Physics in everyday life MCQs
Showing 50 questions (Total: 101)
গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট বলতে বুঝায় -----
Correct Answer:
খ: তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
Explanation:
গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট বলতে বুঝায় ----- সঠিক উত্তর তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূপৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়। এই বিকীর্ণ তাপ ভূপৃষ্ঠে উপস্থিতিতেও বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূপৃষ্ঠের তথা বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। মূলত সৌর বিকিরণ দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং ভূপৃষ্ঠ পরবর্তীকালে এই শক্তি নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে অবলোহিত রশ্মি আকারে নির্গত করে। এই অবলোহিত রশ্মি বায়ুমণ্ডলস্থ গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে অনেক বেশি শক্তি আকারে ভূপৃষ্ঠে ও বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে পুনঃবিকিরিত হয়। গ্রীন হাউসের প্রভাবে নিম্নভুমি নিমজ্জিত হবে।
মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের দেশে প্রচলিত তাতে মাইক্রোওয়েভ অধিকাংশ দূরত্ব অতিক্রম করে -----
Correct Answer:
ক: ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে
Explanation:
মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের দেশে প্রচলিত তাতে মাইক্রোওয়েভ অধিকাংশ দূরত্ব অতিক্রম করে ----- সঠিক উত্তর ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের দেশে প্রচলিত তাতে মাইক্রোওয়েভ অধিকাংশ দূরত্ব অতিক্রম করে - - ওয়েভ গাইডের মধ্যে দিয়ে
প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময় ------
Correct Answer:
ঘ: সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
Explanation:
প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময় ------ সঠিক উত্তর সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে পৃথিবীর বাইরের মহাকর্ষীয় শক্তির (বিশেষ করে চাঁদের) প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানি নিয়মিত বিরতিতে ফুলে ওঠাকে জোয়ার ও নেমে যাওয়ার ঘটনাকে ভাঁটা (একত্রে জোয়ার - ভাটা) বলা হয়। জোয়ার - ভাটার ফলে সমুদ্রে যে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তাকে জোয়ার তরঙ্গ (tidal waves) বলে। জোয়ারের পানি উপকূলের দিকে অগ্রসর হলে পানি সমতলের যে উত্থান ঘটে, তাকে জোয়ারের পানির সর্বোচ্চ সীমা (high tide water) এবং ভাটার পানি সমুদ্রের দিকে নেমে যাওয়ার সময় পানি সমতলের যে পতন ঘটে, তাকে জোয়ারের পানির সর্বনিম্ন সীমা (low tide water) বলে।
ফিউশন প্রক্রিয়ায় ------
Correct Answer:
খ: একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
Explanation:
ফিউশন প্রক্রিয়ায় ------ সঠিক উত্তর একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে প্রবল চাপে হাইড্রোজেন পরমাণু একটির সঙ্গে আরেকটি মিলে যায়। হাইড্রোজেন পরমাণু একীভূত হওয়ার এই প্রক্রিয়াকে বলে ফিউশন। আর এই ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় হিলিয়াম। একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে আগের চেয়ে ভারী পরমাণু উৎপন্ন করার এই প্রক্রিয়ায় একই সঙ্গে নতুন মৌল ও শক্তি পাওয়া যায়। এই শক্তির উৎস হচ্ছে পরমাণুগুলোর কেন্দ্র, যাকে নিউক্লিয়াস বলে। কিন্তু এই ফিউশন প্রক্রিয়া থেকে সব সময় শক্তি পাওয়া যায় না। আয়রন বা লোহার চেয়ে ভারী মৌলের পরমাণুর ক্ষেত্রে ফিউশনের ফলে শক্তির শোষণ হয়।
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
Correct Answer:
গ: বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
Explanation:
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক? সঠিক উত্তর বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলপৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বুঝায়, যা পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে। একে আবহমণ্ডল - ও বলা হয়। এই বায়ুমন্ডল সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে। এছাড়ও তাপ ধরে রাখার মাধ্যমে (গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া) ভূপৃষ্টকে উত্তপ্ত করে এবং দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা হ্রাস করে।শ্বাস - প্রশ্বাস ও সালোকসংশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত বায়ুমন্ডলীয় গ্যাসসমূহের প্রদত্ত প্রচলিত নাম বায়ু বা বাতাস।পরিমাণের দিক থেকে শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন,০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।বাতাসের পরিমাণ ও বায়ুমন্ডলীয় চাপ বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন রকম হয়,স্থলজ উদ্ভিদ ও স্থলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত বাতাস কেবল পৃথিবীর ট্রপোমণ্ডল এবং কৃত্রিম বায়ুমণ্ডলসমূহে পাওয়া যাবে।বায়ুমন্ডলের ভর হচ্ছে প্রায় ৫×১০১৮ কেজি,যার তিন চতুর্থাংশ পৃষ্ঠের প্রায় ১১ কিলোমিটারের (৩৬,০০০ ফুট ৬.৮ মাইল) মধ্যে থাকে।উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমন্ডল পাতলা হতে থাকে এবং বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের মধ্যে কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই।Karman লাইন, 100 কিলোমিটার (62 মাইল), অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এর 1.57% এ, প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যে মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহৃত হয়।কারম্যান রেখা যা পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উপরে অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ১.৫৭% প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যের মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহার করা হয়।বায়ুমন্ডলীয় প্রভাবসমূহ পরিলক্ষিত হয় যখন মহাকাশযান প্রায় ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) উচ্চতায় অথ্যাৎ কারম্যান রেখার উপরে গমন করে।বৈশিষ্ট্য যেমন তাপমাত্রা ও গঠনের উপর ভিত্তি করে বায়ুমন্ডলকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়।পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং তার প্রক্রিয়া নিয়ে চর্চা করাকে বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান বা অ্যাইরলজি বলা হয়।লিওন টিইসারিয়েক ডি বর্ট ও রিচার্ড অ্যাসম্যান এই শাস্ত্রের প্রারম্ভিক পথিকৃৎ।
সূর্যরশ্মি কি গতিতে ভ্রমণ করে?
