poetry MCQs
Showing 50 questions (Total: 204)
'দি ক্যাপটিভ লেডি' কাব্যটি লিখেছেন --
Correct Answer:
খ: মাইকেল মধুসূদন
Explanation:
'দি ক্যাপটিভ লেডি' কাব্যটি লিখেছেন -- সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন "দি ক্যাপটিভ লেডি" - কাব্যটি লিখেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি, নাট্যকার এবং প্রহসন রচয়িতা। তিনি সনেট এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। "দি ক্যাপটিভ লেডি" তার রচিত কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত হয়। তার অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো - ব্রজাঙ্গনা কাব্য, তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য।
”অন্নদামঙ্গল” কাব্য কে রচনা করেন?
Correct Answer:
খ: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
Explanation:
”অন্নদামঙ্গল” কাব্য কে রচনা করেন? সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর 'অন্নদামঙ্গল'কাব্য রচনা করেন কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। তিনি ছিলেন মঙ্গল কাব্যধারার সর্বশেষ কবি । তার রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি ছিল অভিনব বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ, আধ্যাত্মিকতামুক্ত।
মহাকবি আলাওল রচিত কাব্য কোনটি?
Correct Answer:
গ: পদ্মাবতী
Explanation:
মহাকবি আলাওল রচিত কাব্য কোনটি? সঠিক উত্তর পদ্মাবতী আরাকান রাজসভার কবি আলাওল রচিত কাব্যগুলো হলো পদ্মাবতী, সয়ফুলমুলক বদিউজ্জামাল, হপ্তপয়কর, তোহফা, সিকান্দরনামা, রাগতালনামা , পদাবলী প্রভৃতি।
”দিবা রাত্রির কাব্য” কোন ধরনের রচনা?
Correct Answer:
খ: উপন্যাস
Explanation:
”দিবা রাত্রির কাব্য” কোন ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর উপন্যাস 'দিবা রাত্রির কাব্য' (১৯৩৫) উপন্যাস । এটি রচনা করেন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। লেখকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - জননী (১৯৩৫) ,পদ্মা নদীর মাঝি (১৯৩৬)।
”সঞ্চিতা” কোন কবির কাব্য সংকলন?
Correct Answer:
খ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
”সঞ্চিতা” কোন কবির কাব্য সংকলন? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য সংকলন। ১৯২৮ সালে এটি প্রকাশ পায় । তিনি এ গ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উৎসর্গ করেন। ৭৮ টি কবিতা ও গানের সংকলন এটি। 'সঞ্চয়িতা' (১৯৩১) রবীন্দ্রনাথকৃত নিজ কবিতার সংকলন। 'কাব্য সঞ্চয়ন' (১৯৩০) সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কাব্য সংকলন।
'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যটির রচয়িতা--
Correct Answer:
খ: দৌলত কাজী
Explanation:
'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যটির রচয়িতা-- সঠিক উত্তর দৌলত কাজী "সতী ময়না ও লোর চন্দ্রানী " - কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা দৌলত কাজী। দৌলত কাজী ছিলেন মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি। তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন, যদিও তার লেখার ভাষা ছিল বাংলা। তিনি "সতী ময়না ও লোর চন্দ্রানী" কাব্য রচনা করে বাংলার বিশিষ্ট কবিদের মাঝে নিজের অবস্থান করে নিয়েছেন। বাংলা কাব্যে ধর্মনিরপেক্ষ প্রণয়কাহিনীর তিনি পথিকৃৎ।
