Bengali literary and literary works MCQs
Showing 50 questions (Total: 296)
'বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না আর'_ কার লেখা?
Correct Answer:
গ: জীবানানন্দ দাশ
Explanation:
'বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না আর'_ কার লেখা? সঠিক উত্তর জীবানানন্দ দাশ আলোচ্য লাইনটি জীবনানন্দ দাশের লেখা। চরণটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা' থেকে নেয়া হয়েছে তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: রূপসী বাংলা, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, বেলা অবেলা কালবেলা প্রভৃতি।
’মাথা খাও’ ভুলিওনা কেয়ো মনে করে, মাথা কাও বলতে বুঝায়-
Correct Answer:
ক: মাখার দিব্যি
Explanation:
’মাথা খাও’ ভুলিওনা কেয়ো মনে করে, মাথা কাও বলতে বুঝায়- সঠিক উত্তর মাখার দিব্যি বাংলা ভাষায় এমন কতকগুলো বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদ আছে যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। এসব শব্দের প্রত্যেকটি নিজস্ব আভিধানিক অর্থের অতিরিক্ত একাধিক বিশিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে। যেমন: ‘মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুলো না’ - এখানে ‘মাথা খাও’ দিব্যি দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধার দলিল সংকলন ও সম্পাদনা কে করেছেন?
Correct Answer:
ক: হাসান হাফিজুর রহমান
Explanation:
বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধার দলিল সংকলন ও সম্পাদনা কে করেছেন? সঠিক উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান হাসান হাফিজুর রহমান (জুন ১৪, ১৯৩২ – এপ্রিল ১, ১৯৮৩) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ জামালপুর জেলার অন্তর্গত কুলকান্দি গ্রামে বাস করতেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের দলিল সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত।
এত ক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে। 'অরিন্দম' কে?
Correct Answer:
ঘ: নিজে চেষ্টা করুন
Explanation:
এত ক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে। 'অরিন্দম' কে? সঠিক উত্তর নিজে চেষ্টা করুন এটি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বিরচিত মহাকাব্য মেঘনাদবধকাব্যের (১৮৬১)ষষ্ঠ সর্গ থেকে নেয়া। রাবণের জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং রক্ষবংশের শ্রেষ্ঠ বীর ইন্দ্রজিতের মুখ নিঃসৃত বাক্যের ঠিক পূর্বের অংশ। ন্যায়যুদ্ধে মেঘনাদকে পরাজিত করতে না পেরে দেবরাজ ইন্দ্রের সহায়তায় রাতের আঁধারে তস্করের ন্যায় লক্ষণ নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রবেশ করে। মেঘনাদ তখন পূজার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। লক্ষণ সেই অবস্থাতেই তাকে আক্রমণ করতে নিলে সে পূজার তৈজসপত্রের আঘাতে লক্ষণকে ক্ষণিকের জন্য অজ্ঞান করে ফেলে। আত্মরক্ষার্থে পূজার ঘর থেকে অস্ত্রাগারে যাবার সময় মেঘনাদ দেখে, বাইরে থেকে তার আপণ চাচা ঘরের শত্রু বিভীষণ পথরোধ করে দাঁড়িয়ে আছে।নিজের আপন চাচাকে এই বেঈমানী করতে দেখে মেঘনাদ বলে ওঠে, "এতক্ষণে, জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষপুরে" । এর মানে হচ্ছে,এতক্ষণে বুঝলাম এই গভীর রাতে কিভাবে লক্ষণ আমার পূজার ঘরে ঢুকতে পেরেছে। এই যে উপলব্ধি, রাবণ পুত্রের এই যে হাহাকার - এটা প্রবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলা ভাষায়।বুঝতে না পারা কোনও ঘটনা হঠাৎ করে দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে ধরে ফেললে আমরা বাঙালিরা তাই এই লাইনটি উচ্চারণ করি।
যে উপকারীর অপকার করে তাকে বলা হয়-
Correct Answer:
গ: কৃতঘ্ন
Explanation:
যে উপকারীর অপকার করে তাকে বলা হয়- সঠিক উত্তর কৃতঘ্ন যে উপকারীর অপকার করে তাকে বলা হয় - কৃতঘ্ন। যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না তাকে বলা হয় - অকৃতজ্ঞ।
রবীদ্রনাথ শান্তি নিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন__
Correct Answer:
খ: ১৯০১ সালে
Explanation:
রবীদ্রনাথ শান্তি নিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন__ সঠিক উত্তর ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতন পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের নিকট অবস্থিত একটি আশ্রম ও শিক্ষাকেন্দ্র। ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর নিভৃতে ঈশ্বরচিন্তা ও ধর্মালোচনার উদ্দেশ্যে বোলপুর শহরের উত্তর - পশ্চিমাংশে এই আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯০১ সালে রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। যা কালক্রমে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপ নেয়।
সাঁঝের মায়া’ কার লেখা?
