poetry MCQs
Showing 50 questions (Total: 204)
'পদ্মাবতী' কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: আলাওল
Explanation:
'পদ্মাবতী' কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আলাওল পদ্মাবতী মধ্যযুগের বাঙালি কবি আলাওলের একটি কাব্য। এটিকে আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাজ বলে গণ্য করা হয়। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি ঊজ্জ্বল নিদর্শন আলাওলের অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ ‘পদ্মাবতী’। মালিক মুহম্মদ জায়সী এর ‘পদুমাবৎ’ কাব্যের অনুবাদ এটি। জায়সী তাঁর কাব্য রচনা করেন ১৫৪০ খ্রিস্টাব্দে। প্রায় ১০০ বছর পর আরাকানের বৌদ্ধ রাজার অমাত্য মাগন ঠাকুরের নির্দেশে আলাওল ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে পদ্মাবতী রচনা করেন। কবি তখন মাগন ঠাকুরের সভাসদ এবং আশ্রিত। পদ্মাবতী কাব্যের কাহিনীতে ঐতিহাসিকতা কতটুকু তা নিশ্চিত হওয়া যায় নি। সম্ভবত কবিচিত্তের কল্পনাই জায়সী এবং আলাওল দুজনকেই প্রভাবিত করেছিল। বাংলায় পদ্মাবতী রচনায় আলাওল মূলত পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দের আশ্রয় নিয়েছেন। মধ্যযুগের ধর্মীয় সাহিত্যের ঘনঘটার মধ্যে এই পদ্মাবতী কাব্যগ্রন্থ স্বতন্ত্ররীতির এক অনুপম শিল্পকর্ম। পদ্মাবতী মৌলিক না হলেও সাবলীল ভাষার ব্যবহার ও মার্জিত ছন্দের নিপুণ প্রয়োগে তা আলাওলের কবিপ্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে।
'বৃত্রসংহার' মহাকাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:
'বৃত্রসংহার' মহাকাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ‘বৃত্রসংহার’ (১৮৭৫ - ৭৭) হেমচন্দ্র বঙ্গোপাধ্যায় রচিত জনপ্রিয় আখ্যান কাব্য। মহাকাব্য হিসেবে পরিচিত। দুই খন্ডে (১ম খন্ড ১ - ১১ সর্গ, ২য় খন্ড ১২ - ১৫ সর্গ) প্রকাশিত হয়। বৃত্রাসুরের স্বর্গজয় ও দধীচির অস্থিনির্মিত বজ্র দ্বারা ইন্দ্রের বৃত্র বধ ও স্বর্গরাজ্য পুনরুদ্ধার এই কাব্রের আখ্যান ভাগ। পৌরাণিক কাহিনির নূতন ব্যাখ্যা ঊনবিংশ শতাব্দীর জীবনজিজ্ঞাসা, অমিত্রাক্ষর ছন্দ্রের ব্যবহার ইত্যাদি। ব্যাপারে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্যে’র অনুসারী। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এই কাব্য অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছিল। বঙ্কিমচন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথ এ কাব্যের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।
'সোনালী কাবিন' কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: আল মাহমুদ
Explanation:
'সোনালী কাবিন' কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আল মাহমুদ সোনালী কাবিন আল মাহামুদের সনেট জাতীয় কাব্য যা ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। আল মাহমুদ যে সকল সাহিত্য রচনা করেছেন তার মধ্যে সোনালী কাবিন তাকে বেশি পরিচিতি প্রদান করেছে। এতে মোট ১৪টি সনেট রয়েছে এবং ৪১টি কবিতা রয়েছে।
আলাওলের 'তোহফা' কোন ধরনের কাব্য?
Correct Answer:
গ: নীতিকাব্য
Explanation:
আলাওলের 'তোহফা' কোন ধরনের কাব্য? সঠিক উত্তর নীতিকাব্য আলাওলের 'তোহফা' কাব্য গ্রন্থটি বিখ্যাত সুফী সাধক শেখ ইউসুফ গদা দেহলভীর 'তোহ্ফাতুন নেসায়েহ্' নামক ফারসি গ্রন্থের অনুবাদ।'তোহফা ' গ্রন্থটি কাব্যাকারে রচিত হলেও ধর্মীয় নীতিকথাই এতে রুপ লাভ করেছে।
কবি গানের প্রথম কবি কে?
