essay writing MCQs
Showing 50 questions (Total: 316)
”পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” কি ধরনের রচনা?
Correct Answer:
খ: কাব্যনাটক
Explanation:
”পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” কি ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর কাব্যনাটক পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় - একটি কাব্যনাট্য। সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫ - ২০১৬) রচিত ' পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ' গ্রন্থটি একটি কাব্যনাট্য। এ কাব্যনাট্যটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। এছাড়া ' গণনায়ক' (১৯৭৬), নুরুলদীনের সারা জীবন (১৯৮২), এখানে এখন (১৯৮৮), ঈর্ষা, যুদ্ধ এবং যুদ্ধ' তার রচিত অন্যান্য কাব্যনাট্য।
'হলদে পরীর দেশ' কোন জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
খ: ভ্রমন কাহিনী
Explanation:
'হলদে পরীর দেশ' কোন জাতীয় রচনা? সঠিক উত্তর ভ্রমন কাহিনী আপাতদৃষ্টে পরির অস্তিত্ব থাক আর না–ই থাক, ইউরোপের একটি দেশকে ‘হলদে পরীর দেশ’ নামে ডেকেছিলেন আমাদের পল্লিকবি জসীমউদ্দীন। কোন দেশ সেটি? এই দেশটিকে ‘পৃথিবীর বিলুপ্ত দেশ’ নামেও ডাকা যায় এখন। দেশটির নাম যুগোস্লাভিয়া।
‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’- কার রচনা?
Correct Answer:
ঘ: শামসুর রাহমান
Explanation:
‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’- কার রচনা? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা - - এ কবিতার রচয়িতা হলো শামসুর রাহমান। তার বিখ্যাত কবিতা হলো - স্বাধীনতা তুমি। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা হলো - আনন্দময়ীর আগমনে, বিদ্রোহী। বেগম সুফিয়া কামালের কবিতা - তাহারেই পড়ে মনে ও অভিযাত্রিক।
বাংলাদেশের সিরাজদ্দৌলা নাটক কে রচনা করেছেন?
Correct Answer:
ঘ: সিকানদার আবু জাফর
Explanation:
বাংলাদেশের সিরাজদ্দৌলা নাটক কে রচনা করেছেন? সঠিক উত্তর সিকানদার আবু জাফর বাংলাদেশের সিরাজদ্দৌলা নাটক সিকানদার আবু জাফর রচনা করেছেন। সিকান্দার আবু জাফর (১৯ মার্চ ১৯১৮/১৯১৯ - ৫ আগস্ট ১৯৭৫) একজন বাঙালি কবি, সঙ্গীত রচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তিনি ভারত বিভাগোত্তর কালে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা সমকাল সম্পাদনার জন্য বিশেষভাবে খ্যাত। তার উল্লেখযোগ্য নাটক সম্পাদনা: সিরাজউদ্দৌলা (১৯৬৫), মহাকবি আলাওল (১৯৬৬), শকুন্ত উপাখ্যান (১৯৫২), মাকড়সা (১৯৬০)।
'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কার রচনা?
Correct Answer:
ক: জীবনানন্দ দাশ
Explanation:
'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কার রচনা? সঠিক উত্তর জীবনানন্দ দাশ 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' জীবনানন্দ দাশের রচনা। ধূসর পান্ডুলিপি কবি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ) ভারতে প্রকাশিত হয়। জীবনানন্দ এই বইটি কবি বুদ্ধদেব বসুকে উৎসর্গ করেন।
কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা ?
