Notable books and characters in Bengali MCQs
Showing 50 questions (Total: 262)
‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: এস ওয়াজেদ আলি
Explanation:
‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ গ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর এস ওয়াজেদ আলি এস. ওয়াজেদ আলি রচিত সাম্প্রদায়িকতামু্ত দেশ গঠনের জন্য হিন্দু মুসলিম ঐক্যবদ্ধ ‘ভবিষতের বাঙালি (১৯৪৩) এ গ্রন্থে তিনি বাংলাভাষীদের রাষ্ট্রগঠন সম্পর্কে ইঙ্গিত প্রদান করেন।
'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা ক?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা ক? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘মানসী' কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। 'মানসী' তাঁর কাব্য রচনা 'মানসী সোনার তরী’ পর্ব এর অন্তর্গত একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। গাজীপুরে থাকাকালীন সময়ে তিনি 'মানসী' এর বেশির ভাগ কবিতা লেখেন। সেখানকার প্রাকৃতিক অনুপম পরিবেশ কবিকে ছন্দোবদ্ধ কবিতাগুলি লিখতে সহায়তা করে। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলি হলো 'শেষ সপ্তক', 'সানাই', 'বলাকা', ‘পত্রপুট', 'চিত্রা’, ‘ছড়ার ছবি' ইত্যাদি।
কোন গ্রন্থটি হুমায়ূন আহমেদের লেখা?
Correct Answer:
গ: আগুনের পরশমণি
ভবিষ্যতের বাঙালি' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: এস ওয়াজেদ আলি
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
খ: বন্দী শিবির থেকে
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর বন্দী শিবির থেকে শামসুর রাহমান মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ সময়ে ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে ‘বন্দী শিবির থেকে' (১৯৭২) কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন। এ কাব্যের প্রতিটি কবিতায় স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে। কাব্যটি ১৯৭১ সালের শহিদদের প্রতি উৎসর্গ করা হয়। এ গ্রন্থের ৩৮টি কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা, ‘স্বাধীনতা তুমি’ ইত্যাদি। শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'নেকড়ে অরণ্য' (১৯৭৩)। ড. নীলিমা ইব্রাহিম এর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি' (১৯৪৪)।
একুশের প্রথম সংকলন গ্রন্থ 'একুশে ফেব্রুয়ারি'র সম্পাদক ছিলেন-
Correct Answer:
খ: হাসান হাফিজুর রহমান
রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?
Correct Answer:
ঘ: শেষের কবিতা
Explanation:
রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস? সঠিক উত্তর শেষের কবিতা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী । ষোড়শ শতাব্দীর সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থা তাঁর রচনায় প্রতিফলিত হয়েছে। তাঁর রচিত কাব্যসমূহ - 'রামায়ণ' (অনূদিত), ‘মলুয়া’, ‘দস্যু কেনারামের পালা ।
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ-
Correct Answer:
খ: পদ্মরাগ
Explanation:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ- সঠিক উত্তর পদ্মরাগ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত উপন্যাস ‘পদ্মরাগ’ (১৯২৪) । উপন্যাসটিতে ‘তারিণী - ভবণ’কে কেন্দ্র করে দীনতারিণী ও পদ্মরাগ চরিত্রের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজব্যবস্থা চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
"দু" হাতে দুই আদিম পাথর' কার কাব্যগ্রন্থ?
Correct Answer:
খ: আহসান হাবীব
Explanation:
"দু" হাতে দুই আদিম পাথর' কার কাব্যগ্রন্থ? সঠিক উত্তর আহসান হাবীব আহসান হাবীব রচিত কাব্যগ্রন্থ 'দু'হাতে দুই আদিম পাথর' (১৯৮০)।
"বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব" গ্রন্থের রচয়িতা-
Correct Answer:
গ: ডঃ মযহারুল ইসলাম
Explanation:
"বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব" গ্রন্থের রচয়িতা- সঠিক উত্তর ডঃ মযহারুল ইসলাম ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব' (১৯৭৪) গ্রন্থর রচয়িতা ড. মযহারুল ইসলাম। গ্রন্থটি বঙ্গবন্ধুর জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়।
‘জীবন আমার বোন’ গ্রন্থটি রচনা করেন-
Correct Answer:
ঘ: মাহমুদুল হক
কোনটি আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ?