”রৈবতক”, ”কুরুক্ষেত্র”, ”প্রভাস” - এ ত্রয়ী মহাকাব্যের রচয়িতা--
Correct Answer:
গ: নবীনচন্দ্র সেন
Explanation:
”রৈবতক”, ”কুরুক্ষেত্র”, ”প্রভাস” - এ ত্রয়ী মহাকাব্যের রচয়িতা-- সঠিক উত্তর নবীনচন্দ্র সেন মাইকেল মধুসূদন দত্তের আদর্শ সামনে রেখে নবীনচন্দ্র সেন মহাকাব্য রচনায় আত্মনিয়োগ করলেও কাহিনী নির্বাচনে স্বকীয় বৈশিষ্ট্য দেখিয়েছেন। প্রশ্নে উল্লেখিত মহাকাব্য ত্রয়ী নবীনচন্দ্র সেন মহাভারত , ভাগবত বিষ্ণুপুরাণ প্রভৃতি কৃষ্ণলীলাবিষয়ক গ্রন্থ থেকে উপকরণ নিয়ে তৎকালীন ভারতের সমাজ ও ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে কৃষ্ণচরিত্র অবলম্বনে চৌদ্দ বছরে এ মহাকাব্য রচনা করেন। কাহিনীগত তাৎপর্যে এ কাব্যসমূহ ঊনবিংশ শতাব্দীর মহাভারত নামে অভিহিত । এ কাব্যে রয়েছে কবির ধর্মবোধ ও স্বজাতবোধ। এ কাব্যের মূল বক্তব্য নিষ্কাম কর্ম ও নিষ্কাম প্রেমের ডোরে আর্য অনার্যদের রাখিবন্ধন এবং অখণ্ড হিন্দু সংস্কৃতির পত্তন।
”পদ্মাবতী” কাব্য রচনা করেন---
Correct Answer:
খ: আলাওল
Explanation:
”পদ্মাবতী” কাব্য রচনা করেন--- সঠিক উত্তর আলাওল মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি আলাওল। আরাকান রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের উৎসাহে কাব্য রচনা করেন। তার রচিত কাব্যগ্রন্থ পদ্মাবতী ,সয়ফুমুলক বদিউজ্জামাল, হপ্ত পয়কর, সিকান্দরনামা ও তোহ্ফা বা তত্ত্বোপদেশ। এছাড়া কবি দৌলত কাজীর অসম্পূর্ণ কাব্য 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী'র উত্তরাংশ রচনা করেন। পদ্মাবতী হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবত' কাব্যের ভাবানুবাদ । দুই খণ্ডে রচিত এ কাব্যে পদ্মাবতী ও রত্নসেনের প্রণয় আলোচনা করা হয়েছে। হীরামণি পাখির দূরদর্শিতার কথা উল্লেখ আছে। পদ্মাবতীর সৌন্দার্যকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ ও পদ্মাবতীর সহমরণত্ব উল্লেখ করা হয়েছে।
লায়লী মজনু কাব্যে রচয়িতা---
Correct Answer:
গ: দৌলত উজির বাহরাম খান
Explanation:
লায়লী মজনু কাব্যে রচয়িতা--- সঠিক উত্তর দৌলত উজির বাহরাম খান ফারসি কবি আবদুর রহমান জামির 'লায়লী - মজনু' কাব্যের ভাবানুবাদ দৌলত উজির বাহরাম খানের 'লায়লী মজনু' কাব্য । আমির পুত্র কায়েস বাল্যকালে বণিককন্যা লায়লীর প্রেমে পড়ে মজনু বা পাগল নামে খ্যাত হয়। লায়লী ও মজনুর প্রতি গভীর আকর্ষণ বোধ করে। কিন্তু উভয়ের বিবাহে আসে প্রবল বাধা। মজনু পাগলরুপে বনে জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে থাকে। অন্যদিকে লায়লীর অন্য এক বিয়ে হলে ও তার মন থেকে মজনু সরে যায়নি। তাদের দীর্ঘ বিরহ জীবনের অবসান ঘটে করুণ মৃত্যুর মাধ্যমে।
'দিবারাত্রির কাব্য' কার লেখা উপন্যাস?
Correct Answer:
ঘ: মানিক বন্দোপাধ্যায়
Explanation:
'দিবারাত্রির কাব্য' কার লেখা উপন্যাস? সঠিক উত্তর মানিক বন্দোপাধ্যায় "দিবারাত্রির কাব্য" মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস : জননী, পুতুল নাচের ইতিকথা, পদ্মানদীর মাঝি।
শাহনামা কোথাকার মহাকাব্য?
