the book MCQs
Showing 50 questions (Total: 412)
হেমিংওয়ের 'দি ওল্ডম্যান এন্ড দি সি'- গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ করেছেন-
Correct Answer:
গ: ফতেহ লোহানী
Explanation:
হেমিংওয়ের 'দি ওল্ডম্যান এন্ড দি সি'- গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ করেছেন- সঠিক উত্তর ফতেহ লোহানী হেমিংওয়ের 'দি ওল্ডম্যান এন্ড দি সি' - গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ করেছেন - ফতেহ লোহানী দ্যা ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সি দ্যা ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সি প্রখ্যাত মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে কর্তৃক ১৯৫১ সালে কিউবায় অবস্থাকালীন সময়ে লিখিত এবং ১৯৫২ সালে প্রকাশিত উপন্যাস। এটি লেখকের জীবন কালে প্রকাশিত সর্বশেষ ফিকশানধর্মী রচনা। এটা তার সেরা লেখাগুলোর একটি। উপন্যাসের প্রধান কাহিনী বর্ণিত হয়েছে উপসাগরীয় স্রোতে বিশাল এক মারলিন মাছের সাথে সান্তিয়াগোর এক বৃদ্ধ জেলের সংগ্রামের কাহিনী। ১৯৫৩ সালে দ্যা ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সি সাহিত্যে পুলিৎজার পুরস্কার এবং ১৯৫৪ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।সমুদ্র এমন এক বই যাকে পাঠ করলেও ফুরায় না। যে কারণে যুগের পর যুগ সমুদ্রের প্রতি মানুষের আগ্রহ ফুরায়নি। ‘দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি’ ~ The Old Man And The Sea আর্নেস্ট হেমিংওয়ের বিখ্যাত একটি উপন্যাস। তিনি উপন্যাসটি লিখেছিলেন জীবনের শেষের দিকে। প্রথমে নাকি উপন্যাসটি ছাপা হয়েছিল প্রায় পঞ্চাশ হাজারের মতো কপি। পৃথিবীর অধিকাংশ ভাষাতেই অনূদিত হয়েছে উপন্যাসটি। আর সে কারণেই উপন্যাসের বিভিন্ন বর্ণনা আর ঘটনা নিয়ে পাঠকদের মধ্যে আলোচনার অন্ত নেই। অনেকে বলেছেন বুড়ো সান্তিয়াগো এই গল্পের নায়ক। অনেকে বলেছেন সমুদ্রই এই গল্পের নায়ক। এই সমুদ্র সম্ভবত সকল প্রাণীর শিক্ষক। বুড়ো সান্তিয়াগো তার ছাত্র।সে সমুদ্রকে বলে দয়ালু। যেমন স্পেনের লোকেরা ভালোবেসে বলে। যারা সমুদ্রকে ভালবাসে তারাই আবার গালমন্দ করে। ছোকরা - জেলে, যারা মোটর - বোট আর বয়া নিয়ে হাঙর ধরে, বাজারে হাঙর মাছের তেল বেচে দু’পয়সা কামায় - তাদের ধারণা সমুদ্রটা পুরুষ। ওরা সমুদ্রকে বলে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়তো শত্রু। কিন্তু বুড়ো মানুষেরা সমুদ্রকে নারীর সঙ্গেই তুলনা দেয়। সমুদ্র থেকে পায় সোহাগ আর সাহায্য। সমুদ্র আসলে কি। কি তার চরিত্র। সে নারী নাকি পুরুষ তা নিয়ে অনেকেই অনেকভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।পাবলো নেরুদা তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন সমুদ্র তার কাছে ভরযৌবনা নারীর মতো। কারণ সমুদ্রে নেমে তিনি প্রথম যৌনতা অনুভব করেছিলেন। ঢেউ ধীরে ধীরে তার যৌনাঙ্গ নিয়ে নাড়াচাড়া করে তাকে উত্তেজিত করেছিল। এক বাঙালি কবি যিনি লিখেছিলেন, ‘সমুদ্র হচ্ছে পুরুষ। কারণ সমুদ্রের ঢেউ তাকে চিৎ করে ফেলে দিয়েছিল। আর তারপর সারাদেহে ছড়িয়ে দিয়েছিল ফেনা আর বালি।এমনভাবে, সমুদ্র নিয়ে উপন্যাসের বুড়ো সান্তিয়াগোর একরকম মানসিকতা তৈরি হয়। আমাদের সেই বুড়ো মানুষটি যে কিনা নিজে জেলে হয়ে ওঠার আগে একটা কচ্ছপ ধরার বোটে কাজ করতো। তার নিজের কাছে মনে হতো ওর হৃৎপিন্ড আর পাগুলো যেন কচ্ছপের। সে কচ্ছপের সাদা সাদা ডিম খেয়েছে। গায়ে জোর হবে সে আশায়। সে রোজ এক গেলাস হাঙরের তেলও খেত। বুকে ঠাণ্ডা ও সর্দি বসার হাত থেকে এই তেল বাঁচায়, চোখ ভাল করে বলে।’ এভাবেই সমুদ্রের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছিলো বুড়ো সান্তিয়াগো ।এই উপন্যাসের সিংহভাগ জুড়ে সমুদ্র। উপন্যাসে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া বুড়ো সান্তিয়াগোর যে সংগ্রাম কাহিনীর সাথে সাথে সমুদ্রের সূক্ষ্ম বর্ণনা পাঠককে আকৃষ্ট করে দারুণভাবে। সমুদ্রের পানি কেটে বেরিয়ে যাওয়া উডুক্কু মাছ। তলা থেকে বেরিয়ে আসা নানা জাতের হাঙর। হাঙরের বিভিন্ন শারীরিক কসরত। পড়তে গেলে বিভিন্ন ঘটনা এতই বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে যে, লেখক হেমিংওয়ে নিজেই বইটি সম্পর্কে বলেছেন, আনকোরা পাঠকের জন্য এটি অন্যরকম ব্যাপার।উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কে, সে সম্পর্কে বলতে গেলে বলতে হবে, যেহেতু পাঠক নিজেও মানুষ, সুতরাং স্বভাবগতভাবেই গল্পের ‘মানুষ’ চরিত্রকেই পাদপ্রদীপের আলোয় নিয়ে এসে নাড়াচাড়া করবে এবং তাকেই প্রধান চরিত্র হিসেবে গন্য করবে। কিন্তু যদি দেখাটা হয় অন্যভাবে? সমুদ্র ও মাছের দিক থেকে দেখতে গেলে আমাদের বুড়ো সান্তিয়াগোকে পাওয়া যায় একটা খলনায়ক। উপন্যাসে দেখা যায়, সান্তিয়াগো সমুদ্রের এক বিরাট মাছকে হত্যা করে। দিনের পর দিন তাকে বড়শি বিধিয়ে রাখে। এক ভয়াবহ যন্ত্রণা পেয়েছে মাছটি।প্রথমে মাছটি যখন সহজে ধরা দেয়নি, তখন বুড়ো হুংকার ছেড়ে বলেছে ‘যত বড়ই হোক, ওটাকে আমি মারবই। ওর বিরাটত্ব আর বড়াই আমি শেষ করবই।... ওকে আমি দেখাবো মানুষ কি করতে পারে আর মানুষের লেগে থাকার শক্তি কত ভয়ংকর।’উপন্যাসে লেখক দেখিয়েছেন, যে মানুষ সম্প্রদায় মনে করে তারা বাদে দুনিয়ার বাকীসব জীবজন্তু উদ্ভিদ সবই মানুষের ভোগ্য। এবং মানুষই হচ্ছে প্রাণিজগতের রাজা, এই বুড়ো তাদেরই প্রতিনিধি।মাছটি নৌকায় বেধে আনার সময় সমুদ্রের হাঙরগুলো ওঠে আসতে থাকে। আর একটি হাঙর মৃত মাছটির গায়ে কামড় দিয়ে অনেকখানি খুবলে নেয়। এরপর বুড়ো আর মাছটির দিকে তাকায় না। ভাবতেই পারে না মাছটির অঙ্গহানি হয়েছে। তবে মাছটিকে কেউ খাচ্ছে তার জন্য যে খারাপ লাগছে তা নয়, তার খারাপ লাগছে এই জন্য যে, এতে সে দাম কম পাবে।যদি ঠিক একই ব্যাপার ঘটতো মানুষের সাথে? মানুষ যদি কোনো মানুষকে হত্যা করে এইভাবে তার বাহনের সাথে বেধে নিয়ে যেত তাহলে দৃশ্যটি কেমন দেখাতো? মাছেদের ভেতর কোনো কবি থাকলে হয়ত তারাও এই কাহিনি লিখত এইভাবে যে, মানুষের এক প্রতিনিধি একবার আমাদের এক বিরাট মাছকে হত্যা করে তার বাহনের সাথে নিয়ে যাচ্ছিল কিন্তু সমুদ্রের অন্যান্য সৈনিকেরা সেটা হতে দেয় নি। তারা মাছটাকে আস্ত নিয়ে যেতে দেয় নি। সমুদ্রের হাতে শেষ পর্যন্ত মানুষের প্রতিনিধি বুড়ো সান্তিয়াগোর পরাজয় হয়েছিল।Quotes from The Old Man And The Sea“Every day is a new day. It is better to be lucky. But I would rather be exact. Then when luck comes you are ready.”“But man is not made for defeat," he said. "A man can be destroyed but not defeated.”নোবেল পুরস্কারদ্যা ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সির জন্য ১৯৫৪ সালে হেমিংওয়ে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি নোবেল পুরস্কারের সমুদয় অর্থ কিউবার দাতব্য সংস্থায় দান করে দেন। ১৯৮৬ সালে পদকটি হারিয়ে যায় কিন্তু কিউবার অষ্টাদশ রাষ্ট্রপতি রাউল কাস্ত্রোর তীব্র অসন্তোষের পরে পদকটি ফিরিয়ে দেয়া হয়। ফতেহ লোহানীআবু নজীর মোহাম্মদ ফতেহ আলী খান (১১ মার্চ ১৯২৩ - ১২ এপ্রিল ১৯৭৫) যিনি ফতেহ লোহানী নামেই অধিক পরিচিত একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার, অনুবাদক, লেখক ও সাংবাদিক ছিলেন। দক্ষ আবৃত্তিকার হিসেবেও প্রশংসিত ছিলেন। তিনি ৪৪ টি চলচ্চিত্রে ও অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেন। ফতেহ লোহানী জন্ম ১১ মার্চ ১৯২৩ সিরাজগঞ্জ, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি (বর্তমান বাংলাদেশ) মৃত্যু ১২ এপ্রিল ১৯৭৫ (বয়স ৫২) কাপ্তাই, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ জাতীয়তা বাংলাদেশী অন্যান্য নাম কিরণ কুমার, লেবু পেশা অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক দাম্পত্য সঙ্গী রিজিয়া লোহানী সন্তান সুমনা লোহানী পিতা - মাতা আবু লোহানী ফাতেমা লোহানী আত্মীয় ফজলে লোহানী (ভাই) হুসনা বানু খানম হেনা (বোন) পুরস্কার পাকিস্তান প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬০) নিগার পুরস্কার (১৯৬০) মজিদ আলমাক্কী পুরস্কার (১৯৬৮) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) পুরস্কার (১৯৭৫) এফডিসি - র রজত জয়ন্তী ট্রফি (১৯৮৩) সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া
'দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ' গ্রন্থের রচিয়তা------
Correct Answer:
গ: মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
Explanation:
'দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ' গ্রন্থের রচিয়তা------ সঠিক উত্তর মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং মুক্তিযুদ্ধকালে ইস্টার্ন জোনের ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিংয়ের লেখা বই - ইন্ডিয়াস ওয়ারস সিন্স ইনডিপেনডেন্টস: দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ (ভলিউম: ওয়ান)।
মুক্তিযুদ্ধের উপর লিখিত গ্রন্থ "আমার কিছু কথা" এর লেখক কে?
