ৬৫০ খ্রি) ডা. সুনীতিকুমার চট্টোপাাধ্যায়েরা মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি দাশম শতাব্দীতে।
কোন ধাতুর Ductility সর্বোচ্চ?
Correct Answer:
খ: Platinum
যে আমারে দেখিবারে পায় অসীম ক্ষমায় ভালোমন্দ মিলায়ে সকলি, এবার পূজায় তারি আপনারে দিতে চাই বলি। চরণ টির রচয়িতা-
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
যে আমারে দেখিবারে পায় অসীম ক্ষমায় ভালোমন্দ মিলায়ে সকলি, এবার পূজায় তারি আপনারে দিতে চাই বলি। চরণ টির রচয়িতা- সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের শেষে অমিতকে উদ্দেশ্যে করে লাবণ্যের একটি চিঠির অংশ বিশেষ আলোচ্য কবিতা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র-
Correct Answer:
ক: Stop genocide
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র- সঠিক উত্তর Stop genocide Stop genocide বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর চলাকালে ১৯৭১ সালে ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যে র এ তথ্যচিত্রটি তৈরি করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতে আশ্রয়গ্রহণকারী বাঙালিদের দুঃখ - দুর্দ শা, হানাদার পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ , ভারতে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের দিনকাল প্রভৃতি ও প্রামাণ্যচিত্রে তুলে ধরা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র A state is born এর পরিচালক জহির রায়হান। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের উপন্যাস Sultana's Dream . উইলিয়াম শেকসপিয়ার কর্তৃ ক রচিত ট্রাজেডি Macbeth
মানুষের ভাষাকে "সাধু ভাষা " হিসেবে প্রথম অভিহিত করেন কে?
Correct Answer:
গ: রাজা রামমোহন রায়
Explanation:
মানুষের ভাষাকে "সাধু ভাষা " হিসেবে প্রথম অভিহিত করেন কে? সঠিক উত্তর রাজা রামমোহন রায় সংস্কুত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়। বাংলা গদ্যের প্রথম যুগে সাধু রীতির ব্যাপক প্রচলন ছিল। রাজা রামমোহন রায় প্রথম সাধু ভাষার প্রয়োগ করেন। এবং এ ভাষাকে ‘সাধু ভাষা’ হিসেবে সর্ব জনীন করেন।
ভাষার মৌলিক অংশ-
Correct Answer:
ক: ধন্যি, শব্দ, বাক্য
Explanation:
ভাষার মৌলিক অংশ- সঠিক উত্তর ধন্যি, শব্দ, বাক্য ভাষা মূল উপদান ও ক্ষদুতম একক ধ্বনি । বাক্যের মূল উপদান বা উপকর শব্দ। ভাষার মূল উপতরণ বা ভাষার বৃহত্তম একক বাক্য। ধ্বনি , শব্দ ও বাক্য ভাষার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা ভাষার মৌলিক অংশ হিসেবে পরিগণিত । অপরদিকে , সন্ধি উচ্চারণের সহজপ্রবণতা ও ধ্বনিগত মাধূর্য সম্পাদন করে। উপসর্গ নতুন অর্থ বোধক শ্বদ তৈরি করে, শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ , সংকোচন ঘটায়। অনুসর্গ বাক্যের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে। র্ব ণ হলো ধ্বনি নির্দেশ প্রতীক।
"লেক্সিকোগ্রাফি " কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে?
Correct Answer:
ঘ: অভিধানতত্ত্ব
ভাষার মৌলিক উপাদান কয়টি?
Correct Answer:
ক: চারটি
ভাষার ক্ষুদ্রতম উপাদান কোনটি?
Correct Answer:
ক: ধ্বনি
Explanation:
ভাষার ক্ষুদ্রতম উপাদান কোনটি? সঠিক উত্তর ধ্বনি ধ্বনি: ভাষার ক্ষুদ্রতম উপাদান হলো ধ্বনি। ... ধ্বনির সাথে ধ্বনি একত্র হয়ে সৃষ্টি করে শব্দ আর শব্দ থেকে বাক্য গঠনের মথ্য দিয়ে ভাষার প্রকাশ হয়।
ভাষার পরিবর্তন কিসের সাথে সম্পর্কযুক্ত?
