Michael Madhusudan Dutta MCQs
Showing 39 questions (Total: 39)
"মেঘনাদবধ" কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
"মেঘনাদবধ" কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'মেঘনাদ বধ' কাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। 'মেঘনাদ বধ' কাব্যের কাহিনী সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ থেকে গৃহীত হয়েছে। রাবণ, ,মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা এ মহাকাব্যের প্রধান চরিত্র। বাংলা সাহিত্যের একমাত্র সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
"দত্তকুলোদ্ভাব" কবি কে?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
"দত্তকুলোদ্ভাব" কবি কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত মাইকেল মধুসূদন দত্তকে 'দত্তকুলোদ্ভব' কবি বলা হয়। বাংলা কাব্য সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম বিপ্লবী কবি। তার 'তিলোত্তমা' কাব্য ১৮৫৯ সালে প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা কাব্য নতুন যুগের সূচনা শুরু হয়। তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেটের প্রবর্তন করেন। বাংলার প্রথম আধুনিক কমেডি ও ট্র্যাজেডির স্রষ্টাও তিনি। তার 'মেঘনাদ বধ' কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য।
বাংলা সাহিত্য 'সনেট' রচনার প্রবর্তক কে ?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্য 'সনেট' রচনার প্রবর্তক কে ? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত (২৫ জানুয়ারি ১৮২৪ – ২৯ জুন ১৮৭৩) ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার এবং প্রহসন রচকার। তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবেও তিনি পরিচিত। ব্রিটিশ ভারতের যশোর জেলার এক সম্ভ্রান্ত কায়স্থ বংশে জন্ম হলেও মধুসূদন যৌবনে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করে মাইকেল মধুসূদন নাম গ্রহণ করেন এবং পাশ্চাত্য সাহিত্যের দুর্নিবার আকর্ষণবশত ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। জীবনের দ্বিতীয় পর্বে মধুসূদন আকৃষ্ট হন নিজের মাতৃভাষার প্রতি। এই সময়েই তিনি বাংলায় নাটক, প্রহসন ও কাব্যরচনা করতে শুরু করেন। মাইকেল মধুসূদন বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রামায়ণের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত মেঘনাদবধ কাব্য নামক মহাকাব্য। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি হলো দ্য ক্যাপটিভ লেডি, শর্মিষ্ঠা, কৃষ্ণকুমারী (নাটক), পদ্মাবতী (নাটক), বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, একেই কি বলে সভ্যতা, তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য, ব্রজাঙ্গনা কাব্য, চতুর্দশপদী কবিতাবলী, হেকটর বধ ইত্যাদি। মাইকেলের ব্যক্তিগত জীবন ছিল নাটকীয় এবং বেদনাঘন। মাত্র ৪৯ বছর বয়সে কলকাতায় মৃত্যু হয় এই মহাকবির।
মধুসূদন দত্ত রচিত 'বীরাঙ্গনা' -----
Correct Answer:
খ: পত্রকাব্য
Explanation:
মধুসূদন দত্ত রচিত 'বীরাঙ্গনা' ----- সঠিক উত্তর পত্রকাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য " বীরঙ্গনা" বীরাঙ্গনা কাব্যের আঙ্গিক ও নামকরণের দিক থেকে মধুসূদন পাশ্চাত্য কবিদের কাছে ঋণী। ইতালীর কবি ওভিদের হিরোয়দস কাব্যের পত্ররীতি অবলম্বন করে বীরঙ্গনা কাব্য রচিত। বিভিন্ন কারণে পরিত্যক্ত নারীর মনোবেদনা পত্রগুলোর মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। মধুসূদনের নায়িকারা দৈহিক বীরত্ব ও মৌখিক আস্ফালনের জন্য বীরঙ্গনা আখ্যা পাননি, তাদের বীরত্ব চিরাচরিত সামাজিক রীতিনীতির শৃঙ্খল ও জড়তার আচরণ ঘুরিয়ে দিয়ে হৃদয়ের