Correct Answer:
গ: শেখ মুজিবুর রহমান
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধের উপর লিখিত গ্রন্থ "আমার কিছু কথা" এর লেখক কে? সঠিক উত্তর শেখ মুজিবুর রহমান আমার কিছু কথা - লেখকঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বইটির ক্যাটাগরিঃ ভাষণ, বক্তৃতা ও উপদেশ সংকলন
'The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: গুনার মিরডাল
Explanation:
'The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর গুনার মিরডাল প্রখ্যাত লেখক গুনার মিরডালের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ ' The Asian Drama' । ভারতের প্রখ্যাত গ্রন্থের মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৮১ সালে প্রকাশিত গবেষণা গ্রন্থ 'পভার্টি এন্ড ফ্যামিনস: অ্যান এসে অন এনটাইটেলমেন্ট অ্যান্ড ডিপ্রাইভেশন'।
'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
গ: রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম
Explanation:
'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' গ্রন্থটির রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' ১৯৭১ এর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনীর বিশ্বস্ত অনুলিপি। রচয়িতা (রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম) নিজেই এই যুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী - ১ নং সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে তিনি তাঁর সেক্টরে দীর্ঘ ন'মাস সেই রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছেন। 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' লেখকের মূল গ্রন্থ এ টেল অব মিলিয়নস" এর অনুবাদ, এ টেল অব মিলিয়নস প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৪ সালে। পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ এবং এর বাংলায় অনুদিত 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' একই সাথে প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। মুক্তিযুদ্ধের এই মূল্যবান গ্রন্থটিতে রয়েছে সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর মহান মুক্তিযুদ্ধের উদ্ভব, বিকাশ, হতাশা, বেদনা, আনন্দ আর বিজয়ের সত্যনিষ্ঠ অবিস্মরণীয় ধারা বিবরণী। এ গ্রন্থে বর্ণিত আছে কিভাবে একটি শান্তিপ্রিয় জাতি যুগ যুগ ধরে নিষ্পেষিত, শোষিত ও বঞ্চিত হয়ে শেষ পর্যন্ত এক ও অভিন্ন রূপে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৃশংস ও বর্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর ইস্পাত - কঠিন বন্ধন থেকে ছিনিয়ে এনেছিল প্রাণপ্রিয় স্বাধীনতা। গ্রন্থাকার মুক্তিযুদ্ধের অনেক অজানা অস্পষ্ট দিকগুলো ভাস্বর করে তুলেছেন।
'সংস্কৃতি গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
Correct Answer:
ক: আহমদ শরীফ
Explanation:
'সংস্কৃতি গ্রন্থটির রচয়িতা কে ? সঠিক উত্তর আহমদ শরীফ সনেট সংকলন' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা - সুফি মোতাহের হোসেন। 'সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু' রচয়িতা - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। 'সংস্কৃতির কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা - মোতাহার তোসেন চৌধুরী। 'সংস্কৃতির চড়াই উৎরাই' গ্রন্থটির রচয়িতা - শওকত ওসমান।
'বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: শামসুর রাহমান
Explanation:
'বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান শামসুর রহমানের কাব্যগ্রন্থ:প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (১৯৬০)রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩)বিধ্বস্ত নিলীমা (১৯৬৭)নিরালোকে দিব্যরথ (১৯৬৮)নিজ বাসভূমে (১৯৭০)বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২)দুঃসময়ে মুখোমুখি (১৯৭৩)ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাটা (১৯৭৪)আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি (১৯৭৪)এক ধরনের অহংকার (১৯৭৫)আমি অনাহারী (১৯৭৬)শূন্যতায় তুমি শোকসভা (১৯৭৭)বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে (১৯৭৭)প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে (১৯৭৮)প্রেমের কবিতা (১৯৮১)ইকারুসের আকাশ (১৯৮২)মাতাল ঋত্বিক (১৯৮২)উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে (১৯৮৩)কবিতার সঙ্গে গেরস্থালি (১৯৮৩)নায়কের ছায়া (১৯৮৩)
'সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু' গ্রন্থ কে রচনা করেন?
Correct Answer:
ক: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
Explanation:
'সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু' গ্রন্থ কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর আখতারুজ্জামান ইলিয়াস সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু (প্রবন্ধ) - আখতারুজ্জামান ইলিয়াসসংস্কৃতির চড়াই উৎরাই (প্রবন্ধ) - শওকত ওসমান সংস্কৃতির রুপান্তর (প্রবন্ধ) - গোপাল হালদারসংস্কৃতির কথা (প্রবন্ধ) - মোতাহার হোসেনসংস্কৃতির সংকট (প্রবন্ধ) - বদরুদ্দিন ওমর
' শাহনামা' মৌলিক গ্রন্থটি কার?
Correct Answer:
খ: ফেরদৌসী
Explanation:
' শাহনামা' মৌলিক গ্রন্থটি কার? সঠিক উত্তর ফেরদৌসী ইরানের বিখ্যাত মহাকাব্য 'শাহনামা' গজনির অধিপতি সুলতান মাহমুদের রাজসভার কবি আবুল কাসিম মনসূর ফেরদৌসী রচনা করেন।
ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম কি?