Correct Answer:
গ: ধ্বনি পরিবর্তনের সাথে
ভাষার উপাদান কয়টি?
Correct Answer:
খ: ৪টি
চলিত ভাষার সৃষ্টি হয়েছে-
Correct Answer:
গ: ১৯১৪ খ্রি.
চাবি’ জানালা,বালতি - এগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Correct Answer:
ক: পর্তুগিজ
Explanation:
চাবি’ জানালা,বালতি - এগুলো কোন ভাষা থেকে এসেছে? সঠিক উত্তর পর্তুগিজ পর্তুগিজ শব্দ কেদারা কামিজ পিরিচ খ্রিস্টান কার্তুজ গরাদ ফর্মা কামরা আয়া ফিতা তামাক ইস্ত্রি গুদাম আতা জানালা আলপিন সাবান জাম্বুরা পেয়ারা ইস্পাত চাবি বোতাম সন্ত বারান্দা নোঙর কর্নেল গামলা পাঁউরুটি সালোয়ার চুরুট আলকাতরা মাস্তুল বালতি কপি (বাঁধাকপি) তোয়ালে আনারস বয়া পেরেক বোতল কাজু বিধবা পেঁপে বয়াম জুয়া আলমারি ক্রুশ যিশু নিলাম বেহালা বুরুশ গির্জা মর্মর ইংরেজ ফালতু বোমা রশিদ সায়া পাদ্রি পিপা মিস্ত্রি বাসন টাংকি
ভাষার মূল উপাদানন কী?
Correct Answer:
ঘ: ধ্বনি
Explanation:
ভাষার মূল উপাদানন কী? সঠিক উত্তর ধ্বনি IPO অর্থ ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং। যখন কোনো কোম্পানি জনগণের কাছে মালিকানার অংশবিশেষ বিক্রি করার জন্য প্রস্তাব দেন তাকে আইপিও বলে। বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার জন্য আইপিও একটি আন্তর্জাতিক পদ্ধতি। আইপিও’তে আবেদন করতে হলে বিও একাউন্ট আবশ্যক।
ভাষার আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে কি বলা হয়?
Correct Answer:
খ: উপভাষা
Explanation:
ভাষার আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে কি বলা হয়? সঠিক উত্তর উপভাষা অঞ্চলের বিভিন্নতার কারণে যেমন উপভাষার জন্ম, তেমনি সামাজিক অবস্থান ও পেশার কারণেও ভাষার মধ্যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়। শিক্ষিত সমাজের মানুষের ভাষা, অশিক্ষিত শ্রমজীবীদের ভাষার থেকে আলাদা। সামাজিক স্তরভেদে ভাষার এই বৈচিত্র্যকে সমাজভাষা (sociolect) বলে।
আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম কী?
Correct Answer:
ঘ: উপভাষা
মনের কোন ভাব পূর্ণরূপ প্রকাশ পায় কিসে?
Correct Answer:
ক: বাক্যে
বিদ্যাপতি কোন ভাষায় তার পদগুলো রচনা করেন?
