Srikrishnakirtan Kavya MCQs
Showing 35 questions (Total: 35)
"শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্য কে রচনা করেন?
Correct Answer:
গ: বড়ু চণ্ডীদাস
Explanation:
"শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্য কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের আদি কবি বডু চন্ডীদাস লোকসমাজে প্রচলিত রাধাকৃষ্ণ প্রেম - সম্পর্কিত গ্রাম্য গল্প অবলম্বনে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য রচনা করেন। কাব্যটি মোট তের খন্ডে বিভক্ত। রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই এ তিনটি চরিত্র অবলম্বনে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ –এর কাহিনী রূপায়িত হয়েছে।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা-
Correct Answer:
খ: বড়ু চণ্ডীদাস
Explanation:
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা- সঠিক উত্তর বড়ু চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস নামক জনৈক মধ্যযুগীয় কবি রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রণয়কথা বিষয়ক একটি আখ্যানকাব্য। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে অযত্নরক্ষিত অবস্থায় এই কাব্যের একটি পুঁথি আবিষ্কার করেন।
' শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'---- এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: বড়ু চণ্ডীদাস
Explanation:
' শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'---- এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর বড়ু চণ্ডীদাস 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' মধ্যযুগের প্রথম কাব্য এবং বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের আদি কবি। তিনি ভাগবতের কৃষ্ণলীলা সম্পর্কিত কাহিনী অবলম্বনে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য রচনা করেন। 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি, কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই। এ কাব্যের মোট ১৩ টি খণ্ড আছে।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বড়াই কি ধরনের চরিত্র?
Correct Answer:
গ: রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী
Explanation:
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বড়াই কি ধরনের চরিত্র? সঠিক উত্তর রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী মধ্যযুগের আদি কবি বডু চণ্ডীদাস লোকসমাজে প্রচলিত রাধাকৃষ্ণ প্রেম - সম্পর্কিত গ্রাম্য গল্প অবলম্বনে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য রচনা করেন। ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় দিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম্য গল্প অবলম্বনে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য রচনা করেন। ১৯১৬ সালে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় গ্রন্থটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয় । পুরো কাব্যটি আবর্তিত হয়েছে রাধা - কৃষ্ণের প্রেমনিবেদন, দেহসম্ভোগ,দুঃখভোগ ইত্যাদির মধ্য দিয়ে। আর বড়াই চরিত্রটিকে কবি সৃষ্টি করেছেন রাধা - কৃষ্ণের প্রেমের সংবাদ আদান - প্রদানকারিণী হিসেবে।
মধ্যযুগের প্রথম কাব্য “শ্রীকৃষ্ণকীর্তন”-এর রচিয়তা কে?
Correct Answer:
গ: বড়ু চন্ডীদাস
Explanation:
মধ্যযুগের প্রথম কাব্য “শ্রীকৃষ্ণকীর্তন”-এর রচিয়তা কে? সঠিক উত্তর বড়ু চন্ডীদাস বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি কবি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ মধ্যযুগের প্রথম কাব্য। বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে গ্রন্থটি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কর্তা-
Correct Answer:
গ: বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ
Explanation:
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কর্তা- সঠিক উত্তর বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম কাব্য। এ কাব্যের রচয়িতা বডু চন্ডীদাস। তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি কবি। ভগবতের কৃষ্ণলীলা সম্পর্কিত কাহিনী অবলম্বনে বডু চন্ডীদাস পঞ্চদাশ শতাব্দীতে এ কাব্য রচনা করেন। বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বাকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে এ কাব্যটি উদ্ধার/আবিষ্কার করেন।
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” আবিষ্কার করেন কে?