Correct Answer:
ক: সাত সাগরের মাঝি
Explanation:
ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম কি? সঠিক উত্তর সাত সাগরের মাঝি মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ। তিনি ছিলেন ইসলামী আদর্শের উজ্জ্বল প্রতীক। 'সাতসাগরের মাঝি' (১৯৪৪) তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। তার রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ 'পাখির বাসা' (১৯৬৫) - এর জন্য তিনি ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো পুরষ্কার লাভ করেন। 'হাতেমতায়ী' তার রচিত কাহিনী কাব্য। ১৯৬৬ সালে ' হাতেমতায়ী' গ্রন্থের জন্য তিনি আদমজী পুরষ্কার লাভ করেন। আর ' নৌফেল ও হাতেম' (১৯৬১) তার কাব্যনাট্যের নাম।
কোন গ্রন্থটি মহাকাব্য?
Correct Answer:
খ: বৃত্রসংহার
Explanation:
কোন গ্রন্থটি মহাকাব্য? সঠিক উত্তর বৃত্রসংহার মহাকাব্য হলো কোনাে জাতির উত্থান - পতনের কাহিনী ওজস্বী ছন্দে বর্ণিত সাহত্যিকর্ম ।কিছু বিখ্যাত মহাকাব্য হলো রামায়ণ (বাল্মীকি), মহাভারত (কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেব) , মেঘনাদবধ কাব্য (মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ১৮৬১ ), বৃত্রসংহার - ১ম ও ২য় খণ্ড (হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ১৮৭৫ ও ১৮৭৭), মহাশ্মশান (কায়কোবাদ, ১৯০৪) , স্পেন বিজয় (সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী' ১৯১৪) , ইলিয়াড (হোমার), প্যারাডাইস লস্ট (মিল্টন) ইত্যাদি। 'বৃত্র' নামক অসুর কর্তৃক স্বর্গবিজয় ও দেবরাজ ইন্দ্র কর্তৃক স্বর্গের অধিকার পুনঃস্থাপন বৃত্তাসুরের নিধনই 'বৃত্রসংহার' মহাকাব্যের উপজীব্য।
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: আবুল মনসুর আহমদ
Explanation:
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আবুল মনসুর আহমদ আবুল মনসুর আহমেদ (৩ সেপ্টেম্বর ১৮৯৮ - ১৮ মার্চ ১৯৭৯) একজন বাংলাদেশী সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক। তিনি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, আইনজ্ঞ ও সাংবাদিক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্রূপাত্মক রচয়িতা। ১৯৪৬ - এ অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত ইত্তেহাদ - এর সম্পাদক এবং তৎকালীন কৃষক ও নবযুগ পত্রিকায়ও কাজ করেন তিনি। 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯)' তার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক রচনা।
' সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: ফররুখ আহমদ
Explanation:
' সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর ফররুখ আহমদ কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯ - ১৯৭৬) রচিত কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' (১৯২২) ,'দোলন চাঁপা, (১৯২৩) ,সিন্ধু হিন্দোল' (১৯২৭) , 'বিষের বাঁশী' (১৯২৪) , 'ভাঙ্গার গান ' (১৯২৪) , 'ছায়ানট' (১৯২৪) , 'প্রলয় শিখা ' (১৯৩০) , 'পূবের হাওয়া ' (১৯২৫) , 'সর্বহারা (১৯২৬) । ইসলামী স্বাতন্ত্র্যবাদী কবি ফররুখ আহমদের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' (১৯৪৪) ,'মুহুর্তের কবিতা' (১৯৬৩) । ছান্দসিক কবি আব্দুল কাদিরের কবিতা গ্রন্থ ' দিলরুবা' (১৯৩৩), 'উত্তর বসন্ত' (১৯৬৭) । পল্লী প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনায় নৈপুন্যের স্বাক্ষরকারী বন্দে আলী মিয়ার রচিত কাব্যগ্রন্থ 'ময়নামতির চর ' (১৯৩২), 'অনুরাগ(১৯৩২)।
'পরাগলী মহাভারত' খ্যাত গ্রন্থের অনুবাদকের নাম কী?
Correct Answer:
খ: কবীন্দ্র পরমেশ্বর
Explanation:
'পরাগলী মহাভারত' খ্যাত গ্রন্থের অনুবাদকের নাম কী? সঠিক উত্তর কবীন্দ্র পরমেশ্বর বাংলা ভাষায় মহাভারত কাব্যের প্রথম অনুবাদক 'পরাগলী মহাভারতের 'লেখক কবীন্দ্র পরমেশ্বর। গৌড়েশ্বর সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের (১৪৯৩ - ১৫১৮) সেনাপতি লস্কর পরাগল খানের উৎসাহে কবি এ কাব্য রচনা করেছিলেন বলে কাব্যটি 'পরাগলী মহাভারত' নামে খ্যাত।
' আনোয়ারা' গ্রন্থটি কার রচনা?