Correct Answer:
ঘ: চতুরঙ্গ
Explanation:
কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা ? সঠিক উত্তর চতুরঙ্গ ‘চতুরঙ্গ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস। এছাড়া তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো ; চোখের বালি, গোরা, ঘরে - বাইরে এবং চার অধ্যায়।
'সূর্য দীঘল বাড়ি' কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ঘ: উপন্যাস
Explanation:
'সূর্য দীঘল বাড়ি' কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস 'সূর্য দীঘল বাড়ি' উপন্যাস জাতীয় রচনা। সূর্য দীঘল বাড়ী ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। ছায়াছবিটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। বিশিষ্ঠ গ্রন্থকার আবু ইসহাক এর ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত কালজয়ী (উপন্যাস) সূর্য দীঘল বাড়ী অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়। এটিই বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদান প্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রধান প্রধান চরিত্র গুলোতে অভিনয় করেছেন ডলি আনোয়ার, রওশন জামিল, জহিরুল হক, আরিফুল হক, কেরামত মাওলা, এ টি এম শামসুজ্জামান।
”ময়নামতীর চর” কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
গ: কাব্য
Explanation:
”ময়নামতীর চর” কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর কাব্য বন্দে আলী মিয়ার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ময়নামতির চর, অনুরাগ, অরণ্য গোধূলি, অস্তাচল, রূপবতী রাজকন্যা, ক্ষুধিত ধরিত্রী প্রভৃতি।
হুতোমী বাংলা কার রচনাকে বলে?
Correct Answer:
গ: কালীপ্রসন্ন সিংহ
Explanation:
হুতোমী বাংলা কার রচনাকে বলে? সঠিক উত্তর কালীপ্রসন্ন সিংহ এতে অত্যন্ত বেদনার সাথে সে যুগের সমাজ জীবনের ক্ষত চিহ্নের যথার্থ ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
’তাপসমালা’ কার রচিত?
Correct Answer:
গ: গিরিশচন্দ্র সেন
Explanation:
’তাপসমালা’ কার রচিত? সঠিক উত্তর গিরিশচন্দ্র সেন বাঙালি মুসলমানদের জন্য বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের প্রথম অনুবাদ এবং মহাপুরুষদের জীবনী রচনায় ভাই গিরিশচন্দ্র সেন অমর হয়ে আছেন। ‘তাপসমালা’ ৯৬ জন মুসলিম সাধকের জীবন - চরিত।
”বীরবলের হালখাতা” কার রচনা?
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
”বীরবলের হালখাতা” কার রচনা? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী বালা গদ্যে চলিতরীতির পবতক প্রমর্থ চৌধুরীল চলিতরীতির প্রথম গদ্য রচনা এটি। ভারতীয় পত্রিকায় ১৯০২ সালে প্রকাশিত হয়।
'Response of the living and non-living' কার রচিত?
Correct Answer:
খ: জগদীশচন্দ্র বসু
Explanation:
'Response of the living and non-living' কার রচিত? সঠিক উত্তর জগদীশচন্দ্র বসু 'Response of the living and non - living' জগদীশচন্দ্র বসুর রচিত। স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু (৩০ নভেম্বর ১৮৫৮ – ২৩ নভেম্বর ১৯৩৭) একজন বাঙালি পদার্থবিদ, জীববিজ্ঞানী এবং কল্পবিজ্ঞান রচয়িতা ছিলেন। ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহারিক এবং গবেষণাধর্মী বিজ্ঞানের সূচনা হয় তার হাত ধরে হয় বলে মনে করা হয়। ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স তাকে রেডিও বিজ্ঞানের একজন জনক হিসেবে অভিহিত করে। তার ইংরেজি ভাষায় রচিত গ্রন্থ: Responses in the Living and Non - living (১৯০২) Plant Responses as a Means of Physiological Investigations (১৯০৬) Comparative Electrophysiology (১৯০৭) Physiology of the Asent of Sap (১৯২৩) Physiology of Photosynthesis (১৯২৪)
’হেক্টর বধ’ কোন উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত?
Correct Answer:
ক: হোমারের ইলিয়ড
Explanation:
’হেক্টর বধ’ কোন উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত? সঠিক উত্তর হোমারের ইলিয়ড মাইকেল মধুসূদন দত্তের গ্রন্থ হেক্টর বধ (১৮৭১) হোমারের ইলিয়ড মহাকাব্যের প্রথম কয়েকটি সর্গের (অধ্যায়) গদ্যে রচিত অনুবাদ। এটি ভুদের মুখোপাধ্যায়কে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
'মানচিত্র' নাটক কে রচনা করেন ?