Correct Answer:
গ: ব্রজবুলি ভাষা
Explanation:
বিদ্যাপতি কোন ভাষায় তার পদগুলো রচনা করেন? সঠিক উত্তর ব্রজবুলি ভাষা বিদ্যাপতি পঞ্চদশ শতকের মৈথিলি কবি। বঙ্গদেশে তার প্রচলিত পদাবলীর ভাষা ব্রজবুলি। কথিত আছে যে পরমপুরুষ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু প্রতিদিন তার রচিত পদ গাইতে ভালবাসতেন। বাঙালিরা চর্যাগীতির ভাষা থেকে এই ব্রজবুলীকে অনেক সহজে বুঝতে পারেন। এই কারণেই বিদ্যাপতিকে বাঙালি কবিদের অন্যতম হিসেবে গণ্য করা হয়। বিদ্যাপতিকে কোন কোন কবি দেহবাদি কবি বলে আখ্যায়িত করেছেন। কবি ও কাব্যপরিচয় কবি বিদ্যাপতির জন্ম দ্বারভাঙা জেলার বিসফী গ্রামের এক বিদগ্ধ ব্রাহ্মণ পরিবারে। তার কৌলিক উপাধি ঠক্কুর বা ঠাকুর। বংশপরম্পরায় তারা মিথিলার উচ্চ রাজকর্মচারী ছিলেন। শস্ত্র, শাস্ত্র, রাজ্যশাসন ও সংস্কৃতি সাহিত্যে তাদের দান বিশেষরূপে উল্লেখযোগ্য। তিনি যে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন ছয়জন রাজা ও একজন রানীর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ থেকেই তার স্বীকৃতি মেলে। কবি স্মৃতিকার রাজনীতিবিদ ব্যবহারবিদ ও আখ্যান লেখক হিসেবে তিনি সুপরিচিতি। তার রচনাবলির মধ্যে রয়েছে কীর্তিলতা ভূপরিক্রমা, কীর্তিপতাকা, পুরুষ পরীক্ষা, শৈবসর্বস্বসার, গঙ্গাবাক্যাবলি, বিভাগসার, দানবাক্যাবলি, লিখনাবলি, দুর্গাভক্তিতরঙ্গিনী। তিনি প্রায় আট শ’ পদ রচনা করেন। জীবৎকালে বিখ্যাত কবি ও পণ্ডিতরূপে তার প্রতিষ্ঠা ছিল। মিথিলার কবি হলেও অমর পদাবলি অচিরেই সমগ্র বাংলাদেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মিথিলার উপভাষা ব্রজবুলিই তার পদাবলির বাহন। এই ভাষার ধ্বনি - মাধুর্য ও সঙ্গীতময়তা বাংলা কাব্যকে, বিশেষ করে বৈষ্ণব পদাবলিকে সমৃদ্ধ করেছে। বিষয়ের লালনে, ধ্বনি, শব্দ, অলঙ্কার প্রভৃতির ব্যবহারে তার নাগরিক বৈদগ্ধ ও মননশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি চৈতন্য - পূর্ববর্তী কবি। তাই তার রাধা মানবীয় বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। রাধার বয়:সন্ধির দৈহিক সুষমা ও লাস্যময়তা তার পদাবলিকে ঐশ্বর্যময় করেছে। ভাব - সম্মিলন ও ভাবোল্লাসের পদেও বিদ্যাপতি এক প্রকার প্রতিদ্বন্দ্বিহীন। তার ভাব সম্মিলনের একটি পদ এখানে সঙ্কলিত হয়েছে। কবি বিদ্যাপতি ‘মৈথিল কোকিল’ ও অভিনব জয়দেব নামেখ্যাত এই বিস্ময়কর প্রতিভাশালী কবি একাধারে কবি, শিক্ষক, কাহিনীকার, ঐতিহাসিক, ভূবৃত্তান্ত লেখক ও নিবন্ধকার হিসেবে ধর্মকর্মের ব্যবস্থাদাতা ও আইনের প্রামাণ্য গ্রন্থের লেখক ছিলেন। ড. বিমানবিহারী মজুমদারের মতে, বিদ্যাপতি সম্ভবত ১৩৮০ - ১৪৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। সংস্কৃতে তার পাণ্ডিত্য ছিল, অপভ্রংশে তিনি কীর্তিলতা নামে ঐতিহাসিক কাব্য