সত্য প্রকাশে। বনবাসিনী শকুনতলার পক্ষে হৃদয়ের অনুভূতি কথা প্রকাশ্যে দুষ্মন্তকে বলা অথবা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনয়ন করা এ চিরাচরিত ভারতীয় নীতিবিরুদ্ধ। এরা পতির কাজের সমালোচনা শোনা পর্যন্ত পাপ মনে করে। সে সময়ে বাংলার সমাজ ব্যবস্থায় মেয়েদের এমন অবস্থা ছিল যে তারা পতিনিন্দা করা তো দূরে থাক কেউ যদি পতির নিন্দা করতো তাহলে তারা সে স্থান ত্যাগ করতো। এদের আদর্শ ছিল সতী, যিনি পতির নিন্দা শুনে প্রজ্বলিত যজ্ঞকুণ্ডে আত্ম বিসর্জন দিয়েছেন। মধুসূদনের বীরাঙ্গনা সে যুগের আদর্শ থেকে চ্যুত হয়ে স্বীয় পতির দোষগুণের সমালোচনাই শুধু করেনি, পতীর প্রতি দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেছে। প্রবল অহমিকায় বিশ্বাসী এবং নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্য রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ রমণী মূর্তিকে মধুসূদন তাঁর কাব্যে অংকন করেছেন। বীরাঙ্গনা কাব্যে বিভিন্ন ধরনের পত্র সন্নিবেশিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে প্রেমবিষয়ক পত্র, প্রেম প্রত্যাখ্যানজনিত পত্র এবং স্বামীর অত্যাচারে কিংবা দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ রমণী হৃদয়ের ক্ষোভের পত্র। প্রচলিত ছিল যে, ভারতীয় নারী স্বামীর নিকট বিক্রীত। নারী তার দেহে, মনে স্বামীর কাছে আত্মনিবেদিত। তার নিজের কোন বৈশিষ্ট্য নেই। সংসারের নিয়ম - নীতিতে সে অষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। কিন্তু মধুসূদনের কাব্য রচনা যেহেতু নবজাগরণের পরে সেহেতু তাতে ইউরোপীয় ব্যক্তি মানসের ছায়া পড়েছে। যেমন ‘দশরথের প্রতি কেকয়ী’ এই পত্রে দশরথের অন্যায় কার্যে স্ত্রী কেকয়ী তাকে নানান ভাষায় নানানভাবে শ্লেষপূর্ণ বাক্যে রাজাকে অবজ্ঞা করছে। সে এ কথাও বলে বেড়াচ্ছে যে - সে এ পুরী ছেড়ে চলে যাবে এবং দেশে দেশে বলে বেড়াবে ‘পরম অধর্মচারী রঘুকুল পতি!’ পুত্রের সিংহাসন আরোহণ করানোর জন্য স্বামীর অন্যায়কে সে সহ্য করেনি কারণ দশরথ অঙ্গীকার করেছে কেকয়ী পুত্র ভরতকে সিংহাসনে বসাবে। অঙ্গীকার ভেঙে রামকে কেন সিংহাসনে বসাচ্ছে। কেকয়ীর কাছে এটি অঙ্গীকার ভঙ্গের অপরাধ। অন্যান্য পত্রের মত এ পত্রখানিও ভাষার তীব্রতায় শ্রেষ্ঠ। ‘নীলধ্বজের প্রতি জনা’ পত্রে ও স্বামীর মীমাংসাকে মেনে নিতে পারেনি জনা। অশ্ব মেধ যঙ্গের অশ্ব ধরেছিল জনার পুত্র প্রবীর। পার্থের সঙ্গে যুদ্ধে সে নিহত হয়। কিন্তু পিতা নীলধ্বজ শত্রুর সঙ্গে মিত্রতা করেন এটা জনা সহ্য করতে পারেনি। স্বামীকে পুত্র হন্তার সঙ্গে মিত্রতা করার জন্য যে অবজ্ঞাপূর্ণ ভাষায় লিখেছেন তারই নিদর্শন এ পত্র। এভাবে স্বামীর অন্যায় আচরণে ক্ষুব্ধ স্ত্রীর হৃদয়াবেগ প্রকাশ পেয়েছে বিভিন্ন পত্রে। ব্রজাঙ্গনার মতো বীরাঙ্গনাও লিরিক কাব্য। ভাষার লালিত্যে এ ছন্দের পারিপাট্টে বীরাঙ্গনা মধুসূদনের শ্রেষ্ঠ রচনা। ‘তিলোত্তমা’ ও ‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যে তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেছিলেন তা ‘বীরঙ্গনা কাব্যে পূর্ণতা পেয়েছে। ‘বীরঙ্গনা’ কাব্যের ছন্দ - স্বাচ্ছন্দ্য পাঠককে মুগ্ধ করে। এর সর্বত্রই একটা সংগীত ধ্বনি ঝংকৃত হয়ে কাব্যখানিকে পরম উপাদেয় করে তুলেছে। কবিত্ব শক্তির দিক দিয়ে বিচার করলে মেঘনাদ বধ উৎকৃষ্ট কিন্তু ভাষার লালিত্যে ও ছন্দের পারিপাট্টে বীরঙ্গনা সর্বশ্রেষ্ঠ রচনা। কারণ মেঘনাদ বধ বাক্যে দুরূহ শব্দ সুপাঠের জন্য বিঘ্ন সৃষ্টি করে। কিন্তু বীরাঙ্গনায় তা নেই। এখানে সুচিত শব্দের সুবিন্যাস ঘটেছে। তা ছাড়া ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যে করুণ রস সৃষ্টিতে অসাধারণ শিল্প কুশলতার পরিচয় দিয়েছেন মধুসূদন। এ কথা বলা অযৌক্তিক হবে না যে সমাজে কোন না কোন কারণে নিন্দিতা নারীর হৃদয় উদ্ঘাটন করে মাইকেল নারী ও নারীত্বকে বীরঙ্গনা কাব্যে ইউরোপীয় আদলে মহিমান্বিত করেছেন।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেম প্রবল প্রকাশ ঘটেছে ------