Correct Answer:
খ: আনিস চৌধুরী
Explanation:
'মানচিত্র' নাটক কে রচনা করেন ? সঠিক উত্তর আনিস চৌধুরী সমাসচেতন নাট্যকার আনিস চৌধুরী রচিত নাটক ‘মানচিত্র’। মধ্যবিত্ত মানুষের দ্বন্দ্ব - সংঘাত, দুঃখ - দারিদ্র্য ও সংগ্রামী চেতনা সার্থক ভাবে ফুটে উঠেছে তার নাটকে।
”ক্রীতদাসের হাসি” কার রচনা?
Correct Answer:
ক: শওকত ওসমান
Explanation:
”ক্রীতদাসের হাসি” কার রচনা? সঠিক উত্তর শওকত ওসমান ক্রীতদাসদের হাসি - - রচনা করেন শওকত ওসমান। এতে পাকিস্তানি বিরূপ শাসনের সমালোচনা করা হয়েছে। এটি ইংরেজিতে A slave laugh নামে অনুবাদ করেন কবির চৌধুরী।
বিদ্যাসাগরের রম্য রচনা কোনটি?
Correct Answer:
ক: অতি অল্প হইল
Explanation:
বিদ্যাসাগরের রম্য রচনা কোনটি? সঠিক উত্তর অতি অল্প হইল সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর মৌলিক ও রম্য রচনা হলো - অতি অল্প হইল, আবার অতি অল্প হইল। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯১ সালে মৃত্যু বরণ করে।
”মুরুভাস্কর” কার রচনা?
Correct Answer:
খ: নজরুল ইসলাম
Explanation:
”মুরুভাস্কর” কার রচনা? সঠিক উত্তর নজরুল ইসলাম মরুভাস্কর - হযরত মুহাম্মদ (স) এর জীবনভিত্তিক কাব্য। ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়। এ কাব্যে চারটি অধ্যায় আছে। এবং ১৮ টি কবিতা রয়েছে। এর লেখক নজরুল ইসলাম।
”বৈকুণ্ঠের উইল” কার রচনা ?
Correct Answer:
গ: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
”বৈকুণ্ঠের উইল” কার রচনা ? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অপরাজেয় কথাসাহিত্যেক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘বৈকুন্ঠের উইল’ (১৯১৬) উপন্যাসটি লেখেন। উল্লেখ্য, ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ (১৮৭৮) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং ‘বৈকুণ্ঠের খাতা’ (১৮৯৭) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে প্রহসন।
”বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান” কার রচনা?
Correct Answer:
গ: রবীন্দ্রনাথ
Explanation:
”বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান” কার রচনা? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ”বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান” রবীন্দ্রনাথের রচনা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ মে ১৮৬১ - ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ - ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে “গুরুদেব”, “কবিগুরু” ও “বিশ্বকবি” অভিধায় ভূষিত করা হয়।
”ইউসুফ জুলেখা” কি জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
গ: রোমান্টিক প্রণয়কাব্য
Explanation:
”ইউসুফ জুলেখা” কি জাতীয় রচনা? সঠিক উত্তর রোমান্টিক প্রণয়কাব্য ইউসুফ - জোলেখা মধ্যযুগের পুঁথি লেখকদের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রণয় - কাব্য। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে(১৩৯৩ - ১৪০৯ খ্রিষ্টাব্দ) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। শাহ মুহম্মদ সগীর ছাড়াও মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ - জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেন। তার মধ্যে আবদুল হাকিম, শাহ গরিবুল্লাহ, গোলাম সফাতুল্লাহ, সাদেক আলী এবং ফকির মোহাম্মদ উল্লেখযোগ্য।
”একাত্তরের ডায়েরী” কার রচনা?