Correct Answer:
ক: গোঁজলা পুট [গুই]
Explanation:
কবি গানের প্রথম কবি কে? সঠিক উত্তর গোঁজলা পুট [গুই] আঠার শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে সমাজে কবি গানের প্রচলন ছিল, যাদের হিন্দু সমাজে কবিওয়ালা ও মুসলিম সমাজে শায়েম বলা হতো। কবিওয়ালাদের যিনি প্রাচীন তার নাম গোঁজলা গুই। এছাড়া কয়েকজন বিখ্যাত কবিওয়ালার নাম রামবসু, অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি ,হরু ঠাকুর , নিধুবাবু ,কেষ্টা মুচি, ভবানী।
' তোহফা' কাব্যটি কে রচনা করেন?
Correct Answer:
ঘ: আলাওল
Explanation:
' তোহফা' কাব্যটি কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর আলাওল 'তোহফা কাব্যটি ম্যধযুগের শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ আলাওল রচনা করেন। তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ রচনা 'পদ্মাবতী' তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: সিকান্দারনামা , সয়ফুলমুলুক - বদিউজ্জামাল । মধ্যযুগে বাংলা রোমান্টিক কাব্যধারার পথিকৃৎ দৌলত কাজীর শ্রেষ্ঠ রচনা 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী'। মাগন ঠাকুরের রচনা হিসেবে 'চন্দ্রাবতী' কাব্যের উল্লেখ পাওয়া যায়। মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়কাব্যের কবি হিসেবে সাবিরিদ খান কালিকামঙ্গল কাব্যধারার 'বিদ্যাসুন্দর ' কাহিনির অন্যতম কবি রুপে স্বীয় কৃতিত্ব প্রদর্শন করেছেন।
কবিগানের প্রথম রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: গোঁজলা পুট (গুই)
Explanation:
কবিগানের প্রথম রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর গোঁজলা পুট (গুই) ১৮ শতকের শেষার্ধে ও ১৯ শতকের প্রথমার্ধে সমাজে কবি গানের প্রচলন ছিল, যাদের হিন্দু সমাজে কবিওয়ালা ও মুসলিম সমাজে শায়ের বলা হত । এছাড়াও কয়েকজন বিখ্যাত কবিওয়ালার নাম - রামবসু, রাসু, নৃসিংহ, অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি, হরু ঠাকুর, নিধুবাবু, কেষ্টা মুচি, ভবানী, রামানন্দ নন্দী ।
চৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনী কাব্য কে রচনা করেন?
Correct Answer:
ক: বৃন্দাবন দাস
Explanation:
চৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনী কাব্য কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর বৃন্দাবন দাস ”সই কি শুনাইল শ্যাম নাম" পদটির রচয়িতা কে = চণ্ডীদাস। ○ বাংলা ভাষায় বৈষ্ণবপদাবলীর আদি রচয়িতা কে = চণ্ডীদাস। ○ বৈষ্ণবপদাবলীর আদি কবি কে = বিদ্যাপতি। ○ "সুখের লাগিয়া এই ঘর বাঁধিনু অনেক পুড়িয়া গেল" এই পদটি র রচয়িতা কে = চণ্ডীদাস। ○ চৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনী কাব্য রচনা করেন = বৃন্দাবন দাস।
' ফুল্লবর' চরিত্রটি মধ্যযুগে কোন কাব্যে পাওয়া যায়?
Correct Answer:
ক: চন্ডীমন্ডল
Explanation:
' ফুল্লবর' চরিত্রটি মধ্যযুগে কোন কাব্যে পাওয়া যায়? সঠিক উত্তর চন্ডীমন্ডল চন্ডীমন্ডল কাব্যের প্রধান চরিত্র - কালাকেতু। > মঙ্গলকাব্যের মূল উপজীব্য - দেব দেবীর গুনগান। > বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য ধারায় সব চেয়ে প্রাচীন ধারা - মনসামঙ্গল কাব্য। > মনসামঙ্গল কাব্যের প্রতিনিধিস্থানীয় ও শ্রেষ্ট কবি - বিজয় গুপ্ত। > 'হাকন্দ' পুরাণ গ্রন্থটির রচয়িতা - ময়ূর ভট্ট।
' সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন ?
Correct Answer:
খ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
' সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন ? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য - সংকলন। এই গ্রন্থে ঊনআশিটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে। এর মধ্যে - 'বিদ্রোহী', 'সর্বহারা', 'সাম্যবাদী', 'মানুষ', 'জীবন বন্দনা', 'খুকী ও কাঠবেড়ালী', 'চল্ চল্ চল্' প্রভৃতি প্রধান।
"দেওয়ানা মদিনা" কোন কাব্যের অন্তুর্গত?