Correct Answer:
ঘ: সেকেণ্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল
Explanation:
সূর্যরশ্মি কি গতিতে ভ্রমণ করে? সঠিক উত্তর সেকেণ্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল সূর্যসূর্য (রবি নামেও ডাকা হয়) সৌরজগতের কেন্দ্রের খুব কাছে অবস্থিত তারাটির নাম। প্রায় আদর্শ গোলক আকৃতির এই তারা প্রধানত প্লাজমা তথা আয়নিত পদার্থ দিয়ে গঠিত যার মধ্যে জড়িয়ে আছে চৌম্বক ক্ষেত্র।এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার কিলোমিটার যা পৃথিবীর ব্যাসের ১০৯ গুণ, ভর প্রায় ২×১০৩০ কিলোগ্রাম তথা পৃথিবীর ভরের ৩ লক্ষ ৩০ হাজার গুণ। এই ভর সৌরজগতের মোট ভরের শতকরা ৯৯.৮৬ ভাগ। সূর্যের প্রধান গাঠনিক উপাদান হাইড্রোজেন, আসলে মোট ভরের তিন চতুর্থাংশই হাইড্রোজেন। হাইড্রোজেনের পরেই সবচেয়ে প্রাচুর্য্যময় মৌল হিলিয়াম। হিলিয়ামের চেয়ে ভারী মৌল সূর্যের মাত্র ১.৬৯% ভরের জন্য দায়ী, তারপরও এদের সম্মিলিত ভর পৃথিবীর ভরের ৫,৬২৮ গুণ। এই ভারী মৌলগুলোর মধ্যে রয়েছে অক্সিজেন, কার্বন, নিয়ন, লোহা ইত্যাদি।তারার শ্রেণীবিন্যাস করার একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে যা অনুসারে সূর্য জিটুভি (G2V) শ্রেণীর মধ্যে পড়ে। অনেক সময় একে হলদে বামন ডাকা হয় কারণ তার তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি বর্ণালীর হলুদ - সবুজ অংশে। সূর্যের রঙ সাদা হলেও ভূপৃষ্ঠ থেকে একে হলুদ দেখাতে পারে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে নীল আলোর বিচ্ছুরণের কারণে। বর্ণালী ধরন "জিটু" বলে দেয় সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা আনুমানিক ৫৭৭৮ কেলভিন বা ৫৫০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর "ভি" দিয়ে বোঝায় আকাশগঙ্গার অধিকাংশ তারার মত সূর্যও একটি প্রধান ধারার তারা অর্থাৎ সে কেন্দ্রভাগে নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে অবিরাম হাইড্রোজেন পুড়িয়ে হিলিয়াম উৎপাদন করে যাচ্ছে। কেন্দ্রে সূর্য প্রতি সেকেন্ডে ৬২ কোটি মেট্রিক টন হাইড্রোজেন পোড়ায়। আগে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্যকে অনুজ্জ্বল ও বেশ তাৎপর্যহীন একটি তারা মনে করলেও বর্তমানে জানা গেছে আকাশগঙ্গার শতকরা ৮৫ ভাগ তারার চেয়ে সূর্যের উজ্জ্বলতা বেশি, প্রকৃতপক্ষে আকাশগঙ্গার অধিকাংশ তারাই লোহিত বামন। সূর্যের পরম মান + ৪.৮৩; কিন্তু পৃথিবীর খুব কাছে হওয়ার কারণে আকাশে একে অন্য যেকোন বস্তুর চেয়ে অনেক উজ্জ্বল দেখায়, তাই আপাত মান অনেক কম, - ২৬.৭৪।সূর্যের করোনা অবিরত মহাশূন্যে প্রসারিত হতে থাকে যে কারণে সৌরঝড়ের জন্ম হয়। সৌরঝড় মূলত আয়নিত কণার ধারা যা হেলিওপজ তথা প্রায় ১০০ নভো - একক (সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্বের ১০০ গুণ) পর্যন্ত ধেয়ে যায়। সৌরঝড়ের মাধ্যমে আন্তঃনাক্ষত্রিক মাধ্যমে সৃষ্ট হেলিওস্ফিয়ার বা সৌরমণ্ডল সৌরজগতের বৃহত্তম অবিচ্ছিন্ন কাঠামো।সূর্য বর্তমানে স্থানীয় বুদবুদ অঞ্চলের স্থানীয় আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করছে যা আকাশগঙ্গার কালপুরুষ বাহুর ভেতরের দিকে অবস্থিত। পৃথিবী থেকে ১৭ আলোকবর্ষ দূরত্বের মাঝে তথা সবচেয়ে নিকটবর্তী ৫০টি তারার (সবচেয়ে নিকটবর্তী তারা প্রক্সিমা সেন্টরি ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে) মধ্যে সূর্য ভরের দিক দিয়ে চতুর্থ।সূর্য আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে আনুমানিক ২৪ - ২৬ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এবং কেন্দ্রের চারদিকে ২২.৫ থেকে ২৫ কোটি বছরে একবার ঘুরে আসে। ছায়াপথীয় উত্তর মেরু থেকে দেখলে সূর্যের এই আবর্তন ঘড়ির কাঁটার দিকে। আমাদের ছায়াপথ যেহেতু মহাজাগতিক অণুতরঙ্গ পটভূমি বিকিরণের (পটবিকিরণ) সাপেক্ষে হ্রদসর্প মণ্ডলের দিকে সেকেন্ডে ৫৫০ কিলোমিটার বেগে ধাবিত হচ্ছে সেহেতু পটবিকিরণের সাপেক্ষে সূর্যের বেগ কাংস্য বা সিংহ মণ্ডলের দিকে সেকেন্ডে প্রায় ৩৭০ কিলোমিটার।পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব আনুমানিক ১৪.৯৬ কোটি কিলোমিটার যাকে ১ নভো - একক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে পৃথিবীর কক্ষপথ যেহেতু উপবৃত্তাকার সেহেতু সূর্য থেকে তার দূরত্ব পরিবর্তিত হয়, জানুয়ারি মাসে সে সূর্যের সবচেয়ে কাছে (অনুসূর) আসে এবং জুলাইয়ে সবচেয়ে দূরে (অপসূর) সরে যায়।যাহোক, গড় দূরত্বে সূর্য থেকে আলো পৃথিবীতে আসতে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড সময় নেয়। এই সূর্যালোকের শক্তি পৃথিবীর প্রায় সকল জীবকে বাঁচিয়ে রাখে। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এই আলো থেকে খাদ্য উৎপাদন করে এবং প্রাণীরা খাদ্যের জন্য এসব উদ্ভিদ বা অন্য প্রাণীর উপর নির্ভর করে। পাশাপাশি জলবায়ু এবং আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণেও সূর্যালোক প্রধান ভূমিকা রাখে। পৃথিবীর উপর সূর্যের বিশাল প্রভাব সেই প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই মানুষ অনুধাবন করে আসছে। অনেক সংস্কৃতিতে সূর্যকে তাই দেবতা মনে করা হতো। তবে সূর্যের প্রকৃত কাঠামো সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ধারণা গড়ে উঠতে অনেক সময় লেগেছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত বিজ্ঞানীরাও সূর্যের গাঠনিক উপাদান এবং শক্তির উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতেন না। এখনও সূর্য নিয়ে গবেষণা চলছে কারণ তার কিছু ব্যবহর এখনও পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা যায়নি।
থিওরি অব রিলেটিভিটি(Theory of Relativity) এর উদ্ভাবক কে?