Correct Answer:
গ: পারস্য
Explanation:
শাহনামা কোথাকার মহাকাব্য? সঠিক উত্তর পারস্য পারস্যের মহাকাব্য হলো 'শাহনামা' । ফেরদৌসী ফারসি ভাষায় রচিত এ মহাকাব্যটি বাংলায় অনুবাদ করেন মোজাম্মেল হক।
'মেঘনাদবধ কাব্য'- এর রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
'মেঘনাদবধ কাব্য'- এর রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য "মেঘনাদবধ কাব্য"(১৮৬১)। রামায়ণ এর কাহিনি অবলম্বনে তিনি এ গ্রন্থ রচনা করেন। এ মহাকাব্যটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
'রৈবতক ', কুরুক্ষেত্র ,' প্রভাস-এই ত্রয়ী মহাকাব্য কার রচনা?
Correct Answer:
গ: নবীনচন্দ্র সেন
Explanation:
'রৈবতক ', কুরুক্ষেত্র ,' প্রভাস-এই ত্রয়ী মহাকাব্য কার রচনা? সঠিক উত্তর নবীনচন্দ্র সেন ' রৈবতক', 'কুরুক্ষেত্র', 'প্রভাস' - - - এই ত্রয়ী মহাকাব্য নবীনচন্দ্র সেন এর রচনা। 'রৈবতক' (১৮৮৭), 'কুরুক্ষেত্র' (১৮৯৩) ও 'প্রভাস' (১৮৯৬) এই কাব্যত্রয়ীতে নবীনচন্দ্র সেনের কবি প্রতিভার প্রকাশ ঘটেছে। কাব্য তিনখানির নায়ক কৃষ্ণ। 'রৈবতকে' কৃষ্ণের আদি, 'কুরুক্ষেত্রে' মধ্য ও 'প্রভাসে' অন্তর্লীলার কাহিনী বর্ণিত।
আমি ভালো আছি , তুমি?- কাব্যটি কে রচনা করেছেন?
Correct Answer:
ঘ: দাউদ হায়দার
Explanation:
আমি ভালো আছি , তুমি?- কাব্যটি কে রচনা করেছেন? সঠিক উত্তর দাউদ হায়দার 'আমি ভালো আছি, তুমি?' - - কাব্যটি দাউদ হায়দার রচনা করেছেন। দাউদ হায়দারের গ্রন্থ - - জন্মই আমার আজন্ম পাপ, যে দেশে সবাই অন্ধ, ভালোবাসার বাগান থেকে একটি গোলাপ তুমি চেয়েছিলে, আমি ভালো আছি তুমি? পাথরের পুঁথি, এই শাওনে এই পরবাসে।
”দিবারাত্রির কাব্য” উপন্যাসটি কার লেখা?
Correct Answer:
ক: মানিক বন্দোপাধ্যায়
Explanation:
”দিবারাত্রির কাব্য” উপন্যাসটি কার লেখা? সঠিক উত্তর মানিক বন্দোপাধ্যায় মানিক বন্দোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস 'দিবারাত্রির কাব্য'। তারআআরো কয়েকটি উপন্যাস হলো - - জননী, পুতুল নাচের ইতিকথা, পদ্মানদীর মাঝি, আরোগ্য ইত্যাদি।
গাহি তাহাদের গান --- ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান। --পংক্তিটি কোন কবির রচনা?
Correct Answer:
ক: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
গাহি তাহাদের গান --- ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান। --পংক্তিটি কোন কবির রচনা? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম বাংলার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত জীবন - বন্দনা' কবিতার পংক্তি এটি। কবিতাটিতে কবি মানব মুক্তির উদাত্ত বাণী উচ্চারণ করেছেন। কবি তাদের জয়গান গেয়েছেন যারা কঠিন শ্রমিক পৃথিবী কে ভরিয়ে দেয় ফল ও ফসল, যারা মৃত্যু সময় পৃথিবী কে করে তুলেছে মনোরম ও সুন্দর, যারা মানব কল্যাণে আত্মহুতি দিয়েছে দেশে দেশে কালে কালে।
'সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
Correct Answer:
গ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
'সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম 'সঞ্চিতা' কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিভিন্ন কাব্য থেকে বাছাইকৃত কবিতা নিয়ে প্রকাশিত কবিতা গ্রন্থের নাম। এটি ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। কবি ও কাব্য গ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে উৎসর্গ করেন।
'সঞ্চয়িতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
'সঞ্চয়িতা' কোন কবির কাব্য সংকলন? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন সঞ্চয়িতা। এ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এর কবিতাগুলো কালানুক্রমে সজ্জিত। প্রথমে সন্ধ্যাসংগীত কাব্যগ্রন্থ থেকে পড়ে শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থের কবিতা এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি রবীন্দ্রনাথের অত্যাধিক জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য কোনটি?