Correct Answer:
খ: সুফিয়া কামাল
Explanation:
”একাত্তরের ডায়েরী” কার রচনা? সঠিক উত্তর সুফিয়া কামাল জননী সাহসিকা বেগম সুফিয়া কামালের রচিত ‘একাত্তরের ডায়েরি’। মুক্তিযুদ্ধকালীন ৯ মাসের স্মৃতি তিনি তাৎক্ষনিকভাবে লিখে রেখেছেন, যা পরবর্তি সময়ে ‘একাত্তরের ডায়েরি’ নামে প্রকাশিত হয়।
মীর মশাররফ হোসেন রচিত “বিষাদ সিন্ধু” কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ক: উপন্যাস
Explanation:
মীর মশাররফ হোসেন রচিত “বিষাদ সিন্ধু” কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি উপন্যাস। কারবালার মর্মান্তিক বিষাদময় কাহিনীই এ উপন্যাসের বিষয়বস্তু। নিয়তি – লাঞ্ছিত মানবভাগ্যের বেদনাবহ পরিণতিই এ কাব্যে পরিস্ফুটিত হয়েছে।
”রাজসিংহ” উপন্যাস কার রচনা?
Correct Answer:
খ: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
”রাজসিংহ” উপন্যাস কার রচনা? সঠিক উত্তর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক উপন্যাস রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস রাজসিংহ। এ উপন্যাসে দ্বন্দ্বহীন অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। নায়কের ভাগ্য অদৃশ্য নিয়তির হাতে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। মানব হৃদয়ের দ্বিধাদ্বন্দ্বের বিশ্লেষণ করা হয়েছে এ উপন্যাস।
কোনটি নজরুলের রচনা নয়?
Correct Answer:
খ: শেষ প্রশ্ন
Explanation:
কোনটি নজরুলের রচনা নয়? সঠিক উত্তর শেষ প্রশ্ন অপ্রাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিতর্ক প্রধান ও সমস্যামুলক উপন্যাস ‘শেষ প্রশ্ন’। উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র কমল, শিবনাথ, মনোরমা, অজিত, নীলিমা, আশুবাবু প্রভৃতি।
”বিষাদ-সিন্ধু” কার রচনা?
Correct Answer:
গ: মীর মশাররফ হোসেন
Explanation:
”বিষাদ-সিন্ধু” কার রচনা? সঠিক উত্তর মীর মশাররফ হোসেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও গদ্যরচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি ইতিহাস - আশ্রিত উপন্যাস। এ উপন্যাসটিকে মোট তিনটি পর্বে সাজানো হয়েছে। যথা - মহররম পর্ব, উদ্ধার পর্ব, এজিদ - বধ পর্ব।
”মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান” কার রচনা ?
Correct Answer:
ঘ: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
Explanation:
”মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান” কার রচনা ? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ এবং শেষ কবি। মধ্যযুগের এ কবি ছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে উপাধি দিয়েছিলেন ‘রায়গুণাকর’।
”অবরোধবাসিনী” কার রচনা?
Correct Answer:
গ: বেগম রোকেয়া
Explanation:
”অবরোধবাসিনী” কার রচনা? সঠিক উত্তর বেগম রোকেয়া সাহিত্যিক, সমাজসেবী ও শিক্ষাব্রতী রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমাজের কুসংস্কার চিহ্নিত করে লেখেন অন্যতম খ্যাতনামা গদ্যগ্রন্থ ‘অবরোধবাসিনী’। তার অপর একটি গদ্যগ্রন্থ হলো মতিচুর।
”কিত্তনখোলা” নাটকটি কার রচনা?
Correct Answer:
ঘ: সেলিম আল দীন
Explanation:
”কিত্তনখোলা” নাটকটি কার রচনা? সঠিক উত্তর সেলিম আল দীন নাট্যকার সেলিম আলদীনের কয়েকটি বিখ্যাত নাটক ‘জনি্ডস ও বিবিধ বেলুন’, ‘মুনতাসীর ফ্যান্টাসি’, কেরামত মঙ্গল’, ‘হরগজ’, ‘যৈবতী কন্যার মন’ ‘হাতহদাই’ প্রভৃতি।
”কমলাকান্তের দপ্তর” কোন শ্রেণীর রচনা?