Correct Answer:
ঘ: ময়মনসিংহ গীতিকা
Explanation:
"দেওয়ানা মদিনা" কোন কাব্যের অন্তুর্গত? সঠিক উত্তর ময়মনসিংহ গীতিকা ময়মনসিংহ গীতিকার উল্লেখযোগ্য পালা:স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের আনুকূল্যে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ড.দীনেশ চন্দ্র সেন মৈমনসিংহ গাথা সংগ্রাহক হিসেবে চন্দ্র কুমার দে মহাশয়ের কাছ থেকে নিম্নের পালাগুলো সংগ্রহ করেন। মহুয়াচন্দ্রাবতী (রচয়িতা নয়নচাঁদ ঘোষ)কমলাদেওয়ানা মদিনা (রচয়িতা মনসুর বয়াতী)দস্যু কেনারামের পালা (রচয়িতা চন্দ্রাবতী)কঙ্ক ও লীলা (দামোদর দাস, রঘুসুর, শ্রীনাথ বেনিয়া এবং নয়ানচাঁদ ঘোষ প্রণীত)মলুয়া (এই পালাটির সূচনাতে মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর একটি বন্দনা রয়েছে বলে এর রচয়িতা হিসেবে চন্দ্রাবতীকে মনে করা হয়)দেওয়ান ভাবনা (চন্দ্রাবতী প্রণীত)কাজলরেখারূপবতী
"স্পেন বিজয়" কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: ইসমাইল হোসেন সিরাজী
Explanation:
"স্পেন বিজয়" কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর ইসমাইল হোসেন সিরাজী ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কাব্যগ্রন্থ:অনল - প্রবাহ (১৯০০)আকাঙ্ক্ষা(১৯০৬)উছ্বাস (১৯০৭)উদ্বোধন (১৯০৭)নব উদ্দীপনা (১৯০৭)স্পেন বিজয় কাব্য (১৯১৪)মহাশিক্ষা মহাকাব্য (১ম খণ্ড - ১৯৬৯, ২য় খণ্ড - ১৯৭১)
“আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে” চরণটি কোন কাব্যের?
Correct Answer:
গ: অন্নদামঙ্গল
Explanation:
“আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে” চরণটি কোন কাব্যের? সঠিক উত্তর অন্নদামঙ্গল আমার সন্তান যেন থাকে দুধে - ভাতে’ চরণটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের পৌরাণিক মঙ্গলকাব্য ‘অন্নদামঙ্গল’ - এর অন্তর্গত। এ মঙ্গলকাব্যের চরিত্র ঈশ্বরী পাটনী সন্তানের শুভ কামনায় উক্তিটি করেছেন।
' গোরক্ষ বিজয়' কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনি অবলম্বনে লেখা?
Correct Answer:
গ: নাথধর্ম
Explanation:
' গোরক্ষ বিজয়' কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনি অবলম্বনে লেখা? সঠিক উত্তর নাথধর্ম বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে নাথধর্মের কাহিনি অবলম্বনে রচিত শেখ ফয়জুল্লার একটি উল্লেখ্যযোগ্য কাব্যগ্রন্থ 'গোরক্ষ বিজয়' । এ কাব্যের কাহিনিতে নাথবিশ্বাস - জাত যোগের মহিমা এবং নারী - ব্যভিচারপ্রধান সমাজচিত্র রুপায়িত হয়েছে। শেখ ফয়জুল্লার আরো কয়েকটি গ্রন্থ : গাজীবিজয়; সত্যপীর, রাগনামা , জয়নালের চৌতিশা। উল্লেখ্য , বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে শৈবধর্ম মিশে নাথধর্মের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয়।
মন্সামঙ্গল' কাব্যের একজন প্রধান রচয়িতা হলেন-
Correct Answer:
ঘ: বিজয় গুপ্ত
Explanation:
মন্সামঙ্গল' কাব্যের একজন প্রধান রচয়িতা হলেন- সঠিক উত্তর বিজয় গুপ্ত মনসামঙ্গলের একজন সর্বাধিক প্রচারিত কবি হিসাবে বিজয়গুপ্ত - এর খ্যাতি। তার মনসামঙ্গল (বা পদ্মাপুরাণ) বাংলার জনপ্রিয় কাব্যগুলির মধ্য অন্যতম। গল্পরস সৃজনে, করুণরস ও হাস্যরসের প্রয়োগে, সামাজিক ও রাষ্ট্রিক জীবনের পরিচয়ে, চরিত্র চিত্রণে এবং পাণ্ডিত্যের গুণে বিজয়গুপ্তের পদ্মাপুরাণ একটি জনপ্রিয় কাব্য। বিজয়গুপ্তের পূর্বে আমরা পাই আদি মঙ্গল কবি কানাহরি দত্ত ও বিপ্রদাস পিপলাইকে।
' নকঈ কাঁথার মাঠ' কাব্যের নাকিয়ার নাম-
Correct Answer:
গ: সাজু
Explanation:
' নকঈ কাঁথার মাঠ' কাব্যের নাকিয়ার নাম- সঠিক উত্তর সাজু নকশী কাঁথার মাঠ ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের একটি অনবদ্য আখ্যানকাব্য। বাংলা ভাষায় রচিত এই আখ্যানকাব্যের লেখক বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীম উদ্দীন। বাংলা কবিতার জগতে যখন ইউরোপীয় ধাঁচের আধুনিকতার আন্দোলন চলছিল তখন প্রকাশিত এই কাব্যকাহিনী ঐতিহ্যগত ধারার শক্তিমত্তাকে পুনঃপ্রতিপন্ন করে। এটি জসীমউদদীনের একটি অমর সৃষ্টি হিসাবে বিবেচিত। কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজিতে অনুবাদিত হয়ে বিশ্বপাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল। নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যোপন্যাসটি রূপাই ও সাজু নামক দুই গ্রামীণ যুবক - যুবতীর অবিনশ্বর প্রেমের করুণ কাহিনী। এই দুজনই ছিলেন বাস্তব চরিত্র।
'নসীরা নামা' কাব্য কার রচনা?
