Sentence Refinement MCQs
Showing 39 questions (Total: 39)
কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
Correct Answer:
ক: একটা গোপনীয় কথা বলি
Explanation:
কোনটি শুদ্ধ বাক্য? সঠিক উত্তর একটা গোপনীয় কথা বলি বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ: শুদ্ধ বলা বা লেখা সৃজনশীল কাজ। আর এই শুদ্ধ বলা বা লেখা নির্ভর করে ব্যাকরণের ওপর। ব্যাকরণ ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত ও শৃংখলাবদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলে। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ বলে বা লেখে। ব্যাকরণজ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ অর্থাৎ অপপ্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। ভাষা অপপ্রয়োগের ক্ষেত্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাষার অপপ্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ১. শব্দ রূপান্তজাত অপপ্রয়োগ: দৈন্যতা, মাধুর্যতা, সমসাময়িক, উদ্ধেলিত, চোখের দৃষ্টিশক্তি, মাতাহারা। ২. শব্দদ্বিত্ব অপপ্রয়োগ : শুধু/কেমলমাত্র, অশ্রুজল, ঘামজল, ভুলত্রুটি, ভুলভ্রান্তি। ৩. সংখ্যাজাত অপপ্রয়োগ : ১ জুলাই/১লা জুলাই। ৪. বচনজাত অপপ্রয়োগ : বড় বড় মানুষরা সব, সকল/সমস্ত /সব যুদ্ধাপরাধীদের। ৫. নির্দেশকজাত অপপ্রয়োগ : এই লোকটি। ৬. সন্ধিজাত অপপ্রয়োগ : লজ্জাস্কর, ইতিমধ্যে, উল্লেখিত, দুরাবস্থা। ৭. সমাসজাত অপপ্রয়োগ : দেশ ও বিদেশে। ৮. উপসর্গজাত অপপ্রয়োগ : সুস্বাগতম, অক্লান্তি হীনভাবে, উপ - পরিচালক। ৯. বিভক্তিজাত অপপ্রয়োগ : আমাদেরকে, তাদেরকে, নারীদেরকে, বাড়িতে। ১০. প্রত্যয়জাত অপপ্রয়োগ : দৈন্যতা, দারিদ্রতা। ১১. চিহ্নজাত অপপ্রয়োগ : সুন্দরী বালিকা, আসমা অস্থিরা, অভাগিনী, কাঙালিনী। ১২. পক্ষজাত অপপ্রয়োগ : আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। ১৩. কারকজাত অপপ্রয়োগ : ছুরিতে, আমের কাননে। ১৪. বিসর্গজাত অপপ্রয়োগ : পুন:প্রচার। ১৫. সমোচ্চারিত অপপ্রয়োগ : তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। ১৬. বাক্যজাত অপপ্রয়োগ : আমি স্বচক্ষে/নিজের চোখে। ১৭. বাচ্যজাত অপপ্রয়োগ : সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়। ১৮. এককথায় প্রকাশ অপপ্রয়োগ : চারিদিকে প্রদক্ষিণ, হাতে কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা। ১৯. প্রবাদ অপপ্রয়োগ : স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ২০. বাগধারা অপপ্রয়োগ : পাকা ধানে আগুন দেয়া। ২১. বানান ও উচ্চারণ অপপ্রয়োগ : প্রাণীজগৎ, কীভাবে, পৃথিবীব্যাপী, স্ত্রীবাচক, শশীভূষণ, মন্ত্রীসভা, স্বামীগৃহ, গুণীজন, নদীতীর, নদীমাতৃক, বৈশাখীমেলা, আগামীকাল। সমাসবদ্ধ শব্দের বানান লেখা হয় ঈ - কার দিয়ে। ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে ঈ - কার হয়ে যায় ই - কার। ঊ - কার হয়ে যায় উ - কার। ণ - হয়ে যায় ন। য - ফলা থাকে না। যেমন: ঘরনি, কানাই/কানু, বোশেখি, সুয্যি, সোনা, সন্ধে ইত্যাদি। প্রাদেশিক ও বিদেশি শব্দ হলে /ছ/য/ণ/ষ/ঞ্জ/ঞ্চ/ ঈ - কার/উ - কার বসে না তবুও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন: লুংগি, ডেংগু, ঠান্ডা, ঝান্ডা, লন্ঠন, মিসরি, পসন্দ, নামাজ, ওজু, ইস্টার্ন, স্টোর, ইনজিন, ইনজিনিয়ার, সেনচুরি, তির (ধনুক অর্থে, পাড় অর্থে নয়), অ্যাকাডেমি/এ্যাকাডেমি/একাডেমি, রসুল, নুর ইত্যাদি। সংস্কৃতশব্দে য - ফলা চল আছে কিন্তু ইংরেজি শব্দে নাই তবু লেখা হচ্ছে। যেমন: ইস্যু, টিস্যু, গ্যেটে, স্যার। ইংরেজি শব্দকে তদ্ভব করে লেখা হচ্ছে। যেমন: হসপিটাল>হাসাপাতাল, চকোলেট>চকলেট। শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সংস্কৃত সহিত থেকে ‘সঙ্গে বা সাথে’র উৎপত্তি। নিয়ম আছে গদ্যে ‘সঙ্গে’ আর পদ্যে ‘সাথে’ ব্যবহার করতে হবে তবে এখন সর্বত্রই ‘সঙ্গে’ ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার বিশেষণ সাধারণত পদক্রম অনুসারে বিশেষ্যের আগে বসে। যেমন: খাঁটি গরুর দুধ। ‘কী খাঁটি’ প্রশ্ন করলে পাওয়া যায় গরুর দুধ (সংস্কৃত গোদুগ্ধ)। অনেকেই বর্তমানে এই বাক্যকে ভুল মনে করে শুদ্ধ করে লেখেন গরুর খাঁটি দুধ। ইংরেজিতে লেখা হয় Fresh/Pure Milk অর্থাৎ খাঁটি দুধ। লেখা হয় না Fresh /Pure Cow Milk। সাধারণত গরুর দুধই বিক্রি হয় অন্য দুধ নয়। তাই গরুর খাঁটি লেখার প্রয়োজন হয় না। খাঁটি দুধ—লেখলেই হয়। বিভিন্নভাবে বাক্য অুশুদ্ধ হতে পারে।
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
Correct Answer:
গ: দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
Explanation:
শুদ্ধ বাক্য কোনটি? সঠিক উত্তর দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?
Correct Answer:
ঘ: আমার কথাই প্রমাণিত হলো
Explanation:
নিচের কোন বাক্যটি সঠিক? সঠিক উত্তর আমার কথাই প্রমাণিত হলো প্রয়োগ - অপপ্রয়োগ ও বাক্যশুদ্ধি অশুদ্ধ শুদ্ধ প্রয়োগ - অপপ্রয়োগ ও বাক্যশুদ্ধি ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধ ও ভাতে’, এই কথা কবি বলেছেন। আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ও ভাতে, এই কথা কবি বলেছেন।/আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে, এই কথা কবি বলেছেন। দুধ ও ভাতে> দুধে ও ভাতে অক্লান্তি হীনভাবে প্রজন্ম চত্বরে সমায়েত হচ্ছে। ক্লান্তি হীনভাবে প্রজন্ম চত্বরে সমায়েত হচ্ছে। অক্লান্তি হীনভাবে> ক্লান্তি হীনভাবে অক্ষির জলে বুকে ভেসে গেল চোখের জলে বুক ভেসে গেল। অক্ষির> চোখের অধ্যায়ন ছাত্রদের তপস্যা। অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা। অধ্যায়ন> অধ্যয়নই অনুমতি ছাড়া কারখানায় ঢুকা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া কারখানায় ঢুকা আইনত দণ্ডনীয়/আইনত অপরাধ। আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ> আইনত দণ্ডনীয়/আইনত অপরাধ অন্য কোন উপায়ন্তর না দেখে তারা গুলি ছুড়তে লাগল। অন্য কোন উপায় না দেখে তারা গুলি ছুড়তে লাগল। উপায়ন্তর> উপায় অন্যাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার অন্নাভাবে প্রতি ঘরে হাহাকার। অন্যাভাবে> অন্নাভাবে অন্যায়ের প্রতিফল দুর্নিবার্য। অন্যায়ের প্রতিফলন অনিবার্য। প্রতিফল> প্রতিফলন অভাবে চরিত্র নষ্ট। অভাবে স্বভাব নষ্ট। চরিত্র> স্বভাব অরন্য জনপদে একটি চমৎকার পুস্তক। ‘অরণ্য জনপদে’ একটি চমৎকার পুস্তক। অরন্য> অরণ্য অল্পদিনের মধ্যে তিনি আরোগ্য হলেন। অল্পদিনের মধ্যে তিনি আরোগ্য লাভ করলেন। আরোগ্য হলেন> আরোগ্য লাভ করলেন অশ্রুজলে তার কপল ভিজে গেছে। অশ্রুতে তার কপল ভিজে গেছে। অশ্রুজলে> অশ্রুতে আইনানুসারে তিনি একাজ করতে পারেন না। আইনত তিনি একাজ করতে পারেন না। আইনানুসারে> আইনত আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন ভাল নয় আকণ্ঠ ভোজন ভাল নয়। আকণ্ঠ পর্যন্ত> আকণ্ঠ আগুনের দ্বারা নিভে গেছে কতগুলো প্রাণ। আগুনে নিভে গেছে কতগুলো প্রাণ। আগুনের দ্বারা> আগুনে আগে সিংহচিহ্নিত আসনে বসে রাজা দেশ চালাতেন। আগে সিংহাসনে বসে রাজা দেশ চালাতেন। সিংহচিহ্নিত আসনে> সিংহাসনে আজকাল বিদ্বান মেয়ের অভাব নেই আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই। বিদ্বান> বিদুষী আজকের সন্ধ্যা বড়ই মনমুগ্ধকর। আজকের সন্ধ্যা বড়ই মনোমুগ্ধকর। মনমুগ্ধকর> মনোমুগ্ধকর আপনার এলাকার উন্নয়নের জন্য আপনি