Correct Answer:
ঘ: রাত্রিশেষ
Explanation:
কোনটি আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ? সঠিক উত্তর রাত্রিশেষ আহসান হাবীব রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাত্রিশেষ' । তাঁর রচিত আরও কয়েকটি কাব্য - ছায়াহরিণ, সারাদুপুর, আশায় বসতি, মেঘ বলে চৈত্রে যাব, দুই হাতে দুই আদিম পাথর । অরণ্য নীলিমা - তার রচিত উপন্যাস । ফররুখ আহমেদ রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ - পাখির বাসা ।
'আমার দেখা নয়াচীন' কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ঘ: শেখ মুজিবুর রহমান
Explanation:
'আমার দেখা নয়াচীন' কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর শেখ মুজিবুর রহমান 'আমার দেখা নয়াচীন ' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ। এটি বঙ্গবন্ধু রচিত তৃতীয় গ্রন্থ। শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বইটি প্রকাশ করে। আমার দেখা নয়া চীন আমার দেখা নয়া চীন বইয়ের প্রচ্ছদ লেখক শেখ মুজিবুর রহমান দেশ বাংলাদেশ ভাষা বাংলা বিষয় ইতিহাস, ভ্রমণ ধরন আত্মজীবনী প্রকাশক বাংলা একাডেমী প্রকাশনার তারিখ ২রা ফেব্রুয়ারি ২০২০ পূর্ববর্তী বই কারাগারের রোজনামচা সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে' কাব্যগ্রন্থের কবি কে?
Correct Answer:
খ: শঙ্খ ঘোষ
Explanation:
'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে' কাব্যগ্রন্থের কবি কে? সঠিক উত্তর শঙ্খ ঘোষ বাংলা কবিতার জগতে শঙ্খ ঘোষ অপরিসীম অবদান রাখেন। 'দিনগুলি রাতগুলি', 'বাবরের প্রার্থনা', 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে', 'গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ' তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা-
Correct Answer:
ঘ: আখতারুজ্জামান ইলিয়াম
Explanation:
‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা- সঠিক উত্তর আখতারুজ্জামান ইলিয়াম অন্য ঘরে অন্য স্বর বইটি প্রখ্যাত বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সর্বপ্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এটি একটি ছোটগল্পের সংকলন। এতে মোট ছয়টি গল্প স্থান পেয়েছে। গল্পগুলোর রচনাকাল ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল।
'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থের রচয়িতা-
Correct Answer:
গ: আবুল ফজল
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ ‘ হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’ কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ক: সেলিনা হোসেন
’বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: শামসুল রাহমান
শিশুতোষ গ্রন্থ ‘ ইতল বিতল’ কে লিখেছেন?
Correct Answer:
ঘ: সুফিয়া কামাল
‘বড়ু চন্ডীদারে কাব্য’ গ্রন্থের সম্পাদক-
Correct Answer:
ঘ: মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আণোয়ার পাশা
'সূচয়নী' কোন ধরনের গ্রন্থ?
Correct Answer:
খ: কবিতা সংকলন
Explanation:
'সূচয়নী' কোন ধরনের গ্রন্থ? সঠিক উত্তর কবিতা সংকলন জসীম উদ্দীনের ‘সুচয়নী’ নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।
‘আমার দেখা নয়াচীন” গ্রন্থের রচয়িতা-
Correct Answer:
ঘ: শেখ মুজিবুর রহমান
Explanation:
‘আমার দেখা নয়াচীন” গ্রন্থের রচয়িতা- সঠিক উত্তর শেখ মুজিবুর রহমান আমার দেখা নয়াচীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৫২ সালের রাজনৈতিক জীবনের প্রথমদিকে গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ। এটি শেখ মুজিবর রহমান রচিত তৃতীয় গ্রন্থ। শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বইটি প্রকাশ করে।
‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটির কবি-
Correct Answer:
খ: শামসুল রাহমান
Explanation:
‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটির কবি- সঠিক উত্তর শামসুল রাহমান শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্য গ্রন্থ প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২): এ কাব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা প্রাধান্য পেয়েছে। এ কাব্যের মাধ্যমে তিনি কবি খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন।
‘সুলতানার স্বপ্ন’ কোন ধরনের গ্রন্থ?
Correct Answer:
খ: উপন্যাস
Explanation:
‘সুলতানার স্বপ্ন’ কোন ধরনের গ্রন্থ? সঠিক উত্তর উপন্যাস রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের 'সুলতানার স্বপ্ন' - একটি উপন্যাস। সুলতানার স্বপ্ন ভারতবর্ষের অগ্রণী নারীবাদী লেখিকা রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি উপন্যাসিকা। গ্রন্থটি ১৯০৫ সালে মাদ্রাজের দ্য ইন্ডিয়ান লেডিজ ম্যাগাজিন (The Indian Ladies' Magazine) - এ সুলতানা'স ড্রিম (Sultana's Dream) শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয়। ১৯০৮ সালে উপন্যাসিকাটি পুস্তিকা আকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসিকাটি বাংলায় প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে মতিচূর ২য় খণ্ডে সুলতানার স্বপ্ন নামে।
'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: আহসান হাবীব
Explanation:
'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আহসান হাবীব আহসান হাবীব একজন খ্যাতিমান বাংলাদেশি কবি ও সাহিত্যিক। তার রচিত কাব্যগ্রন্থ: রাত্রিশেষ (১৯৪৭), ছায়াহরিণ (১৯৬২), সারা দুপুর (১৯৬৪), আশায় বসতি (১৯৭৪), মেঘ বলে চৈত্রে যাবো (১৯৭৬), দু'হাতে দুই আদিম পাথর (১৯৮০), প্রেমের কবিতা (১৯৮১), বিদীর্ণ দর্পণে মুখ (১৯৮৫)।
রবীন্দ্রনাথের ‘ মেঘদূত’ কোন কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত?
