Middle Ages of Bengali Literature (1201-1800 AD) MCQs
Showing 29 questions (Total: 29)
মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় কোন মুসলিম শাসকের গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
Explanation:
মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় কোন মুসলিম শাসকের গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রয়েছে? সঠিক উত্তর আলাউদ্দিন হুসেন শাহ মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় মুসলিম শাসক শাহ সুজা'র গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রয়েছে। মধ্যযুগীয় বাংলা অনুবাদসাহিত্যমধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিস্তৃত অঙ্গন জুড়ে অনুবাদ সাহিত্যের চর্চা হয়েছিল এবং পরিণামেএ সাহিত্যের শ্রীবৃদ্ধিসাধনে অনুবাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অপরিসীম।সকল সাহিত্যের পরিপুষ্টিসাধনে অনুবাদমূলক সাহিত্যকর্মের বিশিষ্ট ভূমিকা আছে।বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রেও এর ব্যতীক্রম পরিলক্ষিত হয় না।"সমৃদ্ধতর নানা ভাষা থেকে বিচিত্র নতুন ভাব ও তথ্য সঞ্চয় করে নিজ নিজ ভাষার বহন ও সহন ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলাই অনুবাদ সাহিত্যের প্রাথমিক প্রবণতা।"ভাষার মান বাড়ানোর জন্য ভাষার ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হয়,আর তাতে সহায়তা করে অনুবাদকর্ম।উন্নত সাহিত্য থেকে ঋণ গ্রহণ করা কখনো অযৌক্তিক বিবেচিত হয়নি।উন্নত ও সমৃদ্ধ ভাষা - সাহিত্যের সান্নিধ্যে এলে বিভিন্ন বিষয়ের প্রতিশব্দ তৈরি করা সম্ভব হয়,অন্য ভাষা থেকে প্রয়োজনীয় শব্দও গ্রহণ করা যায়।অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ বক্তব্য আয়ত্তে আসে।ভাষা ও সাহিত্যের যথার্থ সমৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্রেষ্ঠ ও সম্পদশালী ভাষায় উৎকর্ষপূর্ণ সাহিত্যসৃষ্টির অনুবাদ একটি আবশ্যিক উপাদান।জ্ঞানবিজ্ঞানের বিষয়ের বেলায় শুদ্ধ অনুবাদ অভিপ্রেত।কিন্তু সাহিত্যের অনুবাদ শিল্পসম্মত হওয়া আবশ্যিক বলেই তা আক্ষরিক হলে চলে না।ভিন্ন ভাষার শব্দ সম্পদের পরিমাণ, প্রকাশক্ষমতা ও বাগভঙ্গি অনুযায়ী ভিন্ন ভাষায় ব্যক্ত কথায় সংকোচন, প্রসারণ, বর্জন ও সংযোজন আবশ্যিক হয়।মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে যে অনুবাদের ধারাটি সমৃদ্ধি লাভ করে তাতে সৃজনশীল লেখকের প্রতিভা কাজ করেছিল।সে কারণে মধ্যযুগের এই অনুবাদকর্ম সাহিত্য হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে।বুলিকে লেখ্য ভাষার তথা সাহিত্যের ভাষায় উন্নীত করার সহজ উপায় হচ্ছে অনুবাদ।অন্যভাষা থেকে সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান প্রভৃতি জ্ঞান - মননের বিভিন্ন বিসয় অনুবাদ করতে হলে সে বিষয়ক ভাব - চিন্তা - বস্তুর প্রতিশব্দ তৈরী করা অনেক সময় সহজ হয়,তৈরী সম্ভব না হলে মূল ভাষা থেকে শব্দ গ্রহণ করতে হয়।এভাবেই সভ্য জাতির ভাষা - সাহিত্য মাত্রই গ্রহণে - সৃজনে ঋদ্ধ হয়েছে।এ ঋণে লজ্জা নেই।যে জ্ঞান বা অনুভব আমাদের দেশে পাঁচশ বছরেও লভ্য হত না,তা আমরা অনুবাদের মাধ্যমে এখনই পেতে পারি।যেমনঃ বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থগুলো,শ্রেষ্ঠ দার্শনিক চিন্তাগুলো,বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলো,সমাজতত্ত্বগুলো - মানবচিন্তার শ্রেষ্ঠ সম্পদগুলো এভাবে আয়ত্তে আসে।