Correct Answer:
খ: সুফিয়া কামাল
Explanation:
সাঁঝের মায়া’ কার লেখা? সঠিক উত্তর সুফিয়া কামাল 'সাঁঝের মায়া’ সুফিয়া কামালের লেখা। বেগম সুফিয়া কামাল (২০ জুন ১৯১১ - ২০ নভেম্বর ১৯৯৯) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা, নারীবাদী ও আধুনিক বাংলাদেশের নারী প্রগতি আন্দোলনের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা: সাঁঝের মায়া (১৯৩৮) মায়া কাজল (১৯৫১) মন ও জীবন (১৯৫৭) প্রশস্তি ও প্রার্থনা (১৯৫৮) উদাত্ত পৃথিবী (১৯৬৪)।
'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির প্রচ্ছদ শিল্পী কে?
Correct Answer:
ঘ: সমর মজুমদার
Explanation:
'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির প্রচ্ছদ শিল্পী কে? সঠিক উত্তর সমর মজুমদার অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। এর প্রচ্ছদ শিল্পী সমর মজুমদার এবং বইটির ভূমিকা লেখেন শেখ হাসিনা।
'বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি তাই পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না আর'__ এ পঙক্তিটি কার লেখা?
Correct Answer:
গ: জীবনানন্দ দাশ
Explanation:
'বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি তাই পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না আর'__ এ পঙক্তিটি কার লেখা? সঠিক উত্তর জীবনানন্দ দাশ জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের 'বাংলার মুখ দেখিয়াছি' কবিতার একটি বিখ্যাত চরণ 'বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি তাই পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না আর'।
অরিন্দম কে?
Correct Answer:
খ: মেঘনাদ
Explanation:
অরিন্দম কে? সঠিক উত্তর মেঘনাদ 'অরিন্দম ' হলো অরি বা শত্রুকে দমন করে যে। প্রদত্ত অপশনে 'মেঘনাদকে বোঝানো হয়েছে। 'মেঘনাদ' হলো রাক্ষসরাজ রাবণের পুত্র।
' সোনালী কাবিন ' এর রচিয়ওতা কে?
Correct Answer:
গ: আল মাহমুদ
Explanation:
' সোনালী কাবিন ' এর রচিয়ওতা কে? সঠিক উত্তর আল মাহমুদ ' সোনালী কাবিন ' এর রচিয়ওতা আল মাহমুদ । মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (১১ জুলাই ১৯৩৬ – ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) যিনি আল মাহমুদ নামে অধিক পরিচিত, ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন প্রবাসী সরকারের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা - পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত সরকার বিরোধী সংবাদপত্র দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২ - ১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন । ১৯৫০ - এর দশকে যে কয়েকজন লেখক বাংলা ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ, রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার বিরোধী আন্দোলন নিয়ে লিখেছেন তাদের মধ্যে মাহমুদ একজন। লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্যও খ্যতি অর্জন করেছিলেন ।
বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়?