Correct Answer:
ঘ: মানসী
‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটির প্রকাশক-
Correct Answer:
ক: বাংলা একাডেমি
Explanation:
‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটির প্রকাশক- সঠিক উত্তর বাংলা একাডেমি কারাগারের রোজনামচা বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের ১৭ই মার্চ (ফাল্গুন ১৪২৩) তারিখে। এটি প্রকাশ করে বাংলা একাডেমি। এর প্রকাশক ও কর্মসূচি পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন বাংলা একাডেমির গবেষণা, সংকলন এবং অভিধান ও বিশ্বকোষ বিভাগের পরিচালক মোবারক হোসেন।
জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুণ’ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে-
Correct Answer:
ঘ: ভাষা আন্দোলনের কথা
Explanation:
জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুণ’ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে- সঠিক উত্তর ভাষা আন্দোলনের কথা আরেক ফাল্গুন গ্রন্থের রচয়িতা জহির রায়হান বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ১৯৫৫ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮) উপন্যাস রচনা করেন।
‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
‘আমার দেখা নয়াচীন’ কোন ধরনের গ্রন্থ?
Correct Answer:
ঘ: উপরের কোনটিই নয়
Explanation:
‘আমার দেখা নয়াচীন’ কোন ধরনের গ্রন্থ? সঠিক উত্তর উপরের কোনটিই নয় শেখ মুজিবুর রহমানের চীন সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা গ্রন্থের নাম ‘আমার দেখা নয়াচীন’। এ গ্রন্থে তাঁর সাম্রাজ্যবাদবিরোধী মনোভাব, অসাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার গভীর পরিচয় মেলে। একজন তরুণ রাজনীতিকের মনন - পরিচয়, গভীর দেশপ্রেম ও নিজ দেশকে গড়ে তোলার সংগ্রামী প্রত্যয় ফুটে উঠেছে রচনার পরতে পরতে। অপার সৌন্দর্যপ্রিয়তা, জীবন - সমাজ - সংস্কৃতির প্রতি মুগ্ধদৃষ্টি ও সঞ্জীবন - তৃষ্ণা এ গ্রন্থের বৈশিষ্ট্য।
‘সংসপ্তক’ গ্রন্থটি কার রচনা?
Correct Answer:
খ: শহীদুল্লাহ কায়সার
Explanation:
‘সংসপ্তক’ গ্রন্থটি কার রচনা? সঠিক উত্তর শহীদুল্লাহ কায়সার সংশপ্তক শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে রচিত এই উপন্যাসটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
মাওলানা আকরাম খাঁ রচিত ‘মোস্তফা চরিত ‘ গ্রন্থটি-
Correct Answer:
ঘ: সীরাতগ্রন্থ
Explanation:
মাওলানা আকরাম খাঁ রচিত ‘মোস্তফা চরিত ‘ গ্রন্থটি- সঠিক উত্তর সীরাতগ্রন্থ মাওলানা আকরাম খাঁর সাহিত্য কর্ম: সমস্যা ও সমাধান [এই গ্রন্থে লেখকের ইসলামে নারীর মর্যাদা, সুদ সমস্যা, চিত্র (ছবি তোলা) সমস্যা, সঙ্গীত সমস্যা এই চারটি প্রবন্ধ সংকলিত হয়] আমপারার বাংলা অনুবাদ মোস্তফা - চরিত (বর্তমানে খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত) মোস্তফা - চরিতের বৈশিষ্ট্য বাইবেলের নির্দেশ ও প্রচলিত খ্রীষ্টান ধর্ম মোছলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস (ঐতিহ্য হতে প্রকাশিত) তাফসীরুল কোরআন(১ - ৫ খণ্ড) (খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত) মুক্তি ও ইসলাম
`কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটির ‘ বন্দুক দফা’ বলতে কোন ধরনের কায়েদিদের বোঝানো হয়েছে?