Correct Answer:
ঘ: সনেটে
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেম প্রবল প্রকাশ ঘটেছে ------ সঠিক উত্তর সনেটে বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচনার কৃতিত্ব মাইকেল মধুসূদন দত্তের, সনেটকে বাংলায় চতুর্দশপদী নাম মহাকবি মাইকেল মধুসূদনই দিয়েছিলেন। বাংলা সনেট (চতুর্দশপদী) এর সার্থক স্রষ্টা কবি মধুসূদন দত্ত ১৮৬৫ খ্রীষ্টাব্দে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে অবস্থানকালেই ইতালির কবি পেত্রার্কের সনেট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রথম বাংলা সনেটের দিগন্ত উন্মোচন করেন। ১৮৬৬ খ্রীষ্টাব্দে কবির চতুর্দশপদী কবিতাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই কবিতাগুলিতে কবি চিত্তের ব্যকুলতা, স্বদেশ প্রেমিকতা ও আবেগ ধ্বনিত হয়েছে।
' চতুর্দশপদী কবিতাবলী' কার রচনা?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
' চতুর্দশপদী কবিতাবলী' কার রচনা? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা লেখেন কবি ও নাট্যকার মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ - ১৮৭৩ খ্রি). । তার রচিত সনেটসমূহ 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' (১৮৬৬) তে সংকলিত। প্রশ্নে উল্লিখিত অন্য কবি - সাহিত্যিকগণ সনেট রচনা করেননি।
বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক-
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক- সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক - মাইকেল মধুসূদন দত্তঅমিত্রাক্ষর ছন্দযে ছন্দে চরণদ্বয়ের অন্ত্যবর্ণের মিল থাকে না, তাকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলে। অমিত্রাক্ষর ছন্দ বাংলা কাব্যের একটি বিশেষ ছন্দরূপ যা ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক প্রবর্তিত হয়েছিল।ছন্দচরণান্তিক মিল বাংলা পদ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য; কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দে চরণান্তিক মিল থাকে না। এছাড়া অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কবিতার প্রতিটি পঙক্তিতে চৌদ্দটি অক্ষর থাকা আবশ্যিক । কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দে প্রথম যে কাব্যটি রচনা করেন তা হলো তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য; এটি ১৮৬০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। অতঃপর তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দে মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেন যা ১৮৬১ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। মেঘনাদবধ কাব্যের ষষ্ঠ সর্গের অংশ বিশেষ যা “মেঘনাদ ও বিভীষণ” নামে পরিচিত তা নিম্নরূপ। এ থেকে অমিত্রাক্ষর ছন্দের স্বরূপ বোঝা যায়: “ "এতক্ষণে" - - অরিন্দম কহিলা বিষাদে "জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ, নিকষা সতী তোমার জননী, সহোদর রক্ষশ্রেষ্ঠ? - - শূলী - শম্ভূনিভ কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসব বিজয়ী? নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে? কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে, পাঠাইব রামানুজে শমন - ভবনে, লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে" ”
বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক কে?
Correct Answer:
খ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ - ১৮৭৩) মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম। পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন কলকাতার একজন প্রতিষ্ঠিত উকিল। মা জাহ্নবী দেবীর তত্ত্বাবধানে মধুসূদনের শিক্ষারম্ভ হয়।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে অবস্থানকালে ইতালীয় কবি পেত্রার্ক - এর অনুকরণে চতুর্দশপদী কবিতা (সনেট) রচনা করেন। যা পরবর্তীতে চতুর্দশপদী কবিতাবলী নামে পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ' বীরাঙ্গনা কাব্য ' কোন ধরনের কাব্য?
Correct Answer:
গ: পত্রকাব্য
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ' বীরাঙ্গনা কাব্য ' কোন ধরনের কাব্য? সঠিক উত্তর পত্রকাব্য 'বীরাঙ্গনা কাব্য' (১৮৬২) পত্রকাব্য। পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম । রোমান কবি ওভিদের 'হেরোইদাইদস' কাব্যের অনুকরণে এই গ্রন্থ রচিত। এ কাব্যে মোট ১১ টি পত্র আছে।
কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য?
Correct Answer:
গ: বীরাঙ্গনা
Explanation:
কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য? সঠিক উত্তর বীরাঙ্গনা মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বীরাঙ্গনা' বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। এ কাব্যে মোট এগারটি পত্র আছে। এ কাব্যে মধুসূদন দত্ত পৌরাণিক নারীদের আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত করেছেন। 'ব্রজাঙ্গনা' মধুসূদন দত্ত রচিত রাধা - কৃ্ষ্ণ বিষয়ক গীতিকাব্য। 'হিমালয়' জলধর সেন রচিত ভ্রমণকাহিনি। আর 'বিলাতের পত্র' ভ্রমণ কাহিনীর রচয়িতা গিরিশচন্দ্র বসু।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় কোনটি?
Correct Answer:
গ: বেতাল পঞ্চবিংশতি
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় কোনটি? সঠিক উত্তর বেতাল পঞ্চবিংশতি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান 'তিলোত্তমাসম্ভব' কাব্যগ্রন্থে। তার রচিত' মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং 'বীরঙ্গনা' বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম পত্রকাব্য। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'বেতালপঞ্চবিংশতি' হিন্দি 'বৈতাল পচ্চীসীর' অনুবাদ' বিদ্যাসাগর এই গ্রন্থে সর্বপ্রথম যতি - চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য' একটি-
Correct Answer:
খ: কাহিনীকাব্য
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য' একটি- সঠিক উত্তর কাহিনীকাব্য মহাভারতের সুন্দ ও উপ্সুন্দ কাহিনী অবলম্বন করে মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাহিনীর নাম ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ (১৮৬০) কাব্য। এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়?
Correct Answer:
ঘ: অশ্রুমালা
Explanation:
নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়? সঠিক উত্তর অশ্রুমালা কায়কোবাদের কাব্যগ্রন্থ: বিরহ বিলাপ (১৮৭০) (এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ) কুসুম কানন (১৮৭৩) অশ্রুমালা (১৮৯৬); মহাশ্মশান (১৯০৪), এটি তার রচিত মহাকাব্য শিব মন্দির (১৯২১), অমিয় ধারা (১৯২৩), শ্মশানভষ্ম (১৯২৪)[৬] মহররম শরীফ (১৯৩৩), ‘মহররম শরীফ' কবির মহাকাব্যোচিত বিপুল আয়তনের একটি কাহিনী কাব্য। শ্মশান ভসন (১৯৩৮) প্রেমের রাণী (১৯৭০) প্রেম পারিজাত (১৯৭০)
মাইকেল মধুসূদনের নাটক কোনটি ?
Correct Answer:
খ: শর্মিষ্ঠা
Explanation:
মাইকেল মধুসূদনের নাটক কোনটি ? সঠিক উত্তর শর্মিষ্ঠা বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের যাদুকর মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটকগুলো হলো - শর্মিষ্ঠা (১৮৫৮), পদ্মবতী (১৮৬০), কৃষ্ণকুমারি (১৮৬১), মায়াকানন (১৮৭৪) প্রভৃতি। অন্যদিকে, ‘ভদ্রার্জুন’ তারাচরণ শিকদার রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক। ‘শকুন্তলা’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত কালিদাসের ‘অভিজ্ঞান’ শকুন্তলম’ নাটকের বঙ্গানুবাদ এবং ‘রাবণ বধ’ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার রচিত নাটক।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবন কাল
Correct Answer:
খ: ১৮২৪-১৮৭৩
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবন কাল সঠিক উত্তর ১৮২৪-১৮৭৩ মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনকাল (১৮২৪ - ১৮৭৩) সাল
মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা কোনটি?
Correct Answer:
গ: ক্যাপটিভ লেডী
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা কোনটি? সঠিক উত্তর ক্যাপটিভ লেডী মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ও প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থের নাম ' ক্যাপটিভ লেডী'(captive laide). রাজমোহনস ওয়াইফ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনকাল--
Correct Answer:
খ: ১৮২৪-১৮৭৩
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনকাল-- সঠিক উত্তর ১৮২৪-১৮৭৩ মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলা প্রেসিডেন্সির যশোর জেলার(অধুনা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার)সাগরদাঁড়ি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং১৮৭৩ সালের ২৯ শে জুন আলিপুর জেনারেল হস্পিটাল এ মৃত্যুবরণ করেন।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য কোনটি?
Correct Answer:
খ: মেঘনাদবধ
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য কোনটি? সঠিক উত্তর মেঘনাদবধ মেঘনাদবধ কাব্য ১৯ - শতকীয় বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত’র নাটক কোনটি?
Correct Answer:
খ: কৃষ্ণকুমারী
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত’র নাটক কোনটি? সঠিক উত্তর কৃষ্ণকুমারী 'কৃষ্ণকুমারী' (১৮৬১) মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক । লেখকের উল্লেখযোগ্য নাটক - পদ্মাবতী (১৮৬০) ,শর্মিষ্ঠা (১৮৫৮) । 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসটি রচনা করেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় । বাংলাভাষার প্রথম মৌলিক নাটক 'ভদ্রার্জুন ' (১৮৫২) রচনা করেন তারাচরণ সিকদার।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রধান অবদান কোনটি?
Correct Answer:
গ: সনেট - এর প্রবর্তন
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রধান অবদান কোনটি? সঠিক উত্তর সনেট - এর প্রবর্তন ইতালির কবি পেত্রার্ক সনেটের উদ্ভাবক। বাংলায় সনেটের প্রবর্তক করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। যাকে বাংলায় "চতুর্দশপদী কবিতা " (সনেট) নাম দেওয়া হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট "বঙ্গভাষা"।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মসাল কোনটি?
Correct Answer:
খ: ১৮২৪
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মসাল কোনটি? সঠিক উত্তর ১৮২৪ মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলা প্রেসিডেন্সীর যশোর জেলার ( অধুনা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার) সাগরদাঁড়ি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন রাজ নারায়ণদত্ত ও তার প্রথমা পত্নী জাহ্নবী দেবীর একমাত্র সন্তান।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বীরাঙ্গনা' কাব্য কোন ধরনের কাব্য?
Correct Answer:
গ: পত্রকাব্য
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বীরাঙ্গনা' কাব্য কোন ধরনের কাব্য? সঠিক উত্তর পত্রকাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বীরাঙ্গনা' কাব্য এক ধরনের পত্রকাব্য। মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বীরাঙ্গনা' অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। তার আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ হলো - The captive Lady, তিলোত্তমাসম্ভব, ব্রজাঙ্গনা, চতুর্দশপদী কবিতাবলী। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' ও অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'তিলোত্তমাসম্ভব'। তবে মধুসূদন অমিত্রাক্ষর ছন্দের সর্বপ্রথম প্রয়োগ ঘটান তার 'পদ্মাবতী' নাটকে।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের “মেঘনাদবধ কাব্য” ইংরেজিতে প্রথম অনুবাদ করেন কে?