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতগণ ও রাজা রামমোহন রায় বাংলা গদ্য রচনায় প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহন করেন। কিন্তু তাদের রচনাতে অপূর্ণতা ছিল।বিদ্যাসাগর গদ্য রচনায় প্রথম শৃঙ্খলা নিয়ে আসেন এবং যতি চিহ্ন স্থাপন করেন যা বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এজন্য তাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী হিসাবে অভিহিত করেন।
'একাত্তরের ডায়েরী' কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ক: বেগম সুফিয়া কামাল
Explanation:
'একাত্তরের ডায়েরী' কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর বেগম সুফিয়া কামাল মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতি কথা একাত্তরের ডায়েরি এর রচয়িতা সুফিয়া কামাল। একাত্তরের দিনগুলি এর রচয়িতা জাহানারা ইমাম। ফেরারী ডায়েরি এর রচয়িতা আলাউদ্দীন আল আজাদ।
আবোল- তালোর কার লেখা?
Correct Answer:
গ: সুকুমার
Explanation:
আবোল- তালোর কার লেখা? সঠিক উত্তর সুকুমার আবোল তাবোল সুকুমার রায়ের বিখ্যাত " ননসেন্স ছড়া" সংকলন। এটি ১৯২৩ সালে ইউ রায় এন্ড সন্স থেকে প্রকাশিত হয়। এই সংকলনে মোট ছড়ার সংখ্যা ৫০ টি, যার মধ্যে ৭ টি বেনামে লেখা হয়েছে।
'মা তোর বদন খানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি' কে লিখেছেন?
Correct Answer:
গ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
'মা তোর বদন খানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি' কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এফআরএএস (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট, ১৯৪১)(২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ)[১] ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক।তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়।রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়।রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্পও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত।এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন।রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
'লও তুমি যত পার, শাস্ত্রের সন্ধান' কার লেখা ?
Correct Answer:
খ: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
Explanation:
'লও তুমি যত পার, শাস্ত্রের সন্ধান' কার লেখা ? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত যুব সন্ধিক্ষণের কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের বিখ্যাত পংক্তি 'লও তুমি যত পারো শাস্ত্রের সন্ধান' এবং 'কতরূপ স্নেহ করি, দেশের কুকুর ধরি/ বিদেশের ঠাকুর ফেলিয়া । ' কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের বিখ্যাত পংক্তি - কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে/ দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহিতে?
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা'_ কে লিখেছেন গানটি?
Correct Answer:
ঘ: গোবিন্দ হালদার
Explanation:
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা'_ কে লিখেছেন গানটি? সঠিক উত্তর গোবিন্দ হালদার গোবিন্দ হালদার ১৯৩০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন বাঙালি গীতিকার। তার রচিত প্রথম কবিতা ছিল ‘আর কতদিন’। তিনি প্রায় সাড়ে তিন হাজার কবিতা ও গান লিখেছেন। তার প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দূর দিগন্ত। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতারে সম্প্রচারিত তার লেখা গানসমূহ মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করতো। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার রচিত উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, লেফট রাইট লেফট রাইট, হুঁশিয়ার হুঁশিয়ার, পদ্মা মেঘনা যমুনা, চলো বীর সৈনিক, হুঁশিয়ার, হুঁশিয়ার বাংলার মাটি অন্যতম। তিনি ভারতের আকাশবাণী বেতারের তালিকাভুক্ত গীতিকার ছিলেন। আয়কর বিভাগে কর্মরত অবস্থায় বন্ধু কামাল আহমেদের অনুপ্রেরণায় এবং উৎসাহে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর গান রচনা করেন। কামাল আহমেদ তাকে স্বাধীন বাংলা বেতারের কর্ণধার কামাল লোহানীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেন এবং তার হাতে ১৫টি গানের একটি খাতা দেন। এ গানগুলোর মধ্যে স্বাধীন বেতারে প্রথম প্রচারিত হয় সমর দাসের সুরারোপিত পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে গানটি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই তার আরও কিছু গান স্বাধীন বেতারে সম্প্রচারিত হয়। পাক বাহিনীর আত্মসমর্থনের খবর পাওয়ার পরপরই সন্ধ্যায় ১৬ই ডিসেম্বর প্রচারিত হয় এক সাগর রক্তের বিনিময়ে গানটি যা সুর দিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী আপেল মাহমুদ এবং মূল কণ্ঠ দিয়েছিলেন স্বপ্না রায়। আরও কণ্ঠ দিয়েছিলেন আপেল মাহমুদ এবং সহশিল্পীরা। তিনি ২০১৫ সালের ১৭ই জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান।
'ব্রজবুলি' ভাষঅর স্রষ্ট্রা কে?