Correct Answer:
গ: আলবার্ট আইনস্টাইন
Explanation:
থিওরি অব রিলেটিভিটি(Theory of Relativity) এর উদ্ভাবক কে? সঠিক উত্তর আলবার্ট আইনস্টাইন পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের জন্ম জার্মানির উলম শহর , ১৪ মার্চ ১৮৭৯ । ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হয় তার যুগান্তকারী তত্ত্ব ' আপেক্ষিকতাবাদ' (Theory of Relativity ) । সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীমহলে ছড়িয়ে পড়ে তার খ্যাতি। ১৯০৯ সালে জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে তত্ত্বীয় পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক নিযুক্ত হলেন আইনস্টাইন। ১৯১৩ সালে নিযুক্ত হলেন বার্লিনের 'কাইজার ভিলহেলম ফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট' - এর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের পরিচালক । ১৯২১ সালে ফটোইলেকট্রিসিটি বিষয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের অন্যতম যুগান্তকারী আবিষ্কার হলো ভর শক্তি সমীকরণ E = mc2 । এখানে E = শক্তি, m = ভর এবং c = আলোর গতিবেগ।
চাঁদে কোনো শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন?
Correct Answer:
গ: চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই
Explanation:
চাঁদে কোনো শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন? সঠিক উত্তর চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই শব্দ পরিবহনে জন্যে মাধ্যমের প্রয়োজন। পৃথিবীতে বায়ুমন্ডল এই মাধ্যমের কাজ করে, সহজ কথায় বাতাস হচ্ছে মাধ্যম। চাঁদের অভিকর্ষজ বল খুব দূর্বল, ফলে চাঁদের পরিপূর্ণ বায়ুমন্ডল নেই। সে জন্যে শব্দ পরিবহন সম্ভব নয় । চাঁদে বাতাস নেই, তাই শব্দ সঞ্চারের মাধ্যমও নেই ।
আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কোনটি?
Correct Answer:
গ: লুব্ধক
Explanation:
আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কোনটি? সঠিক উত্তর লুব্ধক রাত্রিবেলা মেঘমুক্ত আকাশের দিকে তাকালে অনেক আলোক বিন্দু মিটমিট করে জ্বলতে দেখা যায়, এদের নক্ষত্র (stars) বলে। নক্ষত্রগুলি প্রকৃতপক্ষে জলন্ত বাষ্পপিন্ড এবং এদের নিজস্ব আলো ও উত্তাপ আছে। নক্ষত্রের আকার গোল, সর্পি, রৈখিক আবার অবয়বহীন হতে পারে। বিজ্ঞানীরা ১০০কোটিরও অধিক নক্ষত্রের সন্ধান লাভ করেছেন। আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের নাম লুব্ধক। লুব্ধকের ইউরোপীয় নাম সিরিয়াস(SIRIUS )। অপরদিকে সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টেরাই। এবং সূর্য ছাড়া পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টেরাই।
জোয়ার-ভাঁটার তেজকটাল কখন হয়?
Correct Answer:
ক: অমাবস্যায়
Explanation:
জোয়ার-ভাঁটার তেজকটাল কখন হয়? সঠিক উত্তর অমাবস্যায় আমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী , চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।
পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে?
Correct Answer:
খ: ওপেনহাইমার
Explanation:
পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে? সঠিক উত্তর ওপেনহাইমার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে ম্যানহাটন প্রকল্পের সাহায্যে প্রথম পারমানুবিক বোমা আবিষ্কারের জন্যে এনরিকো ফারমির পাশাপাশি রবার্ট ওপেনহেইমারকেও পারমানুবিক বোমার জনকরুপে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কি হবে?
Correct Answer:
গ: নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
Explanation:
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কি হবে? সঠিক উত্তর নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে গ্রীনহাউজের পরিণতিতে ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হবে বাংলাদেশ। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব যে দেশগুলোতে মারাত্বক আকার ধারণ করবে বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। পরিবেশবাদী সংস্থা জার্মান ওয়াচের প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে ৭ম ঝুকিপূর্ন দেশ বলে চিহ্নিত হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২ - ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধিতে তলিয়েযাবে বাংলাদেশের ১৭% নিম্নাঞ্চল আর সেই সাথে ৩কোটি মানুষ হবে ক্লাইমেট রিফিউজি।
আকাশে বিজলী চমকায় ----
Correct Answer:
খ: মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
Explanation:
আকাশে বিজলী চমকায় ---- সঠিক উত্তর মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে ধনাত্নক' ও 'ঋণাত্নক' চার্জযুক্ত দুটি মেঘ কাছাকাছি আসলে আকর্ষণের ফলে চার্জ এক মেঘ থেকে অন্য মেঘে দ্রুত ছুটে যায়। ফলে ইলেক্ট্রনের (চার্জ) গতিপথে যে তীব্র আলোক উৎপন্ন হয় তাকে বিজলী চমকানো বলে।
কোন উত্তরটি সঠিক নয়?
Correct Answer:
ঘ: চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়
Explanation:
কোন উত্তরটি সঠিক নয়? সঠিক উত্তর চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয় শরীরে বহুমূত্ররোগ বহুমূত্র রোগ, মধুমেহ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস(ইংরেজি: Diabetes mellitus) একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্র অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তাহলে যে রোগ হয় তা হলো 'ডায়াবেটিস' বা 'বহুমূত্র রোগ'। তখন রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজকে নিতে সমর্থ হয় এবং একে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। ইনসুলিন উৎপাদন বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা - এর যেকোনো একটি বা দুটোই যদি না হয়, তাহলে রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর একে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে নানা রকম জটিলতা, দেহের টিস্যু ও যন্ত্র বিকল হতে থাকে।
বৈদ্যুতিক বাল্বের আবিষ্কারক কে?
Correct Answer:
গ: টমাস আলভা এডিসন
Explanation:
বৈদ্যুতিক বাল্বের আবিষ্কারক কে? সঠিক উত্তর টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাল্বের আবিষ্কারক টমাস আলভা এডিসন (ফেব্রুয়ারি ১১, ১৮৪৭ - অক্টোবর ১৮, ১৯৩১) ছিলেন মার্কিন উদ্ভাবক এবং ব্যবসায়ী। তিনি গ্রামোফোন, ভিডিও ক্যামেরা এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈদ্যুতিক বাতি (বাল্ব) সহ বহু যন্ত্র তৈরি করেছিলেন যা বিংশ শতাব্দীর জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। এডিশন ইতিহাসের অতিপ্রজ বিজ্ঞানীদের অন্যতম একজন বলে বিবেচিত, যার নিজের নামে ১, ০৯৩টি মার্কিন পেটেন্টসহ যুক্তরাজ্যে, ফ্রান্স এবং জার্মানির পেটেন্ট রয়েছে। গণযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ খাতে তার বহু উদ্ভাবনের মাধ্যমে তার অবদানের জন্য তিনি সর্বস্বীকৃত। যার মধ্যে একটি স্টক টিকার, ভোট ধারনকারী যন্ত্র, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারী, বৈদ্যুতিক শক্তি, ধারনযোগ্য সংগীত এবং ছবি। এসব ক্ষেত্রে উন্নতি সাধনকারী তার কাজগুলো তাকে জীবনের শুরুর দিকে একজন টেলিগ্রাফ অপারেটর হিসেবে গড়ে তোলে। বাসস্থান, ব্যবসায় - বাণিজ্য বা কারখানায় বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন ও বন্টনের ধারনা এবং প্রয়োগ দুটিই এডিসনের হাত ধরে শুরু হয় যা আধুনিক শিল্পায়নের একটি যুগান্তকারী উন্নতি। নিউইয়র্কের ম্যানহাটন দ্বীপে তার প্রথম বিদ্যুত কেন্দ্রটি স্থাপিত হয়।
ছাতার কাপড়ের রং সাধারণত কালো হয় কেন?
Correct Answer:
গ: কালো রং তাপ শোষণ করে বলে
Explanation:
ছাতার কাপড়ের রং সাধারণত কালো হয় কেন? সঠিক উত্তর কালো রং তাপ শোষণ করে বলে কালো কাপড় তাপ শোষণ করে বেশী। ফলে কাপড় উত্তপ্ত হলে সেখানে শীতল বাতাস এসে বাহককে আরাম দেবে
কোথায় দিনরাত্রি সমান?
Correct Answer:
খ: নিরক্ষরেখায়
Explanation:
কোথায় দিনরাত্রি সমান? সঠিক উত্তর নিরক্ষরেখায় নিরক্ষরেখা বলতে কোন গ্রহের মেরুগুলো থেকে সমান দূরে অবস্থিত গ্রহপৃষ্ঠ প্রদক্ষিণকারী একটি কাল্পনিক বৃত্তকে বোঝায়। সহজ ভাষায় এটি একটি কাল্পনিক রেখা যা পৃথিবীর মাঝ বরাবর এবং উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ মেরু থেকে দুরত্বে কল্পনা করা হয় এবং যা পৃথিবীকে দক্ষিণ গোলার্ধ এবং উত্তর গোলার্ধে ভাগ করে। এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। একে বিষুবীয় রেখাও বলা হয়। সূর্য সারা বছর নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। নিরক্ষরেখা = বিষুবরেখা = মহাবৃত্ত = গুরুবৃত্ত
আকাশ নীল দেখায় কেন?
Correct Answer:
গ: নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
Explanation:
আকাশ নীল দেখায় কেন? সঠিক উত্তর নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে আকাশ নীল দেখায় আলোর একটি বিশেষ ধরনের বিক্ষিপ্ততার কারণে। এই বিক্ষিপ্ততা ঘটে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে এক দশমাংশ কম তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের কণায় আলো প্রতিফলিত হলে। আর এই বিক্ষিপ্ততা উচ্চমাত্রায় আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে। নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো সবচেয়ে বেশি বিক্ষিপ্ত হয়। নিম্ন বায়ুমণ্ডলে ক্ষুদ্র অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন অণু নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বিক্ষিপ্ত করে - যেমন নীল এবং বেগুলি আলো। এমনকি প্রকৃতপক্ষে ৪০০ ন্যানোমিটার আলো (বেগুনি) ৭০০ ন্যানোমিটার আলোর (লাল) বিক্ষিপ্ততার চেয়ে ৯.৪ গুন বেশি। যদিও বায়ুমণ্ডলের কণাগুলো নীল রশ্মির চেয়ে বেগুনি রশ্মিই বেশি প্রতিফলিত করে তথাপি আকাশ নীল দেখায়।
নিত্য ব্যবহার্য বহু ' এরোসোলের' কৌটায় এখন লেখা থাকে 'সিএফসি' বিহীন। সিএফসি গ্যাস কেন ক্ষতিকারক?
Correct Answer:
গ: ওজোনস্তরে ফুটো সৃষ্টি করে
Explanation:
নিত্য ব্যবহার্য বহু ' এরোসোলের' কৌটায় এখন লেখা থাকে 'সিএফসি' বিহীন। সিএফসি গ্যাস কেন ক্ষতিকারক? সঠিক উত্তর ওজোনস্তরে ফুটো সৃষ্টি করে হিমায়করুপে ব্যবহার্য সিএফসি গ্যাস ব্যবহার করলে দীর্ঘ দিনের ব্যবধানে ওজন স্তরে গিয়ে অতি বেগুনী রশ্মীর উপস্থিতিতে জটিল বিক্রিয় করে ওজন স্তর ক্ষয় করে। এজন্য সিএফসি একটি নিরব ধাতক।
আলট্রাসনোগ্রাফি কি?