লিখেছিলেন, বিভিন্ন বিষয়ে সৃষ্টিবৈচিত্র্য তাকে বিশিষ্ট করেছে; কিন্তু নিজ মাতৃভাষা মৈথিলীতে রাধাকৃষ্ণ প্রেমলীলা বিষয়ক যে অত্যুৎকৃষ্ট পদাবলি রচনা করেছিলেন তা - ই তাকে অমরতা দান করেছে। তার পদাবলি বাংলা আসাম উড়িষ্যা ও পূর্ববিহারে সমাদৃত। শ্রীচৈতন্যদেবের আগে তার আবির্ভাব হয়েছিল বলে বৈষ্ণবের বৈশিষ্ট্য তার মধ্যে প্রত্যক্ষ করা চলে না; তবে কবি হৃদয়ের নিবিড় আকুতি বৈষ্ণব পদাবলিতেই তিনি প্রতিফলিত করেছেন। রাজা শিবসিংহের আমলে রচিত কবিতায় যে পরিমাণে ‘বিলাস কলাকৌতূহল, নর্মলীলার উল্লাস এবং আনন্দোজ্জ্বল জীবনের প্রাচুর্য’ দেখা যায় তা পরবর্তীকালের রচনায় অনুপস্থিত। কবি বিদ্যাপতির কাব্যে চৈতন্যোত্তর বৈষ্ণবতত্ত্ব প্রতিফলিত হয়নি, তিনি এই অলৌকিক প্রেমকাহিনীকে মানবিক প্রেমকাহিনী হিসেবে রূপ দিয়েছেন। নবোদ্ভিন্নযৌবনা কিশোরী রাধার বয়:সন্ধি থেকে কৃষ্ণবিরহের সুতীব্র আর্তি বর্ণনা বিদ্যাপতির কবিতায় উপজীব্য। রাধা চরিত্রের পরিকল্পনায় অপূর্ব কবিত্বের পরিচয় দিয়ে কবি কামকলায় অনভিক্ষা বালিকা রাধাকে শৃঙ্গার রসের পূর্ণাঙ্গ নায়িকায় রূপান্তরিত করেছেন, প্রগাঢ় প্রেমানুভূতি দেহমনকে আচ্ছন্ন করে রাধার মনে ভাবান্তর এনেছেন, কৃষ্ণবিরহের তন্ময়তায় রাধার বিশ্বভুবন বেদনার রঙে রাঙিয়ে দিয়েছেন। বিদ্যাপতির পদে শাশ্বত কালের কলাকুতূহপূর্ণা রহস্যময়ী নায়িকার নিখুঁত প্রতিচ্ছবি প্রত্যক্ষ করে রবীন্দ্রনাথ মন্তব্য করেছেন, ‘এই পদগুলি পড়িতে পড়িতে একটি সমীর চঞ্চল সমুদ্রের উপরিভাগ চক্ষে পড়ে। কিন্তু সমুদ্রের অন্তর্দেশে যে গভীরতা, নিস্তব্ধতা যে বিশ্ববিস্মৃত ধ্যানশীলতা আছে তা বিদ্যাপতির গীতি তরঙ্গের মধ্যে পাওয়া যায় না।’ বিদ্যাপতি যে বিপুল সংখ্যক পদে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা রূপায়িত করেছেন, তার মধ্যে রাধার বয়:সন্ধি অভিসার, প্রেমবৈচিত্র্য ও আপেক্ষপানুরাগ, বিরহ ও ভাবসম্মিলনের পদগুলি বিশেষ উৎকর্ষপূর্ণ। মিথিলার ঐশ্বর্যপূর্ণ রাজসভায় বিদ্যাপতি অসাধারণ পাণ্ডিত্যের সাথে সংস্কৃত ও প্রাকৃতের ভাষা ভাব শব্দ ছন্দ ও অলঙ্কারের খনি থেকে রত্নরাজি আহরণ করে রাধার প্রেম বর্ণনা করেছেন। ছন্দ অলঙ্কারে, শব্দবিন্যাসে ও বাগবৈদগ্ধে বিদ্যাপতির পদ ‘হীরক খণ্ডের মতো আলোক বিচ্ছুরণে সহস্রমুখী’, আবার ‘জীবনের আলো ও আঁধার, বিপুল পুলক ও অশান্ত বেদনা, রূপোল্লাস ও ভাবোন্মাদনা, মিলন ও বিরহ, মাথুর ও ভাব সম্মেলনে’ তার পদ আজো অতুলনীয়। বিদ্যাপতির পদাবলি রচনায় যে বিস্ময়কর প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন তা তার অসংখ্য পদে লক্ষ করা যায়। রাধার প্রেমলীলার বিচিত্র পরিচয় তার পদে বিধৃত। তার ভাব ভাষা চিত্ররূপ অলঙ্কার ও ছন্দে পরবর্তীকালের অনেক পদকর্তা বিদ্যাপতিকে অনুসরণ করেছেন।
ভারতীয় উপমহাদেশের আঞ্চলিক ভাষাগুলোর আদিম উৎস কি?