Correct Answer:
ঘ: বিদ্যাপতি
মাদার অফ হিউম্যানিটি কাকে বলা হয়?
Correct Answer:
গ: শেখ হাসিনা
বাংলা গদ্য চলিত রীতির প্রবর্তক --
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
বাংলা গদ্য চলিত রীতির প্রবর্তক -- সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী আর্সেনিক এবং ফ্লোরাইড: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আর্সেনিক এবং ফ্লোরাইড বিশ্বজুড়ে পানির দূষণকারী অজৈব পদার্থের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর হিসাবে সনাক্ত করা হয়েছে। উপধাতু আর্সেনিক প্রাকৃতিকভাবেই ভূগর্ভস্থ পানিতে দেখা দিতে পারে, যেমন চীন, ভারত ও বাংলাদেশ সহ এশিয়ায় প্রায়ই দেখা যায়।উত্তর ভারতের সিন্ধু - গাঙ্গেয় সমভূমি এবং বাংলাদেশের ২৫% অগভীর জলকূপে প্রাকৃতিকভাবেই আর্সেনিক - দূষণ ঘটে। ভূগর্ভস্থ পানির আর্সেনিক ছাড়াও যেখানে খনন প্রক্রিয়া চলে বা আর্সেনিক নিঃসরণকারী খনি বর্জ্যের ভাগাড় থাকে সেখানকার পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি থাকতে পারে । ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে পানিতে প্রাকৃতিক ফ্লোরাইডের উপস্থিতি উদ্বেগের কারণ হিসাবে হয়ে দাঁড়াচ্ছে, কারণ প্রায় ২০০ মিলিয়ন মানুষ উচ্চতর ঘনত্বের পানি পান করার ঝুঁকিতে রয়েছে।বিশেষত জল খরতা কম হলে, আম্লিক আগ্নেয়গিরির পাথর থেকে মুক্তি এবং বিক্ষিপ্ত আগ্নেয়গিরির ছাই থেকে ফ্লোরাইড নিঃসরণ হতে পারে। আর্জেন্টিনার পাম্পাস, চিলি, মেক্সিকো, ভারত, পাকিস্তান, পূর্ব আফ্রিকান রিফ্ট এবং কিছু আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জে ( টেনারিফ ) ভূগর্ভস্থ পানিতে উচ্চ মাত্রার ফ্লোরাইড একটি গুরুতর সমস্যা। স্বাভাবিকভাবেই পানির পানির জন্য ফ্লোরাইডের উচ্চ স্তরের ফ্লোরাইড যা ঘটেছে সেগুলিতে, দাঁতের এবং কঙ্কাল ফ্লুরোসিস উভয়ই প্রচলিত এবং গুরুতর হতে পারে।
'মহিচুর' বইটি কার লেখা?
Correct Answer:
গ: বেগম রোকেয়া
Explanation:
'মহিচুর' বইটি কার লেখা? সঠিক উত্তর বেগম রোকেয়া রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত - প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো - মতিচূর। গ্রন্থেটি দুইটি খণ্ডে বিভক্ত। ১ম খণ্ড ১৯০৪ সালে এবং ২য় খণ্ড ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো - অবরোধবাসিনী, পদ্মরাগ।
বাংলা গদ্যের েআদি নির্দশন কোনটি?