Correct Answer:
খ: ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
Explanation:
আলট্রাসনোগ্রাফি কি? সঠিক উত্তর ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং আলট্রাসনোগ্রাফি দিয়ে শরীরের ভেতরের অঙ্গ - প্রত্যঙ্গ, মাংসপেশি ইত্যাদির ছবি তোলা হয়। এটি করার জন্য খুব উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ ব্যবহার করে তার প্রতিধ্বনিকে শনাক্ত করা হয়। শব্দের কম্পাঙ্ক ১ - ১০ মেগাহার্টজ হয়ে থাকে বলে একে আলট্রাসনোগ্রাফি বলা হয়।
"গ্রীন হাউজ ইফেক্টের' পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি কি হবে?
Correct Answer:
খ: নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
Explanation:
"গ্রীন হাউজ ইফেক্টের' পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি কি হবে? সঠিক উত্তর নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে গ্রীন হাউজগ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূপৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়। এই বিকীর্ণ তাপ ভূপৃষ্ঠে উপস্থিতিতেও বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূপৃষ্ঠের তথা বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। মূলত সৌর বিকিরণ দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং ভূপৃষ্ঠ পরবর্তীকালে এই শক্তি নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে অবলোহিত রশ্মি আকারে নির্গত করে। এই অবলোহিত রশ্মি বায়ুমণ্ডলস্থ গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে অনেক বেশি শক্তি আকারে ভূপৃষ্ঠে ও বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে পুনঃবিকিরিত হয়। শীতপ্রধান দেশগুলোতে সাধারণত কাচ নির্মিত গ্রিন হাউজ তৈরি করে উদ্ভিদ উৎপাদন করার পদ্ধতি অনুসরণ এই প্রক্রিয়ার নামকরণ করা হয়। একটি গ্রিনহাউজে সৌর বিকিরণ কাচের মধ্য দিয়ে গ্রিন হাউজটিকে উত্তপ্ত র াখে, এখানে মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে গ্রিন হাউজটিকে বাতাসের প্রবাহ হ্রাস করে উত্তপ্ত বাতাস কাচের কাঠামোর মধ্যে পরিচলন ব্যতিরেকে ধরে রাখতে পারে। সূর্য থেকে পৃথিবীর মতো দূরত্বে যদি কোনো আর্দশ তাপ - সুপরিবাহী কৃষ্ণবস্তু (আর্দশ ভৌত পদার্থ যা তার উপর আপতিত সকল তড়িচ্চুম্বকীয়বিকিরণ শোষণ করতে পারে) থাকত তাহলে বস্তুটির তাপমাত্রা হত প্রায় ৫.৩° সেলসিয়াস। যেথপৃথিবী িবী তার দিকে আগত সৌররশ্মির ৩০ শতাংশ প্রতিফলন করে সেহেতু, এই আর্দশ গ্রহের কার্যকর তাপমাত্রা (একটি কৃষ্ণবস্তুও এই সমপরিমাণ তাপমাত্রা বিকিরণ করবে) হবে প্রায় - ১৮° সেলসিয়াস। এই কল্পিত গ্রহের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৩৩° সেলসিয়াসের নিচে যেখানে পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রকৃত তাপমাত্রা প্রায় ১৪° সেলসিয়াস। বায়ুমণ্ডলেরডলের কারণে যে প্রক্রিয়া পৃষ্ঠের প্রকৃত তাপমাত্রা ও কার্যকর তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে তাইিন ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া। পৃথিবীতে এই প্রাকৃতিক গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া প্রাণের সৃষ্টি করতে সহায়তা করেছে। কিন্তু, মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বিশেষত, জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত দহন এবং বনাঞ্চল ধ্বংসের কারণে প্রাকৃতিক গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া তীব্রতর হচ্ছে ফলশ্রুতিতে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মুক্তা হলো ঝিনুকের -----
Correct Answer:
গ: প্রদাহের ফল
Explanation:
মুক্তা হলো ঝিনুকের ----- সঠিক উত্তর প্রদাহের ফল মুক্তামুক্তা (ইংরেজি: Pearl) ঝিনুক বা মুক্তির মধ্যকার রত্নবিশেষ। এর অন্য নাম মোতি। আঞ্চলিক ভাষায় অনেক সময় মুক্তাকে মুকুতা নামেও ডাকা হয়। মুক্তা এক ধরনের শম্বুক জাতীয় প্রাণী ঝিনুকের মাধ্যমে তৈরী হয়। এটি দেখতে ছোট এবং প্রায়শঃই সাদা রঙের হয়ে থাকে। তবে কখনো কখনো পাণ্ডুর বা ফ্যাকাশে রঙ - সহ কালো রঙেরও হতে পারে। সাধারণতঃ মোতি দেখতে গোলাকৃতি ধরনের হয়। এছাড়া, অর্ধ - গোলাকার, ডিম্বাকৃতি কিংবা অন্য যে - কোন বিভিন্ন আকৃতিরও হতে পারে। অলঙ্কার জগতে এর অসম্ভব জনপ্রিয়তা ও সুনাম রয়েছে। জুন মাসে জন্মগ্রহণকারী জাতকগণ জন্মপাথররূপে মুক্তা ধারণ করে থাকেন।
আকাশ মেঘলা থাকলে গরম বেশি লাগে কেন?