Correct Answer:
খ: কবি মরদন
Explanation:
'নসীরা নামা' কাব্য কার রচনা? সঠিক উত্তর কবি মরদন দৌলত কাজীর কাব্যগ্রন্থ 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' । কোরেশী মাগন ঠাকুর - এর কাব্যগ্রন্থ 'চন্দ্রাবতী'। আলাওল - এর কাব্যগ্রন্থ' 'হপ্তপয়কর' 'সিকান্দরনামা ' সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামাল' , 'তোহ্ফা'। 'নসীয়ৎনামা' কাব্যগ্রন্থ আবদুল হাকিমের ।
চৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনীকাব্য রচনা করেন-
Correct Answer:
ক: বৃন্দাবন দাস
Explanation:
চৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনীকাব্য রচনা করেন- সঠিক উত্তর বৃন্দাবন দাস জীবনভিত্তিক এ কাহিনীকাব্যটির নাম 'চৈতন্য - ভাগবত'।
'মেঘদূত' কাব্য কার রচনা?
Correct Answer:
ক: মহাকবি কালিদাস
Explanation:
'মেঘদূত' কাব্য কার রচনা? সঠিক উত্তর মহাকবি কালিদাস কালিদাস সংস্কৃত ভাষার কবি।
'নকশী কাঁথার মাঠ' কি ধরনের কাব্য?
Correct Answer:
খ: গীতিকাব্য
Explanation:
'নকশী কাঁথার মাঠ' কি ধরনের কাব্য? সঠিক উত্তর গীতিকাব্য প্রকাশকাল ১৯২৯ । চাষীর ছেলে রুপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রেম, বিয়ে, সুখময় জীবন, বিচ্ছেদ কাহিনী নিয়ে রচিত। এ কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ করেন E.M. Milford ' Field of the Embroidery Quilt' নামে।
আলাওলের কাব্যের নাম-
Correct Answer:
ঘ: পদ্মাবতী
Explanation:
আলাওলের কাব্যের নাম- সঠিক উত্তর পদ্মাবতী 'পদ্মবতী' আলাওলের অনুবাদমূলক কাব্য। দৌলত উজীর বাহরাম খান - এর কাব্যগ্রন্থ 'লাইলী - মজনু'। ইউসুফ জুলেখা' শাহ মুহম্মদ সগীরের কাহিনী কাব্য। মুহম্মদ কাবীরের কাব্যগ্রন্থ 'মধুমালতী'।
“সারা দুপুর” কাব্যটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: আহসান হাবীব
Explanation:
“সারা দুপুর” কাব্যটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর আহসান হাবীব ‘সারা দুপুর’ কাব্যটির রচয়িতা কবি ও সাংবাদিক আহসান হাবীব (১৯১৭ - ১৯৮৫)। তার প্রকাশিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘রাত্রিশেষ’ (১৯৪৭), ‘ছায়াহরিণ’ (১৯৬২), ‘আশায় বসতি’ (১৩৮১ বাং), ‘মেঘ বলে চৈত্রে যাবো’ (১৯৭৬), ‘দুই হাতে দুই আদিম পাথর’ (১৯৮০), ‘প্রেমের কবিতা’ (১৯৮১), ‘বিদীর্ণ দর্পণে মুখ’ (১৯৮৫) ইত্যাদি অন্যতম।
”নকশী কাঁথা” কোন কবির কাব্য কে আশ্রয় করে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছে ?