Correct Answer:
গ: মোহাম্মদ নজিবর রহমান
Explanation:
' আনোয়ারা' গ্রন্থটি কার রচনা? সঠিক উত্তর মোহাম্মদ নজিবর রহমান 'আনোয়ারা' (১৯১৪) উপন্যাসটি মোহাম্মদ নজিবর রহমানের সৃষ্টি। এটি তার প্রথম ও জনপ্রিয় উপন্যাস। মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বিকাশশীলতার চিত্র ফুটে উঠেছে উপন্যাসটিতে।
দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক----
Correct Answer:
গ: গ্যারি জে ব্যাস
Explanation:
দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক---- সঠিক উত্তর গ্যারি জে ব্যাস ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকান অধ্যাপক গ্যারি জে ব্যাসের রচিত বইটির মূল নাম হলো 'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম নিক্সন, কিসিঞ্জার অ্যান্ড এ ফরগটেন জেনোসাইড'। তবে ব্লাড টেলিগ্রাম ' হলো আর্চার কেন্ট ব্লাডের একটি তারবার্তা । ১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র কনসাল জেনারেল ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে তৎকালীন চলমান নৃশংসতা বন্ধে ব্যর্থ হওয়ায় কঠোর ভাষায় একটি টেলিগ্রাম করেন যা ইতিহাসে 'ব্লাড টেলিগ্রাম' নামে পরিচিতি পায়। বাংলাদেশ বিষয়ে তার রচিত একটি বই হলো 'দ্যা ক্রুয়েল বার্থ অব বাংলাদেশ।'
'Making of a Nation Bangladesh' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: নুরুল ইসলাম
Explanation:
'Making of a Nation Bangladesh' গ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর নুরুল ইসলাম ' Making of Nation Bangladesh ' গ্রন্থের রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবদি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্রফেসর নুরুল ইসলাম । ড. কামাল হোসেন হলেন ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান ও দেশের প্রখ্যাত আইনজীবী।
' The Art of War' গ্রন্থের রচয়িতা ----
Correct Answer:
গ: সুন জু
Explanation:
' The Art of War' গ্রন্থের রচয়িতা ---- সঠিক উত্তর সুন জু চীনের বিখ্যাত সমরবিদ সুন জু হলো The Art of War - এর রচয়িতা । তিনি সম্রাটের আদেশে যুদ্ধজয়ের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে তার চিন্তা - ভাবনা তুলে ধরেছেন বইটিতে। কৌটিল্য ছিলেন 'অর্থশাস্ত্র' - এর রচয়িতা । কৌটিল্যের মূল নাম চাণক্য বা বিষ্ণুগুপ্ত। চাণক্যের অর্থশাস্ত্রকে রাষ্ট্রশাসন ও কূটনীতির কৌশলের সার সংক্ষেপ বলা হয়।
' রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' গ্রন্থটির প্রণেতা -----
Correct Answer:
গ: রামরাম বসু
Explanation:
' রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' গ্রন্থটির প্রণেতা ----- সঠিক উত্তর রামরাম বসু রামরাম বসু রচিত 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' গ্রন্থে রাজা প্রতাপাদিত্য সম্পর্কে জ্ঞাত কাহিনিগুলোর বর্ণনা প্রদান করা হয়েছে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যক্ষ উইলিয়াম কেরি রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ 'কথোপকথন' । গোলকনাথ শর্মার 'হিতোপদেশ' ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্যপুস্তক হিসেবে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । হরপ্রসাদ রায়ের অনূদিত গ্রন্থ ' পুরুষপরীক্ষা'।
' The Origin and Development of Bengali Language' গ্রন্থটি রচনা করেছেন ------
Correct Answer:
খ: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
' The Origin and Development of Bengali Language' গ্রন্থটি রচনা করেছেন ------ সঠিক উত্তর ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ড. সুনীতিকৃমার চট্রোপাধ্যায় 'The Origin and Development of the Bengali Language ' গ্রন্থটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এ গ্রন্থে ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন।
কোন গ্রন্থটি সুকান্ত ভট্টাচার্য কর্তৃক রচিত?
Correct Answer:
ক: হরতাল
Explanation:
কোন গ্রন্থটি সুকান্ত ভট্টাচার্য কর্তৃক রচিত? সঠিক উত্তর হরতাল 'হরতাল' গ্রন্থটি সুকান্ত ভট্রাচার্য কর্তৃক রচিত। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ছাড়পত্র (১৩৫৪) , ঘুম নেই (১৩৫৭) ,পূর্বাভাস (১৩৫৭), অভিযান (১৩৬০) ।
জীবনানন্দ দাশের রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
গ: ধূসর পান্ডুলিপি
Explanation:
জীবনানন্দ দাশের রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর ধূসর পান্ডুলিপি ধূসর পান্ডুলিপি কবি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ) ভারতে প্রকাশিত হয়। জীবনানন্দ এই বইটি কবি বুদ্ধদেব বসুকে উৎসর্গ করেন।
' তেল নুন লকড়ি' কার রচিত গ্রন্থ?
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
' তেল নুন লকড়ি' কার রচিত গ্রন্থ? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী 'তেল নুন লকড়ি 'প্রমথ চৌধুরী রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। তার উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ হলো: বীরবলের হালখাতা, নানা কথা ও প্রবন্ধ সংগ্রহ (১ম খন্ড ২য় খণ্ড )
'মোস্তফা চরিত' গ্রন্থের রচিয়তা কে?
Correct Answer:
ঘ: মাওলানা আকরাম খাঁ
Explanation:
'মোস্তফা চরিত' গ্রন্থের রচিয়তা কে? সঠিক উত্তর মাওলানা আকরাম খাঁ মাওলানা আকরাম খাঁর সাহিত্য কর্ম:সমস্যা ও সমাধান [এই গ্রন্থে লেখকের ইসলামে নারীর মর্যাদা, সুদ সমস্যা, চিত্র (ছবি তোলা) সমস্যা, সঙ্গীত সমস্যা এই চারটি প্রবন্ধ সংকলিত হয়]আমপারার বাংলা অনুবাদমোস্তফা - চরিত (বর্তমানে খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত)মোস্তফা - চরিতের বৈশিষ্ট্যবাইবেলের নির্দেশ ও প্রচলিত খ্রীষ্টান ধর্মমোছলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস (ঐতিহ্য হতে প্রকাশিত)তাফসীরুল কোরআন(১ - ৫ খণ্ড) (খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত)মুক্তি ও ইসলাম
' মৃত্যুক্ষুধা' গ্রন্থের রচয়িতা-
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
' মৃত্যুক্ষুধা' গ্রন্থের রচয়িতা- সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুক্ষুধা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি উপন্যাস। এটি ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে (১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দ) গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি সওগাত পত্রিকায় ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ন মাস থেকে ১৩৩৬ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন মাস পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে মুদ্রিত হয়।
"বিশ্বনবী" গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: গোলাম মোস্তফা
Explanation:
"বিশ্বনবী" গ্রন্থটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর গোলাম মোস্তফা গোলাম মোস্তফার জীবনীগ্রন্থ:বিশ্বনবীমরুদুলাল
'ঠকচাচা' চরিত্রটি কোন গ্রন্থভুক্ত?