Correct Answer:
খ: কোচবিহার রাজের লেকা চিঠি
Explanation:
বাংলা গদ্যের েআদি নির্দশন কোনটি? সঠিক উত্তর কোচবিহার রাজের লেকা চিঠি ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে কোচবিহারে রাজা নরনারায়ণের অহোমরাজ স্বর্ননারায়নকে লেখা বাংলা গদ্যের আদি নিদর্শন হিসাবে স্বীকৃত। পরবর্তী কালে কোচবিহারের সাহিত্য সভা থেকে ১৩৩০ বঙ্গাব্দে এই বইটি পুনরায় মুদ্রিত হয়।
'রাজবন্দীর জবানবন্দী' কার লেখা?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
'রাজবন্দীর জবানবন্দী' কার লেখা? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম রাজবন্দীর জবানবন্দী কাজী নজরুল ইসলাম লিখিত একটি প্রবন্ধ। নজরূল সম্পাদিত অর্ধ - সাপ্তাহিক ধূমকেতু ১৯২৩ সালে ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করে। সেই পত্রিকায় প্রকাশিত নজরুলের কবিতা আনন্দময়ীর আগমনে ও নিষিদ্ধ হয়। নজরুলকে জেলে আটক করে রাখার পর তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি লিখিতভাবে আদালতে উপস্থাপন করেন চার পৃষ্ঠার বক্তব্য। তাই রাজবন্দীর জবানবন্দী নামে পরিচিত।
'পরস্পর আঘাত' কথাটিকে সংক্ষেপ করলে হবে--
Correct Answer:
ক: প্রত্যাঘাত
Explanation:
'পরস্পর আঘাত' কথাটিকে সংক্ষেপ করলে হবে-- সঠিক উত্তর প্রত্যাঘাত পরস্পর আঘাত কথাটিকে সংক্ষেপ করলে হবে প্রত্যাঘাত/পাল্টা আঘাত/পুনরাঘাত।
অবীরা বলতে কওন নারীকে বুঝায় ?
Correct Answer:
গ: যার স্বামীর, পুত্র নেই
Explanation:
অবীরা বলতে কওন নারীকে বুঝায় ? সঠিক উত্তর যার স্বামীর, পুত্র নেই যে নারীর স্বামী পুত্র নেই - অবীরা যে নারীর বিয়ে হয়নি - কুমারী যে নারীর বিয়ে হয় না - অনূঢ়া যে নারীর স্বামী স্ত্রী জীবিত - বীরা বা পরন্ধী
শিউলিমালা কে লিখেচেন ?
Correct Answer:
ক: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
শিউলিমালা কে লিখেচেন ? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম শিউলি মালা কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি গল্পগ্রন্থ। শিউলি মালা গ্রন্থটি ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে মোট ৪টি গল্প আছে।
আপনাকে যে পন্ডিত মনে করে-
Correct Answer:
ক: পন্ডিতম্মন্য
Explanation:
আপনাকে যে পন্ডিত মনে করে- সঠিক উত্তর পন্ডিতম্মন্য পণ্ডিত - √মন্ (মনে করা) + অ (খশ্) = পন্ডিতম্মন্য।
ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন কে?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠী ও হিন্দু কলেজ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ইয়ংবেঙ্গলের প্রতিষ্ঠাতা - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও(হিন্দু কলেজের শিক্ষক) ১৮৩১ সালে ইয়ংবেঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হয়।ডিরোজিওর শিষ্যরাই ইয়ংবেঙ্গল নামে পরিচিত,ইয়ংবেঙ্গলরা মূলত ইংরেজ ভাবধারাপুষ্ট বাঙালী যুবক।ইয়ংবেঙ্গলের আদর্শ - আস্তিকতা হোক আর নাস্তিকতা হোক, কোন জিনিসকে পূর্ব থেকে গ্রহণ না করা; জিজ্ঞাসা ও যুক্তি দিয়ে বিচার করা।তারা সাহিত্যে যুক্তিশীলতা ও মানবিকতাকে বড় করে ফুটিয়ে তুলেছেন। ডিরোজিওর প্রধান গ্রন্থ – ‘The Fakeer of Jungkeera’ হিন্দু কলেজের মেধাবী ছাত্র ও সাহিত্যিকরা হলেন – প্যারীচাদ মিত্র, দক্ষিণারঞ্জন মিত্র, কালিপ্রসাদ ঘোষ, হরচন্দ্র ঘোষ, মাধবচন্দ্র মল্লিক, রামতনু লাহিড়ী প্রমুখ।
'একুশে ফেব্রুয়ারি ' বিখ্যাত গানটির সুরকার কে?