চৌদ্দ পনেরো শতকে আমাদের লেখ্য সাহিত্যও তেমনি সংস্কৃত - অবহটঠ থেকে ভাব - ভাষা - ছন্দ গ্রহণ করেছে,পুরাণাদি থেকে নিয়েছে বর্ণিত বিষয় ও বর্ণনাভঙ্গি এবং রামায়ণ - মহাভারত - ভাগবত - প্রণয়োপাখ্যান - ধর্মশাস্ত্র প্রভৃতি সংস্কৃত - ফারসী - আরবী - হিন্দি থেকে অনূদিত হয়েছে আমাদের ভাষায়।এভাবেই আমাদের লিখিত বা শিষ্ট বাংলা ভাষাসাহিত্যের বুনিয়াদ নির্মিত হয়েছিল।আদর্শ অনুবাদকের একটা বিশেষ যোগ্যতা অপরিহার্য। ভাষান্তর করতে হলে উভয় ভাষার গতিপ্রকৃতি, বাকভঙ্গি ও বাকবিধির বিষয়ে অনুবাদকের বিশেষ ব্যুৎপত্তির দরকার।তাহলেই ভাষান্তর নিখুঁত ও শিল্পগুণান্বিত হয়।তাই ভাষাবিদ কবি ছাড়া অন্য কেউ কাব্যের সুষ্ঠু অনুবাদে সমর্থ হয় না।মধ্যযুগে অ - কবিও অনুবাদ কর্মে উৎসাহী ছিলেন।তাই অনুবাদে নানা ত্রুটি দেখা যায়।এছাড়া এঁরা নিজেদের সামর্থ্য রুচিবুদ্ধি ও প্রয়োজন অনুসারে মূল পাঠের গ্রহণ - বর্জন ও সংক্ষেপ করেছেন।এজন্য মধ্যযুগের বাংলা ভাষায় কোন তথাকথিত অনুবাদই নির্ভরযোগ্য নয়।সবগুলোই কিছু কায়িক,কিছু ছায়িক,কিছু ভাবিক অনুবাদ এবং কিছু স্বাধীন রচনা।কাব্য সাহিত্যের অনুবাদ আক্ষরিক হতেই পারে না।উৎস - বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য - আহমদ শরীফজুয়েল হাসান শাহ সুজাশাহজাদা সুজা(শাহ সুজা হিসেবেও পরিচিত) বাংলার সুবাদার মোগল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন ১৬৩৯ থেকে ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। তিনি আপন ভাই শাহ জামানকে সরিয়ে সাত বছর ধরে মসনদে অধিষ্ঠিত থাকেন।স্থাপত্যকর্মের প্রতি তার বিশেষ অনুরাগ ছিল। ঢাকা থেকে তিনি মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করলেও ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বেশ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিল তার সময়ে। তন্মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত স্থাপনাটি হলো বড় কাটরা, আরো আছে ধানমন্ডির শাহী ঈদগাহ এবং লালবাগ মসজিদ। এ ছাড়া কুমিল্লায় রয়েছে শাহ সুজা মসজিদ। শাহ সুজা মুঘল শাহজাদা Portrait of Shah Shuja জন্ম ২৩ জুন ১৬১৬ মৃত্যু ১৬৬০ (বয়স ৪৩–৪৪) বংশধর Sultan Ain - ul - Din, Buland Akhtar, Zainul Abedin, Gulrukh Banu, Roshanara Begum, Amina Begum রাজবংশ Timurid পিতা শাহ জাহান মাতা মুমতাজ মহল ধর্ম ইসলাম সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
মধ্যযুগের প্রথম কাব্য কোনটি?
Correct Answer:
গ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
Explanation:
মধ্যযুগের প্রথম কাব্য কোনটি? সঠিক উত্তর শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে অযত্নরক্ষিত অবস্থায় এই কাব্যের একটি পুথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে তারই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে পুথিটি প্রকাশিত হয়; যদিও কারও কারও মতে মূল গ্রন্থটির নাম ছিল 'শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ'।
মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
Correct Answer:
গ: ১৭৬০
Explanation:
মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন? সঠিক উত্তর ১৭৬০ মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৭১২ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার পাণ্ডুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার কবি প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য। বাংলা সাহিত্যের অমর চরিত্র ঈশ্বরী পাটনীর করা 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' উক্তিটি দ্বারা তার কবি প্রতিভার প্রমাণ পাওয়া যায়।
মধ্যযুগের কবি নন কে?