Correct Answer:
ঘ: জসীমউদ্দিন
Explanation:
”নকশী কাঁথা” কোন কবির কাব্য কে আশ্রয় করে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছে ? সঠিক উত্তর জসীমউদ্দিন নকশী কাঁথার মাঠ ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের একটি অনবদ্য আখ্যানকাব্য। বাংলাভাষায় রচিত এই আখ্যানকাব্যের লেখক পল্লীকবি জসীমউদ্দীন। বাংলা কবিতার জগতে যখন ইউরোপীয় ধাঁচের আধুনিকতার আন্দোলন চলছিল তখন প্রকাশিত এই কাব্যকাহিনী ঐতিহ্যগত ধারার শক্তিমত্তাকে পুনঃপ্রতিপন্ন করে। এটি জসীমউদদীনের একটি অমর সৃষ্টি হিসাবে বিবেচিত। কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজিতে অনুবাদিত হয়ে বিশ্বপাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল।
চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্য ধারার চরিত্র
Correct Answer:
খ: মনষামঙ্গল
Explanation:
চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্য ধারার চরিত্র সঠিক উত্তর মনষামঙ্গল চাঁদ সওদাগর বাংলা মনসামঙ্গল কাব্য ধারার একটি চরিত্র
মঙ্গল কাব্য ধারার সর্বশেষ কবির নাম কি?
Correct Answer:
খ: ভারতচন্দ্র রায় গুনাকর
Explanation:
মঙ্গল কাব্য ধারার সর্বশেষ কবির নাম কি? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র রায় গুনাকর মঙ্গলকাব্য ধারায় সর্বশেষ কবি ভারতচন্দ্র রায় গুনাকর তিনি ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরন করে
কাব্যমৃতে যে আমাদের অরুচি ধরেছে তার দোষ কার?
Correct Answer:
খ: আমাদের শিক্ষিত ব্যক্তিদের
Explanation:
কাব্যমৃতে যে আমাদের অরুচি ধরেছে তার দোষ কার? সঠিক উত্তর আমাদের শিক্ষিত ব্যক্তিদের আলোচ্য উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর "বই পড়া" প্রবন্ধ থেকে সংগৃহীত যা প্রমথ চৌধুরীর "প্রবন্ধ সংগ্রহ" এর অন্তর্গত। "বই পড়া" প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, "কাব্যামৃতে যে আমাদের অরুচি ধরেছে সে অবশ্য আমাদের দোষ নয়, আমাদের শিক্ষার দোষ। "
‘আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান! না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।’ - এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
Correct Answer:
খ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
‘আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান! না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।’ - এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতাংশটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাত সংগীত কাব্য গ্রন্থের নির্ঝরের স্বপ্নভংগ নামক কবিতার অংশ বিশেষ
আল মাহমুদের কাব্য কোনটি ?
Correct Answer:
খ: লোক লোকান্তর
Explanation:
আল মাহমুদের কাব্য কোনটি ? সঠিক উত্তর লোক লোকান্তর আল মাহমুদ এর কাব্যগুলো হলো - লোক লোকান্তর, কালের কলস, বখতিয়ারের ঘোড়া, আরব্য রজনীর রাজহাঁস, এক চক্ষু হরিণ। এবং তার উল্লেখ যোগ্য কাব্য হলো সোনালি কাবিন
”তন্বী” কাব্যের কবি কে?
Correct Answer:
গ: সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
Explanation:
”তন্বী” কাব্যের কবি কে? সঠিক উত্তর সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বর্ণনা: প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো - প্রথমা(1932)সম্রাট (1940) ফেরারী ফৌজ (1948) সাগর থেকে ফেরা(1956) হরিণ চিতা চিল(1969 )। বুদ্ধদেব বসুর ৱচিত কাব্যগ্রন্থ হলো - বন্দীর বন্দনা (1930 ) পৃথিবীর পথে (1933 )দময়ন্তী (1943 ) ইত্যাদি। সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো - তন্নী(1930) অর্কেস্ট্রা (1935 ) উত্তরফাল্গুনী (1940 )প্রতিদিন (1954 )দশমী (1956 )। বিষ্ণু দে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো - উর্বশী, আর্টেমিস (1933) চোরাবালি (1937 )দিবানিশি (1976 )ইত্যাদি।
চৈতন্য জীবনী কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে?