Correct Answer:
খ: ঝরা পালক
Explanation:
জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য কোনটি? সঠিক উত্তর ঝরা পালক জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য ঝরা পালক । জীবনানন্দের কাব্যগ্রন্থসমূহের প্রকাশকাল সম্পর্কে বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য যে, কয়েকটি কাব্যগ্রন্থের একাধিক পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল। নিচে কেবল প্রথম প্রকাশনার বৎসর উল্লিখিত। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালক প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে। এর দীর্ঘ কাল পর ১৯৩৬ - এ প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ধূসর পাণ্ডুলিপি। ইত্যবসরে কবির মনোজগতে যেমন পরিবর্তন হয়েছে তেমনি রচনাকৌশলও অর্জন করেছে সংহতি এবং পরিপক্বতা। তার তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ বনলতা সেন প্রকাশিত হয় ১৯৪২ - এ। এটি "কবিতাভবন সংস্করণ" নামে অভিহিত। সিগনেট প্রেস বনলতা সেন প্রকাশ করে ১৯৫২ - তে। বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থের কবিতাসমূহ সহ পরবর্তী কবিতাগ্রন্থ মহাপৃথিবী ১৯৪৪ - এ প্রকাশিত। জীবনানন্দর জীবদ্দশায় সর্বশেষ প্রকাশিত গ্রন্থ সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮)। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুর কিছু আগে প্রকাশিত হয় জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা।
কোনটি মহাকাব্য?
Correct Answer:
ক: মহাশ্মশান
Explanation:
কোনটি মহাকাব্য? সঠিক উত্তর মহাশ্মশান আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ। তার রচিত মহাকাব্য মহাশ্মশান (১৯০৪ )। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে তিনি এ মহাকাব্য রচনা করেন। নীল দর্পন হলো দীনবন্ধু মিত্রের লেখা।
”পদ্মাবতী” কাব্যের রচয়িতা আলাওল কোন যুগের কবি?
Correct Answer:
খ: মধ্য যুগের
Explanation:
”পদ্মাবতী” কাব্যের রচয়িতা আলাওল কোন যুগের কবি? সঠিক উত্তর মধ্য যুগের মধ্যযুগের অন্যতম কবি আলাওল। সতের শতকের কবি আলাওল ছিলেন আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি। তার রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো - পদ্মাবতী, হপ্ত পয়কার, সিকান্দার নামা, তোহফা। মধ্যযুগের কয়েকজন কবি হল - শাহ মুহম্মদ সগীর, দৌলত কাজী, সারিবিদ খান।
'ময়নামতির চর' কাব্যটি কে লিখেছেন?
Correct Answer:
খ: বন্দে আলী মিয়া
Explanation:
'ময়নামতির চর' কাব্যটি কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর বন্দে আলী মিয়া কবি ঔপন্যাসিক ও শিশু সাহিত্যক বন্দে আলী মিয়ার কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো - ময়নামতির চর, অনুরাগ, রূপবতী রাজকন্যা, অরণ্য গোধূলি, অস্তাচল, কাব্য বীথিকা ইত্যাদি।
”বীরাঙ্গনা কাব্য” কার রচনা?
Correct Answer:
ঘ: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
”বীরাঙ্গনা কাব্য” কার রচনা? সঠিক উত্তর মাইকেল মধুসূদন দত্ত মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি কাব্য "বীরাঙ্গনা"। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। এ কাব্যে মোট ১১ টি পত্র আছে। এ কাব্যে মধুসূদন দত্ত পৌরাণিক নারীদের আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত করেছেন।
”বন্দী শিবির থেকে” কাব্যটি কার লেখা?