দিবারাত্রি পরিশ্রম করেছেন। আপনার এলাকার উন্নয়নের জন্য আপনি দিবারাত্র/দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। দিবারাত্রি> দিবারাত্র/দিনরাত আপনারাই প্রথম তাদেরকে সুস্বাগতম জানালেন। আপনারাই প্রথম তাদের স্বাগত জানালেন। তাদেরকে সুস্বাগতম> তাদের স্বাগত আপনি জনগণের হয়েও তাদের পক্ষে সাক্ষী দেননি। আপনি জনগণের হয়েও তাদের পক্ষে সাক্ষ্য দেননি। সাক্ষী> সাক্ষ্য আপনি তো গরিবদেরকে সাহায্য করেন না। আপনি তো গরিবদের সাহায্য করেন না। /আপনি তো গরিবকে সাহায্য করেন না। গরিবদেরকে> গরিবদের/ গরিবকে আপনি তো ছুরিতে মানুষ মারেন। আপনি তো ছুরি দিয়ে মানুষ মারেন। ছুরিতে> ছুরি দিয়ে আপনি বা হুজুর যদি বলেন, তাহলে (আমি) যাই। আপনি বা হুজুর যদি বলেন, তাহলে (আমি) যাব। যাই> যাব আপনি রবীন্দ্রনাথ পড়ে কী পেলেন? আপনি রবীন্দ্রনাথকে পড়ে কী পেলেন? রবীন্দ্রনাথ> রবীন্দ্রনাথকে আপনি সদাসর্বদা জনগণের মঙ্গল চেয়েছেন। আপনি সর্বদা/সব সময় জনগণের মঙ্গল চেয়েছেন। সদাসর্বদা> সর্বদা/সব সময় আপনি সপরিবার আমন্ত্রিত আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত সপরিবার> সপরিবারে আবশ্যকীয় ব্যয়ে কার্পণ্যতা অনুচিৎ। আবশ্যকীয় ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত। কার্পণ্যতা অনুচিৎ> কার্পণ্য অনুচিত আবাল্য হতে তিনি কাব্য প্রিয়। বাল্য হতেই তিনি কাব্য প্রিয়। আবাল্য> বাল্য আমরা এমন কিছু মানুষদের চিনি, যারা এখনও দেশের জন্য প্রাণ দেবে। আমরা এমন কিছু মানুষকে চিনি যারা এখনও দেশের জন্য প্রাণ দেবে। মানুষদের> মানুষকে আমরা বাংলা দেশের সুসন্তান এই কথা যেন কদাপিও না ভুলি আমরা বাংলাদেশের সুসন্তান এই কথা যেন কদাপি না ভুলি। কদাপিও> কদাপি আমাদের প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করেছেন নর - নারীর বৈষম্যতা দূর করতে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করেছেন নর - নারীর বৈষম্য দূর করতে। বৈষম্যতা> বৈষম্য আমার আর বাঁচিবার স্বাদ নেই। আমার আর বাঁচার সাধ নেই। বাঁচিবার> বাঁচার আমার এ কাজে মনোযোগীতা নাই আমার এ কাজে মনোযোগ নেই। মনোযোগীতা> মনোযোগ আমি অপমান হয়েছি। আমি অপমানিত হয়েছি। অপমান> অপমানিত আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করে না। করি> করে আমি এই ঘটনা চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করিয়াছি। আমি এই ঘটনা চাক্ষুষ দেখিয়াছি (বা প্রত্যক্ষ করিয়াছি)। প্রত্যক্ষ করিয়াছি> দেখিয়াছি/ প্রত্যক্ষ করিয়াছি আমি এই মানুষটিকে চিনি। আমি এই মানুষকে চিনি। /আমি মানুষটিকে চিনি। এই মানুষটিকে> এই মানুষকে/ মানুষটিকে আমি এখন ভীষণ ব্যাস্ত। আমি এখন ভীষণ ব্যস্ত। ব্যাস্ত> ব্যস্ত আমি বড় অপমান হইয়াছি আমি বড় অপমানিত হইয়াছি। অপমান> অপমানিত আমি সন্তোষ্ট হইলাম আমি সন্তুষ্ট হলাম সন্তোষ্ট হইলাম> সন্তুষ্ট হলাম আমি সাক্ষী দিয়েছি। আমি সাক্ষ্য দিয়েছি। সাক্ষী> সাক্ষ্য আমি, সে আর তুমি কাজটি করব। সে, তুমি আর আমি কাজটি করব। আমি, সে আর তুমি> সে, তুমি আর আমি আশাকরি তুমি আরোগ্য হইয়াছ। আশাকরি তুমি আরোগ্য লাভ করিয়াছ । আরোগ্য হইয়াছ> আরোগ্য লাভ করিয়াছ ইতিপূর্বে তার সাথে দেখা হয় নাই। ইতঃপূর্বে তার সঙ্গে দেখা হয় নি। ইতিমধ্যে আপনি বলেছেন, আপনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ইতোমধ্যে আপনি বলেছেন, আপনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ইতিমধ্যে> ইতোমধ্যে ইত্যাবসারে বৃদ্ধ লোকটির দিন কাটে। ইত্যবসারে বৃদ্ধ লোকটির দিন কাটে। ইত্যাবসারে> ইত্যবসারে ইহা একটি কিম্বদন্তী ইহা একটি কিংবদন্তি । কিম্বদন্তী> কিংবদন্তি ইহা প্রমাণ হইয়াছে । ইহা প্রমাণিত হইয়াছে। প্রমাণ> প্রমাণিত ইহার আবশ্যক নাই। ইহার আবশ্যকতা নাই। আবশ্যক> আবশ্যকতা উৎপন্ন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন। উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন। উৎপন্ন> উৎপাদন উপরোক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। উপরোক্ত> উপর্যুক্ত উল্লেখিত বিষয় হলো তিনি এখন সমাজসেবী। উল্লিখিত বিষয় হলো তিনি এখন সমাজসেবী। উল্লেখিত> উল্লিখিত উহার আবশ্যক নাই। ইহার আবশ্যকতা নাই। উহার আবশ্যক> ইহার আবশ্যকতা উহার উদ্ধতপূর্ণ আচারণে ব্যাথিত হইয়াছি। তাহার উদ্ধত (বা ঔদ্ধতপূর্ণ) আচরণে ব্যথিত হইয়াছি। উদ্ধতপূর্ণ> উদ্ধত/ঔদ্ধতপূর্ণ এ কলম দিয়ে কাজ হবে না। এ কলমকে দিয়ে কাজ হবে না। কলম> কলমকে এ কাজটি আমার পক্ষে সম্ভব নহে। এ কাজটি করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কাজটি> কাজটি করা এ কাজে তাহার হস্ত পাকা। এ কাজে তার হাত পাকা। তাহার হস্ত> তার হাত এ প্রেক্ষিতে আমরা ঘটনাটি ঘটিয়েছি। এ পরিপ্রেক্ষিতে (প্রেক্ষাপটে) আমরা ঘটনাটি ঘটিয়েছি। এ প্রেক্ষিতে> এ পরিপ্রেক্ষিতে/প্রেক্ষাপটে এ বিষয়ে তাহারা সচেষ্টিত নহে। এ বিষয়ে তাহারা সচেষ্ট নহে। সচেষ্টিত> সচেষ্ট এ ব্যাপারে আমার অর্থাৎ হাসানের ভুল হবে না। এ ব্যাপারে আমার অর্থাৎ হাসানের ভুল হয় না। হবে না> হয় না এ মহান নারীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। এই মহিয়সী নারীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। মহান নারীর > মহিয়সী নারীর এ রূপ জীবন কল্পনা করিতেও আমাদের আতঙ্কিত হয়েছিল। এরূপ জীবন কল্পনা করিতেও আমাদের আতঙ্ক হয়েছিল। আতঙ্কিত> আতঙ্ক এই কলমটিকে দিয়ে ভালো লেখা হয়। কলমটি দিয়ে ভালো লেখা হয়। এই কলমটিকে> কলমটি দিয়ে এই কাজে স্বার্থকতা লাভ করিতে চাইলে আরো মনযোগ করিতে হইবে এই কাজে সার্থকতা লাভ করতে চাইলে আরো মনোযোগ দিতে হবে। স্বার্থকতা> সার্থকতা, মনযোগ> মনোযোগ এক অগ্রহায়ণে শীত যায় না। এক মাঘে শীত যায় না। অগ্রহায়ণে> মাঘে এক সদ্যজাত শিশুর সর্বাংগীন কুশলতা কামনা করে তিনি কাব্যিকতা করেছেন। এক সদ্যোজাত শিশুর সর্বাঙ্গীণ কুশল কামনা করে তিনি কাব্য রচনা করেছেন। সর্বাংগীন কুশলতা> সর্বাঙ্গীণ কুশল, কাব্যিকতা> কাব্য রচনা একসময় আমের কাননে মিটিং বসেছিল। একসময় আম্রকাননে মিটিং বসেছিল। /একসময় আমের বাগানে মিটিং বসেছিল। আমের কাননে> আম্রকাননে/ আমের বাগানে একের লাঠি দশের বোঝা। দশের লাঠি একের বোঝা । একের লাঠি দশের> দশের লাঠি একের এখানে খাটি গরুর দুধ পাওয়া যায়। এখানে গরুর খাঁটি দুধ পাওয়া যায়। খাটি গরুর দুধ> গরুর খাঁটি দুধ এটা অপক্ক হাতের লেখা। এটা কাঁচা হাতের লেখা। অপক্ক> কাঁচা এটি অপক্ক হাতের কাজ। এটি অপটু হাতের কাজ। অপক্ক> অপটু এটি একটি মহৎ আবিস্কার। এটি একটি মহৎ আবিষ্কার। আবিস্কার> আবিষ্কার এটি দল কোন্দল। এটি দলীয় কোন্দল। দল কোন্দল> দলীয় কোন্দল এটি সার্বজনীন ব্যাপার। এটি সর্বজনীন ব্যাপার। সার্বজনীন> সর্বজনীন এত বড় মানুষ হয়েও আপনার সৌজন্যতার কমতি নাই। এত বড় মানুষ হয়েও আপনার সৌজন্যের/সুজনতার কমতি নাই। সৌজন্যতার> সৌজন্যের/সুজনতার এমন অষহনীয় ব্যাথা কখনো অনুভব করিনি। এমন অসহ্য ব্যথা কখনো অনুভব করি নি। অষহনীয়> অসহ্য এমন কিছু লোকদের কথা বললেন, যারা রাজাকার। এমন কিছু লোকের কথা বললেন, যারা রাজাকার। লোকদের> লোকের এমন লজ্জাস্কর ব্যাপার যে ঘটবে তাহা কদাপিও চিন্তা করিনি এমন লজ্জাকর ব্যাপার যে ঘটবে তা কখনও চিন্তা করি নি। লজ্জাস্কর> লজ্জাকর, তাহা কদাপিও> তা কখনও এর একটা ব্যাবস্থা কর। এর একটা ব্যবস্থা কর। ব্যাবস্থা> ব্যবস্থা ঐ লোকটি খুব সৎ। লোকটি খুব সৎ। খুব সৎ> সৎ কস্ট অর্থ ক্লেস। কষ্ট অর্থ ক্লেশ। কস্ট> কষ্ট, ক্লেস> ক্লেশ কায়কবাদ মহাশশান লেখেন। কায়কোবাদ ‘মহাশ্মশান’ লেখেন। কায়কবাদ> কায়কোবাদ, মহাশশান> মহাশ্মশান কালীদাস বিখ্যাত কবি । কালিদাস বিখ্যাত কবি। কালীদাস> কালিদাস কিছু কিছু মানুষ আছে যে অন্যের ভালো দেখতে পারে না। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা অন্যের ভালো দেখতে পারে না। যে> যারা কীতির্বাস বাঙলা রামায়ণ রচনা করেছিলেন। কৃত্তিবাস বাংলা রামায়ণ রচনা করেছিলেন। কীতির্বাস বাঙলা> কৃত্তিবাস বাংলা কুআকারের মানুষগুলো ভালো স্বভাবেরও হয়। কদাকার মানুষগুলো ভালো স্বভাবেরও হয়। কুআকারের> কদাকার কুপুরুষের মত কথা বল কেন? কাপুরুষের মতো কথা বল কেন? কুপুরুষের> কাপুরুষের ক্রিয়ার সঙ্গে যেসব বিভক্তি যুক্ত হয় তাদেরকে ক্রিয়াবিভক্তি বলে। ক্রিয়ার সঙ্গে যেসব বিভক্তি যুক্ত হয় তাদের ক্রিয়াবিভক্তি বলে। তাদেরকে> তাদের ক্ষমা একটি মহানগুণ ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। মহানগুণ> মহৎ গুণ গরুকে দিয়ে শুধু লাঙল না গাড়িও টানা হয়। গরু দিয়ে শুধু লাঙল না গাড়িও টানা হয়। গরুকে> গরু গেলাসে করে দুধ দাও। গেলাসে দুধ দাও। গেলাসে করে> গেলাসে ঘটনাটি শুনে আপনি তো উদ্বেলিত হয়ে পড়েছিলেন। ঘটনাটি শুনে আপনি তো উদ্বেল হয়েছিলেন। উদ্বেলিত হয়ে পড়েছিলেন> উদ্বেল হয়েছিলেন ঘড়িকে হাতে দাও। ঘড়ি হাতে দাও /ঘড়িটি হাতে দাও। ঘড়িকে> ঘড়ি/ ঘড়িটি ঘরটি ছিমছিমে অন্ধকার। ঘরটি ঘুটঘুটে অন্ধকার। ছিমছিমে> ঘুটঘুটে ঘামজলে তার শার্ট ভিজে গেছে। ঘামে তার শার্ট ভিজে গেছে। ঘামজলে> ঘামে ঘি মাখা ভাত ডিম দিয়ে খেতে খুব মজা। ঘিভাত ডিম দিয়ে খেতে খুব মজা। ঘি মাখা ভাত> ঘিভাত ছয়টি ঋতুর সমাহারের দেশ বাংলাদেশ। ছয়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। সমাহারের দেশ > দেশ ছেলেটি নিস্পাপী নিরপরাধী কিন্তু সেই সেষ বংশের মাথায় চূণকালী দিল। ছেলেটি নিস্পাপ, নিরপরাধ কিন্তু সেই পর্যন্ত বংশের মুখে চুনকালি দিল । নিস্পাপী নিরপরাধী> নিস্পাপ, নিরপরাধ, মাথায় চূণকালী> মুখে চুনকালি ছেলেটি ভয়ানক মেধাবী ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী। ভয়ানক> অত্যন্ত ছোট নাটকটি সবাইকে মুগ্ধ করল । নাটিকাটি সবাইকে মুগ্ধ করল । ছোট নাটকটি> নাটিকাটি জ্যোৎস্না রাত বড়ই মাধুর্যময়। জ্যোৎস্না রাত বড়ই মধুর। মাধুর্যময়> মধুর ঢাকা দিন দিন তার ভারসাম্যতা হারিয়ে ফেলছে। ঢাকা দিন দিন তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। ভারসাম্যতা> ভারসাম্য ঢাকার সৌন্দর্যতা বৃদ্ধিতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। ঢাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। সৌন্দর্যতা> সৌন্দর্য তপ্ত ভাতে নুন জোটে না, ঠাণ্ডা ভাতে ঘি। তপ্ত ভাতে নুন জোটে না, পান্তা ভাতে ঘি। ঠাণ্ডা> পান্তা তবলাওয়ালা ভালোই তবলা বাজায়। তবলচি /তবলাবাদক ভালোই তবলা বাজায়। তবলাওয়ালা> তবলচি /তবলাবাদক তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। তারা আমড়াতলায় বসে আমড়া খাওয়ার সময় মালির তাড়া খেয়েছে। তাড়া আমরাতলায়> তারা আমড়াতলায়, আমরা> আমড়া, তারা খেয়েছে> তাড়া খেয়েছে তাদের যথোচিত পুরষ্কার দাও। তাদের যথোচিত পুরস্কার দাও। পুরষ্কার> পুরস্কার তাদেরকে দিয়ে একাজ করিও না। তাদের দিয়ে একাজ করিও না। তাদেরকে> তাদের তার অন্তর অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন। তার অন্তর তিমিরাচ্ছন্ন। অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন> তিমিরাচ্ছন্ন তার কথার মাধুর্যতা নাই। তার কথার মাধুর্য/মধুরতা নাই। মাধুর্যতা> মাধুর্য/মধুরতা তার দারিদ্রতা অসহনীয় তার দারিদ্র্য অসহনীয়/ তার দরিদ্রতা অসহনীয় দারিদ্রতা> দারিদ্র্য/ দরিদ্রতা তার দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল। তার দুচোখ অশ্রুতে ভেসে গেল। অশ্রুজলে> অশ্রুতে তার দুরাবস্থা দেখিলে দুঃখী হয়। তার দুরবস্থা দেখলে দুঃখ হয় । দুরাবস্থা> দুরবস্থা, দুঃখী> দুঃখ তার মা খুব মহান নেতা ছিলেন। তার মা খুব মহিয়সী নেতা ছিলেন। মা খুব মহান নেতা> মা খুব মহিয়সী নেতা তার সব ছেলেরাই কৃতি তার সব ছেলেই কৃতী। ছেলেরাই কৃতি> ছেলেই কৃতী তারকাবৃন্দ আকাশে মিটিমিটি করে জ্বলছে। তারকারাজি আকাশে মিটিমিটি করে জ্বলছে। তারকাবৃন্দ> তারকারাজি তারা শব পোড়াতে গেল। তারা শবদাহ করতে গেল। শব পোড়াতে> শবদাহ করতে তারা সকলেই এলো। তারা এলো/ সকলেই এলো। সকলেই এলো> এলো, তারা সকলেই> সকলেই তালে কানা লোককে দিয়ে কিছুই হবে না। তালকানা লোককে দিয়ে কিছুই হবে না। তালে কানা> তালকানা তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্যতা দেখিতে পাই। তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্য দেখিতে পাই। সখ্যতা> সখ্য তাহার জীবন সংশয়ময় । তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ । সংশয়ময়> সংশয়াপূর্ণ তাহার দুর্দমনীয় অধ্যাবসায় সত্যিই প্রশংসনীয়। তাহার অধ্যবসায় সত্যিই প্রশংসনীয়। দুর্দমনীয় অধ্যাবসায়> অধ্যাবসায় তাহার বৈমাত্রেয় সহোদর অসুস্থ। তাহার বৈমাত্রেয় ভ্রাতা অসুস্থ। বৈমাত্রেয় সহোদর> বৈমাত্রেয় ভ্রাতা তাহার সাংঘাতিক আনন্দ হইল। তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল। সাংঘাতিক আনন্দ> অপরিসীম আনন্দ তাহার সৌন্দর্যবোধ আমাকে অভিভূত করেছে তার সৌজন্যবোধ আমাকে অভিভূত করেছে। সৌন্দর্যবোধ> সৌজন্যবোধ তাহারা যেন ভূল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে তারা যেন ভুল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ভূল> ভুল তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিলেন তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন। সাক্ষী> সাক্ষ্য তিনি মনোকষ্টে কাল কাটাচ্ছেন তিনি মনঃকষ্টে কাল কাটাচ্ছেন। মনোকষ্টে> মনঃকষ্টে তিনি স্বসম্মানে হল ত্যাগ করলন। তিনি সসম্মানে হল ত্যাগ করলন। স্বসম্মানে> সসম্মানে তিনি স্বস্ত্রীক বাজারে গিয়েছেন। তিনি সস্ত্রীক বাজারে গিয়েছেন। স্বস্ত্রীক> সস্ত্রীক তুমি কী ঢাকা যাবে? তুমি কি ঢাকা যাবে? কী> কি তুমি নির্দোষী নও তুমি নির্দোষ নও। নির্দোষী> নির্দোষ তুমি, করিম ও আমি আজ পড়িতে যাইব করিম, তুমি ও আমি আজ পড়িতে যাইব। তুমি, করিম ও আমি> করিম, তুমি ও আমি তোমার কথায় বুকেতে আঘাত পাই। তোমার কথায় বুকে আঘাত পাই। বুকেতে> বুকে তোমার তিরষ্কার বা পুরষ্কার কিছুই চাই না। তোমার তিরস্কার বা পুরস্কার কিছুই চাই না। তিরষ্কার বা পুরষ্কার> তিরস্কার বা পুরস্কার তোমার সাথে আমার একটি গোপন পরামর্শ আছে । তোমার সঙ্গে আমার একটি গোপনীয় পরামর্শ আছে। গোপন পরামর্শ> গোপনীয় পরামর্শ দরিদ্র আমাদের দেশের একটি অভিশাপ। দারিদ্র্য আমাদের দেশের একটি অভিশাপ। দরিদ্র> দারিদ্র্য দরীদ্রকে দয়া কর । দরিদ্রকে দয়া কর । দরীদ্রকে> দরিদ্রকে দারিদ্র কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মহান করেছে। দারিদ্র্য কবি কাজী নজরুল ইসলামকে মহান করেছে। দারিদ্র> দারিদ্র্য দারিদ্রতার মধ্যেই মহত্ব আছে। দরিদ্রতার মধ্যেই মহত্ত্ব আছে। দারিদ্রতার> দরিদ্রতার দিবারাত্র পরিশ্রমে তাহার শারীরিক স্বাস্থ্য ভঙ্গ হইয়াছে। দিবারাত্র পরিশ্রমে তাহার স্বাস্থ্য ভঙ্গ হইয়াছে। শারীরিক স্বাস্থ্য> স্বাস্থ্য দুধ মাখা ভাত কাকে খায়। দুধভাত কাকে খায়। দুধ মাখা ভাত> দুধভাত দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী> দুর্বলতাবশত অনাথা