Correct Answer:
গ: আলতাফ মাহমুদ
Explanation:
'একুশে ফেব্রুয়ারি ' বিখ্যাত গানটির সুরকার কে? সঠিক উত্তর আলতাফ মাহমুদ ১. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।" এ গানের গীতিকার - আব্দুল গাফফার চৌধুরী। ২.এ গানের ১ম সুরকার - আব্দুল লতিফ। ৩.গানটির বর্তমান সুরকার - আলতাফ মাহমুদ।
কাল নির্ণয় কর: সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে।
Correct Answer:
গ: সাধারণ বর্তমান
Explanation:
কাল নির্ণয় কর: সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। সঠিক উত্তর সাধারণ বর্তমান সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান : স্বাভাবিক বা অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়ারকে সাধারণত বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান বলে । যেমন - স্বাভাবিকতা : সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায় । অভ্যস্ততা : আমি রোজ সকালে হাটতে যাই ।
কোন চারটি বর্ণকে উষ্মবর্ণ বলা হয়?
Correct Answer:
গ: শ,ষ,স,হ
Explanation:
কোন চারটি বর্ণকে উষ্মবর্ণ বলা হয়? সঠিক উত্তর শ,ষ,স,হ যেধ্বনি উচ্চারণের সময় আমরা শ্বাস যতক্ষণ খুশি রাখতে পারি, সে ধ্বনিগুলিকে বলা হয় উষ্মধ্বনি বা শিশধ্বনি। এ বর্ণ গুলি উচ্চারণের সময় শিশ দেওয়ার মতো শব্দ হয় যার ফলে এদেরকে শিশ ধ্বনিও বলা হয়। শ, ষ, স, এবং হ এই চারটি বর্ণকে উষ্ম বর্ণ বলে।
নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে -
Correct Answer:
গ: শ্রদ্ধাস্পদাসু
Explanation:
নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে - সঠিক উত্তর শ্রদ্ধাস্পদাসু কল্যাণীয়েষু শব্দটির স্ত্রীবাচক কল্যাণীয়াসু, সুচরিতেষু শব্দটির স্ত্রীবাচক সুচরিতাসু, শ্রদ্ধাস্পদাসু শব্দটি স্ত্রীবাচক এবং প্রীতিাজনেষু শব্দটি দ্বারা নারীকে সম্বোধন করা হয় না।
'সুলতানার স্বপ্ন' লিখেছেন -
Correct Answer:
খ: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
Explanation:
'সুলতানার স্বপ্ন' লিখেছেন - সঠিক উত্তর রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাংলা সাহিত্যে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত 'সুলতানার স্বপ্ন' গ্রন্থটি ইংরেজি 'Sultana's Dream ' শিরোনামে রচিত । এখানে মূল চরিত্র Sultana একজন অবরুদ্ধা নারী।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্দেশনার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন কে?
Correct Answer:
খ: প্রধান শিক্ষক
Explanation:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্দেশনার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন কে? সঠিক উত্তর প্রধান শিক্ষক একটি আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে নিজ নিজ স্কুলটিকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে একজন প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা, তার আদর্শ, শিক্ষা, জ্ঞান, সততা, যোগ্যতা, সামাজিক বোধ, ধর্মীয় চেতনা, ছাড়াও শিল্প মনেরও যে কত প্রয়োজন তা বলে শেষ করা যায় না। একটি আদর্শ বিদ্যালয় গড়তে প্রধান শিক্ষকসহ প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকদের দায়িত্ব অনেক বেশি। সর্বাধিক দায়িত্ব থাকে প্রধান শিক্ষকের।
ঐতিহাসিক 'মৈমনসিংহ-গীতিকা'র সংগ্রাহক মূলত কে ছিলেন?
Correct Answer:
গ: চন্দ্রকুুমার দে
Explanation:
ঐতিহাসিক 'মৈমনসিংহ-গীতিকা'র সংগ্রাহক মূলত কে ছিলেন? সঠিক উত্তর চন্দ্রকুুমার দে মৈমনসিংহ গীতিকা একটি সংকলনগ্রন্থ যাতে ময়মনসিংহ অঞ্চলে প্রচলিত দশটি পালাগান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। প্রথম খণ্ডের দশটি পালার রচয়িতা ভিন্ন ভিন্ন হলেও সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে। এই গানগুলো প্রাচীন কাল থেকে মানুষের মুখে মুখে প্রচারিত হয়ে আসছে। তবে ১৯২৩ - ৩২ সালে ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন এই গানগুলো অন্যান্যদের সহায়তায় সংগ্রহ করেন এবং স্বীয় সম্পাদনায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকাশ করেন। তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার নেত্রকোনা মহকুমার আইথর নামক স্থানের আধিবাসী চন্দ্রকুমার দে এসব গাথা সংগ্রহ করছিলেন। এই গীতিকাটি বিশ্বের ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।
'দোয়েল চত্বর' স্থপত্যের স্থপতি কে?