Correct Answer:
ক: শামসুর রাহমান
Explanation:
”বন্দী শিবির থেকে” কাব্যটি কার লেখা? সঠিক উত্তর শামসুর রাহমান শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ "প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে " ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। তার রচিত "বন্দী শিবির থেকে " কাব্যগ্রন্থটি একটি বিখ্যাত কাব্য। এ কাব্য লিখেই তিনি খ্যাতি অর্জন করে।
১৯ শতকের 'মহিলা' কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার
Explanation:
১৯ শতকের 'মহিলা' কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার কবি, সাহিত্যিক। যশোর জেলার জগন্নাথপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। তিনি কলকাতার ফ্রি চার্চ ইনস্টিটিউশন, হেয়ার স্কুল এবং ওরিয়েন্টাল সেমিনারিতে শিক্ষালাভ করেন। সংস্কৃত, ফারসি ও ইংরেজি ভাষা এবং দর্শন ও সাহিত্যে তাঁর পারদর্শিতা ছিল। কলকাতার ঠাকুরবাড়ি এস্টেটে তিনি কিছুদিন চাকরি করেন। সুরেন্দ্রনাথ বিবিধার্থসংগ্রহ, সমীরণ, চিকিৎসাতত্ত্ব বিজ্ঞান ও নলিনী পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন। ইন্দ্রিয়ানুভূতি ও দেহজ প্রেম তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়। ষড়ঋতুবর্ণন (১৮৫৬), সবিতা সুদর্শন (১৮৭০), ফুল্লরা (১৮৭০), বর্ষবর্তন (১৮৭২), মহিলা (১৮৮০) তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ। এগুলির মধ্যে মহিলা তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা; এতে মাতা, জায়া ও পত্মীরূপে নারীর বন্দনা করা হয়েছে। বিশ্বরহস্য (১৮৭৭) তাঁর একটি গদ্য রচনা। এছাড়া হামির নামে একটি নাটকও তিনি রচনা করেছেন। পাঁচ খন্ডে তিনি রাজস্থানের ইতিবৃত্ত নামে টডের গ্রন্থের অনুবাদ (১৮৭২ - ১৮৭৩) করেন। চৈত্রমেলা উপলক্ষে ১৮৬৯ সালে তিনি ভারতের ব্রিটিশ শাসন পরিদর্শন নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেন।
১৯ শতকের 'মহিলা ' কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ঘ: রহিমুন্নেসা
Explanation:
১৯ শতকের 'মহিলা ' কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রহিমুন্নেসা রহিমুন্নিসা (১৮শ শতক) অন্ত্যমধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন কবি। তাকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নারী কবি বলা হয়ে থাকে। মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষায় তার যথেষ্ট জ্ঞান ছিল। তার রচিত লাইলী মজনু কাব্যে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে তার অন্য কোনো লেখা পাওয়া যায়নি। [১] তাকেই মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মুসলমান মহিলা কবি বলা হয়।
”মহাশ্মশান” মহাকাব্যের রচয়িতার নাম--
Correct Answer:
ঘ: কায়কোবাদ
Explanation:
”মহাশ্মশান” মহাকাব্যের রচয়িতার নাম-- সঠিক উত্তর কায়কোবাদ মহাশ্মশান' মহাকাব্যের রচয়িতা কায়কোবাদ। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১ ) অবলম্বনে রচিত এ কাব্যের তিনটি খণ্ডে ৬০ টি সর্গ রয়েছে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য "মেঘনাদবধ কাব্য" ।
”বড়ায়ি” কোন কাব্যের চরিত্র?