Correct Answer:
খ: আলালের ঘরের দুলাল
Explanation:
'ঠকচাচা' চরিত্রটি কোন গ্রন্থভুক্ত? সঠিক উত্তর আলালের ঘরের দুলাল ‘ঠকচাচা’ চরিত্রটি প্যারীচাদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’ - এর একটি প্রধান চরিত্র। এ উপন্যাসের অন্য প্রধান চরিত্র হল বাঞ্ছারাম ও বাবু রাম বাবু।
সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: অলীক মানুষ
Explanation:
সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর অলীক মানুষ 'অলীক মানুষ' ভারতীয় বাঙালি লেখক সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস । 'অলীক মানুষ' বলতে লেখক 'মিথিক্যাল ম্যান' বুঝিয়েছেন । উপন্যাসজুড়ে আছে দৃশ্যমান জগৎ ও অদৃশ্য জগতের দ্বন্দ্ব । বাস্তব - অলীকের সংঘাত - লৌকিক - অলৌকিকের মায়াবী আলো - আঁধারি জগৎ গতি ও বিপ্রতীপ গতির দ্বন্দ্ব দেখা যায় এই উপন্যাসে। সুদীর্ঘ প্রায় একশো বছরের দেশসমাজের নানা পরিবর্তনের ইতিহাস দেখা যায় একটি পরিবারকে কেন্দ্র করে। কখনো সলিটারি সেলে শফির আত্মকথন, কখনো বদিউজ্জামানের বয়ান। শফির ক্রমিক রুপান্তর। উপন্যাসের পর্বান্তরের মাঝে উনিশ - বিশ শতকের একটি পীর পরিবার, সামাজিক পটপরিবর্তন , মুসলমান সমাজ, ব্রাহ্মসমাজ ইত্যাদি সুন্দরভাবে চিত্রিত হয়েছে।
'মেঘ বলে চৈত্রে যাব' কাব্যগ্রন্থের কবি-
Correct Answer:
খ: আহসান হাবীব
Explanation:
'মেঘ বলে চৈত্রে যাব' কাব্যগ্রন্থের কবি- সঠিক উত্তর আহসান হাবীব আহসান হাবীবের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ রাত্রিশেষ, ছায়াহরিণ, সারাদুপুর, মেঘ বলে চৈত্রে যাবো, আশায় বসতি, দুই হাতে দুই আদিম পাথর, প্রেমের কবিতা, বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইত্যাদি।
' অলৌকিক ইস্টিমার' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: হুমায়ুন আজাদ
Explanation:
' অলৌকিক ইস্টিমার' গ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর হুমায়ুন আজাদ কবি ও প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদের (১৯৪৭ - ২০০৪) প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অলৌকিক ইস্টিমার' (১৯৭৩) । এ কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা : স্নানের জন্যে জল দাও বাতাস, আত্মহত্যার অস্ত্রাবলি, জ্যোৎস্নার অত্যাচার। তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ : জ্বলো চিতাবাঘ, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে, কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু। অন্যদিকে হেলাল হাফিজের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: যে জলে আগুন জ্বলে । আসাদ চৌধুরীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: তবক দেওয়া পান, বিত্ত নাই বেসাত নাই, জলের মধ্যে লেখাজোখা , নদী বিবস্ত্র হয় । রফিক আজাদের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: অসম্ভবের পায়ে, এক জীবনে , প্রেমের কবিতা, প্রিয় শাড়িগুলি।
শাহ মুহাম্মদ সগীর রচিত গ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: ইউসুফ জোলেখা
Explanation:
শাহ মুহাম্মদ সগীর রচিত গ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর ইউসুফ জোলেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে(১৩৯৩ - ১৪০৯ খ্রিষ্টাব্দ) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। শাহ মুহম্মদ সগীর ছাড়াও মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ - জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেন। তার মধ্যে আবদুল হাকিম, শাহ গরিবুল্লাহ, গোলাম সফাতুল্লাহ, সাদেক আলী এবং ফকির মোহাম্মদ উল্লেখযোগ্য।
রবীন্দ্রনাথ কোন সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন ?
Correct Answer:
ক: ১৮৭৮
Explanation:
রবীন্দ্রনাথ কোন সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন ? সঠিক উত্তর ১৮৭৮ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরপ্রথম কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন = ১৮৮০সালে । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম = বৌঠাকুরানির হাট । ভানুসিংহ ছদ্মনাম = রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । শেষের কবিতা = উপন্যাস । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন = ১৯১৩খ্রিঃ।
“ক্রীতদাসের হাসি” গ্রন্থটির রচিয়তা কে?
Correct Answer:
খ: শওকত ওসমান
Explanation:
“ক্রীতদাসের হাসি” গ্রন্থটির রচিয়তা কে? সঠিক উত্তর শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস হচ্ছে ‘ক্রীতদাসের হাসি’। ১৯৬২ সালে এটি প্রকাশিত হয়। তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে ‘বনি আদম’, ‘জননী’, ‘চৌরসন্ধি’, ‘সমাগম’, ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’, ‘নেকড়ে অরণ্য’ ‘জলাংগী’ প্রভৃতি প্রধান।
মীর মশাররফ হোসেনের অমর গ্রন্থের নাম কি?