Correct Answer:
খ: বসন্ত রঞ্জন রায়
Explanation:
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” আবিষ্কার করেন কে? সঠিক উত্তর বসন্ত রঞ্জন রায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার করেন বসন্ত রঞ্জন বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” আবিষ্কার করেন-
Correct Answer:
গ: বসন্তরঞ্জন রায়
Explanation:
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” আবিষ্কার করেন- সঠিক উত্তর বসন্তরঞ্জন রায় 'শ্রীকৃষ্ণকৃীর্তন ' কাব্যটি ১৯০৯ সালে শ্রী বসন্ত রায়রঞ্জন রায় পশ্চিমবঙ্গের বাকুড়া জেলার বনবিষনুপুরের কাঁকিল্যা গ্রামের গোয়াল ঘরের টিনের চাঁলা থেকে উদ্ধার করেন। শ্রীকৃষ্ণকৃীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” কাব্য রচনা করেন-
Correct Answer:
খ: বড়ু চন্ডীদাস
Explanation:
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” কাব্য রচনা করেন- সঠিক উত্তর বড়ু চন্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মধ্যযুগের প্রথম কাব্য। এর রচয়িতা কবি বড়ু চন্ডীদাস। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামে এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে আবিষ্কার করেন।
শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত উপন্যাসের কয়টি খন্ড ?
Correct Answer:
গ: ৪
Explanation:
শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত উপন্যাসের কয়টি খন্ড ? সঠিক উত্তর ৪ ‘শ্রীকান্ত’ বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্নচরিতমূলক উপন্যাস। এর ৪টি খন্ড যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ ও ১৯৩৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটির প্রথম খন্ড প্রকাশের সময় শরৎচন্দ্র নিজের নাম শ্রীকান্ত শর্মা ব্যবহার করেন। উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ রাজলক্ষী, শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, অভয়া, কমললতা, সুনন্দা। ইন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কিশোর চরিত্র।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি রচনা করেন-
Correct Answer:
খ: বড়ু চণ্ডীদাস
Explanation:
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি রচনা করেন- সঠিক উত্তর বড়ু চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকৃীর্তন, - - কাব্যটি রচনা করেন বড়ু চণ্ডীদা। । এটি মধ্যযুগের রচিত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ। প্রধান উপজীব্য হল রাধাকৃষ্ণের প্রেম কাহিনী।
'শ্রীকান্ত" বইটির লেখক কে?
Correct Answer:
ক: শরৎচন্দ্র
Explanation:
'শ্রীকান্ত" বইটির লেখক কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো: পল্লীসমাজ, দেবদাস, চরিত্রহীন, দত্তা, গৃহদাহ, দেনা পাওনা ও পথের দাবী ।
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য”--- খানি আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
Correct Answer:
খ: গোয়ালঘরে
Explanation:
”শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য”--- খানি আবিষ্কৃত হয় কোথায়? সঠিক উত্তর গোয়ালঘরে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য মধ্যযুগের প্রথম কাব্য। এর রচিয়তা কবি বড়ু চণ্ডীদাস। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামে এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে পুঁথি আকারে অযত্নে রক্ষিত এ কাব্য আবিষ্কার করেন।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা -
Correct Answer:
খ: বডু চন্ডীদাস
Explanation:
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা - সঠিক উত্তর বডু চন্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস নামক জনৈক মধ্যযুগীয় কবি রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রণয়কথা বিষয়ক একটি আখ্যানকাব্য। ১৯০৯ সালে{তারিখ অজানা} বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা (কালিয়া) গ্রামের শ্রীনিবাস আচার্যের দৌহিত্র বংশীয় দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামক এক ব্রাহ্মণের বাড়ির গোয়ালঘরের মাচার ওপর থেকে এই কাব্যের একটি পুথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে তারই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ নামে পুথিটি প্রকাশিত হয়; যদিও কারও কারও মতে মূল গ্রন্থটির নাম ছিল ‘শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ’। বৌদ্ধ - সহজীয়া গ্রন্থ চর্যাপদের পর এটিই আদি - মধ্য বাংলা ভাষার প্রাচীনতম আবিষ্কৃত নিদর্শন।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি কে আবিষ্কার করেন?