Correct Answer:
গ: প্রবন্ধ
Explanation:
”কমলাকান্তের দপ্তর” কোন শ্রেণীর রচনা? সঠিক উত্তর প্রবন্ধ "কমলাকান্তের দপ্তর" বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ব্যঙ্গাত্মক ও রসাত্মক প্রবন্ধ। তার অন্যান্য প্রবন্ধ হলে - সাম্য, লোক রহস্য, বিবিধ প্রবন্ধ, বিজ্ঞান রহস্য কৃষ্ণচরিত্র ইত্যাদি।
‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
খ: উপন্যাস
Explanation:
‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস ‘কাশবনের কন্যা’ উপন্যাস জাতীয় রচনা। 'কাশবনের কন্যা' শামসুদ্দীন আবুল কালাম সবচেয়ে বিখ্যাত ও মিথিক্যাল উপন্যাস, প্রকাশিত হয় ১৯৫৪ সালে। প্রচ্ছদশিল্পী ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। 'কাশবনের কন্যা' দ্বিতীয় মুদ্রণ করতে হয় প্রথম প্রকাশের মাত্র দুই বছর পরে এবং তৃতীয় মুদ্রণ হয় ১৯৬৮ সালে।
”বিষাদ সিন্ধু” কে রচনা করেন?
Correct Answer:
খ: মীর মশার্রফ হোসেন
Explanation:
”বিষাদ সিন্ধু” কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর মীর মশার্রফ হোসেন ”বিষাদ সিন্ধু” মীর মশার্রফ হোসেন রচনা করেন। সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।
’আজ রবিবার’ নাটকটি কে রচনা করেন?
Correct Answer:
গ: হুমায়ূন আহমেদ
Explanation:
’আজ রবিবার’ নাটকটি কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর হুমায়ূন আহমেদ ’আজ রবিবার’ নাটকটি রচনা করেন হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর ১৯৪৮–১৯ জুলাই ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক।
'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ কে রচনা করেন?
Correct Answer:
খ: সুনীতিকৃমার চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর সুনীতিকৃমার চট্টোপাধ্যায় 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ রচনা করেন সুনীতিকৃমার চট্টোপাধ্যায়। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (জন্ম : ২৬শে নভেম্বর, ১৮৯০— মৃত্যু : ২৯শে মে, ১৯৭৭) একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। তার অন্যান্য রচনাবলি হলো: বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার, কিরাত জনকৃতি, ভারত - সংস্কৃতি(১৯৪৪), বাঙ্গালা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা(১৯২৯), পশ্চিমের যাত্রী(১৯৩৮), ইউরোপ ভ্রমণ, জাতি সংস্কৃতি সাহিত্য(১৯৩৮), ভারতের ভাষা ও ভাষা সমস্যা(১৯৪৪), সংস্কৃতি কী, দ্বীপময় ভারত(১৯৬৫), রবীন্দ্র সঙ্গমে(১৯৬৫), শ্যামদেশ(১৯৬৫) ইত্যাদি।
‘একাত্তরের চিঠি’ কোন জাতীয় রচনা?
Correct Answer:
গ: মুক্তিযুদ্ধাদের পত্র সংকলন
Explanation:
‘একাত্তরের চিঠি’ কোন জাতীয় রচনা? সঠিক উত্তর মুক্তিযুদ্ধাদের পত্র সংকলন ‘একাত্তরের চিঠি’ মুক্তিযুদ্ধাদের পত্র সংকলন জাতীয় রচনা। একাত্তরের চিঠি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে লেখা ৮৬টি চিঠির একটি সংকলন। দৈনিক প্রথম আলো ও গ্রামীণফোনের উদ্যোগে চিঠিগুলো সংগ্রহ করা হয়। সংকলনটি প্রথম প্রকাশিত হয় চৈত্র ১৪১৫, মার্চ ২০০৯ এ। ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সালাউদ্দীন আহমদ ছিলেন সম্পাদনা পরিষদের সভাপতি। এছাড়া সম্পাদনা পরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ হলেন - মেজর জেনারেল (অব.) আমিন আহম্মেদ চৌধুরী, রশীদ হায়দার, সেলিনা হোসেন এবংনাসির উদ্দীন ইউসুফ। কমিটিকে সহায়তা করেন সাজ্জাদ শরিফ, সাইফুল আজিম প্রমুখ। এছাড়া প্রথম একাত্তরের চিঠি সংগ্রহ করার ধারণা পোষণ করেন আমিনুল আকরাম।
রবীন্দনাথ ঠাকুর কর্তৃক কোন বইটি রচিত নয়?