Correct Answer:
ঘ: মেথর
Explanation:
`কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটির ‘ বন্দুক দফা’ বলতে কোন ধরনের কায়েদিদের বোঝানো হয়েছে? সঠিক উত্তর মেথর পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাত মাসের মাথায় ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্বদানের অভিযোগে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেপ্তার হন। বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বাঙালির ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য বহু বছর পাকিস্তানের কারাগারে কাটাতে হয়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ, প্রথম সেনাবাহিনী তাঁকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায়। সামরিক আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয়ের পর ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার বৈশ্বিক চাপের মুখে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেয়। ছয় দফা আন্দোলনে ও আগরতলা মামলায় গ্রেপ্তারের পর ১৯৬৬ সালের ২ জুন থেকে ১৯৬৭ সালের ২২ জুন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কুর্মিটোলা সেনানিবাসে অফিসার মেসে বঙ্গবন্ধুর অন্তরীণ থাকাকালীন দিনলিপির বিবরণ নিয়েই ‘কারাগারের রোজনামচা’ লেখা হয়েছে। এটি বঙ্গবন্ধুর লেখা দ্বিতীয় রচনা। বাংলা একাডেমি কর্তৃক এটি প্রকাশিত হয়েছে গত মার্চে। শুরুতে নাতিদীর্ঘ ভূমিকা লিখেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। পাঠকের জন্য তথ্যসমৃদ্ধ ভূমিকাটি বেশ সহায়ক হয়েছে। সঙ্গত কারণে রোজনামচা জেলজীবনের খুঁটিনাটি নানা বিষয় আলোচিত হয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না, এই গ্রন্থে সমকালীন পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থা বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক জীবনের অনেক ঘটনা বস্তুনিষ্ঠ, প্রাঞ্জল ও নৈর্ব্যক্তিকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। ‘থালা - বাটি কম্বল, জেলখানার সম্বল’রোজনামচায় যাওয়ার পূর্বে ‘থালা - বাটি কম্বল, জেলখানার সম্বল’ শীর্ষক অংশে বঙ্গবন্ধু অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ভাষায় জেলখানার নানা নিয়মকানুন আলোচনা করেছেন। সাধারণত জেলখানার অভ্যন্তরের বিষয় সাধারণ পাঠকের জানার সুযোগ থাকে না। “জেলে যারা যায় নাই, জেল যারা খাটে নাই তারা জানে না জেল কী জিনিস। বাইরে থেকে মানুষের যে ধারণা জেল সম্বন্ধে ভিতরে তার একদম উল্টা।… জেলের ভিতর অনেক ছোট ছোট জেল আছে।” বঙ্গবন্ধু এভাবেই শুরু করেছেন জেলের ভেতরে কয়েদিদের নানা দায় - দায়িত্বের বিবরণ। যেমন, রাইটার দফা, চৌকি দফা, জলভরি দফা, ঝাড়ু দফা, বন্দুক দফা, পাগল দফা, দরজি খাতা, মুচি খাতা ইত্যাদি। এই অধ্যায়ে বঙ্গবন্ধু ইংরেজ ও পাকিস্তান আমলে রাজবন্দিদের সুযোগ - সুবিধার তুলনামূলক আলোচনা করেছেন। তাঁর মতে, ইংরেজ আমলে খাবার ও থাকার ব্যবস্থা ভালো ছিল। জেলখানার হাসপাতালের চিকিৎসার মান নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা আছে। ভালো, মন্দ দুই ধরনের দৃষ্টান্তের উল্লেখ করেছেন। বন্দিরা সপ্তাহে একটি চিঠি আর ১৫ দিনে একবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারত। কিন্তু সেখানেও বাধা - নিষেধ ছিল। গোয়েন্দা দপ্তরের কর্মচারীদের পড়ার পর চিঠি হাতে পাওয়া যেত, সাক্ষাতের সময় গোয়েন্দা ও জেলের কর্মচারীরা উপস্থিত থাকত। বঙ্গবন্ধু দুঃখ করে লিখেছেন: “নিষ্ঠুর কর্মচারীরা বোঝে না যে স্ত্রীর সাথে দেখা হলে আর কিছু না হউক একটা চুমু দিতে অনেকেরই ইচ্ছ হয়, কিন্তু উপায় কী? আমরা তো পশ্চিমা সভ্যতায় মানুষ হই নাই। তারা তো চুমুটাকে দোষণীয় মনে করে না। স্ত্রী সাথে স্বামীর অনেক কথা থাকে কিন্তু বলার উপায় নাই।” এই অধ্যায়ে আরও কিছু বিষয়ের অবতারণা করেছেন। জেল - জীবনের শুরু থেকেই সিপাহি, কয়েদিদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর বেশ আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে ছিল। যে কারণে