Difference between sadhu and mollycoddled language MCQs
Showing 17 questions (Total: 17)
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ------
Correct Answer:
খ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
Explanation:
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ------ সঠিক উত্তর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্যউত্তর: সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য: বাংলা ভাষার দুটি রূপ—সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা। দুটি রূপের মধ্যে যেমন প্রকৃতিগত সাদৃশ্য রয়েছে, তেমনি পার্থক্যও রয়েছে। নিচে এ দুয়ের পার্থক্য আলোচনা করা হলো। সাধু ভাষা চলিত ভাষা ১। যে ভাষায় সাধারণত সাহিত্য রচিত হয় এবং যা মার্জিত ও সর্বজনস্বীকৃত, তাই সাধু ভাষা। ১। শিক্ষিত লোক সাধারণ কথাবার্তায় যে ভাষা ব্যবহার করে থাকে, তা - ই চলিত ভাষা। ২। সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী। ২। চলিত ভাষার সুনির্ধারিত ব্যাকরণ আজও তৈরি হয়নি। ৩। সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী। ৩। চলিত ভাষা সহজ ও স্বাভাবিক। এ ভাষা মানুষের মনোভাব প্রকাশে উপযোগী। ৪। সাধু ভাষার কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়। ৪। চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল। ৫। সাধু ভাষা কৃত্রিম। ৫। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। ৬। সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় তেমন উপযোগী নয়। ৬। চলিত ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় বেশ উপযোগী। ৭। সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়ে থাকে। যেমন—খাইতেছি, তাহারা ইত্যাদি। ৭। চলিত ভাষায় ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত। যেমন—খাচ্ছি, তারা ইত্যাদি। ৮। এ ভাষা প্রাচীন। ৮। এটি আধুনিক। ৯। সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। ৯। চলিত ভাষায় অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রয়োগ বেশি। ১০। সাধু ভাষায় অপনিহিত ও অভিশ্রুতির ব্যবহার নেই। ১০। চলিত ভাষায় এদের প্রয়োগ লক্ষণীয়। সাধুরীতি থেকে চলিতরীতিতে পরিবর্তনের নিয়ম নিচে উল্লিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে সাধু ভাষাকে চলিত ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়: ই - স্বরধ্বনির লোপ: ক্রিয়াপদের মধ্যে ই - স্বরধ্বনি থাকলে চলিত রীতিতে ই - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—খাইব>খাব, আসিবে>আসবে। উ - স্বরধ্বনির লোপ: চলিত রীতিতে উ - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—হউক>হোক, থাউক>থাক। হ - কারের লোপ: চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় পদের মধ্যে হ - কারের লোপ হয়। যেমন—তাহা>তা, যাহা>যা। উ - ধ্বনির পরিবর্তন: পদের শেষে অ - আ স্বরধ্বনি থাকলে চলিতরীতিতে পূর্ববর্তী উ - স্বরধ্বনি ও - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়।যেমন—শুন>শোন উঠে>ওঠে। আ - ধ্বনির পরিবর্তন: পূর্ববর্তী ই - ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অক্ষরের আ - ধ্বনি এ - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—গিয়া>গিয়ে মিঠা>মিঠে। অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে পরিবর্তন: অপিনিহিত, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে সাধুরীতির পরিবর্তন ঘটে। যেমন—করিয়া>করে, ছুটিয়া>ছুটে।উদাহরণ:সাধুরীতি: দেখিলাম, এই সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো আসিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল হইতে সে জাগিয়া উঠে নাই। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের উপর সকালের আলো ঠিকরিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু বরফ এখনো গলিল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!চলিতরীতি: দেখলাম, এ সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো এসে পড়েছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল থেকে সে জেগে ওঠেনি। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের ওপর সকালের আলো ঠিকরে পড়েছে, কিন্তু বরফ এখনো গলল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য-----
Correct Answer:
ঘ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
Explanation:
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য----- সঠিক উত্তর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য বিদ্যমান। সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য: বাংলা ভাষার দুটি রূপ—সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা। দুটি রূপের মধ্যে যেমন প্রকৃতিগত সাদৃশ্য রয়েছে, তেমনি পার্থক্যও রয়েছে। নিচে সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য আলোচনা করা হলো ক্রম সাধু ভাষা চলিত ভাষা ১ যে ভাষায় সাধারণত সাহিত্য রচিত হয় এবং যা মার্জিত ও সর্বজনস্বীকৃত, তাই সাধু ভাষা। শিক্ষিত লোক সাধারণ কথাবার্তায় যে ভাষা ব্যবহার করে থাকে, তা - ই চলিত ভাষা। ২ সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী। চলিত ভাষার সুনির্ধারিত ব্যাকরণ আজও তৈরি হয়নি। ৩ সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী। চলিত ভাষা সহজ ও স্বাভাবিক। এ ভাষা মানুষের মনোভাব প্রকাশে উপযোগী। ৪ সাধু ভাষার কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়। ৪। চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল। ৫ সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় তেমন উপযোগী নয়। চলিত ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় বেশ উপযোগী। ৬ সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়ে থাকে। যেমন—খাইতেছি, তাহারা ইত্যাদি। চলিত ভাষায় ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত। যেমন—খাচ্ছি, তারা ইত্যাদি। ৭ এ ভাষা প্রাচীন। এটি আধুনিক। ৮ সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। চলিত ভাষায় অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রয়োগ বেশি। ৯ সাধু ভাষা কৃত্রিম। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। ১০ ৫। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। চলিত ভাষায় এদের প্রয়োগ লক্ষণীয়। সাধুরীতি থেকে চলিতরীতিতে পরিবর্তনের নিয়মনিচে উল্লিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে সাধু ভাষাকে চলিত ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়: ই - স্বরধ্বনির লোপ: ক্রিয়াপদের মধ্যে ই - স্বরধ্বনি থাকলে চলিত রীতিতে ই - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—খাইব>খাব, আসিবে>আসবে। উ - স্বরধ্বনির লোপ: চলিত রীতিতে উ - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—হউক>হোক, থাউক>থাক। হ - কারের লোপ: চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় পদের মধ্যে হ - কারের লোপ হয়। যেমন—তাহা>তা, যাহা>যা। উ - ধ্বনির পরিবর্তন: পদের শেষে অ - আ স্বরধ্বনি থাকলে চলিতরীতিতে পূর্ববর্তী উ - স্বরধ্বনি ও - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—শুন>শোন উঠে>ওঠে। আ - ধ্বনির পরিবর্তন: পূর্ববর্তী ই - ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অক্ষরের আ - ধ্বনি এ - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—গিয়া>গিয়ে মিঠা>মিঠে। অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে পরিবর্তন: অপিনিহিত, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে সাধুরীতির পরিবর্তন ঘটে। যেমন—করিয়া>করে, ছুটিয়া>ছুটে। উদাহরণ:সাধুরীতি: দেখিলাম, এই সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো আসিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল হইতে সে জাগিয়া উঠে নাই। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের উপর সকালের আলো ঠিকরিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু বরফ এখনো গলিল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!চলিতরীতি: দেখলাম, এ সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো এসে পড়েছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল থেকে সে জেগে ওঠেনি। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের ওপর সকালের আলো ঠিকরে পড়েছে, কিন্তু বরফ এখনো গলল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় কোন পদে সবচেয়ে বেশি?
Correct Answer:
গ: ক্রিয়া ও সর্বনামে
সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য
Correct Answer:
গ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ---
Correct Answer:
ঘ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রুপগত ভিন্নতায়
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি বেশি দেখা যায়?
Correct Answer:
ঘ: ক্রিয়া ও সর্বনাম
Explanation:
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি বেশি দেখা যায়? সঠিক উত্তর ক্রিয়া ও সর্বনাম সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে বেশি দেখা যায়। সাধুরীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রুপ লাভ করে। যেমন - ভাষারীতি : সর্বনাম বিশেষ্য ক্রিয়া সাধু: তাহারা ভাত খাইতেছিল তারা ভাত খাচ্ছিল
সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য হয়_
Correct Answer:
খ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনামে
Explanation:
সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য হয়_ সঠিক উত্তর ক্রিয়াপদ ও সর্বনামে সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়ে থাকে। যেমন—খাইতেছি, তাহারা ইত্যাদি। চলিত ভাষায় ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত। যেমন—খাচ্ছি, তারা ইত্যাদি।
সাধু ও চলিত ভাষার মুল পার্থক্য কোন পদে বেশি দেখা যায়?
Correct Answer:
ঘ: ক্রিয়া ও সর্বনাম
Explanation:
সাধু ও চলিত ভাষার মুল পার্থক্য কোন পদে বেশি দেখা যায়? সঠিক উত্তর ক্রিয়া ও সর্বনাম সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়া পদে বেশি পরিলক্ষিত হয়। সাধুরীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে। সাধুরীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
কোন বাক্যটি প্রমিত চলিত রীতিতে লেখা হয়েছে?
Correct Answer:
ক: খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম
Explanation:
কোন বাক্যটি প্রমিত চলিত রীতিতে লেখা হয়েছে? সঠিক উত্তর খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম 'খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম' বাক্যটিতে প্রমিত চলিত রীতি ব্যবহার করা হয়েছে।
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন কোন পদে বেশি ?
Correct Answer:
খ: ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে
Explanation:
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন কোন পদে বেশি ? সঠিক উত্তর ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে সাধু ও চলিত রীতির মূল পার্থক্য সূচিত হয় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপভেদে। যেমন সাধু ও চলিত রূপ যথাক্রমে বন্য - বুনো, দেখিয়া - দেখে, তাহার - তার।
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোথায়?
Correct Answer:
ক: সর্বনাম ও ক্রিয়া
Explanation:
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোথায়? সঠিক উত্তর সর্বনাম ও ক্রিয়া সাধুরীতির বৈশিষ্ট্যঃ বাংলা লেখ্য সাধুরীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এই রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। সাধুরীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী। এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে। . A 5. B চিতা' ধারার চলতিরীতির বৈশিষ্ট্যঃ চলিতরীতি পরিবর্তনশীল। একশ বছর আগে যে চলিতরীতি সে যুগের শিষ্ট ও ভদ্রজনের কথিত ভাষা বা মুখের বুলি হিসেবে প্রচলিত ছিল, কালের প্রবাহে বর্তমানে তা অনেকটা পরিবর্তিত রূপ লাভ করেছে। এই রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। চলিতরীতি সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য এবং বক্তৃতা, আলাপ - আলোচনা নাট্যসংলাপের জন্য বেশি উপযোগী।
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশী বেশী দেখা যায়?
Correct Answer:
ঘ: ক্রিয়া ও সর্বনাম
কোনটি সাধুভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
Correct Answer:
ঘ: তৎসম শব্দবহুল
কোন ভাষারীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট?
Correct Answer:
গ: সাধু ভাষা
চলিত রীতির প্রবর্তক কে?
Correct Answer:
গ: প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
চলিত রীতির প্রবর্তক কে? সঠিক উত্তর প্রমথ চৌধুরী প্রমথ চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক। তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রুপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। তিনি "সবুজপত্র " পত্রিকা সম্পাদনের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন।
সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য -
Correct Answer:
খ: ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
সাধুও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপেব্যবহৃত হয়?
Correct Answer:
ক: অব্যয়