Correct Answer:
খ: দোলনচাঁপা
Explanation:
রবীন্দনাথ ঠাকুর কর্তৃক কোন বইটি রচিত নয়? সঠিক উত্তর দোলনচাঁপা দোলনচাঁপা - বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি " কাজী নজরুল ইসলামের" ২য় কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে (আশ্বিন, ১৩৩০ বঙ্গাব্দ) আর্য পাবলিশি হাউস থেকে প্রকাশিত হয়। তাই সঠিক উত্তর: দোলনচাঁপা।
রবীন্দ্রনাথের নিচের রচনাগুলোর মধ্যে কোনটি নাটক নয় ?
Correct Answer:
ঘ: নৌকাডুবি
Explanation:
রবীন্দ্রনাথের নিচের রচনাগুলোর মধ্যে কোনটি নাটক নয় ? সঠিক উত্তর নৌকাডুবি রবীন্দ্রনাথের নিচের রচনাগুলোর মধ্যে নৌকাডুবি নাটক নয়। নৌকাডুবি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৩১০ - ১১ বঙ্গাব্দে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। নৌকাডুবি উপন্যাসটি লেখা হয়েছে জটিল পারিবারিক সমস্যাগুলিকে কেন্দ্র করে।
’বসন্তকুমারী’ নাটক রচনা করেছেন কে?
Correct Answer:
ক: মীর মশাররফ হোসেন
Explanation:
’বসন্তকুমারী’ নাটক রচনা করেছেন কে? সঠিক উত্তর মীর মশাররফ হোসেন Hints: মীর মশাররফ হোসেন রচিত কয়েকটি নাটক হলো - বসন্তকুমারী, জমীদার দর্পন, বেহুলা গীতাভিনয় ও টালা অভিনয়। তার রচিত প্রহসন - এর উপায় কি, এ কি!, ভাই ভাই এইতো চাই, ফাঁস কাগজ ইত্যাদি।
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’- চরণটি কার রচনা?
Correct Answer:
খ: রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়
Explanation:
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’- চরণটি কার রচনা? সঠিক উত্তর রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায় Hints: রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ' পদ্মিনী উপাখ্যান ' কাব্যের ' স্বাধীনতা - হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' স্তবকটি দেশাত্মবোধের এক শাশ্বত বাণী বিশেষ। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ - পদ্মিনী উপাখ্যান, কর্মদেবী, শূরসুন্দরী, নীতি কুসুমাঞ্জলি ও কাঞ্চী কাবেরী।
মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কবর’ কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
খ: নাটক
'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান' কার রচনা?
Correct Answer:
গ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান' কার রচনা? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর " বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা। এটি ররবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত শিশু কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
’তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কার রচনা?
Correct Answer:
ক: কবি শামসুর রাহমান
Explanation:
’তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কার রচনা? সঠিক উত্তর কবি শামসুর রাহমান 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা' চরণটির রচয়িতা কবি শামসুর রাহমান এবংং 'তুমি আসবে বলে' কবিতার অন্তর্ভুক্ত।
’ঠাকুরমার ঝুলি’ কী জাতীয় রচনার সংকলন?
Correct Answer:
খ: রূপকথা
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ' কে রচনা করেছেন?
