Pronoun MCQs
Showing 19 questions (Total: 19)
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ------
Correct Answer:
খ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
Explanation:
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ------ সঠিক উত্তর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্যউত্তর: সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য: বাংলা ভাষার দুটি রূপ—সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা। দুটি রূপের মধ্যে যেমন প্রকৃতিগত সাদৃশ্য রয়েছে, তেমনি পার্থক্যও রয়েছে। নিচে এ দুয়ের পার্থক্য আলোচনা করা হলো। সাধু ভাষা চলিত ভাষা ১। যে ভাষায় সাধারণত সাহিত্য রচিত হয় এবং যা মার্জিত ও সর্বজনস্বীকৃত, তাই সাধু ভাষা। ১। শিক্ষিত লোক সাধারণ কথাবার্তায় যে ভাষা ব্যবহার করে থাকে, তা - ই চলিত ভাষা। ২। সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী। ২। চলিত ভাষার সুনির্ধারিত ব্যাকরণ আজও তৈরি হয়নি। ৩। সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী। ৩। চলিত ভাষা সহজ ও স্বাভাবিক। এ ভাষা মানুষের মনোভাব প্রকাশে উপযোগী। ৪। সাধু ভাষার কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়। ৪। চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল। ৫। সাধু ভাষা কৃত্রিম। ৫। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। ৬। সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় তেমন উপযোগী নয়। ৬। চলিত ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় বেশ উপযোগী। ৭। সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়ে থাকে। যেমন—খাইতেছি, তাহারা ইত্যাদি। ৭। চলিত ভাষায় ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত। যেমন—খাচ্ছি, তারা ইত্যাদি। ৮। এ ভাষা প্রাচীন। ৮। এটি আধুনিক। ৯। সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। ৯। চলিত ভাষায় অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রয়োগ বেশি। ১০। সাধু ভাষায় অপনিহিত ও অভিশ্রুতির ব্যবহার নেই। ১০। চলিত ভাষায় এদের প্রয়োগ লক্ষণীয়। সাধুরীতি থেকে চলিতরীতিতে পরিবর্তনের নিয়ম নিচে উল্লিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে সাধু ভাষাকে চলিত ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়: ই - স্বরধ্বনির লোপ: ক্রিয়াপদের মধ্যে ই - স্বরধ্বনি থাকলে চলিত রীতিতে ই - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—খাইব>খাব, আসিবে>আসবে। উ - স্বরধ্বনির লোপ: চলিত রীতিতে উ - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—হউক>হোক, থাউক>থাক। হ - কারের লোপ: চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় পদের মধ্যে হ - কারের লোপ হয়। যেমন—তাহা>তা, যাহা>যা। উ - ধ্বনির পরিবর্তন: পদের শেষে অ - আ স্বরধ্বনি থাকলে চলিতরীতিতে পূর্ববর্তী উ - স্বরধ্বনি ও - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়।যেমন—শুন>শোন উঠে>ওঠে। আ - ধ্বনির পরিবর্তন: পূর্ববর্তী ই - ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অক্ষরের আ - ধ্বনি এ - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—গিয়া>গিয়ে মিঠা>মিঠে। অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে পরিবর্তন: অপিনিহিত, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে সাধুরীতির পরিবর্তন ঘটে। যেমন—করিয়া>করে, ছুটিয়া>ছুটে।উদাহরণ:সাধুরীতি: দেখিলাম, এই সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো আসিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল হইতে সে জাগিয়া উঠে নাই। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের উপর সকালের আলো ঠিকরিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু বরফ এখনো গলিল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!চলিতরীতি: দেখলাম, এ সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো এসে পড়েছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল থেকে সে জেগে ওঠেনি। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের ওপর সকালের আলো ঠিকরে পড়েছে, কিন্তু বরফ এখনো গলল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!
' তুমি এতক্ষণ কী করেছ?' ---এই বাক্যে 'কী' কোন পদ?
Correct Answer:
গ: সর্বনাম
Explanation:
' তুমি এতক্ষণ কী করেছ?' ---এই বাক্যে 'কী' কোন পদ? সঠিক উত্তর সর্বনাম বিশেষণ হলো যা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের দোষ, গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। যেমন - ভালো , ছোট, বড়, পাঁচটি ইত্যাদি। অব্যয় হলো যে পদের কোনো পরিবর্তন নেই। যেমন - এবং, কিংবা ,কিন্তু অথবা ইত্যাদি। সর্বনাম হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে। যেমন - আমি , তুমি, সে, তাকে আমার ইত্যাদি। ক্রিয়া হলো যে পদ দ্বারা কার্য সম্পন্ন হয় । যেমন - করা, খাওয়া, যাওয়া ইত্যাদি। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে 'তুমি' ও 'কী' উভয়ই সর্বনাম।
ব্যতিহারিক সর্বনাম কোনটি?
Correct Answer:
গ: নিজে নিজে
Explanation:
ব্যতিহারিক সর্বনাম কোনটি? সঠিক উত্তর নিজে নিজে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সর্বনামসমূহকে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে ব্যতিহারিক সর্বনাম অন্যতম। কতিপয় ব্যতিহারিক সর্বনাম হলো - আপনা - আপনি, নিজে - নিজে, আপসে, পরস্পর ইত্যাদি।
নিচের কোনটি সর্বনাম?