Correct Answer:
গ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
Explanation:
”বড়ায়ি” কোন কাব্যের চরিত্র? সঠিক উত্তর শ্রীকৃষ্ণকীর্তন 'বড়ায়ি' মধ্যযুগের প্রথম কাব্য "শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্যের চরিত্র। এ কাব্যের প্রধান চরিত্র হলো - কৃষ্ণ ও রাধা। 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যের প্রধান চরিত্র - ফুল্লরা, কালকেতু, ধনপতি। মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র হলো - চাঁদ সওদাগর, বেহুলা ও লখিন্দর।
”পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” কাব্যনাট্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
গ: সৈয়দ শামসুল হক
Explanation:
”পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” কাব্যনাট্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ শামসুল হক "পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় " সৈয়দ শামসুল হকের লেখা মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কাব্যনাট্য। এটি তার প্রথম রচিত কাব্যনাট্য। এছাড়া তার রচিত কাব্যনাট্য হলো - নুরুলদীনের সারা জীবন, গণনায়ক, ঈর্ষা।
”রূপসী বাংলা” কাব্যের কবির নাম--
Correct Answer:
ঘ: জীবনানন্দ দাশ
Explanation:
”রূপসী বাংলা” কাব্যের কবির নাম-- সঠিক উত্তর জীবনানন্দ দাশ ”রূপসী বাংলা” কাব্যের কবির নাম জীবনানন্দ দাশ । বাংলা সাহিত্যের রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা' । এ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয় । জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঝরাপালক' (১৯২৮) ।
কোন কাব্যটি শামসুর রাহমানের রচনা নয়?
Correct Answer:
ঘ: সোনালী কাবিন
Explanation:
কোন কাব্যটি শামসুর রাহমানের রচনা নয়? সঠিক উত্তর সোনালী কাবিন সোনালী কাবিন - কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আল মাহমুদ। এটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। এ কাব্যগ্রন্থের সোনালী কাবিন নামক কবিতাটি চৌদ্দটি সনেটের সমন্বয়ে রচিত দীর্ঘ কবিতা।
”রাখালী” কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: জসীমউদ্দীন
Explanation:
”রাখালী” কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর জসীমউদ্দীন পল্লীকবি জসীমউদ্দিনের(১৯০৩ - ১৯৭৬) প্রথম কাব্যগ্রন্থ "রাখালী। তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ হলো - নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, ধানখেত, হাসু ইত্যাদি।
”পূরবী” কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
ক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:
”পূরবী” কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ - পূরবী ১৯২৫ সাল। তার রচিত মোট কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৫৬ টি। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ও প্রথম গ্রন্থ কবিকাহিনী।
”গোরক্ষ বিজয়” কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনী অবলম্বনে লেখা?
Correct Answer:
গ: নাথধর্ম
Explanation:
”গোরক্ষ বিজয়” কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনী অবলম্বনে লেখা? সঠিক উত্তর নাথধর্ম ”গোরক্ষ বিজয়” কাব্য নাথধর্ম মতের কাহিনী অবলম্বনে লেখা । বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নাথধর্মের কাহিনী অবলম্বনে রচিত শেখ ফয়জুল্লার একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ 'গোরক্ষ বিজয়' । এ কাব্যের কাহিনীতে নাথবিশ্বাস - জাত যোগের মহিমা এবং নারী - ব্যভিচারপ্রধান সমাজচিত্র রূপায়িত হয়েছে । শেখ ফয়জুল্লার আরো কয়েকটি গ্রন্থ : গাজীবিজয, সত্যপীর, রাগনামা, জয়নালের চৌতিশা । উল্লেখ্য, বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে শৈবধর্ম মিশে নাথধর্মের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয় ।
মেঘনাদ বধ কাব্যের রচনা কাল ----
Correct Answer:
ক: ১৮৬১
Explanation:
মেঘনাদ বধ কাব্যের রচনা কাল ---- সঠিক উত্তর ১৮৬১ মেঘনাদবধ কাব্য'র রচনাকাল জুন ১৮৬১ সাল এবং প্রকাশকালও একই সাল। সংস্কৃত কবি বাল্মিকীর 'রামায়ণ' অবলম্বনে এ অমর কাব্যের সৃষ্টি করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এ কাব্যের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো - রাবণ, মেঘনাদ, রাম ইত্যাদি।
”গীতাঞ্জলি” কাব্যটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
Correct Answer:
খ: ১৯১০
Explanation:
”গীতাঞ্জলি” কাব্যটি কত সালে প্রকাশিত হয়? সঠিক উত্তর ১৯১০ "গীতাঞ্জলি " কাব্যটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে প্রথম ভারতীয় ও এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ইংরেজিতে অনূদিত এ গ্রন্থটির নাম Song offering.
'মহাশ্মশান' মহাকাব্যটি কার রচনা?