Correct Answer:
খ: রাজনারায়ণ বসু
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের “মেঘনাদবধ কাব্য” ইংরেজিতে প্রথম অনুবাদ করেন কে? সঠিক উত্তর রাজনারায়ণ বসু মাইকেল মধুসূদন দত্ত যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৪৩ সালে খ্রিষ্ট্রধর্ম গ্রহণ করেন। তার রচনার মধ্যে অন্যতম হলো মেঘনাধবধ কাব্য। এ কাব্যের প্রথম ইংরেজিতে অনুবাদ করেন রাজনারায়ণ বসু। এছাড়াও তিনি সনেটের জন্য বিখ্যাত হয়েছেন।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবতির্ত নতুন ছন্দের নাম-
Correct Answer:
ঘ: অমিত্রাক্ষর
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবতির্ত নতুন ছন্দের নাম- সঠিক উত্তর অমিত্রাক্ষর মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত নতুন ছন্দের নাম - অমিত্রাক্ষর। বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো - তিলোত্তমাসম্ভব। এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক কোনটি ?
Correct Answer:
ঘ: শর্মিষ্ঠা
মাইকেল মধুসূদন দত্তের “মেঘনাদবধ কাব্য” কোন ছন্দে রচিত?
Correct Answer:
ঘ: অমিত্রাক্ষর ছন্দ
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের “মেঘনাদবধ কাব্য” কোন ছন্দে রচিত? সঠিক উত্তর অমিত্রাক্ষর ছন্দ মাইকেল মধুসূদন দত্ত সাহিত্যে আধুনিকতার জনক। কবি পদ্মাবতী নাটক, তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য ও মেঘনাদবধ কাব্য অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচনা - করেন।
নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য?
Correct Answer:
ঘ: বীরাঙ্গনা
Explanation:
নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য? সঠিক উত্তর বীরাঙ্গনা বাংলা সাহিত্যে পত্রাকার কাব্যরচনা প্রথম দেখা যায় বীরাঙ্গনা কাব্যে। ১৮৬২ সালে এই গ্রন্থ রচিত ও প্রকাশিত হয়। দুষ্মন্তের প্রতি শকুন্তলা, সোমের প্রতি তারা, দ্বারকনাথের প্রতি রুক্মিণী, দশরথের প্রতি কৈকয়ী, লক্ষ্মণের প্রতি সূপর্ণখা, অর্জুনের প্রতি দ্রৌপদী, দুর্যোধনের প্রতি ভানুমতী, জয়দ্রথের প্রতি দুঃশলা, শান্তনুর প্রতি জাহ্নবী, পুরুবার প্রতি উর্বশী, নীলধ্বজের প্রতি জনা— এই ১১টি পত্ররূপী কবিতা নিয়ে কাব্যগ্রন্থটি রচিত। মধুসূদন তার কাব্যে এই নারীদের পুরাণ - পরিচিতির মূলে আঘাত করেছেন। তিনি মানবিক অনুভূতির আলোকে নারী - হৃদয়ের কথকতায় ব্যক্ত করিয়েছেন।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেমের প্রবল প্রকাশ ঘটেছে-
Correct Answer:
ঘ: সনেটে
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেমের প্রবল প্রকাশ ঘটেছে- সঠিক উত্তর সনেটে এখানে, ৬ষ্ঠ পদ = (৫ম পদ) + ৬ = ২১৭ম পদ = (৬ষ্ঠ পদ) + ৭ = ২৮৮ম পদ = (৭ম পদ) + ৮ = ৩৬৯ম পদ = (৮ম পদ) + ৯ = ৪৫এবং ১০ম পদ = (৯ম পদ) + ১০ = ৫৫
মাইকেল মধুসূদন দত্তের'মেঘনাদবধ কাব্য' কী ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ঘ: মহাকাব্য
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের'মেঘনাদবধ কাব্য' কী ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর মহাকাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ' কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান কোনটি ?
Correct Answer:
খ: যশোর
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান কোনটি ? সঠিক উত্তর যশোর Brochure means a small book or magazine containing pictures and information about a product or service. Synonym: pamphlet, booklet, prospectus, catalogue, leaflet, handbill, handout etc.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্য কোনটি?