দুর্বিসহ বানানটি অধিকাংশ ব্যাক্তি ভূল লেখে। দুর্বিষহ বানানটি অধিকাংশ ব্যক্তি ভুল লেখে। দুর্বিসহ> দুর্বিষহ, ব্যাক্তি ভূল> ব্যক্তি ভুল দৈনতা সব সময় ভাল নয়। দীনতা সব সময় ভাল নয়। দৈনতা> দীনতা দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়। দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়। মহত্বের> মহত্ত্বের ধর্মের কল বাতাসেতে নড়ে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। বাতাসেতে> বাতাসে নদীর ঘাটে যাইয়া আমরা মরাদাহ দেখিতে লাগিলাম। চিতার ধোঁয়ায় সমস্ত জায়গাটা সমাচ্ছন্ন হইয়া আঁধার করে তুলিছিল যে আমাদের নিঃশ্বাস আটকাইয়া যাইতেছিল। নদীর তীরে যাইয়া আমরা শবদাহ দেখিতে লাগিলাম। তার ধূমে সমস্ত স্থান সমাচ্ছন্ন হইয়া এরূপ অন্ধকার হইয়া গিয়াছিল যে আমাদের নিঃশ্বাস রোধ হইয়া যাইতেছিল। নদীর ঘাটে> নদীর তীরে, মরাদাহ> শবদাহ, চিতার ধোঁয়ায় সমস্ত জায়গাটা> তার ধূমে সমস্ত স্থান, আঁধার করে তুলিছিল> এরূপ অন্ধকার হইয়া গিয়াছিল, নিঃশ্বাস আটকাইয়া> নিঃশ্বাস রোধ হইয়া পয়লা বৈশাখ বাঙালির আসল উৎসবের দিন। (ভুলটাই শুদ্ধ) পয়লা বৈশাখ বাঙালির আসল উচ্ছবের দিন। পরবর্তিকালে /পরবর্তী সময়ে আপনি আসবেন। পরবর্তীতে আপনি আসবেন। পরবর্তিকালে /পরবর্তী সময়ে > পরবর্তীতে পরের মাথায় বন্দুক রেখে শিকার। পরের কাঁধে বন্দুক রেখে শিকার। মাথায়> কাঁধে পাহাড়কে নাড়ায় সাধ্য কার। পাহাড় নাড়ায় সাধ্য কার। পাহাড়কে> পাহাড় পিপিলিকা আর মরিচিকার পিছু ধাওয়া করা একই কথা। পিপীলিকা আর মরীচিকার পিছু ধাওয়া করা একই কথা। পিপিলিকা আর মরিচিকার> পিপীলিকা আর মরীচিকার প্রধান মন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্য মন্ত্রীবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান মন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্য মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রীবর্গ> মন্ত্রী প্রাতকালে লোকটি গাত্রস্থান করে। প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোখান করে। প্রাতকালে> প্রাতঃকালে, গাত্রস্থান> গাত্রোখান প্রায়ই অর্থ কথাগুলো বড় অস্পষ্ট হয়ে থাকে বড় কথাগুলোর অর্থ প্রায়ই অস্পষ্ট হয়ে থাকে। প্রায়ই অর্থ কথাগুলো বড় অস্পষ্ট হয়ে> বড় কথাগুলোর অর্থ প্রায়ই অস্পষ্ট হয়ে প্রেমগঙ্গা আজ এমন করিয়া উদ্বেল আর হইল কেন? প্রেমযমুনা আজ এমন উদ্বেল হইল কেন? প্রেমগঙ্গা> প্রেমযমুনা, এমন করিয়া উদ্বেল আর> এমন উদ্বেল ফুল দিয়ে তাঁকে সুস্বাগতম জানানো সবার কর্তব্য। ফুল দিয়ে তাঁকে স্বাগতম জানানো সবার কর্তব্য। সুস্বাগতম> স্বাগতম বংকিমচন্দ্রের ভয়ানক প্রতিভা ছিল। বঙ্কিমচন্দ্রের অসাধারণ প্রতিভা ছিল। বংকিমচন্দ্রের ভয়ানক> বঙ্কিমচন্দ্রের অসাধারণ বইকে পুড়িয়ে ফেলো/বইগুলোকে পুড়িয়ে ফেলো। বই/বইটি পুড়িয়ে ফেলো (একবচন)/বইগুলো পুড়িয়ে ফেলো (বহুবচন) বইকে> বই/বইটি, বইগুলোকে> বইগুলো বইটি তার জরুরি প্রয়োজন। বইটি তার (খুব) প্রয়োজন। জরুরি> খুব বমালশুদ্ধ চোর ধরা পড়েছে। বমাল বা মালশুদ্ধ চোর ধরা পড়েছে। বমালশুদ্ধ> বমাল বা মালশুদ্ধ বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। উন্নতশীল> উন্নয়নশীল বাংলা বানান আয়ত্ব করা কঠিন নয়। বাংলা বানান আয়ত্ত করা কঠিন নয়। আয়ত্ব> আয়ত্ত বাংলা ব্যাকরণ অত্যান্ত জটিল বাংলা ব্যাকরণ অত্যন্ত জটিল। অত্যান্ত> অত্যন্ত বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল আধুনিক রাষ্ট্র। বাংলাদেশ একটি উন্নতিশীল (বা উন্নয়নশীল) আধুনিক রাষ্ট্র। উন্নতশীল> উন্নতিশীল/ উন্নয়নশীল বাজীকরের অদ্ভুত ক্রিয়া দেখিয়া ছাত্রগণেরা প্রফুল্লিত হল । বাজিকরের অদ্ভুত খেলা দেখে ছাত্ররা আনন্দিত হল। ক্রিয়া দেখিয়া ছাত্রগণেরা প্রফুল্লিত> খেলা দেখে ছাত্ররা আনন্দিত বাসের ধাক্কায় তিনি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। বাসের ধাক্কায় তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। চোখের দৃষ্টিশক্তি> দৃষ্টিশক্তি বিকার লোক যে কোন সময় ক্ষতি করতে পারে। বিকৃত লোক যে কোন সময় ক্ষতি করতে পারে। বিকার লোক> বিকৃত লোক বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর। বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। শ্রেষ্ঠতর> শ্রেষ্ঠ বিদ্যান বক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন বিদ্যান বক্তিগণ দরিদ্রের > বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের বিদ্যান লোকেরা মনে করেন আমাদের ছেলেমেয়েরা অধ্যায়ন ছেড়েছে বলেই তারা ব্যাথা, আকাঙ্খা, মুহুর্ত, প্রতিযোগীতা, দরিদ্রতা ইত্যাদি বানান ভূল করে। বিদ্বান লোকেরা মনে করেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা অধ্যয়ন ছেড়েছে বলেই তারা ব্যথা, আকাক্ষা, মুহুর্ত, প্রতিযোগিতা, দরিদ্রতা ইত্যাদি বানান ভুল করে। বিদ্যান> বিদ্বান, অধ্যায়ন> অধ্যয়ন, ব্যাথা, আকাঙ্খা> ব্যথা, আকাক্ষা, প্রতিযোগীতা> প্রতিযোগিতা বিদ্যান হইতে হলে নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হয়। বিদ্বান হতে হলে নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হয়। বিদ্যান হইতে হলে> বিদ্বান হতে হলে বিপদগ্রস্থকে সাহায্য কর। বিপদগ্রস্তকে সাহায্য কর। বিপদগ্রস্থকে> বিপদগ্রস্তকে বুনো কচু, বাঘা তেঁতুল। বুনো ওল, বাঘা তেতুল। বুনো কচু> বুনো ওল, বাঘা তেঁতুল> বাঘা তেতুল বৃক্ষটি সমূলসহ উৎপাটিত হইয়াছে। বৃক্ষটি মূলসহ উৎপাটিত হইয়াছে। সমূলসহ> মূলসহ বেশি চাতুর্যতা দেখাতে গিয়ে শেষে নিজেই দল থেকে বাদ পড়লেন। বেশি চাতুর্য/চতুরতা দেখাতে গিয়ে শেষে নিজেই দল থেকে বাদ পড়লেন। চাতুর্যতা> চাতুর্য/চতুরতা ব্যাপারটি ছিল আপনার জন্য লজ্জাস্কর। ব্যাপারটি ছিল আপনার জন্য লজ্জাকর বা লজ্জাজনক। লজ্জাস্কর> লজ্জাকর/ লজ্জাজনক ভাত ছড়ালে শালিখের অভাব হয় না। ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না। শালিখের> কাকের ভারত ব্রিটিশদের অধীনস্থ ছিল বলেই তারা যুদ্ধ করেছিল। ভারত ব্রিটিশদের অধীনে ছিল বলেই তারা যুদ্ধ করেছিল। অধীনস্থ> অধীনে ভিক্ষুকদেরকে ভিক্ষা দাও। ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও। (একবচন) /ভিক্ষুকদের ভিক্ষা দাও। (বহুবচন) ভিক্ষুকদেরকে> ভিক্ষুককে/ ভিক্ষুকদের মনরঞ্জন মনমোহনের বড় ভাই। মনোরঞ্জন মনোমোহনের বড় ভাই। মনরঞ্জন মনমোহনের> মনোরঞ্জন মনোমোহনের মনস্কামনা পূর্ণ না হওয়ায় সে মনোস্তাপ ভুগছে। মনস্কামনা পূর্ণ না হওয়ায় সে মনস্তাপে ভুগছে। মনোস্তাপ> মনস্তাপে মহারাজ সভাগৃহে প্রবেশ করলেন। মহারাজ সভাকক্ষে প্রবেশ করলেন। সভাগৃহে> সভাকক্ষে মাতাহীন শিশুর অনেক দুঃখ। মাতৃহীন শিশুর অনেক দুঃখ। মাতাহীন> মাতৃহীন মাতাহীন শিশুর কি দুঃখ। মাতৃহীন শিশুর কি দুঃখ! মাতাহীন> মাতৃহীন মাল বহনকারী গাড়িগুলোতে আগুন ধরিয়ে তারা পালালো। মালগাড়িগুলোতে আগুন ধরিয়ে তারা পালালো। মাল বহনকারী গাড়িগুলোতে> মালগাড়িগুলোতে মুমুর্ষ রোগীকে শুশ্রসা কর । মুমূর্ষ রোগীকে শুশ্রুষা কর। মুমুর্ষ> মুমূর্ষ, শুশ্রসা> শুশ্রুষা মেয়েটি সুকেশৈলী ও সুহাসি মেয়েটি সুকেশী ও সুহাসিনী । সুকেশৈলী ও সুহাসি> সুকেশী ও সুহাসিনী মেয়েটি স্বয়ম্বর। মেয়েটি স্বয়ংবরা। স্বয়ম্বর> স্বয়ংবরা যাদুঘরে কিন্তু যাদু দেখানো হয় না। জাদুঘরে কিন্তু জাদু দেখানো হয় না। যাদুঘরে কিন্তু যাদু> জাদুঘরে কিন্তু জাদু যাবতীয় লোক সমূহ সভায় উপস্থিত ছিল । যাবতীয় লোক