Correct Answer:
ক: জয়নন্দী
Explanation:
মধ্যযুগের কবি নন কে? সঠিক উত্তর জয়নন্দী জয়নন্দী বা জয়নন্দীপা 'চর্যাপদ' - এর তথা প্রাচীন যুগের কবি। তিনি চর্যাপদ - এর ৪৬ নং পদের রচয়িতা । মধ্যযুগের প্রথম কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' - এর রচয়িতা বডু চণ্ডীদাস। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মূল্যবান নিদর্শন বৈষ্ণব পদাবলী' - এর অন্যতম দুই মহাকবি জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস।
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ কোনটি ?
Correct Answer:
গ: ১২০১-১৮০০ খ্রি.
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ কোনটি ? সঠিক উত্তর ১২০১-১৮০০ খ্রি. মধ্যযুগ ১২০০ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সম্প্রসারিত। মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন বড়ু চণ্ডীদাসের 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'। আনুমানিক চৌদ্দ শতকের শেষার্ধে বা পনেরো শতকের প্রথমার্ধে বড়ু চণ্ডীদাস রাধাকৃষ্ণের প্রেমকাহিনি অবলম্বনে এ কাব্য রচনা করেন।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন কী?
Correct Answer:
ঘ: মঙ্গলকাব্য
Explanation:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন কী? সঠিক উত্তর মঙ্গলকাব্য মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের এক বিশেষ ধারা। দেবমাহাত্ম্যমূলক সমাজচিত্রভিত্তিক এ কাব্যই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও নিজস্ব কাহিনীকাব্য। এ কাব্য পাঠ বা শ্রবণ করলে সকল প্রকার অকল্যাণ নাশ ও সর্ববিধ মঙ্গল লাভ হয় এরূপ ধারণা থেকেই এর নাম হয়েছে মঙ্গলকাব্য। মঙ্গলকাব্য পালা হিসেবে গীত হতো, তবে এতে সুর অপেক্ষা কাহিনীই বেশি প্রাধান্য পেত। প্রতিটি মঙ্গলকাব্যে একেকজন দেবতার মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। এঁরা লৌকিক দেবতার সঙ্গে পৌরাণিক দেবতার সংমিশ্রণে সৃষ্ট বাঙালির নিজস্ব দেবতা। বহিরাগত আর্যদেবতাদের বিরুদ্ধে অনেক সংগ্রাম করে এঁদেরকে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে হয়েছে। আর্যদেবতাদের বিরুদ্ধে এই বিজয়ের কারণে মঙ্গলকাব্যের ‘মঙ্গল’ শব্দটি ‘বিজয়’ অর্থেও গ্রহণ করা হয়। এমনকি কোনো কোনো মঙ্গলকাব্যের নামের সঙ্গে ‘বিজয়’ শব্দটি সংযুক্তও হয়েছে, যেমন বিপ্রদাস পিপিলাইয়ের মনসাবিজয়। মঙ্গলকাব্যের প্রধান দেবতারা হচ্ছেন মনসা, চন্ডী ও ধর্মঠাকুর। এঁদের মধ্যে মনসা ও চন্ডী এই দুই স্ত্রীদেবতার প্রাধান্য বেশি। এই তিনজনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলকাব্যের প্রধান তিনটি ধারা গড়ে উঠেছে মনসামঙ্গল, চন্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল। কালক্রমে শিবঠাকুরও মঙ্গলকাব্যের বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন এবং তৎকেন্দ্রিক কাব্যধারার নাম শিবায়ন বা শিবমঙ্গল।
মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রবতীর পিতার নাম কি?
Correct Answer:
গ: দ্বিজ বংশীদাস
Explanation:
মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রবতীর পিতার নাম কি? সঠিক উত্তর দ্বিজ বংশীদাস মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর পিতা দ্বিজ বংশীদাস ' 'মনসামঙ্গলের' অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ, মলুয়া গীতিকা রচনা করেন।
মধ্যযুগের শেষ্ঠ কবি হলেন--
Correct Answer:
খ: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
Explanation:
মধ্যযুগের শেষ্ঠ কবি হলেন-- সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর মধ্যযুগের শেষ্ঠ কবি হলেন - - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাঙালি কবি। ধারনা করা হয় তার জন্ম ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম দিকে। তার বিখ্যাত কাব্য চণ্ডীমঙ্গলকাব্য প্রাচীন পাঁচালী রচনার মধ্যে শ্রেষ্ঠ । এর রচনাকাল ১৫৪৪ খ্রীস্টাব্দের কাছাকাছি সময় বলে বিবেচনা করা হয়।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে ?