Correct Answer:
ক: কৃষ্ণদাস কবিরাজ
Explanation:
চৈতন্য জীবনী কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে? সঠিক উত্তর কৃষ্ণদাস কবিরাজ প্রশ্ন : চৈতন্য জীবনী কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে? উত্তৱ: কৃষ্ণদাস কবিরাজ। বর্ণনা : বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের গতানুগতিক ধারায় জীবনী সাহিত্য এক বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে । শ্রীচৈতন্যদেব ও তার কতিপয় শিষ্যের জীবন কাহিনী অবলম্বনে এই জীবনী সাহিত্য সৃষ্টি হয়েছে । এ ধরনের বাস্তব কাহিনী নিয়ে সাহিত্য রচনার বাংলা সাহিত্যে এই প্রথম। চৈতন্যদেবেৱ জীবনী হিসেবে যে বইটি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ তাহলো "চৈতন্যচরিতামৃত" এটি লিখেছেন কৃষ্ণদাস কবিরাজ।
'বড়ায়ি' কোন কাব্যের চারিত্র ?
Correct Answer:
গ: শ্রীকৃষ্ণকীতর্ন
Explanation:
'বড়ায়ি' কোন কাব্যের চারিত্র ? সঠিক উত্তর শ্রীকৃষ্ণকীতর্ন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস নামক জনৈক মধ্যযুগীয় কবি রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রণয়কথা বিষয়ক একটি আখ্যানকাব্য। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে অযত্নরক্ষিত অবস্থায় এই কাব্যের একটি পুথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে তারই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ নামে পুথিটি প্রকাশিত হয়; যদিও কারও কারও মতে মূল গ্রন্থটির নাম ছিল ‘শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ’। বৌদ্ধ - সহজীয়া গ্রন্থ চর্যাপদের পর এটিই আদি - মধ্য বাংলা ভাষার প্রাচীনতম আবিষ্কৃত নিদর্শন।
”পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” কাব্যনাট্যের মৌল বিষয় কি?
Correct Answer:
ক: মুক্তিযুদ্ধ
Explanation:
”পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” কাব্যনাট্যের মৌল বিষয় কি? সঠিক উত্তর মুক্তিযুদ্ধ সৈয়দ শামসুল হকের রচিত ' পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যের মৌল বিষয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।
”মনসামঙ্গল” কাব্যের চরিত্র-
Correct Answer:
গ: বেহুলা লখিন্দর
Explanation:
”মনসামঙ্গল” কাব্যের চরিত্র- সঠিক উত্তর বেহুলা লখিন্দর ' মনসামঙ্গল ' কাব্যের চরিত্র বেহুলা, লখিন্দর, চাঁদ সওদাগর। মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কানাহরি দত্ত।
'নক্মী কাঁথার মাঠ' কোন জাতীয় কাব্য?
Correct Answer:
ক: কাহিনী কাব্য
Explanation:
'নক্মী কাঁথার মাঠ' কোন জাতীয় কাব্য? সঠিক উত্তর কাহিনী কাব্য পল্লিকবি জসীমউদ্দীন এর শ্রেষ্ঠ কাহীনি কাব্য ' নক্সী কাঁথার মাঠ'। এই কাব্যটি ' The Field the Embroidered Quilt ' নামে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন EM Milford। এছাড়া ও তার উল্লেখ যোগ্য কাব্যগ্রন্থ - রাখালী, সোজান বাদিয়ার ঘাট, বালুচর, ধানক্ষেত, মাটির কান্না, মা যে জননী কান্দে, হাসু।
মুসল্মান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য?
Correct Answer:
ক: ইউসুফ জুলেখা
Explanation:
মুসল্মান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য? সঠিক উত্তর ইউসুফ জুলেখা মুসল্মান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য ইউসুফ জুলেখা। ইউসুফ - জোলেখা মধ্যযুগের পুঁথি লেখকদের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রণয় - কাব্য। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে(১৩৯৩ - ১৪০৯ খ্রিষ্টাব্দ) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। শাহ মুহম্মদ সগীর ছাড়াও মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ - জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেন। তার মধ্যে আবদুল হাকিম, শাহ গরিবুল্লাহ, গোলাম সফাতুল্লাহ, সাদেক আলী এবং ফকির মোহাম্মদ উল্লেখযোগ্য।
কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়?
Correct Answer:
ক: বেলা শেষের গান
Explanation:
কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়? সঠিক উত্তর বেলা শেষের গান ধুসর পান্ডুলিপি, ঝরা পালক ও মহাপৃথিবী কবিখ্যাত জীবনানন্দ দাসের। বেলা শেষের গান সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ।
অন্নদামঙ্গল কাব্য কোন যুগের কাব্য?