Correct Answer:
খ: আজিজুল জলিল পাশা
Explanation:
'দোয়েল চত্বর' স্থপত্যের স্থপতি কে? সঠিক উত্তর আজিজুল জলিল পাশা দোয়েল চত্বর ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোর অন্যতম হচ্ছে দোয়েল চত্বর। এর স্থপতি হলেন আজিজুল জলিল পাশা। এটি বাংলাদেশের জাতীয় বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক যা বাংলাদেশের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।
বাংলাদেশ পাট ও ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচনের স্বীকৃতি লাভ করে কোন প্রতিষ্টানের কাছ থেকে ?
Correct Answer:
ঘ: WIPO
Explanation:
বাংলাদেশ পাট ও ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচনের স্বীকৃতি লাভ করে কোন প্রতিষ্টানের কাছ থেকে ? সঠিক উত্তর WIPO The World Intellectual Property Organization is one of the 15 specialized agencies of the United Nations. Headquarters: Geneva, Switzerland CEO: Francis Gurry (Oct 1, 2008 – ) Founded: July 14, 1967 Parent organization: United Nations Economic and Social Council Sectors: Intellectual property
সার্ক আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
Correct Answer:
ঘ: ঢাকা
Explanation:
সার্ক আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? সঠিক উত্তর ঢাকা সার্ক আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র(বর্তমানে বন্ধ আছে এটি বর্তমানে দিল্লিতে অবস্থিত সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র এর অধিভুক্ত।
প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় -
Correct Answer:
খ: উপমেয়
Explanation:
প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় - সঠিক উত্তর উপমেয় প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়। যাকে উপমিত বা তুলনা করা হয় তাকে বলে উপমেয়।
আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথী যরি, কেমন করিয়া হায় পঙক্তিটি কার?
Correct Answer:
গ: জসীম উদ্দীন
Explanation:
আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথী যরি, কেমন করিয়া হায় পঙক্তিটি কার? সঠিক উত্তর জসীম উদ্দীন পঙ্ক্তিটি পল্লী কবি জসীম উদ্দীন রচিত ‘কবর’ কবিতা হতে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' (১৯২৭) হতে নেয়া হয়েছে। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত এই কবিতায় স্তবক সংখ্যা ১০টি। এই কবিতায় ১১৮টি পঙক্তি রয়েছে।
‘সেই ধন্য নরকুলে কাকে যাবে নাহি ভুলে’, পঙক্তিটি কার?
Correct Answer:
ক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
‘সেই ধন্য নরকুলে কাকে যাবে নাহি ভুলে’, পঙক্তিটি কার? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত পঙ্ক্তিটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতা হতে চয়ন করা হয়েছে।
‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই আকাশতো বড়’ গানটির গীতিকার কে?
Correct Answer:
খ: হেমন্ত মুখোপাধ্যায়
Explanation:
‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই আকাশতো বড়’ গানটির গীতিকার কে? সঠিক উত্তর হেমন্ত মুখোপাধ্যায় গৌরিপ্রসন্ন মজুমদারের কয়েকটি বিখ্যাত গান হলো 'আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা থাকে', 'এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে', 'ও শিমুল বন দাও', 'আমি চেয়ে চেয়ে দেখি' ইত্যাদি ।
‘আমার পরিচয়’ কার লেখা?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
‘আমার পরিচয়’ কার লেখা? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক সৈয়দ শামসুল হক রচিত কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘এক মহিলার ছবি', 'অনুপম দিন', 'ত্রাহি' ইত্যাদি। তাঁর রচিত কয়েকটি গল্পের নাম হলো 'তাস', ‘শীত বিকেল’, ‘আনন্দের মৃত্যু' ইত্যাদি।
’রক্তকরবী’ কার লেখা?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
’রক্তকরবী’ কার লেখা? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘রক্তকরবী' (১৯২৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সাংকেতিক নাটক। ১৩৩০ বঙ্গাব্দের আশ্বিন সংখ্যা 'প্রবাসী'তে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলোঃ বিসর্জন (১৮৯১), রাজা (১৯১০), ডাকঘর (১৯১২), অচলায়তন (১৯১২), চিরকুমার সভা (১৯২৬), তাসের দেশ (১৯৩৩) ইত্যাদি।
‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’। চরণ দুটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মদনমোহন তর্কালঙ্কার
Explanation:
‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’। চরণ দুটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মদনমোহন তর্কালঙ্কার মদনমোহন তর্কালঙ্কার এর ‘আমার পণ' কবিতা থেকে উল্লিখিত চরণটি নেওয়া হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নভেল কোনটি?