Correct Answer:
খ: ভারতচন্দ্র
Explanation:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে ? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র। রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পেড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধিতে ভূষিত করেন। যথাযথভাবেই রবীন্দ্রনাথ তার কাব্যকে তুলনা করেন “রাজকণ্ঠের মণিমালা” - র সঙ্গে। তার আর একটি বিখ্যাত কাব্য সত্যপীরের পাঁচালী। ভারতচন্দ্র ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তার মৃত্যুর সাথে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সমাপ্তি হয়।
মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রাবতী নিচের কোনটি রচনা করেন?
Correct Answer:
ঘ: রামায়ণ
Explanation:
মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রাবতী নিচের কোনটি রচনা করেন? সঠিক উত্তর রামায়ণ মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ রচনা করেন। মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ রচনা করেন। তিনি 'রামায়ণ' অনুবাদক প্রথম মহিলা কবি । তবে তিনি রামায়ণ রচনা পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেন । তিনি রামায়ণ ছাড়াও রচনা করেন দুইটি কাব্য - 'মলুয়া' ও 'দস্যু' কেনারামের পালা।
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে মুসলিম কবিদের উল্লেখযোগ্য অবদান
Correct Answer:
গ: রোমান্টিক প্রনোয়পাখ্যান
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে মুসলিম কবিদের উল্লেখযোগ্য অবদান সঠিক উত্তর রোমান্টিক প্রনোয়পাখ্যান বাংলা সাহিত্যের অন্যতম মধ্যযুগ ১২০১ - ১৮০০ সাল। এ যুগের মুসলিম কবিদের উল্লেখযোগ্য অবদান রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। মধ্য যুগের প্রথম মুসলিম বিশ্বের শাহ মুহম্মদ সগীর এ ধারার প্রথম কবি।
মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুসলমান কবি কে?
Correct Answer:
খ: আলাওল
Explanation:
মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুসলমান কবি কে? সঠিক উত্তর আলাওল মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুসলমান কবি - আলাওল। আলাওল মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি। আলাওল আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি হিসেবে আবির্ভুত হলেও মধ্যযুগের সমগ্র বাঙালি কবির মধ্যে "শিরোমণি আলাওল" রূপে শীর্ষস্থান অধিকারী। আরবি, ফার্সি, হিন্দি ও সংস্কৃত ভাষায় তিনি সুপণ্ডিত ছিলেন। ব্রজবুলি ও মঘী ভাষাও তার আয়ত্ত ছিল।
কোনটি মধ্যযুগের রচনা?
Correct Answer:
খ: মনসামঙ্গল
Explanation:
কোনটি মধ্যযুগের রচনা? সঠিক উত্তর মনসামঙ্গল মধ্যযুগের কাব্যগ্রন্থ মনসামঙ্গল এর আদি কবি কানা হরিদত্ত। এছাড়া বিপ্রদাস পিপিলাই, বিজয়গুপ্ত, দ্বিজ বংশীদাস, মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেন। সারদামঙ্গল এর রচয়িতা হলেন - বিহারীলাল চক্রবর্তী।
মধ্যযুগের প্রথম কবি কে?
Correct Answer:
ঘ: বডু চন্ডীদাস
Explanation:
মধ্যযুগের প্রথম কবি কে? সঠিক উত্তর বডু চন্ডীদাস মধ্যযুগের প্রথম কবি বডু চন্ডীদাস । বড়ু চন্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের প্রথম কাব্য শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন । শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মোট ১৩ খণ্ডে রচিত । এ কাব্যের প্রধান চরিত্র - কৃষ্ণ, রাধা, বড়াই ।
মধ্যযুগের শেষ কবি কে?