Correct Answer:
ক: বসন্তরঞ্জন রায়
Explanation:
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি কে আবিষ্কার করেন? সঠিক উত্তর বসন্তরঞ্জন রায় বড়ু চন্ডীদাস রচিত বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। ১৩ খণ্ডে তচিত এ কাব্য গ্রন্থটি পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রননাথ মুখোপাধ্যায় নামক এক ব্রাহ্মণের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ আবিষ্কার করেন।
মধ্যযুগের প্রথম কাব্য'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: বডু চন্ডীদাস
Explanation:
মধ্যযুগের প্রথম কাব্য'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর বডু চন্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগেরপ্রথম কাব্য। এর আদি কবি বড়ু চন্ডীদাস। হিন্দু ধর্ম শাস্ত্রের প্রাচীন গ্রন্থ মহাভার, ভাগবত প্রভৃতির কেন্দ্রীয় চরিত্র রাধা কৃষ্ণ এর প্রেম লীলার অনুসরনে এই কাব্যটি লেখা হয়েছে।
'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি --
Correct Answer:
গ: উপন্যাস
Explanation:
'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি -- সঠিক উত্তর উপন্যাস শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জীবনচরিত মূলক উপন্যাস। তিনি এই উপন্যাসটি মোট চার খণ্ডে সমাপ্ত করেন। চারটি খণ্ড একসাথে লেখেন নি। যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ এবং ১৯৩৩ সালে চারটি খণ্ড লেখা শেষ করেন। শ্রীকান্ত উপন্যাসে প্রধান চরিত্র শ্রীকান্ত। এছাড়া এখানে অসংখ্য নরনারীর সমাবেশ ঘটেছে। উপন্যাসের মূল চরিত্র শ্রীকান্ত - রাজলক্ষ্মী। শ্রীকান্ত - রাজলক্ষ্মীর পাশাপাশি শ্রীকান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রথম পর্বের ইন্দ্রনাথ ও অন্নদাদিদি, দ্বিতীয় পর্বের অভয়া, তৃতীয় পর্বের ব্রজানন্দ ও সুনন্দা এবং চতুর্থ পর্বের গহর ও কমললতার হার্দিক ও সামাজিক সম্পর্কের বহু বর্ণিল বিষয় এতে চিত্রিত হয়েছে। সেই সঙ্গে তৎকালীন বাংলার আর্থ - সামাজিক অবস্থারও একটি বাস্তবানুগ চিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। শ্রীকান্ত চরিত্রটির মধ্য দিয়ে লেখকের ব্যক্তিজীবন বহুলাংশে প্রতিফলিত হয়েছে।
”শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন” কাব্য কয় খন্ডের?
Correct Answer:
খ: ১৩
Explanation:
”শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন” কাব্য কয় খন্ডের? সঠিক উত্তর ১৩ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম কাব্য এবং বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের আদি কবি। শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে মোট ১৩ টি খন্ড আছে। এ কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি - রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের খণ্ড সংখ্যা -
Correct Answer:
ঘ: ১৩
Explanation:
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের খণ্ড সংখ্যা - সঠিক উত্তর ১৩ মদ্যযুগের আদি কবি বড়ু চণ্ডীদাস। তার প্রকৃত নাম অনন্ত। তার রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্যটি ভাষা ও রচনাকালের ভিত্তিতে বাংলার দ্বিতীয় গ্রন্থ। এ কাব্যে গ্রন্থের সংখ্যা ১৩ টি।
’শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কে রচনা করেন?
Correct Answer:
গ: বড়ু চন্ডীদাস
Explanation:
’শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর বড়ু চন্ডীদাস ’শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ রচনা করেন বড়ু চন্ডীদাস। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস নামক জনৈক মধ্যযুগীয় কবি রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রণয়কথা বিষয়ক একটি আখ্যানকাব্য। ১৯১৬ সালে তারই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ নামে পুথিটি প্রকাশিত হয়; যদিও কারও কারও মতে মূল গ্রন্থটির নাম ছিল ‘শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ’। বৌদ্ধ - সহজীয়া গ্রন্থ চর্যাপদের পর এটিই আদি - মধ্য বাংলা ভাষার প্রাচীনতম আবিষ্কৃত নিদর্শন।
শ্রীকান্ত উপন্যাসটির কয় খন্ডে রচিত?
Correct Answer:
গ: ৪
Explanation:
শ্রীকান্ত উপন্যাসটির কয় খন্ডে রচিত? সঠিক উত্তর ৪ শ্রীকান্ত বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আত্মচরিত মুলক উপন্যাস। এর ৪ টি খন্ড যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭, ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাস টির প্রথম খন্ড প্রকাশের সময় শ্রীকান্ত নিজের নাম শ্রীকান্ত শর্মা ব্যবহার করেন।
’শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ শীর্ষক কাব্যগ্রন্থ কে আবিষ্কার করেন?