Correct Answer:
গ: কায়কোবাদ
Explanation:
'মহাশ্মশান' মহাকাব্যটি কার রচনা? সঠিক উত্তর কায়কোবাদ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) অবলম্বনে কায়কোবাদের (১৮৫৭ - ১৯৫১) শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্হ 'মহাশ্মশান' (মহাকাব্য) রচিত । উল্লেখ্য, মহাকাব্যটি ধারাবাহিকভাবে মুহম্মদ রওশন আলী সম্পাদিত 'কোহিনূর' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
আল-মাহমুদ-এর কাব্য নয়-
Correct Answer:
ঘ: হেমলকের পেয়ালা
Explanation:
আল-মাহমুদ-এর কাব্য নয়- সঠিক উত্তর হেমলকের পেয়ালা বাংলাদেশের অন্যতম কবি আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্য গ্রন্থ হলো - লোক লোকান্তর, কালের কলস, সোনালী কাবিন, অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না, বখতিয়ারের ঘোড়া, দোয়েল ও দয়িতা। সঠিক উত্তর - হেমলকের পেয়ালা।
”সঞ্চিতা” কাব্য সংকলনটির রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
”সঞ্চিতা” কাব্য সংকলনটির রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম "সঞ্চিতা" - কাব্য সংকলনটির রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম। এ কাব্য সংকলনটির বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়। এ গ্রন্থে ৭৮ টি কবিতা ও গান সংকলিত হয়েছে।
”মেঘনাদবধ কাব্য” এর কাহিনী কোথা থেকে গৃহীত?
Correct Answer:
ক: রামায়ণ
Explanation:
”মেঘনাদবধ কাব্য” এর কাহিনী কোথা থেকে গৃহীত? সঠিক উত্তর রামায়ণ মেঘনাদবধ' কাব্য - এর কাহিনি সংস্কৃত মহাকাব্য "রামায়ণ" থেকে গৃহীত। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে এ কাব্যটি রচনা করেন। অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এ কাব্যের সর্গের সংখ্যা ৯ টি।
আল মাহমুদের কাব্য কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: কালের কলস
Explanation:
আল মাহমুদের কাব্য কোনটি? সঠিক উত্তর কালের কলস আল মাহমুদের রচিত কাব্য "কালের কলস"। তার রচিত শ্রেষ্ঠ কাব্য "সোনালি কাবিন"। এছাড়া তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো - লোক লোকান্তর, বখতিয়ারের ঘোড়া, ফুলের কাছে।
”পদ্মাবতী” কাব্যের রচয়িতা কে?
Correct Answer:
খ: সৈয়দ আলাওল
Explanation:
”পদ্মাবতী” কাব্যের রচয়িতা কে? সঠিক উত্তর সৈয়দ আলাওল মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি সৈয়দ আলাওল রচিত "পদ্মাবতী" হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবৎ' কাব্যের অনুবাদক। পদ্মাবতী তার অমর কীর্তি। তার রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ - সয়ফুলমুলক - বদিউজ্জামাল, হপ্তপয়কার, তোহফা, সিকান্দারনামা।
মাইকেল মধুসুধন দত্তের 'বীরঙ্গনা কাব্য' কী ধরনের রচনা?
Correct Answer:
ঘ: পত্রকাব্য
Explanation:
মাইকেল মধুসুধন দত্তের 'বীরঙ্গনা কাব্য' কী ধরনের রচনা? সঠিক উত্তর পত্রকাব্য ১৮৫৭ সালে সংঘটিত সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতামন্ত্রে উজ্জীবিত হয় রাবণকে নায়ক ও রামকে খলনায়ক করে মধুসূদন রচনা করেন মহাকাব্য - - মেঘনাদবধ। মধুসূদন দত্তের "রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক গীতিকাব্য " ব্রজাঙ্গনা। বীরাঙ্গনা - মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য।
'ইউসুফ- জোলেখা' কাব্যের রচয়িতা -
Correct Answer:
গ: শাহ মুহম্মদ সগীর
Explanation:
'ইউসুফ- জোলেখা' কাব্যের রচয়িতা - সঠিক উত্তর শাহ মুহম্মদ সগীর দৌলত কাজী মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ বিশিষ্ট কবি। তার রচিত কাব্যগ্রন্থ সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী। শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি। তার রচিত কাব্য গ্রন্থ হলো - ইউসুফ জোলেখা। এ কাব্যে প্রেমতত্ত্বের পরিবর্তে মানব প্রেমের প্রধান্য পরিলক্ষিত হয়।
কোন দু'জন বাংলা কাব্যে প্রথম প্রচুর পরিমাণ আরবি- ফারসি শব্দ ব্যবহার করেন?