Correct Answer:
খ: জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নভেল কোনটি? সঠিক উত্তর জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা শহীদুল জহির রচিত 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্ত বতা' উপন্যাসের পটভূমি ১৯৮৫ এর অর্থাৎ যুদ্ধের প্রায় ১৪ বছর পরে। ১৪ বছর পরে মুক্তিযুদ্ধ কতটুকু মুক্তি দিয়েছে সমাজকে, সমাজের মানুষকে তা তুলে ধরতে চেয়েছেন লেখক নির্মোহভাবে। রাজনৈতিক বিবেচনায় এমন নির্মোহ উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে বিরল। তিনি মুক্তিযুদ্ধকে শুধু নয় মাসের ফ্রেমে বন্দি করেননি, নয় মাস যুদ্ধ করে হয়তো স্বাধীন হওয়া যায় কিন্তু মুক্তি নয়। স্বাধীনতা আর মুক্তি এ দুটোর মাঝে বিস্তর ব্যবধান। সেই হিসেবে 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি নভেল। উল্লেখ্য, শওকত ওসমানের 'ক্রীতদাসের হাসি' (১৯৬২) উপন্যাসটিতে প্রতীকাশ্রয়ে তৎকালীন পাকিস্তানিদের বিরূপ শাসনের সমালোচনা করা হয়েছে। শওকত আলী রচিত 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' (১৯৮৪) একটি উপন্যাস। সেন রাজাদের রাজত্বকাল এবং তুর্কি আক্রমণের অব্যবহিত পূর্ব সময়ের পটভূমিতে এই কাহিনি রচিত। আহমাদ মোস্তফা কামাল রচিত 'কান্নাপর্ব' উপন্যাসটি সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্ত বতার প্রেক্ষাপটে লেখা বইটি ২০১২ সালে হিসেবে লাভ করেছে 'জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ২০১৩,
বঙ্গবন্ধুর লেখা প্রকাশিত দ্বিতীয় বইয়ের নাম কী?
Correct Answer:
গ: কারাগারের রোজনামচা
Explanation:
বঙ্গবন্ধুর লেখা প্রকাশিত দ্বিতীয় বইয়ের নাম কী? সঠিক উত্তর কারাগারের রোজনামচা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' গ্রন্থটির (রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে 'গীতাঞ্জলি' গ্রন্থটির জন্য নোবেল পান) ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদন করেন W. B. Yeats. 'গীতাঞ্জলী'র অনুবাদ Song Offerings ১৯১২ সালের নভেম্বরে, ইংল্যান্ডে প্রকাশিত হয়।
‘কাক থেকে কাগ’ কোন প্রকার পরিবর্তন?
Correct Answer:
গ: ঘোষিভবন
Explanation:
‘কাক থেকে কাগ’ কোন প্রকার পরিবর্তন? সঠিক উত্তর ঘোষিভবন অঘোষ বর্ণ ঘোষ বর্ণে পরিণত হলে তাকে ঘোষীভবন বলে। যেমন : কারক > কাগ, ছাত>ছাদ, শাক>শাগ।
“এ ভরা বাদর মাহ ভাদর / শূন্য মন্দির মোর।”- কে লিখেছেন?
Correct Answer:
গ: বিদ্যাপতি
'সবার উপর মানুষ সত্য, তাহার উপর নাই'- কার লেখা?
Correct Answer:
গ: চণ্ডীদাস