সবাই তাঁর সঙ্গে সৌজন্যপূর্ণ আচরণ করেছে। তিনিও জেলের আইন মেনে চলতেন, তবে সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে জেল কর্তৃপক্ষের অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ করতেন। সাধারণ মানুষকে বঙ্গবন্ধু সব সময় দেখেছেন মমতা ও সহানুভূতির চোখে, লুদু ওরফে লুৎফর রহমানের প্রতি তিনি যে স্নেহ দেখিয়েছেন, তা এককথায় নজিরবিহীন। তথাকথিত ভদ্রলোকেরা লুদুদের সঙ্গে কথাও বলবেন না। কারণ লুদু একজন পেশাদার চোর। লুদুর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু যে সদয় আচরণ করেছেন তাতে মনে হয়েছে ‘অপরাধকে ঘৃণা কর, অপরাধীকে নয়’– তিনি আক্ষরিক অর্থে তা বিশ্বাস করতেন। কেন একজন সাধারণ চোরের সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। এ বিষয়ে তিনি লিখেছেন: “আমি লিখছি এর জীবনের ঘটনা থেকে পাওয়া যাবে আমাদের সমাজব্যবস্থার চিত্র, মনুষ্যচরিত্র সম্বন্ধে, যারা গভীরভাবে দেখতে চেষ্টা করবেন। তারা বুঝতে পারবেন আমাদের সমাজের দুরবস্থা এবং অব্যবস্থায় পড়েই মানুষ চোর ডাকাত পকেটমার হয়। আল্লাহ কোনো মানুষকে চোর ডাকাত করে সৃষ্টি করে না।” বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের ইতিহাসে ছয় দফা আন্দোলন একটি অসামান্য দিক পরিবর্তকারী ঘটনা। ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলীয় কনভেনশনে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। উল্লেখ্য, ২৬ বছর পূর্বে আরেক বাঙালি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। লাহোর প্রস্তাব যেমন গৃহীত হয়েছে, ছয় দফা তেমনি প্রত্যাখাত হয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন ছয় দফা হল বাঙালির বাঁচার দাবি। তাই ছয় দফার পক্ষে জনমত গঠনে জানপ্রাণ দিয়ে নেমে পড়লেন।
বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়ের নিকট জনপ্রিয়তা অর্জনকারী কোন পত্রিকার কথা ‘ অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে?
Correct Answer:
খ: মিল্লাত
‘ছোট বকুলপুরের যাত্রী’ গ্রন্থটির রচয়িতা-
Correct Answer:
গ: মানিক বন্দোপাধ্যায়
Explanation:
‘ছোট বকুলপুরের যাত্রী’ গ্রন্থটির রচয়িতা- সঠিক উত্তর মানিক বন্দোপাধ্যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯ মে, ১৯০৮ - ৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৬) ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তার প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবী জুড়ে মানবিক মূল্যবোধের চরম সংকটময় মুহূর্তে বাংলা কথা - সাহিত্যে যে কয়েকজন লেখকের হাতে সাহিত্যজগতে নতুন এক বৈপ্লবিক ধারা সূচিত হয় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তার রচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল মধ্যবিত্ত সমাজের কৃত্রিমতা, শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম, নিয়তিবাদ ইত্যাদি। ফ্রয়েডীয় মনঃসমীক্ষণ ও মার্কসীয় শ্রেণীসংগ্রাম তত্ত্ব দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন যা তার রচনায় ফুটে উঠেছে। জীবনের অতি ক্ষুদ্র পরিসরে তিনি রচনা করেন চল্লিশটি উপন্যাস ও তিনশত ছোটোগল্প। তার রচিত পুতুলনাচের ইতিকথা, দিবারাত্রির কাব্য, পদ্মা নদীর মাঝি ইত্যাদি উপন্যাস ও অতসীমামী, প্রাগৈতিহাসিক, ছোটবকুলপুরের যাত্রী ইত্যাদি গল্পসংকলন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ বলে বিবেচিত হয়। ইংরেজি ছাড়াও তার রচনাসমূহ বহু বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর, মাত্র আটচল্লিশ বছর বয়সে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী এই কথাসাহিত্যিকের জীবনাবসান ঘটে।
‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: সুফিয়া কামাল
Explanation:
‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সুফিয়া কামাল একাত্তরের ডায়েরী সুফিয়া কামাল এর লেখা ‘একাত্তরের ডায়েরী’ ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদের মাতামহের বাড়িতে সুফিয়া কামালের জন্ম। মা সাবেরা বানু এবং বাবা সৈয়দ আব্দুল বারি। পারিবারিক পরিমণ্ডলে সাহিত্য - পত্রিকা ও গল্প পড়তে - পড়তেই সাহিত্যচর্চার অনুপ্রাণিত হন।মাত্র ১৪ বছর বয়সে বরিশাল থেকে ‘তরুণ’ পত্রিকায় ‘সৈনিক বধূ’ গল্পটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা। লেখালেখির কাজ সুফিয়াকে লুকিয়ে করতে হয়েছে - বিশেষ করে বাংলা ভাষার চর্চা ছিলো না। সীমাবদ্ধ ছিল আরবি, ফারসি, উর্দুতে। মায়ের ঐকান্তিক সহযোগিতায় সুফিয়া বাংলা বলতে, পড়তে ও লিখতে শেখেন। লুকিয়ে লুকিয়ে কবিতা রচনা করতে - করতেই সওগাতে প্রকাশিত হল তার প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ যা সাথে - সাথেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। প্রথম গ্রন্থ রচয়িতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যসমগ্র প্রকাশের মাঝে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁকে দীর্ঘ চিঠি লিখে কাব্যচর্চায় উৎসাহিত করেন। প্রকৃতপক্ষে ‘সাঁঝের মায়া’ গ্রন্থের ভূমিকাটি তাঁরই লেখা।বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিতা পড়ে তাঁকে আর্শীবাণী পাঠিয়েছিলেন এই বলে, ‘তোমার কবিত্ব আমাকে বিস্মিত করে। বাংলা সাহিত্যে তোমার স্থান উচ্চে এবং ধ্রুত তোমার প্রতিষ্ঠা আমার আশির্বাদ গ্রহণ করো।’ (সেলিম জাহাঙ্গীর, সুফিয়া কামাল, নারী উদ্যোগ কেন্দ্র, ঢাকা ১৯৯৩ পৃ - ৬৪) সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন তাঁর সাহিত্য - জীবনে উৎসাহের বিরাট উৎস হিসেবে কাজ করেছেন।দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকাএকাত্তরের ডায়েরী প্রথম সংস্করণ খুব দ্রুত শেষ হয়ে গেলে আবারও তা প্রকাশের জন্য প্রচুর তাগাদা আসে। শেষ পর্যন্ত জাগৃতি প্রকাশনীই স্বেচ্ছায় প্রকাশের দায়িত্ব নিল দ্বিতীয় সংস্করণের। আমার একমাত্র প্রত্যাশা আজকের প্রজন্ম জানুক সেদিনগুলো কেমন সংগ্রামমুখর ছিল। সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদসুফিয়া কামাল৩১.১.৯৫ভূমিকাকবি সুফিয়া কামাল ছিলেন মনন ও সৃজনশীলতায় অগ্রগামী নারী। যে সময়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, নিজের সহজাত জ্ঞান ও মেধা দিয়ে সেই সময়কে অতিক্রম করেছিলেন এগিয়ে থাকা মানুষের শাণিত বোধে। যে বয়সে মানুষের বিবেচনা ও অভিজ্ঞতার সঞ্চয় হয় সে বয়সে তাঁর সময়কে তিনি উৎসর্গ করেছিলেন মানব কল্যাণের প্রয়োজনে। তাঁর রচিত ‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থ এই বিবেচনার সবটুকু প্রেরণা থেকে রচিত। ডায়েরির শুরু হয়ে ডিসেম্বর ৩০, ১৯৭০ তারিখে। শেষ হয়েছে ডিসেম্বর ৩১, শুক্রবার। পুরো এক বছর সময়। তবে প্রতিদিনের প্রতিদিনের দিনলিপি নয়।মাঝে মাঝে কিন্তু কিছু তারিখ বাদ দিয়ে লিখেছেন।১০৭০ সালের ১২ নভেম্বর ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়েছিল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল। দুর্যোগে বিপর্যন্ত মানুষের হাতে রিলিফ সামগ্রী তুলে দিতে তিনি গিয়েছিলেন। পটুয়াখালির ধানখালি চর এলাকায়। রিলিফ দিয়ে ঢাকার ফিরলেন ৮ জানুয়ারি।সত্তরের জলোচ্ছ্বোসের পরে ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাকিস্তানের সাধারন নির্বাচন। এই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করেছিল আওয়ামী লীগ।পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান বাঙালি নেতার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি শুরু করলেন। শেষ পর্যন্ত ১ মার্চ ১৯৭১ সালে গণপরিষদের অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। ১মার্চ, সোববার রাত দশটায় কবি লিখছেন, ‘বিক্ষুদ্ধ বাংলা।’ ভুট্ট্যো সাহেব পরিষদে যোগ দিবেন না সিন্ধান্তে পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি রইল। ১২টায় এ খবর প্রচারিত হওয়ায়, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেল। এভাবে বিভিন্ন তারিখে তিনি দেশের পরিস্থিতির কথা নানাভাবে বর্ণনা করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসের দলিল হিসেবে এই ডায়েরির তথ গবেষণার উপাদান হিসেবে কাজ করবে।