Correct Answer:
গ: আবদুল গাফফার চৌধুরী
Explanation:
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ' কে রচনা করেছেন? সঠিক উত্তর আবদুল গাফফার চৌধুরী " আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি " - গানটি রচনা করেছেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী। এই গানের কথায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ফুটে উঠেছে। সাংবাদিক ও লেখক আব্দুল গাফফার চৌধুরী ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে গানটি রচনা করেন।
কোনটি শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় -এর আত্মজীবনীমূলক রচনা ?
Correct Answer:
ঘ: শ্রীকান্ত
Explanation:
কোনটি শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় -এর আত্মজীবনীমূলক রচনা ? সঠিক উত্তর শ্রীকান্ত ভিটামিনকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা - ১. চর্বির দ্রবণীয় ভিটামিন : ভিটামিন ‘এ’ ‘ডি’ ‘ই’ এবং ‘কে’ চর্বিতে দ্রবণীয়। এবং ২. পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন : ভিটামিন ‘বি কমপ্লেক্স’ ও ভিটামিন ‘সি’ পনিতে দ্রবণীয়।
'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' উপন্যাসটি কার রচনা?
Correct Answer:
ঘ: আলাউদ্দীন আল আজাদ
Explanation:
'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' উপন্যাসটি কার রচনা? সঠিক উত্তর আলাউদ্দীন আল আজাদ তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত প্রথম উপন্যাস(১৯৬০)। একে তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। এর বিষয়বস্ত্ত অবলম্বনে বসুন্ধরা নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সুভাষ দত্ত।
জহির রায়হান রচিত 'বরফ গলা নদী' একটি ----
Correct Answer:
খ: উপন্যাস
Explanation:
জহির রায়হান রচিত 'বরফ গলা নদী' একটি ---- সঠিক উত্তর উপন্যাস জহির রায়হান রচিত - " বরফ গলা নদী" একটি উপন্যাস। বরফ গলা নদী - জহির রায়হান রচিত চতুর্থ উপন্যাস। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে। তিনি একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার। বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন।
নুরুল মোমেনের 'নেমেসিস ' কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ক: নাটক
Explanation:
নুরুল মোমেনের 'নেমেসিস ' কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর নাটক নুরুল মোমেদের শ্রেষ্ঠ নাটক ‘নেমেসিস’। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়। তার অন্যান্য নাটক - রূপান্তর, নয়া খান্দান, আলোছায়া ইত্যাদি।
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘মতিচূর’ কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ক: প্রবন্ধ
Explanation:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘মতিচূর’ কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর প্রবন্ধ মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'মতিচূর ' (১ম খণ্ড ১৯০৪; ২য় খণ্ড ১৯২২) দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয় । তার আরেকটি প্রবন্ধ 'অবরোধবাসিনী' । তার রচিত দুটি উপন্যাস 'সুলতানার স্বপ্ন' ও 'পদ্মরাগ' ।
'দেশে-বিদেশে' কোন শ্রেণীর রচনা ?
Correct Answer:
গ: ভ্রমণকাহিনী
Explanation:
'দেশে-বিদেশে' কোন শ্রেণীর রচনা ? সঠিক উত্তর ভ্রমণকাহিনী দেশে বিদেশে - একটি ভ্রমণ কাহিনী। যখন কেউ তার জীবনী নিয়ে লেখেন তাকে আত্মজীবনী শ্রেণীর রচনা বলা হয়। যেমন ; কবি জসিমউদ্দিনের জীবনকথা, শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস।
'বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষনে হাতে দড়ি, ক্ষনেক চাঁদ"- চরণ দুটি কার রচনা?
Correct Answer:
খ: ভারতচন্দ্র
Explanation:
'বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষনে হাতে দড়ি, ক্ষনেক চাঁদ"- চরণ দুটি কার রচনা? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর আঠারো শতকের মঙ্গলকাব্য ধারার শ্রেষ্ঠ কবি। তার প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন অন্নদামঙ্গল কাব্য।