Correct Answer:
খ: ভারতচন্দ্র
Explanation:
মধ্যযুগের শেষ কবি কে? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র মধ্যযুগের শেষকবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। তার কবি প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন " অন্নদামঙ্গল" কাব্য। তাকে মধ্যযুগের শেষ ও শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়। মধ্যযুগের মুসলমান কবিদের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল। সঠিক উত্তর - ভারতচন্দ্র।
মধ্যযুগের প্রথম কবি হচ্ছে-
Correct Answer:
গ: বডু চন্ডীদাস
মধ্যযুগের প্রণয়কাব্য “লায়লী মজনু” কার রচনা?
Correct Answer:
খ: দৌলত উজির বাহরাম খান
Explanation:
মধ্যযুগের প্রণয়কাব্য “লায়লী মজনু” কার রচনা? সঠিক উত্তর দৌলত উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের প্রণয়কাব্য ‘লায়লী মজনু’র রচয়িতা দৌলত উজির বাহরাম খান। ফারসি কবি জামীর ‘লায়লী মজনু’ কাব্যের ভাবানুবাদ এ কাব্যটি।
নিচের কোনটি মধ্যযুগের কাব্যের প্রধান একটি ধারা?
Correct Answer:
ক: মঙ্গল কাব্য
Explanation:
নিচের কোনটি মধ্যযুগের কাব্যের প্রধান একটি ধারা? সঠিক উত্তর মঙ্গল কাব্য মধ্যযুগের কাব্যের প্রধান একটি ধারা মঙ্গল কাব্য। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্য মঙ্গলকাব্য নামে পরিচিত। বলা হয়ে থাকে, যে কাব্যে দেবতার আরাধনা, মাহাত্ম্য - কীর্তন করা হয়, যে কাব্য শ্রবণেও মঙ্গল হয় এবং বিপরীতে হয় অমঙ্গল; যে কাব্য মঙ্গলাধার, এমন কি, যে কাব্য ঘরে রাখলেও মঙ্গল হয় তাকে বলা হয় মঙ্গলকাব্য। মঙ্গলকাব্য ছিল সকল মধ্যযুগীয় সাহিত্যের ধারক। মঙ্গলকাব্য ছিল বাংলা ভাষার ক্রান্তীয় মধ্যযুগীয় বহিঃপ্রকাশ।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন কোনটি ?
Correct Answer:
ক: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কবি কে?
Correct Answer:
গ: আলাওল
Explanation:
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কবি কে? সঠিক উত্তর আলাওল বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কবি আলাওল। আলাওল, পূর্ণনাম সৈয়দ আলাওল (১৬০৭ - ১৬৭৩), ছিলেন মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর গতানুগতিক পরিসীমায় রোমান্টিক প্রণয়কাব্যধারা প্রবর্তনকারী হিসাবে মুসলমান কবিগণের অবদান সর্বজনস্বীকৃত। এ সময়ে তারা আরবি ফার্সি ও হিন্দি সাহিত্যের বিষয়বস্তু ও ভাববৈচিত্র্য অবলম্বনে কাব্য রচনায় এক নবযুগ সৃষ্টি করেন। এপর্যায়ের কবিগণের মধ্যে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের বিচারে কবি আলাওলকে সর্বোচ্চ স্থান দেওয়া হয়। আলাওল আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি হিসাবে আবির্ভূত হলেও মধ্যযুগের সমগ্র বাঙালি কবির মধ্যে 'শিরোমণি আলাওল' রূপে শীর্ষস্থান অধিকারী।
নিচের কোন জন মধ্যযুগের কবি নন?
Correct Answer:
ক: কায়কোবাদ
দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্যসৃষ্টিতে কার পৃষ্টপোষকতা লাভ করেন?
Correct Answer:
ঘ: জমিদার নিজাম শাহ
Explanation:
দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্যসৃষ্টিতে কার পৃষ্টপোষকতা লাভ করেন? সঠিক উত্তর জমিদার নিজাম শাহ যোগ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার মুসলিম কবি দৌলত উজির বাহরাম খান। তিনি চট্টগ্রামের জাফরাবাদের শাসনকর্তা জমিদার নিজাম শাহের দেওয়ান ছিলেন। তিনি নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় পারসিয়ান কবি জামির আরবি লোকগাথা পায় থেকে বাংলায় 'লায়লী - মজনু' অনুবাদ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম বাহরাম খান। জমিদার নিজাম শাহ তাকে দৌলান করেন। গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আহাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর ‘ইউসুফ - জোলেখা রচনা করেন। করুনউদ্দিন বরবক শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধর বসু 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্য রচনা করেন। কোরেশী মাগন ঠাকুরের উৎসাহে আলাওল 'পদ্মাবতী' কাবা রচনা করেন।
মানসী দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী?