Correct Answer:
গ: বালক
Explanation:
নিচের কোনটি সর্বনাম? সঠিক উত্তর বালক সঠিক উত্তর হবে : খ। কি
ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় ---
Correct Answer:
খ: সাধু ভাষারীতিতে
Explanation:
ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় --- সঠিক উত্তর সাধু ভাষারীতিতে বাক্যে লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এ রীতি গুরুগম্ভীর তৎসম শব্দবহুল। সাধুরীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপোযোগী। এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
ভাষার সর্বনাম ব্যবহারের উদ্দেশ্য কি ?
Correct Answer:
খ: বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি দূর করা
Explanation:
ভাষার সর্বনাম ব্যবহারের উদ্দেশ্য কি ? সঠিক উত্তর বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি দূর করা বিশেষ্যের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। ভাষায় সর্বনাম ব্যবহারের উদ্দেশ্য বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি দূর করা।
ভাষায় সর্বনামের ব্যবহারের উদ্দেশ্য কি?
Correct Answer:
খ: বিশেষ্যের পুনরায়বৃত্তি দূর করা
Explanation:
ভাষায় সর্বনামের ব্যবহারের উদ্দেশ্য কি? সঠিক উত্তর বিশেষ্যের পুনরায়বৃত্তি দূর করা বিশেষ্যের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম পদ বলে। যেমন - রহিম ভালো ছেলে। সে প্রতিদিন স্কুলে যায়। দ্বিতীয় বাক্যে 'সে' শব্দটি প্রথম বাক্যের 'রহিম' বিশেষ্য পদটির পুনরাবৃত্তি দূর করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
কোনটি সর্বনাম পদ ?
Correct Answer:
খ: তাঁরা
সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয়েছে কোন বাক্যে?
Correct Answer:
গ: ওরে, আজ যাসনে ঘরের বাহিরে।
Explanation:
সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয়েছে কোন বাক্যে? সঠিক উত্তর ওরে, আজ যাসনে ঘরের বাহিরে। সর্বনাম শব্দের অর্থ সকল নাম। অর্থাৎ সব রকম নামের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয় যে পদ, তাকে সর্বনাম পদ বলা হয়। সুতরাং বিশেষ্য পদ এর পরিবর্তে যে পথ ব্যবহৃত হয় তাকেই বলা হয় সর্বনাম।
সংযোগজ্ঞাপক সর্বনাম কোনটি?
Correct Answer:
ক: যে
Explanation:
সংযোগজ্ঞাপক সর্বনাম কোনটি? সঠিক উত্তর যে দূরত্ববাচক : ঐ, ঐসব, সব ৫. সাকল্যবাচক : সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ ৬. প্রশ্নবাচক : কে, কি, কী, কোন, কাহার, কার, কিসে ৭. অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক : কোন, কেহ, কেউ, কিছু ৮. ব্যতিহারিক : আপনা আপনি, নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর ৯. সংযোগজ্ঞাপক : যে, যিনি, যাঁরা, যাহারা ১০. অন্যাদিবাচক : অন্য, অপর, পর
সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয়েচে কোন বাক্যে ?
Correct Answer:
খ: কে আমারে লহিরে ডাকয়িা কাছে?
Explanation:
সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয়েচে কোন বাক্যে ? সঠিক উত্তর কে আমারে লহিরে ডাকয়িা কাছে? কে আমারে লহিবে ডাকিয়া কাছে? এ বাক্যে 'কে' সর্বনাম পদ।
'আমি' 'আমার' এগুলো কোন সর্বনাম পদ ?
Correct Answer:
ঘ: ব্যক্তিবাচক
Explanation:
'আমি' 'আমার' এগুলো কোন সর্বনাম পদ ? সঠিক উত্তর ব্যক্তিবাচক বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে। ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক: আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা ইত্যাদি।
নিচের কোনটি সর্বনামের প্রকারভেদ নয়?
Correct Answer:
ঘ: পূরণবাচক
Explanation:
নিচের কোনটি সর্বনামের প্রকারভেদ নয়? সঠিক উত্তর পূরণবাচক বিশেষ্যের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম বলে। ভাষায় সর্বনামের ব্যবহারের উদ্দেশ্য হলো বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি দূর করা। যেমন - যারা দেশের ডাকে সাড়া দিতে পারে, তারাই তো সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ।
কোনটি বাতিহারিক সর্বনাম?
Correct Answer:
গ: নিজে-নিজে
পারস্পরিক সর্বনাম কোনটি ?
Correct Answer:
গ: নিজে
‘আমি’, ‘আমরা’ এগুলো কোন সর্বনাম পদ?
Correct Answer:
ঘ: ব্যক্তিবাচক
Explanation:
‘আমি’, ‘আমরা’ এগুলো কোন সর্বনাম পদ? সঠিক উত্তর ব্যক্তিবাচক বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে। ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক: আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা ইত্যাদি।
ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়-
Correct Answer:
ঘ: সাধু ভাষারীতিতে
Explanation:
ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়- সঠিক উত্তর সাধু ভাষারীতিতে সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাধুরীতি ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে এবং পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত। এ রীতিতে সর্বনাম , ক্রিয়া, ও অনুসর্গে র পূর্ণ রূপ ব্যবহার করা হয়। যেমন: আসিয়া (সাধু > এস (চলিত); তাহাকে (সাধু) তাকে (চলিত) ; অপেক্ষা (সাধু) > চেয়ে (চলিত)।
সর্বনাম Robotics শব্দটি ব্যবহার করেন কে?
Correct Answer:
খ: আইজ্যাক আশিমো