সভায় উপস্থিত ছিল। লোক সমূহ> লোক যার লাঠি, তার ঘাটি। যার লাঠি, তার মাটি। তার ঘাটি> তার মাটি যেসব অর্থহীন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দের পরে বসে শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেসব অর্থহীন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দের পরে বসে শব্দ গঠন করে তাদের প্রত্যয় বলে। তাকে > তাদের যেসব ছাত্রদের নিয়ে কথা তারা বখাটে। যেসব ছাত্রকে নিয়ে কথা তারা বখাটে। যেসব ছাত্রদের> যেসব ছাত্রকে রচনাটির উৎকর্ষতা অনস্বীকার্য। রচনাটির উৎকর্ষ অনস্বীকার্য। উৎকর্ষতা> উৎকর্ষ রহিম ছেলেদের মধ্যে কনিষ্ঠতম/তর। রহিম ছেলেদের মধ্যে কনিষ্ঠ। কনিষ্ঠতম/তর> কনিষ্ঠ রহিমসহ আরো অনেকেই আছেন এই নাটকে। রহিমসহ অনেকেই আছেন এই নাটকে। আরো অনেকেই> অনেকেই রহিমা পাগলিনী হয়ে গেছে রহিমা পাগল হয়ে গেছে রহিমা পাগলিনী> রহিমা পাগল রাত্রিতে আসন্ন পরীক্ষার বিভীষিকা, উপেক্ষা করে তাড়াতাড়ি গেলাম শয়ন করতে ভাল নিদ্রা না হলেপাছে অসুখ বিসুখ হতে পারে এই ভয়ে। পাছে রাতে ভাল ঘুম না হলে অসুখ বিসুখ হতে পারে এই ভয়ে আসন্ন পরীক্ষার বিভীষিকা উপেক্ষা করে তাড়াতাড়ি ঘুমোতে গেলাম। রীতিকে অতিক্রম না করেও যথারীতি সে বড়লোক। রীতিকে অতিক্রম না করেও সে বড়লোক। যথারীতি সে> সে লক্ষ লক্ষ জনতারা সব সভায় উপস্থিত হয়েছিল। লক্ষ লক্ষ জনতা সভায় উপস্থিত হয়েছিল। জনতারা> জনতা লালালু খুব পুষ্টিকর। লাল আলু খুব পুষ্টিকর। লালালু> লাল আলু লেখাপড়ায় তার মনযোগ নেই। লেখাপড়ায় তার মনোযোগ নেই। মনযোগ> মনোযোগ লোকজন তার প্রতিকূলে নাই। লোকজন তার অনুকূলে নাই। প্রতিকূলে> অনুকূলে লোকটি কায়দায় নাই। লোকটি বেকায়দায় আছে। কায়দায় নাই> বেকায়দায় আছে লোকটি মিশির মতো কালো হয়েও সাদা মনের মানুষ। লোকটি মিশকালো হয়েও সাদা মনের মানুষ। মিশির মতো কালো> মিশকালো শওকত ওসমানের কৃতদাসের হাসি একটি আদমজি পুরষ্কার প্রাপ্ত উপন্যাস। শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি’ আদমজি পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাস। কৃতদাসের হাসি> ক্রীতদাসের হাসি শরীর অসুস্থ্যের জন্য আমি কাল আসিতে পারি নাই। অসুস্থতার জন্য আমি কল্য আসিতে পারি নাই। শরীর অসুস্থ্যের জন্য আমি কাল> অসুস্থতার জন্য আমি কল্য শশান ঘাট কোথায়। শ্মশান ঘাট কোথায়? শশান> শ্মশান শশীভূষণ কি আসে নাই? শশিভূষণ কি আসে নাই? শশীভূষণ> শশিভূষণ শহর ও গ্রামে এখন ইলেকশনের আমেজ। শহরে ও গ্রামে এখন ইলেকশনের আমেজ। শহর ও গ্রামে> শহরে ও গ্রামে শহীদুল্লাহ কায়সার এবং মুনীর চৌধুরী দুজনই দেশের জন্য প্রাণ দিলেন। শহীদুল্লাহ কায়সার ও মুনীর চৌধুরী দুজনই দেশের জন্য প্রাণ দিলেন। এবং> ও শিক্ষা উপ - পরিচালক ও সহ - উপ পরিচালক আজ এই স্কুলে আসবেন। শিক্ষা উপপরিচালক ও সহউপপরিচালক আজ এই স্কুলে আসবেন। উপ - পরিচালক ও সহ - উপ পরিচালক> উপপরিচালক ও সহউপপরিচালক শিল্পায়নের সাহায্যে দেশ সমৃদ্ধশালী হইতে পারে। শিল্পায়নের সাহায্যে দেশ সমৃদ্ধ (বা সমৃদ্ধিশালী) হইতে পারে। সমৃদ্ধশালী> সমৃদ্ধ/ সমৃদ্ধিশালী শুধু নিজের না, দেশের উৎকর্ষতা সাধন করা প্রত্যেকেরই উচিত। শুধু নিজের না, দেশের উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা সাধন করা প্রত্যেকেরই উচিত। উৎকর্ষতা> উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা শুধুমাত্র গায়ের জোরে কাজ হয় না শুধু গায়ের জোরে কাজ হয় না। শুধুমাত্র> শুধু শুনেছি আপনি স্বস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন। শুনেছি আপনি সস্ত্রীক/স্ত্রীসহ ঢাকায় থাকেন। স্বস্ত্রীক> সস্ত্রীক/স্ত্রীসহ সকল দৈন্যতা দূর হয়ে যাক। সকল দৈন্য দূর হয়ে যাক। সকল দীনতা দূর হয়ে যাক। দৈন্যতা> দৈন্য/ দীনতা সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন। সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন। সকল সভ্যগণ> সভ্যগণ সকল সুধীমণ্ডলী উপস্থিত আছেন। সুধীমণ্ডলী উপস্থিত আছেন। সকল সুধীমণ্ডলী> সুধীমণ্ডলী সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করেছে জনতা। সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীর বিচার দাবি করেছে জনতা। সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীদের> সকল/সমস্ত যুদ্ধাপরাধীর সৎ চরিত্রবান লোক সবার কাছে প্রিয়। চরিত্রবান লোক সবার কাছে প্রিয়। সৎ চরিত্রবান> চরিত্রবান সত্য প্রমাণ হোক। সত্য প্রমাণিত হোক। প্রমাণ> প্রমাণিত সব পাখিরা ঘর বাঁধে না। সব পাখি ঘর বাঁধে না। সব পাখিরা> সব পাখি সব মাছগুলোর দাম কত? মাছগুলোর দাম কত ? সব মাছগুলোর> মাছগুলোর সবাই বাবা - মার সুস্বাস্থ্য কামনা করে। সবাই বাবা - মার সুস্থতা কামনা করে। সুস্বাস্থ্য> সুস্থতা সবিনয় পূর্বক নিবেদন করি বিনয়পূর্বক নিবেদন করি। সবিনয় পূর্বক> বিনয়পূর্বক সর্ব বিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করিবে সর্ব বিষয়ে বাহুল্য বর্জন করিবে। বাহুল্যতা> বাহুল্য সশঙ্কিত চিত্তে সে বলল শঙ্কিত চিত্তে সে বলল। সশঙ্কিত> শঙ্কিত সাপুড়ে সাপকে খেলায়। সাপুড়ে সাপ খেলায়। সাপুড়ে সাপকে> সাপুড়ে সাপ সারা জীবন ভুতের মজুরী খেটে মরলাম। সারা জীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম। ভুতের মজুরী খেটে> ভূতের বেগার খেটে সাহিত্য এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাহিত্য এবং সাংস্কৃতিক> সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সুজন, অন্যান্য মেয়র প্রার্থীদের খবর কী? সুজন, অন্যান্য মেয়র প্রার্থীর খবর কী? মেয়র প্রার্থীদের> মেয়র প্রার্থীর সূর্য উদয় হয়নি। সূর্য উদিত হয়নি। সূর্য উদয়> সূর্য উদিত সে এমন রূপসী যেন অপ্সরী। সে এমন রূপবতী যেন অপ্সরা। রূপসী যেন অপ্সরী> রূপবতী যেন অপ্সরা সে কৌতুক করার কৌতুহল সম্বরণ করিতে পারিল না। সে কৌতুক করার কৌতূহল সংবরণ করিতে পারিল না। সম্বরণ> সংবরণ সে ক্যান্সারজনিত কারণে মারা গিয়েছে। সে ক্যান্সার/ক্যান্সারজনিক রোগে মারা গিয়েছে। ক্যান্সারজনিত কারণে. ক্যান্সার/ক্যান্সারজনিক রোগে সে ক্রোধে আত্মহারা হইয়া উঠিয়াছে। সে ক্রোধান্ধ হইয়াছে। ক্রোধে আত্মহারা হইয়া> ক্রোধান্ধ হইয়াছে সে ভুড়ি ভুড়ি খেয়ে ভুরিটি বাড়িয়েছে। সে ভুরি ভুরি খেয়ে ভুঁড়িটি বাড়িয়েছে। ভুড়ি ভুড়ি খেয়ে ভুরিটি> ভুরি ভুরি খেয়ে ভুঁড়িটি সে শৈশবেই মাতা বাপ হারিয়েছে। সে শৈশবেই মা - বাপ হারিয়েছে। মাতা বাপ> মা - বাপ সে সঙ্কট অবস্থায় পড়েছে। সে সঙ্কটে পড়েছে। সঙ্কট অবস্থায়> সঙ্কটে সেখানে গেলে তুমি অপমান হবে। সেখানে গেলে তুমি অপমানিত হবে। অপমান> অপমানিত সেলিনা হোসেন একজন বিদ্বান লেখিকা। সেলিনা হোসেন একজন বিদ্বান লেখক। /সেলিনা হোসেন একজন বিদুষী লেখিকা। বিদ্বান লেখিকা> বিদ্বান লেখক/বিদুষী লেখিকা স্নেহভাজন পুরুষলোককে পত্রের মূল আদিতে কল্যানীয়াসু বলিয়া সম্বোধন করিবে। স্নেহভাজন পুরুষলোককে লিখিত পত্রের আদিতে কল্যাণীয়েষু’ বলিয়া সম্বোধন করিবে। কল্যানীয়াসু> কল্যাণীয়েষু স্বল্পবিদ্যা ভয়ংকরী। অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী। স্বল্পবিদ্যা> অল্পবিদ্যা হাতে ব্যাথা পেয়েছি হাতে ব্যথা পেয়েছি। ব্যাথা> ব্যথা হীন চরিত্রবান লোক পশ্বাধম চরিত্রহীন লোক পশ্বধম । হীন চরিত্রবান> চরিত্রহীন, পশ্বাধম> পশ্বধম হে ত্রিনয়নী আমাকে রক্ষা কর হে ত্রিনয়না, আমাকে রক্ষা কর । ত্রিনয়নী> ত্রিনয়না
কোন বাক্যটিতে ভুল নেই ?
Correct Answer:
ক: দরিদ্রতা অভিশাপ
Explanation:
কোন বাক্যটিতে ভুল নেই ? সঠিক উত্তর দরিদ্রতা অভিশাপ সঠিক বাক্যগুলো হবে - দরিদ্রতা অভিশাপ। ফুল দেখতে সুন্দর। ভুল লিখতে ভুল করো না। শনিতে অশনি দেখতে পেলাম।
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Correct Answer:
গ: সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল
Explanation:
কোন বাক্যটি শুদ্ধ? সঠিক উত্তর সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল শুদ্ধ বলা বা লেখা সৃজনশীল কাজ। আর এই শুদ্ধ বলা বা লেখা নির্ভর করে ব্যাকরণের ওপর। ব্যাকরণ ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত ও শৃংখলাবদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলে। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ বলে বা লেখে। ব্যাকরণজ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ অর্থাৎ অপপ্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। ভাষা অপপ্রয়োগের ক্ষেত্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাষার অপপ্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ১. শব্দ রূপান্তজাত অপপ্রয়োগ: দৈন্যতা, মাধুর্যতা, সমসাময়িক, উদ্ধেলিত, চোখের দৃষ্টিশক্তি, মাতাহারা। ২. শব্দদ্বিত্ব অপপ্রয়োগ : শুধু/কেমলমাত্র, অশ্রুজল, ঘামজল, ভুলত্রুটি, ভুলভ্রান্তি। ৩. সংখ্যাজাত অপপ্রয়োগ : ১ জুলাই/১লা জুলাই। ৪. বচনজাত অপপ্রয়োগ : বড় বড় মানুষরা সব, সকল/সমস্ত /সব যুদ্ধাপরাধীদের। ৫. নির্দেশকজাত অপপ্রয়োগ : এই লোকটি। ৬. সন্ধিজাত অপপ্রয়োগ : লজ্জাস্কর, ইতিমধ্যে, উল্লেখিত, দুরাবস্থা। ৭. সমাসজাত অপপ্রয়োগ : দেশ ও বিদেশে। ৮. উপসর্গজাত অপপ্রয়োগ : সুস্বাগতম, অক্লান্তি হীনভাবে, উপ - পরিচালক। ৯. বিভক্তিজাত অপপ্রয়োগ : আমাদেরকে, তাদেরকে, নারীদেরকে, বাড়িতে। ১০. প্রত্যয়জাত অপপ্রয়োগ : দৈন্যতা, দারিদ্রতা। ১১. চিহ্নজাত অপপ্রয়োগ : সুন্দরী বালিকা, আসমা অস্থিরা, অভাগিনী, কাঙালিনী। ১২. পক্ষজাত অপপ্রয়োগ : আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। ১৩. কারকজাত অপপ্রয়োগ : ছুরিতে, আমের কাননে। ১৪. বিসর্গজাত অপপ্রয়োগ : পুন:প্রচার। ১৫. সমোচ্চারিত অপপ্রয়োগ : তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। ১৬. বাক্যজাত অপপ্রয়োগ : আমি স্বচক্ষে/নিজের চোখে। ১৭. বাচ্যজাত অপপ্রয়োগ : সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়। ১৮. এককথায় প্রকাশ অপপ্রয়োগ : চারিদিকে প্রদক্ষিণ, হাতে কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা। ১৯. প্রবাদ অপপ্রয়োগ : স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ২০. বাগধারা অপপ্রয়োগ : পাকা ধানে আগুন দেয়া। ২১. বানান ও উচ্চারণ অপপ্রয়োগ : প্রাণীজগৎ, কীভাবে, পৃথিবীব্যাপী, স্ত্রীবাচক, শশীভূষণ, মন্ত্রীসভা, স্বামীগৃহ, গুণীজন, নদীতীর, নদীমাতৃক, বৈশাখীমেলা, আগামীকাল। সমাসবদ্ধ শব্দের বানান লেখা হয় ঈ - কার দিয়ে। ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে ঈ - কার হয়ে যায় ই - কার। ঊ - কার হয়ে যায় উ - কার। ণ - হয়ে যায় ন। য - ফলা থাকে না। যেমন: ঘরনি, কানাই/কানু, বোশেখি, সুয্যি, সোনা, সন্ধে ইত্যাদি। প্রাদেশিক ও বিদেশি শব্দ হলে /ছ/য/ণ/ষ/ঞ্জ/ঞ্চ/ ঈ - কার/উ - কার বসে না তবুও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন: লুংগি, ডেংগু, ঠান্ডা, ঝান্ডা, লন্ঠন, মিসরি, পসন্দ, নামাজ, ওজু, ইস্টার্ন, স্টোর, ইনজিন, ইনজিনিয়ার, সেনচুরি, তির (ধনুক অর্থে, পাড় অর্থে নয়), অ্যাকাডেমি/এ্যাকাডেমি/একাডেমি, রসুল, নুর ইত্যাদি। সংস্কৃতশব্দে য - ফলা চল আছে কিন্তু ইংরেজি শব্দে নাই তবু লেখা হচ্ছে। যেমন: ইস্যু, টিস্যু, গ্যেটে, স্যার। ইংরেজি শব্দকে তদ্ভব করে লেখা হচ্ছে। যেমন: হসপিটাল>হাসাপাতাল, চকোলেট>চকলেট। শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সংস্কৃত সহিত থেকে ‘সঙ্গে বা সাথে’র উৎপত্তি। নিয়ম আছে গদ্যে ‘সঙ্গে’ আর পদ্যে ‘সাথে’ ব্যবহার করতে হবে তবে এখন সর্বত্রই ‘সঙ্গে’ ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার বিশেষণ সাধারণত পদক্রম অনুসারে বিশেষ্যের আগে বসে। যেমন: খাঁটি গরুর দুধ। ‘কী খাঁটি’ প্রশ্ন করলে পাওয়া যায় গরুর দুধ (সংস্কৃত গোদুগ্ধ)। অনেকেই বর্তমানে এই বাক্যকে ভুল মনে করে শুদ্ধ করে লেখেন গরুর খাঁটি দুধ। ইংরেজিতে লেখা হয় Fresh/Pure Milk অর্থাৎ খাঁটি দুধ। লেখা হয় না Fresh /Pure Cow Milk। সাধারণত গরুর দুধই বিক্রি হয় অন্য দুধ নয়। তাই গরুর খাঁটি লেখার প্রয়োজন হয় না। খাঁটি দুধ—লেখলেই হয়। বিভিন্নভাবে বাক্য অুশুদ্ধ হতে পারে।
শুদ্ধ বাক্য নির্দেশ করুন--
Correct Answer:
খ: দীনতা প্রশংসনীয় নয়
Explanation:
শুদ্ধ বাক্য নির্দেশ করুন-- সঠিক উত্তর দীনতা প্রশংসনীয় নয় 'দৈন্যতা ' শব্দটি অশুদ্ধ।
কোন বাক্যটি শুদ্ধ প্রয়োগ হয়েছে ?
Correct Answer:
ক: অন্যায়ের ফল অনিবার্য
Explanation:
কোন বাক্যটি শুদ্ধ প্রয়োগ হয়েছে ? সঠিক উত্তর অন্যায়ের ফল অনিবার্য অশুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। শুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অশুদ্ধ: অন্যায়ের ফল দুর্নিবার্য। শুদ্ধ: অন্যায়ের প্রতিফল অনিবার্য। অশুদ্ধ: সে অপমান হইয়াছে। শুদ্ধ: সে অপমানিত হইয়াছে। অশুদ্ধ: উত্পন্ন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন। শুদ্ধ: উত্পাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন।
'বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর' বাক্যটির শুদ্ধরুপ কোনটি?
Correct Answer:
গ: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
Explanation:
'বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর' বাক্যটির শুদ্ধরুপ কোনটি? সঠিক উত্তর বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ 'বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর' বাক্যটির শুদ্ধরুপ - বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। প্রশ্নে প্রদত্ত অন্যান্য অপশনগুল ভুল রয়েছে।
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ ?