Correct Answer:
খ: মধ্যযুগ
Explanation:
অন্নদামঙ্গল কাব্য কোন যুগের কাব্য? সঠিক উত্তর মধ্যযুগ অন্নদামঙ্গল কাব্য মধ্যে যুগের কাব্য। অন্নদামঙ্গল রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রচিত একটি মঙ্গলকাব্য। কাব্যটি দেবী অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্য্যব্যঞ্জক। ১৭৫২ খ্রিষ্টাব্দে ভারতচন্দ্র এই কাব্য রচনা করেছিলেন। ভারতচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষক নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় বাংলায় প্রতিমায় দেবী অন্নপূর্ণার পূজা প্রচলন করেন। তিনিই ভারতচন্দ্রকে রায়গুণাকর উপাধি প্রদান করে দেবীর মাহাত্ম্যব্যঞ্জক একটি কাব্য রচনার অনুরোধ করেন। সমগ্র কাব্যটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত: (ক) অন্নদামঙ্গল বা অন্নদামাহাত্ম্য্য, (খ) বিদ্যাসুন্দর বা কালিকামঙ্গল ও (গ) মানসিংহ বা অন্নপূর্ণামঙ্গল। মঙ্গলকাব্য ধারায় অন্নদামঙ্গল কাব্যকে একটি পৃথক শাখা রূপে গণ্য করা হয় না; কারণ ভারতচন্দ্র ভিন্ন অপর কোনো কবি এই বিষয়বস্তু অবলম্বন করে কাব্যরচনা করেননি।
নিচের কোনটি একটি মহাকাব্য?
Correct Answer:
ঘ: মেঘনাবধ
Explanation:
নিচের কোনটি একটি মহাকাব্য? সঠিক উত্তর মেঘনাবধ মেঘনাবধ একটি মহাকাব্য। মেঘনাদবধ কাব্য ১৯ - শতকীয় বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। কাব্যটি তার শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট।
'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: ভারতচন্দ্র
Explanation:
'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে দেবদেবীর গুণগান অর্থাৎ ধর্মবিষয়ক যেসব কাব্য রচিত হয়েছে সেসব কাব্যই মঙ্গলকাব্য। সঠিক উত্তর - - ভারতচন্দ্রের লেখা অন্নদামঙ্গল
কোনটি রবীন্দ্রনাথের কাব্য নয়?
Correct Answer:
ঘ: চক্রবাক
Explanation:
কোনটি রবীন্দ্রনাথের কাব্য নয়? সঠিক উত্তর চক্রবাক চক্রবাক - - রবীন্দ্রনাথের কাব্য নয়। এটি রচনা করেন কাজী নজরুল ইসলাম। চিত্র, সেঁজুতি ও সোনারতরী রচনা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
”ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” কোন কাব্যের উপজীব্য?
Correct Answer:
খ: সাত সাগরের মাঝি-ফররুখ আহমদ
Explanation:
”ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” কোন কাব্যের উপজীব্য? সঠিক উত্তর সাত সাগরের মাঝি-ফররুখ আহমদ সাত সাগরের মাঝি কবি ফররুখ আহমদের একটি কাব্যগ্রন্থ। এতে স্থান পাওয়া একটি কবিতার নামও সাত সাগরের মাঝি। ১৯৪৪ সালের ডিসেম্বর মাসে বইটি প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের ১৯টি কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে পাঞ্জেরী, সিন্দবাদ, আকাশ - নাবিক, ডাহুক, এই সব রাত্রি ইত্যাদি।
দৌলত উজীর বাহরাম খানের কাব্যের নাম কি?
Correct Answer:
খ: লায়লী মজনু
Explanation:
দৌলত উজীর বাহরাম খানের কাব্যের নাম কি? সঠিক উত্তর লায়লী মজনু দৌলত উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের কবি। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ' লাইলী মজনু'' পদ্মাবতী - - আলাওল ইউসুফ জুলেখা - আব্দুল হাকিম সঠিক উত্তর - লাইলী মজনু।
”ইউসুফ জোলেখা” কাব্য লেখেন কে?
Correct Answer:
খ: শাহ মুহম্মদ সগীর
Explanation:
”ইউসুফ জোলেখা” কাব্য লেখেন কে? সঠিক উত্তর শাহ মুহম্মদ সগীর 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যটির লেখ হলেন শাহ মুহাম্মদ সগীর। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহাম্মদ সগীর। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে ইরানের মহাকবি ফেরদৌসী সুফি কবি জামীর মূল কাহিনী অবলম্বনে 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য রচনা করেন।
'তোহফা' কাব্যটি কে রচনা করেন?