Correct Answer:
ক: বিষাদ সিন্ধু
Explanation:
মীর মশাররফ হোসেনের অমর গ্রন্থের নাম কি? সঠিক উত্তর বিষাদ সিন্ধু ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস 'বিষাদ - সিন্ধু' ৩ খণ্ডে রচিত । হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেঙ্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান হোসেনের করুণ মৃত্যু উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
" A Long Walk to Freedom" গ্রন্থটির লেখক কে?
Correct Answer:
ক: নেলসন ম্যান্ডেলা
Explanation:
" A Long Walk to Freedom" গ্রন্থটির লেখক কে? সঠিক উত্তর নেলসন ম্যান্ডেলা নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। রাষ্ট্রদ্রোহ আর অন্তর্ঘাতের অভিযোগে ১৯৬৪ সালে তাকে আজীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। তাকে ‘রোবেন’ দ্বীপে অন্তরীণ করা হয়। তিনি 'Long Walk to Freedom' এবং 'Conversations Myself গ্রন্থের লেখক। বর্ণবাদবিরোধী এই মহান নেতা ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
”কবর” কোন শ্রেণীর গ্রন্থ?
Correct Answer:
গ: নাটক
Explanation:
”কবর” কোন শ্রেণীর গ্রন্থ? সঠিক উত্তর নাটক ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে নাট্যকার মুনীর চৌধুরী রচনা করেন ‘কবর’ নাটক। এতে নাট্যকার ঘৃণা ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছেন অত্যাচারী পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে। ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি কারাগারে বসে একদিনে তিনি নাটকটি রচনা করেন।
মুনীর চৌধুরীর “মীর মানস” কোন জাতীয় গ্রন্থ?
Correct Answer:
খ: প্রবন্ধ
Explanation:
মুনীর চৌধুরীর “মীর মানস” কোন জাতীয় গ্রন্থ? সঠিক উত্তর প্রবন্ধ বাংলা নাট্য - সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল মুনীর চৌধুরী রচিত ‘মীর মানস’ একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। ১৯৬৫ সালে ‘মীর মানস’ গ্রন্থের জন্য তিনি দাউদ পুরস্কার লাভ করেন।
”যুগলাঙ্গরীয়” গ্রন্থের রচিয়তা কে?
Correct Answer:
খ: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:
”যুগলাঙ্গরীয়” গ্রন্থের রচিয়তা কে? সঠিক উত্তর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক বষ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত ‘যুগলাঙ্গুরীয়’ (১৮৭৪) একটি ছোট আখ্যান। আবার অনেকেই একে ছোট উপন্যাস (নভেলা) বা বড় গল্প বললেও বষ্কিমচন্দ্র স্বয়ং একে উপকথা বলে অভিহিত করেছেন। এ গ্রন্থে কৌতুক - পরিহাসপূর্ণ উপভোগ্য কাহিনীর সংমিশ্রণ ঘটেছে।
মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম গ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
গ: রত্নবতী
Explanation:
মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম গ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর রত্নবতী মীর মশাররফ হোসেন রচিত উল্লিখিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে প্রথম প্রকাশিত হয় রত্নবতী (১৮৬৯)। এছাড়া বসন্তকুমারী (নাটক, ১৮৭৩), জমিদার দর্পণ (নাটক, ১৮৭৩) এবং বিষাদ সিন্ধু (১৮৫৫ - ১৮৯১) তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থবলী।
”তিথিডোর” গ্রন্থের রচয়িতা -
Correct Answer:
ঘ: বুদ্ধদেব বসু
Explanation:
”তিথিডোর” গ্রন্থের রচয়িতা - সঠিক উত্তর বুদ্ধদেব বসু তিথিডোর (১৯৪৯) উপন্যাসটি বুদ্ধদেব বসুর রচনা। উপন্যাসটি তিন খন্ডে বিভক্ত। বাঙালি মধ্যবিত্ত শিল্পিত স্বভাবের নর - নারীর যাপনের মনোরম ও মধুর কাহিনী এ উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে। কাহিনীর মূল উপজীব্য প্রেম ও যৌবনের বন্দনা।
”পদ্মরাগ” গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
Explanation:
”পদ্মরাগ” গ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ‘পদ্মরাগ’ (১৯২৪) উপন্যাসটি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত বেগম রোকেয়া শাখায়াত হোসেনের রচনা। তার অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে মতিচূর, অবরোধবাসিনী, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতি প্রধান। পক্ষান্তরে, ‘জননী সাহসিকা’ খ্যাত সুফিয়া কামালের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, উত্তাল পৃথিবী, অভিযাত্রিক, কেয়ার কাঁটা, ইতল বিতল প্রভৃতি অন্যতম। ফজিলাতু্ন্নেছা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম ছাত্রী, যিনি গণিতে এমএ পরিক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন সমাজসেবী।
আলাদ্দিন আল আজাদ কোন গ্রন্থের রচয়িতা?