Correct Answer:
ক: মোহিতলাল মজুমদার ও কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
কোন দু'জন বাংলা কাব্যে প্রথম প্রচুর পরিমাণ আরবি- ফারসি শব্দ ব্যবহার করেন? সঠিক উত্তর মোহিতলাল মজুমদার ও কাজী নজরুল ইসলাম মোহিতলাল মজুমদার সৃজনধর্মী সাহিত্য সমালোচক ও প্রবন্ধকাররূপে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেন। তিনি একজন নিপুণ ও শব্দ সচেতন কবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবদ্দশাতেই তার কাব্য আপন বৈশিষ্ট্যে প্রোজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল। নজরুল ইসলামের পূর্বে আরবি - ফারসি শব্দের সার্থক প্রয়োগ তার রচনায়ই বিশেষভাবে লক্ষণীয়।ভাবে ও ভাষায় প্রচলিত কাব্যরীতিতে মোহিতলাল ছিলেন বিদ্রোহীস্বরূপ। বাংলা সাহিত্যের দেহাত্মবাদী কবি হিসেবে তার রয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।তার কাব্যে ক্লাসিক্যাল ভঙ্গি এবং রোমান্টিক ভাবের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।
”সাতনরীর হার” কাব্যখানি কে লিখেছেন?
Correct Answer:
গ: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
Explanation:
”সাতনরীর হার” কাব্যখানি কে লিখেছেন? সঠিক উত্তর আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত "সাতনরী হার" কাব্যগ্রন্থটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়। তার আরো কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ হলো - কখনো রং কখনো সুর, কমলের চোখ, আমি কিংবদন্তির কথা বলছি।
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কাব্যনাট্য কোনটি?
Correct Answer:
গ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
Explanation:
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কাব্যনাট্য কোনটি? সঠিক উত্তর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় সাব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক রচিত 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সার্থক কাব্যনাট্য। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যনাট্য হলো - নুরুলদীনের সারা জীবন, গণনায়ক ইত্যাদি। সেলিম আল দীনের লেখা - জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন।
কোনটি কাব্যনাট্য?
Correct Answer:
গ: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
Explanation:
কোনটি কাব্যনাট্য? সঠিক উত্তর পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় সৈয়দ শামসুল হকের রচিত কাব্যনাট্য। তার আরো কয়েকটি কাব্যনাট্য হলো - গণনায়ক, নুরুলদীনের সারা জীবন, এখানে এখন ঈর্ষা, যুদ্ধ এবং যুদ্ধ।
বাংলা কাব্যে “ভোরের পাখি” বলা হয়?
Correct Answer:
গ: বিহারীলাল চক্রবর্তী
Explanation:
বাংলা কাব্যে “ভোরের পাখি” বলা হয়? সঠিক উত্তর বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা কাব্যে “ভোরের পাখি” বলা হয় বিহারীলাল চক্রবর্তীকে । বাংলা কাব্যে 'ভোরের পাখি' বলা হয় বিহারীলাল চক্রবর্তীকে । ব্যক্তির অন্তলীনতি, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও গীতোচ্ছ্বাস সহযোগে কবিতা রচনা করে বাংলা গীতিকবিতাকে নতুন এক প্রেরণা দান করেন বিহারীলাল । বাংলা গীতিকবিতায় তার অবদানস্বরূপ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন । অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপাধি - বিশ্বকবি এবং ছদ্মনাম - ভানুসিংহ । কায়কোবাদের প্রকৃত নাম কাজল আল কোরায়েশী । তার ছন্দনাম - কায়কোবাদ । মোহিতলাল মজুমদারের ছদ্মনা - কৃত্তিবাস ওঝা, সত্যসুন্দর দাস ।