Correct Answer:
গ: পদ্মাপুরাণ
Explanation:
মানসী দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী? সঠিক উত্তর পদ্মাপুরাণ মনসামঙ্গলের একজন সর্বাধিক প্রচারিত কবি হিসাবে বিজয়গুপ্ত - এর খ্যাতি। তার মনসামঙ্গল (বা পদ্মাপুরাণ) বাংলার জনপ্রিয় কাব্যগুলির মধ্য অন্যতম। গল্পরস সৃজনে, করুণরস ও হাস্যরসের প্রয়োগে, সামাজিক ও রাষ্ট্রিক জীবনের পরিচয়ে, চরিত্র চিত্রণে এবং পাণ্ডিত্যের গুণে বিজয়গুপ্তের পদ্মাপুরাণ একটি জনপ্রিয় কাব্য। বিজয়গুপ্তের পূর্বে আমরা পাই আদি মঙ্গল কবি কানাহরি দত্ত ও বিপ্রদাস পিপলাইকে। বিজয়গুপ্ত (পদ্মাপুরাণ) সময়কাল মধ্যযুগ (পঞ্চদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ) ধরন মঙ্গলকাব্য বিষয় মনসামঙ্গল
‘চন্ডীমঙ্গল’ কাব্যের উপাস্য 'চন্ডী' কার স্ত্রী?
Correct Answer:
ঘ: শিব
Explanation:
‘চন্ডীমঙ্গল’ কাব্যের উপাস্য 'চন্ডী' কার স্ত্রী? সঠিক উত্তর শিব চন্ডী শিবের স্ত্রী। তাঁর অপর নাম পার্বতী। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি-মানিক দত্ত। চণ্ডীমঙ্গলের দুইটি উপাখ্যান আছে। প্রধান চরিত্রগুলো কালকেতু, ফুল্লরা,ধনপতি,ভাডুদত্ত,মুরারি শীল। চণ্ডীমঙ্গল-চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনী। এ কাহিনীতে চণ্ডী শিবের স্ত্রী।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?
Correct Answer:
খ: গোয়ালঘর থেকে
Explanation:
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল? সঠিক উত্তর গোয়ালঘর থেকে এখানে রাধা - কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি রয়েছে। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি আবিষ্কার করেন। এটি পাওয়া যায় দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘরের মাচার ওপর থেকে।
বিদ্যাপতি মূলত কোন ভাষার কবি ছিলেন?
Correct Answer:
গ: মৈথিলি
Explanation:
বিদ্যাপতি মূলত কোন ভাষার কবি ছিলেন? সঠিক উত্তর মৈথিলি বিদ্যাপতি পঞ্চদশ শতকের মৈথিলি কবি। বঙ্গদেশে তার প্রচলিত পদাবলীর ভাষা ব্রজবুলি।
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’। এই মনোবাঞ্জাটি কার?
Correct Answer:
গ: ইশ্বরী পাটনীর
Explanation:
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’। এই মনোবাঞ্জাটি কার? সঠিক উত্তর ইশ্বরী পাটনীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মঙ্গল কাব্যধারার শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের একটি বিখ্যাত উক্তি এটি। কাব্যে উক্তিটি করেছিল ঈশ্বরী পাটনী।
মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কবি-
Correct Answer:
গ: আলাওল
Explanation:
মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কবি- সঠিক উত্তর আলাওল মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুসলমান কবি - আলাওল। আলাওল মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি। আলাওল আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি হিসেবে আবির্ভুত হলেও মধ্যযুগের সমগ্র বাঙালি কবির মধ্যে "শিরোমণি আলাওল" রূপে শীর্ষস্থান অধিকারী। আরবি, ফার্সি, হিন্দি ও সংস্কৃত ভাষায় তিনি সুপণ্ডিত ছিলেন। ব্রজবুলি ও মঘী ভাষাও তার আয়ত্ত ছিল।
কোন কবির মৃত্যুর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে?
Correct Answer:
ক: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
Explanation:
কোন কবির মৃত্যুর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অবদান অপরিসীম, তার মৃত্যুর পরই পরই বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সমাপ্তি হয়েছে।