Correct Answer:
খ: তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
Explanation:
আলাদ্দিন আল আজাদ কোন গ্রন্থের রচয়িতা? সঠিক উত্তর তেইশ নম্বর তৈলচিত্র আলাউদ্দির আল আজাদ রচিত গ্রন্থ বা উপন্যাস হচ্ছে ‘ তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ (১৯৬০)। তার অন্যান্য রচনার মধ্যে কর্ণফুলী (১৯৬২), ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪), খসড়া কাগজ (১৯৮৬), স্বাগতম ভালবাসা (১৯৯০) প্রভৃতি প্রধান। পক্ষান্তরেম ‘আর্তনাদ’ ও ‘নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি’ ভাষা আন্দোলনভিত্তিক এ উপন্যাস দুটির রচিয়তা যথাক্রমে শওকত ওসমান ও সেলিনা হোসেন। ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের রচনা।
”আমি বিজয় দেখেছি” গ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: এম.আর. আখতার মুকুল
Explanation:
”আমি বিজয় দেখেছি” গ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর এম.আর. আখতার মুকুল মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ ‘আমি বিজয় দেখেছি’ - এর রচিয়তা এম. আর. আখতার মুকুল। তার রচিত অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে একাত্তরের বর্ণমালা, মহাপুরুষ, জয় বাংলা, ওরা চার জন, বিজয়’৭১ প্রভৃতি অন্যতম। পক্ষান্তরে, মেজর রফিকুল ইসলাম রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে একাত্তরের বিজয় গাঁথা, মুক্তিযুদ্ধ ও বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, প্রতিশোধের প্রথম প্রহর প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া বদরুদ্দীন ওমর রচিত গ্রন্থের মধ্যে সংস্কৃতির সাম্প্রদায়িকতা, যুদ্ধপূর্ব বাংলাদেশ, যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ, ভাষা আন্দোলন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ ইত্যাদি প্রধান।
পৃথিবীর সকল ধর্মীয় গ্রন্থের মধ্যে সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থ কোনটি?
Correct Answer:
খ: কুরআন শরীফ
Explanation:
পৃথিবীর সকল ধর্মীয় গ্রন্থের মধ্যে সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থ কোনটি? সঠিক উত্তর কুরআন শরীফ পৃথিবীর সর্বধিক পঠিত গ্রন্থ হলো আল কুরআন। এটি মানবজাতির সঠিক পথে চালনা করার দিশারি। এটির মধ্য মানুষের প্রয়োজনীয় অপ্রয়োজনীয় সবকিছুর কথা বলা আছে। এই কিতাবের মধ্য বিন্দুমাত্র ভুল বা মিথ্যা নেই। বিশ্বে এমন কোন কিতাব নেই যেটা এই পবিত্র কিতাব কুরআনের সমান পঠিত হয়।
'চতুরঙ্গ'গ্রন্থটি কার রচিত?
Correct Answer:
ঘ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
'চতুরঙ্গ'গ্রন্থটি কার রচিত? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রসিদ্ধ উপন্যাস চতুরঙ্গ অবলম্বনে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ ২১ নভেম্বর ২০০৮। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, কবীর সুমন, সুব্রত দত্ত ও জয় সেনগুপ্ত। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন দেবজ্যোতি মিশ্র। প্রযোজক ক্যাম্পফায়ার ফিল্ম প্রোডাকশন।
”কথোপকথন” গ্রন্থটি কার রচনা?
Correct Answer:
খ: উইলিয়ম কেরি
Explanation:
”কথোপকথন” গ্রন্থটি কার রচনা? সঠিক উত্তর উইলিয়ম কেরি কথোপকথন এবং ইতিহাসমালা হলো উইলিয়াম কেরি এর দুটি উল্লেখ যোগ্য গ্রন্থ
কোন গ্রন্থটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচনা করেন?
Correct Answer:
ক: বত্রিশ সিংহাসন
Explanation:
কোন গ্রন্থটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচনা করেন? সঠিক উত্তর বত্রিশ সিংহাসন প্রশ্ন : কোন গ্রন্থটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচনা করেন? উত্তর:বত্রিশ সিংহাসন। বর্ণনা: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (1762 (আনুমানিক) সালে মেদিনীপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন বাংলা গদ্যের উন্মেষ যুগের অন্যতম লেখক । ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে অধ্যাপনা কালে পাঠ্যপুস্তক এর অভাব অনুভূত হলে (1802) সালে বত্রিশ সিংহাসন নামক গ্রন্থ রচনা করেন। তার অন্যান্য গ্রন্থ হলো - হিতোপদেশ (1808), রাজাবলি (1808), চন্দ্রিকা (1817 ), প্রবোধচন্দ্রিকা (1833)।
বেতাল পঞ্চবিংশতি' কার রচিত গ্রন্থ?
Correct Answer:
ঘ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Explanation:
বেতাল পঞ্চবিংশতি' কার রচিত গ্রন্থ? সঠিক উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বেতাল পঁচিশি বা বেতাল পঞ্চবিংশতি (বেতালের পঁচিশটি কাহিনী), হচ্ছে একগুচ্ছ গল্প এবং কিংবদন্তীর সমষ্টি যা রাজা বিক্রমাদিত্য (বিক্রম) এবং বেতাল নামক এক বিশেষ অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন প্রাণীর মধ্যে গল্প এবং যুক্তির খেলা চলে। কাহিনীগুলো সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছিলো।
”পরানের গহীন ভিতর” কাব্যাগ্রন্থের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
”পরানের গহীন ভিতর” কাব্যাগ্রন্থের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫ - ২০১৬) এর একটি কাব্যগ্রন্থ 'পরানের গহীন ভিতর'। এটি আঞ্চলিক ভাষারীতিতে রচিত।
”একুশে ফেব্রূয়ারি” সংকলন গ্রন্থটি প্রথম সম্পাদনা করেন কে?
Correct Answer:
ঘ: কোনটিই নয়
Explanation:
”একুশে ফেব্রূয়ারি” সংকলন গ্রন্থটি প্রথম সম্পাদনা করেন কে? সঠিক উত্তর কোনটিই নয় ' একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলন গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান। এই সংকলনের কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, গান, নক্শা, ও হতিহাস শিরোনামে ৬ টি বিভাগে ২২ জন লেখক লিখছেন সুতরাং উত্তরঃ কোনটিই নয়