Correct Answer:
ঘ: মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে
Explanation:
আকাশ মেঘলা থাকলে গরম বেশি লাগে কেন? সঠিক উত্তর মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে আকাশ পরিষ্কার থেকে বিকীর্ণ তাপ আকাশে উঠে যায়। ফলে ভূপৃষ্ঠ শীতল হয়ে পড়ে। কিন্তু মেঘ অপরিবাহী এবং তাপ বিকিরণে বাধা দেয়। তাই আকাশ মেঘলা থাকলে ভূপৃষ্ঠের বিকীর্ণ তাপ এর আশে পাশেই থেকে যায়। ফলে ভ্যাপসা গরম লাগে।
বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে থাকে ------
Correct Answer:
ক: পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
Explanation:
বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে থাকে ------ সঠিক উত্তর পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ বিষধর সাপের বিষথলী সংযুক্ত থাকে সামনের দিকে উঁচু ও বড় দুটি ছিদ্রযুক্ত ফাঁপা দাঁতের সাথে । যখন বিষধর সাপ দংশন করে তখন ঐ দুটি দাঁত মাংসের মধ্যে ঢুকে যায় এবং বিষথলি থেকে নির্গত বিষ রক্তের সাথে মিশে যায়। তাই বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে পাশাপাশি দুটি দাঁতের দাগ থাকে। -
আকাশে বিজলী চমকায় ------
Correct Answer:
ঘ: মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
Explanation:
আকাশে বিজলী চমকায় ------ সঠিক উত্তর মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে 'ধনাত্মক' ও 'ঋণাত্মক' চার্জযুক্ত দুটি মেঘ কাছাকাছি আসলে আকর্ষণের ফলে চার্জ এক মেঘ থেকে অন্য মেঘে দ্রুত ছুটে যায়। ফলে ইলেকট্রনের (চার্জ) গতিপথে যে তীব্র আলোক উৎপন্ন হয় তাকে বিজলী চমাকনো বলে।
মেঘাচ্ছন্ন আকাশে রাত অপেক্ষাকৃত উষ্ণ হয়, কারণ-
Correct Answer:
ঘ: মেঘ মাটি থেকে বায়ুতে তাপের বিকিরণে বাধা দেয়
Explanation:
মেঘাচ্ছন্ন আকাশে রাত অপেক্ষাকৃত উষ্ণ হয়, কারণ- সঠিক উত্তর মেঘ মাটি থেকে বায়ুতে তাপের বিকিরণে বাধা দেয় মেঘাচ্ছন্ন আকাশে রাত অপেক্ষাকৃত উষ্ণ হয়ে থাকে। মেঘ এখানে Green House এর কাচের ভূমিকা পালন করে। গ্রিন হাউসে যেমন কাচ তাপ বিকিরণ হতে বাধা প্রদান করে তেমনি ভাবে মেঘাচ্ছন্ন আকাশের মেঘ তাপ বিকিরণে বাধা দেয়। যার ফলস্বরূপ রাতে তুলনামূলক উষ্ণ হয়ে থাকে।
কোথায় দিন রাত্রি সর্বত্র সমান?
Correct Answer:
খ: নিরক্ষরেখায়
Explanation:
কোথায় দিন রাত্রি সর্বত্র সমান? সঠিক উত্তর নিরক্ষরেখায় ডিসেম্বর মাসে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের বিপরীত দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের দিকে ঝুঁকে থাকে বলে এই সময়ে উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে ছোট ও রাত সবচেয়ে ছোট হয় । অপরদিকে , জুন মাসে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের বিপরীত দিকে ঝুঁকে থাকে বলে এই সময়ে উত্তর গোলার্ধে দিন সবেচেয়ে বড় ও রাত সবচেয়ে ছোট হয় এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে ছোট ও রাত সবচেয়ে বড় হয়। কিন্তু নিরক্ষরেখায় অবস্থিত অঞ্চলসমূহ সবসময় সূর্য হতে সমান দূরত্বে থাকে বলে এই অঞ্চলসমূহে দিন রাত্রি সর্বদা সামন হয়।
দীর্ঘতম দিন কোনটি?
Correct Answer:
গ: ২১ জুন
Explanation:
দীর্ঘতম দিন কোনটি? সঠিক উত্তর ২১ জুন বিশ্বের সব স্থানে একই সাথে রাত ও দিন হয় না এবং একই সাথে সবচেয়ে বড় দিন বা সবচেয়ে ছোট দিনও হয় না। পৃথিবীকে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধ নামে দুই ভাগে বিভক্ত হয় যেখানে এক গোলার্ধে অন্য গোলার্ধের বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। এর কারণ পৃথিবীর বার্ষিক গতি যার কারণে পৃথিবীর ঋতু পরিবর্তিত হয়। এই বার্ষিক গতির কারণে, পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ২১ জুন। সুতরাং উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট রাতও ২১ জুন। বিপরীতভাবে, দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত ২১ জুন আর সবচেয়ে ছোট দিন ২১ জুন। অন্যদিকে, উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত ও ছোট দিন ২২ ডিসেম্বর। এবং দক্ষিণ গোলার্ধে এর বিপরীত। আর ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিন রাত সমান।
নিচের কোনটি ভেষজ উদ্ভিদ নয়?
Correct Answer:
ক: গর্জন
Explanation:
নিচের কোনটি ভেষজ উদ্ভিদ নয়? সঠিক উত্তর গর্জন ভেষজ উদ্ভিদ নয় গর্জন। প্রদত্ত প্রশ্নের অন্যান্য অপশনগুলো যেমন: বানরলাঠি, অর্জুন, দর্বা উদ্ভিদগুলো ভেষজ উদ্ভিদ।
আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ ----
Correct Answer:
গ: বৃষ্টির কণা
Explanation:
আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ ---- সঠিক উত্তর বৃষ্টির কণা আকাশে রংধনু সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো বৃষ্টির কণা। বৃষ্টির কণা এখানে প্রিজমের কাজ করে। বৃষ্টির কণায় যখন আলোকরশ্মি পতিত হয়। তখন বৃষ্টির কণা ঐ আলোকরশ্মিকে ৭ টি রঙে বিভক্ত করে, যাকে আমরা রংধনু বলি।
আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের নাম -
Correct Answer:
খ: লুব্ধক
Explanation:
আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের নাম - সঠিক উত্তর লুব্ধক লুব্ধক পৃথিবীর আকাশের উজ্জ্বলতম তারা। লুব্ধক এত উজ্জ্ব্ল দুটি কারণে - এর স্বকীয় উজ্জ্ব্লতা এবং এর অবস্থান পৃথিবীর খুবই নিকটে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী এই তারা সৌরমণ্ডল থেকে মাত্র ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে এবং লুব্ধকজগৎ সৌরমণ্ডলের নিকটতম প্রতিবেশী। লুব্ধক ধীরে ধীরে সৌরমণ্ডলের নিকটবর্তী হচ্ছে; এ কারণে আগামী ৬০, ০০০ বছরে এর উজ্জ্ব্লতা সামান্য বৃদ্ধি পাবে। এই সময়ের পর লুব্ধক সৌরমণ্ডল থেকে দূরে সরে যাবে কিন্তু আরো ২১০, ০০০ বছর লুব্ধক পৃথিবীর আকাশে উজ্জ্ব্ল তারা হিসেবেই থাকবে।
কোন দুইটি তারিখে দিন রাত্রি সমান হয়?