ডায়েরির একটি বিশেষ দিক এই যে কোনো কোনো তারিখে তিনি শুধু একটি কবিতা লিখেছেন। একজন কবি এভাবেই নিজের প্রকাশ ঘটান। এপ্রিল ১, বৃহস্পতিবার। রাত আটটায় তিনি লেখাটি শেষ করেছেন এভাবে : ‘কারফিউ চলছে। প্লেনের আসা - যাওয়ার বিরাম নেই। কাল থেকে নাকি ব্যাঙ্ক সব খোলা হবে। আট আনায় তিনটি পান কিনলাম। বাংলার ইতিহাস কে রচনা করবে?’ শেষের বাক্যটি অন্য বাক্যগুলোর চেয়ে ভিন্ন। কিন্তু কোনোবাবেই এটি কোনো আকস্মিক বাক্য নয়।কারণ ২৫ শের রাতে গণহত্যার পরে শুরু হয়ে গেছে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হবে বাঙালির নতুন ইতিহাস। তিনি আহবান করছেন ইতিহাস রচয়িতাকে।এখানেই চিহ্নিত হয় তাঁর আগ্রগামী চিন্তার স্বরূপ। ডিসেম্বর ১৬, বৃহস্পতিবার লিখছেন, ‘আজ ১২ টায় বাংলাদেশ যুদ্ধ বিরতির পর মুক্তিফৌজ ঢাকার পথে পথে এসে আবার সোচ্চার হল ‘জয় বাংলা’ উচ্চারণে। আল্লাহর কাছে শোকর।’ডিসেম্বর ২৯ তারিখে একটি কবিতা লিখেছেন। কবিতাটি শুরু হয়েছে নিজের মেয়ের কথা দিয়ে লিখেছেন : ‘আমার ‘দুলু’র মুখ দেখি আজ বাংলার ঘরে ঘরে শ্বেত বাস আর শূন্য দু’হাত নয়নে অশ্রু ঝরে’..... শেষ হয়েছে এদুটি লাইন দিয়ে: ‘সুন্দর কর মহামহীয়ান কর এ বাংলাদেশ এই মুছিলাম অশ্রুর ধারা দুঃখের কেউ শেষ।’ কবিতাটি বেশ বড় কষ্ট থেকে আশায় ফিরে এসেছেন তিনি। ডায়েরী শেষ হয়েছে ডিসেম্বর ৩১, শুক্রবার। শেষ বাক্যটি লিখেছেন, ‘১৯৭১ আজ শেষ হয়ে গেল। জানিনা, আগামী কালের দিন কিভাবে শুরু হবে।’ তিনি বিশাল প্রত্যাশায় তাকান নি আগামী দিনের দিকে। বরং খানিকটুকু দ্বিধা প্রকাশ করেছেন। স্বাধীনতার ঊনচল্লিশ বছরে তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশে অনেক অপূর্ণতা এখনো রয়ে গেছে। একাত্তরের ডায়েরী Title একাত্তরের ডায়েরী Author সুফিয়া কামাল Publisher হাওলাদার প্রকাশনী ISBN 9789848964033 Edition 8th Edition, 2018 Number of Pages 208 Country বাংলাদেশ Language বাংলা
‘অভীক’ রবীন্দ্রনাথের কোন গল্পের নায়ক?
Correct Answer:
গ: রবিবার
Explanation:
‘অভীক’ রবীন্দ্রনাথের কোন গল্পের নায়ক? সঠিক উত্তর রবিবার ছোট গল্প রবিবারের মূল চরিত্র অভীক ও বিভা । এর মূল উপজীব্য ধর্মদর্শন।নষ্টনীড় - চারু, অমল ও ভূপতিনামঞ্জুর - অমিয়া, অনিলল্যাবরেটরি - নন্দকিশোর, সোহিনী
কোনটি কাব্যগ্রন্থ ?
Correct Answer:
খ: শেষ লেখা
Explanation:
কোনটি কাব্যগ্রন্থ ? সঠিক উত্তর শেষ লেখা শেষ লেখা হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্ত্তৃক রচিত একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৪১ খ্রীস্টাব্দে তাঁর মৃৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। এটি রবীন্দ্রনাথের কাব্য রচনার "অন্ত্যপর্ব"-এর অন্তর্গত সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। এতে সর্বমোট পনেরোটি কবিতা রয়েছে।
’বীরাঙ্গনা’ কাব্য গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা-
Correct Answer:
গ: পত্রকাব্য
Explanation:
’বীরাঙ্গনা’ কাব্য গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা- সঠিক উত্তর পত্রকাব্য বীরাঙ্গনা কাব্য' (১৮৬২) পত্রকাব্য। পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম । রোমান কবি ওভিদের 'হেরোইদাইদস' কাব্যের অনুকরণে এই গ্রন্থ রচিত। এ কাব্যে মোট ১১ টি পত্র আছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থের নাম-
Correct Answer:
খ: অসমাপ্ত আত্মজীবনী
’নবীন মাধব’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
Correct Answer:
খ: নীলদর্পণ
‘বীরবলের হালখাতা’ গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ঘ: প্রবন্ধ
’সোজন বাদিয়ার ঘাট’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: জসীমউদ্দীন
রক্তাক্ত প্রান্তর কোন ধরনের গ্রন্থ?
Correct Answer:
খ: ঐতিহাসিক নাটক
Explanation:
রক্তাক্ত প্রান্তর কোন ধরনের গ্রন্থ? সঠিক উত্তর ঐতিহাসিক নাটক রক্তাক্ত প্রান্তর ইতিহাস আশ্রিত নাটক
'নিমচাঁদ' চরিত্রের সাক্ষাৎ পাওয়া যায় কোন গ্রন্থে?