Correct Answer:
খ: বসন্তরঞ্জন রায়
Explanation:
’শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ শীর্ষক কাব্যগ্রন্থ কে আবিষ্কার করেন? সঠিক উত্তর বসন্তরঞ্জন রায় 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' মধ্যযুগের প্রথম কাব্য এ কাব্যের রচয়িতা বডু চণ্ডীদাস । তিনি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদিকবি। ভাগবতের ভাগবতের কৃষ্ণলীলা সম্পর্কিত কাহিনী অবলম্বনে বডু চণ্ডীদাস পঞ্চদশ শতাব্দীতে এ কাব্য রচনা করেন। 'বসন্তরঞ্জন রায় দিদ্বদ্বল্লভ' ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে এ কাব্যটি উদ্ধার করেন।
শ্রীকান্ত উপন্যাস এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
শ্রীকান্ত উপন্যাস এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শ্রেষ্ঠ উপন্যাস শ্রীকান্ত। এছাড়াও তিনি দেবদাস, পল্লী - সমাজ, চরিত্র হীন, গৃহদাহ, দেনা - পাওনা ইত্যাদি উপন্যাস রচনা করেন।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তনকাব্য' এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: বডু চন্ডীদাস
Explanation:
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তনকাব্য' এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর বডু চন্ডীদাস শ্রী বসন্তরঞ্জন রায় ১৯০৯ সালে শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্যটি পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামের এক ব্রাক্ষ্মণের বাড়ির গোয়ালঘরের চালার নিচ থেকে আবিষ্কার করেন।
শ্রীকান্ত ’ উপন্যাস এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
Explanation:
শ্রীকান্ত ’ উপন্যাস এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস 'শ্রীকান্ত'। এছাড়াও তিনি দেবদাস, পল্লীসমাজ, চরিত্রহীন, গৃহদাহ, দেনা পাওনা ইত্যাদি উপন্যাস রচনা করেন।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কোন যুগের বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন?
Correct Answer:
খ: মধ্যযুগ
Explanation:
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কোন যুগের বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন? সঠিক উত্তর মধ্যযুগ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন - মধ্যযুগের সাহিত্য নিদর্শন। এছাড়াও এ যুগের আরও কয়েকটি সাহিত্য নিদর্শন হলো - বৈষ্ণব পদাবলি, মঙ্গলকাব্য, লাইলী - মজনু, মধুমালতী, পদ্মাবতী, ইত্যাদি। চর্যাপদ হলো প্রাচীন যুগের সাহিত্য নিদর্শন।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি আবিষ্কৃত হয়_
Correct Answer:
ক: ১৯০৯
Explanation:
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি আবিষ্কৃত হয়_ সঠিক উত্তর ১৯০৯ বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি ১৯০৯ সালে আবিষ্কার করেন। বড়ু চন্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের প্রথম কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'। ১৩ খণ্ডে রচিত কাব্যের প্রধান চরিত্র - কৃষ্ণ, রাধা, বড়াই।
গঠনরীতিতে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য মূলত-
Correct Answer:
ঘ: নাট্যগীতি
Explanation:
গঠনরীতিতে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য মূলত- সঠিক উত্তর নাট্যগীতি গঠননৈপুণ্যের দিক থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের অধিকাংশ পদই কৃষ্ণ - রাধা - বড়ায়ির সংলাপ। কোনো কোনাে পদ দুজনের উক্তি - প্রত্যুক্তি এবং রাধা বা কৃষ্ণের একান্ত মনোভাব প্রকাশ করে । যেহেতু কথোপকথনে মনোভাবের ঘাত - প্রতিঘাত প্রকাশ পেয়েছে তাই এগুলোকে গানে রচিত নাটকীয় সংলাপ ও বলা যায়। রসগত দিক থেকে সমগ্র কাব্যজুড়ে ধামালি প্রধান হয়ে উঠেছে। ধামালি কথাটির অর্থ রঙ্গরস, পরিহাস বাক্য, কৌতুক। রঙ্গ তামাসার কালে কপট দম্ভ প্রকাশ করে যে সব উক্তি করা হয়, প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে তাকে ধামালি বলে। বড়ুচণ্ডীদাস তার বিবরণে লিখেছেন - 'রঙ্গে ধামালি বোলে দেব বনমালী' । শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আঙ্গিক বা গঠনগত দিক থেকে নাটগীতি ,প্রকরণে পদাবলি, শোণিত প্রেমগীতি ও রস সঞ্চালনায় ভূমিকা পালন করেছে ধামালি।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা
Correct Answer:
গ: বড়ু চণ্ডীদাস
Explanation:
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা সঠিক উত্তর বড়ু চণ্ডীদাস ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি = ইতিহাসবেত্তা। ইতিহাস লেখেন যিনি = ঐতিহাসিক। ইতিহাস সম্পর্কিত যা = ঐতিহাসিক।
শ্রীকৃষ্নকীর্তন কাব্যের সম্পাদক-
Correct Answer:
ক: বসন্তরঞ্জন
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা-
Correct Answer:
ক: বড়ু চন্ডীদাস
Explanation:
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা- সঠিক উত্তর বড়ু চন্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন – এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। কাব্যে তাঁর তিনটি ভণিতা পাওয়া যায়—'বড়ু চণ্ডীদাস', 'চণ্ডীদাস' ও 'অনন্ত বড়ু'।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: বড়ু চন্ডীদাস
Explanation:
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর বড়ু চন্ডীদাস 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' মধ্যযুগের প্রথম কাব্য এবং বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের আদি কবি। তিনি ভাগবতের কৃষ্ণলীলা সম্পর্কিত কাহিনী অবলম্বনে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য রচনা করেন। 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি, কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই। এ কাব্যের মোট ১৩ টি খণ্ড আছে।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?
Correct Answer:
খ: গোয়ালঘর থেকে
Explanation:
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল? সঠিক উত্তর গোয়ালঘর থেকে এখানে রাধা - কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি রয়েছে। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি আবিষ্কার করেন। এটি পাওয়া যায় দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘরের মাচার ওপর থেকে।
কোনটি ‘শ্রীকৃ্ষ্ণকীর্তন’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত নয়?
Correct Answer:
গ: কালিদাস খন্ড
Explanation:
কোনটি ‘শ্রীকৃ্ষ্ণকীর্তন’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত নয়? সঠিক উত্তর কালিদাস খন্ড বড়ুচন্ডীদাসের "শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম আখ্যান কাব্য। প্রথম কাহিনী-কবিতা। এই কাহিনীটি মোট ১৩ খন্ডে বিভক্ত- ১)জন্মখন্ড, ২)তাম্বুলখন্ড, ৩)দানখন্ড,৪)নৌকাখন্ড, ৫)ভারখন্ড, ৬)ছত্রখণ্ড, ৭)বৃন্দাবনখন্ড, ৮)কালীয়াদমনখন্ড, ৯) বস্ত্রহরণখন্ড, ১০)হারখন্ড, ১১)বাণখণ্ড, ১২)বংশীখন্ড ও ১৩)রাধাবিরহ
গঠনরীতিতে “শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” কাব্য মূলত---
Correct Answer:
ঘ: নাটগীতি (নাট্যগীতি)
Explanation:
গঠনরীতিতে “শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” কাব্য মূলত--- সঠিক উত্তর নাটগীতি (নাট্যগীতি) গঠননৈপুণ্যের দিক থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের অধিকাংশ পদই কৃষ্ণ - রাধা - বড়ায়ির সংলাপ। কোনো কোনাে পদ দুজনের উক্তি - প্রত্যুক্তি এবং রাধা বা কৃষ্ণের একান্ত মনোভাব প্রকাশ করে । যেহেতু কথোপকথনে মনোভাবের ঘাত - প্রতিঘাত প্রকাশ পেয়েছে তাই এগুলোকে গানে রচিত নাটকীয় সংলাপ ও বলা যায়। রসগত দিক থেকে সমগ্র কাব্যজুড়ে ধামালি প্রধান হয়ে উঠেছে। ধামালি কথাটির অর্থ রঙ্গরস, পরিহাস বাক্য, কৌতুক। রঙ্গ তামাসার কালে কপট দম্ভ প্রকাশ করে যে সব উক্তি করা হয়, প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে তাকে ধামালি বলে। বড়ুচণ্ডীদাস তার বিবরণে লিখেছেন - 'রঙ্গে ধামালি বোলে দেব বনমালী' । শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আঙ্গিক বা গঠনগত দিক থেকে নাটগীতি ,প্রকরণে পদাবলি, শোণিত প্রেমগীতি ও রস সঞ্চালনায় ভূমিকা পালন করেছে ধামালি।