Correct Answer:
ঘ: পরবর্তীতে তার সাথে আমার আর সাক্ষাৎ হয়নি
Explanation:
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ ? সঠিক উত্তর পরবর্তীতে তার সাথে আমার আর সাক্ষাৎ হয়নি পরবর্তীতে তার সাথে আমার আর সাক্ষাত হয় নি - বাক্যটি সঠিক। এখানে সাধু রীতি বা চলিত রীতির মিশ্রণ ঘটে নি, শুধু চলিত রীতি ব্যবহার করা হয়েছে, তাই বাক্যটি গুরুচণ্ডালী দোষ মুক্ত। আবার তৎসম এবং বাংলা শব্দের মিশ্রণ হয় নি, তাই বাহুল্য দোষমুক্ত।
কোন বাক্যটি শুদ্ধ ?
Correct Answer:
ক: দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা
Explanation:
কোন বাক্যটি শুদ্ধ ? সঠিক উত্তর দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা সঠিক বাক্য: দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা। কারণ, দারিদ্র্য শব্দটি এখানে বিশেষ্য রূপে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সঠিক। দারিদ্র্য / দরিদ্রতা = বিশেষ্য পদ দরিদ্র - বিশেষণ পদ।
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ নয়?
Correct Answer:
ঘ: 'আমি যেয়ে দেখি সব শেষ'?
Explanation:
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ নয়? সঠিক উত্তর 'আমি যেয়ে দেখি সব শেষ'? ভুল বাক্য - আমি যেয়ে দেখি সব শেষ? প্রদত্ত বাক্যটি একটি বিবৃতি মূলক বাক্য। বিবৃতি মূলক বাক্য সাধারণত হ্যাঁবাচক বা না বাচক হতে পারে। কিন্তু বিবৃতমূলক বাক্যে প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয় না, তাই প্রদত্ত বাক্যটি ভুল।
কোনটি শুদ্ধ বাক্য ?
Correct Answer:
ক: বৃক্ষটি সমূলে উৎপাটিত হয়েছে
Explanation:
কোনটি শুদ্ধ বাক্য ? সঠিক উত্তর বৃক্ষটি সমূলে উৎপাটিত হয়েছে 'বৃক্ষটি সমূলে উৎপাটিত হয়েছে' - বাক্যটি শুদ্ধ। অন্য বাক্যগুলােকে শুদ্ধ করলে হবে তােমার সঙ্গে গােপন কথা আছে। মেয়েটি দারুশ বুদ্ধিমতী, আজকাল বিদূষী মহিলার অভাব নেই।
শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ করুন।
Correct Answer:
গ: তিনি সাক্ষ্য দেবেন না।
Explanation:
শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ করুন। সঠিক উত্তর তিনি সাক্ষ্য দেবেন না। সঠিক বাক্য - " তিনি সাক্ষ্য দেবেন না"। কারণ, বাক্যটিতে সাধুরীতি ও চলিত রীতির মিশ্রণ নেই অর্থাৎ গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত। আবার কর্তার পর ক্রিয়া বসে মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করছে। তাই প্রদত্ত বাক্যটি সঠিক।
শুদ্ধ বাক্য কোনটি
Correct Answer:
খ: দীনতা প্রশংসনীয় নয়
Explanation:
শুদ্ধ বাক্য কোনটি সঠিক উত্তর দীনতা প্রশংসনীয় নয় 'দীন' শব্দটি বিশেষণ। যার অর্থ দরিদ্র, গরিব, অভাবগ্রস্ত, নিঃসম্বল ,করুণ ,কাতর, হীন,নীচ, অনুদার, ভীরু, অভাব প্রভৃতি । 'দৈন্য' শব্দটি বিশেষ্য। যার অর্থ দীনতা, দারিদ্র্য,দুরবস্থা, অভাব, অপ্রাচুর্য, হীনতা, কৃপণতা, সংকীর্ণতা ,কাতরতা প্রভৃতি। 'দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়' বাক্যটি প্রত্যয়ঘটিত অশুদ্ধ দোষে দুষ্ট। কাজেই 'দীনতা প্রশংসনীয় নয়' বাক্যটি প্রত্যয়ঘটিত শুদ্ধ বাক্য।
কোন বাক্যটি শুদ্ধ তা নির্দেশ করুন।
Correct Answer:
গ: কৃত্তিবাস বাংলা রামায়ণ লিখেছেন
Explanation:
কোন বাক্যটি শুদ্ধ তা নির্দেশ করুন। সঠিক উত্তর কৃত্তিবাস বাংলা রামায়ণ লিখেছেন সঠিক বাক্য হলো - কৃত্তিবাস বাংলা রামায়ণ লিখেছেন। বাল্মিকী রামায়ণের প্রথম অনুবাদক। এবং এর শ্রেষ্ঠ অনুবাদক হলো কৃত্তিবাস।
শুদ্ধ বাক্যটি নির্ণয় করুন।
Correct Answer:
ক: দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা
Explanation:
শুদ্ধ বাক্যটি নির্ণয় করুন। সঠিক উত্তর দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা। দারিদ্র্য এবং দরিদ্রতা - এ দুটি শব্দই সঠিক এবং বাক্যে সঠিক ভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই (ক) ও (খ) দুটিই সঠিক।
”বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর”- বাক্যটির শুদ্ধরূপ কোনটি?
Correct Answer:
খ: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
Explanation:
”বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর”- বাক্যটির শুদ্ধরূপ কোনটি? সঠিক উত্তর বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ সঠিক বাক্য:বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। যখন দুইয়ের মধ্যে তুলনা করা হয় তখন "শ্রেষ্ঠতর" ব্যবহার করা হত,কিন্তু এখানে দুইয়ের মধ্যে তুলনা করা হয় নাই।তাই "শ্রেষ্ঠ " শব্দটি বাক্যকে সঠিক করেছে।
শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ করুন-
Correct Answer:
গ: গরু-ছাগলের বিরাট হাট
Explanation:
শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ করুন- সঠিক উত্তর গরু-ছাগলের বিরাট হাট শুদ্ধ বাক্য - গরু ছাগলের বিরাট হাট। কারণ,বাক্য গঠনের রীতি অনুযায়ী প্রথমে কর্তা বা উদ্দেশ্য ( গরু ছাগলের) থাকে এবং শেষে বিধেয় (বিরাট হাট) থাকে।আবার এখানে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ নেই,তাই গুরুচণ্ডালী দোষ মুক্ত।
শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ করুন?
Correct Answer:
খ: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত
Explanation:
শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ করুন? সঠিক উত্তর আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত। ( অশুদ্ধ) = আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।(শুদ্ধ)
”গরু মাংস খায়” বাক্যটি অশুদ্ধ কেন?
Correct Answer:
খ: যোগ্যতার অভাব
Explanation:
”গরু মাংস খায়” বাক্যটি অশুদ্ধ কেন? সঠিক উত্তর যোগ্যতার অভাব ভাষার বিচারে বাক্যের তিনটি গুণ থাকে। যোগ্যতা বাক্যের একটি গুন। যোগ্যতা হলো বাক্যের পদ সমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মিলবন্ধন ।প্রদত্ত বাক্যটি যোগ্যতা হারিয়েছে। কারণ গরু মাংস খায় না ।
নিচের যে বাক্য সংকোচনটি অশুদ্ধ -
Correct Answer:
গ: অতি উচ্চ ক্রূর হাসি= দৃপ্তহাসি
Explanation:
নিচের যে বাক্য সংকোচনটি অশুদ্ধ - সঠিক উত্তর অতি উচ্চ ক্রূর হাসি= দৃপ্তহাসি অশুদ্ধ এক কথায় প্রকাশটি হচ্ছে - অতি উচ্চ ক্রূর হাসি - দৃপ্তহাসি। কারণ অতি উচ্চ ক্রূর হাসি কে বলা হয় অট্টহাসি।
নিম্নের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
Correct Answer:
গ: বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ
Explanation:
নিম্নের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ? সঠিক উত্তর বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ অশুদ্ধ বাক্য: বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। শুদ্ধ বাক্য: বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। কারণ উন্নতশীল অশুদ্ধ, শুদ্ধ বিশেষ্য পদ উন্নয়নশীল।
'এমন অসহ্যনীয় ব্যথা আমি কখন ও অনুভব করি নাই'। - বাক্যটির শুদ্ধরুপ কোনটি?
Correct Answer:
ক: এমন অসহ্য ব্যথা আমি আর কখন ও অনুভব করি নাই
Explanation:
'এমন অসহ্যনীয় ব্যথা আমি কখন ও অনুভব করি নাই'। - বাক্যটির শুদ্ধরুপ কোনটি? সঠিক উত্তর এমন অসহ্য ব্যথা আমি আর কখন ও অনুভব করি নাই অসহনীয় অর্থ সহ্য করা যায় না এমন, অসহ্য অর্থ ও সহ্য করা যায় না এমন । তবে অসহ্যনীয় বলে কোনো শব্দ নেই।
'বৃক্ষটি সূলসহ উৎপাটিত হয়েছে।' - বাক্যটির শুদ্ধরুপ কোনটি?
Correct Answer:
ঘ: খ ও গ উভয়ই
Explanation:
'বৃক্ষটি সূলসহ উৎপাটিত হয়েছে।' - বাক্যটির শুদ্ধরুপ কোনটি? সঠিক উত্তর খ ও গ উভয়ই সমূল অর্থ মূলসহ বোঝায়, তাই 'সমূলসহ' বললে সেটা অপপ্রয়োগ হয়। সমুলসহ বাহুল্য দোষপুষ্ট। তাই সঠিক হবে শুধু 'সমূল' অথবা 'মূলসহ'।
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
Correct Answer:
খ: লোকটি নিরপরাধী কিন্তু নিরহঙ্কারী নয়
Explanation:
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ? সঠিক উত্তর লোকটি নিরপরাধী কিন্তু নিরহঙ্কারী নয় অশুদ্ধ বাক্য - লোকটি নিরপরাধী কিন্তু নিরহংকারী নয়। সঠিক বাক্য হবে - লোকটি অপরাধি কিন্তু অহংকারী নয়।
নিচের কোনটি 'কলহ' এর প্রতিশব্দ নয়?