Correct Answer:
ক: সধবার একাদশী
Explanation:
'নিমচাঁদ' চরিত্রের সাক্ষাৎ পাওয়া যায় কোন গ্রন্থে? সঠিক উত্তর সধবার একাদশী সধবার একাদশী বাংলা গদ্য সাহিত্যের একটি আদি ও উতকৃষ্ট নিদর্শন। এটি একটি নাটক যা কি-না প্রহসন হিসেবে পরিগণিত। এর লেখক উনিশ শতকের বিশিষ্ট নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র।নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র ডাক বিভাগের কর্মকর্তা ছিলেন। কর্মসূত্রে যখন তিনি ভারতের নদীয়া ও উড়িষ্যা এবং বাংলাদেশের ঢাকা এই ৩টি জেলার পোস্টাল বিভাগের ইন্সপেক্টিং পোস্ট মাস্টার হিসেবে নিযুক্ত তখন তিনি এ প্রহসনটি রচনা করেন। নাটকটি সর্বপ্রথম ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়। এটি প্রথম মঞ্চস্থ হয় কলকাতার বাগবাজার অ্যামেচার থিয়েটার দলের উদ্যোগে, ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে। দুজন নারী চরিত্র হল কুমুদিনী ও সৌদামিনীএ নাটকের মাধ্যমে তৎকালীন বঙ্গীয় সমাজের উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তি বর্গের চাল-চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মদ্যপানের কুফল ফুটিয়ে তোলা এ নাটকের অন্যতম উদ্দেশ্য। মদ্যপানের সঙ্গে সঙ্গে ততকালীন সমাজের বেশ্যাসক্তির বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মদপান এবং বেশ্যার কারণে সে সমসাময়িক সমাজে যে উচ্ছৃঙ্খলতা এবং নৈতিক অধঃপতন দেখা গিয়েছিল তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানো হয়েছে। উঠতি ধনী ব্যক্তিরা অর্থ ও বিত্তের জোড়ে বিজাতীয় সংস্কৃতিকে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে যে অনাসৃষ্টি করে তারই একটি বিশ্বস্ত রূপ এই সধবার একাদশী ।
'সাত সাগরের মাঝি' কার লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ?
Correct Answer:
ক: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
'সাত সাগরের মাঝি' কার লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম 'সাত সাগরের মাঝি' কবি ফররুখ আহমদের লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ। সাত সাগরের মাঝি কবি ফররুখ আহমদের একটি কাব্যগ্রন্থ। এতে স্থান পাওয়া একটি কবিতার নামও সাত সাগরের মাঝি। ১৯৪৪ সালের ডিসেম্বর মাসে বইটি প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের ১৯টি কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে পাঞ্জেরী, সিন্দবাদ, আকাশ - নাবিক, ডাহুক, এই সব রাত্রি ইত্যাদি। বইটি উৎসর্গ করা হয় কবি আল্লামা ইকবালের প্রতি। বইটিতে পুনর্জাগরণের বাণী উচ্চারিত হয়েছে।
”যুগস্রষ্টা নজরুল” গ্রন্থটি কার লেখা?
Correct Answer:
ঘ: খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন
Explanation:
”যুগস্রষ্টা নজরুল” গ্রন্থটি কার লেখা? সঠিক উত্তর খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন 'যুগস্রষ্টা নজরুল' গ্রন্থটি খান মুহাম্মদ মঈনউদ্দীনের লেখা। খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন এর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ 'যুগস্রষ্টা নজরুল'।
”এত কাল নদীকূলে; যাহা লয়েছিনু ভুলে; সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে; এখন আমারে লহ করুণা করে”- উদ্ধৃত চরণ কয়টি বরীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?
Correct Answer:
খ: সোনার তরী
Explanation:
”এত কাল নদীকূলে; যাহা লয়েছিনু ভুলে; সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে; এখন আমারে লহ করুণা করে”- উদ্ধৃত চরণ কয়টি বরীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে? সঠিক উত্তর সোনার তরী উদ্ধৃত চরণটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের 'সোনার তরী' কবিতায় কবি বর্ষা ঋতুর কথা উল্লেখ করেছেন।
”নকশী কাঁথার মাঠ” কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
Correct Answer:
ঘ: কবি জসীমউদ্দীন
Explanation:
”নকশী কাঁথার মাঠ” কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা? সঠিক উত্তর কবি জসীমউদ্দীন 'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থটি কবি জসীমউদ্দিনের লেখা। পল্লীকবি জসীমউদ্দিন - (১৯০৩ - ১৯৭৬) এর গাঁথাকাব্য 'নকশীকাঁথার মাঠ' (১৯২৯)। এ কাব্যে রূপাই ও সাজুর পরিচয়, অনুরাগ, বিবাহ, কয়েক মাসের সুখময় জীবন ও বিচ্ছেদ কাহিনি রয়েছে।