Correct Answer:
গ: অনার্য ভাষা
Explanation:
ভারতীয় উপমহাদেশের আঞ্চলিক ভাষাগুলোর আদিম উৎস কি? সঠিক উত্তর অনার্য ভাষা আর্যদের আগমনের পূর্বে এদেশে অনার্য ভাষা - ভাষাী কোল, শবর, পুলিন্দ, হাড়ি, ডোম, চণ্ডাল, প্রভৃতি অন্ত্যজ সম্প্রদায়ের বসবাসের ফলে আঞ্চলিক ভাষাগুলো এসেছে। যারা নৃতাত্বিক বিচারে অস্ট্রো - এশিয়াটিক গোষ্ঠীর অন্তর্গত।
নিচের কোনটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত?
Correct Answer:
ক: ক্রোক
Explanation:
নিচের কোনটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত? সঠিক উত্তর ক্রোক ‘ক্রোক’ - আরবি ভাষার শব্দ। পেয়ারা, পেরেক, সাবান – পর্তুগিজ ভাষার শব্দ। সুতরাং সঠিক উত্তর (ঙ)।
ফরাসি ভাষার উপসর্গ কোনটি?
Correct Answer:
ক: কম
Explanation:
ফরাসি ভাষার উপসর্গ কোনটি? সঠিক উত্তর কম কম ফারসি উপসর্গ। যা স্বল্প অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন - কমজোর, কমবখ্ত। উৎ সংস্কৃত, ঊন বাংলা, সু সংস্কৃত ও বাংলা উভয় উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধান মৌলিক বিধানবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
Correct Answer:
গ: অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
Explanation:
কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধান মৌলিক বিধানবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়? সঠিক উত্তর অনুচ্ছেদ ৭ (খ) বাংলাদেশের সংবিধান মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয় বলা হয়েছে অনুচ্ছেদ ৭(খ) তে।
মুজিববর্ষের সময়কাল হলো
Correct Answer:
ক: ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ৩১ মার্চ ২০২২
Explanation:
মুজিববর্ষের সময়কাল হলো সঠিক উত্তর ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ৩১ মার্চ ২০২২ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছিল। বাংলাদেশ সরকার ২০২০-২১ সালকে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই বর্ষ ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ৩১ মার্চ, ২০২২ পর্যন্ত পালিত হয়েছিল।(বিঃদ্রঃ ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত মুজিব বর্ষ পালনের ঘোষণা থাকলেও কোভিড এর কারণে প্রথম ধাপে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এবং পরবর্তীতে ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত মুজিব বর্ষ পালনের এই সময়কাল বৃদ্ধি করা হয়েছিল।)তারিখ : ১৭ মার্চ, ২০২০ – ৩১ মার্চ, ২০২২শেষ : ৩১ মার্চ, ২০২২শুরু : ১৭ মার্চ, ২০২০সুত্রঃ Wikipedia
প্রাচীন কথ্য ভারতীয় আর্য ভাষার পরবর্তী স্তরের ভাষা কোনটি?
Correct Answer:
ক: বৈদিক