Correct Answer:
গ: কাটরা
নিচের শুদ্ধ বাক্যটি হলো-
Correct Answer:
ক: ব্যাধিই সংক্রামক,স্বাস্থ্য নয়
Explanation:
নিচের শুদ্ধ বাক্যটি হলো- সঠিক উত্তর ব্যাধিই সংক্রামক,স্বাস্থ্য নয় শুদ্ধ বাক্য - ব্যাধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়। অন্যদিকে b, c ও d বাক্যে ধূম্রপান, একত্রিত ও বিবাহবার্ষিক শব্দের স্থলে ধূমপান, একত্র ও বিবাহবার্ষিকী হলে বাক্য তিনটি শুদ্ধ হতো।
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Correct Answer:
খ: অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
সাধু ভাষায় কোন বাক্যটি শুদ্ধ ?
Correct Answer:
খ: সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না
Explanation:
সাধু ভাষায় কোন বাক্যটি শুদ্ধ ? সঠিক উত্তর সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়ে থাকে। যেমন—আসিবে, বলিয়া, করিতেছি, খাইতেছি, তাহারা ইত্যাদি।
শুদ্ধ বাক্য নয় কোনটি?
Correct Answer:
গ: অকারণে ঋণ করিও না।
Explanation:
শুদ্ধ বাক্য নয় কোনটি? সঠিক উত্তর অকারণে ঋণ করিও না। 'অকারণে ঋণ করিও না' এর শুদ্ধরূপ হলো 'অকারণে ঋণ কোরো না'।
কোন বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ?
Correct Answer:
ক: তুমি কী করবে সেটা কি তুমি জান না?
কোনটি অশুদ্ধ বাক্য
Correct Answer:
খ: দেশের দারিদ্র দূর করতে হবে
Explanation:
কোনটি অশুদ্ধ বাক্য সঠিক উত্তর দেশের দারিদ্র দূর করতে হবে দারিদ্র্য, দরিদ্র, দরিদ্রতা, দারিদ্রতা সঠিক।
কোন বাক্য অশুদ্ধ ?
Correct Answer:
গ: লোকিটি নিরপরাধী
নিচের কোন বাক্যটি প্রয়োগগত দিক থেকে শুদ্ধ?
Correct Answer:
গ: তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল
Explanation:
নিচের কোন বাক্যটি প্রয়োগগত দিক থেকে শুদ্ধ? সঠিক উত্তর তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল বাকী অপশন এর ক্ষেত্রে সাতে, সতের নয় বরং সাতে, পাঁচে হবে। স্বপরিবারে নয় সপরিবারে হবে।
সঠিক কোনটি?
Correct Answer:
খ: চলাকালে
কোনটি শুদ্ধ বাক্য নয়?
Correct Answer:
খ: সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ আমাদের একান্ত কাম্য
Explanation:
কোনটি শুদ্ধ বাক্য নয়? সঠিক উত্তর সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ আমাদের একান্ত কাম্য সমৃদ্ধ শব্দটি বিশেষণ; এর বিশেষ্য রূপ সমৃদ্ধি। সমৃদ্ধশালী শব্দটি ভুল।
শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন -----
Correct Answer:
গ: বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্রের শিকার হন
Explanation:
শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন ----- সঠিক উত্তর বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্রের শিকার হন বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ: শুদ্ধ বলা বা লেখা সৃজনশীল কাজ। আর এই শুদ্ধ বলা বা লেখা নির্ভর করে ব্যাকরণের ওপর। ব্যাকরণ ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত ও শৃংখলাবদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলে। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ বলে বা লেখে। ব্যাকরণজ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ অর্থাৎ অপপ্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। ভাষা অপপ্রয়োগের ক্ষেত্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাষার অপপ্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ১. শব্দ রূপান্তজাত অপপ্রয়োগ: দৈন্যতা, মাধুর্যতা, সমসাময়িক, উদ্ধেলিত, চোখের দৃষ্টিশক্তি, মাতাহারা। ২. শব্দদ্বিত্ব অপপ্রয়োগ : শুধু/কেমলমাত্র, অশ্রুজল, ঘামজল, ভুলত্রুটি, ভুলভ্রান্তি। ৩. সংখ্যাজাত অপপ্রয়োগ : ১ জুলাই/১লা জুলাই। ৪. বচনজাত অপপ্রয়োগ : বড় বড় মানুষরা সব, সকল/সমস্ত /সব যুদ্ধাপরাধীদের। ৫. নির্দেশকজাত অপপ্রয়োগ : এই লোকটি। ৬. সন্ধিজাত অপপ্রয়োগ : লজ্জাস্কর, ইতিমধ্যে, উল্লেখিত, দুরাবস্থা। ৭. সমাসজাত অপপ্রয়োগ : দেশ ও বিদেশে। ৮. উপসর্গজাত অপপ্রয়োগ : সুস্বাগতম, অক্লান্তি হীনভাবে, উপ - পরিচালক। ৯. বিভক্তিজাত অপপ্রয়োগ : আমাদেরকে, তাদেরকে, নারীদেরকে, বাড়িতে। ১০. প্রত্যয়জাত অপপ্রয়োগ : দৈন্যতা, দারিদ্রতা। ১১. চিহ্নজাত অপপ্রয়োগ : সুন্দরী বালিকা, আসমা অস্থিরা, অভাগিনী, কাঙালিনী। ১২. পক্ষজাত অপপ্রয়োগ : আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। ১৩. কারকজাত অপপ্রয়োগ : ছুরিতে, আমের কাননে। ১৪. বিসর্গজাত অপপ্রয়োগ : পুন:প্রচার। ১৫. সমোচ্চারিত অপপ্রয়োগ : তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। ১৬. বাক্যজাত অপপ্রয়োগ : আমি স্বচক্ষে/নিজের চোখে। ১৭. বাচ্যজাত অপপ্রয়োগ : সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়। ১৮. এককথায় প্রকাশ অপপ্রয়োগ : চারিদিকে প্রদক্ষিণ, হাতে কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা। ১৯. প্রবাদ অপপ্রয়োগ : স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ২০. বাগধারা অপপ্রয়োগ : পাকা ধানে আগুন দেয়া। ২১. বানান ও উচ্চারণ অপপ্রয়োগ : প্রাণীজগৎ, কীভাবে, পৃথিবীব্যাপী, স্ত্রীবাচক, শশীভূষণ, মন্ত্রীসভা, স্বামীগৃহ, গুণীজন, নদীতীর, নদীমাতৃক, বৈশাখীমেলা, আগামীকাল। সমাসবদ্ধ শব্দের বানান লেখা হয় ঈ - কার দিয়ে। ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে ঈ - কার হয়ে যায় ই - কার। ঊ - কার হয়ে যায় উ - কার। ণ - হয়ে যায় ন। য - ফলা থাকে না। যেমন: ঘরনি, কানাই/কানু, বোশেখি, সুয্যি, সোনা, সন্ধে ইত্যাদি। প্রাদেশিক ও বিদেশি শব্দ হলে /ছ/য/ণ/ষ/ঞ্জ/ঞ্চ/ ঈ - কার/উ - কার বসে না তবুও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন: লুংগি, ডেংগু, ঠান্ডা, ঝান্ডা, লন্ঠন, মিসরি, পসন্দ, নামাজ, ওজু, ইস্টার্ন, স্টোর, ইনজিন, ইনজিনিয়ার, সেনচুরি, তির (ধনুক অর্থে, পাড় অর্থে নয়), অ্যাকাডেমি/এ্যাকাডেমি/একাডেমি, রসুল, নুর ইত্যাদি। সংস্কৃতশব্দে য - ফলা চল আছে কিন্তু ইংরেজি শব্দে নাই তবু লেখা হচ্ছে। যেমন: ইস্যু, টিস্যু, গ্যেটে, স্যার। ইংরেজি শব্দকে তদ্ভব করে লেখা হচ্ছে। যেমন: হসপিটাল>হাসাপাতাল, চকোলেট>চকলেট। শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সংস্কৃত সহিত থেকে ‘সঙ্গে বা সাথে’র উৎপত্তি। নিয়ম আছে গদ্যে ‘সঙ্গে’ আর পদ্যে ‘সাথে’ ব্যবহার করতে হবে তবে এখন সর্বত্রই ‘সঙ্গে’ ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার বিশেষণ সাধারণত পদক্রম অনুসারে বিশেষ্যের আগে বসে। যেমন: খাঁটি গরুর দুধ। ‘কী খাঁটি’ প্রশ্ন করলে পাওয়া যায় গরুর দুধ (সংস্কৃত গোদুগ্ধ)। অনেকেই বর্তমানে এই বাক্যকে ভুল মনে করে শুদ্ধ করে লেখেন গরুর খাঁটি দুধ। ইংরেজিতে লেখা হয় Fresh/Pure Milk অর্থাৎ খাঁটি দুধ। লেখা হয় না Fresh /Pure Cow Milk। সাধারণত গরুর দুধই বিক্রি হয় অন্য দুধ নয়। তাই গরুর খাঁটি লেখার প্রয়োজন হয় না। খাঁটি দুধ—লেখলেই হয়। বিভিন্নভাবে বাক্য অুশুদ্ধ হতে পারে।
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ ?
Correct Answer:
ক: সবিনয়ে বলছি উল্লিখিত বিষয়ে আমি কিছুই জানি না ।
Explanation:
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ ? সঠিক উত্তর সবিনয়ে বলছি উল্লিখিত বিষয়ে আমি কিছুই জানি না । "দুষ্কৃতকারীদের ভয়ে সদা শঙ্কিত আছি" বাক্যটি গুরুচণ্ডালী দোষে দোষি কারন "সদা" শব্দটি সাধু ভাষার অন্তর্গত যেখানে অন্যান্য শব্দগুলো চলিত ভাষার অন্তর্গত। যার সঠিক রূপ হবে। দুষ্কৃতকারীদের ভয়ে সর্বদা/সবসময় শঙ্কিত আছি ।
' সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন' বাক্যটির শুদ্ধরূপ কোনটি ?
Correct Answer:
ঘ: খ ও গ উভয়েই
Explanation:
[সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন - বাক্যটির শুদ্ধ রূপ: ১/সকল সভ্য এখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রদত্ত বাক্যটি সঠিক কারণ এখানে বহুবচনের (সকল) ব্যবহার একবার হয়েছে। ২/ সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রদত্ত বাক্যটি সঠিক কারণ এখানেও বহুবচন ( গণ) একবার ব্যবহার করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর অপশন (খ) এবং (গ)।]