Correct Answer:
ক: ২৩ সেপ্টেম্বর ও ২১ মার্চ
Explanation:
কোন দুইটি তারিখে দিন রাত্রি সমান হয়? সঠিক উত্তর ২৩ সেপ্টেম্বর ও ২১ মার্চ পৃথিবী তার নিজ কক্ষপথে চলতে চলতে ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখে এমন এক অবস্থানে এসে পৌছায় যখন সূর্য পৃথিবীর উভয় মেরু হতে সমান দুরত্বে থাকে। ঐ দিন সূর্য নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে কর্কট ও মকরক্রান্তি রেখায় ৬৬.৫ ডিগ্রী কোণে পতিত হয়। এজন্য ২৩ সেপ্টেম্বর ও ২১ মার্চ এ দুটি তারিখে পৃথিবীর দিন রাত্রি সমান হয়।
দিবারাত্রি সংঘটিত হয়-
Correct Answer:
গ: আহ্নিক গতির জন্য
Explanation:
দিবারাত্রি সংঘটিত হয়- সঠিক উত্তর আহ্নিক গতির জন্য পৃথিবী গতিশীল। পৃথিবী তার নিজ অক্ষে একবার পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করতে সময় নেয় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ একদিন। পৃথিবীর এই আবর্তন গতিকে আহ্নিক গতি বলে। পৃথিবীর আহ্নিক গতি একেক জায়গায় একেক রকম। পৃথিবী নামক আমাদের এই গ্রহটি পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর পৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়। তাই সে কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের সকল স্থানের আবর্তন বেগও সমান নয়। দিন - রাত্রি সংঘটিত হওয়া পৃথিবীর আহ্নিক গতির একটি ফল।
সংক্ষিপ্ত পথে চলতে হলে জাহাজ চালককে কি অনুসরণ করতে হবে ?
Correct Answer:
ক: সমুদ্র স্রোত
Explanation:
সংক্ষিপ্ত পথে চলতে হলে জাহাজ চালককে কি অনুসরণ করতে হবে ? সঠিক উত্তর সমুদ্র স্রোত পৃথিবীর আবর্তন, নিয়ত বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্র জলের লবণত্ব, ঘনত্ব ও উষ্ণতার পার্থক্যের জন্য সমুদ্রের জল এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়মিতভাবে সারাবছর নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয় । সমুদ্র জলের এই গতির নাম সমুদ্রস্রোত
জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের কততমদেশ ?
Correct Answer:
খ: ৮ম
Explanation:
জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের কততমদেশ ? সঠিক উত্তর ৮ম বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০১৪ (UNFPA) এর তথ্যমতে, জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ৮ম দেশ। এর জনসংখ্যা ১৫ কোটি ৮৫ লক্ষ।
বাদুড় রাতের বেলা চলাফেরার সময় দিক নির্ণয় করে--
Correct Answer:
খ: আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
Explanation:
বাদুড় রাতের বেলা চলাফেরার সময় দিক নির্ণয় করে-- সঠিক উত্তর আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে বাদুড় আল্ট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে দিক নির্ণয় করে। বাদুড়ের দৃষ্টিশক্তি অত্যন্ত ক্ষীণ, তাই চলার সময় শ্রবণশক্তির উপর নির্ভর করতে হয় । বাদুড়ের কান শব্দোত্তর তরঙ্গের শব্দ শুনতে সক্ষম । চলার সময় বাদুড় ক্রমাগত মুখ দিয়ে প্রায় ২০ কিলোহার্টজ শব্দোত্তর তরঙ্গের শব্দ তৈরি করে এবং সেই শব্দ তার চারপাশ থেকে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসলে বাদুড় সেই প্রতিধ্বনি থেকেই আশেপাশের সম্ভাব্য বাধা - বিঘ্ন সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে ও তা এড়িয়ে চলতে পারে। তবে বৈদ্যুতিক তারে মাঝে মাঝে তাদের মরা ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায় কারণ তারের প্রস্থ কম হওয়ায় তাদের তাৎক্ষনিক ভাবে তারা তারের সুস্পষ্ট ধারণা পায় না।
'সপ্তর্ষিমন্ডল' আকাশে কিসের মতো দেখায়?
Correct Answer:
গ: জিজ্ঞাসা চিহ্নের মতো
Explanation:
'সপ্তর্ষিমন্ডল' আকাশে কিসের মতো দেখায়? সঠিক উত্তর জিজ্ঞাসা চিহ্নের মতো সপ্তর্ষিমন্ডল ইংরেজি Ursa Major বা Great Bear। দ্বিতীয় শতকের জ্যোতির্বিদ টলেমি কর্তৃক প্রণীত ৪৮টি তারামণ্ডলের একটি। গ্রিকরা অনেকগুলি তারা নিয়ে তৈরি বৃহদাকার ভালুক এর মতো নক্ষত্রমণ্ডলকে Ursa Major বলে শনাক্ত করেছিলেন যেখানে ভারতীয় নক্ষত্রমন্ডলটির সবচেয়ে উজ্জ্বল সাতটি তারাই পর্যবেক্ষণ করেন যেগুলি প্রশ্নবোধক চিহ্নের আকৃতিতে অবস্থান করে, তাই এমন নাম দেন। পাশ্চাত্যের মানুষও এই সাতটি তারা পর্যবেক্ষণ করেন এবং নাম দেন The Big Dipper, তবে তারা এটিকে তারামন্ডল বলে গণনা না করে তারামন্ডলের মধ্যে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র তারাগুচ্ছ বা asterism বলেই গণ্য করেন।
আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনে কোন নীতিটির ব্যাপক প্রয়োগ আছে?
Correct Answer:
খ: লা শ্যাতেলিয়ার নীতি
Explanation:
আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনে কোন নীতিটির ব্যাপক প্রয়োগ আছে? সঠিক উত্তর লা শ্যাতেলিয়ার নীতি লা শাতেলিয়ার নীতি যা সাম্য নীতি বলেও পরিচিত। হেনরী লুই লা শাতেলিয়ার নামক একজন ফরাসি রসায়নবিদের নামে নামকরণ করা হয়েছে। এই নীতিটি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ, লস বা ক্ষতি কমানো ইত্যাদি এ নীতির সাহায্যে করা যায়।
IC উদ্ভাবন করেন --
Correct Answer:
ক: জে এস কেলবি
Explanation:
IC উদ্ভাবন করেন -- সঠিক উত্তর জে এস কেলবি IC( Integrated circuit) একটি সমন্বিত বর্তনী। এটি মাইক্রোচিপ, সিলিকন চিপ, আইসি বা কম্পিউটার চিপ নামেও পরিচিত। ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি এটি আবিষ্কার করেন।
পারমাণবিক চুল্লীতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়-
Correct Answer:
ঘ: গ্রাফাইট
Explanation:
পারমাণবিক চুল্লীতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়- সঠিক উত্তর গ্রাফাইট পারমাণবিক চুল্লী একটি যন্ত্র, যা একটি স্বনির্ভর নিউক্লিয় শৃঙ্খল বিক্রিয়া শুরু এবং নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। এই চুল্লীতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয় গ্রাফাইট।
কেঁচো শ্বাসকার্য চালায়
Correct Answer:
খ: ত্বকের সাহায্যে
Explanation:
কেঁচো শ্বাসকার্য চালায় সঠিক উত্তর ত্বকের সাহায্যে কেঁচো ( Metaphir posthuma) এনিলিডা বা আঙ্গুরীমাল পর্বের অতি পরিচিত মাটিতে গর্ত খুঁড়ে বাস করা প্রাণী। কেঁচো কে 'কৃষকের বন্ধু ' বলা হয়। কেঁচো শ্বাসকার্য চালায় ত্বকের সাহায্যে।
লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কতদিন?
Correct Answer:
ক: ১২০ দিন
Explanation:
লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কতদিন? সঠিক উত্তর ১২০ দিন রক্তরসের মধ্যে ছড়ানো বিভিন্ন ধরনের কোষকে রক্তকণিকা বলা হয়। মানবদেহের রক্তে প্রধানত তিন ধরনের রক্তিকণিকা থাকে যথা: মানবদেহের রক্তে প্রধানত তিন ধরনের রক্তকণিকা থাকে যথা : লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকা । এদের মধ্যে লোহিত রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল ১২০ দিন, শ্বেত কণিকার (১ - ১৫) দিন এবং অনুচক্রিকার (৫ - ১০) দিন।
বেসিমার পদ্ধতি দ্বারা কি উৎপাদান করা হয়?
Correct Answer:
ক: ইস্পাত
Explanation:
বেসিমার পদ্ধতি দ্বারা কি উৎপাদান করা হয়? সঠিক উত্তর ইস্পাত ব্রিটিশ বিঞ্জানী হেনরী বেসিমার ১৮৫০ সালে আবিষ্কার করেন বেসিমার পদ্ধতি। ফলে লোহা, ইস্পাত উৎপাদন সহজ হয়।
রাতের বেলায় বিড়াল ও কুকুরের চোখ জ্বলজ্বল করে, কারণ কুকুর ও বিড়ালের চোখে-
Correct Answer:
ঘ: টেপোটাম নামক রঞ্জক কোষ থাকে
Explanation:
রাতের বেলায় বিড়াল ও কুকুরের চোখ জ্বলজ্বল করে, কারণ কুকুর ও বিড়ালের চোখে- সঠিক উত্তর টেপোটাম নামক রঞ্জক কোষ থাকে রাতের বেলায় কুকুর ও বিড়ালের চোখ জ্বলজ্বল করার কারণ হচ্ছে চোখের মধ্যে থাকা একটা প্রতিফলকের আস্তরণ। এই আস্তরণের নাম টেপটাম লুসিডাম। এটি চোখের অপটিক নার্ভ ও রেটিনার মাঝখানে থাকে।
কত বছর পর পর হ্যালির ধুমকেতু দেখা যায় ?
Correct Answer:
গ: ৭৬ বছর
Explanation:
কত বছর পর পর হ্যালির ধুমকেতু দেখা যায় ? সঠিক উত্তর ৭৬ বছর হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পর পর দেখা যায়। ১৭৫৯, ১৮৩৫, ১৯১০ ও ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।
মানবদেহে HIV প্রবেশ করার কতদিনের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ দেখা যায় ?
Correct Answer:
গ: ৬ মাস থেকে ১০ বছর
Explanation:
মানবদেহে HIV প্রবেশ করার কতদিনের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ দেখা যায় ? সঠিক উত্তর ৬ মাস থেকে ১০ বছর মানবদেহে HIV (Human Immunodeficiency Virus) - এর আক্রমণে AIDS (Acquired Immune Deficiency Syndrome) রোগ হয় । HIV ধরনের রেট্রো (Retro) ভাইরাস যা নির্দিষ্ট কয়েকটি উপায়ে মানবদেহে প্রবেশ করে রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতাকে সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট করে দেয়। মানবদেহে HIV প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ দেখা যায়।
WBC (White Blood Cell) এর জীবন কতদিন?
Correct Answer:
ক: ১ দিন
Explanation:
WBC (White Blood Cell) এর জীবন কতদিন? সঠিক উত্তর ১ দিন WBC বা শ্বেত রক্ত কণিকার নিদিষ্ট কোনো আকার নেই। এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১ - ১৫ দিন।
মাতৃগর্ভে একজন শিশু প্রতিদিন কত মিলিলিটার পানি পান করে?
Correct Answer:
ক: ৪০০ মিলিলিটার
Paint - এর Thinner হিসেবে সাধারণত ব্যবহার করা হয়-
Correct Answer:
গ: তারপিন
Explanation:
Paint - এর Thinner হিসেবে সাধারণত ব্যবহার করা হয়- সঠিক উত্তর তারপিন পেইন্ট পাতলা একটি দ্রাবক যা তারপিন তেল ভিত্তিক পেইন্টগুলি পাতলা করতে ব্যবহৃত হয় এবং তাদের ব্যবহারের পরে পরিষ্কার করা হয়।
কোন বস্তুটি বহু দিন পানি বা রোদে থাকলে নষ্ট হয় না-----
Correct Answer:
খ: কাচঁ
Explanation:
কোন বস্তুটি বহু দিন পানি বা রোদে থাকলে নষ্ট হয় না----- সঠিক উত্তর কাচঁ সাধারণত কাঁচ বহুদিন পানি বা রোদে রাখলে নষ্ট হয় না। অন্য দিকে কাঠ, লোহা, প্লাস্টিক ইত্যাদি পানি বা রোদে থাকলে নষ্ট হয়। কেননা কাঠ পানিতে পচে যায়, লোহায় মরিচা ধরে, আর প্লাস্টিক গলে যায়।