Correct Answer:
ক: মধ্যয্যগের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল
Explanation:
'তোহফা' কাব্যটি কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর মধ্যয্যগের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল 'তোহফা' কাব্যটি রচনা করেন মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল।
”ময়নামতি চর” কাব্যটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: বন্দে আলী মিয়া
Explanation:
”ময়নামতি চর” কাব্যটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর বন্দে আলী মিয়া ”ময়নামতি চর” কাব্যটির রচয়িতা বন্দে আলী মিয়া। বন্দে আলী মিয়া (১৫ ডিসেম্বর ১৯০৬ - ১৭ জুন ১৯৭৯) ছিলেন একজন স্বনামধন্য বাংলাদেশি কবি, ঔপন্যাসিক, শিশু - সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও চিত্রকর। কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা: ময়নামতির চর (১৯৩২), অনুরাগ (১৯৩২), অনুরাগ (১৯৩২), পদ্মানদীর চর (১৯৫৩), মধুমতীর চর (১৯৫৩), ধরিত্রী (১৯৭৫)।
মধুসূদন দত্তের “মেঘনাদবধ” কাব্যের উৎস কি?
Correct Answer:
ক: রামায়ণ
Explanation:
মধুসূদন দত্তের “মেঘনাদবধ” কাব্যের উৎস কি? সঠিক উত্তর রামায়ণ মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ' মহাকাব্যের কাহিনীর উৎস সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ। বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য টি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। এ কাব্যে স্বর্গ রয়েছে নাটি। এটি একটি বীররসের কাব্য।
'মহাশ্মশান' মহাকাব্যটি কার রচিত ?
Correct Answer:
গ: কায়কোবাদ
Explanation:
'মহাশ্মশান' মহাকাব্যটি কার রচিত ? সঠিক উত্তর কায়কোবাদ 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যটি কায়কোবাদের রচিত। মুসলমান কবি রচিত জাতীয় আখ্যান কাব্যগুলোর মধ্যে সুপরিচিত মহাকবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কাব্যটি। কায়কোবাদের মহাকবি নামের খ্যাতি এই মহাশ্মশান কাব্যের জন্যই। কাব্যটি তিন খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ডে ঊনত্রিশ সর্গ, দ্বিতীয় খন্ডে চব্বিশ সর্গ, এবং তৃতীয় খন্ডে সাত সর্গ। মোট ষাট সর্গে প্রায় নয়শ' পৃষ্ঠার এই কাব্য বাংলা ১৩৩১, ইংরেজি ১৯০৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়; যদিও গ্রন্থাকারে প্রকাশ হতে আরো ক'বছর দেরী হয়েছিল। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধযজ্ঞকে রূপায়িত করতে গিয়ে কবি বিশাল কাহিনী, ভয়াবহ সংঘর্ষ, গগনস্পর্শী দম্ভ, এবং মর্মভেদী বেদনাকে নানাভাবে চিত্রিত করেছেন। বিশালতার যে মহিমা রয়েছে তাকেই রূপ দিতে চেয়েছিলেন এই কাব্যে।
মনসামঙ্গল কাব্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি কে?
Correct Answer:
খ: বিজয়গুপ্ত
Explanation:
মনসামঙ্গল কাব্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি কে? সঠিক উত্তর বিজয়গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে রচিত মঙ্গলকাব্যের মধ্যে 'মনসামঙ্গল' একটি । কয়েকজন কবি মিলে এটি রচনা করেন। মনসামঙ্গল 'কাব্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি হলেন বিজয় গুপ্ত। এ কাব্যের প্রথম কবিতা রচিয়িতা ও বিজয় গুপ্ত।
”মেঘনাদবধ কাব্য”--- কার লেখা?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
”মেঘনাদবধ কাব্য”--- কার লেখা? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ - এর কাহিনি অবলম্বনে মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচনা করেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য - মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১) । করুণ রসের অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এ মহাকাব্যের সর্গ সংখ্যা ৯টি , যেখানে তিন দিন দুই রাতের ঘটনা বর্ণিত । বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি মাইকেলের আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো - তিত্তোত্তমাসম্ভব (কাব্য , ১৮৬০), শর্মিষ্ঠা (নাটক, ১৮৫৮) , কৃষ্ণকুমারী (নাটক ,১৮৬১), মায়াকানন (নাটক, ১৮৭৩) , বীরঙ্গনা (কাব্য ১৮৬২) ,ব্রজাঙ্গনা (কাব্য ১৮৬১) । তার বীরাঙ্গনা ও শর্মিষ্ঠা হলো যথাক্রমে বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য এবং সার্থক নাটক।
”চন্ডীমঙ্গল” কাব্যের প্রধান কবি কে?
Correct Answer:
গ: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
Explanation:
”চন্ডীমঙ্গল” কাব্যের প্রধান কবি কে? সঠিক উত্তর মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্যের ধারায় চণ্ডীমঙ্গলের একটি বিশিষ্ট স্থান আছে। চণ্ডীমঙ্গলের কাহিনী অবলম্বনে অনেক কবি কাব্য রচনা করেছিলেন। এদের মধ্যে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান কবি হলেন কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ।