Saint tradition MCQs
Showing 19 questions (Total: 19)
সাধুরীতির শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: গ্রহ
Explanation:
সাধুরীতির শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর গ্রহ সাধু শব্দের অর্থ শিষ্ট, ভদ্র বা মার্জিত। বাংলা গদ্য সাহিত্যের শুরু থেকে শিষ্টজনেরা এ ভাষায় সাহিত্য চর্চা করতেন। তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ সাধুরীতি শব্দ। এ শব্দ কোনো রূপ পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। যেমন - চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, গৃহ, ক্ষেত, কর্ণ, ভবন, নক্ষত্র, পাত্র, ধর্ম ইত্যাদি।
সাধু ভাষা সাধারণত কোথায় অনুপযোগী?
Correct Answer:
ঘ: নাটকের সংলাপে
Explanation:
সাধু ভাষা সাধারণত কোথায় অনুপযোগী? সঠিক উত্তর নাটকের সংলাপে নাটকের সংলাপ ব্যতিত প্রায় সব জায়গায় সাধু ভাষার ব্যাবহার চলে।
সাধু ও চলিত রীতি বাংলা ভাষার কোনরূপে বিদ্যমান ?
Correct Answer:
গ: লেখ্য
Explanation:
সাধু ও চলিত রীতি বাংলা ভাষার কোনরূপে বিদ্যমান ? সঠিক উত্তর লেখ্য বাংলা ভাষার লৈখিক বা লেখ্য রুপের দুটো রীতি রয়েছে: একটি চলিত রীতি (standard colloquial Style), অপরটি সাধু রীতি (Standard written form )।
নিচের কোনটি সাধুরীতির উদাহরণ?
Correct Answer:
খ: তখন গভীর ছায়া নামিয়া আসিল সবখানে
Explanation:
নিচের কোনটি সাধুরীতির উদাহরণ? সঠিক উত্তর তখন গভীর ছায়া নামিয়া আসিল সবখানে ততোধিক শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ততঃ + অধিক। এটি বিসর্গ সন্ধি সাধিত শব্দ। অ - ধ্বনির পরিস্থিত বিসর্গ এর পরে অ - ধ্বনি থাকলে অ + ঃ + অ - এ তিন মিলে ও কার হয়।
সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরুপে ব্যবহৃত হয়--
Correct Answer:
ক: অব্যয়
Explanation:
সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরুপে ব্যবহৃত হয়-- সঠিক উত্তর অব্যয় সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরুপে ব্যবহৃত হয় - - অব্যয়। ব্যাকরণের একটি পদ। বাক্যের মধ্যে ব্যবহারের সময় যে পদের কোনো পরিবর্তন ঘটে না তাকে অব্যয় পদ বলে। বাংলা ব্যাকরণ মতে– বাক্যে বা শব্দের সাথে ব্যবহৃত যে সকল ধ্বনি - বিভক্তি, বচন, লিঙ্গ ও কারকভেদে কোনভাবে পরিবর্তন হয় না, সে সকল পদকে অব্যয় বলে।
সাধুরীতিতে কোন পদটির দীর্ঘরুপ হয় না?
Correct Answer:
গ: অব্যয়
Explanation:
সাধুরীতিতে কোন পদটির দীর্ঘরুপ হয় না? সঠিক উত্তর অব্যয় সাধুরীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়ার পূর্ণ ও দীর্ঘরূপ ব্যবহৃত হয় এবং সাধু রীতিতে অব্যয় পদটির দীর্ঘরুপ হয় না।
নিচের কোনটি সাধুরীতির উদারহরণ ?
Correct Answer:
খ: তখন গভীর ছায়া নামিয়া আসিল সবখানে
Explanation:
নিচের কোনটি সাধুরীতির উদারহরণ ? সঠিক উত্তর তখন গভীর ছায়া নামিয়া আসিল সবখানে সাধু ভাষার ব্যাকরণের নিয়ম অনেকটা সুনির্ধারিত এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট অনুকরণে পরিকল্পিত যে নতুন সর্বজনীন গদ্যরীতি বাংলা সাহিত্যে প্রবর্তিত হয়, তাকে সাধু ভাষা বলে । প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলঃ তখন গভীর ছায়া নামিয়া আসিল সবখানে ।
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য কোন কোন পদে বেশি ?
Correct Answer:
গ: সর্বনাম ও ক্রিয়া পদে
Explanation:
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য কোন কোন পদে বেশি ? সঠিক উত্তর সর্বনাম ও ক্রিয়া পদে সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়া পদে বেশি পরিলক্ষিত হয় । Normal 0 false false false EN - US X - NONE X - NONE /* Style Definitions */ table.MsoNormalTable {mso - style - name:"Table Normal"; mso - tstyle - rowband - size:0; mso - tstyle - colband - size:0; mso - style - noshow:yes; mso - style - priority:99; mso - style - qformat:yes; mso - style - parent:""; mso - padding - alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt; mso - para - margin - top:0in; mso - para - margin - right:0in; mso - para - margin - bottom:10.0pt; mso - para - margin - left:0in; line - height:115%; mso - pagination:widow - orphan; font - size:11.0pt; font - family:"Calibri", "sans - serif"; mso - ascii - font - family:Calibri; mso - ascii - theme - font:minor - latin; mso - hansi - font - family:Calibri; mso - hansi - theme - font:minor - latin; mso - bidi - font - family:"Times New Roman"; mso - bidi - theme - font:minor - bidi;}
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য সূচিত হয়-
Correct Answer:
ঘ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনামে
সাধুরীতিতে কোন পদটি দীর্ঘরূপ হয় না?
Correct Answer:
খ: অব্যয়
Explanation:
সাধুরীতিতে কোন পদটি দীর্ঘরূপ হয় না? সঠিক উত্তর অব্যয় ব্যয় মানে পরিবর্তন। এই পরিবর্তন হচ্ছে বচনে, লিঙ্গে ও বিভক্তিকে। কিন্তু যে পদে বচনে, লিঙ্গে ও বিভক্তিতে কোনো পরিবর্তন ঘটে না, তা অব্যয়। যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না তাই অব্যয়।
বাংলা ভাষার সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য কোনটি ?
Correct Answer:
খ: সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে
Explanation:
বাংলা ভাষার সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য কোনটি ? সঠিক উত্তর সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে বাংলা ভাষার সাধুরীতি কিছু বৈশিষ্ট্য হলো - ক. বাংলা লেখ্য সাধুরীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়মন অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। খ. সাধু ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের প্রাধান্য। গ. সাধুরীতির গদ্য এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্যের অধিকারী। ঘ. এ রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী। ঙ. এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে। সুতরাং সঠিক উত্তর (b)।
সাধুরীতিতে শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: গ্রহ
Explanation:
সাধুরীতিতে শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর গ্রহ সাধুরীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।যেমন: গ্রহ,সূর্য, নক্ষত্র,চন্দ্র,ভবন,ধর্ম ইত্যাদি। তাই সঠিক উত্তর: গ্রহ।
কোন বাক্যে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ ঘটেছে?
Correct Answer:
গ: অতঃপর তারা চলিয়া গেল
Explanation:
কোন বাক্যে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ ঘটেছে? সঠিক উত্তর অতঃপর তারা চলিয়া গেল "অতঃপর তারা চলিয়া গেল" - বাক্যে সাধু রীতি ও চলিত রীতির মিশ্রণ ঘটেছে,অর্থাৎ বাক্যটি গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত।যদি বাক্যটিকে সাধু রীতিতে লেখা হয়,তাহলে বাক্যটি হবে - "অতঃপর তাহারা চলিয়া গিয়েছিল।" আর যদি চলিত রীতিতে লেখা হয়,তাহলে বাক্যটি হবে - অতঃপর তারা চলে গেল।
সাধু ভাষার কোন কোন পদ বিশেষ রীতি মেনে চলে?
Correct Answer:
গ: সর্বনাম ও ক্রিয়া
Explanation:
সাধু ভাষার কোন কোন পদ বিশেষ রীতি মেনে চলে? সঠিক উত্তর সর্বনাম ও ক্রিয়া যে ভাষায় সাধারণত সাহিত্য রচিত হয় এবং যা মার্জিত ও সর্বজনস্বীকৃত, তাই সাধু ভাষা। সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়ে থাকে। যেমন—খাইতেছি, তাহারা ইত্যাদি।
সাধুরীতি শব্দ কোনটি?
Correct Answer:
ক: গ্রহ
Explanation:
সাধুরীতি শব্দ কোনটি? সঠিক উত্তর গ্রহ সাধু শব্দের অর্থ শিষ্ট,ভদ্র বা মার্জিত। বাংলা গদ্য সাহিত্যের শুরু থেকে শিষ্টজনেরা এ ভাষায় সাহিত্য চর্চা করেতেন। তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ সাধুরীতি শব্দ। এ শব্দ কোনো রূপ পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। যেমন - চন্দ্র,সূর্য,গ্রহ,গৃহ,বৃক্ষ,ক্ষেত কর্ণ ইত্যাদি।
একই বাক্য রচনায় সাধু ও চলিত ভাষারীতির মিশ্রণকে কী বলে?
Correct Answer:
ক: গুরুচণ্ডলী দোষ
Explanation:
একই বাক্য রচনায় সাধু ও চলিত ভাষারীতির মিশ্রণকে কী বলে? সঠিক উত্তর গুরুচণ্ডলী দোষ গুরুচণ্ডালী দোষ: তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এই দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়। যেমন - অশুদ্ধ - গরুর শকট ( দেশি + তৎসম ) । শুদ্ধ রূপ - গরুর গাড়ি ( দেশি + দেশি ) ।
নিচের কোনটি সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য নয়?
Correct Answer:
খ: তদ্ভব শব্দ বহুল
Explanation:
নিচের কোনটি সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য নয়? সঠিক উত্তর তদ্ভব শব্দ বহুল সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাধু রীতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো - এটি ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে; এর পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত; এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল এবং নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী। তদ্ভব শব্দবহুলতা হলো চলিত ভাষা রীতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
সাধু রীতি ও চলিতরীতির পার্থক্য কোন পদে বেশি?
Correct Answer:
ঘ: ক্রিয়া ও সর্বনাম
Explanation:
সাধু রীতি ও চলিতরীতির পার্থক্য কোন পদে বেশি? সঠিক উত্তর ক্রিয়া ও সর্বনাম সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়া পদে বেশি পরিলক্ষিত হয় ।
কোনটি সাধুভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
Correct Answer:
ঘ: তৎসম শব্দবহুল