Correct Answer:
খ: বীরাঙ্গনা
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্য কোনটি? সঠিক উত্তর বীরাঙ্গনা বাংলা সাহিত্যে পত্রাকার কাব্যরচনা প্রথম দেখা যায় বীরাঙ্গনা কাব্যে। ১৮৬২ সালে এই গ্রন্থ রচিত ও প্রকাশিত হয়। দুষ্মন্তের প্রতি শকুন্তলা, সোমের প্রতি তারা, দ্বারকনাথের প্রতি রুক্মিণী, দশরথের প্রতি কৈকয়ী, লক্ষ্মণের প্রতি সূপর্ণখা, অর্জুনের প্রতি দ্রৌপদী, দুর্যোধনের প্রতি ভানুমতী, জয়দ্রথের প্রতি দুঃশলা, শান্তনুর প্রতি জাহ্নবী, পুরুবার প্রতি উর্বশী, নীলধ্বজের প্রতি জনা— এই ১১টি পত্ররূপী কবিতা নিয়ে কাব্যগ্রন্থটি রচিত। মধুসূদন তার কাব্যে এই নারীদের পুরাণ - পরিচিতির মূলে আঘাত করেছেন। তিনি মানবিক অনুভূতির আলোকে নারী - হৃদয়ের কথকতায় ব্যক্ত করিয়েছেন।
মেঘনােদবধ মহাকাব্যটি প্রকাশিত হয়-
Correct Answer:
ক: ১৮৬১ সালে
Explanation:
মেঘনােদবধ মহাকাব্যটি প্রকাশিত হয়- সঠিক উত্তর ১৮৬১ সালে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্যকার, প্রথম সার্থক নাট্যকার, প্রথম প্রহসন রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য’। সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ - এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে তিনি ১৮৬১ সালে মহাকাব্যটি রচনা করেন এবং একই সালে এটি প্রকাশিত হয়। ৯টি সর্গের এ মহাকাব্যে তিন দিন দুই রাতের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। এই কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলো - রাবণ, মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা ইত্যাদি।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের "বীরঙ্গনা" কোন ধরনের কাব্য ?
Correct Answer:
গ: পত্রকাব্য
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের "বীরঙ্গনা" কোন ধরনের কাব্য ? সঠিক উত্তর পত্রকাব্য বীরাঙ্গনা কাব্য' (১৮৬২) পত্রকাব্য। পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম । রোমান কবি ওভিদের 'হেরোইদাইদস' কাব্যের অনুকরণে এই গ্রন্থ রচিত। এ কাব্যে মোট ১১ টি পত্র আছে।
নিচের কোনটি মাইকেল মধুসদূন দত্তের রচনা নয়?
Correct Answer:
গ: অশ্রুমালা
মাইকেল মদুসূদন দত্তের ‘ একেই কি বলে সভ্যতা ‘ কোন ধরনের নাটক?
Correct Answer:
খ: সামাজিক প্রহসন
Explanation:
মাইকেল মদুসূদন দত্তের ‘ একেই কি বলে সভ্যতা ‘ কোন ধরনের নাটক? সঠিক উত্তর সামাজিক প্রহসন 'একেই কি বলে সভ্যতা ' - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত দুই অঙ্ক বিশিষ্ট প্রহসন জাতীয় নাটক । এখানে লেখক নবলদ্ধ ইংরেজি শিক্ষাভিমানী যুবকদের উচ্ছৃঙ্খলভাব ও অনাচারের কথা বর্ণনা করেছেন।
মধুসূদন দত্তের ‘ মেঘনাদবধ কাব্য’র উৎস কী?
Correct Answer:
ক: রামায়ণ
বাংলা কবিতায় আধুনিকতার প্রবর্তক কে?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য কোনটি?
Correct Answer:
গ: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
Explanation:
অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য কোনটি? সঠিক উত্তর তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য কাব্যে যে ছন্দে চরণদ্বয়ের অন্ত্যবর্ণের মিল থাকে না, তাকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলে। অমিত্রাক্ষর ছন্দ বাংলা কাব্যের একটি বিশেষ ছন্দরূপ যা ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তন করেছিলেন। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত পদ্মাবতী নাটকের ২য় অঙ্কের ২য় গর্ভাঙ্কে মধুসূদন সর্বপ্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রয়োগ করেছিলেন। মেঘনাদবধ কাব্য ১৯ - শতকীয় বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি mমহাকাব্য। কাব্যটি তার শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট।